Category: রাজণীতি

  • ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি বিএনপির

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আশপাশে লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটাতে চায় বিএনপি। একই সঙ্গে ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে লোকসমাগম করবে দলটি। সারা দেশেও রাজপথে সরব থাকবেন নেতা-কর্মীরা।

    ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নেতিবাচক রায় এলে দেশজুড়ে তাত্ক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হবে। বকশীবাজার এলাকা থেকে বেগম জিয়াকে জেলে নিতেও বাধা দেওয়া হবে। এরপর শনিবারও বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়ে পরদিন থেকে লাগাতার হরতাল কর্মসূটির দিকেও যেতে পারে দলটি। প্রাথমিকভাবে এসব কর্মসূচি নিয়ে ভাবছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। এ নিয়ে দলের নির্বাহী কমিটি ও স্থায়ী কমিটির সঙ্গে আরেক দফা বৈঠক করে কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। নির্বাহী কমিটি চাইলে কর্মসূচিতে পরিবর্তনও আসতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, রায়-পরবর্তী দলের করণীয় নিয়ে কয়েক দিন ধরেই দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্নজনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কোনোভাবেই যেন দলে ভাঙন সৃষ্টি না হয়, সে জন্য গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা বিলুপ্ত করে তা স্থায়ী কমিটিতে অনুমোদন করিয়ে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়। গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় দলের সদস্যপদের অযোগ্যতার বিষয়ে যা উল্লেখ ছিল, তাতে কেউ দুর্নীতি মামলায় সাজা হওয়ার পর তিনি দলের সদস্য থাকতে পারবেন না। ওই ধারার (ক)-তে আছে, ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নম্বর ৯-এর বলে দণ্ডিত ব্যক্তি, (খ) দেউলিয়া, (গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি, (ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি।

    লন্ডন থেকে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেও সার্বিক বিষয় তদারক করছেন। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও দল ও অঙ্গসংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথ সভা করছেন। গতকালও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। এর আগের দিন গুলশান কার্যালয়ে উত্তর শাখার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল। আজ তিনি গুলশানে চেয়ারপারসন কার্যালয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাহজাহান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীও দলের নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে যাচ্ছেন।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা বুড়ো হয়ে গেছি, বয়স হয়ে গেছে। সারাটা জীবন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যে আছি, কখনো সরে যাইনি। আপনারা যারা তরুণ আছেন, সময় আপনাদের। পরিবর্তন আপনাদেরই আনতে হবে। গণতন্ত্রকে বাঁচাতেই হবে।’ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ‘এক নেত্রী আদালতে যাবেন, আরেক নেত্রী নির্বাচনী জনসভা করবেন, এটা গণতন্ত্রের রাজনীতিতে তামাশা ছাড়া কিছুই নয়। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে নেওয়া হলে এ দেশের মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। সারাধণ মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

    এরই মধ্যে শুরু হয়েছে গণগ্রেফতার। রাজধানীতে মধ্যম সারির নেতাদের বাসায় সাদা পোশাকে পুলিশ যাতায়াত করছে বলেও অভিযোগ দলটির। বিএনপির হাইকমান্ড থেকে মধ্যম সারি ও মাঠপর্যায়ের নেতাদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই কেউ গ্রেফতার হওয়া যাবে না। বিশেষ করে প্রতিনিয়ত স্থান পরিবর্তন করে রাত যাপন করতে বলা হয়েছে।

    কৌশল নিয়ে সবাইকে চলতে বলা হয় দলের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে। রায়ের দিন ঢাকার রাজপথে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে নয়, মোড়ে মোড়ে অবস্থান, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়। এদিকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বসুন্ধরায় আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির ‘রাজদর্শন’ হলে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা ডাকা হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সভায় সবার বক্তব্য শুনবেন। এরপর তিনি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন।

    এ নিয়ে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী  বলেন, ৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার ‘রাজদর্শন’ হলে  সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির গঠনতন্ত্রের বিধানবলে দলের চেয়ারপারসনের পরামর্শক্রমে মহাসচিব জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান করেছেন। তিনি কমিটির সদস্যদের নোটিশ দিয়েছেন ৩ জানুয়ারির সভায় উপস্থিত থাকার জন্য।

    ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের সাড়ে ৪ মাস পর ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পর জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও এটাই বর্তমান কমিটির প্রথম বৈঠক। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা ছাড়াও সারা দেশের শাখাগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা পদাধিকারবলে নির্বাহী কমিটির বৈঠকে যোগ দেবেন। ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রায় সম্পর্কে যেটা আমরা আশঙ্কা করছি, সেদিন নেতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত সরকার কর্তৃক আদিষ্ট হয়ে যদি আদালত থেকে প্রকাশ পায়, তাহলে তখন থেকে এ সরকারের পতনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে।’

  • আজানের আওয়াজ শুনে বক্তব্য বন্ধ রাখলেন প্রধানমন্ত্রী

    আজানের আওয়াজ শুনে বক্তব্য বন্ধ রাখলেন প্রধানমন্ত্রী

    সিলেট নগরীর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিকালে বক্তব্য রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৪টা ১০মিনিটের সময় আসরের আজান শুরু হয়। যা কানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আজান দিচ্ছে, আজান শেষ হলেই বক্তব্য দেব। এরপর বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করেন তিনি। আজান শেষ হওয়ার পর আবারও বক্তব্য শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এর আগে, সিলেট সার্কিট হাউজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবেশস্থল আলিয়া মাদ্রসায় প্রবেশ করেন ঠিক মঙ্গলবার বিকাল ৩টায়। এরপর তিনি ৩টা ০৩ মিনিটে ১৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৬টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    পরে জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাদের কারণে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তাদের আমলে বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি, জঙ্গিবাদের সৃষ্টি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন ঠেকানোর নামে সন্ত্রাস-তাণ্ডব চালিয়েছিল। সেসময় অনেক মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলে। আমরা গাছ লাগাই, তারা গাছ কেটে ফেলে, আমরা রাস্তা করি, তারা ধ্বংস করে। তবে আমরা তাদের সেই জ্বালাও-পোড়াও কঠোর হাতে দমন করেছি।

  • বাবা হত্যার বিচার চেয়ে রাজপথে জান্নাত

    বাবা হত্যার বিচার চেয়ে রাজপথে জান্নাত

    চলতি মাসের শুরুর দিকে খুন হন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত শিমু। তার একমাত্র সন্তান মেহের নিগার খান জান্নাত। প্রায় চার বয়সী এই ছোট্ট শিশুটি বাবার হত্যাকারীদের ফাঁসি চেয়ে দাঁড়াল রাজপথে। আজ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সম্মুখে শিমু হত্যার বিচার চেয়ে তার পরিবার ও স্বজনদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে চোখে-মুখে বোবা কান্না নিয়ে এক আত্মীয়ের কোলে বসেছিল মেহের নিগার খান জান্নাত। তার সামনে প্ল্যাকার্ডে লিখা ছিল, ‘আমার আব্বুর হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’। মানববন্ধনে আসা এবং সামনের সড়ক দিয়ে যাওয়া জনসাধারণের মনকে যেন বিষাদময় করে তুলেছিল জান্নাত।
    এদিকে, মানববন্ধনে শিমুর সকল হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তি চেয়ে বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, সহ-সভাপতি কামরুল হুদা জায়গীরদার, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন রানু প্রমুখ।

  • ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী কমিটির সভা ডেকেছেন খালেদা

    ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী কমিটির সভা ডেকেছেন খালেদা

    আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা আহ্বান করেছেন দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

    বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান রবিবার  এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, গতকাল শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সভার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বর্ধিত সভায় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছাড়াও চেয়ারপার্সসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, প্রতিটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি এতে উপস্থিত থাকবেন। তবে বৈঠকটি কোথায় হবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত- পটুয়াখালীতে নৌমন্ত্রী

    খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত- পটুয়াখালীতে নৌমন্ত্রী

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় প্রসঙ্গে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বিএনপির অভিজ্ঞ আইনজীবীরা মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে জেনে গেছেন খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত। কেয়ারটেকার সরকারের আমলে করা মামলায় আদালত রায় দেবে। এখানে সরকারের কিছু নেই।

    রোববার পটুয়াখালীতে পায়রা সমুদ্র বন্দরের সার্ভিস জেটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ওয়ার হাউসের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    নৌমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার মানুষ বুঝে গেছে দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হবে। এ কারণে বিএনপি বলছে সরকার মামলার রায় আগে থেকে নির্ধারণ করে রেখেছে। তবে বিএনপির এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। এর আগে বন্দর সংশ্লিষ্ঠদের সঙ্গে নিয়ে ২১ কোটি ৩৮ লাখ ৮৫ হাজার ২৬৯ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার দীর্ঘ একটি সার্ভিস জেটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর এবং ২০ কোটি ৯৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৩২ টাকা ব্যয়ে ১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ওয়ার হাউসের শুভ উদ্বোধন করেন নৌমন্ত্রী।

    এছাড়াও প্রশাসনিক ভবন, শেখ হাসিনা ফোর লেন সড়কসহ পায়রা বন্দরের চলমান বিভিন্ন নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফর সফল করার লক্ষ্যে বরিশালে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা করেছে যুবলীগ।  রবিবার বিকেল ৪টায় নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর জনসভা স্থল বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্দ্যান জন সমুদ্রে পরিণত করার আহবান জানান। একই সাথে শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে যুবলীগের সকল নেতাকমীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। এসময় অন্নান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ প্রমুখ। বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল ইসলাম নিজাম সহ প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন বীরবিক্রম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুচ এমপি, সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রমূখ। এছাড়াও বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার যুবলীগের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • গভীর উৎকণ্ঠা বিএনপিতে

    গভীর উৎকণ্ঠা বিএনপিতে

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি কী হবে— এ নিয়ে বিএনপির ভিতরে-বাইরে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রায়ে দলের প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হবে, না বেকসুর খালাস পাবেন— তা নিয়ে সারা দেশের নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। উত্সুক দৃষ্টি সব মহলেরও। বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে কিংবা নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই দিন ধরেই এ নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতারা। তবে মানসিকভাবে অনেক শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জেলকে তিনি ভয় পান না বলে ঘনিষ্ঠজনদের এরই মধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে থাকারও চিন্তাভাবনা চলছে। রায় নেতিবাচক হলে পরবর্তী কী করণীয় তা নিয়ে আজ দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন বেগম জিয়া। ওই বৈঠকেই কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। এ ক্ষেত্রে হরতাল, অবস্থানসহ দীর্ঘমেয়াদি কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে বলে দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছে বিশেষ আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে খালেদা জিয়ার তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন ‘সাজা’ হতে পারে বলে আইনজ্ঞরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বেকসুর খালাস পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। খালেদা জিয়া নিজেও আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে তাকে ‘সরাতে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার নীলনকশা’ বাস্তবায়ন করছেন ক্ষমতাসীনরা। আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন কিনা— তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

    এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে সরানোর চক্রান্ত চলছে। কার্যত, সরকার জিয়া পরিবারকে রাজনীতির বাইরে রাখতে চায়। তাই মিথ্যা অভিযোগে মামলা দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে। রায় কী হবে তা সরকার আগেই ঠিক করে রেখেছে। দেশে যে আইনের শাসন নেই, ন্যায়বিচার সুদূরপরাহত সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে। বিচার হবে— প্রধানমন্ত্রী যা চাইবেন তাই। এখন পর্যন্ত তার (এরশাদ) এ বক্তব্য যে আদালত অবমাননার শামিল, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।’ বৃহস্পতিবার রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর রাতে গুলশানের বাসায় যান বিএনপিপন্থি সিনিয়র আইনজীবীরা। তারা বেগম জিয়াকে সান্ত্বনার বাণীও শোনান। উচ্চ আদালতে এ মামলার রায় টিকবে না বলেও বেগম জিয়াকে আশ্বস্ত করেন। এ ছাড়া কয়েকজন সিনিয়র নেতাও বেগম জিয়ার সঙ্গে বাসায় দেখা করে তাকে আশ্বস্তের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএনপি-প্রধান সবাইকে অভয় দিয়ে বলেছেন, রায় কী হবে তা নিয়ে তিনি বিচলিত নন। দেশপ্রেমিক প্রকৃত রাজনীতিবিদরা জেল-জুলুমকে কখনই ভয় পান না। তবে রায়ের নেতিবাচক দিক বিবেচনায় নিয়ে বেগম জিয়া মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

    নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর ঢাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা একাধিকবার বৈঠকে বসেন। অঙ্গসংগঠনের নেতারাও পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। দীর্ঘমেয়াদে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে তার প্রস্তুতি নিয়েও কথাবার্তা বলছেন শীর্ষ নেতারা। অনেকেই গ্রেফতার এড়াতে নানা কৌশলও নিতে শুরু করেছেন। গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনভর কোনো নেতা-কর্মী দেখা যায়নি। কারও কারও ব্যক্তিগত ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে এই পরিস্থিতিতে অনেক নিষ্ক্রিয় নেতা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও জানা গেছে। জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের দিনক্ষণ ঘোষণায় হতবাক হয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা। তাদের ধারণা ছিল, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা হবে। তা হতেও বেশ সময় লাগবে। এর মধ্যে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু হঠাৎই এ রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণকে ‘বিশেষ মহলের’ ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন তারা। আইনজীবীরা আরও বলেছেন, ন্যায়বিচার হলে এ রায়ে কিছুই হবে না। তবে যে প্রক্রিয়ায় মামলাটি চলছে, তাতে নেতিবাচকই হওয়ার সম্ভাবনা। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়া সম্ভব।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার  বলেন, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে। এ মামলার রায়ে বেগম জিয়ার কিছুই হবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এ মামলাটি স্বাভাবিক গতিতে চলছে কিনা? আমি এখনো আশাবাদী, ন্যায়বিচার পাবেন আমাদের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। কোনো কারণে সাজা দেওয়া হলে বুঝতে হবে, স্বাভাবিক আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। সে ক্ষেত্রে আমরা উচ্চ আদালতে জামিন চাইব। আশা করি, জামিন পাব। সে ক্ষেত্রে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো সমস্যা হবে না।’ এদিকে রায়ের নেতিবাচক দিক ধরে নিয়েই সারা দেশে নেতা-কর্মীদের কাছে ‘বিশেষ বার্তা’ পাঠানো হয়েছে। দলের হাইকমান্ড থেকে এ বার্তা পাঠানো হয়। তা ছাড়া সিনিয়র নেতাদের জেলা সফরেও এ বিষয়ে নেতা-কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে তত্ক্ষণাৎ বিক্ষোভ মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। এরপর কেন্দ্র থেকে ঘোষিত যে কোনো কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ বার্তা জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম  জানান, ‘তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নিলে সাধারণ মানুষ ঘরে বসে থাকতে পারে না। এ অন্যায়ের প্রতিবাদ অবশ্যই দেশবাসী করবে। কেন্দ্র ঘোষিত সব কর্মসূচিই সর্বস্তরের মানুষ বাস্তবায়ন করবে।’ একই কথা বলেন বরিশাল বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান। তিনি জানান, ‘রায় নেতিবাচক কিছু হলে হাইকমান্ড যে কর্মসূচি দেবে তা আমরা বাস্তবায়ন করব। গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জেলে গেলে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কিংবা কোনো সমর্থক ঘরে বসে থাকতে পারেন না। সরকার যত চেষ্টাই করুক না কেন, খালেদা জিয়া ছাড়া আগামীতে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’

  • মেয়র নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই সাদিক আবদুল্লাহকে : নগরবাসীর মুখে একটাই কথা

    মেয়র নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই সাদিক আবদুল্লাহকে : নগরবাসীর মুখে একটাই কথা

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মেয়র নির্বাচনের বেশি দিন বাকি না থাকলেও তবে কাকে নগর পিতা বানাবে এনিয়ে ভাবতে বাধানেই কারো। একের পর এক মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বরিশাল জেলা আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র -এমপি’র ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ।

    মেয়র নির্বাচন আসতে না আসতেই নগরীতে সবার মুখে মুখেই শোনা যায় আগামীর নগর পিতা সাদিক আবদুল্লাহ। বয়সে তরুণ হলেও রাজনীতিতে যেন মহা নায়ক। যেমন রাজনীতির কৌশল তেমন জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যতার কৌশল ঠিক যেন এক বরিশালের উন্নয়নের আরেক নক্ষত্র তিনি। অল্প দিনেই রাজনৈতিক যোগ্যতা অনুযায়ী গতবছরে নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় সাদিক আবদুল্লাহ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ যে একজন যোগ্য বা দক্ষ নেতা তা নেতৃত্বের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রমাণ দিয়েছেন।মহানগর আওয়ামীলীগ এর সহযোগী সকল সংগঠন এর তৃনমুল নেতাকর্মীরা সাদিক আবদুল্লাহ,র নেতৃত্বে এখন শক্তিশালী অবস্থান এ ।মাসব্যাপী ৩০টি ওয়ার্ড এর সকল তৃনমুল নেতাকর্মীর সাথে পর্যায়ক্রমে কর্মিসভা এবং সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম সম্পাদন করে নেতাকর্মীর মাঝে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছেন ।

    ফলে বরিশাল আওয়ামীলীগ যে আগের থেকে এখন অনেক শক্তিশালি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যে বিষয়টি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অবগত রয়েছেন। এই বিশেষ কারণে সাদিকের তুখোর নেতৃত্বের বিষয়টি নিয়ে হাইকমান্ডে প্রায়শই আলোচনা শোনা যায়।

    ইতিমধ্যে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ ও ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক বৃন্দ সকলের সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন এর মাধ্যমে সাদিক আবদুল্লাহ কে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন এর জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর বরাবর আবেদন পাঠিয়েছেন ।

    তার রাজনৈতিক দক্ষতা আর ভালবাসা দেখে নগরবাসীর মুখে একটাই কথা আগামী মেয়র নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেব দেখতে চাই সাদিক আবদুল্লাহকে।

  • ঢাবিতে ছাত্রলীগ যা করেছে তা আওয়ামী লীগের চরিত্র’

    ঢাবিতে ছাত্রলীগ যা করেছে তা আওয়ামী লীগের চরিত্র’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগ যা করেছে তা আওয়ামী লীগের চরিত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বনানীতে কবর জিয়ারত করতে গিয়ে বুধবার সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনা প্রমাণ করে, এটিই আওয়ামী লীগের চরিত্র। দেশের সব জায়গায় ছাত্রলীগ এমন করছে।

    এর আগে, ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

  • নির্বাচন কমিশন যোগ্য নয় : ফখরুল ইসলাম

    নির্বাচন কমিশন যোগ্য নয় : ফখরুল ইসলাম

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপনির্বাচন স্থগিত হওয়া নির্বাচন কমিশনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নতুন ইউনিয়নগুলোকে সিটিতে আনা হয়েছে, তার সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি, ভোটার তালিকা নিশ্চিত করা হয়নি। এতেই প্রমাণিত হয়, নির্বাচন কমিশন যোগ্য নয়।

    শুক্রবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    দেশ বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনে সরকার যোগসাজশ করে ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত করেছে।

    এর আগে, জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জিয়ার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।