Category: রাজণীতি

  • আমন্ত্রণ পেয়েই ভারত সফরে গিয়েছি, আনন্দ-ফূর্তি করার জন্য নয়

    আমন্ত্রণ পেয়েই ভারত সফরে গিয়েছি, আনন্দ-ফূর্তি করার জন্য নয়

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো বিদেশি শক্তি আমাদের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে, এটা আশা করি না। তিনি বলেন, আমরা আমন্ত্রণ পেয়েই ভারত সফরে গিয়েছি, আনন্দ-ফূর্তি করার জন্য নয়। দুই দেশের উন্নয়নে আমরা যে কারো সঙ্গে ভালো সম্পর্ক করতে রাজি। তাদের আমন্ত্রণেই আমরা সিরিয়াসলি আলাপ-আলোচনা করতে গেছি।

    আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের ভারত সফর শেষে আজ বিকেলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, পরিষ্কারভাবে একটা কথা বলতে চাই, আমাদের দেশের রাজনীতি নিয়ে আমাদের জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে।  ভারত সফরে যেসব আলোচনা হয়েছে তা কয়েকদিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে প্রকাশ করা হবে।

  • তারেক রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক প্রচার চলছে

    তারেক রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক প্রচার চলছে

    লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই দেশের আইন অনুযায়ী পাসপোর্ট জমা দিয়ে ট্রাভেল পারমিট নিয়েছেন বলে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তবে সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করেছেন মর্মে সরকারের লোকদের পক্ষ থেকে যে প্রচার চালানো হচ্ছে তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক।

    মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১ টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকার ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে দাবি করে ফখরুল বলেন, সরকারের লোকজনের এসব বক্তব্য-বিবৃতির কারণে তারেক রহমানের জীবন এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছে।

    তারেক রহমানে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিষয়ে বর্তমান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম যে অদ্ভুত, যুক্তিহীন ও বেআইনি মন্তব্য করেছেন- আমরা (বিএনপি) তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

    বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সরকার ও সরকারি দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে এটা স্পষ্ট যে, দেশে তারেক রহমানের জীবন নিরাপদ নয়। এমতাবস্থায় তারেক রহমান বিশ্বের অসংখ্য বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সরকার বিরোধী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতোই সাময়িকভাবে বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন এবং সঙ্গত কারণেই তা পেয়েছেন। এই প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই তিনি যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র বিভাগে তার পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। সে দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার পাসপোর্ট জমা রেখে তাকে ট্রাভেল পারমিট দেয়া হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম প্রমুখ।

    এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানে সংবাদ সম্মেলন করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্ত্রী-কন্যাসহ তার নিজের পাসপোর্ট যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমর্পণ করেছেন। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেগুলো লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠিয়েছে।

    তিনি জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওই পাসপোর্টগুলো এখন ঢাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে। বর্তমানে তারেক রহমানের কাছে পাসপোর্ট নেই।

  • খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না

    খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম বলেছেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দুনীর্তি মামলায় আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত। তাই সংবিধান অনুযায়ী তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। এ বিষয়টি নিয়ে কোন বির্তক করা আদালত অবমাননার সামিল। আজ দুপুরে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে মতনিময় সভায় যোগ দানের আগে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান যেহেতু তার পাসপোর্ট নবায়ন না করে সরকারের কাছে ফেরত দিয়েছে। তাহলে প্রশ্ন থাকে তিনি কিভাবে বাংলাদেশের নাগরিক থাকেন(?) । সরকার যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনবে। সে প্রক্রিয়া সরকারই করবে।

    তিনি আরো বলেন, বিএনপি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তাকে যথাযত চিকিৎসা সহ সকল সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। সরকার যদি মনে করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে, তাহলে সরকার তাই করবে।
    পরে তিনি টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে জেলা এবং দেলদুয়ার ও নাগারপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মত বিনিময় করেনে।  এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • গাজীপুরে বিএনপির ‘কাঁটা’ ‘হেফাজত’

    গাজীপুরে বিএনপির ‘কাঁটা’ ‘হেফাজত’

    গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা এস এম সানাউল্লাহ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলেও সাবেক জোটসঙ্গী ইসলামী ঐক্যজোট নেতা ফজলুর রহমান মেয়র পদে লড়াই করছেন। তিনি কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রীক আলোচিত আলোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলামীর গাজীপুরের জেলা আমির।

    ২০১৩ সালে বিএনপির প্রার্থী এম এ মান্নানের হয়ে ভোট চেয়েছিলেন ফজলুর রহমান। এবার মেয়র পদে তিনি ধানের শীষের একজন প্রতিদ্বন্দ্বী।

    ফজলুর রহমান ভোটের লড়াইয়ে হেফাজত পরিচয়টি সামনে না আনলেও তার পক্ষে যারা প্রচার যুদ্ধে নামবেন তাদের একটি বড় অংশই হেফাজতের কর্মী ও সমর্থক। ১৯৯৯ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি, গোলাম আযমের জামায়াতে ইসলামী এবং আজিজুল হকের ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে বিএনপি জোটবদ্ধ হওয়ার পর থেকে ২০১৬ সাল অবধি বর্তমান হেফাজতপন্থীদের ভোট গেছে বিএনপির বাক্সেই। কিন্তু ওই বছরের ৭ জানুয়ারি বিএনপির জোট ছাড়ে ইসলামী ঐক্যজোট। তাই এবারই প্রথম তা পড়বে আলাদা বাক্সে।

    ২০১০ সালে নারীনীতিবিরোধী আন্দোলন করতে গঠন করা হেফাজতে ইসলামী ব্যাপক পরিচিতি পায় ২০১৩ সালে। ওই বছর মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গড়ে উঠা গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে এই আন্দোলনকারীদের ‘নাস্তিক’ দাবি করে হেফাজত পাল্টা আন্দোলনে নামে ১৩ দফা দাবিতে। আর ওই বছরের ৫ মে শাপলা চত্বরে তারা অবস্থান নিয়ে এক পর্যায়ে সরকার পতনের দাবি জানায় তারা।

    ওই রাতে হেফাজত কর্মীদের হটাতে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে সে সময় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর গুজব ছড়ায় আর সেটি সরকারের জন্য তীব্র চাপ তৈরি করে। আর কয়েক মাসের ব্যবধানে খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হেরে যান আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

    ওই নির্বাচনে হেফাজত অনুসারীদের শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ও আবেগী বক্তব্য তখন ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে বলে ধারণা করা হয়।

    হেফাজত নেতারা ওই নির্বাচনের আগে ইসলামী ঐক্যজোটের ব্যানারেই মাঠে নেমে বিএনপির পক্ষে জনসমর্থন নেয়ার চেষ্টা করেন। আর এর সুফলও পায় দেশের বৃহত্তম দুই দলের একটি।

    তখন আওয়ামী লীগের দূর্গ হিসেবে পরিচিত গাজীপুরে ক্ষমতাসীন দলের ডাকসাইটে নেতা আজমত উল্লাহ খানকে দেড় লাখ ভোটে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির এম এ মান্নান।

    আগামী ১৫ মের ভোটকে সামনে রেখে গাজীপুরে প্রার্থী পাল্টেছে বড় দুই দলই। আওয়ামী লীগ এবার মনোনয়ন দিয়েছে গতবারের ‘বিদ্রোহী’ জাহাঙ্গীর আলমকে। আর বিএনপি তার দলীয় প্রতীক দিয়েছে সাবেক জাতীয় পার্টির নেতা হাসানউদ্দিন সরকারকে।

    আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে এই ভোটযুদ্ধে নজর থাকবে সারা দেশের। ১১ লাখেরও বেশি ভোটার অধ্যুষিত এলাকায় গতবার বিএনপির প্রার্থীর বিপুল জয়ে এটিকে আর আওয়ামী লীগের দূর্গ বলার সুযোগ নেই। ফলে এখানে জয় মানেই দেশবাসীর কাছে একটি বার্তা পৌঁছে যাবে, জানা যাবে জনগণের কাছে কোন দলের গ্রহণযোগ্যতা বেশি।

