Category: রাজণীতি

  • শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিলের ভাবনায় সরকার

    শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিলের ভাবনায় সরকার

    বিএনপি আমলের অনেক প্রকল্পই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বাতিল করেছে; কিন্তু রয়ে গেছে শনিবারের ছুটি। সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমান নানা যুক্তি দেখিয়ে সপ্তাহে দুই দিন ছুটির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার এই ফর্মুলায় সায় দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেই থেকে শুরু হলো সপ্তাহে দু’দিন ছুটি।

    তবে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ছুটি শেষে সরকারি অফিস খোলার পর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শনিবারের ছুটি বাতিল হতে পারে। যদিও বিষয়টি এখনো চিন্তা-ভাবনার পর্যায়ে রয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে। প্রজ্ঞাপন জারি না হলেও যদিও ইতোমধ্যেই ছুটি আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হবে বলে বুধবার সংবাদমাধ্যমেগুলোতে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

    শনিবার ছুটির বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, এই পরিস্থিতিতেও আমরা আমাদের কাজটা করার চেষ্টা করছি। প্রয়োজনে এবং সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদন দিলে এমনটা (শনিবার ছুটি বাতিল) হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো সেভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

    এর আগে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারকে অনেক কিছুই ভাবতে হচ্ছে। এর মধ্যে সরকারি ছুটির বিষয়টিও সামনে আসবে হয়তো।’

    সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, ‘নাগরিকের জীবন ধারণের দিক বিবেচনা করেই সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হয়েছিল। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে সাপ্তাহিক ছুটি রোববার। সঙ্গত কারণে কোনো না কোনোভাবে তিনদিনের ছুটির কবলে পড়তে হয় আমাদের। আবার করোনা পরিস্থিতিতে অনির্ধারিত ছুটির মধ্যে রয়েছি আমরা। আরো কতদিন এমন অবস্থা থাকবে তা, বলা মুশকিল। সুতরাং করোনার প্রভাব কেটে গেলে সরকারি ছুটি কমানো নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। দেশের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে আমাদেরকে ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে। অন্তত একটি সময়সীমা ধরে ছুটির ব্যাপারে ভেবে চলমান ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হবে।’

  • কোনও মানুষ যেন ক্ষুধার কষ্ট না পায় : প্রধানমন্ত্রী

    কোনও মানুষ যেন ক্ষুধার কষ্ট না পায় : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোনও মানুষ যেন না খেয়ে কষ্ট না পায়। সরকার সেই চেষ্টা করছে। আপনারা মনোবল শক্ত করে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবেন।’

    মোবাইল ব্যাংকিং পরিসেবার মাধ্যমে করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন কালে তিনি তার ব্ক্তব্যে এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে মোবাইল ব্যাংকিং/অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থা সম্বলিত বোতাম টিপে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অসহায়দের সহযোগিতায় আরও বেশি করে এগিয়ে আসুন।’

    তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আবারও আহ্বান জানান, নিজ নিজ এলাকার অসহায় মানুষকে সাহায্য করতে এবং ধান কাটায় অংশ নিয়ে কৃষকদের কষ্ট লাঘব করতে। সব ধরনের পতিত জমিতে যে কোনও ধরনের ফসল ফলানোর উদ্যোগ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, সারাদেশে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে এক হাজার ২৫০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ করা হবে। বিকাশ, রকেট, নগদ ও সিওর ক্যাশের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে সাড়ে ১২শ’ কোটি টাকার তহবিল বিতরণ করা হবে। প্রতি পরিবারে ধরা হয়েছে চার জন সদস্য, সেই হিসাবে এই নগদ সহায়তায় উপকার ভোগী হবে দুই কোটি মানুষ। প্রতিদিন ১০ লাখ মানুষ নগদ সহায়তা পাবেন এবং পুরো তহবিল ১৪ থেকে ১৮ মে’র মধ্যে বিতরণ করা হবে।

    জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এই সহায়তাপ্রাপ্তদের তালিকা তৈরি করেছেন। ভাতা পাওয়ার তালিকায় আছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষ।

    তালিকাভুক্তদের মধ্যে নগদ, বিকাশ, রকেট, এবং শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে এই টাকা, ফলে বাড়তি কোনও ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচ সরকার বহন করবে। এই টাকা উত্তোলন করতে ভাতাভোগীদের কোনও খরচ দিতে হবে না।

  • ছুটির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন কাল

    ছুটির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন কাল

    করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চলমান সাধারণ ছুটি আরও বাড়বে নাকি অফিস খুলে দেয়া হবে- সেই বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

    তবে ১৬ মের পর ঈদের ছুটির আগে মাত্রা চারটি কর্মদিবস থাকায় ছুটি আরও বাড়ছে বলেই মনে করছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নানা দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। আগামীকালও প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্স রয়েছে। ছুটির বিষয়টিও তিনি সেখানে জানাবেন বলে আমরা জেনেছি।

    প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত জানালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সেই অনুযায়ী আদেশ জারি করা হবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

    এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবারের ভিডিও কনফারেন্সের দিকে আমরা নজর রাখব। তার দেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’

    করোনার কারণে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। পরে আরও ছয় দফায় ছুটি বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু দেশে এখনও করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি নেই, বরং দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। মঙ্গলবারও এ ভাইরাসে নতুন করে ৯৬৯ জনের আক্রান্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

    ১৬ মে ও ঈদের ছুটির মাঝখানে কর্মদিবস মাত্র চারটি- ১৭, ১৮, ১৯, ২০ মে। এরপর ২১ মে শবে কদরের ছুটি। এরপর ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি। আবার রমজান মাস ৩০ দিন ধরে ২৪ মে (রবিবার) থেকে শুরু ঈদের ছুটি। ২৫ ও ২৬ মে’ও (সোম ও মঙ্গল) ঈদের ছুটি থাকবে। সরকারি ছুটির তালিকায় এভাবেই নির্ধারিত আছে।

    তবে রমজান মাস ২৯ দিনে শেষ হলে ঈদের ছুটি থাকবে ২৩, ২৪ ও ২৫ মে (শনি, রবি ও সোম)।

    ইতোমধ্যে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে দোকান, শপিংমল, কারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হয়েছে। তবে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন।

    তবে এর আগের ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ঈদের সময়ে আন্তঃজেলা পরিবহন বা দূরপাল্লার কোনো যানবাহন চালাচল করবে না। এছাড়া ঈদের ছুটিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

  • দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিলেন মেয়র আতিক

    দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিলেন মেয়র আতিক

    টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আতিকুল ইসলাম। আজ বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তাফার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেন তিনি।

    এদিন ডিএনসিসি নগর ভবনে সীমিত পরিসরে এক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আতিকুল ইসলামের কাছে মেয়র পদের দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেয়া হয়।

    এসময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই, সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের আগামী ১৭ মে ডিএসসিসির প্রথম নির্বাচিত বিদায়ী মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করার কথা রয়েছে।

    এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার বলেন, বর্তমান বোর্ডের মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে ১৬ মে। সে অনুযায়ী আগামী ১৭ মে ডিএসসিসির নবনির্বাচিত মেয়র দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে আলোচনা হচ্ছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সময় নির্ধারণ হয়নি।

    উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জয়ী হন। ২৭ ফেব্রুয়ারি তারা শপথ নেন।

  • নলছিটিতে জমির ধান কেটে দিলেন ডিসি এসপি ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা

    নলছিটিতে জমির ধান কেটে দিলেন ডিসি এসপি ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা

    স্টাফ রিপোর্টার // সাইফুল ইসলাম : ঝালকাঠির নলছিটি করোনায় শ্রমিক সঙ্কটে পাকা ধান নিয়ে বিপাকে পড়া কৃষকদের ৫ একর জমির ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ষাইটপাকিয়া গ্রামে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় কাচি দিয়ে ধান কেটে দেন তাঁরা। কৃষি বিভাগ জানায়, ষাইটপাকিয়া গ্রামের কৃষক গোলাম মাওলাসহ ১৫ জনের ৫ একর জমির বোরো ধান পেকে মাটিতে পড়ে যাচ্ছিল। শ্রমিক সঙ্কটের কারণে তারা ধান কাটতে পারছিলেন না। খবর পেয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসক মো: জোহর আলী, পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমনি কাচি দিয়ে ধান কাটা কার্যক্রম শুরু করেন। পরে তাদের নির্ধারিত শ্রমিক ও মেশিন দিয়ে ধান কেটে আটি বেধে কৃষকের বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়। এ কাজে সহযোগিতা করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফজলুল হক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসরাত জাহান মিলি ও ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহম্মেদ। ধান কেটে দেওয়ায় খুশি স্থানীয় কৃষকরা।

