Category: রাজণীতি

  • খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে : মওদুদ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি, সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

    শনিবার বিকালে নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি। তাকে একজন সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে নেত্রীকে। সেখানে অন্য কোনও কারাবন্দি নেই। এটি অন্যায়, আমরা এ বিষয়ে আদালতে যাব।

    মওদুদ আরও বলেন, রায়ের সত্যায়িত কপি পেলে আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার জামিনের জন্য আপিল করা হবে।

    খালেদা জিয়ার সার্বিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ম্যাডাম স্বাভাবিক আছেন, ভালো আছেন তবে তার শরীরের অবস্থা ভালো না।

    খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলকোড অনুযায়ী তিনি ডিভিশন পান। তিনি যেহেতু তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং সিনিয়র নাগরিক তাই তার এ সুবিধা পাওয়া উচিত।

    তিনি বলেন, গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, সরকার বলেছে ম্যাডামকে তার গৃহপরিচারিকা ও ডিভিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা আজ দেখে এসেছি, এসব মিথ্যা। তাকে একটা নির্জন ভাঙা বাড়িতে রাখা হয়েছে। উনার খাবারের ক্ষেত্রেও কোনও পরিবর্তন নেই। সাধারণ বন্দিরা যে খাবার পান, তাকেও সেই খাবার দেওয়া হচ্ছে। ম্যাডাম এসব খাবারে অভ্যস্ত না।

    এর আগে বিকালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি দল কারা ফটকে পৌঁছান।

    মওদুদের সাথে থাকা অন্য আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান।

    উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

    একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

    রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের লালদালানখ্যাত ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সোমবার ‘রোজা’ পালনের আহ্বান বিএনপির

    খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সোমবার ‘রোজা’ পালনের আহ্বান বিএনপির

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতাকর্মীদের মামলা এবং হয়রানি থেকে রেহায় পেতে রোজা পালন করবে বগুড়া জেলা বিএনপি। আগামী সোমবার রোজা শেষে শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে ইফতারে অংশ নিবে দলের নেতাকর্মীরা। আজ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম।

    এসময় তিনি নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের বগুড়াবাসীকে রোজা পালনের আহবান জানান। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, কেন্দ্রীয় সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মাদ শোকরানা, সাবেক এমপি এড. হাফিজার রহমান .আলী আজগর হেনা, লাভলী রহমান, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, রেজাউল করিম বাদশা, আহসানুল তৈয়ব জাকির, ডা. শাহ মো. শাজাহান, ডা; মামুনুর রশিদ মিঠু, পরিমল চন্দ্র দাস, তৌহিদুল আলম মামুন, আবুল বাশার, ফারুকুল ইসলাম ফারুক, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফিক, নাজমা আক্তার প্রমুখ।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যে বিএনপির  নেতাকর্মী শহরের নবাববাড়ী রোডে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন।  সমাবেশে ভিপি সাইফুল বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে আরো একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন চায় আ’লীগ। একারণেই দেশের মানুষের আস্থার ঠিকানা খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে অবৈধ সরকার। তারা ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই অগণতান্ত্রিক পন্থা বেছে নিয়ে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ আজ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে, এ সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে ভোট বিপ্লব ঘটবে ধানের শীষের পক্ষে। তিনি নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

  • ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    খালেদা জিয়া আজ যদি গণতন্ত্র রক্ষা আর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা না বলতেন তবে তাকে জেলে যেতে হতো না। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে সরকার জেলে পাঠিয়েছে। তাই এখন আমাদের লক্ষ্য খালেদা জিয়ার মুক্তি আর গণতন্ত্র রক্ষায় সহায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের।

    দলীয় প্রধানকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরের সদর রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও নগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এসব কথা বলেন।

    যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমরা আপোস করিনি বলে আজ আমাদের জেলে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু এখন যারা ক্ষমতায় রয়েছেন তাদের মামলাগুলোর হদিস নেই। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সাড়ে সাত হাজার মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

    তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মামলা-হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের আন্দোলন থেকে দূরে রাখা যাবে না। এসময় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    বরিশাল মহানগর বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল হোসেন খান, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামন ফারুক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ অন্যরা।

  • বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ডেকে মির্জা ফখরুলের সংবাদ সম্মেলন

    বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ডেকে মির্জা ফখরুলের সংবাদ সম্মেলন

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায়সহ সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানাতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ডেকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

    ফখরুল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিবিসি, ফ্রান্সভিত্তিক এএফপি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এপি, জার্মানিভিত্তিক ডয়েচে ভেলে, ভারতভিত্তিক জি মিডিয়ার সাংবাদিকসহ অন্যরা।

    সংবাদ সম্মেলনে ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওশাদ জমির প্রমুখ।

  • বরিশালে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ- আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অবস্থান

    বরিশালে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ- আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অবস্থান

    কাজী সাইফুল :

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দেয়ার প্রতিবাদে ও রায় বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ করেছে মহানগর বিএনপি। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, বিএনপি নেতা মহসিন মন্টু, মহানগর যুবদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন প্রমূখ।

    এদিকে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল মহড়া শেষে অবস্থান নেয় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়ন থাকায় কোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

  • প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কে জনসমূদ্রে পরিনত করার পিছনে সাদিক আবদুল্লাহর অবদান বেশি

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কে জনসমূদ্রে পরিনত করার পিছনে সাদিক আবদুল্লাহর অবদান বেশি

    শেখ সুমন :

    বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা জনসমূদ্রে পরিনত হওয়ার পেছনে প্রভাবশালী এ নেতার অবদান রয়েছে। জনসভায় সবচেয়ে বেশি উপস্থিত ছিলেন সাদিক ভক্তগন।অধিকাংশ জনগনের শরীরে ছিল সাদিক আব্দুল্লাহর ছবি সংবলিত টি শার্ট। আগত সকলের দাবি ছিল আসন্ন বি.সি.সি. নির্বাচনে যেন দল থেকে  সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়ন দেয়া হয়।

    বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানএ আয়োজিত ৮ ফেব্রুয়ারী জনসভা মঞ্চে সাদিক আব্দুল্লহকে দেখা যায় ফুফু প্রধানমন্ত্রীর সাথে কুশল বিনিময় করতে। ফুফু শেখ হাসিনার সাথে সাদিক আবদুল্লাহর কুশল বিনিময় করতে দেখে নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। বরিশালে সাদিক ভক্তরা অনেকটা উৎফুল্ল হয়ে ওেঠে। অনেকেই মনে করেন সাদিক প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার গুড লিস্টে রয়েছেন।

    পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেশকে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে গড়ে তুলতে চাই। এই বরিশাল বিভাগ সব সময় অবহেলিত ছিলো। ভোলায় গ্যাস পাওয়া গেছে, সেই গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে বরিশালে দেব। যাতে কলকারখানা গড়ে ওঠে। ভোলার গ্যাস খামাখা নিবো না, ভোলাকেও কিছু দিচ্ছি। সেখানে পাওয়ার প্ল্যান্ট করে দেবো। আর বরিশাল থেকে ভোলায় যাতে যাওয়া যায়, সে জন্য আমরা সেখানে নদীর উপর সেতুও নির্মাণ করে দেবো। তিনি বলেন- উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
    বরিশালবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদের জন্য উপহার নিয়ে এসেছি। ৩৯টি প্রকল্প উদ্বোধন করেছি, বিভিন্ন উপজেলায় ৩৩টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছি। আওয়ামী লীগের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ। আওয়ামী লীগ মানে দেশ এগিয়ে যাওয়া।

    তিনি বলেন, আমি আপনাদেরকে আহ্বান জানাই, আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, আমরা উন্নয়ন করেছি। এ বছরের ডিসেম্বরে আবার নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন থাকবে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদেরকে জয়যুক্ত করবেন। উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখবেন।

    তিনি বলেন, আমরা দেশের উন্নয়নে বিশ্বাস করি, মানুষের কল্যাণে বিশ্বাস করি। এ সময় বরিশালবাসীর সব দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, চীফ হুইফ আ স ম ফিরোজ, কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাহাউদ্দিন নাসিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি, পঙ্কজ নাথ এমপি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশাল জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি সাহান আরা বেগম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, ধীরেন্দ্র নাথ শম্ভু এমপি, জেবুন্নেছা আফরোজ এমপিসহ বরিশালের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যবৃন্দ। জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-, নুরুনবী চৌধুরী শাওন, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, বিএইচ হারুন এমপি, বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর,  যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহসহ নেতৃবৃন্দ।

  • বিএনপি চলবে স্থায়ী কমিটি ও তারেকের নেতৃত্বে: হাফিজ

    বিএনপি চলবে স্থায়ী কমিটি ও তারেকের নেতৃত্বে: হাফিজ

    স্থায়ী কমিটি ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার সাজা ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

    এদিকে রায় পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এসময় সম্মেলনে উপস্থিত মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নিলুফার চৌধুরী মনি ও বেবী নাজনীনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও কাঁদতে দেখা গেছে।

    এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এ রায়কে প্রতিহিংসামূলক রায় বলে উল্লেখ করেন।

    এর আগে রাজধানী বকশিবাজারের বিশেষ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৬৩২ পৃষ্ঠার সারাংশ পড়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের জেল। এছাড়া তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ আসামির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

  • জিয়া অরফানেজ মামলায় খালেদার ৫ বছরের জেল

    জিয়া অরফানেজ মামলায় খালেদার ৫ বছরের জেল

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তারেক রহমানসহ মামলার বাকি পাঁচ আসামির প্রত্যেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    মামলার এজহার থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় এ মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

    এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

  • ৮ তারিখ যেমন কুকুর, তেমন মুগুর: কাদের

    ৮ তারিখ যেমন কুকুর, তেমন মুগুর: কাদের

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের দিন বিএনপির বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

    আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সেদিন কোনো উস্কানিতে পা না দিতে আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, যেমন কুকুর, তেমন মুগুর। কুকুরের যেমন ঘেউ ঘেউ, মুগুরটাও ঠিক তেমনি নেমে আসবে। ও নিয়ে আপনাদের ভাবার দরকার নেই। আপনারা শুধু সতর্ক  থাকবেন।

    রবিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে ‘বিএনপির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য  ও জঙ্গিবাদী’  রাজনীতির প্রতিবাদে যুব সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। খালেদা জিয়ার সাজা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে আর আওয়ামী লীগ বলছে, বিশৃঙ্খলা করলে ব্যবস্থা নেয়ার।

    ওবায়দুল কাদের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলন, জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।

    আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ৮ তারিখে খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আজকে বিভিন্নভাবে উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে। আমি পরিস্কারভাবে বলে দিতে চাই যে আমরা কারো সাথে পাল্টাপাল্টিতে যাব না। আমরা ক্ষমতায় আছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ চালাচ্ছি।

    আমাদের এখন মাথা গরমের সুযোগ নেই, ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।

  • ৯ বছরে ১২ হাজার নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার

    ৯ বছরে ১২ হাজার নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ৯ বছরে ১২ হাজার ৮৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মী রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন প্রণীত প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে বিরাজমান মানবাধিকার পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় সাংগঠনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছেন ফখরুল।

    বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, সারা দেশে অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড (ক্রসফায়ার) আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে।