Category: রাজণীতি

  • আ.লীগের প্রতি ন্যূনতম সহানুভূতি দেখানোর চেষ্টা করবেন না

    আ.লীগের প্রতি ন্যূনতম সহানুভূতি দেখানোর চেষ্টা করবেন না

    গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতি ন্যূনতম সহানুভূতি দেখানোর চেষ্টা করবেন না। আওয়ামী লীগ নেতাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তার গর্তের মধ্যে লুকিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    রোববার (১০ নভেম্বর) শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে বেলা ১১টায় গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে শহীদ নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় ২০২৪ ও ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

    রাশেদ বলেন, ২৮ অক্টোবরের পর প্রায় ৩০ হাজার বিএনপি, জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদসহ ভিন্নমতের মানুষকে আটক করা হয়। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পর ৩০০০ আওয়ামী খুনিদের আটক করা হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলব, আওয়ামী লীগের প্রতি ন্যূনতম সহানুভূতি দেখানোর চেষ্টা করবেন না। এই দলটি গণহত্যার সাথে জড়িত, ছাত্রলীগের আগে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা দরকার ছিল। কেন খুনিদের গ্রেফতার করছেন না? আপনারা কি আওয়ামী লীগকে ধরতে ভয় পাচ্ছেন? এই দেশের বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে বলব, পুলিশ আওয়ামী খুনিদের আটক না করলে, আপনারা এই খুনিদের ধরে পুলিশ দেন।

    রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ জিরো পয়েন্টে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবি নিয়ে গণজমায়েতের ঘোষণা দিয়েছিল। আমরাও সেই গণজমায়েত প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সে কারণে নেতাকর্মীদের নিয়ে জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়েছি। কিন্তু এখানে এসে দেখি কোনো আওয়ামী লীগ নাই।

    আওয়ামী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ফাঁদে পা দেবেন না। রাজপথে নামার চেষ্টা করবেন না। আমরা আওয়ামী লীগকে রাজপথে নামতে দেব না।

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা যদি বাপের বেটি হতো তাহলে এ দেশ থেকে এভাবে পালিয়ে যেত না। তবে হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার প্রেতাত্মারা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করছে।

    রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগের দোসররা রাজপথে নামার চেষ্টা করলে দাঁতভাঙা জবাব দেবে গণঅধিকার পরিষদ। আওয়ামী লীগের ঠিকানা বাংলাদেশে আর হবে না। গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

    তিনি বলেন, একটি দল প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। কিন্তু সেই হত্যাকারীদের এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হচ্ছে না। অনতিবিলম্বে এ গণহত্যায় জড়িত ছাত্রলীগ, যুবলীগ, পুলিশ লীগ, র্যাব লীগ যারাই ছিল তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

    গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, জাতীয় পার্টি একটি ফ্যাসিবাদী দল। কিন্তু জাতীয় পার্টিকে এখনও নিষিদ্ধ করা হয়নি। এরশাদের নেতৃত্বে নূর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জাতীয় পার্টির রাজনীতিকে জিইয়ে রাখা হয়েছে।

  • পলক, ইনু ও মেনন রিমান্ড শেষে কারাগারে

    পলক, ইনু ও মেনন রিমান্ড শেষে কারাগারে

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    এর আগে তারা রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ইমন হোসেন গাজী নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় রিমান্ডে ছিলেন। গত ২ নভেম্বর থেকে এ তিন জনের রিমান্ড শুরু হয়।

    যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ইমন হোসেন গাজী নামে এক যুবক। এ ঘটনায় তার ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২৮ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

  • আমরা একে অপরের ভাই, কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো: আদালতে আমু

    আমরা একে অপরের ভাই, কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো: আদালতে আমু

    সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু রিমান্ড শুনানি চলাকালে আদালতে বলেছেন, আমরা একে অপরের ভাই ভাই। মিলেমিশে থাকা উচিত। আমরা একসঙ্গে থাকবো। কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো? আশা করছি, এ পরিবেশ থাকবে না।

    বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজার আদালতে রিমান্ড শুনানি চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।

    এদিন রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন।

    এদিকে ফারুকীর বক্তব্য রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করায় আমুর আইনজীবী স্বপন রায় চৌধুরীকে আদালত থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় আদালতে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পরিস্থিতি শান্ত করেন।

    এরপর আমুর পক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত আমুর বক্তব্য শুনতে চান।

    তখন আমু বলেন, আমি ঢাকা বারের সদস্য, হাইকোর্ট বারের সদস্য। এখানকার পরিবেশ দেখে দুঃখিত। এই পরিবেশে কিছু বলা উচিত না। মামলা চলবে, ভবিষ্যতে আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করবো। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনেক কথা বলেছেন। আমি একজন রাজনীতিবিদ। রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে গেলে দুই ঘণ্টা লেগে যাবে।

    তিনি বলেন, আমরা একে অপরের ভাই। মিলেমিশে থাকা উচিত। আমরা একসঙ্গে থাকবো। কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো? আশা করছি, এ পরিবেশ থাকবে না।

    তখন বিএনপির আইনজীবীরা চিৎকার শুরু করেন। তারা বলেন, তিনি ভয় দেখাচ্ছেন। তখন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাদের শান্ত করেন।

    পরে আমু বলেন, আমরা যার যার পক্ষ অবলম্বন করবো। নিজেরা নিজেরা কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো।

    এরপর ওমর ফারুক বলেন, যখন তিনি ক্ষমতায় ছিলেন তখন কি খবর নিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা বারের। আইনজীবীরা তো ভালোই ছিল। কিন্তু নির্বাচনের সময় সিল মেরে ভোট নিয়ে গেছে, আইনজীবীদের মারধর করেছে। তখন তিনি কি ভূমিকা নিয়েছিলেন।

    তখন আমু বলেন, প্রথমবার যখন গোলমাল হয় আমি এর বিরোধিতা করি। ভোট দিতে আসিনি, বয়কট করেছি।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রব নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।

  • আমির হোসেন আমু ৬ দিনের রিমান্ডে

    আমির হোসেন আমু ৬ দিনের রিমান্ডে

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর নিউমার্কেট থানা এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শাহিন রেজা আমুর ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে সকালে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।

    অন্যদিকে আমুর আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে বুধবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আমুকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকালে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রব নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।

  • সংস্কারের জন্য যেন নির্বাচন বিলম্ব না হয় : ফারুক

    সংস্কারের জন্য যেন নির্বাচন বিলম্ব না হয় : ফারুক

    অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেছেন, সংস্কার করুন, কিন্তু এমন সংস্কারে হাত দিয়েন না, যে সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্বিত হবে। এমন সংস্কার করতে যাবেন না, যার জন্য আবার একটি চক্র বাংলাদেশের গনতন্ত্রকে নস্যাৎ করার পরিকল্পনা করতে পারে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সকল পর্যায় থেকে ফ্যাসিস্ট দোসরদের সমূলে উৎখাতের’ দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    ফারুক বলেন, আমরা নির্বাচন চাই। ১৬ বছর আওয়ামী লীগ দেশ শাসন করে গনতন্ত্র ধ্বংস করেছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, কত মায়ের বুক খালি করেছে, আয়নাঘর তৈরি করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। শেখ হাসিনার দোসররা মন্ত্রাণালয়সহ নানা জায়গায় এখনো কাজ করছে তাদের কেন পদায়ন করে রেখেছেন বলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

    ফারুক আরও বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ আবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এই অস্থিরতা করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। অবিলম্বে এদের পদায়ন বাতিল ও অপসারণ করার দাবি জানান তিনি।

    সাবেক চিফ হুইপ আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনে করে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দরকার তবে তা যেন ফখরুদ্দিন-মঈন এর মত সময় না হয়।

    তিনি দ্রুত রোড ম্যাপ দেওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তি দেশের মানুষ যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, ১৬ বছর আওয়ামী লীগের অত্যাচার সহ্য করেছে, তাদের নির্বাচন মূখি করার কথা বলেন। নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে তা রুখে দিতে হবে।

    এ সময় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহার ও বিএনপির ৪০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

    আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও মঞ্জুর হোসেন ঈসার সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জাগপার সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা নেসারুল হক, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী প্রমুখ।

  • তারেক রহমানের ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ মামলা বাতিল

    তারেক রহমানের ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ মামলা বাতিল

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ চার জনের বিরুদ্ধে নয় বছর আগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

    মামলা থেকে খালাস পাওয়া বাকিরা হলেন- একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, সাবেক প্রধান প্রতিবেদক মাহাথীর ফারুকী খান ও জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কনক সারওয়ার।

    তারেক রহমানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, রুহুল কুদ্দুস কাজল, কায়সার কামালসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী।

    এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল বলেন, ‘আদালত বলেছেন, এ মামলার কোনো ভিত্তি নেই। মামলাটির চার্জশিট (অভিযোগপত্র) মেকানিক্যাল। মামলার চার আসামিই এই আদেশের সুবিধা পাবেন।’

    তাই চারজনই এ মামলা থেকে খালাস পাবেন বলে জানিয়েছেন এই আইনজীবী।

    মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ‘লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য একুশে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি দিতে এবং প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

    ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য একুশে টিভি সরাসরি সম্প্রচার করে।

    তেজগাঁও থানার এসআই বোরহান উদ্দিন ওই বছরের ৮ জানুয়ারি ওই থানায় তারেক রহমান ও আবদুস সালামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন।

    তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন গোয়েন্দা পরিদর্শক এমদাদুল হক।

    সেখানে তারেক ও সালামের সঙ্গে যোগ করা হয় একুশে টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক মাহাথীর ফারুকী খান এবং জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কনক সারওয়ারের নাম।

  • নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল করায় পাঁচজন ৩ দিনের রিমান্ডে

    নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল করায় পাঁচজন ৩ দিনের রিমান্ডে

    রাজধানীর গুলিস্তানে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পাঁচজনকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান এ আদেশ দেন।

    রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- মো. সাকের হোসেন (৩৮), রিফাত শেখ (২২), আকরাম হোসেন বাদল (৪৫), নূরজাহান আক্তার স্মৃতি (৩৫) ও সাদিয়া আফরিন (২৩)।

    এদিন তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক অমিত কুমার বিশ্বাস। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে ৩ দিনের রিমান্ড আদেশ দেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০-৪০ জন অজ্ঞাতনামা নেতাকর্মী মিছিল করে। এ সময় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিনই পল্টন থানার পরিদর্শক কাজী নাসিরুল আমিন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন।

  • সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে সিআইডি

    সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে সিআইডি

    সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এতে বিভিন্ন তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে সাইফুজ্জামান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে অর্থপাচারের অনুসন্ধান পরিচালনা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

    বৃহস্পতিবার সিআইডির সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, ২০০৫ সালে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ যুক্তরাষ্ট্রে নাহার ম্যানেজমেন্ট ইনকরপোরেটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। ২০০৫ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতিষ্ঠানের নামে যুক্তরাষ্ট্রে ৯টি ফ্ল্যাট কেনেন। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবসা করার জন্য দুবাইয়ে র‌্যাপিড র‌্যাপ্টর এফজিই এবং জেবা ট্রেডিং এফজিই নামে ২টি প্রতিষ্ঠান খোলেন।

    এ ছাড়া তার স্ত্রী রুখমিলা জামান চৌধুরীর নামে আল-বারশা সাউথ-থার্ড এলাকায় কিউ গার্ডেন্স ও বুটিক রেসিডেন্সে ২টি ফ্ল্যাট কিনেন, যার দাম ২২ লাখ ৫০ হাজার ৩০০ দিরহাম। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সাইফুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং আরব আমিরাতে ৬২০টি বাড়ি কেনেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪৮ কোটি ডলার। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নিজের ও স্ত্রী রুখমিলা জামানের নামে যুক্তরাজ্য ও দুবাইয়ে ৮টি প্রতিষ্ঠান খোলেন, যার স্থায়ী ও চলতি সম্পদের মূল্য ২১ কোটি ৭২ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসব কোম্পানি খুলে বিনিয়োগ করেছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত যে ২১টি প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে সেই তালিকায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী বা তার পরিবারের কারো নাম নেই।

    সিআইডি আরও জানায়, ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনে সাইফুজ্জামান চৌধুরী যে সম্পদ বিবরণী জমা দেন, সেখানে তার বিদেশে থাকা সম্পদের কোনো তথ্য নেই। অর্থপাচার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুসারে একটি সম্পৃক্ত অপরাধ বিধায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

  • সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ গ্রেফতার

    সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ গ্রেফতার

    সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর (গোয়েন্দা) পুলিশ।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স থেকে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিতকরা হয়।

    তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

    এর আগে গত ২০ অক্টোবর সাবেক এই মন্ত্রীসহ ৩৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় হয় এ মামলা।

    ওই মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়, বিগত ২০২৩ সালের ৫অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোড মার্চ করে চট্টগ্রাম যাওয়া পথে তাদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বারইয়ারহাট পৌরসভার গাছ মার্কেট এলাকায় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০০/১৫০ জন নেতাকর্মী অবস্থান করেন। এসময় কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়ী পৌঁছালে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব রহমান রুহেলের নির্দেশে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, এনায়েত হোসেন নয়ন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র রেজাউল করিম খোকনের নেতৃত্বে লোহার রড, রাম দা, কিরিচ, লাঠিসোঠাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহাসচিবে গাড়ী বহর ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। আসামিরা ৫-৮টি গাড়ীর সামনের ও পিছনের গ্লাস ভাঙচুর করে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে। হামলায় মামলার স্বাক্ষী জসিম উদ্দিন ও আলমগীর হোসেন গুরুতর আহত হন।

  • খালেদা জিয়ার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

    খালেদা জিয়ার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৫ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

    রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. আক্তারুজ্জামানের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন।

    এদিন মামলাটির চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে দুদকের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

    এদিকে এই মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। তারপক্ষে মাসুদ আহমেদ তালুকদার হাজিরা দেন।

    খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশারফ হোসেন।

    ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।

    কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট।