Category: রাজণীতি

  • হতদরিদ্রের পাশে বরিশাল জেলা সেচ্ছাসেবক দলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মিঠু আহম্মেদ

    হতদরিদ্রের পাশে বরিশাল জেলা সেচ্ছাসেবক দলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মিঠু আহম্মেদ

    স্টাফ রিপোর্টার//হানিফ হাওলাদার

    মহামারী করোনা ভাইরাসের দুর্যোগ মোকাবেলায় বরিশাল মুলাদী উপজেলায় কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসায় খাবার পৌছে দিচ্ছে বরিশাল জেলা সেচ্ছাসেবকদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মিঠু আহম্মেদ |

     

    তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ কর্মহীন পরিবারের মাজে খাবার সমগ্রী ও অর্থিক সহায়তা প্রদান করেন |

    তার এই উদ্ধেগে সাধুবাদ জানায় এলাকাবাসি |

     

  • বড়লোকদের জন্যই সরকারের সব উদ্যোগ : রিজভী

    বড়লোকদের জন্যই সরকারের সব উদ্যোগ : রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সরকারের সকল উদ্যোগই ‘বড়লোক-টাকাওয়ালা’দের জন্য নেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুস্থদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    রিজভী বলেন, সরকার প্রণোদনা দিচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। সেটা পাবেন কারা? ব্যবসায়ীরা। এই ব্যবসায়ী কে? এরা ব্যাংকের মালিক, এরা গার্মেন্টসের মালিক। যা কিছু হচ্ছে সব বড় লোকদের জন্য। আজকে আমরা শুনতে পারছি- টাকাওয়ালা লোক, বড়লোক- তাদের জন্য স্পেশাল হাসপাতাল বানানো হচ্ছে যদি করোনা হয় সেখানে তারা যাবে।

    “আর গরিব মানুষের জন্য, নিরন্ন মানুষের জন্য কোনো ব্যবস্থা সরকার করেনি। গরিব মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ, প্রান্তিক মানুষ ওরা মরে যাক, রাস্তার মধ্যে ওদের লাশ থাকুক-এটা হচ্ছে এই সরকারের নীতি।”

    বিত্তবানদের আলাদা হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা সংবিধানপরিপন্থি হবে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি না নেওয়ার জন্য সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

  • গরীব বান্ধব মেয়র সাদিক, ঘরে বসে খাবার পেল ৪২ হাজার পরিবার

    গরীব বান্ধব মেয়র সাদিক, ঘরে বসে খাবার পেল ৪২ হাজার পরিবার

    আসাদুজ্জামান ॥ মহামারী করোনা ভাইরাসের দুর্যোগ মোকাবেলায় বরিশাল নগরীর প্রায় ৪২ হাজার কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসায় খাবার পৌছে দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠির সেবক হিসেবে কাজ করে গরীবের মেয়র হিসেবে চিহিৃত হয়েছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। যতদিন করোনা ভাইরাসের তান্ডব থাকবে ততদিন কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসায় খাবার পৌছে দেয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে। তারুন্যের অহংকার যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এই মহামারিতে জনগনের সেবা করে গরীবের মেয়র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন নগরীর সিংহভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। কেবল খাদ্য সহায়তাই নয়, মেয়র তার নিজের বিসিসির সম্মানির প্রায় সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা নগরবাসীর জন্য গঠিত ত্রান তহবিলে জমা দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে আস্থার স্থলে পরিনত হয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    জানা গেছে, করোনা মহামারী ভাইরাস আক্রমনের পরে নগরবাসীর জন্য সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়। কালীবাড়ী রোডের মেয়রের বাস ভবনকে খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ঘোষনা করা হয়। সেখান থেকে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে হাজার হাজার কর্মহীণ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া শুরু হয়। গতকাল ২৬তম দিন হিসেবে প্রায় ৪২ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়াও প্রতিদিনি জীবাণুনাশক পানি প্রায় ৩০ হাজার লিটারের বেশি নগরীতে দেয়া হচ্ছে। মশক নিধন স্প্রে প্রতিটা ওয়ার্ডে দিচ্ছে সিটি কর্পোরেশন। নগরীর জনবহুল এলাকাগুলোতে মোড়ে মোড়ে সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে নগরীতে মাইকিংসহ উল্লেখযোগ্য জনবহুল এলাকাগুলোতে ২৪ ঘন্টা মাইকিং হচ্ছে। সিটি কর্পোশেনের কর্মকর্তা কর্মচারী, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রায় ১৫শত লোক খাদ্য সহায়তা দিতে মেয়রের নির্দেশে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সাথে প্রতিদিন ভিডিও কণফারেন্স’র মাধ্যমে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করে নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করছেন সিটি মেয়র। নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে বিসিসির পরিচ্ছন্ন কর্মীরা আগের চেয়ে বেশি উদ্যোমে কাজ করছেন।

