Category: রাজণীতি

  • আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব : রনি

    আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব : রনি

    আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে ঘোষণা দিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। এর আগে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পটুয়াখালী থেকে জয় লাভ করেন। এর পর ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি। তবে ২০১৫ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ থেকে মেয়র পদে আংটি মার্কায় অংশ নেন গোলাম মাওলা রনি।

    আজ সোমবার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন যেখানে তিনি আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করেছেন। পাঠকদের জন্য গোলাম মাওলা রনির সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হল।

    “আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব ইনশা আল্লাহ। সব ধরনের প্রস্তুতি চুড়ান্ত করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় দু’টো পোস্টার।
    প্লিজ ! দোয়া করবেন। সবাইকে ধন্যবাদ!”

  • ‘বিএনপির পরিণতি হবে মুসলিম লীগের চেয়েও ভয়াবহ’

    ‘বিএনপির পরিণতি হবে মুসলিম লীগের চেয়েও ভয়াবহ’

    আগামী নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপির পরিণতি মুসলিম লীগের চেয়েও ভয়াবহ হবে বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    সোমবার কক্সবাজারের একটি হোটেলে রোহিঙ্গাদের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা এবং ওষুধ সামগ্রী গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।  তিনি আরও বলেন, বিএনপির নির্বাচনে জয়ের জন্য কথামালা ও স্ট্যান্ডবাজি ছাড়া আর কোনো পুঁজি নেই।

    পরে সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী ২০ লাখ ও একরামুল করিম চৌধুরীর ২০ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দেয়া নগদ ৮৩ লাখ মস২৬ হাজার টাকা এবং ওষুধ সামগ্রী জেলা প্রশাসক আলী হোসেনের হাতে তুলে দেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আবদুর রহমান বদি (এমপি), আশেক উল্লাহ রফিক (এমপি) প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • কম্বোডিয়া গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    কম্বোডিয়া গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    তিনদিনের সরকারি সফরে কম্বোডিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটে শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যান তিনি।

    কম্বোডিয়ায় পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের স্বাগত জানাবেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের নিযুক্ত মিনিস্টার ইন ওয়েটিং এবং থাইল্যন্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কম্বোডিয়ায় বর্তমানে অ্যাক্রেডিটেড সাদিয়া মুনা তাসনিম।

    বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার সফরকালীন আবাসস্থল হোটেল সোফিটেলে নিয়ে যাওয়া হবে।

    তিন দিনের সফর শেষে ৫ ডিসেম্বর বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

  • বরিশালে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

    বরিশালে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

    হুজাইফা রহমান: বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সমাবেশ ও আনন্দ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর ফজলুল হক এভিউনিতে রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বরিশালের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে দলীয় ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে সাধারন জনতা এই সমাবেশ ও র্যালীতে অংশ নেয়।

    নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ নগর ভবনের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এমপি এবং মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ-সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    এরপর জাতীয় পতাকা হাতে হাজার হাজার নেতা কর্মী ও সাধারন জনতার উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার সামনে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রনেতা, সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সকল সংগঠন এর নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে এই র্যালীতে অংশগ্রহন করেন। বিবিরপুকুর পাড় থেকে শুরু করে নাজিরের পুল হয়ে বাজার রোড, চকবাজার, গির্জামহল্লা প্রদক্ষিণ করে র্যালীটি শেষ হয়।

    উল্লেখ্য, বর্ণিল সাজে সজ্জিত এই র্যালীটিতে হাতি, ঘোড়ার গাড়ি সহ বিভিন্ন প্লাকার্ড ও অসংখ্য নারী নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানায়। এছাড়া যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, কৃষকলীগ, মহিলা লীগ এর হাজারো নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এবং তাদের বিভিন্ন ভবন এর ছাদ থেকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান অসংখ্য নারী ও শিশুরা।

  • প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন মেয়র আনিসুলের স্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন মেয়র আনিসুলের স্ত্রী

    সদ্য প্রয়াত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার বনানীর বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মেয়রের বাসায় যান। তিনি সেখানে প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান করেন।

    এ সময় মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী তাকে সান্ত্বনা দেন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী মেয়রের মরদেহের পাশে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতিহা পাঠ করেন। এরপর আনিসুল হকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। আনিসুল হকের একমাত্র ছেলে নাভিদুল হক ও ভাই সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল শফিউল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেয়রের মরদেহ বহনকারী যাত্রীবাহী বিমানটি সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর দুপুর ১টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ফ্লাইটটি।

    পরে সেখান থেকে তার মরদেহ বনানীর বাসায় নেয়া হয়। এ বাসা থেকেই গত ২৯ জুলাই নাতির জন্ম উপলক্ষে ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে যুক্তরাজ্য যান আনিসুল হক। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিষ্কে প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। প্রায় সাড়ে তিন মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি।

    শনিবার দুপুরে মরদেহ বাসায় নিয়ে আসার পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাসায় ভিড় জমান বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। প্রিয় নগরপিতাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে ভিড় করেন নগরবাসীরাও।

    আনিসুল হকের মরদেহ বিকেল ৩টার দিকে রাখা হয় আর্মি স্টেডিয়ামে। বাদ আছর জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    এর আগে শুক্রবার বাদ জুমা আনিসুল হকের প্রথম জানাজা লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক সেন্ট্রাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে’

    ‘এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে’

    ‘জুটি ভেঙে গেছে। আমি একা হয়ে গেছি। আর কেউ আমাকে কখনও বড় ভাইয়ের মত পরামর্শ দেবে না। ‘ শনিবার দুপুরে বনানীর ২৩ নম্বর রোডে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে এসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন অশ্রুসিক্ত নয়নে কথাগুলো বলেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি একা হয়ে গেছি। দু’জন মিলে আধুনিক ঢাকা গড়ার স্বপ্ন দেখছিলাম। এখন জানি না ভবিষ্যতে সে স্বপ্নের কী হবে? বড় ভাই হিসেবে আনিসুল হক সব সময় আমার পাশে ছিলেন। এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে। ‘

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। শনিবার দুপুরে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।

  • আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    হুইল চেয়ারে বসতেও তার যে কষ্ট হচ্ছে, তা শরীরের মৃদু কম্পনে স্পষ্ট হচ্ছিল যখন শরিফুল হককে তার ছেলের সামনে নিয়ে আসা হয়। ৯৫ বছর বয়সী শরিফুল হক দরজা পেরিয়ে কয়েক গজ সামনে গেলেন। সেখানেই কফিনে শুয়ে আছেন তার আদরের মেঝো ছেলে আনিসুল হক।

    আনিসুল হকের কফিনের পাশে মাথা গুঁজে তখন বসে আসেন স্ত্রী রুবানা হক। রুবানার পাশেই হুইল চেয়ারে বসে শরিফুল হক। কফিন ঘিরে তখন নিস্তব্দ নিরবতা। কফিনে শুয়ে থাকা মুখটির দিকে অপলক তাকালেন শরিফুল হক। হাত এগিয়ে আদর করলেন। সন্তানকে শেষবারের মতো আদর করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তিনি।

    যার কাঁধে চড়ে শেষযাত্রায় যাওয়ার কথা বাবার, সেই তাকেই শেষশ্রদ্ধা জানালেন শরিফুল হক। যেন বাবার কাঁধে সন্তানের মরদেহ- পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটিই তাকে করতে হলো শনিবার।

    অথচ শুক্রবার রাত পর্যন্ত শরিফুল হককে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানোই হয়নি। শনিবার লন্ডন থেকে মরদেহ আনার পর বাবা শরিফুল হককে মেয়র আনিসুল হকের বনানীর ২৩ নম্বর রোডের বাসায় শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আইসিও অ্যাম্বুলেন্সে করে আনা হয়। রপর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

    রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ছোট ছেলে শারাফুল হকের কবরে বিকেল ৫টায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসি) মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    শরিফুল হক তার ছোট ছেলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাসায় থাকেন। আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় বরাবরই নিজের এগিয়ে যাওয়ার পেছনে বাবা শরিফুল হকের উৎসাহ আর মায়ের অনুপ্রেরণার কথা বলতেন।

  • বরিশালে যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ- পুলিশের বাধা

    বরিশালে যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ- পুলিশের বাধা

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে দু’টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদল-ছাত্রদল পৃথক পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা ও মহানগর যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয় থেকে নগরে মিছিল করতে চাইলে পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়। পরে নগরের সিঅ্যান্ডবি রোডে জেলা ছাত্রদলের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। শুক্রবার (০১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বরিশাল নগরের সদররোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মুন্না, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রনি, আরিফুল ইসলাম জনি প্রমুখ।  সমাবশে শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে সদররোডে যেতে চাইলে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে পুলিশ তা আটকে দেয়। পরে নেতা-কর্মীরা বাধার মুখে দলীয় কার্যালয়ে ফিরে যায়। এরআগে শুক্রবার সকাল ১১টায় বরিশাল নগরের সদররোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৃথক কর্মসূচি পালন করে জেলা ও মহানগর যুবদল বিক্ষোভ সমাবেশ করে। মহানগর যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রতন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন প্রমুখ। সমাবশে শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে সদররোডে যেতে চাইলে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে পুলিশ তা আটকে দেয়। এদিকে একইস্থানে জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ আকন বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এএইচএম তসলিমউদ্দিন সহ অন্যান্যরা। সমাবেশ শেষে জেলা যুবদলও মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে বাদানুবাদ হলেও পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করতে পারেনি নেতা-কর্মীরা। এদিকে যুবদলের কর্মসূচিকে কেন্দ্রে করে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিএনপি অফিসের আশপাশে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বেলা ১২টার দিকে জেলা ছাত্রদল নেতা সোহেল রাঢ়ী’র নেতৃত্বে নগরের ফরাজী ওয়াকশপ সংলগ্ন সিঅ্যান্ডবি রোডে ঝটিকা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

  • ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক আর নেই

    ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক আর নেই

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসকেরা তাঁর কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসযন্ত্র (ভেনটিলেশন যন্ত্র) খুলে নেন। এরপর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

    বৃহস্পতিবার রাতে মেয়রের পারিবারিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    পারিবারিক ওই সূত্র জানায়, আগামী শনিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আনিসুল হকের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ তাঁর বাসায় নেওয়া হবে। ওই দিন বাদ আসর তাঁকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে মেয়র আনিসুল হক চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর শরীরে মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাঁকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে মেয়রের শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাঁর কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেওয়া হয়।
    গত মঙ্গলবার মেয়রের পরিবারের একজন সদস্য বলেন, রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে আবার আইসিইউতে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে মেয়রকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

  • বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন

    বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন

    হুজাইফা রহমান:

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশালে উদযাপন করা হলো মহান অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ। বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল তিনটা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কর্মসূচির মধ্যে ছিলো লাল পতাকা মিছিল, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমাবেশে বরিশাল ছাড়াও বাম রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।

    অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদযাপন কমিটি বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কমিটির বরিশালের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ কে আজাদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স, সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কার্য পরিচালনা কমিটির সদস্য কমরেড সাইফুজ্জামান সাকন, গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

    এর আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বরিশাল জেলা সংসদ ও চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’র শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর শহরের টাউন হল চত্বর থেকে একটি লাল পতাকা মিছিল বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।