Category: রাজণীতি

  • শিশু শীর্ষেন্দুর ইচ্ছাপূরণ, সেতু উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    শিশু শীর্ষেন্দুর ইচ্ছাপূরণ, সেতু উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    সেই ২০১৬ সালের কথা। পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস খরস্রোতা পায়রা নদীতে সেতু চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখেছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই চিঠির জবাবও দেন। আশ্বাস দিয়েছিলেন সেতু নির্মাণ করা হবে। ২০২০ সালে শীর্ষেন্দুর সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।

    পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার পায়রা নদীর উপর ১ হাজার ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কচুয়া-বেতাগী-পটুয়াখালী-লোহালিয়া-কালাইয়া সড়কের ১৭তম কিলোমিটারে পায়রা নদীর উপর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পূরণ হবে শীর্ষেন্দুর ইচ্ছা।

    মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এটিসহ আরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প।

    সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আপনাদের সবার মনে আছে একটি সেতু চেয়ে শিশু শীর্ষেন্দু আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখেছিল। শিশুটির চিঠিতে অনেক মানবিক যুক্তি ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মানবিক-দয়ালু। শিশুকে দেওয়া কথা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। আমি শিশু শীর্ষেন্দুকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো কচুয়া-বেতাগী-পটুয়াখালী-লোহালিয়া-কালাইয়া সড়কের ১৭তম কিলোমিটারে পায়রা নদীর উপর পায়রাকুঞ্জ নামক স্থানে ১ হাজার ৬৯০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের মাধ্যমে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে পটুয়াখালী সদর এবং ঢাকার সরাসরি, নিরবচ্ছিন্ন ও ব্যয় সাশ্রয়ী সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হবে। মার্চ ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ মেয়াদেই শীর্ষেন্দুর ইচ্ছা পূরণ করা হবে।

    প্রকল্পের বাস্তবায়নে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে ৬শ মিটার, সেতু (ভায়াডাক্টসহ) ১ হাজার ৬৯০ মিটার, গাইড বাঁধ নির্মাণ হবে ১ হাজার মিটার। প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ৮ একর ভূমি অধিগ্রহণ, নিরাপত্তা সেবা নিয়োগসহ বিস্তারিত ডিজাইন পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হবে।

    নির্মাণ তদারকি পরামর্শক সেবা ও টোলপ্লাজা নির্মাণসহ কম্পিউটারাইজড টোল আদায় পদ্ধতি চালুকরণ ছয়টি ওজন স্টেশন স্থাপন, টোল মনিটরিং ভবন, পুলিশ স্টেশন এবং প্রকল্পের জনবলের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ হবে চারটি। নদীর তীর প্রতিরক্ষামূলক কাজ ১ হাজার মিটার, অ্যাপ্রোচ সড়ক ৬শ মিটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি, যানবাহন সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ কাজ করা হবে।

  • নাগরিক সমস্যা সমাধানে নগরবাসীর সাথে সিটি মেয়রের উন্মুক্ত আলোচনা

    নাগরিক সমস্যা সমাধানে নগরবাসীর সাথে সিটি মেয়রের উন্মুক্ত আলোচনা

    নাগরিক সমস্যা সমাধানে নগরবাসীর সাথে উন্মুক্ত আলোচনা করেছেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। আজ রোববার বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের এ্যানেক্স ভবনের সম্মেলন কক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত সাধারণ নাগরিকবৃন্দের সাথে সরাসরি সাক্ষাত করেন মেয়র সাদিক। নাগরিকবৃন্দ উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে মেয়রের কাছে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

    এসব সমস্যার কথা মনোযোগসহকারে শুনে তা সমাধান করেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • নারী যত শিক্ষিত হবে সমাজ তত এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী

    নারী যত শিক্ষিত হবে সমাজ তত এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারী যত শিক্ষিত হবে সমাজ তত এগিয়ে যাবে। আমাদের নারীরা এখন সর্বক্ষেত্রে পারদর্শিতা অর্জন করছে।
    নারীর ক্ষমতায়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতা কেউ কাউকে হাতে তুলে দেয় না। নিজের যোগ্যতায় অর্জন করে নিতে হয়। নারীরা তাদের যোগ্যতা দিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
    রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুনন্নেসা ইন্দিরা। অনুষ্ঠানে পাঁচ মহিয়সী নারীকে জয়ীতা পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে নারীদের সম্পৃক্ত করেছিলেন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি দেশের পবিত্র সংবিধানে রাষ্ট্রীয় ও সমাজ জীবনের সব কর্মকাণ্ডে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিগত ১১ বছরে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি নারীকে সহযাত্রী করা হয়েছে। নারীর সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১’, নারী উন্নয়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৩-২৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৩ সহ ডিএনএ আইন, যৌতুক নিরোধ আইন, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন’ ও ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা।’

    এছাড়াও নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর দারিদ্র্য বিমোচন, বাল্যবিবাহ নিরোধ, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ছাড়াও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে নারীর অংশগ্রহণসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাতৃত্বকালীন ছুটি স্ব বেতনে ছয় মাসে উন্নীত এবং মাতৃত্বকালীন ভাতা ও ল্যাকটেটিং মাদার ভাতা চালু করা হয়েছে। এছাড়া বয়স্ক ভাতা, বিধবা-তালাকপ্রাপ্ত ও নির্যাতিত নারীদের ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের ভাতা চালু রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভিজিএফ, ভিজিডি ও জিআর কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমেও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে রাজনীতি, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা, সশস্ত্র বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সর্বক্ষেত্রে নারীরা যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নে রোল মডেল।

  • ভাষা ও ঐতিহ্যকে বড় করে দেখেছেন বঙ্গবন্ধু

    ভাষা ও ঐতিহ্যকে বড় করে দেখেছেন বঙ্গবন্ধু

    মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবার থেকে এলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে (ভাষা ও ঐতিহ্য) বড় করে দেখেছেন। ‘বাঙালি’ শব্দটিই ছিল জাতীয়তাবাদের একটি অসাম্প্রদায়িক পরিচয়।

    ভারতের সাংবাদিক পিকে বালাচন্দ্রন তার একটি লেখায় লিখেছেন, ‘মুজিবের অসাম্প্রদায়িক চেতনা কিন্তু ধর্মকে বাদ দিয়ে নয়। তার কাছে অসাম্প্রদায়িকতা ছিল সব ধর্মের মানুষের মাঝে একতা।’

    তিনি আরো লিখেছেন, একইভাবে মহাত্মা গান্ধীও ভাবতেন। গান্ধী হিন্দু ধর্ম পালন করলেও সব ধর্মের মানুষের নেতা ছিলেন।

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেছেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) ভিন্নতার মাঝে মিল তৈরি করেছেন এবং জাতীয়তাবাদ ও ধর্মকে এক করেছেন।’

    সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, ‘অনেকে বঙ্গবন্ধুকে ‘বুর্জোয়া নেতা’ বলতে চাইলেও তিনি কিন্তু এলিট শ্রেণির বিরুদ্ধে ও শোষিতের পক্ষে যুদ্ধ করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ধর্মীয় রাজনীতিকে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে পরিণত করেছেন এবং অসাম্প্রদায়িক শ্লোগান ‘জয় বাংলা’ তৈরি করেছেন, যা আমাদের মুক্ত দেশের প্রথম দিককার শব্দ।’

  • কোনও মেজরের বাঁশির ফুঁতে দেশ স্বাধীন হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

    কোনও মেজরের বাঁশির ফুঁতে দেশ স্বাধীন হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

    কোনও মেজরের বাঁশির ফুঁতে দেশে যুদ্ধ শুরু হয়নি বা দেশ স্বাধীন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ভাবলে দুঃখ হয় যে ৭ মার্চের ভাষণ আমাদের দেশে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। আমি জানি না যারা এই ভাষণ মুছে ফেলতে চেয়েছিল তারা এখন লজ্জা পায় কিনা। অবশ্য তাদের লাজলজ্জা আছে বলে মনে হয় না।’

    তিনি বলেন, ‘এই দেশে এমন একটা সময় ছিল যখন মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান, সেটাও মুছে ফেলা হয়েছিল। এমনভাবে বিকৃত ইতিহাস তৈরি করা হলো, যেন কোনও এক মেজর বাঁশিতে ফুঁ দিলো আর অমনি যুদ্ধ হয়ে গেলো আর দেশ স্বাধীন হয়ে গেলো। অথচ সে নিজেই চাকরি করতো বাংলাদেশ সরকারের অধীনে। ৪০০ টাকা বেতন পেতো। তাকেই ঘোষক বানানোর চেষ্টা হয়েছিল।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মুজিববর্ষ উদযাপনে অনেক কর্মসূচির চিন্তা করছি। জাতির পিতা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ যেন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান পায়। তিনি সংবিধানে মৌলিক চাহিদার কথা উল্লেখ করে গেছেন। তার স্বপ্ন ছিল একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। এ জন্য তিনি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। মুজিববর্ষের মধ্যে দেশের একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না।’

    আওয়ামী লীগ নেতাদের নিজের এলাকায় খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের ঘর নেই তাদের আমরা ঘর করে দেবো। আমরা চাই একটি মানুষও যেন গৃহহারা না থাকে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, আমার এই কথাটা দেশের সব মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। আপনারা চেষ্টা করেন ঘর করে দিতে। না পারলে আমরা টাকা দেবো ঘর করার জন্য।’

    তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ সারা বিশ্বে একমাত্র ভাষণ, যা হিসাব করে পাওয়া যাবে না কতজন কত ঘণ্টা এই ভাষণ শুনেছেন। সারা পৃথিবীতে একটি ভাষণ এভাবে দীর্ঘদিন ধরে আবেদন রাখতে পারাটা নজিরবিহীন। বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তার জন্য আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। সারা বিশ্বের স্বীকৃতি পেয়েছি। সারা জীবন তিনি সংগ্রাম করেছেন। পাকিস্তান আলাদা রাষ্ট্র হওয়ার পরই আমাদের মাতৃভাষার ওপর আঘাত এলো। তারা আমাদের ওপর উর্দু চাপিয়ে দিলো। তখনই বঙ্গবন্ধু সিদ্ধান্ত নিলেন স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটা দেশকে স্বাধীন করা ও একটি জাতি সৃষ্টি করা, পৃথিবীর খুব কম রাজনৈতিক নেতাই তা করতে পেরেছেন।’ ৭ মার্চের ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভাষণ দেওয়ার আগে অনেকেই অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু, জাতির পিতা জানতেন কিভাবে কোন পদক্ষেপ নিতে হবে। ভাষণ দিতে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন আমার মা। যেকোনও ক্রান্তিলগ্নে আমার মা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। আমার মা বলেছিলেন, তুমি সারা জীবন মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছো। তোমার মনে যে কথা আসবে তুমি সে কথাই বলবে। ভাষণটা দেখলে বুঝবেন তিনি কিন্তু তার মনের কথাই বলেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ভাষণে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সবাইকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে। দেশে একটি গেরিলা যুদ্ধে হবে। সেখানে কার কী দায়িত্ব সে কথাও তিনি বলে দিয়েছিলেন। তখন ৩২ নম্বর থেকে যে নির্দেশ আসতো সে অনুযায়ী দেশ চলতো। এমনকি ইয়াহিয়া খান যখন ঢাকায় আসেন তখন বাঙালি বাবুর্চিরা কাজ করবে না বলে জানিয়ে দিলো। তখন ৩২ নম্বরে ফোন আসে, আপনারা যখন পর্যন্ত না বলবেন ততক্ষণ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট খাবার পাচ্ছেন না।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘তার (শেখ মুজিব) ভবিষ্যদ্বাণী করার অদ্ভুত শক্তি ছিল। ৭০-এর নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন, আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করবো। কিন্তু তারা ক্ষমতা দেবে না। পরে আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করবো। ৭ মার্চের ভাষণে তিনি সব ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন। বক্তৃতা শেষে তিনি একথাও বলেছিলেন তার ওপর আস্থা আছে কিনা। জনগণও জানিয়েছিলেন আস্থা আছে। মানুষ তাদের কথা রেখেছিলেন। তিনি যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, জনগণ তা আক্ষরিকভাবে পালন করেছেন।’

  • এসএমই মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    এসএমই মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক :: অষ্টম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার (৪ মার্চ) বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ মেলার উদ্বোধন করেন তিনি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে এ মেলা।

    এ মেলার আয়োজন করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) ফাউন্ডেশন।

    জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় কোনো প্রবেশ মূল্য থাকবে না। এতে সারাদেশ থেকে ২৯৬ জন উদ্যোক্তা ৩০৯টি স্টলে তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করবেন। উদ্যোক্তাদের মধ্যে ১৯৫ জন নারী উদ্যোক্তা এবং ১০১ জন পুরুষ উদ্যোক্তা রয়েছেন।

    এ মেলায় কোনো বিদেশি পণ্য প্রদর্শন কিংবা বিক্রি করা হবে না। দেশে উৎপাদিত পাটজাত পণ্য, খাদ্য ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, আইটি পণ্য, প্লাস্টিক ও সিনথেটিক পণ্য, হস্তশিল্প, ডিজাইন ও ফ্যাশনওয়্যারসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের স্বদেশি পণ্য প্রদর্শিত ও বিক্রি হবে মেলায়।

    মেলা উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে।

    শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন জানিয়েছেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশের ২৩টি জেলার আঞ্চলিক মেলায় প্রায় ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকার পণ্য বিক্রয় এবং প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিভিন্ন পণ্যের ক্রয় আদেশ পাওয়া যায়

  • বিসিসি মেয়রের শোক প্রকাশ

    বিসিসি মেয়রের শোক প্রকাশ

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখায় কর্মরত সহকারী পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম রেজা’র মা গতকাল রাত সাড়ে ৮ টায় বার্ধক্যজণিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না…রাজিঊন)।

    তাঁর মৃত্যুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোক প্রকাশ করেছেন বিসিসি’র সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দও।

  • অস্ত্র নিয়ে শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড়

    অস্ত্র নিয়ে শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড়

    নিজের কাছে এক সময় থাকা অস্ত্র নিয়ে পুলিশ মেমোরিয়াল ডের আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে সেই সময়কার অস্ত্রে প্রসঙ্গ তুলে তিনি অতীতের নিজের আধিপত্য, ক্ষমতা প্রকাশ করতে চেয়েছেন এমনটা মনে করছেন নারায়ণগঞ্জের মানুষ।

    কেউ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে ভয়ের শাসন কায়েম করার জন্য, জনমনে ভীতি সঞ্চার করতেই এই বক্তব্য।
    শামীম ওসমান দাবি করেন, আর কোনো অবৈধ অস্ত্র নেই তার কাছে। তিনি বলেন, আগে মনে করতাম অস্ত্রই শক্তিশালী, কিন্তু এখন বিশ্বাস করি পৃথিবীতে একমাত্র আল্লাহই শক্তিশালী।

    গত রোববার নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন মাঠে পুলিশ মেমোরিয়াল ডের আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শামীম ওসমান। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের আগে জেলা পুলিশ ফোর্সের কাছে যত অস্ত্র না ছিল, তার থেকে বেশি অস্ত্র একা আমার নিজের কাছেই ছিল। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার ও জেলার ডেপুটি কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন।

    পরের দিন তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি যা বলেছি ঠিকই বলেছি। তখন আমার বয়স ছিল ২২ বছর। আমার কাছে তো অস্ত্র ছিল। আমরা গোলাগুলি, ফাটাফাটি তো করেছি। এটা অস্বীকার করব কিভাবে? তিনি আরো বলেন, আমার লাইসেন্স করা অস্ত্র আছে। তবে তা ২০০১ সাল থেকে আমার সাথে নেই।

    শামীম ওসমান সেই অবৈধ অস্ত্র রাখার পক্ষেও যুক্তি তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত আমরা অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছি। কারণ, ওই সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীরা এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ নিয়েছে। মিথ্যা কথা বলব না, তখন আমরা অস্ত্র জোগাড় করতে বাধ্য হয়েছি। বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলার পর আমরা মনে করেছিলাম প্রতিশোধটা আমরা হত্যার মাধ্যমে নেবো। কিন্তু আমাদের এই ধারণা পরিবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ নয়, আইনের শাসনের মাধ্যমে প্রতিশোধ।

    শামীম ওসমানের দাবি, ১৯৯১ সালে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে আসার পর তার আর অস্ত্রের প্রয়োজন হয়নি। তাই জমা দিয়ে দেন।

    তিনি জানান, ওই সময় নারায়ণগঞ্জের এসপি ছিলেন মমিন উল্লাহ পাটোয়ারি। তখন তিনি ও তার সহযোগীরা পুলিশের কাছে লাইন ধরে, প্যাকেট ভরে সব অবৈধ অস্ত্র জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে ওই সময়ে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র জমা পড়েছে। তবে আমাদের অস্ত্র জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না জানি না। কারণ, এরপর আমাদের ওপর জুলুম হয়েছে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত।

    তিনি বলেন, যখন অস্ত্র ছিল, তখন বয়স কম ছিল। তখন আমি অস্ত্রের ওপর নির্ভর করতাম। মনে করতাম অস্ত্রই শক্তিশালী। কিন্তু এখন আমি বিশ্বাস করি অস্ত্র শক্তিশালী না, একজনই শক্তিশালী, তিনি হচ্ছেন আল্লাহ।

    শামীম ওসমান দাবি করেন, নারায়ণগঞ্জে এখন আর কোনো অস্ত্রের রাজনীতি নেই। এখানে সবচেয়ে বেশি শান্তি বিরাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে আমাদের ৫০ জন নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। জবাবে আমরা একটা ফুলের টোকাও দেইনি। আমার ওপরে বোমা হামলা হয়েছে, আল্লাহ বাঁচিয়েছেন। আর কোনো দলের রাজনীতি করতে কোনো বাধা নেই। নারায়ণগঞ্জের মানুষ সন্ত্রাসী নয়। যারা সন্ত্রাস করে, তারা বহিরাগত।
    শামীম ওসমানকে আজকাল বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে যেতে দেখা যায়। হেফাজতের সাথেও তার ঘনিষ্ঠতার কথা শোনা যায়। এ নিয়ে তিনি বলেন, ধর্মের যাতে অপব্যাখ্যা না দেয়া হয় সে কারণে আমি ওয়াজ মাহফিলে যাই।

    এ দিকে শামীম ওসমানের অস্ত্র বিষয়ে বক্তব্যে পর তোলাপাড় শুরু হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, তিনি এই কথা বলেছে প্রশাসনকে করায়ত্ব করার জন্য। নারায়ণগঞ্জে ভয়ের শাসন কায়েম করার জন্য। জনমনে ভীতি সঞ্চার করতেই এই বক্তব্য। শামীম ওসমান প্রমাণ করলেন অতীত থেকে (’৯১ সাল) এ পর্যন্ত যত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সব হত্যাকাণ্ডে তার ক্যাডার বাহিনী জড়িত। তার ক্যাডারদের অস্ত্র আছে। একজন এমপির লাগামহীন বক্তব্য দেয়া উচিত নয়।

    নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আনোয়ার হোসেন বলেন, শামীম ওসমান প্রকাশ্যেই বলেছে তার কাছে অস্ত্র ছিল। হয়তো আবেগে এটা বলেছে। তবে এটা বলাটা সমীচীন হয়নি। রাত ১২টার সময়ও সে দুই লাখ লোক হাজির করার ক্যাপাসিটির কথা বলেছেন। সবই বলেছেন প্রশাসনের সামনে। অতএব বিষয়টা প্রশাসন দেখুক।

    সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহবায়ক রফিউর রাব্বি বলেন, ওরা চায় সবাই ওদের ভয় পাক। শুধু ভিন্ন রাজনৈতিক দল নয়, নিজের দলের মধ্যে নেতাকর্মীদের এবং ব্যবসায়ীদেরকে ভয় পাওয়াতে চায়। এর জন্য যা যা দরকার তাই করে। ওরা মানুষের ওপর হামলা চালায়। লাশ ফেলে।

  • ১৫ দিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম কমবে: কৃষিমন্ত্রী

    ১৫ দিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম কমবে: কৃষিমন্ত্রী

    কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাজারে নতুন পেঁয়াজ এলে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই দাম কমবে। বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দাম তো এখনও কমেনি। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। সমস্যা হলো বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ। গতকালকেই (মঙ্গলবার) ফরিদপুরে বৃষ্টি হয়েছে। এই ফাল্গুন মাসেও শিলাবৃষ্টি এটি কি চিন্তা করা যায়?

    ‘এর পরও পেঁয়াজের ভালো উৎপাদনের বিষয়ে আমরা আশাবাদী। আমাদের সচিবসহ সবাই খোঁজখবর নিয়েছি। এতে দেখা গেছে, পেঁয়াজের ভালো ক্ষতি হয়েছে। এই পেঁয়াজ আরও ১৫-২০ দিন পড়ে উত্তোলন হবে। তার পরও আমরা খুবই আশাবাদী এ বছর ভালো পেঁয়াজ উৎপাদন হবে।’

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, ১৫ দিন পর বাজারে পেঁয়াজ নামলে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। তখন পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।

    আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমরা আগে বারবার ধানের কথা বলেছি। এখন যেমন ধানে আমরা স্বয়ংসম্পন্ন, ইনশাল্লাহ পেঁয়াজেও আমরা নতুন জাত দিয়ে উৎপাদন ডাবল না হলেও কাছাকাছি হবে। আগে যেখানে প্রতি হেক্টরে ১০-১১ টন হতো, এখন নতুন জাতের পেঁয়াজে সেখানে ১৮-১৯ টন হবে।

    তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান হবে কিনা জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের তাৎক্ষণিক সমস্যা তো সমাধান হয়ে যাবে। ১৫-২০ দিন পর বাজারে পেঁয়াজ নামলে তখন দাম কমে যাবে। তখন আবার চাষিরা দাম পাবে না। এ বিষয়ে গত কেবিনেট বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানতে চেয়েছিল– আমরা কী করছি। আমরা জানিয়েছি, চাষিদের কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পেয়েছি উৎপাদন যথেষ্ট বেড়েছে। আশা করছি পেঁয়াজ নিয়ে সমস্যা হবে না।

    কোন মাস থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন শুরু হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মাসের (মার্চ) শেষ দিকে অর্থাৎ ১৫-২০ দিন পর উত্তোলন শুরু হবে। তখন আমরা দেখব কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কিনা। যেমন গতকাল শিলাবৃষ্টি হলো, এ মাসে তো কখনও বৃষ্টি হয় না। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হয়েছে।

  • নবদম্পতিকে বিসিসি মেয়রের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেমায়েত উদ্দীন সুমন সেরনিয়াবাতের বৌ-ভাত অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে নগরীর বরিশাল ক্লাবে বিবাহ উত্তর বৌ-ভাত অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পােরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বিকেল ৪ টার দিকে বরিশাল সিটি কর্পােরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বনব-দম্পতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।