Category: রাজণীতি

  • করোনায় খেটে খাওয়া মানুষের স্বস্তি, একজন তিলক্তমার সম্প্রীতির ইফতার

    করোনায় খেটে খাওয়া মানুষের স্বস্তি, একজন তিলক্তমার সম্প্রীতির ইফতার

    তানজিম হোসাইন রাকিব : যখন করোনার থাবায় সারা পৃথিবীর আকাশ কালো মেঘে অন্ধকার ঠিক তখনি একটি স্বনাতন ধর্মালম্বী মেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ইফতার বিতরন করে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন | আজ রমজানের ৫ম দিনেও ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য  ইফতার নিয়ে রাস্তায় নেমেছে ছাত্রলীগ নেত্রী তিলক্তমা সিকদার |

     

    কখনো মেঘলা আকাশ কিংবা কখনো বৃষ্টি ঝড়ছে, আর এরইমধ্য দিয়ে নিজের ঘরে হাতে তৈরি করা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভাসমান ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার।

     

     

     

    শনিবার প্রথম রমজান ও রোববার দ্বিতীয় রমজানে বরিশাল নগরের সদররোডসহ বিভিন্ন রাস্তায় তাকে পায়ে হেটে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখেছেন নগরবাসী। ভিন্নতর এ কাজে এরইমধ্যে সাধারণের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন এই ছাত্রী নেত্রী।

     

     

     

    রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল নগরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিন্তু সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ভাসমান ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া অব্যাহত রাখেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের সেই ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তিনি লিখেছেন, বাহিরে প্রচণ্ড বৃষ্টি থাকা সত্বেও তৈরি খাবার নষ্ট হবে পাশাপাশি ওই কর্মহীন মানুষদের কথা ভেবে রমজানের দ্বিতীয় দিনে ইফতার নিয়ে ভাসমান, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দ্বারে দ্বারে। যে পোষ্টের নিচে ৬ ঘন্টার মধ্যেই ২৫ হাজার লাইক ও লাভ রিয়্যাক্ট, ৫ হাজার ২ শত কমেন্ট, ১ হাজার ৭ শত শেয়ার হয়েছে।

     

    গতকালও ইফতার নিয়ে ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষের কাছে পৌছেছে স্বনাতন ধর্মলম্বী ছাত্রলীগ নেত্রী তিলক্তমা| আজও ব্যাতিক্রম নয় | আজও ইফতার নিয়ে ছাত্রলীগ নেত্রীকে রাস্তায় নামতে দেখা গেছে|

     

     

     

    এরআগে শনিবার ইফতার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে তিনি লিখেছেন, সেদিন টিভিতে অ্যাড দেখছিলাম সবাইকে নিয়ে ভাল থাকার মাঝে রমজানের প্রকৃত মহিমা। এবারের রমজানটা সবার কাছেই অপরিচিত। যারা ঘরে বসে পরিবারের সাথে ইফতার করছে তাদের কাছে কষ্টের না হলেও ভাসমান, শ্রমজীবী শ্রেনীর কাছে এই পবিত্র রমজান ততটাই ভয়ংকর এবং অসহায়ত্বের। তাদের কথা চিন্তা করে প্রথম রমজানে ইফতার তৈরী করে নিয়ে এসেছি রমজানের আনন্দ ভাগ করতে।

     

     

     

    এ পোষ্টেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

     

     

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন তাকে। তিলোত্তমা জানান, শনিবার থেকে রমজান শুরু হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু করোনার মধ্যে এবারের রমজান আগের থেকে ভিন্ন। করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

     

     

     

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

     

     

     

    এদিকে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু ইফতার বিতরণ নয়, লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা সিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা সিকদার।

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন ও করোনা মোকাবিলায় বিসিসির অভিযান ও সহয়তা অব্যাহত

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন ও করোনা মোকাবিলায় বিসিসির অভিযান ও সহয়তা অব্যাহত

    নোভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে  বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে |

     

    গতকাল বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নির্দেশনায়,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে রমযান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে বাজার গুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

     

    আজ নগরীর কাউনিয়া বিসিক শিল্প নগরীর এলাকার ফরচুন সু হাউসে অভিযান চালানো হয়। এসময় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার না হওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