    আর জনপ্রিয়তার এই পরীক্ষায় পাস করতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এখন মরিয়া। বিএনপির শরিক জামায়াতের প্রার্থী এস এম সানাউল্লাহ এবং আওয়ামী লীগের শরিক জাসদের প্রার্থী রাশেদুল হাসান রানাকে ভোটের ময়দান থেকে তুলে দিতে দুই দলই চেষ্টা করেছে আপ্রাণ। এই নির্বাচনী এলাকায় জাসদ বা জামায়াত, কারও বলার মতো ভোট নেই। তারপরও ঝুঁকি নিতে চায়নি আওয়ামী লীগ বা বিএনপি।

    এর মধ্যে বিএনপিকে নিশ্চিতভাবেই হলেও বেকায়দায় ফেলবেন ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী তথা গাজীপুর হেফাজতের আমির ফজলুর রহমান। দেশের অন্যান্য এলাকার মতো এখানেও বিপুল সংখ্যক কওমি মাদ্রাসা রয়েছে এবং তাদের ছাত্র-শিক্ষক এবং অনুসারীদের উল্লৈখযোগ্য সংখ্যক ভোট আছে। আমার মসজিদ মাদ্রাসার সঙ্গে সম্পৃক্তদের একটি বড় অংশই নিশ্চিতভাবে ফজলুর রহমানের পক্ষেই কাজ করবেন, তাকে ভোট দেবেন। যে ভোট ২০১৩ সালে পেয়েছিলেন বিএনপির প্রার্থী এম এ মান্নান।

    ফজলুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আমরা ২০ দলীয় জোট থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছি। স্বতন্ত্রভাবে আমরা নিজেদের মতো করে আন্দোলন সংগ্রাম করছি। ইসলামী ঐক্যজোট এবার নিবন্ধিত দল হিসেবে মেয়র পদে নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।’

    বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, ‘হেফাজত নেতার আলাদা ভোট করা আমাদের জন্য সুখকর নয়। ২০১৩ সালে তারা আমাদেরকে অনেক ভোট এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার আর তা হচ্ছে না, বরং ভোট ভাগ হয়ে যাবে। তবে এতে আমরা চিন্তিত নই। আমরা মনে করি তারপরও ধানের শীষের প্রার্থী এখানে জিতবে।’

    বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ  বলেন, ‘হেফাজতকে নিয়ে আমরা খুব একটা ভাবি না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যেভাবে কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেন, তাতে আমি মনে করি এই ছাত্র-শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তারা এবার আমাদেরকেই নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।’

    আজ মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ভোটের প্রচার। আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম নৌকা, বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার ধানের শীষ, ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান মিনার প্রতীক পাবেন।

    এই নির্বাচনে আরও চার জন প্রার্থী আছেন। এরা হলেন: সিপিবি রুহুল আমিন, ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিন, ইসলামী ঐক্য ফ্রন্টের জালাল উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র ফরিদ উদ্দিন।

    ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১৯টি সংরক্ষিত নারী আসনে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন।

    গাজীপুরে যেদিন ভোট হবে, সেদিন ভোট হবে দণ্ডিণের সবচেয়ে বড় জেলা খুলনা মহানগরেও। সেখানে আওয়ামী লীগের নৌকা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন তালুকদার আবদুল খালেক আর বিএনপির ধানের শীষ পেয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

  • মামলার জালে তারেক

    মামলার জালে তারেক

    পাসপোর্ট নিয়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠানো চিঠি ও তারেক রহমানের পাসপোর্টের ফটোকপিদুর্নীতি, নাশকতা, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহসহ শতাধিক মামলার জালে জড়িয়ে আছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর মধ্যে দুই মামলায় তাকে সাজা দিয়েছে আদালত।

    তার বক্তব্য প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে হাই কোর্টের। অন্তত ১০ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এই ছেলের বিরুদ্ধে। আর পাঁচ মামলায় তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে আদালতের আদেশে। তার বিরুদ্ধে থাকা চাঞ্চল্যকর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারও শেষ পর্যায়ে। এ মামলায় তারেক রহমানের সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ। বিএনপির আইনজীবীরা বলছেন, ন্যায়বিচার হলে খালাস পাবেন তিনি। অন্য মামলাগুলো রয়েছে বিচার ও তদন্ত পর্যায়ে। তারেক রহমানের আইনজীবীরা বলছেন, সরকার তার (তারেক রহমান) জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়েই তাকে মামলার জালে জড়িয়েছে।

    অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, অনেক মামলাই করা হয়েছে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে। অপরাধ করলে তাকে সাজা পেতে হবেই। জানা গেছে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে যৌথ বাহিনী। এর পর তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, আয়কর ফাঁকি, অবৈধ সম্পদ অর্জন, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৫টি মামলা করা হয়। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হয়েই উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান তিনি। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। এই সময়ের মধ্যে তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে দুটি মামলায় সাজা দিয়েছে আদালত।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারেক রহমানের অন্যতম আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া  বলেন, ‘তারেক রহমানের জনপ্রিয়তাকে সরকার বেশি ভয় পায়। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ সরকার একের পর এক মামলা করেছে। এ পর্যন্ত শতাধিক মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক বক্তব্যকে ইস্যু করে বিচারকদের ব্যবহারের মাধ্যমে এসব মামলা করা হয়েছে। সব মামলাই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। আমরা আইনগতভাবে এসব মামলা মোকাবিলা করব।’ অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, প্রতিটি মামলায় আসামিপক্ষ পর্যাপ্ত সময় নিয়েছে। এতে বিচারপ্রক্রিয়ায় অযথা সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। তিনি বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে এর অনেকগুলো বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে করা হয়েছে। আর কেউই তো আইনের ঊর্ধ্বে নয়, অপরাধ করলে মামলা তো হবেই। রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী বলেন, তারেক রহমান বিদেশে পালিয়ে আছেন। তার বিরুদ্ধে সাজা হয়েছে। এখন দেশে না এসে এসব মামলা মোকাবিলা করার কোনো সুযোগ তার নেই।

    দুই মামলায় দণ্ডিত : ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা পাচারের অভিযোগে তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদক ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করে। ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন এ মামলার রায়ে তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন। আর গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে দেওয়া হয় সাত বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা করা ৪০ কোটি টাকা। তারেকের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক ওই বছর ৫ ডিসেম্বর হাই কোর্টে আপিলের আবেদন করে। হাই কোর্ট আপিল নিষ্পত্তি করে ২০১৬ সালের ২১ জুলাই তারেক রহমানের খালাসের রায় বাতিল করে তাকে সাত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। একই সঙ্গে ২০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেয়।

    পরবর্তী সময়ে রায়ের অনুলিপি নিম্ন আদালতে আসার পর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা আত্মসাতের অভিযোগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি করে দুদক। এ মামলায় তারেক রহমানসহ পাঁচজনকে ১০ বছর এবং তার মা খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এ মামলায় তারেক রহমান পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। আসামিদের অর্থদণ্ডও করা কারা হয়েছে।

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা এবং এতে ২২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরণ দ্রব্য আইনে পৃথক দুটি মামলা করে পুলিশ। বর্তমান সরকারের আমলে এ দুটি মামলার সম্পূরক চার্জশিটে তারেক রহমানকেও আসামি করা হয়। সম্পূরক চার্জশিটে তারেক রহমান ছাড়াও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়। দুই চার্জশিটে এ মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২। ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডির প্রথম চার্জশিটে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান, বিএনপি সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটির বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে। এ মামলায় তারেক রহমানসহ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