  • একটি মহল ত্রাণ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

    একটি মহল ত্রাণ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

    একটি মহল ত্রাণ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    আজ বুধবার সরকারি বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে এই আহ্বান জানান তিনি।

    বাংলাদেশের মানুষের জীবনের পাশাপাশি জীবিকার চাকা সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ ছুটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল করে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা মনে করছেন এ সিদ্ধান্ত ভুল, তাদেরকে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দিকে চেয়ে বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ করা রইলো।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,সরকারি ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছ,এ পর্যন্ত সরকার ৪ কোটি মানুষের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা দেশের যে কোন দুর্যোগে আর্ত মানবতায় সবার আগেই মানবিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে অসহায় মানুষের পাশে।

    তিনি বলেন, দুর্যোগ কালে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য।

  • নগর সেবক সাদিক আবদুল্লাহ, জনগনের স্বার্থ রক্ষায় যিনি আপোষহীন যোদ্ধা

    নগর সেবক সাদিক আবদুল্লাহ, জনগনের স্বার্থ রক্ষায় যিনি আপোষহীন যোদ্ধা

    বেলায়েত বাবলু :: চমকের সাথে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। সোজা সাপ্টায় বলতে গেলে সাদিক আবদুল্লাহ আর চমক যেন একে অন্যের পরিপূরক হয়ে গেছে। সর্বশেষ বরিশালের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠকে যোগদান করে তিনি যে অনুরোধ করেছিলেন তাঁর অনুরোধে সাড়া দিয়ে এ বছরের ঈদের মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এর আগে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। সেরনিয়াবাত সাদিক আদুল্লাহ সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন তা ১১ বছরের মতো। তাঁর এসময়ে চল পথ অতো মসৃন। অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার মাধ্যমে তাঁকে এ অবস্থানে আসতে হয়েছে। তবে তাঁর চলার পথ যেমন মসৃন ছিলনা তিনি যেটাতে হাত দিয়েছেন সেটাতেই সফল হয়েছেন।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হওয়ার আগে তৃনমূলের চাহিদা থাকার পরেও তাকে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ জুলাইয়ের বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়েও অনেক নাটকীয়তার জন্ম হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত অনেকটা চমক নিয়েই আওয়ামী লীগ তথা ১৪ দলের সমর্থন নিয়ে মেয়র প্রার্থী হন রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তারপর আর তাকে পিছু ফিরে তাঁকাতে হয়নি। বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের হেভিওয়েট প্রার্থী, সাবেক হুইপ ও মন্ত্রী মজিবর রহমান সরোয়ারকে স্মরণকালের বিপুল ভোটে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন তিনি।

    আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী হিসেবে ও জীবনের প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই সাদিক আবদুল্লাহ সবাইকে চমকে দিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। দায়িত্ব গ্রহনের পর নগর ভবনকে ঢেলে সাজাতে গিয়ে তিনি ব্যাপক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করেণ। অবসরে যাওয়া স্টাফদের একসাথে সকল টাকা পরিশোধ করে দেয়া ছিলো একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

    এছাড়া অনিয়মিত কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি, ভাতা প্রদান, নিয়মিত কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি মাসের বেতন পরিশোধ, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষদের জন্য রাত জাগে সার্ভিস দেয়া, যাত্রীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস, বরিশাল বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা, সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য নগরভবনে বিশেষ সেবা চালু সবই তার সময়কার প্রথম।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ দায়িত্ব নেয়ার পর ঘূর্নিঝড় মোকাবেলায় নিজ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। দিনরাত পরিশ্রম করে নগরবাসীকে বগ ধরণের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছেন। সাংগঠনিকভাবেও তিনি অত্যন্ত বিচক্ষনতা ও সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন। অনেকটা তাঁর কর্ম প্রচেষ্ঠায় প্রথমবারের মতো নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর দক্ষতার কারণেই সংগঠনের ভিতরে এখন পর্যন্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বি গড়ে উঠেনি।

    ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মলেনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সর্বশেষ দেশের সর্বত্র করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় কর্মহীন মানুষের পাশেও তিনি দাঁড়িয়েছেন আপনজনের মতো। সরাসরি তাঁর তত্ত্বাবধানে এ পর্যন্ত নগরীর ৬২ হাজার পরিবারের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। অসহায় মানুষদের সাহাযার্থে গঠন করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রান ফান্ড। যাতে তিনি তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে পাওয়া সব টাকা দান করেছেন। তিনি বারবার বলতে চাচ্ছেন তাঁর নিজের কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। জনগনের স্বার্থ রক্ষাই তাঁর প্রধান কাজ। তিনি প্রায়শই বলে থাকেন জনগন আছে বলেই আমরা নেতা।

    করোনার এই সময়টাতে তিনি সকলকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেছেন তার নগরীতে কেউ না খেয়ে থাকবেনা। কারো দরকার হলে যোগাযোগ করলেই খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। তাঁর কাছে ৬০ / ৬২ হাজার না যতোদিন প্রয়োজন হবে করোনার দূর্যোগের সময় অসহায়দের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়া হবে।

  • বরিশালে কৃষকদের মাঝে বীজ বিতরণ করেন সাইদুর রহমান রিন্টু

    বরিশালে কৃষকদের মাঝে বীজ বিতরণ করেন সাইদুর রহমান রিন্টু

    করোনা ভাইরাস মোকাবেলা ও সাধারণ মানুষের খাদ্য চাহিদা পুরনে এই মহামারী বিপর্যয় উত্তরনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের সব আবাদযোগ্য জমি যাতে কৃষি চাষ ও সবজির আবাদ করা হয় সেই লক্ষ্যে, বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে বেলা ১২ টার সময় ১০টি ইউনিয়নের প্রায় ৬০০ হতদরিদ্র সাধারণ কৃষকদের মাঝে ঢেরস,চিচিঙ্গা,মিষ্টি কুমড়ো,শষা,লাউ ইত্যাদি সবজির বিজ বিতরণ করেন বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু।

     

    বিজ বিতরণের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মুজিবুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড,মাহবুবুর রহমান মধু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা বেগম, টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বাহাউদ্দীন আহম্মেদ ও উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ তৌহিদ হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

     

    মানুষের জীবন ধারণের অন্যতম উপজীব্য খাত হচ্ছে কৃষি,কৃষি হচ্ছে চিরস্থায়ী ব্যবস্থা, তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া বা বিপর্যয়ে দ্রুত নেতিয়ে পড়ে না কৃষি।

     

    তাই বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু উপস্থিত সকল কৃষকদের উদ্দেশ্য অনুরোধ করে বলেন তারা যেন অন্তত এই বিপর্যয়ের সময় মনোবল না হারায় এবং দেশকে এখনই কৃষিবান্ধব একটি সুন্দর বরিশাল উপহার প্রদানে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে।

  • ঈদের পোশাক না কিনে দরিদ্রদের সহায়তার অনুরোধ বিসিসি মেয়র এর

    ঈদের পোশাক না কিনে দরিদ্রদের সহায়তার অনুরোধ বিসিসি মেয়র এর

    দলীয় নেতাকর্মীদের ঈদের পোশাক না কিনে, সেই টাকা দিয়ে বাড়ির পাশের দরিদ্র পরিবারকে সহায়তার মাধ্যমে ঈদ পালন করার অনুরোধ জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    তিনি বলেন, ঈদ তো কত পালন করেছি জীবনে। ৪৬ বছর বয়সে ৪৬টি ঈদ গেছে, ৪৬টি কোরবানি গেছে। বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ সবারই ঈদ-কোরবানি আবারো পালন করা হবে। আমার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে একটা অনুরোধ থাকবে আজ দোকান-পাট খোলা থাকলে আপনারা যে জামাটা কিনতেন, সেই জামাটার টাকা দিয়ে আপনার পাশে যে দরিদ্র পরিবারটি আছে তাকে নিয়ে ঈদ পালন করুন। আমার মনে হয় না এতে আপনার জামা পড়ার থেকে কোনো অংশে আনন্দ কম হবে।

    সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মেয়র সাদিক বলেন, বরিশাল সিটি এলাকার প্রতিটি মানুষের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে কোনো ঘরে খাবার না থাকলে, কোনো অসুবিধা থাকলে আমাকে জানান। আমি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সাধ্য অনুযায়ী খাবারগুলো বাসায় পৌঁছে দেবো। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিজে তদারকি করে ৬২ হাজার পরিবারের ঘরে খাদ্য সহায়তা এরইমধ্যে পৌঁছে দিয়েছি এবং আরও সাহায্য আসছে। ফলে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    শনিবার (০৯ মে) মধ্যরাতে বরিশাল নগরের কালিবাড়িরোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে দোকান মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যত লোক মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের এ থেকে শিগগির রেহাই দেন।

    ‘দোকান খোলা রাখার বিষয়ে আমি সাংবাদিক ও নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। সিটি করপোরেশনের ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে আমি মতামত চেয়েছি, সেখানে ১ ঘণ্টায় ২ হাজারেরও বেশি মতামতের সবগুলোই ছিলো নেগেটিভ, কোন পজিটিভ কমেন্ট পাইনি। সবাই দোকান খোলা রাখার বিপক্ষে। যে কারণে আমি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানিয়েছি, তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। ব্যবসায়ীরা মানবতার দিক বিবেচনা করে দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জনগণের স্বার্থে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমার অনুরোধ তারা রেখেছেন এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

    সভার বিষয়ে চকবাজার ব্যবসায়ী মা‌লিক স‌মি‌তির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর র‌হিম জানান, জীবন ও জীবিকার মধ্য থেকে আমরা জীবনকে বেছে নিলাম। মেয়রের অনুরোধে এবং কর্মচারীসহ জনসাধারণের কথা চিন্তা করে সংক্রমণ রোধে আমরা জীবনকে বেছে নিয়েছি। বেঁচে থাকলে আমরা বহু ঈদ করতে পারবো। রোববার (১০ মে) থেকে আমরা চকবাজারের সব দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি আজ নগরের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। সেখানে মেয়রের অনুরোধের বিষয়টি বলা হবে। আশা করি নগরের সব দোকানপাট ঈদ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

  • মেয়র সাদিকের অনুরোধেই বরিশালে মার্কেট খুলছেনা ব্যবসায়ীরা।

    মেয়র সাদিকের অনুরোধেই বরিশালে মার্কেট খুলছেনা ব্যবসায়ীরা।

    ব‌রিশা‌ল সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়‌র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনু‌রো‌ধে রোববার থে‌কে মার্কেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত থে‌কে স‌রে এ‌সে‌ বন্ধ রাখার ঘোষনা দি‌য়ে‌ছে মা‌লিক স‌মি‌তি।

     

    শ‌নিবার রাত পৌ‌নে ১২টায় চকবাজার দোকান মা‌লিক স‌মি‌তির সাধারন সম্পাদক শেখ আব্দুর র‌হিম এই ঘোষনা দেন।

     

    এসময় তি‌নি ব‌লেন, জীবন ও জী‌বিকার ম‌ধ্যে জীবন‌কে প্রাধান্য দি‌য়ে ঈদ উপল‌ক্ষে দোকানপাট দোকান পাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হ‌য়েছে।

     

    এর আ‌গে ব‌রিশাল সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র সে‌রনিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহর আহ্বা‌নে সারা দি‌য়ে নগীরর কা‌লিবা‌ড়ি রোডস্থ বাসভব‌নে বৈঠ‌কে ব‌সেন মা‌লিক স‌মি‌তির নেতৃবৃন্দ। এসময় মেয়র ক‌রোনা ভাইরা‌সের সংক্রমন এড়া‌তে জনস্বা‌র্থে ‌দোকানপাট বন্ধ রাখার অনু‌রোধ জানান। মেয়রের এই আহ্বা‌নে সারা দি‌য়ে তারা ঐক্যমত প্রকাশ ক‌রেন।

     

    এসময় মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ ব‌লেন, মূলত ক‌রোনা সংক্রমন থে‌কে নগরবাসী ও ব‌রিশালবা‌সী‌কে রক্ষার জন্য ব্যবসায়ী‌দের এই অনু‌রোধ জানান। অনু‌রোধ রক্ষা করায় ব্যবসায়ী‌দের ধন্যবাদ জানান তি‌নি।

     

    উ‌ল্লেখ্য, নগরীর চকবাজার, কাঠপ‌ট্টি, লাইন‌রোড , হেমা‌য়েত উ‌দ্দিন রোড ও পদ্মাবতী এলাকায় ৫ শতা‌ধিক দোকান র‌য়ে‌ছে। ঈদ কেনাকাটায় প্র‌তিবছর নগরবাসী এখা‌নেই ভির জ‌মি‌য়ে থা‌কেন