     

    গতকাল নগরীর চকবাজার ও নতুন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

     

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর  সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় করোনা মোকাবিলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্মীরা | ইতোপূর্বে বিসিসি মেয়র সেরনিবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রায় অর্ধলক্ষাধিক পরিবারের ঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার (ত্রান সামগ্রী) পৌছে দেন | প্রতিদিন ৪২০০০ লিটার জীবানুনাশক স্প্রে করা হয় বরিশাল নগরীর রাস্তায় | করোনা দুর্যোগের পর যেন ডেঙ্গু আক্রমন করতে না পারে তার জন্য চলছে মশা নিধন কার্যক্রম |

     

    বিসিসি মেয়র বলেন, করোনা মোকাবিলায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে |

  • আজও স্বনাতন ধর্মালম্বী তিলক্তমা ইফতার নিয়ে ভাসমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত

    আজও স্বনাতন ধর্মালম্বী তিলক্তমা ইফতার নিয়ে ভাসমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত

    কখনো মেঘলা আকাশ কিংবা কখনো বৃষ্টি ঝড়ছে, আর এরইমধ্য দিয়ে নিজের ঘরে হাতে তৈরি করা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভাসমান ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার।

     

    শনিবার প্রথম রমজান ও রোববার দ্বিতীয় রমজানে বরিশাল নগরের সদররোডসহ বিভিন্ন রাস্তায় তাকে পায়ে হেটে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখেছেন নগরবাসী। ভিন্নতর এ কাজে এরইমধ্যে সাধারণের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন এই ছাত্রী নেত্রী।

     

    রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল নগরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিন্তু সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ভাসমান ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া অব্যাহত রাখেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের সেই ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তিনি লিখেছেন, বাহিরে প্রচণ্ড বৃষ্টি থাকা সত্বেও তৈরি খাবার নষ্ট হবে পাশাপাশি ওই কর্মহীন মানুষদের কথা ভেবে রমজানের দ্বিতীয় দিনে ইফতার নিয়ে ভাসমান, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দ্বারে দ্বারে। যে পোষ্টের নিচে ৬ ঘন্টার মধ্যেই ২৫ হাজার লাইক ও লাভ রিয়্যাক্ট, ৫ হাজার ২ শত কমেন্ট, ১ হাজার ৭ শত শেয়ার হয়েছে।

    আজও ব্যাতিক্রম নয়, ইফতার নিয়ে ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষের কাছে পৌছেছে স্বনাতন ধর্মলম্বী ছাত্রলীগ নেত্রী তিলক্তমা|

     

    এরআগে শনিবার ইফতার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে তিনি লিখেছেন, সেদিন টিভিতে অ্যাড দেখছিলাম সবাইকে নিয়ে ভাল থাকার মাঝে রমজানের প্রকৃত মহিমা। এবারের রমজানটা সবার কাছেই অপরিচিত। যারা ঘরে বসে পরিবারের সাথে ইফতার করছে তাদের কাছে কষ্টের না হলেও ভাসমান, শ্রমজীবী শ্রেনীর কাছে এই পবিত্র রমজান ততটাই ভয়ংকর এবং অসহায়ত্বের। তাদের কথা চিন্তা করে প্রথম রমজানে ইফতার তৈরী করে নিয়ে এসেছি রমজানের আনন্দ ভাগ করতে।

     

    এ পোষ্টেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন তাকে। তিলোত্তমা জানান, শনিবার থেকে রমজান শুরু হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু করোনার মধ্যে এবারের রমজান আগের থেকে ভিন্ন। করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

     

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

     

    এদিকে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু ইফতার বিতরণ নয়, লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা সিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা সিকদার।

  • কৃষকের ধান কেটে দিলো ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগ

    কৃষকের ধান কেটে দিলো ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগ

     

    আরিফুর রহমান আরিফ : গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের থাবা থেকে রক্ষা পায়নি। চারপাশে ভয়-ভীতি আর অস্থিরতা এমন সময়ে অনন্য একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগ। সংগঠনটির কর্মীরা অভাবি মানুষের তালিকা তৈরি করে করে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, পৌঁছে দিচ্ছে ত্রাণ। ‘

