Category: রাজণীতি

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ রোববার সচিবালয়ে ১৮ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

    জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলছেন কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্যাদারিং হয়, সে বিষয়ে আপনারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবরা ছিলেন। তাদের আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হ্যান্ড ওয়াশের ব্যবস্থা করার জন্য বলেছি। আরেকটু বলেছি আজকে স্কুল ছুটি হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা যে টেবিল-চেয়ার ব্যবহার করে সেগুলো মুছে পরিষ্কার রাখেন। জীবাণুমুক্ত করে রাখেন।’

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সুপারিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কেন করছে না- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে ক্লোজ ডোর আলোচনা হয়েছে। আপনারা অবজার্ভ করেন। এ সিদ্ধান্ত তো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নয়। এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় গ্রহণ করবে। নিরাপত্তাজনিত যা যা বিষয় রয়েছে আমরা আজকেও তাদের অবহিত করেছি।’

    আপনারা সভা-সমাবেশে এমনকি মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে নিরুৎসাহিত করছেন- কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখছেন- এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে আমরা বলছি না, আমরা সতর্কতা অবলম্বনের জন্য বলছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না খোলা রাখবে সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। আমাদের পরামর্শ যতটুকু যা দেয়ার সেটা আমরা দিয়েছি। এটুকু আপনারা আস্থায় রাখেন।’

    ‘আমরা দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে চাই। সেজন্য কাজ করছি। আমরা কারও ওপর কিছু চাপিয়ে দিতে পারব না’, যোগ করেন তিনি।

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাণী

    বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাণী

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী আগামী ১৭ মার্চ। এ দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবেও পালিত হয়ে আসছে। প্রতিবারের তুলনায় এ দিনটিতে এবার ভিন্নমাত্রা যুক্ত হয়েছে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর দিন থেকে গণনা শুরু হচ্ছে ‘মুজিববর্ষ’। আর এ উপলক্ষে দেশের শিশুদের প্রতি বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শিশুদের প্রতি দেয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নিও। তোমার বাবা-মাকে আমার সালাম ও ভাইবোনদের স্নেহ পৌঁছে দিও। পাড়া-প্রতিবেশীদের প্রতি শুভেচ্ছা রইলো। আজ ১৭ মার্চ। ১৯২০ সালের এদিনে বাংলার মাটিতে জন্ম নিয়েছিলেন এক মহাপুরুষ। তিনি আমার পিতা, শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ নামের এই দেশটি তিনি উপহার দিয়েছেন। দিয়েছেন বাঙালিকে একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সুযোগ। তাইতো তিনি আমাদের জাতির পিতা। দুঃখী মানুষদের ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে নিজের জীবনের সব সুখ-আরাম বিসর্জন দিয়ে তিনি সংগ্রাম করেছেন। বারবার কারাবরণ করেছেন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাঁকে ব্যথিত করতো। অধিকারহারা দুঃখী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে তিনি দ্বিধা করেননি। এই বঙ্গভূমির বঙ্গ-সন্তানদের একান্ত আপনজন হয়ে উঠেছিলেন- তাই তিনি ‘বঙ্গবন্ধু’।

    ২০২০ সালে আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি। আজ শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অনেক দেশ এই জন্মশতবার্ষিকী অর্থাৎ ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন করছে। সকলকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।

    ঘাতকের নির্মম বুলেট কেড়ে নিয়েছে জাতির পিতাকে। তাঁর নাম বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওরা পারেনি। ঘাতকেরা বুঝতে পারেনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত ৩২ নম্বর বাড়ির সিঁড়ি বেয়ে-বেয়ে ছড়িয়ে গেছে সারা বাংলাদেশে। জন্ম দিয়েছে কোটি কোটি মুজিবের। তাই আজ জেগে উঠেছে বাংলাদেশের মানুষ সত্যের সন্ধানে। ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। সত্যকে মিথ্যা দিয়ে দাবিয়ে রাখা যায় না। আজ শুধু বাংলাদেশ নয়, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। বাংলাদেশকে বিশ্ব চিনে নিয়েছে তাঁরই ত্যাগের মহিমায়।

    জাতির পিতার কাছে আমাদের অঙ্গীকার, তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়বোই। আর সেদিন বেশি দূরে নয়। পিতা ঘুমিয়ে আছেন টুঙ্গিপাড়ার সবুজ ছায়াঘেরা মাটিতে পিতামাতার কোলের কাছে। তিনি শান্তিতে ঘুমান। তাঁর বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমরা জেগে রইবো তাঁর আদর্শ বুকে নিয়ে। জেগে থাকবে মানুষ- প্রজন্মের পর প্রজন্ম- তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে। জাতির পিতার দেয়া পতাকা সমুন্নত থাকবে চিরদিন। তোমরা মন দিয়ে পড়ালেখা করবে, মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করবে। জয় বাংলার জয়, জয় মুজিবের জয়, জয় বঙ্গবন্ধুর জয়।’

  • করোনা মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বিশেষ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

    করোনা মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বিশেষ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

    করোনা মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কেননা তিনি সার্কভুক্ত দেশের নেতৃবৃন্দকে এক করেছেন।
    করোনাভাইরাস মোকাবিলা নিয়ে সার্কভুক্ত দেশের প্রধানদের ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মোকাবিলায় আমরা তিনটি কমিটি করেছি। আমাদের দেশে যারা করোনায় আক্রান্ত, তারা বিদেশ থেকে এসেছেন। আমরা আমাদের হাসপাতাল প্রস্তুত রেখেছি।

    বাংলাদেশ সময় রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কনফারেন্স শুরু হয়। কনফারেন্সের শুরুতে ভাইরাস থেকে নাগরিকদের সুরক্ষার কৌশল নিয়ে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তিনি বলেন, আমরা করোনা মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছি। আমাদের স্কুলগামী শিশুদের মধ্যেও সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মিলে এ রোগ মোকাবিলা করতে হবে। সার্কভুক্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সচিবরাও এ ধরণের ভিডিও কনফারেন্স করতে পারে। ।

    করোনা প্রতিরোধে সার্ক নেতারা ভিডিও কনফারেন্সে

    বিশ্ব মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রধানদের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্স আয়োজনের আহবান জানান ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) এ নিয়ে দুটি টুইট করেন তিনি।

    টুইটে নরেন্দ্র মোদি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর উচিৎ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শক্তিশালী কৌশল নির্ধারণ করা, যাতে করে অঞ্চলটির মানুষদের সুস্থতা নিশ্চিতে কোনো চেষ্টার ত্রুটি না থাকে।

    প্রথম টুইটে তিনি বলেন, আমাদের গ্রহটি এখন করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। বিভিন্নভাবে সরকারগুলো ও দেশের জনগণ করোনা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ শক্তি ব্যয় করছে। দক্ষিণ এশিয়া এমন এক অঞ্চল যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাস করছে। তাই আমাদের উচিৎ তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালু রাখা।

  • করোনা পরিস্থিতি : ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট নিয়ে যা বললেন পাপন

    করোনা পরিস্থিতি : ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট নিয়ে যা বললেন পাপন

    অনেক আন্তর্জাতিক ও বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর সাময়িকভাবে স্থগিত। তবে বাংলাদেশে পেশাদার ফুটবল লিগ চলছে। আগামীকাল (রোববার) থেকে ঢাকার ক্রিকেটের মূল আসর প্রিমিয়ার লিগ শুরু হতে যাচ্ছে।

    এখানেও করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে। সে কারণেই ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেটারদের বেশ কিছু নির্দেশাবলি দিয়ে দিয়েছে । হাত মেলানো ও ‘হাই ফাইভ’ করায় এসেছে নিষেধাজ্ঞা।

    তারপরও প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন নিয়ে বিসিবির আরও কোন বিকল্প বা দ্বিতীয় চিন্তা আছে কি না? বর্তমান পরিবেশ ও প্রেক্ষাপটে ঢাকা ক্লাব ক্রিকেটের আসর ঠিকমতো আয়োজন সম্ভব কি না? তা নিয়েও আছে প্রশ্ন।

    বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বরাবরই বলে এসেছেন, ঢাকার লিগ এখন আর আগের মতো দর্শক টানে না। তাই ব্যাপক জনসমাগমের কোন সম্ভাবনা নেই। স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলনামূলক কম।

    আজও তার মুখে সেই কথা। তবে শনিবার পড়ন্ত বিকেলে মিডিয়ার সঙ্গে আলাপে বিসিবি সভাপতি একটি নতুন কথা বলেছেন। সরকার থেকে যদি লিগ চালানোয় কোনোরকম নিষেধাজ্ঞা চলে আসে, তখন অবশ্যই তা বন্ধ করে দেয়া হবে।

    পাপন বলেন, ‘ঘরোয়া পর্যায়ের খেলা অনেক জায়গায় চলছে। এটা কিন্তু দেশের বাইরেও চলছে। কারণ এটা দর্শকশূন্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। মূল চিন্তার জায়গা হচ্ছে দর্শক ও প্লে­য়ারদের। তারপরেও ক্লাব ও প্লে­য়ারদের সঙ্গে কথা বলে যদি কখনও আমাদের মনে হয়…এছাড়া সরকার থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা আসে, তাহলে আমরা সে মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেবো।’

    ক্রিকেটারদের দিয়ে করোনা সচেতনতার বার্তা দেয়া যায় কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে পাপন বলেন, ‘আমার ধারণা এটা হবে। যেহেতু এখন পর্যন্ত এটা সরকার করছে, কাজেই সরকারকে করতে দেই আমরা। এরপরে যখন যার সাহায্য সহযোগিতা লাগবে আমরা করব।’

  • মোদির প্রস্তাবে হাসিনার সম্মতি

    মোদির প্রস্তাবে হাসিনার সম্মতি

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সার্কভুক্ত দেশগুলোকে একটি শক্ত কৌশল গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর মোদির এ প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানান।
    তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবকে একটি ভালো প্রস্তাব হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি শক্ত কৌশল গ্রহণ করতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রধানদের সঙ্গে ভিডিও করফারেন্সে যোগদানে সম্মতি দিয়েছেন।’

    এক টুইট বার্তায় করোনাভাইরাসের বিপক্ষে লড়াই করতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নেতৃবৃন্দকে একটি কৌশল গ্রহণের প্রস্তাব দেন মোদি।

    টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের নাগরিকদের সুস্থ রাখার উপায় বের করতে আমরা ভিডিও করফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা করতে পারি।’

    টুইটের কয়েক ঘণ্টা পরই ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস ভিডিও করফারেন্স সম্পর্কে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যান।

    মোমেন বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। তিনি (শেখ হাসিনা) আমাকে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের নেতারা যদি অংশ নেন, তবে তিনি ভিডিও করফারেন্সে যোগ দিতে রাজি আছেন।’

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতীয় হাই কমিশন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশসমূহের নেতৃবৃন্দ ভিডিও করফারেন্স বিষয়ে তাদের ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এতে যোগ দিতে সম্মতি জানিয়েছেন।’

    ভিডিও কনফারেন্সটি কখন অনুষ্ঠিত হবে? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারিখ ও সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এটা খুব শিগগিরই হবে।

  • ‘পরিস্থিতি খারাপ হলে স্কুল-কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে’

    ‘পরিস্থিতি খারাপ হলে স্কুল-কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে’

    বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক আছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় স্কুল কলেজ বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

    আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনা প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।

    তিনি বলেন, সরকারিভাবে বেসরকারিভাবে সারা বাংলাদেশে আমরা খোঁজ খবর প্রতিনিয়তই রাখছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের নজরদারি চলছে। সময়মতোই আমরা পদক্ষেপ নেবো। কারণ এখন এটাকে নিয়ে প্যানিক করে কোন লাভ নেই। আমাদের এখানে বিষয়টা ওই পর্যায়ে আসেনি। নতুন করে সংক্রমণ হওয়ার কোন খবর আমরা পাচ্ছিনা।

    তিনি আরো বলেন, এই অবস্থায় সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। যদি অবস্থা খারাপের দিকে মোড় নেয় বা স্কুল কলেজ বন্ধ দেওয়ার মতো পরিস্থিতি হয় তাহলে আমরা অবশ্যই সেটা করবো। আপনারা আস্থা রাখুন সরকারের প্রতি।

  • শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলার কারিগর ; আমির হোসেন আমু

    শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলার কারিগর ; আমির হোসেন আমু

    শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলা গড়ার কারিগর জানিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন করা হয়েছে। একটি যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রনয়ন করেছেন তিনি। গ্রামের বিদ্যালয়গুলোতে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়াসহ ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এসব কিছুই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ডিজিটাল বাংলার কারিগর। শনিবার ঝালকাঠির সরকারি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় পতাকা উত্তালন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।

    আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আমু বলেন, ক্রীড়া জগত সমগ্রবিশ্বে নতুন একটি অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। ক্রিকেটের কারণে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে।

    শেখ হাসিনা শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন করে যাচ্ছে দাবি করে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সকল প্রাইমারি জাতীয়করণ করেছে। বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন বৃত্তি-উপবৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার হারও কমেছে। শিশুদের বিদ্যালয় মুখী করারও পরামর্শ দেন আমির হোসেন আমু। পরে তিনি প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ মো. ফরিদ। প্রতিযোগিতায় ৩০টি ইভেন্টে দুই শতাধিক ছাত্রী অংশ নেয়।

  • ব‌রিশাল অঞ্চ‌লে ব্রিজ নির্মাণ করায় মেয়র সাদিক এর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

    ব‌রিশাল অঞ্চ‌লে ব্রিজ নির্মাণ করায় মেয়র সাদিক এর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‌ভি‌ডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খুলনা, ব‌রিশাল ও গোপালগঞ্জ জোনে নি‌র্মিত ২৫টি সেতু উদ্বোধন করার সময় ব‌রিশা‌ল জেলা প্রশাসক কার্যাল‌য়ের স‌ম্মেলন ক‌ক্ষে বসে ব‌রিশাল সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‌কে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ক‌রেন।

    এ সময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন ব‌রিশাল সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ, ব‌রিশাল জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমান, ব‌রিশাল ৬ আস‌নের সংসদ সদস্য নাস‌রিন জাহান রত্না, সংর‌ক্ষিত সংসদ সদস্য সৈয়দা ম‌রিনুর নাহার মেরী, বিভাগীয় ক‌মিশনার মো. ইয়া‌মিন হো‌সেন চৌধুরীসহ সুশীল সমা‌জের গণমান্য ব্য‌ক্তিরা।

    Image may contain: 6 people, people sitting

    মুজিববর্ষ,২০২০ উদযাপন উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে, দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে নির্বিঘ্নে যান চলাচল নিশ্চিত করার জন্য দুটি সার্ভিস লেন, পাঁচটি ফ্লাইওভার, ১৯টি আন্ডারপাস, দুটি ইন্টারচেঞ্জ, চারটি রেলওয়ে ওভারব্রিজ, চারটি বড় সেতু, ২৫টি ছোট সেতু ও ৫৪টি কালভার্ট এবং ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অনুষ্ঠান করা হয়।

    ব‌রিশাল জো‌নে ব‌রিশাল জেলায় সৌ‌দের খাল সেতু, গয়না ঘাটা সেতু, আশোকা‌ঠি সেতু, রহমতপুর সেতু, রা‌য়েরহাট সেতু, বোয়া‌লিয়া বাজার সেতু, বা‌কেরগঞ্জ সেতু, ঝালকা‌ঠি‌তে কাঠালবা‌ড়ি সেতু ও পি‌রোজপু‌রে বটতলা সেতুর উ‌দ্বোধন ক‌রেন।

    ও‌য়েস্টার্ন বাংলা‌দেশ ব্রিজ ইম্প্রুভ‌মেন্ট প্র‌জে‌ক্টের আওতায় সড়ক ও জনপথ অ‌ধিদপ্তর, সড়ক প‌রিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সড়ক প‌রিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং জাইকার অর্থায়‌নে প্রকল্প‌টি বাস্তবায়ন ক‌রে। এর কার‌ণে এই অঞ্চ‌লের অর্থ‌নৈ‌তিক কর্মকাণ্ড, যোগা‌যোগ ব্যবস্থায় গ‌তি আস‌বে ব‌লে ম‌নে ক‌রেন সং‌শ্লিষ্টরা।

  • বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে খুলছে আজ

    বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে খুলছে আজ

    ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৬ সালে শুরু হয় দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গার নির্মাণ কাজ। অবশেষে নির্মাণ কাজ শেষে এক্সপ্রেসওয়েটির ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের ৫৫ কিলোমিটার অংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

    প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা জানান, এক্সপ্রেসওয়েটিতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারবে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সে হিসেবে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ২৭ থেকে ৩০ মিনিট। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এক্সপ্রেসওয়েটির ভাঙ্গা অংশ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হলে পরিপূর্ণ সুফল পাওয়া যাবে এ পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

    আধুনিক ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সমৃদ্ধ ৬ লেনের এ মহাসড়কটিতে স্থানীয়দের ব্যবহারের জন্য থাকছে ২ লেনের সার্ভিস রোড। এছাড়াও রয়েছে ৪টি করে ফ্লাইওভার, রেলওয়ে ওভারব্রিজ, বড় ব্রিজ এবং ১৯টি আন্ডারপাসসহ বিশ্বমানের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    এ হাইওয়েতে আগামী ২০ বছরের জন্য ক্রমবর্ধমান ট্রাফিকের পরিমাণ বিবেচনা করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ১১০০৩.৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হয়েছে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে ২০১৬ সালে ৪টি জেলা– ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং ফরিদপুরে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করে এবং এটি নির্ধারিত সময়সীমার ৩ মাস আগে নির্মাণ কাজ শেষ করে। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ২০ জুন।

    ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন শুরুর প্রাক্কালে এক্সপ্রেসওয়ে ট্রাফিকের জন্য উন্মুক্ত হতে চলেছে।

    স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ের দু’পাশে দুটি পরিষেবা লেন রাখা হয়েছে যাতে দ্রুত যানবাহনগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় চলাচল করতে পারে এবং এইভাবে দীর্ঘপথের যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমে আসে।

    এক্সপ্রেসওয়ের ৫টি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটি ২.৩ কিলোমিটার কদমতলী-বাবুবাজার লিংক রোড ফ্লাইওভার রয়েছে। অন্য ৪টি ফ্লাইওভার হলো আবদুল্লাহপুর, শ্রীনগর, পুলিয়াবাজার এবং মালিগ্রামে।

    ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে জুরাইন, কুচিয়ামোড়া, শ্রীনগর ও আতাদিতে চারটি রেলওয়ে ওভারব্রিজ রয়েছে এবং ৪টি বড় সেতু রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৩ মিটার ধলেশ্বরী- ১, ৫৯১ মিটার ধলেশ্বরী- ২, ৪৬৬ মিটার আড়িয়াল খান এবং ১৩৬ মিটার কুমার সেতু।

    দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ১১ হাজার কোটি টাকা। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই এক্সপ্রেসওয়েতে আছে কালভার্ট, আন্ডারপাস, ৪টি বড় সেতু, ২৫ টি ছোট সেতু, ৫টি ফ্লাইওভার, ২টি ইন্টার চেন, ৪টি রেলওয়ে ওভার পাস। অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন একটি সড়ক। আমার মনে হয় এটি ইউরোপের অনেক দৃষ্টিনন্দন সড়ককেও হার মানাবে।

  • গলাচিপায় প্রধান মন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে “পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর” কর্মসূচির উদ্বোধন

    গলাচিপায় প্রধান মন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে “পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর” কর্মসূচির উদ্বোধন

    মুজিব বর্ষ ২০২০ উপলক্ষে দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পটুয়াখালীর গলাচিপায় ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা “পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর” কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, একটি অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য সর্ব প্রথম প্রয়োজন যোহাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে প্রধান মন্ত্রীর এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম মোস্তফা টিটো, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. রফিকুল আলম, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান হাজী মু. মজিবর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন মোল্লা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার

    পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম, গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আখতার মোর্শেদ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা মাধ্যমি শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা, বনিক সমিতির আহবায়ক আবুল কালাম মো. ঈসা,গলাচিপা কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি কমিটির সভাপতি দিলিপ বনিক, উপজেলা জাসদ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. নিজাম উদ্দিন তালুকদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।