    রাষ্ট্রদ্রোহের ১০ মামলা : ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি লন্ডনে একটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ওই বছর ৮ জানুয়ারি তারেক রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে মামলাটি করে পুলিশ। এর আগে ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইস্ট লন্ডনের অস্ট্রিয়ামে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বলছি, শেখ মুজিব রাজাকার, খুনি ও পাকবন্ধু ছিলেন।’ এতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন জেলা আদালতে ৪৪টি মামলা হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহের নয়টি মামলার অনুমোদন দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    সারা দেশে মানহানি মামলা : ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় যে ৪৪টি মামলা হয়েছিল, এর মধ্যে ৩৫টি মানহানির। তারেক রহমানের ওই বক্তব্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পরিবার ও তার আদর্শ মেনে চলা মানুষদের সম্মানহানি ঘটেছে উল্লেখ করে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০৪ ধারায় মামলা করা হয়। এর পরও বিভিন্ন স্থানে আরও মানহানি মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা।

    অবৈধ সম্পদ অর্জন : অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় তারেকের স্ত্রী জোবায়দা রহমানকেও আসামি করা হয়েছে।

    ঘুষ গ্রহণ : একটি হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে নিতে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ২০০৭ সালে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুদক।

    কর ফাঁকি : কর ফাঁকির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার বিশেষ আদালতে মামলা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

    ঋণখেলাপি : তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ মামলা হয় ২০১২ সালের ২ অক্টোবর। ঋণ খেলাপের অভিযোগে মামলাটি করে সোনালী ব্যাংক।

    চাঁদাবাজির ১১ মামলা : বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতারের পর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে গুলশান, কাফরুল, শাহবাগ ও ধানমন্ডি থানায় চাঁদাবাজি, হুমকিসহ ফৌজদারি আইনে ১১টি মামলা হয়।

  • বিএনপির অনেক নেতাই এখন জাতীয় পার্টিতে যোগ দেবে: এরশাদ

    বিএনপির অনেক নেতাই এখন জাতীয় পার্টিতে যোগ দেবে: এরশাদ

    আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টিই সম্ভাবনাময় শক্তি জানিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, বিএনপির অনেক নেতাই এখন জাতীয় পার্টিতে (জাপা) যোগ দেবেন। দেশের সবখানেই এখন অস্থিরতা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ আবার জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে শান্তিময় সরকার দেখতে চায়।

    আজ সকালে রাজধানীর বারিধারায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এটিএম আলমগীরের জাতীয় পার্টিতে যোগদান অনুষ্ঠানে এরশাদ এসব কথা বলেন।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আরও বলেন, এখন আর নির্বাচন হয় না। নির্বাচনের নামে সিল মারা হয়। আশা করি, আগামী নির্বাচনে কেউ সিল মারতে পারবে না। কারণ, সারাবিশ্ব এখন ওই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের মানুষও পরিবর্তন চায়।

    এসময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • তারেকের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার প্রমাণ চান রিজভী

    তারেকের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার প্রমাণ চান রিজভী

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে তার পাসপোর্ট জমা দিয়ে থাকলে তা জাতির সামনে উপস্থাপন করুন। সোমবার সকালে দলের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    রিজভী বলেন, আপনারা ক্ষমতায় আছেন, হাইকমিশনতো সরকারের নিয়ন্ত্রণে। তাহলে তারেক রহমান জমা দিয়ে থাকলে সেটি প্রদর্শন করে সবাইকে দেখান। কই সেটা তো পারলেন না।

    তিনি বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুশি করতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহারীয়ার আলম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারেক রহমানের পাসপোর্ট জমা দেয়ার যে উড়ো খবর দেয়া হয়েছে তার জন্য আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বিএনপির এ নেতা বলেন, বিদেশে বাংলাদেশ হাইকমিশনে তারাই পাসপোর্ট জমা দেন যারা বিদেশীদের বিয়ে করে সে দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। যিনি বিএনপি ও জিয়া পরিবারেরে বিরুদ্ধে মিথ্যচার করছেন তার সন্তান ও পরিবারের সদস্যরাই বিদেশীদের বিয়ে করে সেসব দেশে আবাস গড়েছে।