     

    শুধু তাই নয়, করোনার এই সময়টায় যখন কৃষকের মাঠে সোনালী ধান, তখন সেই ধান কাটার জন্য শ্রমিকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকের ধান মাঠেই নষ্ট হওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে ক্ষেতের ধান কেটে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।

     

    মঙ্গলবার  সকালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আল-আমিনের নেতৃত্বে  সদর উপজেলার রণমতি গ্রামের কৃষক আবদুস ছত্তারের এক বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ। রোজা রেখে চার ঘণ্টায় তাঁরা এক বিঘা জমির ধান কাটেন। পরে  কৃষের বাড়িতে ধান পৌছে দেন।

     

    জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি  শফিকুল ইসলাম শফিক জানিয়েছেন, ‘করোনার এই সময়টায় মানুষের সহযোগিতা খুব প্রয়োজন। এজন্যে আমরা সামাজিক দূরত্ব মেনে এবং শিল্প মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিল্প ও খাদ্য মন্ত্রী  আমির হোসেন আমু এমপির    নির্দেশনা ও সহযোগিতায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি’।

     

    তিনি আরও বলেন, কৃষকরা তাদের ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছে না। খবর পেয়ে জেলা ছাত্রলীগ একটি টিম গঠন করে। যেখানেই শ্রমিক সংকট, সেখানেই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে কৃষকের ধান কেটে দিবে। আজ থেকে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।

     

     

     

    ছাত্রলীগের নেতারা জানিয়েছেন, মহামারির এই সময়টায় এলাকার এমপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি নিয়মিত সবার খোঁজ-খবর রাখছেন এবং মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

     

     

     

    কৃষক আবদুস ছত্তার বলেন, আমি গরিব মানুষ কোথাও ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। ছাত্রলীগ এসে আমার ধান কেটে বাড়িতে তুলে দেন । আমি তাদেরকল ধন্যবাদ ও  কৃতজ্

  • আজও বরিশালের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা

    আজও বরিশালের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: কখনো মেঘলা আকাশ কিংবা কখনো বৃষ্টি ঝড়ছে, আর এরইমধ্য দিয়ে নিজের ঘরে হাতে তৈরি করা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভাসমান ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষদের মাঝে বিতরণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার।

    শনিবার প্রথম রমজান ও রোববার দ্বিতীয় রমজানে বরিশাল নগরের সদররোডসহ বিভিন্ন রাস্তায় তাকে পায়ে হেটে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখেছেন নগরবাসী। ভিন্নতর এ কাজে এরইমধ্যে সাধারণের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন এই ছাত্রী নেত্রী।

    রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল নগরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিন্তু সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ভাসমান ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া অব্যাহত রাখেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের সেই ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তিনি লিখেছেন, বাহিরে প্রচণ্ড বৃষ্টি থাকা সত্বেও তৈরি খাবার নষ্ট হবে পাশাপাশি ওই কর্মহীন মানুষদের কথা ভেবে রমজানের দ্বিতীয় দিনে ইফতার নিয়ে ভাসমান, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দ্বারে দ্বারে। যে পোষ্টের নিচে ৬ ঘন্টার মধ্যেই ২৫ হাজার লাইক ও লাভ রিয়্যাক্ট, ৫ হাজার ২ শত কমেন্ট, ১ হাজার ৭ শত শেয়ার হয়েছে।

    এরআগে শনিবার ইফতার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে তিনি লিখেছেন, সেদিন টিভিতে অ্যাড দেখছিলাম সবাইকে নিয়ে ভাল থাকার মাঝে রমজানের প্রকৃত মহিমা। এবারের রমজানটা সবার কাছেই অপরিচিত। যারা ঘরে বসে পরিবারের সাথে ইফতার করছে তাদের কাছে কষ্টের না হলেও ভাসমান, শ্রমজীবী শ্রেনীর কাছে এই পবিত্র রমজান ততটাই ভয়ংকর এবং অসহায়ত্বের। তাদের কথা চিন্তা করে প্রথম রমজানে ইফতার তৈরী করে নিয়ে এসেছি রমজানের আনন্দ ভাগ করতে।

    এ পোষ্টেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন তাকে। তিলোত্তমা জানান, শনিবার থেকে রমজান শুরু হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু করোনার মধ্যে এবারের রমজান আগের থেকে ভিন্ন। করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

    আজও প্রচণ্ড বৃষ্টি ছিল। নিজের তৈরি খাবার নষ্ট হবে ভেবে এবং ভাসমান, গরীব-অসহায় মানুষগুলোর কথা ভেবে বৃষ্টির মধ্যেই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছি।

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

    এদিকে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু ইফতার বিতরণ নয়, লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা সিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা সিকদার।

  • বরিশালে অর্ধলক্ষ কর্মহীন পরিবারের ঘরে ত্রান সমগ্রী পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে অর্ধলক্ষ কর্মহীন পরিবারের ঘরে ত্রান সমগ্রী পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নিবির পর্যাবেক্ষনে এবং বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় গভীর রাতে কর্মহীন দরিদ্র পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা।

    প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশে, এবং বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সার্বিক ব্যাবস্থাপনা মাফিক “নগরীর প্রতিটি হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য-সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে |

    কর্মসূচী” গতকাল ছিলো ২৮ তম দিন | গতকাল পর্যন্ত আনুমানিক ৫০,০০০ হাজার এর অধিক পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়েছেন,বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ |

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রমে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দলমত ধর্ম নির্বিশেষে কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা হয়।

    গতকাল রাত্রে নগরীর ১১ নং ও ১৮ নং ওয়ার্ড এর জনগনের মাঝে আনুমানিক ৩ হাজার পরিবারের মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়া হয় |

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রথমে, বলেছিলেন ৪০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিবেন,কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার এর মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিয়েছেন,, এবং এক বার্তায় সিটি মেয়র জানিয়েছেন এই নগরীর প্রতিটি ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেওয়া কর্মসূচী কার্যক্রম চলমান থাকবে, এবং নগরীর একটি অসহায় পরিবার ও এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়া কর্মসূচী র বাইরে থাকবেনা।

  • নিজে ইফতার বানিয়ে রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করেন হিন্দু তরুণী তিলোত্তমা শিকদার

    নিজে ইফতার বানিয়ে রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করেন হিন্দু তরুণী তিলোত্তমা শিকদার

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    তিলোত্তমা শিকদার অনেকেরই পরিচিত মুখ। বিশেষ করে ছাত্রলীগের সবাই তাকে চেনেন। তিনি ডাকসুর সদস্যও। ছাত্রলীগের রাজনীতি করার পাশাপাশি ডাকসুর নেত্রী হওয়ায় বিভিন্ন সময় আলোচনায় ছিলেন তিনি।

    এবারের রমজান মাসে অন্যরকম এক মানবিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী তিলোত্তমা শিকদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তিলোত্তমা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীদের উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক। থাকেন কবি সুফিয়া কামাল হলে। করোনাভাইরাস ঠেকাতে লকডাউন ঘোষণার ৩-৪ দিন আগে চলে যান নিজ শহর বরিশালে। ভাবতে পারেননি এতদিন লকডাউন থাকবে; তাই চাইলেও এখন ঢাকায় আসতে পারছেন না তিনি।

    এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে রমজান মাস। লকডাউনে নিম্নআয়ের অনেক মানুষ সেহরি না খেয়েই রোজা রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। অনিশ্চিত তাদের ইফতারের আয়োজন। এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডাকসুর সদস্য ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা শিকদার।

    প্রথম রমজান থেকে নিজের বাসায় রান্না শুরু করেছেন ইফতার। বাসায় তৈরি করা ইফতার নিয়ে ছুটছেন বরিশাল শহরের বিভিন্ন এলাকায়। প্রথম রমজান থেকে শুরু করা এই ইফতার আয়োজন চলবে শেষ রমজান পর্যন্ত। সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।

    শুধু তাই নয়; লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা শিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা।

    দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠাচ্ছেন তিলোত্তমা। ফোনে এবং বিকাশে টাকা পাঠিয়ে এসব উপহার সামগ্রী কিনে তা পাঠিয়ে দিচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীদের বাসায়।

    ইতোমধ্যে ২১ জন ছাত্রী এবং ১১ জন ছাত্রকে দুই হাজার টাকা করে বিকাশে পাঠিয়েছেন তিনি; যেন তারা করোনাভাইরাসের সংকটে মনোবল না হারায়।

    এসব বিষয়ে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা শিকদার।

    তিলোত্তমা বলেন, ভেবেছিলাম ঢাকায় ফিরব। কিন্তু লকডাউনের কারণে আটকা পড়েছি। আটকা পড়লেও সহপাঠী, ছোট ভাই-বোনদের বিপদে পাশে আছি। ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে চাইলে সবসময় মানুষের পাশে থাকা যায়। এজন্য মানবিক হওয়া জরুরি।

    তিনি বলেন, লকডাউনের শুরুতে বিপদে পড়ে আমার নিজ হল অর্থাৎ কবি সুফিয়া কামাল হলের কিছু ছাত্রী। আমি সবাইকে জানাই; যাদের সমস্যা হচ্ছে আমাকে বলার জন্য। আমি গোপনে সহায়তা পৌঁছে দেব। সেখান থেকে প্রায় ১০০ জনের নাম আসে। আমি যেহেতু এখানে আটকা পড়েছি; তাই সংগঠনের ছোট দুই ভাই এবং এক বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় গোপনে ১০০ জনের কাছে খাদ্যসামগ্রী পাঠাই। এরপর আরও বেশ কিছু বার্তা পেয়েছি; যারা বিভিন্ন মেসে আটকা পড়েছে তাদের। তাদেরও সহায়তা করেছি। পাশাপাশি পরিচিতদের মাধ্যমে অনেকের জন্য গোপনে খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছি।

    তিলোত্তমা শিকদার বলেন, এর মধ্যে এমন কিছু ছাত্র-ছাত্রীর খবর পেয়েছি; যারা টিউশনি করে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজের পরিবার চালায়। এমন ২১ জন ছাত্রী এবং ১১ জন ছাত্রকে বিকাশে দুই হাজার টাকা করে দিয়েছি। যদিও এই টাকা কিছুই না। কিন্তু আমার সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু পেরেছি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এসব ছাত্র-ছাত্রীর অনেকেই এখন পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে রয়েছেন।

    তিলোত্তমা আরও বলেন, বেশি মেসেজ পাচ্ছি মেয়েদের। কারণ মেয়েরা সবার কাছে সমস্যার কথা বলতে পারে না। যারা শেয়ার করেছে তাদের কাছে ভালোবাসার উপহার পৌঁছে গেছে। ইতোমধ্যে ডাকসু থেকে শিক্ষার্থী সহায়তার ফান্ড চালু হয়েছে। আমার কাছে যারা সাহায্য চেয়েছেন সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। শেষ পর্যন্ত সবার পাশে থাকতে চাই আমি। ঢাবির সব শিক্ষার্থী নিরাপদে থাকুন, এটাই চাই। করোনার ভয় কেটে যাবে। আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরব- সেটাই প্রত্যাশা।

    তিলোত্তমা বলেন, এরই মধ্যে শনিবার থেকে শুরু হলো রমজান মাস। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু এবার রমজানের আগে থেকেই শুরু হয়ে গেল করোনা। এর প্রভাব পড়েছে রমজানের ওপর। এ অবস্থায় করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

    তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমার জীবন ধন্য হয়ে গেছে। আমার মন চায় এসব মানুষকে আরও দেয়ার, আরও সহযোগিতা করার। যদি প্রতিদিন এক হাজার মানুষকে ইফতার দিতে পারতাম আরও বেশি তৃপ্তি পেতাম। মনের তৃপ্তির জন্য এবার পুরো মাস দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করব। ইফতার বিতরণ করতে গিয়ে এমন কিছু মানুষ পেয়েছি যারা সাহরি না খেয়েই রোজা রেখেছেন। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

    এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, খুবই ভালো কাজ করছেন তিলোত্তমা। এলাকার মানুষের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করেছেন। ঢাবির ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগিতা করছেন। ছাত্রলীগের সবাইকে তার মতো এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামকে বলেন, এক মাস ধরে খুব ভালো কাজ করছেন তিলোত্তমা। তার পাশাপাশি ডাকসুর সবাই কাজ করছেন। আমি খুব খুশি তাদের কাজে। জাতীর এই সংকটে তাদের এগিয়ে আসা আমাদের স্বপ্ন দেখায়, প্রত্যাশা রাখি দুর্যোগ কেটে যাবে। আবার সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

  • বরিশালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    সহকারী বার্তা সম্পাদক //তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বরিশালে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল হালিম। সভায় ত্রাণ বিতরণ যেন সমন্বিতভাবে করা হয় সে বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়াও বক্তারা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক শামীম, সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মইদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • দুর্যোগের সময় কেউ কারও পেছনে লেগে থাকা ঠিক না : প্রধানমন্ত্রী

    দুর্যোগের সময় কেউ কারও পেছনে লেগে থাকা ঠিক না : প্রধানমন্ত্রী

    সরকারের দেয়া সাহায্যের ক্ষেত্রে অনিয়ম করায় ১১টি ডিলারশিপ বাজেয়াপ্ত ও ৪০ ডিলারশিপধারীকে সাজা দেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যবস্থা নিতে গিয়ে আমরা দেখেছি, কিছু কিছু জায়গায় দেখা যায় আশপাশের লোক ষড়যন্ত্র করেই একজন আরেকজনকে ফাঁসিয়ে দেয়। তদন্ত করতে গেলে দেখা যায়, সেখানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সেরকম অবস্থাও আছে। এই দুর্যোগের সময় কেউ কারও পেছনে লেগে থাকবে, এটা কিন্তু ঠিক না। বরং সবাইকে সাহায্য করতে হবে।

     

    বৃহস্প‌তিবার ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

     

    শেখ হাসিনা বলেন, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যসহ চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর মিলিয়ে প্রায় ৬১ হাজার ৫৭৯ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সাহায্য বিতরণ হচ্ছে। মাঝে মাঝে কিছু খবর আসে, যা সত্যিই আমাদের দুঃখ দেয়। দুর্যোগের সময় মানুষ ঘরে বসে আছে। কাজ করতে পারছে না। তাদের আমরা খাদ্য সহযোগিতা দিচ্ছি। এই সাহায্যের মধ্যে কেউ থাবা দিক, আমরা চাই না। এরকম যদি কোনো ঘটনা ঘটে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

     

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিত্তবানদের আমরা আহ্বান করেছি, তারা এগিয়ে আসছেন। আমাদের সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, এমনকি শিক্ষকরাও এগিয়ে আসছেন। অনেকে নিজের উদ্যোগে খাদ্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তারপর আমি বলব, কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম হলে আমরা বরদাস্ত করব না।

     

    তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি বেশ কিছু মামলা হয়েছে। এ ধরনের মামলা ঘটনা যেন আর না হয়। ১১টি ডিলারশিপ বাজেয়াপ্ত হয়েছে, ৪০টির মতো সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে। এসব ঘটনা ঘটার পর আমরা তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছি, খুব বেশি অনিয়ম না। যেটুকু দেখা গেছে, সেটুকু দেখা যাক আমরা চাই না।’

  • করোনা সংকট কাটাতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দফা প্রস্তাব

    করোনা সংকট কাটাতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দফা প্রস্তাব

    করোনাভাইরাসের ফলে বিশ্ব এক মহাসংকটকাল অতিক্রম করছে। বিগত একশ বছরে বিশ্ব এত বড় সংকটে পড়েনি। এই সংকট কাটাতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে একসঙ্গে সংকটের মোকাবিলা করতে আহ্বান জানিয়ে পাঁচ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

     

    বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার বিষয়ক এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

     

    ‘ইনহ্যান্সিং রিজিওন্যাল কো-অপারেশন ইন সাউথ এশিয়া টু কমব্যাট কোভিড-১৯ রিলেটেড ইমপ্যাক্ট অন ইটস ইকোনোমিকস’ শীর্ষক এ ভার্চুয়াল সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ)। গণভবন থেকে অনলাইনে এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সভাপতি বরজ ব্রেন্ডে।

     

    বিশ্বের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঁচটি বিষয়ে সবাইকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী: