Category: রাজণীতি

  • আ.লীগের সাংগঠনিক সফর শুরু ২৬ জানুয়ারী

    আ.লীগের সাংগঠনিক সফর শুরু ২৬ জানুয়ারী

    সংগঠনকে গতিশীল ও নির্বাচনমুখী করার প্রত্যয়ে ২৬ জানুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগের ১৫টি টিম দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফর শুরু করবে। দলের উপদেষ্টা ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা এসব টিমের নেতৃত্ব দেবেন। শুক্রবার দলটির দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত এই টিমগুলো একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত সংগঠনের জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফরে যাবেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তারা অংশ নেবেন। গঠিত টিমগুলোর সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সফরের দিনক্ষণ ও কর্মসূচি নির্ধারণ করবেন। দেশব্যাপী এই সাংগঠনিক সফরকে সফল করার লক্ষে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের প্রতি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    ১৫ টিমে যারা থাকবেন এবং যেখানে যাবে টিম- উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বাধীন অপর একটি টিম সফর করবে বরিশাল, বরিশাল মহানগর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ. ম রেজাউল করিম।

     

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বি. এম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে রংপুর, রংপুর মহানগর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায়। এ টিমের রয়েছেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বি.এম মোজাম্মেল হক, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক টিপু মুন্সী, কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ। দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, রাজশাহী মহানগর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ জেলায়। এই টিমে রয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, প্রফেসর মেরিনা জাহান। দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, নাটোর জেলায়। এই টিমে রয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মমতাজ উদ্দিন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শ্রী পীষুষ কান্তি ভট্টাচার্য্যর নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে বাগেরহাট, খুলনা, খুলনা মহানগর, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, নির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, এস, এম কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে মাগুরা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য এস. এম কামাল হোসেন, পারভীন জামান কল্পনা।

    দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সভাপতিম-লীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক বি. এম মোজাম্মেল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু।

    দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি সফর করবে টাঙ্গাইল, শেরপুর, জামালপুর জেলায়। এ টিমে রয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজবাহউদ্দিন সিরাজ, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নির্বাহী কমিটির সদস্য মির্জা আজম, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, নির্বাহী কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি।

    দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ মহানগর, কিশোরগঞ্জ জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মো. মিজবাহউদ্দিন সিরাজ, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুছ ছাত্তার, নির্বাহী কমিটির সদস্য উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং।

    দলটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিতের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে সিলেট, সিলেট মহানগর, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. মেজবাউদ্দিন সিরাজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান, অধ্যাপক রফিকুর রহমান, মো. গোলাম কবীর রাব্বানী চিনু।

    দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম মহানগর, কক্সবাজার জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম মহানগর), নির্বাহী কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

    সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নেতৃত্বে গঠিত অপর একটি টিম সফর করবে কুমিল্লা, কুমিল্লা মহানগর, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, ত্রাণ ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, নির্বাহী কমিটির সদস্য র. আ. ম ওবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরু।

    দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশীদ।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফর করবে ঢাকা, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, গাজীপুর, গাজীপুর মহানগর, মানিকগঞ্জ জেলায়। এ টিমে রয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, মুকুল বোস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মণি, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নুরুল মজিদ হুমায়ুন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আখতারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সিমিন হোসেন রিমি, অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার।

  • আন্দোলনে পরাজিতরা নির্বাচনেও পরাজিত হবে

    আন্দোলনে পরাজিতরা নির্বাচনেও পরাজিত হবে

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেছেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে সরকারের ধারাবাহিকতা ছিল বলেই আজকে বাংলাদেশ সব সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতার জন্য সরকারের ধারাবাহিকতাও প্রয়োজন। এ জন্য আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। যারা আন্দোলনে পরাজিত হয়, তারা নির্বাচনেও পরাজিত হবে। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সরকার পতনের আন্দোলনে পরাজিত হয়েছিলেন, এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনেও পরাজিত হবে।

    আজ শুক্রবার সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে শরীয়তপুরের নড়িয়ার ঘড়িসা ইউনিয়নের নোয়াদার বাঙলাবাজার মাঠে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ঘড়িসার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকবর হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম ইসমাইল হক, সখিপুর থানা সভাপতি হুমায়ুন কবির মোল্লা, নড়িয়ার আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে হাবিবুর রহমান সিকদার, আবদুর রব খান, হাসেম দেওয়ান, এনায়েতউল্লাহ মুন্সি, আলমগীর হোসেন, লিয়াকত হোসেন মুন্সি, ফজলুল হক মাল, আলম বয়াতি, আদিল মুন্সি, জহির শিকদার, মনির হোসেন সুমন, সানাউল্লাহ, ছাত্রলীগের ফরহাদ হোসেন রিয়াদ, মফিজুর রহমান হিরু প্রমুখ।

    এনামুল হক শামীম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। সংবিধানের বাইরে গিয়ে অনির্বাচিতদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া হবে না। নিয়ম অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়ায়। আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিদেশে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। দেশের অর্থ পাচার হয়। তাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখতে হলে তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। সরকারের ধারাবাহিকতা ছিল বলেই আজকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হচ্ছে। বড় বড় মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন- আ’লীগে একক প্রার্থী, জোটে একাধিক, চূড়ান্ত হয়নি বিএনপির প্রার্থী

    বরিশাল সিটি নির্বাচন- আ’লীগে একক প্রার্থী, জোটে একাধিক, চূড়ান্ত হয়নি বিএনপির প্রার্থী

    ছয় সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে উষ্ণতা বাড়ছে রাজনীতিতে। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে তফসিল। তাই নগর পিতার আসনে বসতে দলীয় মনোনায়ন পাওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীদের। বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনায় রয়েছেন ২০ দলীয় জোট ও মহাজোটের প্রার্থীরা। তবে লড়াইটা যে ক্ষমতাসীদের জন্য মসৃণ নয়, তা বলে দেয় ২০১৫ সালের বিসিসি নির্বাচনের ইতিহাস।

    আধুনিক বরিশাল রূপকার ও জননন্দিত মেয়র হয়েও প্রয়াত শওকত হোসেন হিরণ সেই নির্বাচনে ১৬ হাজার ৯৪৬ ভোটে হেরে যান বিএনপি’র প্রার্থী ও বর্তমান সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামালের কাছে। যদিও হেফাজত ইস্যুতে প্রভাবিত ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট বাড়ার বিষয়টিও সামনে বেড়িয়ে আসে। এদিকে একক প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে যুবনেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একক সিদ্ধান্ত হলেও মহাজোটের শরীক দলগুলো এখনো সমর্থন দেয়নি। ঘোষণা করা হতে পারে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে মেয়র প্রার্থীর নাম।

    এরইমধ্যে বাসদের প্রার্থী হিসেবে তরুণ নারীনেত্রী ডা. মনিষা চক্রবর্তী ও সিপিবির প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট এ কে আজাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রথমবারের মতো মেয়র প্রার্থী হিসেবে কোনো নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করায় আলোচনায় রয়েছেন ডা. মনিষা চক্রবর্তী। দল চাইলে নির্বাচন করতে দ্বিমত নেই জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কর্নেল (অব) জাহিদ ফারুক শামীমও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহামুদুল হক খান মামুনের। অপরদিকে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা কিংবা চূড়ান্ত করেনি ২০ দলীয় জোট। শোনা যাচ্ছে, ২০০৩ সালে বিসিসিকের প্রথম নির্বাচনে চারদলীয় জোট প্রার্থী হয়ে বিজয়ী ও বর্তমান বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার প্রার্থী হতে চান না। তবে বর্তমান মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামালের হঠাৎ করে দলীয় কর্মসূচিতে বেশি অংশ নেওয়াতে বোঝা যাচ্ছে তিনি আবারো প্রার্থী হতে চাইছেন। তার সঙ্গে প্রার্থীর খাতায় যুক্ত হয়েছে- কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন, বর্তমান প্যানেল মেয়র ও মহানগর বিএনপির সহসভাপতি কেএম শহিদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী আফরোজা খানম নাছরিনের নাম।

    অপরদিকে জোট-মহাজোটের বাহিরে এককভাবে প্রার্থী দিচ্ছেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হলে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও অংশ নেবে বিএনপি। অপরদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, মনোনায়ন যে কেউ চাইতে পারেন, কিন্তু আমরা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবির মুখে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যুগ্ম আহ্বায়ক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম মেয়র প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে পাঠিয়েছি।

  • পাঁচ সিটিতে প্রার্থী কারা

    পাঁচ সিটিতে প্রার্থী কারা

    পাঁচ সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। এর মধ্যে সিলেটে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এবং রাজশাহীতে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর খুলনা, গাজীপুর ও বরিশালে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি। দলের দুজন করে সম্ভাব্য প্রার্থী এই সিটিগুলোতে কাজ করছেন। তারা নিজেরাই প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালাচ্ছেন।

    খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেকের পাশাপাশি শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল সমান্তরালভাবে তত্পর। বরিশালে সাদিক আবদুল্লাহসহ আরও কয়েকজন প্রার্থী তত্পর রয়েছেন। একইভাবে গাজীপুরে আজমত উল্লাহ খান ও জাহাঙ্গীর আলম দুজনই সবুজ সংকেত পাওয়ার দাবি নিয়ে মাঠে রয়েছেন। তবে স্থানীয়ভাবে দলের কাছে এখনো কোনো নির্দেশনা যায়নি কেন্দ্র থেকে। এ কারণে এই এলাকাগুলোতে চূড়ান্ত প্রার্থী কে তা স্পষ্ট নয়। আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, শিগগির তারা প্রার্থিতা পরিষ্কার করে দেবেন। গ্রহণযোগ্য নেতাদেরকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে উপনির্বাচন দিয়ে শুরু হবে সিটির ভোটযুদ্ধ। ১৩ মার্চে রয়েছে সংসদের দুটি আসনে উপনির্বাচন। এরপরই ধারাবাহিকভাবে পাঁচ সিটিতে ভোট আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে গাজীপুর সিটিতে ভোট হতে পারে মার্চ-এপ্রিলে। আর জুনের মধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ভোট করবে ইসি।

    গাজীপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখানে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। পোস্টার-বিলবোর্ড ছেয়ে গেছে সিটির অলি-গলি থেকে রাজপথ। মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র আজমত উল্লাহ খান, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল। যদিও দলের সবুজ সংকেত পাওয়ার দাবি করে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন আজমত উল্লাহ খান ও জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালনকারী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদুর রহমান কিরণও দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে জানা গেছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিলেট সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা বেশ কিছুদিন ধরেই নির্বাচনী তত্পরতা চালাচ্ছেন। তবে বছরের শুরুতেই সেই তত্পরতায় গতি পেয়েছে। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা পোস্টারে ছেয়ে গেছে নগরী। আবার বিলবোর্ডের মাধ্যমে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের সবুজ সংকেত নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বলে দাবি সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের। তিনি দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করছেন। যদিও মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাইছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহিউদ্দিন আহমদ সেলিম। স্থানীয়ভাবে কথা বলে জানা যায়, রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। গত দুই নির্বাচনে লড়াই হয়েছে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও নগর বিএনপি সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের মধ্যে। এবারও নৌকা-ধানের শীর্ষের লড়াই হবে এই সিটিতে। ইতিমত্যে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিসেবে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়ে মাঠে নেমেছেন। ২০০৮ সালে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের এই সভাপতি। যদিও ২০১৩ সালের নির্বাচনে মেয়র পদ যায় বিএনপির ঘরে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে খায়রুজ্জামান লিটন মাঠে নেমেছেন। তিনি ওয়ার্ড পর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন, করছেন উঠান বৈঠকও। খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র থাকাকালীন যে উন্নয়ন করেছেন, সেই উন্নয়নের কারণেই নগরবাসী আগামীতে নৌকা প্রতীকে ভোট দেবেন এমনটাই আশা নেতা-কর্মীদের। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও এ নির্বাচনকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে আগেভাগেই প্রচারণায় নেমেছে আওয়ামী লীগ। দলের প্রার্থিতা এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় হেভিওয়েট প্রার্থীর পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বের প্রচারণায় ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টাঙানো পোস্টার, ব্যানার আর ফেস্টুনে অলিগলি ছেয়ে গেছে। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, পাড়া-মহল্লার ক্লাব উন্নয়নে অনুদান, প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি কেন্দ্রে লবিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সরকারদলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। এবার খুলনা সিটিতে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল আলোচনায় রয়েছেন। এ ছাড়া প্রচারণায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের দুই তরুণ নেতা খুলনা সদর উপজেলা সভাপতি ও খুলনা চেম্বারের পরিচালক সাইফুল ইসলাম এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি যুবলীগ নেতা সরদার আনিছুর রহমান পপলু। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হকের নামও আলোচনায় আছে। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, বরিশাল সিটির সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় ব্যস্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী। আটঘাট বেঁধে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন তারা। যদিও এই সিটিতে আওয়ামী লীগ এখনো মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের একটি অংশ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির বড় ছেলে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র পদে মনোনয়ন চান। তবে সাদিককে একক প্রার্থী মানতে নারাজ আওয়ামী লীগের আরেকটি অংশ। জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আফজালুল করিম, সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ এবং মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন আগামী সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে দলের মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন।

  • ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির মিডিয়া সেন্টারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা তফসিল ঘোলণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন ও সিটির সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সঙ্গে যুক্ত হওয়া নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে সাধারণ নির্বাচন আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ১৮ জানুয়ারি, যাচাই বাছাই ২১ ও ২২ জানুয়ারি, প্রত্যাহার ২৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ জানুয়ারি ও ভোটগ্রহণ করা হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি। এ সময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ করপোরেশনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সমর্থনে ওই নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন সদ্য প্রয়াত আনিসুল হক। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ নভেম্বর তার মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ১ ডিসেম্বর থেকে ওই পদটি শূন্য ঘোষণা করে। আইন অনুযায়ী ৯০ দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ উপ-নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির। এ ছাড়া দুই সিটির আশপাশের ইউনিয়নযুক্ত করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড গঠন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর গত ৮ আগস্ট এসব ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট করতে ইসিকে অনুরোধ জানানো হয়। ইসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ডিএনসিসিতে সাধারণ ওয়ার্ড ( আগের ৩৬+ সংযুক্ত নতুন ১৮) ৫৪টি; সংরক্ষিত ওয়ার্ড (আগের ১২+ নতুন ৬) ১৮টি; ভোটকেন্দ্র ( আগের ১০৯৩+ নতুন ২৫৬) ১৩৪৯টি (সম্ভাব্য); ভোটকক্ষ (আগের ৫৮৯২+ নতুন ১৬০৮) ৭৫০০টি (সম্ভাব্য); অস্থায়ী ভোটকক্ষ (আগের ২৭৭+ নতুন ৬৮) ৩৪৫টি (সম্ভাব্য)। এ ছাড়া ডিএনসিসিতে বর্তমান ভোটার সংখ্যা ৩১ লাখ ২ হাজার ১৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ২ হাজার ৪৭২ জন এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪২ জন। এর আগে ২০১৫ সালের নির্বাচনে এই সিটিতে মোট ভোটার ছিল ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছিল ১২ লাখ ২৪ হাজার ৭০১ জন এবং নারী ভোটার ছিল ১১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩ জন। ডিএসসিসির সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২৩১টি; ভোটকক্ষ ১২৩১টি, অস্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৫৬টি। এসব ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫১ হাজার ২৯০ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৮ জন।

  • ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর উদ্ভোধন করলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর উদ্ভোধন করলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মহানগরের ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম এর শুভ উদ্ভোধন করেন যুবরত্ন সাদিক আবদুল্লাহ। এসো হে বীর জনতা, আওয়ামীলীগ এর পতাকা,তলে, এই শ্লোগান কে ধারন করে  কর্মসুচীর শুভ উদ্ভোধন করেন যুবরত্ন সাদিক আবদুল্লাহ।

    সভার সভাপতিত্ব করেন ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি,মনিরুজ্জাৃমান রুবেল। বিশষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর , কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর কার্যকরি সদস্য ও মহানগর আওয়ামীলীগ সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম তোতা, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক  মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগ এর সহ,প্রচার সম্পাদক,মিলন ভুইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর যুগ্ন-আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত, মহানগর শ্রমিকলীগ সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস, মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি মুহা:পলাশ চৌধুরী, মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক আহবায়ক জিয়াউর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উক্ত,সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক, ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নইমুল হোসেন লিটু।

  • ভোট বানচাল চান খালেদা, দাবি ইনুর

    ভোট বানচাল চান খালেদা, দাবি ইনুর

    বিরোধী দল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আসলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। সম্প্রতি খালেদা মন্তব্য করেছেন, তাদের বাদ দিয়ে আর নির্বাচন আর করা যাবে না। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ইনুর ব্যাখ্যা- ‘এই মন্তব্যেই প্রমাণ, নির্বাচন বানচাল করে গণতন্ত্রের পথ থেকে দেশকে ফের সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্তে লিপ্ত খালেদা জিয়া এবং তার সঙ্গী জামাত ও পাকিস্তানিরা।

    বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামি লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি কলকাতায় এসে ঘোষণা করে গিয়েছেন, ডিসেম্বর তাদের বিজয়ের মাস। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই তারা নির্বাচন করতে চান। তাদের জোটশরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ইনুর কথায়, নানা কারণে এই নির্বাচন জাতির মরণ-বাঁচনের নির্বাচন। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বাধ্যবাধকতা তো রয়েছেই। একই সঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাও। ইনুর কথায়, দেশকে যুদ্ধাপরাধী, মৌলবাদী ও জঙ্গিদের ধারকদের হাতে’ তুলে না-দেওয়ার প্রতিজ্ঞাও সেই বাধ্যবাধকতা।

    খালেদা জিয়া ঘোষণা করেছেন, কোনও ‘সহায়ক সরকারের’ নেতৃত্বে নির্বাচন না-হলে তারা অংশগ্রহণ করবেন না। ইনু বলেন, ‘যতক্ষণ না খালেদা এই ভূতের সরকারের দাবি ছাড়ছেন, বলতে হবে গণতন্ত্রে তার বিন্দুমাত্র আন্তরিকতা নেই।’ ইনুর কথায়, ২০১৪-য় সরকার বিএনপি-কে নির্বাচনে আনতে সম্ভাব্য সব রকম চেষ্টা করেছিল। এমনকী সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবও দেন হাসিনা। তবু খালেদা আসেননি। তাই এ বার কোনও আলোচনা হবে না।

    জাসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশে রাজাকারদের শাস্তি দেওয়ার কাজ বাকি ছিল। শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরে দেশে যে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, তা উৎখাতের কাজ বাকি ছিল। শেখ হাসিনা সরকার ষুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে শাস্তি দিয়েছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে লড়াই করছে। জোট বেঁধে এই লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা এখন কাজ।

    ইনুর দাবি, খালেদা জিয়ার আমলে দেশকে জঙ্গিবাদের আখড়া করে তোলা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে তলানিতে পাঠানো হয়েছিল। হাসিনা সরকার জঙ্গিবাদকে উচ্ছেদের পাশাপাশি বাংলাদেশকে উন্নয়নের সড়কে নিয়ে গিয়েছেন। জাতিসংঘও এই উন্নয়নকে মডেল হিসাবে ঘোষণা করেছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও এখন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সীমান্ত-সমস্যা নিরসন হয়েছে। দু’দেশ যৌথ ভাবে উপমহাদেশের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। ইনুর কথায়, জামাত আর পাকিস্তানের হাত ধরে বাংলাদেশকে সেই পথ থেকে সরাতে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন খালেদা। আগামী নির্বাচনে জিতে আসতে তাই ভারতের মানুষের শুভেচ্ছাও চাইছেন পড়শি দেশের তথ্যমন্ত্রী। সূত্র : আনন্দবাজার

  • বরিশাল জেলা ছাত্রদলের কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা- আহত

    বরিশাল জেলা ছাত্রদলের কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা- আহত

    বিএনপির গনতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা ছাত্রদল নেতা সোহেল রাড়ির নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল হয়। কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করে ছাত্রদল নেতা সোহেল রাড়ি।

    ছাত্রলীগের হামলায় দুই ছাত্রদল কর্মী আহত হয়। সোহেল রাড়ি আরও জানায়, শুক্রকার নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় কালো পতাকা মিছিল বের করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের মিছিলে হামলা করে। হামলায় ছাত্রদলের সাজিদুল হক সাজিত ও রায়হান গুরুতর আহত হলে তাদেরকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • কাল যে কোনো মূল্যে সমাবেশ করবে বিএনপি: রিজভী

    কাল যে কোনো মূল্যে সমাবেশ করবে বিএনপি: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারি উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার যে কোনো মূল্যে সমাবেশ করবে বিএনপি।

    বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, কাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলেও এখনো অনুমতি পায়নি বিএনপি। তবে অনুমতির জন্য এখনো আশাবাদী বিএনপি।

    রিজভী বলেন, অতীতে বিএনপির কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা হয়েছে এমন কোনো নজির নেই। আওয়ামী নেতাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে-তারাই পরিকল্পিতভাবে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে একটা অশান্তির পরিবেশ তৈরী করতে চাচ্ছেন। তারা রাজনীতিকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন।

  • বরিশালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর- আহত

    বরিশালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর- আহত

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় ভাঙচুর করা হয়েছে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন অনুসারী নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। বুধবার (০৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শহরের নুরিয়া স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেয়। কিন্তু হামলাকারীদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন- সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে নুরিয়া স্কুলের একটি কক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

    রাত দশটার পরে সেখানে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করলে কথিত ছাত্রলীগ সসন্ত্রাসীরা মিলে ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র হামলা চলায়। একপার্যায়ে তারা নেতাকর্মীদের মারধর করে ৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরক্ষণে সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক মাটিতে ফেলে পদদলিত করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। এই হামলায় ৫ থেকে ৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন জসিম। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর রহমান জানিয়েছেন- ঘটনার পরে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।