Category: রাজণীতি

  • বরিশালে বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

    বরিশালে বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

    বরিশালের বকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের মহেষপুর বাজারে আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান হোসেনকে গুলি করে হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সালাম সিকদারের বাড়ি থেকে একটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে মহেষপুর বাজার সংলগ্ন সালামের বাড়ি থেকে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

    এ বিষয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মেঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, গত ১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের মহেষপুর বাজারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সালাম সিকদারের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হামলা করে। এসময় গুলি চালিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুলতান হোসেনকে গুলি করে হত্যা চেষ্টা চালায় তারা। এই ঘটনায় তার স্ত্রী নাসরিন আক্তার বাদী হয়ে সালাম সিকদারসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    গত ৯ জানুয়ারী প্রধান আসামী সালাম সিকদারকে ঢাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে বাকেরগঞ্জে তার বসতঘর থেকে ১টি পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিন উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আ্ইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলেন পুলিশ সুপার।

  • আতিকুল ইসলামই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী

    আতিকুল ইসলামই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচনে আতিকুল ইসলামকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    ডিএনসিসি উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট করতে আগ্রহী ১৭ প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র জমা দেন। যারা মনোনয়নপত্র জমা দেন, তারা হলেন- বিজেএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য এইচ বি এম ইকবাল, রাসেল আশেকী, আদম তমিজি হক, মনিপুর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ শাহ আলম, এফবিসিসিআইর পরিচালক হেলাল উদ্দিন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাংলাদেশ টুডের সম্পাদক জোবায়ের আলম, মো. আবেদ মনসুর, মো. ইয়াদ আলী ফকির, শামীম হাসান, মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ (মেহেদী), মো. আবুল বাসার, মো. জামাল ভূঁইয়া, মো. ওসমান গণি ও আসমা জেরিন ঝুমুসহ ১৭ জন।

    নির্বাচনে দুই নারীসহ মোট ১৮ জন মনোনয়নের জন্য আবেদন করেন বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    কাদের বলেন, আমাদের কোনো প্রার্থীর যোগ্যতা কম নয়। ১৮ জন থেকে একজন খুঁজে বের করা কঠিন।

    তিনি বলেন, মনোনয়ন বোর্ডে সবার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ক্লিন ইমেজের সম্ভ্রান্ত পরিবারের একজন সন্তানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থনে আনিসুল হক মেয়র নির্বাচিত হন। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করেন। সিটি কর্পোরেশনকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ছাড়াও বেশ কিছু উন্নয়ন কাজে হাত দেন। এ ছাড়া উত্তরের যানজট নিরসনেও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তার কর্মপরিকল্পনা ও বিভিন্ন পদক্ষেপে খুব অল্প সময়ে জনগণের প্রসংশা কুড়ান। গত ৩০ নভেম্বর লন্ডনে মেয়র আনিসুল হক মারা যাওয়ার পর ৪ ডিসেম্বর পদটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

    pm

    এদিকে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আউয়ালকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। গতকাল সোমবার গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগেও ডিএনসিসি নির্বাচনে প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের বিপরীতে অংশ নিয়েছিলেন তাবিথ। তবে ভোটের দিন দুপুরে নির্বাচন বর্জন করেন ২০ দলীয় জোটের এ প্রার্থী।

    আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিএনসিসির মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে মোট ২৯ লাখ ৪৮ হাজার ৫১০ জন ভোটার ভোটদানে সুযোগ পাচ্ছেন। ভোটগ্রহণ হবে ১ হাজার ৩৪৯টি কেন্দ্রের ৭ হাজার ৫১৬টি ভোটকক্ষে।

    এছাড়া নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে ও ৬টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচনে ৫ লাখ ৭১ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ভোটদানের সুযোগ পাবেন।

  • ডিএনসিসিতে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল

    ডিএনসিসিতে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল

    আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

    সোমবার রাতে চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    এর আগে গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মনোনয়ন বোর্ড দলীয় প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আউয়ালকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন বোর্ডে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বোর্ডের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মনোনয়ন বোর্ডে সভাপতিত্ব করেন খালেদা জিয়া। পদাধিকার বলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    বোর্ডে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    রাত সাড়ে ৮টায় মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী পাঁচ প্রার্থী গুলশান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা হলেন- দলের বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সাবেক সাংসদ মেজর (অব) আখতারুজ্জামান, সহ-প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ সুমন, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাউয়ুমের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাসিত আঞ্জু।

  • বরিশালের রাজনৈতিক আকাশের উজ্জল নক্ষত্র সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশালের রাজনৈতিক আকাশের উজ্জল নক্ষত্র সাদিক আব্দুল্লাহ

    মো:আবু সুফিয়ান শেখ :

    আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ দক্ষিণাঞ্চলের আওয়ামী রাজনীতির কর্ণধার। শুধু আওয়ামী লীগের কর্ণধার বললে কিছুটা ভুল হবে। তিনি দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক। সকল দলের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা ভরে দেখেন তাকে। তার বাবা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ছিলেন গরীব মেহনতি মানুষের নেতা।

    তবে এ শহীদ নেতা ‘নেতার’ মতো আচরন করেননি কখনো। খেটে খাওয়া মানুষের প্রাণের বন্ধু ছিলেন আব্দুর রব সেরনিয়াবাত। তারই সুযোগ্য পুত্র আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। যার হাত ধরেই বিশৃঙ্খল বরিশালে ফিরেছে শৃঙ্খলা, বিরাজ করছে শান্তি। দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজনৈতিক অভিভাবকের উত্তরসূরী সেরনিয়াবাত সাদেক আব্দুল্লাহ।
     অনেকের মতে, ‘সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মাঝেই দেখা যায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের প্রতিচ্ছবি, আর যার শরীরে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার রক্ত তার চেয়ে কে বেশী ভালবাসতে পারবে আ’লীগকে। যা আরো একবার প্রমান হলো বরিশালে শান্তি প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে । তরুন এ নেতার প্রশংসার পঞ্চমুখ ছিলেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আ’লীগের সিনিয়র নেতারাও। কারন তার অক্লান্ত পরিশ্রমে বরিশাল নগরী পরিণত হয়েছে আনন্দের নগরীতে।
    শুধু বরিশাল নয় , বরিশালের অজপাড়াগায় একটি নাম উচ্চরিত হচ্ছে তা হলো , সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।নেতা কর্মীদের কোন বিপদের কথা শুনলে ছুটে যান  সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।
    কখনও তিনি এতিমদের ভাই, কখনও তিনি দারিদ্র মায়ের সন্তান।
  • যুবরত্ন সাদিক আব্দুল্লাহর হাত ধরে এগিয়ে যেতে চায় বরিশাল বাসী :

    যুবরত্ন সাদিক আব্দুল্লাহর হাত ধরে এগিয়ে যেতে চায় বরিশাল বাসী :

    শেখ সুমন :

    আসছে আগামী বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে (বি,সি,সি) বরিশালের নগর পিতা হিসেবে যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ কে দেখতে চায় বরিশালের সর্ব স্থরের জনগণ ।এবারের মেয়র বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়রপ্রার্থী  হতে যাচ্ছেন  আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ’র ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের ব্যপক আলোচনায় রয়েছেন।

    বরিশাল একটি গুরুত্বপুর্ন নির্বাচনী এলাকা। গত বছরে বরিশালে বিএনপি জামায়াতের বিভিন্ন অপপ্রচারের কারনে আ’লীগের পরাজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেন দলের উচ্চনেতারা কিন্তু এবার বরিশাল নগর বাসির সেই ভুল ভেঙ্গেগেছে। বরিশাল ছিল বিএনপি-জামায়াতের ঘাটি বর্তমানে বরিশালে আমাদের উন্নয়ন আর দলটি শক্ত এবং অভিজ্ঞ লোকদের পরিচালনায় বরিশাল এখন আ’লীগের ঘাটি হয়েছে।

    কেন্দ্রসূত্রে জানাযায়, এবারের নির্বাচনে বরিশাল সিটি মেয়র আ’লীগের প্রার্থীকেই জয় করতে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’কে নিয়ে বেশিই আলোচনায় আসছে। তার মধ্যে এমন কয়েক জনেই বলেন বর্তমানে বরিশালে রাজনিতীতে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে আছেন ।

    এবারের আ’লীগের নতুন কমিটিতে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’কে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বানানোর পর সে সংগঠনকে শক্ত করে ধরে রেখেছেন। এখন রাজনিতীতে তার অবদান বেশি। তবে নিচ্ছিৎ পাবেন এটি নির্ভর করবে নির্বাচনের আগমুহূর্তের সিদ্ধান্তের ওপর। এই নির্বাচনের পরই অনুষ্ঠিত হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাকে নিয়ে এমন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন নীতিনির্ধারকরা।

    এবিষয় দলটির বিভিন্ন নেতারাও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আ’লীগ মানেই উন্নয়ন, এই উন্নয়নকে ধরে রাখতে যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা এবং মেধা ও নতুন তরুনদের দরকার। সেই চিন্তা ভাবনায় বরিশালের মেয়র পদটি দলীয় টিকিট দেওয়া হবে এমন একজনকেই যার সকল যোগ্যতা আছে।

    এবিষয়ে মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মেয়র পদে নির্বাচন করবো এটা ঠিক। কিন্তু কেন্দ্রে থেকে আমাকেই দলীয় মনোনয়ন দিচ্ছেন তা আমি এখনো সঠিক জানিনা। যদি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করতে পারি তাহলে ইনশাআল্লাহ জয় আমাদের হবে।

    নির্বাচনী বিষয়ে জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাতের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বরিশাল মানেই সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশারে মেয়র মরহুম শওকত হোসেন হিরুন ভাই মারা জাওয়ার পরে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ অবহেলিত বরিশাল আ’লীগ’কে চাঙ্গা করে তুলেছেন। তাছাড়া বর্তমানে সাদিক আবদুল্লাহ’র রাজনিতীর যোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। আমি চাই কেন্দ্রে থেকে তাকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেয় তাহলে বরিশাল উন্নয়নের অভাব হবেনা।

    নির্বাচনী বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী মারুফ হাসান টিটু ’র কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমরা চাই বরিশালের মেয়র হিসেবে যোগ্যপ্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ভাইকে কেন্দ্র থেকে দলীয় মনোনয়ন দেয়। তাহলে পুরো বরিশাল উন্নয়নের ছোয়ায় আলিক বরিশাল হবে।

    এবিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ , বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহা : পলাশ চৌধুরী বলেন,  আমি মনি করি বরিশালের রাজনিতীর মধ্যে বর্তমানে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ একজন যোগ্যপ্রার্থী। মেধাবী তরুন।

    নগরবাসী চাচ্ছেন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ কে  আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী  করা হয় া

  • মেয়র প্রার্থী হতে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যারা

    মেয়র প্রার্থী হতে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যারা

    আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপন, তাবিথ আউয়ালসহ পাঁচজন।
    রবিবার বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়।  বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সহ প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ,  আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান (রঞ্জন) এবং বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাইয়ুম এই ফরম সংগ্রহ করেন। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছ থেকে তারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
    রুহুল কবির রিজভী জানান, ফরম বিক্রি রবিবারই শেষ। সোমবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত নয়া পল্টনের কার্যালয়ে ২৫ হাজার টাকা জামানতসহ মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া যাবে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে গঠিত মনোনয়ন বোর্ড এই সাক্ষাৎকার নেবে। মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করে একজন প্রার্থীকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেবে। তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
    আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনের জন্য আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন ঠিক করেছে নির্বাচন কমিশন। এ উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। তা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ জানুয়ারি।
  • সংসদ নির্বাচন করতে চান বেবী নাজনীন

    সংসদ নির্বাচন করতে চান বেবী নাজনীন

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনে (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) লড়তে চান কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। শনিবার বিকেলে সৈয়দপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    বেবী নাজনীন বলেছেন, সামনে নির্বাচন, আপনাদের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাই। এ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি। আপনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবো। দল চাইলে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবো।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক বেবী নাজনীন আরও বলেন, দলকে সংগঠিত করে আগামী দিনে আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

    সৈয়দপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এসময় আরও ছিলেন দলের সহ-সভাপতি এহসানুল হক, পৌর বিএনপি সভাপতি শামসুল আলম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ওবায়দুর রহমান, বিএনপি নেতা প্রভাষক শওকত হায়াৎ শাহ, যুবদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রামানিক, ছাত্রদল সভাপতি রেজোয়ান হোসেন পাপ্পু, ছাত্রদল নেতা দিনার প্রমুখ।

  • শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ : কাদের

    শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ : কাদের

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি নেতারা এখন আবোল তাবোল বকছেন। মিথ্যাচারের পুরনো ভাঙা রেকর্ড আবারো বাজাচ্ছেন তারা। আজ তারা (বিএনপি নেতা) হতাশার বালুচরে হাবুডুবু খাচ্ছেন।

    আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে তারা তাদের ভোট ব্যাংকের যে ক্ষতি করেছেন তার মাশুল তাদের অনেকদিন দিতে হবে। এ মাশুল শুধু নির্বাচনে নয়, আরও অনেক দিন দিতে হবে।

    শনিবার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির অধিকার, এটা সুযোগ নয়। সরকারের দয়া দাক্ষিণ্যের ওপর বিএনপি নির্বাচন করবে? তাহলে সংলাপে বসাবসি কি প্রয়োজন? এখানে জটিলতা আছে বলে জনগণ মনে করে না। সংলাপ কেন হবে না? প্রয়োজন হলে হবে কিন্তু এখন নির্বাচনের ব্যাপারে সংলাপের প্রয়োজন দেখছি না। তাছাড়া সংলাপের রাস্তা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই বন্ধ করেছেন। টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করেছিলেন। অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহার করেছিলেন। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে গণভবনে আসলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অন্যরকম হতো।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আরাফাত রহমান কোকো মারা যাবার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে সমবেদনা জানাতে গেলে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট করেছিল বিএনপি। সেদিন ঘরের দরজা বন্ধ করে সংলাপের দরজা বন্ধ করেছে।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, সংলাপের আহ্বান বিএনপির স্ট্যান্টবাজি, সংলাপের কথা যতই বলে। সংলাপের মানসিকতা তাদের মধ্যে নেই। সংলাপ তারা চাই না, সংলাপের ইচ্ছা থাকলে সেদিন নোংরা ভাষায় সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করতো না। ক্রাইসিস পরিস্থিতি সৃষ্টি তারা জনগণকে নিয়ে করতে পারবেন না। তাদের জনগণের সমর্থন নেই। তারা পারবে আগুন সন্ত্রাস করতে। তবে এটা করলে জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। সংলাপের দরজা আমরা বন্ধ করি নাই। রাজনৈতিক দল হিসেবে তা আমরা পারি না। তবে সেটা বিএনপির সঙ্গেই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অন্য কারো সঙ্গেও হতে পারে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে সংলাপের প্রয়োজন কি?

    আওয়ামী লীগের শাসনামল পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের সঙ্গে তুলনার কঠোর সমালোচনা করে কাদের বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামল আইয়ুব খানের সঙ্গে তুলনা করে, তারা প্রকারান্তরে পাকিস্তানের ভাবধারায় বিশ্বাস করে এবং তাদের রাজনীতি এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি উল্লেখ নেই মওদুদ আহমেদ এমন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, মওদুদ সাহেবের ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় তত ভালো। তিনি বহুরূপি ব্যারিস্টার। তিনি আইনের কথা বলে বেআইনি কথা বলছেন। সংবিধানে সবই আছে। আইন আছে, অনেক বিধি-বিধান আছে। আপনি আরেকবার ভালো করে সংবিধান দেখবেন। প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণ জনগণ গ্রহণ করেছে। এ ভাষণ যারা শুনেছেন তারা এক বাক্যে গ্রহণ করেছে, প্রশংসা ও সমর্থন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণ গঠনমূলক ইতিবাচক ও রাষ্ট্রনায়ক সুলভ। এ ভাষণ পরবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়, পরর্বতী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। দলমত নির্বেশেষে এমনকি বিএনপি সমমনা ও সমর্থকরাও পজেটিভ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখেন। তিনি জাতির স্বার্থে এ ভাষণ দিয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব উল আলম হানিফ, আহমদ হোসেন, ফরিদুন্নাহার লাইলী, আবদুস সোবহান গোলাপ, দেলোয়ার হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, রোকেয়া সুলতানা, বিপ্লব বড়ুয়া, আনোয়ার হোসেন, গোলাম রাব্বানী চিনু প্রমুখ।

  • মনোনয়নপত্র নিলেন মেয়র প্রার্থী আতিকুল

    মনোনয়নপত্র নিলেন মেয়র প্রার্থী আতিকুল

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আজ (শনিবার) সকাল থেকে মনোনয়ন ফরম দেয়া শুরু করেছে আওয়ামী লীগ, চলবে আগামী সোমবার (১৫ জানুয়ারি) পর্যন্ত।

    শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসে দলের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে আতিকুল ইসলামের পক্ষে তার প্রতিনিধিরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন তার নির্বাচনী সমন্বয়ক একেএম মিজানুর রহমান ও সহকারী সমন্বয়ক ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম।

    এর আগে সকালে ফরম সংগ্রহ করেন দুই মেয়র প্রার্থী রাসেল আশেকী এবং আদম তমিজি হক। এদিন আরও মনোনয়ন কিনেছেন প্রিন্সিপাল শাহ আলম ও মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন।

  • ‘প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জাতি হতাশ হয়েছে’

    ‘প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জাতি হতাশ হয়েছে’

    বর্তমান সরকারের চার বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ভাষণে জাতি হতাশ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাৎক্ষণিক এ মন্তব্য করেন।

    এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, তার দেওয়া এ বক্তব্য দেশকে আরো একদফা সংকটের দিকে নিয়ে যাবে।