Category: রাজণীতি

  • পদ্মাসেতুতে বসল ২৮তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৪ হাজার ২০০ মিটার

    পদ্মাসেতুতে বসল ২৮তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৪ হাজার ২০০ মিটার

    করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই পদ্মা সেতুর ২০ ও ২১ নম্বর পিলারে বসানো হলো ২৮তম স্প্যান। এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর ৪২০০ মিটার দৃশ্যমান হলো। শনিবার সকাল ৯ টায় ‘৪-বি’ স্প্যানটি বসানো হয়। পিলার ২টির অবস্থান মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও মাদারীপুরে শিবচর এলাকায়।
    সকাল ৮টায় শুরু হয় স্প্যান বসানোর কার্যক্রম। সকল কারিগরি কাজ শেষে সকাল ৯টায় স্প্যানটি পিলারে বসানো সম্পন্ন হয়। ২৭তম স্প্যান বসানোর ঠিক ১৪ দিনের মাথায় বসলো ২৮তম স্প্যানটি।
    এর আগে শুক্রবার সকাল ৮টায় দিকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে রাখা হয় সেতুর মাঝের ১৮ ও ১৯ নম্বর পিলারের কাছে।

    পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর ৪২টি পিলারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব পিলারে ৪১টি স্প্যানের মধ্যে বসানো বাকি আছে ১৪টি স্প্যান। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ২৯ নম্বর স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি বলেন, আমাদের আশঙ্কা অনেকটা দূর হয়ে গেছে। করোনার মধ্যেও পুরোদমে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ। জনবলের অভাবে সেতুর কাজ বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করলেও তা এখন কেটে গেছে। আমাদের শ্রমিক-কর্মীর অভাব নেই। পর্যাপ্ত কর্মী পাচ্ছি। কারণ সারাদেশে সরকারি ছুটির কারণে অনেকেই বেকার হয়ে পড়েছেন। শ্রমিকদের কাজ নেই। তাই তারা কাজের সন্ধানে ছুটে আসছেন পদ্মা সেতু প্রকল্পে। কারণ আমাদের প্রকল্প এলাকা করোনা ভাইরাস মুক্ত।

    ‘দেশী-বিদেশী কর্মীরা স্বাভাবিকভাবেই কাজ করছেন। নদী এবং তীরে সবখানেই কাজ আর কাজ। কর্মীদের সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন। মাথায় নিরাপত্তা ক্যাপ আর মুখে মাস্ক। হাতে গ্লোভস নিয়ে হরদম কাজ করছেন। নিয়মিত স্পে করে ভাইরাস মুক্ত রাখা হচ্ছে সেতু এলাকা। তাই এখানে কাজ করতে কোন অসুবিধা নেই।’

    ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন।

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসির পরোয়ানা

    বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসির পরোয়ানা

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসির পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
    আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এম হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তাকে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তার ফাঁসির পরোয়ানা ইস্যু করেন।
    এর আগে তাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর বিচারক তার ফাঁসির পরোয়ানা জারি করেন। এ সময় বিচারক তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও মামলার রায় পড়ে শুনান।
    ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছন।

    এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াৎ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর বেলা ১টা ৫ মিনিটের দিকে তাকে প্রিজন ভ্যানে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি মাজেদকে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পলাতক ছিলেন। ২০০৯ সালে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ।
    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসায় সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান। নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি আবদুল মাজেদ।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামি লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেফতার করা হয়। একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারী (পিএস) এ এফ এম মোহিতুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    ১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর খুনিদের বিচারের হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এই মামলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। একই বছরের ১২ মার্চ ছয় আসামির উপস্থিতিতে আদালতে বিচার শুরু হয়।

    ১৯৯৭ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত বিচারক বিব্রত হওয়াসহ নানা কারণে আটবার বিচার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এভাবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর মামলার রায়ে বিচারক কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

    ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৪ দিনের শুনানি শেষে বিভক্ত রায় দেন। বিচারক এম রুহুল আমিন অভিযুক্ত ১৫ আসামির মধ্যে ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বজায় রাখেন। কিন্তু অপর বিচারক এ বি এম খায়রুল হক অভিযুক্ত ১৫ জনকেই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চে ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে।

    পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে বিচার কাজ বন্ধ থাকে। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের মুখ্য আইনজীবী বর্তমান সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সুপ্রিম কোর্টে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদান করেন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ ২৭ দিনের শুনানি শেষে পাঁচ আসামিকে নিয়মিত আপিল করার অনুমতিদানের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

    ২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয় এবং আদালত ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ওইদিন (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়।

    পরে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের রিভিউ খারিজ হলে ২৮ জানুয়ারি ৫ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়।

  • করোনায় দেশে আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৯

    করোনায় দেশে আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৯

    করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, দেশে নতুন করে আরও ২৯ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

    আজ সোমবার মহাখালীতে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে করোনা বিষয়ে আয়োজিত জরুরি সভায় এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। করোনা প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কমিটির প্রধান হলেও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয় না বলেও জানান তিনি।

    করোনা থেকে দেশকে রক্ষায় সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যার যা দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, করোনা পরীক্ষায় ১ লাখ কিট দেশে চলে এসেছে। আরও কিছু দেশের পথে রয়েছে। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় প্রচুর পিপিই ও মাস্ক তৈরি হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    নতুন ২৯ জনসহ করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১৭ জনে। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।

  • বরিশালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    বরিশালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজুয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশালে অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম।

    আজ শনিবার সকালে সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়ন ও টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের অসচ্ছল পরিবারগুলোর দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

    এসময় আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আলমগীর খান আলো, জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জুবায়ের আব্দুল্লাহ জিন্নাত সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে যাহারা অনাহারে বা অর্ধাহারে জীবনযাপন করছেন তাদের জন্য পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে আজ থেকে ত্রাণ বিতরন শুরু হয় এবং এ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।

    এছাড়া যারা অনাহারে বা অর্ধাহারে জীবনযাপন করছেন তারা ফোন দিলেই তাদের বাসায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম।

    এক বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, ০১৭১২৯৫৫৩৬৭ ও ০১৫৫২৬৫৫০৩৩ নাম্বারে ফোন দিয়ে জানানো হলে খোঁজখবর সাপেক্ষে দ্রুত খাদ্য দ্রব্য পৌঁছে দেয়া হবে।

    আজ ৪ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা) এ সেবা প্রদান করা হবে বলেও জানানো হয়।

  • গৌরনদীতে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পক্ষে ত্রাণ বিতরণ

    গৌরনদীতে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পক্ষে ত্রাণ বিতরণ

    করোনা ভাইরাসের কারনে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা দুঃস্থ পরিবারদের মাঝে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির পক্ষে সরকারী ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউয়িনের শতাধিক পরিবারদের মাঝে চাল, ডাল, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করা হয়।

    বিতরণকালে গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান, সহকারী কমিশনার ফারিহা তানজীন, মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিনিয়া আফরোজ হেলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান হাবীবসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • করোনাভাইরাস পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা

    অনলাইন ডেস্ক :: দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। করোনাভাইরাস সম্পর্কিত চিকিৎসাব্যবস্থা গ্রহণ এবং সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করার পাশাপাশি দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া এবং কেউ যেন সহায়তার বাইরে না থাকে সে ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এ ছাড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে অর্থনীতির ওপর পড়া বিরূপ প্রভাব উত্তরণের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ এপ্রিল রবিবার সকাল ১০টায় গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা

    ১. করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। ২. লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ৩. পিপিই সাধারণভাবে সবার পরার দরকার নেই। চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সবার জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সব চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ৪. কভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সব চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অ্যাম্বুল্যান্সচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। ৫. যারা হোম কোয়ারেন্টিনে বা আইসোলেশনে আছে, তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে। ৬. নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। ৭. নদীবেষ্টিত জেলাগুলোয় নৌ অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করতে হবে। ৮. অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে হবে। ৯. পরিচ্ছন্নতা নিশ্চত করা। সারা দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে। ১০. আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় এ দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সব সরকারি কর্মকর্তা যথাযথ ও সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন; এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ১১. ত্রাণকাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। ১২. দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক যেন অভুক্ত না থাকে। তাদের সাহায্য করতে হবে। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে। ১৩. সোশ্যাল সেফটি নেট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১৪. অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন স্থবির না হয়, সে বিষয়ে যথাযথ নজর দিতে হবে। ১৫. খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কোনো জমি যেন পতিত না থাকে। ১৬. সরবরাহব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে, যাতে বাজার চালু থাকে। ১৭. সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ১৮. জনস্বার্থে বাংলা নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে, যাতে জনসমাগম না হয়। ঘরে বসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নববর্ষ উদ্যাপন করতে হবে। ১৯. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতা, সমাজের সব স্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রশাসন সবাইকে নিয়ে কাজ করবে। ২০. সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ২১. জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসন ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবেন। ২২. সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন—কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালক, পরিবহন শ্রমিক, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, পথশিশু, স্বামী পরিত্যক্তা ও বিধবা নারী এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখাসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ২৩. প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২৪. দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি) যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সব সরকারি কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। ২৫. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও নিয়মিত বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ২৬. আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করবেন না। খাদ্যশস্যসহ প্রয়োজনীয় সব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ২৭. কৃষকগণ নিয়মিত চাষাবাদ চালিয়ে যাবেন। এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। ২৮. সব শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘর পরিষ্কার রাখবেন। ২৯. শিল্প মালিকগণ শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন। ৩০. গণমাধ্যমকর্মীরা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ৩১. গুজব রটানো বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। গুজবে কান দেবেন না এবং গুজবে বিচলিত হবেন না।

  • সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে দায়িত্ব পালনকালে সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৃহস্পতিবার বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনকালে মুখে মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরো ২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

     

    আজ আইইডিসিআর-এ ভার্চুয়াল মিডিয়া ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্য সেবা অধিদফতরের পরিচালক (এমআইএস) ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশে মারাত্মক এ ভাইরাসে আরো ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৬ জনে দাঁড়ালো। বাসস

  • বিসিসি মেয়রের আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে ববি উপাচার্য

    বিসিসি মেয়রের আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে ববি উপাচার্য

    স্টাফ রিপোর্টার //সাইফুল ইসলাম:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকুল আরেফিন। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) এ মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয় উপাচার্য। এসময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকুল আরেফিন’র পরিবারের সদস্য সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মুজিব শতবর্ষ এবং জাতীয় শিশু দিবসে মেয়র সাদিক এর বিশেষ আয়োজন

    মুজিব শতবর্ষ এবং জাতীয় শিশু দিবসে মেয়র সাদিক এর বিশেষ আয়োজন

    মুজিব শতবর্ষ এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছিল জমকালো আয়োজন। আর এসব আয়োজনে স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর। আজ মঙ্গলবার সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে শুরু হয় মেয়র সাদিকের ব্যতিক্রমী সব আয়োজন। বিভিন্ন সংগঠন, নগর ভবন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন মেয়র।

    এছাড়া দরিদ্র রিকশাচালককে রিকশা প্রদান করেন তিনি।

  • ‘বরিশালে করোনা প্রতিরোধে নেই কোন ও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই’ : মনীষা চক্রবর্ত্তী

    ‘বরিশালে করোনা প্রতিরোধে নেই কোন ও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই’ : মনীষা চক্রবর্ত্তী

    করোনা প্রতিরোধে বরিশালে প্রশাসনের কোন ও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেছেন বাসদের বরিশাল জেলা সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

    বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর ফকিরকাড়ি রোডস্থ বাসদের জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।

    এ সময় মনীষা বলেন, বরিশালের প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চোখে পড়ার মতো কোন কাজ করেনি। পরিচ্ছন্নতা করোনা প্রতিরোধের প্রধান নিয়ামক হলেও, এ বিষয়ে কোন ধরনের উদ্যোগ দেখছেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।

    এলাকায় জনসচেতনতা তৈরিতে জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগ নেই বলেও এই নেত্রী জানান। করোনা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ বরিশালের প্রস্তুতির ঘাটতি ও বাসদের কর্মসূচি বিষয়ক এই সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসাসহ যে কোন পরামর্শের জন্য হটলাইন চালু করার কথা জানান।

    এছাড়া নগরীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করার কথা বলেন তিনি। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বাসদের জেলা আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুম্মন বক্তৃতা করেন।