    তিনি বলেন, আসলে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও অনর্গল মিথ্যা বলার যে একটি ‘সেন্টার অব এক্সসেলেন্স’ সেটি আবারও প্রমাণ করলো। প্রধানমন্ত্রীকে খুশী করতেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নির্জলা মিথ্যা কথাটি বলেছে। পাসপোর্ট সারেন্ডার করে তারাই যাদের ছেলে মেয়েরা বিদেশীদের বিয়ে করে বিদেশেই নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। বিদেশেই বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থাকে।

    টিউলিপের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকী গর্বের সঙ্গে নিজেকে বৃটিশ বলতেই ভালোবাসেন, বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে নয়। আওয়ামী নেতারা নিজেদের সন্তানদেরকে বিদেশীদের সাথে বিয়ে দিয়ে আত্মশ্লাঘা লাভ করেন। যারা বাংলা ভাষা, আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে মার্কেটিং করতে সদা তৎপর, অথচ তারাই কোন চেতনায় বিদেশীদের কাছে সন্তানদের বিয়ে দিচ্ছেন। সেই চেতনাটি কী সেটি ক্ষমতাসীনদেরকে পরিস্কার করা উচিৎ। পৈশাচিক একদলীয় শাসনের বর্বর আস্ফালনে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে যাতনা দিচ্ছেন জনগণকে।

    সরকারেরর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জুলুম ও নিপীড়ণের বেড়াজালে দেশকে বন্দী করার জন্যই আজ আওয়ামী সরকার স্বৈরাচারী হিসেবে আন্তর্জাতিক খেতাবপ্রাপ্ত হয়েছে। মেগা প্রজেক্টের নামে দুর্নীতির টাকা আর সম্পদে ভরপুর হওয়াতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবাজ হিসাবেও খেতাবপ্রাপ্ত। অন্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে নিজেদের পাপকে ঢেকে রাখা যায় না, সেটি বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে।

    রিজভী বলেন, জিয়া পরিবারের কেউ বিদেশীদের বিয়ে করেননি। পৃথিবীর কোন দেশে তাঁরা কোন নাগরিকত্ব গ্রহণও করেননি। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের পাসপোর্ট হাইকমিশনে জমার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে উড়ো, অবান্তর কথা বলেছে, তার জন্য আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, কিন্তু তারা নিজেরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসকারী দল। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমদ।

  • বরিশালে ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীর জামিন শুনানিতে ৫০ আইনজীবী, হল না জামিন

    বরিশালে ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীর জামিন শুনানিতে ৫০ আইনজীবী, হল না জামিন

    বরিশালে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) এর সদস্য সচিব ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীর জামিন শুনানিতে আদালতের অর্ধশতাধিক আইনজীবী অংশগ্রহণ করেছে। আজ রবিবার বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের বিচারক শুনানি শেষে ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীসহ ৬ জনের জামিন এর আদেশ পুলিশের জব্ধ তালিকা পাওয়ার শর্তে আগামীকাল আদেশের জন্য রেখে দেন।

    জামিন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন, বরিশাল আদালতের গভমেন্ট প্লিডার (জিপি) এড. ইসমাইল হোসেন নেগাবান, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. ওবায়েদুল্লাহ সাজু, সিনিয়র আইনজীবী তপন চক্রবর্তী, আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এড. কাজী মুনিরুল হাসান, এড. একে আজাদ, এড. নীলা চক্রবর্তী, এড. হিরন কুমার দাস মিঠু, এড. আব্দুল হাই মাহবুব সহ প্রায় অর্ধশতাধিক আইনজীবী।

    আদালতের বরাত দিয়ে আইনজীবী একে আজাদ বলেন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিকত দল (বাসদ) এর বরিশাল জেলা শাখার আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবসহ ৬ জনের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ জব্ধ তালিকা আদালতে উপস্থান না করায় বিচারক আগামীকাল আদেশের জন্য রেখে দেন।

    উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ ব্যাটারী চালিত রিক্সার উচ্ছেদের প্রতিবাদে শ্রমিকদের ভুখা মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীসহ ৬ জনকে আটক করে পুলিশ। ওই দিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ৬৬ জনের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধাঁ প্রদানের অভিযোগে মামলা দায়ের করে।

  • বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলনে আগ্রহ হারাচ্ছে

    বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলনে আগ্রহ হারাচ্ছে

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ডাকা বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রথম দিকে বেশ সরব ছিলেন দলটির নেতাকর্মীরা। সে সময় নেয়া কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু আস্তে আস্তে যেন তারা ঝিমিয়ে পড়েছেন। খোদ দলটির কেউ কেউ মনে করছেন, এখন আর আন্দোলন তেমন হচ্ছে না।

    সম্প্রতি সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অসুস্থতা, তার মায়ের মৃত্যুর পাশাপাশি, পুলিশ হেফাজতে ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের মৃত্যুর অভিযোগ নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে। কৌশলগত কারণে বিএনপি এখন ঢাকার বাইরে কর্মসূচি পালন করছে।

     

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া কারগারে যাওয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকে ওই মাসে টানা ১৩ দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এর মধ্যে মানববন্ধন, কালো পতাকা প্রদর্শন, বিক্ষোভ-সমাবেশ ছিল উল্লেখযোগ্য।

    গত ৯ ফেব্রুয়ারি জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরের দিন ঠিক একই স্থান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি দৈনিক বাংলার মোড় অতিক্রম করে ফকিরাপুল পানির ট্যাঙ্কির সামনে গেলে পুলিশ তা পণ্ড করে দেয়।

     

    ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ১৩ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি, ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি, ১৭ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, ১৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ, ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বাইরে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে দলটি।

    ২৪ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি পালনের সময় পুলিশি বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার থানাগুলোতে প্রতিবাদ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই দিন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন না করে দলটির নেতাকর্মীরা ফটোসেশনে ব্যস্ত থাকেন।

    এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পহেলা মার্চ সারাদেশে লিফলেট বিতরণ করে বিএনপি। ৬ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে আটক করা হয়। এদিন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা অস্ত্র উঁচিয়ে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে শফিউল বারীকে আটক করে নিয়ে যায়।

     

    দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয় এসব কর্মসূচি চলাকালে তাদের বেশকিছু নেতাকর্মী গ্রেফতার হন। অনেকে হয়রানি আতঙ্কে গাঢাকা দেন। বিশেষ করে পুলিশ হেফাজতে ছাত্রনেতা জাকির হোসেন মিলনের মৃত্যুর অভিযোগ সামনে আসার পর নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ১২ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আবারও সমাবেশের কথা বলা হলেও শেষপর্যন্ত সেটাও সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ঢাকার বাইরে সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপি তাদের আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। ইতোমধ্যে বরিশাল, খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরে বিএনপি জনসভা করেছে।

    ঢাকার বাইরে জনসভা করলেও রাজধানীতে সেই পরিস্থিতি নেই বলে জানান দলের শীর্ষ নেতারা। যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে বিএনপির দফতরের দায়িত্বে থাকাকালে অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ কিছু সংগঠনকে ‘ভুঁইফোঁড়’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। সেসব সংগঠনের ব্যানারে বর্তমানে জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কেন্দ্রীক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

     

    গত ২০ মার্চ বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ দলীয়প্রধানের মুক্তি আন্দোলনের গতি বাড়ানোর তাগিদ দেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘যেহেতু সুপ্রিম কোর্ট দেশের উচ্চতর আদালত; আমরা পছন্দ করি আর না করি, তাদের রায় আমাদের মেনে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে সময় এসেছে কতদিন আর আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করব? একটা পর্যায় আসবে দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন আর চাইবে না। তখন বাধ্য হয়ে আমাদের তাদের সঙ্গে থাকতে হবে।’

    এর আগে ১৬ মার্চ বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, চিকিৎসকরা প্রস্তুত হলে সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি এখন আঙুল বাঁকা করতে পারবে। একটু সময় দেন, আপনারা রেডি হলে আমরা আঙুল বাঁকা করতে পারব। চিকিৎসকদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে।

     

    দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে মহাসচিব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবির আন্দোলন চলাকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কয়েকদিন অসুস্থ ছিলেন, ওনার মাও ছিলেন লাইফ সাপোর্টে।এরপর মায়ের মৃত্যুতে সাংগঠনিক কর্মসূচি থেকে একেবারেই দূরে ছিলেন তিনি। ফলে ঢাকায় আন্দোলনের মাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে ঢাকার বাইরে যেসব কর্মসূচি চলছে তা আন্দোলনেরই অংশ।

     

    এছাড়া গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণও আন্দোলনের অংশ, জানান তারা।

    খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি ‘আন্দোলনের হালে পানি পাচ্ছে না’- বিভিন্ন মহলের এমন দাবি মানতে নারাজ দলটির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গোটা জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। আন্দোলন চলছে, প্রবল আন্দোলনে সরকারের পতন নিশ্চিত হবে এবং আমাদের নেত্রী মুক্তি পাবে, দেশের জনগণ মুক্তি পাবে।

     

    আন্দোলন প্রসঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অত্যাচার ও নির্যাতনের কারণে আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমরা আর পেছনে যেতে পারব না। আমরা পেছনে না গেলে আওয়ামী লীগও সামনের দিকে আসবে। আর সামনের দিকে আসলে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। কিন্তু আমরা সেই সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে চাই। তাই আমরা বারবার আন্দোলন ও ভোটের কথা বলি। আমাদের আন্দোলন ভোটের দাবি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।’

    গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দফতরের দায়িত্বে থাকা দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদর কাছে প্রশ্ন করা হয়, আপনাদের আন্দোলন চলছে না। এ প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য তার প্যারোলে মুক্তি চাইবেন কিনা? এর জবাবে তিনি বলেন, ‘কে বললো আন্দোলন নেই? গতকাল রাজশাহীতে যে এত বড় জনসভা হলো। সেখানে জায়গা দেয় না, কিছুই দেয় না কিন্তু হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হলো। সেটি কি আন্দোলনের অংশ নয়?

     

    তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে নানা ধরনের কর্মসূচি থাকে। সেখানে (রাজশাহী) দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া হয়েছে। এটা তো কর্মসূচির অংশ হিসেবেই ঘোষণা করা হয়েছে। তার চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে- এটা তো আন্দোলনেরই অংশ।’

    রিজভী সাংবাদিকদের কাছে উল্টো প্রশ্ন রাখেন, আপনাদের এ বিষয়ে কে জানালো? কীভাবে জানলেন? তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলন চলছে, অব্যাহত গতিতে চলছে। সামনে আরও তীব্র হবে।’

  • বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটি গঠন

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটি গঠন

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ১৪, ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০ নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১০ এপ্রিল বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উল্লিখিত ৫ টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করা হয়।

    কমিটিতে ১৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় এ্যাড. খান ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ সবুজকে। সাধারণ সম্পাদক করা হয় তৌহিদুর রহমান সাবিদকে।

    ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাতি করা হয় কাজী রোকন উদ্দিনকে। সাধারণ সম্পাদক কর হয় সাঈদ মাহমুদকে।

    ১৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় মিঞা মোঃ কামরুজ্জামান সোনাকে। সাধারণ সম্পাদক কর হয় সৈয়দ বসির আহম্মেদকে।

    ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় ইঞ্জি: মোঃ নজরুল ইসলাম নিলুকে। সাধারণ সম্পাদক করা হয় রাকিবুল হক রনিকে।

    এর মধ্যে ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয় মোঃ মজিবুর রহমান বাচ্চুকে।

    ১৭ এপ্রিল বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানাগেছে।