Category: রাজণীতি

  • ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

    ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান এবং ভ্রান্ত দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা অতঃপর বাঙালি জাতির উপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার, নির্যাতন, চরম অবেহলা ও দুঃশাসনে নিষ্পেষিত বাংলার জনগণের মুক্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগ। জন্মলগ্নে এই সংগঠনের নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন ঢাকার কেএম দাস লেনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘রোজ গার্ডেন’ প্রাঙ্গণে জননেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অনুসারি মুসলিম লীগের প্রগতিশীল কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ নামে পাকিস্তানের প্রথম বিরোধীদলের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সংগঠনটির প্রথম কমিটিতে মওলানা ভাসানী সভাপতি ও শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলে থাকা অবস্থায় যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান।
    প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ধর্মনিরপেক্ষ-অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, শোষণমুক্ত সাম্যের সমাজ নির্মাণের আদর্শ এবং একটি উন্নত সমৃদ্ধ আধুনিক, প্রগতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শনের ভিত্তি রচনা করে আওয়ামী লীগ। যার প্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালের কাউন্সিলে অসাম্প্রদায়িক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে সংগঠনটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’।
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু এ দেশের প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠনই নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির মূলধারাও। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা। ১৯৪৮ সালে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সূচিত ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালে গণজাগরণে পরিণত হয়। অব্যাহত রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার তরুণ সংগ্রামী জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান সেই সময়ে কারান্তরালে থেকেও ভাষা আন্দোলনে প্রেরণাদাতার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। ভাষা আন্দোলনের বিজয়ের পটভূমিতে ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় হয়। তারপরও প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়। নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রদেশে প্রদেশে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। পূর্ব বাংলায় আওয়ামী লীগ সরকার নিশ্চিত করে এক মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ। আওয়ামী লীগের উদ্যোগেই মাতৃভাষা বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষার আনুষ্ঠানিক মর্যাদা লাভ করে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঘোষিত হয় জাতীয় ছুটির দিনÑ ‘শহীদ দিবস’। আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা একাডেমি। মাত্র ২০ মাসের রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়ে চরম খাদ্যাভাব ও দুর্ভিক্ষ থেকে বাঙালি জাতিকে রক্ষা করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকার যে সফলতা অর্জন করে তাতে জনগণের কাছে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বহু গুণ বেড়ে যায়। সে সময় মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে জনগণের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এরপর আইয়ুব খানের এক দশকের স্বৈরশাসন-বিরোধী আন্দোলন, ’৬২ ও ’৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ, ’৬৬-এর ঐতিহাসিক ৬-দফা আন্দোলন, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ৬-দফাভিত্তিক ’৭০-এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” খ্যাত কালজয়ী ভাষণ ও পরবর্তীতে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অবশেষে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অভ্যুদ্বয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

    স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের রূপকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির স্বতন্ত্র জাতি-রাষ্ট্র ও আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সুমহান ঐতিহ্যের প্রতীক। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে এগিয়ে নিতে নিবেদিত ঠিক তখনই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাসহ জাতীয় চার নেতা হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র করা হয়।
    ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৬ বছরের নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নব উদ্যমে সংগঠিত হয়। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালি জাতির হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক নবতর সংগ্রামের পথে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
    বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথপরিক্রমায় অনেক অশ্রু, ত্যাগ আর রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি ফিরে পায় ‘ভাত ও ভোটের অধিকার’; দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা। আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা, রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে ও সুদক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্থিতিশীল অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নয়নে গতিশীলতা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়নের ফলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে।
    আওয়ামী লীগের ইতিহাস, বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল অর্জন ও সংগ্রামের ইতিহাস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ বাঙালি জাতির যা কিছু শ্রেষ্ঠ অর্জন, তার মূলে রয়েছে জনগণের এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব। জন্মলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস জনগণ, শক্তির উৎস সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
    এ দেশের সকল গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল আন্দোলনের সাহসী মিছিলের নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। জনগণের ভেতর থেকে উত্থিত একটি প্রগতিশীল সংগ্রামী রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ হচ্ছে সমাজের অগ্রসর চিন্তা-চেতনা, আদর্শ, লক্ষ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রবাহিনী। নেতা-কর্মীদের ইস্পাতদৃঢ় মনোবল এবং ঐক্যবদ্ধতার ফলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হয়নি, কোনোদিন হবেও না। আওয়ামী লীগের নিযুত নেতাকর্মীরা আজ বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। দীর্ঘ একাত্তর বছরের লড়াই-সংগ্রামের অভিযাত্রায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। আওয়ামী লীগের অর্জিত সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলার জনগণ বিশ্বাস করে, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল সঙ্কট জয় করে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
    আগামী ২৩ জুন ২০২০ মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শুভজন্মদিন ঐতিহাসিক ২৩ জুন অঙ্কুরিত হয় ‘স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নসূত্র’। দিবসটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত গৌরবের। এ বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী হওয়ায় দিবসটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রত্যাশা ছিল জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলার জনগণকে সাথে নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করার; কিন্তু এবছর বৈশি^ক মহামারি করোনার কারণে সৃষ্ট সংকটে আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সব ধরনের জনসমাগমপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহার করে আসছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সারাদেশে আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মী করোনা সংকটে মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাজ-সজ্জা ও অন্যান্য কর্মসূচির খরচ বাঁচিয়ে তা দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনগণের ভালোবাসার সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
    দেশবাসীকে ঐতিহাসিক ২৩ জুনে সীমিত পরিসরে যথাযথভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা, মুক্তি, গণতন্ত্র ও প্রগতি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী দেশমাতৃকার সকল শহীদ সন্তান এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আলহাজ¦ মকবুল হোসেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বদর উদ্দীন আহমদ কামরান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ¦ অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ মৃত সকলের পবিত্র আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। একই সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বাদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নীতি, আদর্শ, চেতনা ও মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল বাঙালি হৃদয়ে দেশপ্রেমের বহ্নিশিখা প্রজ¦লিত করে সংকট জয়ের ঐক্যবদ্ধ সুরক্ষা ব্যুহ সৃষ্টির অনুরোধ জানাচ্ছে।

  • করোনায় আক্রান্তের তালিকায় বাড়ছে মন্ত্রী-এমপির নাম

    করোনায় আক্রান্তের তালিকায় বাড়ছে মন্ত্রী-এমপির নাম

    দেশে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব। ইতোমধ্যে দেশের ১ লাখ ৫ হাজারের বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রায় ১৪শ’ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও রয়েছেন এ তালিকায়। সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান প্রতিমন্ত্রী ও এমপিরাও বাদ যাচ্ছেন না।

    সময়ের সাথে সাথে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত জনপ্রতিনিধির সংখ্যা বাড়ছে। সর্বশেষ গতকাল ১৯ জুন, শুক্রবার এই তালিকায় সাবেক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামও যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন সরকারের সাবেক এই প্রভাবশালী মন্ত্রী।

    ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর মারা গেছেন চলতি সংসদের সদস্য, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। মৃত্যুর পর ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহর নমুনা পরীক্ষায়ও করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মকবুল হোসেন।

    বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের আরো তিন সদস্যের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সম্প্রতি স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এছাড়া বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংও এতে আক্রান্ত হয়েছে।

    ইতোমধ্যে সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, সাবেক হুইপ নওগাঁ-২ আসনের এমপি শহিদুজ্জামান সরকার, রেল মন্ত্রণালয় বিষয়ক কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রণজিত কুমার রায়, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন ও তার স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

    জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান দুলাল, পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল এবং গণফোরাম দলীয় সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানের শরীরেও এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

    অপরদিকে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদস্য কাজী কেরামত আলীর স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

    এদিকে করোনায় আক্রান্ত না হলেও পরিবারের সদস্য ও সহযোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সেলফ আইসোলেশনে রয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী-এমপি। এরা হলেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন, তার পুত্র বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ ও টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম।

  • মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত

    মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত

    করোনায় আক্রান্ত মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মো. ওবাইদুর রহমান খান।বুধবার রাতে তার করোনা পজেটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকরাম হোসেন।

    গত ২৪ ঘন্টায় মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ নতুন আরও ৯২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত ১০১ দিনের মধ্যে এটাই জেলায় সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার ঘটনা।
    এর মধ্যে সর্বাধিক সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালকিনিতে ১৩ জন, রাজৈরে ৩৩জন এবং শিবচর উপজেলায় ৭জন। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬৮ জনে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫জন।

    এ পর্যন্ত জেলায় মোট সুস্থ হয়েছেন ১২৪ জন। নতুন আক্রান্তসহ ২৯৬ জন হাসপাতালের আইসোলেশনে এবং হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকরাম হোসেন বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জানান, মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. মো. ওবাইদুর রহমান খানের কয়েকদিন ধরেই তার ঠাণ্ডা ও কাশি আছে। এ জন্যই তিনি ১১ জুন করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দিয়েছিলেন। বুধবার তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

  • বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি করোনা আক্রান্ত

    বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি করোনা আক্রান্ত

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত আওয়ামী লীগ নেতা ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ১৭ জুন, বুধবার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ এসেছে। তিনি আজকেই রাজধানীর এভারকেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) হাসপাতালে ভর্তি হবেন বলে জানা গেছে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকশি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এ বিষয়ে আবদুল লতিফ বকশি জানান, বাণিজ্যমন্ত্রীর আজ করোনা টেস্টে পজেটিভ এসেছে। তাই তিনি আজই এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হবেন।

    প্রসঙ্গত, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ৪৩ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ১৩০৫ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪০০৮ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৯৮ হাজার ৪৮৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩৮৮৮৯ জন।

    বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

  • আষাঢ়ের বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি!

    আষাঢ়ের বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি!

    প্রকৃতির পালা বদলে চলছে বর্ষাকাল। আষাঢ়ের তৃতীয় দিনে সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি পড়ছে। এতে থমকে গেছে পুরো বরিশালের নগরজীবন। ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া হয়ে পড়েছে কষ্টকর। ছাতা নিয়ে কেউ কেউ বের হচ্ছে জরুরি কাজে। তবে ভ্যাপসা গরমে এই বৃষ্টি স্বস্তি দিয়েছে নগরবাসীকে।

    বরিশাল নগরীর সদর রোড, কাকলির মোড়, পোর্ট রোড বাজার, বাংলা বাজার মোড়সহ নগরের বেশ কিছু নিম্নাচঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার আগ দিয়ে ড্রেন ও রাস্তা খোঁড়ায় কাদায়-পানিতে সয়লাব সেই এবড়োথেবড়ো পথে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছে নগরবাসী।

    এদিকে, বৃষ্টিতে নগরজীবনে সামান্য ছন্দপতন ঘটলেও আমনচাষিদের মুখে হাসি ফুটছে। আমন ধানের চাষ পুরোটাই নির্ভর করে বৃষ্টির ওপর। আষাঢ় থেকে বীজতলা প্রস্তুতের কাজ শুরু করেন চাষিরা। বৃষ্টিতে গাছপালা, লতাগুল্ম মেতে উঠেছে বুনো উচ্ছ্বাসে।

    বর্ষা মৌসুম ছাড়া গাছের শাখায় শাখায়, মাঠের ঘাসে, ফসলের মাঠে এত নিবিড় সতেজ সবুজের সমারোহ চোখে পড়ে না আর কখনো।

    বরিশাল আওহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ বলেন, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। যে কারণে বরিশালে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হচ্ছে। যা আরও দুই তিনদিন থাকবে।

  • সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে মেয়র সাদিকের শোক

    সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে মেয়র সাদিকের শোক

    জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এম মনসুর আলীর সন্তান, সাবেক মন্ত্রী,(ডাক টে‌লি‌যোগা‌যোগ, গনপূর্ত, স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য)। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক, খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম আজ সকালে ইন্তেকাল করেছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।

    মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • নাসিমের মৃত্যুতে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর শোকপ্রকাশ

    নাসিমের মৃত্যুতে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর শোকপ্রকাশ

    বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ সা‌বেক ডাক টে‌লি‌যোগা‌যোগ, গনপূর্ত, স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্হ্যমন্ত্রী,‌ বি‌শিষ্ট পার্লা‌মেন্টা‌রিয়ান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম’র মৃত্যুতে গভীর প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আ.লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়ার সদস্য, পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), আওয়ামী লীগ সংসদীয় স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোডের্র সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। শোক বার্তায় তিনি বলেন, দেশ হারালো দেশ প্রেমিক ও কর্মী বান্ধব এক নেতা। আর আমি হারালাম আমার বিশ্বস্ত সহোযোদ্ধা বন্ধুকে।

  • রেড জোনে সাধারণ ছুটি থাকবে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

    রেড জোনে সাধারণ ছুটি থাকবে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

    করোনায় অধিক সংক্রমিত এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে সে সব এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনায় অধিক সংক্রমিত এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন করে দেয়া হবে। সেই এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে। এ ছাড়া অন্যান্য স্থানে আগের মতোই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খোলা থাকবে, চলবে গণপরিবহনও।

    জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী দু’এক দিনের মধ্যেই সারা দেশে অধিক সংক্রমণ এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করা শুরু হবে।

    তিনি জানান, যেখানে রেড জোন হবে সেটাকে ব্লক করা হবে। সেটাকে ম্যানেজমেন্ট করার চেষ্টা কো হবে। সেখানে সাধারণ ছুটি থাকবে। রেড জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে যে যেখানে আছে সেখানেই থাকবে।

    ফরহাদ হোসেন বলেন, রেড জোনগুলোতে কভিড-১৯ পরীক্ষায় বুথ বসানো হবে। সেখানে চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। চারপাশ থেকে ওই অঞ্চলকে ঘিরে দেয়া হবে যাতে মানুষ বাইরে বের হতে না পারে। রেড জোন এলাকায় সবকিছু রেখেই পরিপূর্ণভাবে এটা বাস্তবায়ন করা হবে। যেহেতু আমরা রেডজোন ঘোষণা করে সেখানে ব্লক করব, তাই ১৬ জুন থেকে এভাবেই চলতে থাকবে বলেও জানান তিনি।

  • শাহান আরা আব্দুল্লাহর রুহের মাগফিরাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের দোয়া মোনাজাত

    শাহান আরা আব্দুল্লাহর রুহের মাগফিরাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের দোয়া মোনাজাত

    বরিশালে জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে শাহান আরা আব্দুল্লাহর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত।

    মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র স্ত্রী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রয়াত মাতা বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহান আরা আব্দুল্লাহ’র অকাল মৃত্যুতে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে আজ ১২ জুন শুক্রবার জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমা বাদ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। দোয়া-মোনাজাতের উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক বরিশাল এস, এম, অজিয়র রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বরিশাল তৌহিদুজ্জামান পাভেল, সহকারী কমিশনার ভুমি বরিশাল সদর মোঃ মেহেদী হাসানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

  • পরিবারের ১০ সদস্যসহ করোনায় আক্রান্ত এমপি মোছলেম উদ্দিন

    পরিবারের ১০ সদস্যসহ করোনায় আক্রান্ত এমপি মোছলেম উদ্দিন

    করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোছলেম উদ্দিন আহমদ। তিনি ছাড়াও তার পরিবারের আরও ১০ সদস্যের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে।
    গতকাল বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি বলেন, পরিবারের ১০ সদস্যসহ চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। স্ত্রী, ছেলে নাতিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা রয়েছেন।
    জেলা সিভিল সার্জন জানান, বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবের প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। এমপিসহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের এক সদস্য এবং এক চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
    গত ৯ জুন বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি টিম নগরের লালখান বাজারের বাসা থেকে সংসদ সদস্যের পরিবারের ১৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের ফলাফল নেগেটিভ আসলেও বাকি ১০ জনেই পজিটিভ।
    এর আগে, বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান পরিবারের ১১ সদস্যসহ করোনায় আক্রান্ত হন। এ নিয়ে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় কোনো সংসদ সদস্য ও তার পরিবারে সদস্যদের করোনা শনাক্ত হলো।