    বরিশালের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কণফারেন্সসহ বরিশালে জেলা প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগসহ নগরবাসীকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে প্রচারনা চালিয়ে করোনা মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বৃহত্তর বরিশালের সেবাকেন্দ্র শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনদের ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা করে গোটা দক্ষিনবঙ্গে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন মেয়র।

    মেয়র নির্বাচিত হয়ে নগরবাসীর উদ্দেশ্য সিটি মেয়র বলেছিলেন, তিনি মেয়র হিসেবে নয় সেবক হিসেবে কাজ করবেন। তার এই বক্তব্য ’র সঠিকতা বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। বিসিসির দুর্নীতি রোধে পদক্ষেপ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হওয়ার পরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কর্মহীনদের ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়ে সব শ্রেণী পেশাসহ তৃণমূল গরীবদের নিকট এবার গরীবের মেয়র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন। করোনা ভাইরাস মহামারী শুরু হলে কয়েকজনে ত্রাণ দেয়ার নামে ফটোসেশন নিয়ে ব্যাপক আলোচিত হলেও তাদেরকে এখন কর্মহীনদের পাশে দেখা যাচ্ছেনা।

    কেবল তারাই নয়, বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দ ও বিত্তবানদের খাদ্য সহায়তায় এগিয়ে আসার খবর পাওয়া যায়নি। সিটি কর্পোরেশনের ত্রান তহবিল গঠন করার পরে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নগরীর বিত্তবানদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছিলেন। বরিশাল নগরীতে খান সন্স কোম্পানী, এম ই পি কোম্পানী, অমৃত লাল দে কোম্পানী,সহ প্রায় ১০টির বেশি কোম্পানী রয়েছে।

    এছাড়াও নগরীতে শত শত কোটি টাকার মালিক বিত্তবানদের সংখ্যাও প্রায় সহ¯্রাধিক রয়েছে। কর্মহীন পরিবার কে সহায়তা দিতে এ পর্যন্ত এই সকল বিত্তবানদের কে এগিয়ে আসার খবর মেলেনি। এই মহা দুর্যোগে নগরবাসীর ক্লান্তিলগ্নে প্রায় অর্ধ লক্ষ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে দৃষ্টান্ত স্থাপনের বিষয়ে বিশিষ্টজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শহীদ আবদুর রব বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ্যাড. এস এম ইকবাল বলেন, মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ একজন সৎ ব্যক্তি, এই দুর্যোগে গরীবদের ভরসা মেয়র সাদিক। কর্মহীনদের ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দিয়ে গরীবের ভালোবাসায় শিক্ত হয়েছেন। সুষম বন্টনের মধ্যে দিয়ে নিরলস জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

    বরিশালের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিকজন শব্দাবলী গ্রুপ থিয়েটারের সভাপতি নাট্যজন সৈয়দ দুলাল বলেন, মহামারী করোনা শুরু হলে প্রথমে খুচরা কয়েকজনে ত্রাণ সহায়তার নামে ফটোসেশন দিয়ে ঘরে উঠেছেন। কিন্তু সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ কর্মহীন ও অসহায় প্রতিটি মানুষের ঘরে খাবার পৌছে দিয়ে গরীবের অন্তর জয় করেছেন। অনেকেই সাদিক আবদুল্লাহকে গরীবের মেয়র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক কাজল ঘোষও একই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাদিক আবদুল্লাহ নগরবাসী ও গরীবের সেবক তা প্রমান করেছেন।

    বরিশালের বিশিষ্ট সাংবাদিক মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের বরিশাল জেলা সভাপতি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের বার বার নির্বাচিত সাংবাদিক নেতা দৈনিক আজকের পরিবর্তন পত্রিকার সম্পাদক কাজী মিরাজ মাহমুদ বলেন, এতো কম সময়ে ৪২ হাজার কর্মহীন পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরন শুধু মাত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষেই সম্ভব, এটি একটি বড় মনের পরিচয়, বিশেষ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তেমন কোনো অনুদান না পৌছলেও তার এই সাহসী পদক্ষেপ নগরবাসীর মনে অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

    বরিশাল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাউথ এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স প্রাইভেট লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হালিম রেজা মোফাজ্জেল বলেন, প্রায় অর্ধলক্ষ কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে খাবার পৌছে দিয়ে গরীব বান্ধব মেয়র হিসাবে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, সিটি মেয়র সাদিক আবদু

  • মানুষের দুঃসময়ে পালিয়ে আছেন বিএনপি নেতারা

    মানুষের দুঃসময়ে পালিয়ে আছেন বিএনপি নেতারা

    করোনার দুর্যোগে বরিশাল বিএনপির কোনো নেতাকর্মী আর জনগনের পাশে নেই। পদের জন্য মরিয়া কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার ঢাকায় উঠেছেন। জেলা দক্ষিণের সভাপতি এবায়েদুল হক চান ও সাধারণ সম্পাদক মেজবা উদ্দিন ফরহাদ বরিশালে থাকলেও প্রকাশ্যে আসছেন না। কেন্দ্রীয় নেতা সেলিমা রহমান, এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, ঝালকাঠির শাহজাহান ওমর, বিলকিছ জাহান শিরিন, আহসান হাবিব কামাল, আকন কুদ্দুসুর রহমান, মাহাবুবুল আলম নান্নু, আবুল কালাম শাহীন, জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপি’র হেভিওয়েট কোন নেতাদেরই দেখা মিলছে না।

    এমনকি বিএনপি দলটির পক্ষ থেকে ত্রাণ বা আর্থিক সহয়তার কোন উদ্যোগ নেই। দলীয় নেতৃবৃন্দ একে অপরকে দুষছেন। তাদের বক্তব্য সাংঘর্ষিক। এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের দাবি, সরকারের অসহযোগীতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন না।

    জেলা দক্ষিণের সভাপতি এবায়েদুল হক চানের দাবি, ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে বাঁধা আসলেও তাদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহয়তা দেয়া শুরু হয়েছে। যুব ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের ব্যাখ্যা দীর্ঘদিন সরকারের বাইরে থাকায় আর্থিক দৈন্যতার কারণে দলীয় কোনো উদ্যোগ না থাকায় তারা মাঠে নামতে পারছে না। নেতৃবৃন্দের এ ধরণের বক্তব্যকে দলীয় কর্মী সমর্থকরাই হাস্যকর বলে মন্তব্য করছে।

    উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস বিস্তারের সূচনালগ্নে এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার ও এবায়েদুল হক চানকে প্রথম দুই দিন মাঠে দেখা গেছে। এর মধ্যে প্রথম জন জনসচেতনতায় লিফলেট বিরতণ ও দ্বিতীয় জন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে দাঁড়িয়ে হ্যান্ডস্যানিটাইজার দিয়ে পথচারীদের হাত ধৌত করে নিজের অবস্থান জানান দিতে দেখা যায়। এরপর থেকে আর সংগঠনটির কোনো স্তরের নেতৃবৃন্দের আর দেখা নেই।

    এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার জানিয়েছেন, দেশের বাইরে অবস্থানকারী তার দুই সন্তানকে দেশে ফিরিয়ে আসতে তিনি দ্রুত ঢাকায় আসেন। এরপরই লকডাউনের কারণে বরিশাল ফিরতে পারছেন না।

    দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন বলেন, দীর্ঘদিন সরকারের বাইরে থাকায় আর্থিক সংকট থাকলেও এই দূর্যোগে তারা একেবারেই নিরব তা নয়। তার সংগঠনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহয়তা দেয়া শুরু হয়েছে। ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত কর্মী সমর্থকদের এই আর্থিক সহয়তা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নির্দলীয়ভাবে ত্রাণ তৎপরতা চলছে। এ অঞ্চলের একজন শীর্ষ নেতা দলের পক্ষে ইতোমধ্যে বানারীপাড়া-উজিরপুর থেকে এই ত্রাণ কর্মসূচি শুরু করেছেন। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় তা দেয়া হবে। কে সেই নেতা রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে তার নাম প্রকাশে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

    জানা গেছে, স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ সাড়ির নেতাদের মধ্যে একমাত্রা সরোয়ার বাদে অন্যরা সবাই বরিশালে রয়েছেন। তারা পালিয়ে আছেন। তবে ব্যাতিক্রম বরিশাল যুবদলের সভাপতি পারভেজ আকন বিপ্লব। তিনি কাউনিয়ার কিছু অংশে ত্রাণ সহয়তা দিয়েছেন।

    অথচ, হলফ নামায় উল্লেখিত হেভিওয়েট নেতারা যেমন দলে বড় পদ আকড়ে রেখেছেন, তেমনি সম্পদের পাহাড় প্রত্যেকের। কিন্তু জনগনের দুর্দিনে গালভরা কথা বলা বিএনপি নেতাদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না।

  • সরকারি চাল জব্দ, আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    সরকারি চাল জব্দ, আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭২০ কেজি চাল জব্দ করেছে র‌্যাব-১৪–এর একটি দল। সোমবার রাতে উপজেলার বাট্টাজোড় নতুন বাজার এলাকার একটি ঘর থেকে ওই চাল জব্দ করা হয়।

     

    ওই দিন রাতেই র‌্যাব বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করে। মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি হলেন উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্নাফ আলী।

     

     

    র‌্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর র‌্যাব-১৪–এর একটি দল সোমবার রাতে বাট্টাজোড় নতুন বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় আনিছুর রহমানের একটি টিনশেড ঘরে মজুত রাখা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭১০ কেজি চাল জব্দ করা হয়। পরে ওই ঘরের মালিক আনিছুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, কালোবাজারে চাল বিক্রির জন্য বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল কালাম ও বাট্টাজোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্নাফ আলী ওই চাল মজুত করেন। এরপর র‌্যাবের জামালপুর ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক মো. আফতাব হোসেন বাদী ওই দুজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। পরে বকশীগঞ্জ থানা–পুলিশ মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে অভিযান চালিয়ে মুন্নাফ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

     

     

    বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলা পরিষদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি মুন্নাফ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বরিশালে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ, ক্ষুদ্ধ রাজনৌতিক মহল

    বরিশালে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ, ক্ষুদ্ধ রাজনৌতিক মহল

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জুবায়ের আব্দুল্লাহ জিন্নাহর বিরুদ্ধে ত্রাণ বিতরণের লিস্টে নাম দেওয়ার কথা বলে ছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।যা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট |

    উপরক্ত অভিযোগের নেই কোন প্রমান | কিছু কুচক্রীমহল ছাত্রলীগ নেতাকে বিব্রান্ত করার জন্য এমন অপচেষ্টা চালাচ্ছে |

    বাংলার মুখ ২৪. কম এর প্রতিবেদক অনুসন্ধান করে জানতে পারে যে বেশ কিছুদিন ধরে একটি ফেক আইডি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) ছাত্রলীগ নেতা জিন্নাহর নামে অপপ্রচার চালায় | উক্ত ফেক আইডির পোষ্ট এর উপর ভিত্তি করে কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে |

    ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জুবায়ের আবদুল্লাহ জিন্নাহর বলেন এটি একটি ষড়যন্ত্র। তাকে নিয়ে তার বিরোধীরা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। তিনি একা ত্রাণের কোন কার্যক্রম চালাননি। এ কার্যক্রমে তার সাথে সব সময়ই লোকজন ছিলো। তিনি আরও বলেন, আমাকে নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়টি নিয়ে অবগত রয়েছি। কিন্তু কারা এ অপপ্রচার চালাচ্ছে তা চিহ্নিত করতে পারিনি। তবে আগামীকাল বিষয়টি নিয়ে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

  • সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নয়, ত্রাণ চুরি বন্ধে ব্যবস্থা নিন

    সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নয়, ত্রাণ চুরি বন্ধে ব্যবস্থা নিন

    করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে কর্মহীন ও দুস্থদের দেয়া সরকারি ত্রাণ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নেই, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।’

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী টেলিফোনে জাগো নিউজকে এ কথা বলেন।

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে দেশে প্রথমে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে কয়েক দফায় ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। জরুরি সেবামূলক সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ ঘোষণা করা হয়, বন্ধ করে দেয় সব ধরনের গণপরিবহনও। এ সময়ে সরকার সবাইকে ঘরে অবস্থানের পরামর্শ দেয়।

    এমন পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। এসব কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষ ও দুস্থদের সহায়তায় সরকার ত্রাণসহায়তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে ১০ টাকা কেজি দরে বিশেষ ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চালও দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ত্রাণ ও এসব কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ এবং চুরির ঘটনা ঘটে। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তৎপরতায় এসব উদঘাটিও হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা এসবের সঙ্গে জড়িত বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

    ত্রাণ আত্মসাতের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকায় ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বেশ কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করেছে। কেন তাদের স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না- সেই বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার এই সময়ে যে মাঠে যে টিমটা কাজ করছে, জেলা প্রশাসক (ডিসি) হচ্ছেন প্রধান সমন্বয়ক। তার নেতৃত্বেই কাজ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ নিয়ে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ৬১ হাজার ৫৫৭ জনপ্রতিনিধি সারাদেশে আছেন। এরমধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন অনিয়ম করছেন।’

    সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নেই। আপনারা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন, আমরা উপরে আছি, আমরা এটাকে কঠোরভাবে দেখছি।’

    ‘অপরাধী অপরাধীই, সে কোনো দলের না। তাকে ধরে ফেলুন। যারা এই সময়ে এই রকম কাজ করতে পারে, তাদের কোনো ছাড় নেই, কোনো মাফ নেই।’

    ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, ‘আমি মনে করি সরকারি-কর্মকর্তাদের নিজের দায়িত্ব মনে করে যেভাবে ত্রাণ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা চালিয়ে যাবে। আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন তাদের প্রতি রয়েছে।’

    সরকারি কোনো কর্মকর্তা এরসঙ্গে জড়িত থাকলে তাদেরও ক্ষমা নেই বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

  • ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

    আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সে সময়ের মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নেয়। মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবার বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও এবার করোনাভাইরাসের কারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্তভাবে মুজিবনগর দিবস পালন করবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে বাইরে থেকে লোক না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সম্প্রতি ভিডিও কনফারেন্সে কুষ্টিয়া জেলার সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হামলা চালানোর পর ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়েছিল। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।

    ওই সরকারের শপথগ্রহণের স্থান বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়। মুজিবনগরে ১২ জন আনসার সদস্য বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। মুজিবনগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

    ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকচক্র নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বেআইনিভাবে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ন্যায়নীতিবহির্ভূত এবং বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ শুরু করলে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়ারলেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

    তারই ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার মুক্তাঞ্চলে নির্বাচিত জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এক বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হন এবং স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন।

    এদিকে ঘরে বসেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে সৃষ্ট সংকটের কারণে মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদ, দুই লক্ষ নির্যাতিত মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের সকল সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ঘরে বসেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মী এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহসহ সর্বস্তরের জনগণ ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

  • সবাইকে নিজ নিজ ঘরে থাকার অনুরোধ-বিসিসি মেয়র

    সবাইকে নিজ নিজ ঘরে থাকার অনুরোধ-বিসিসি মেয়র

    দিন যতো সামনে এগুচ্ছে বরিশাল সিটি করপোরেশেনর ত্রাণ সহায়তার ব্যপ্তি ততোই ঘটছে। নগরের ছোট-বড় বস্তি বা কলোনিগুলোতে বসবাসকারী কর্মহীন অসহায় ও ‍দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে, এবারে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভেতরে বসবাসকারী কর্মহীন অসহায় ও ‍দুস্থ মানুষদের তালিকা করে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    সিটি করপোরেশন সূত্রে জানাগেছে, গেলো মার্চের শেষদিকে নগরের ৪০ হাজার অসহায় ‍ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নেন বরিশাল সিটি করপোরেশেনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। তার এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রথমদিকেই নগরের প্রায় ১৬ টি ছোট-বড় বস্তিতে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান শুরু করা হয়। বস্তিতে খাদ্য সহায়তা প্রদানের পর এখন ওয়ার্ডপর্যায়ে খাদ্য সহায়তা কর্মহীন অসহায় মানুষদের বাড়িতে পৌছে দেয়া হচ্ছে। যার তালিকাও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করে মাঠ পর্যায়ে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলরা। কাউন্সিলররা জানান, মেয়রের নির্দেশনা মোতাবেক প্রকৃত অসহায়দের তালিকা করা হয়ে থাকে। মেয়রের নির্দেশনা অনুযায়ী জনসমাগম এড়াতে ওই তালিকা অনুযায়ী পরবর্তীতে সিটি করপোরেশেন কর্মীরা এসে খাদ্য সহায়তার প্যাকেট ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন। এসময় সার্বিক কাজ দেখভালের জন্য কাউন্সিলরদের সাথে ওয়ার্ড আওয়মীলীগের নেতারা উপস্থিত থাকেন। আর এভাবে গতকাল রোববার পর্যন্ত বরিশাল নগরের প্রায় ১৬ হাজার পরিবারের কাছে এ খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয়া হয়েছে বলে সিটি করপোরেশন সূত্রে জানাগেছে।

    আর এ খাদ্য সহায়তার প্যাকেটগুলো গত ২৯ মার্চ থেকে নগরের কালিবাড়ি রোডস্থ সেরিনয়াবাত ভবন অর্থাৎ মেয়রের বাসভবনের পেছনের মাঠে বসে প্রস্তুত করা হচ্ছে। যারমধ্যে ১০ কেজি করে চাল, ৫ কেজি আলু ও ২ কেজি মসুর ডাল থাকছে। এদিকে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে সরকার কর্তৃক সরকারি ছুটি ঘোষনা করার পর বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি হটলাইন ব্যবস্থা চালু করেন। নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার কেন্দ্রিক চালু করা হয়েছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা।

    এর পাশাপাশি নগরকে নিয়মিতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি শুরু থেকেই নগরের অলিতে-গলিতে জীবানুনাশক স্প্রে করার কার্যক্রম হাতে নেয়। এরপর পাশাপাশি মশক নিধনেও মশার ওষুধ (স্প্রে) ও নগরজুড়ে ফগার মেশিন দিয়ে ধোয়া দেয়ার ব্যবস্থা চলমান রাখে। আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ যেসব নির্ধারিত জনবলের মাধ্যমে সম্পাদন করা হচ্ছে সেইসব কর্মীদের নিরাপত্তায় বুট জুতো, গ্লোবস ও মাস্ক দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ও ভ্যাটেনারি চিকিৎসক ডাঃ রবিউল ইসলাম। আর এসব কাজ সমন্বয় করার পাশাপাশি ওয়ার্ড ভিত্তিক কাজগুলো আরো বেগবান করার লক্ষ্যে সম্প্রতি ভিডিও কনফারেন্সে কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় ও আলোচনা কার্যক্রম শুরু করেন মেয়র।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু বলেন, গত ১৪ দিন ধরে যে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে তাতে কোন অভিযোগ, অনিয়ম, ত্রুটি কিংবা সমস্যার কথা কেউ বলতে পারবে না। কারণ মেয়র এ কাজের তদারকি নিজেই সবসময় করছেন। আমরা যারা মেয়রের সহযোগী হিসেবে কাজ করছি নিয়মিতো ভিডিও কনফারেন্সটা তাদের জন্য অনেক বাস্তবমুখি পদক্ষেপ। কোন কাজটি কিভাবে করা উচিত এবং কোন সমস্যা হলে কি পদক্ষেপ নেয়া উচিত সে বিষয়ে সরাসরি মেয়রের সাথে যোগাযোগ স্খাপন করে কথা বলছি। ফলে সভা সমাবেশের মতো জনসমাগম এরিয়ে মেয়রের পরামর্শ ও দিক নির্দেশনাও সরাসরি পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ জানান, বরিশাল নগরের ৩০টি ওয়ার্ডের কর্মহীন ৪০ হাজার মানুষের তালিকা করে সবার ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১৬ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল ওয়ার্ডে অন্যান্যদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষ ছাড়াও যারা হাত পারতে পারেন না সেইসব মানুষের তালিকা তৈরী করে তাদের ঘরেও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শুরু হয়েছে বলে জানান সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি সবাইকে নিজ নিজ ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • যুবরত্ন সাদিককে নিয়ে বিতর্কে মিডিয়াপাড়া, অতঃপর বীরদর্পে মেয়র।

    যুবরত্ন সাদিককে নিয়ে বিতর্কে মিডিয়াপাড়া, অতঃপর বীরদর্পে মেয়র।

    কভিড-১৯)নোভেল করোনাভাইরাস আতংক নিয়ে যখন বরিশালে আতংক বিরাজ করছিল,ঠিক সেই মুহুর্তে নগরসেবক মেয়র সাদিককে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছিলোনা।এমন সংবাদ বরিশালের মিডিয়াপাড়ায় পর্বকারে পএিকার পাতায় নিয়মিত প্রকাশ পেলেও তারই অবসান ঘটিয়ে এবার হেমিলিওনের বাশিওয়ালা খ্যাত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে এলেন।অবশ্য সংশ্লিষ্ট সুএ বলেছে,মেয়র অন্তর্ধানে থাকলেও নগরবাসীর জন্য খাদ্যসামগ্রীর কর্মসুচী হাতে নেওয়া ছিল আগ মুহুর্তেই।কিন্ত নগরবাসীর কাছের অভিভাবক হয়েও কেন খাদ্য সামগ্রী বিতরনে সময় লেগেছে এমন প্রশ্ন কিছুটা ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।তবে মেয়রের একটি বিশ্বস্ত সুএ জানায়,আমরা ৪০ হাজার মানুষের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করার কর্মসূচি নিয়েছি বলে সময় লেগেছে।মেয়রের সহোচর এই নেতা বিতর্ককে টপকে বলেন,আমরা হাতে সময় নিয়েছি ঠিকই তবে প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছি। যেটা আমাদের অতীতে অনেকেই মাঠে নেমে এখন পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী বাজেটের এান-সামগ্রী দিতে ভুমিকা রাখেননি।তবে এই যুবকবয়সী নেতার কন্ঠেস্বরে বলছে, মেয়র সাদিক কখনই অন্তর্ধানে ছিলেন নাহ বরংচ নগরবাসীর জন্য ভাল কিছু দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে ছিল বলেই সময় লেগেছে।যদিও বর্তমানে নগরপিতা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরনের দিক থেকে এই তরুন বয়সী যুবরত্ন এগিয়ে আছে বলে সুএ নিশ্চিত করে।এদিকে মুজিবর্ষের অনুষ্ঠানের দিন সিটি মেয়র সাদিককে বেশ জমকালো মেজাজে মঞ্চে দেখা গেলেও,পরের দিন থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে কেউ মুখ খুলতে নারাজ ছিলেন।তবে একটি নির্ভরযোগ্য সুএ বলেছে, মেয়র সাদিক বরিশালের মাটিতেই ছিলেন এবং স্বয়ং নগরের ভিতরই তার অবস্থান ছিল।কিন্ত এই করোনাভাইরাস মহামারী দুর্যোগে নগরবাসীর পাশে থাকার কথা থাকলেও কেন আসলেন নাহ।এমন একটি প্রশ্ন বেশ কিছুদিন থেকেই মেয়রের ঘরোয়ানা লোকদের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিল। কিন্ত রহস্যময় কন্ঠে নয়, স্পষ্টভাষী কন্ঠে মেয়রের পক্ষ থেকে জানান দেওয়া হয়,মুজিবর্ষের প্রগামে মেয়র বেশকিছুদিন লোকসমাগমের ভিতর ছিল বিধায়,চিকিৎসকের পরামর্শে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকার প্রয়োজনীতা অনুভব করেন।যাহা এক প্রকার হোম কোয়ারেন্টিন বলা যায়।ওই সুএটি আরও নিশ্চিত করে যে, করোনাভাইরাস সাধারনত ছোয়াচে জাতীয় রোগ।এটা দ্রুত লোকসমাগম থেকে মানুষের দেহে থেকে অপরাপর সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু দেশের এই প্রাদুর্ভাব মহামারীতে মেয়র যদি প্রকাশ্যে নগরী ঘুরে বেড়ায়,যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাহলে মানুষের ভিতর সচেতনতা আর থাকবেনা।যদিও মেয়র সাদিক যেকোন স্থানে উপস্থিত হলে লোকসমাগম হবেই বলে তাদের ধারনা।সেখানে মেয়র সাদিক যদি অজ্ঞতার পরিচয় দেয়,তাইলে নগরবাসীকে হুমকির মুখে ফেলে দিবে বলে এই সুএটির দাবী। তবে মেয়রের এই সুএটির কন্ঠে জানান দিল, একজন দায়িত্বশীল নগরসেবক, নগরবাসীর কথা চিন্তে করে অন্তর্ধানে থাকলেও আড়ালে বসে ছিল তরুন বয়সী এই মেয়রের ব্যাপক পরিকল্পনা।কমতি ছিলনা নগর ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব। তবে মেয়রের আড়ালের থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে থাকার চেয়েও শক্তিশালী বলে আভাস দিয়েছিল অনেকেই।কিন্ত সকলকিছুর অবসান ভেংগে ১২ তারিখ সকালে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স যোগদিতে কালিবাড়ী বাসভবন থেকে স্বাভাবিক মেজাজেই জেলা প্রশাসনের কার্যালয় উপস্থিত হন।সেখানে তাকে বক্তব্য দিতে না দেখা গেলেও,প্রকাশ্যে এসে জানান দিলেন যে, যেকোনো মহামারী দুর্যোগে প্রশাসনের হাতকে শক্তিশালী কিংবা সহযোগিতা করতে সিটি কর্পোরেশন প্রস্তুত। এছাড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, তরুন বয়সী এই নেতা কাজে উদয়ীমান এবং সে যতটা নীরবে থাকে ততটা পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।যা নগরবাসীকে দেয় আকস্মিক চমক।যেমমনটা অতীতের উদাহরন আছে।তবে দীর্ঘদিন একাকীত্ব থাকার পর,বেশ ফুরফুরে মেজাজে মেয়র সাদিককে ৩০ টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর,আওয়ামীলীগ, ছাএলীগ সহ অংগ-সহযোগী সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দ সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দিতে দেখা যায়।পাশাপাশি নগরবাসীর দেখভাল করার দায়িত্ব তার একান্ত সহোচর নিরব হোসেন টুটুল কে দেওয়া হয়।যেন নগরের কোন বাসিন্দা খাদ্যের অভাবে দিন না কাটায়।অবশ্য খাদ্য-সামগ্রী বিতরন কর্মসূচি অব্যহত রয়েছে।এবং সিটি কর্পোরেশন এান-ফান্ডে সম্মানীর ৩৫ লাখ টাকা দিয়েছেন। এদিকে একাধিক মিডিয়ায় মেয়রের রহস্যজাল অন্তধার্নের কথা শোনা গেলেও, তা আবেগপ্রবন সংবাদ বলে উড়িয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট মহল।তবে মেয়র অন্তর্ধান ছিল বটে কিন্ত রহস্যঘেরা কোন সংলাপে নয়।এদিকে মেয়র সাদিক বাসায় অবস্থানকালীন নিয়ে নগরবাসীর মাঝে যখন তুমুল বিতর্ক চলছিল,তখনকার একাধিক মিডিয়ায়,অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছিল, “নগরবাসীর জন্য মেয়র সাদিকের ব্যাপক কর্মসূচি”।অবশ্য সিটি কর্পোরেশন সুএ থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায় আভাস দিয়েছিল এই তথ্যটি। যেখানে বুজানো হয়েছে,যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে মেয়রের খাদ্য সহায়তা। এমনকি নগরবাসীকে চিন্তামুক্ত করার জন্যই এই ভুয়ংসী পদক্ষেপ।তাই সকল কিছুর ধ্রুমজাল ভেংগে দুর থেকে হলেও নগরবাসীর ভরষার আস্রয়স্থল হিসেবে মানুষের মানিকোঠায় রয়েছেন এই তরুন বয়সী নেতা।সর্বশেষে প্রবাদের সুরে তাল মিলিয়ে বলতে হয়,”মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয় আড়ালে তার সুর্য হাসে”। যেটা সুর্যের আলোর মত নগরকে পুলকিত করেছে স্বয়ং মেয়র নিজেই।আর তার কর্মের গতিতে অসহায় মানুষের বিষাদের মেঘ কেটে গেছে।