Category: রাজণীতি

  • সে যে একজন সাদিক, নগরবাসির চিন্তায় নির্ঘুম রাত

    সে যে একজন সাদিক, নগরবাসির চিন্তায় নির্ঘুম রাত

    তানজিম হোসাইন রাকিব: প্রাণ কেড়ে নিতে সময়ের অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস আতঙ্ক থেকেও অধিকতর চিন্তা-ভাবনা দেখা দিয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ধেয়ে আসছে, এই খবরে বরিশালের চারিদিকে চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় একরাত পার হলো গতকাল বুধবার ২০মে ঘনঘোর আঁধারে এক পরিবেশ। বরিশালের শুধু প্রশাসন নয়, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ক্ষয়ক্ষতি রোধে দিনের শুরু থেকে সর্বাত্মক চেষ্টায় ও কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। বিশেষ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কাটিয়েছেন নির্ঘুম এক রাত।

    সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখন জেগে থাকা একজন ক্ষমতাসীন দলের নেতা প্রকৃতির ভয়ঙ্কর গতিবিধির সর্বশেষ তথ্য জানতে তার চোখ ছিলো অতন্দ্র প্রহরীদের ন্যায়।

    বরিশাল নগর আ.লীগের সাধারণ সস্পাদক ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ তার দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও মাঠে নামিয়ে দিয়েছিলেন , স্ব্চ্ছোসেবকের ভ’মিকায়। ইতিপূর্বে এধরনের দুর্যোগে এই নেতা নিজেই স্পীডবোটযোগে নৌপথে নেমে হ্যান্ডমাইকে মানুষকে সতর্কতায় ভ’মিকা রাখতে দেখা গেলেও এবার করোনায় নিরাপত্তাজনিত কারনে ঘর থেকেই বরিশালে প্রস্তুতির সার্বিক চিত্র মনিটরিং করছিলেন। একপর্যায়ে রাতে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন, এমনটি জানালেন তার ঘনিষ্টজনরা।

    এই নেতাও সকাল থেকে উদ্বিগ্ন ছিলেন ঝড়ের গতিবেগ বরিশালকে ছোঁয়া দেয় কিনা এমন আশঙ্কা মাথায় রেখে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন নয়া এই দূর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের সহায়তা বা নির্দেশনা মানতে। তিনিও প্রস্তুত ছিলেন, আম্ফান যদি বরিশালকে আহত করে ক্ষয়ক্ষতির ধ্বংসস্ত’পে রূপ দেয় তাহলে পরবর্তী করণীয়সমূহ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণে।

    জানা যায়, সন্ধ্যার পরই শুরু হয় অম্ফানের তান্ডব। সুন্দরবনে আঘাত হানার পর ঝাপটা আসতে থাকে দক্ষিণাঞ্চলে। প্রথমে যেভাবে বাতাসের গতিবেগ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছিল তাতে আশঙ্কা তৈরী হয়েছিলো বরিশাল জেলায় আম্ফান প্রকৃতির বৈরীতায় বিবর্ণ করে তুলতে যাচ্ছে। ভাগ্যসহায়, ধীরে ধীরে বাতাসের গতিবেগ কমে আসলেও গুমট ভাব মানুষের ভিতরকার আতঙ্ক আরও ভর করে।

    ধারনা করা হচ্ছে, প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের সম্মিলিত পূর্বপ্রস্তুতিতে এঅঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অতোটা বেশী নয়। তবে মর্মদায়ক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে কলাপাড়া থেকে। সেখানে সতর্কীকরণ প্রচারণা চালাতে গিয়ে নদীতে নৌকা ডুবে শাহ আলম মীর (৫৫) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক নিখোঁজ রয়েছেন। হিজলায় গভীর রাতে মেঘনায় দুই ট্রলারের সংঘর্ষে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ট্রলার মাঝি রাসেল হাওলাদারের মৃতদেহ উদ্ধার করতে স্থানীয়রা সক্ষম হয়েছেন। ভোলার চরফ্যাসনের কচ্চপিয়ায় ঝড়ে গাছের নিচ চাপা পড়ে সিদ্দিক ফকির নামের ৭০ বছরের একজন মারা গেছেন।

    এই ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় আম্ফানের যে গতিবেগের কথা প্রচার পেয়েছিলো এবং সন্ধ্যার পর তার আলামত শুরু হওয়ায় ভীতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি অস্বাভাবিক ছিলোনা। কিন্তু বরিশাল জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ক্ষমতাসীন মহল প্রকৃতির এই বৈরীতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব ইতিহাস পর্যালোচনায় ভয়ঙ্করতা থেকে। উদ্বিগ্ন মানুষ রাতের গভীরতায় ক্লান্তিতে যখন ঘুমে আচ্ছন্ন তখন মেট্রোপুলিশ কমিশনার সাহাবুদ্দিন খান ও মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ চিন্তামগ্নে নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব । পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মোঃ অজিউর রহমান ও পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি রাতভর খোঁজখবর নিতে থাকেন, দিতে থাকেন সকল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা।

    এদিক থেকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর ভুমিকা তাদের থেকেও ছাড়িয়ে যায় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে দিনভর ব্যাস্ততা, রাতে উভয়ের চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। অন্তত বিভাগীয় এই শহরে আম্ফানের প্রবেশ করলেও মোকাবিলায় দৃঢ়তার সাথে জনতার পাশে থাকতে মাঠে থাকা দলীয় কর্মীদের সাথে সার্বক্ষীণক যোগাযোগ রাখেন সেহরীর পূর্বমূহূর্ত পর্যন্ত। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে। যদিও  সম্ভাব্য ইতিহাসের বড় ঝড়ের ছোবল আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিলেন কিন্তু মানসিকভাবে ছিলেন দৃঢ়চেতা। করোনার দুর্যোগের মাঝে আবার নতুন ঝামেলার উপসর্গ আম্ফান মোকাবিলায় তার কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে তারা কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত।

  • মেয়র সাদিকের নির্ঘুম রাত , অনূরূপ পুলিশ কমিশনারও

    মেয়র সাদিকের নির্ঘুম রাত , অনূরূপ পুলিশ কমিশনারও

    স্টাফ রিপোর্টার// সাইফুল ইসলাম : প্রাণ কেড়ে নিতে সময়ের অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস আতঙ্ক থেকেও অধিকতর চিন্তা-ভাবনা দেখা দিয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ধেয়ে আসছে, এই খবরে বরিশালের চারিদিকে চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় একরাত পার হলো গতকাল বুধবার ২০মে ঘনঘোর আঁধারে এক পরিবেশ। বরিশালের শুধু প্রশাসন নয়, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ক্ষয়ক্ষতি রোধে দিনের শুরু থেকে সর্বাত্মক চেষ্টায় ও কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। বিশেষ করে বরিশাল মেট্রোপুলিশ কমিশনার মোঃ সাহাবুদ্দিন খান ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ কাটিয়েছেন নির্ঘুম এক রাত।

    সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখন জেগে থাকা একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা অন্যজন ক্ষমতাসীন দলের নেতা প্রকৃতির ভয়ঙ্কর গতিবিধির সর্বশেষ তথ্য জানতে তাদের চোখ ছিলো অতন্দ্র প্রহরীদের ন্যায়। যতটুকু জানা গেছে, মেট্রোপুলিশ কমিশনার এবং তার সাথে রেঞ্জ ডিআইজি সাহাবুদ্দিন খান গোটা পুলিশ বাহিনীর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের তাদরে কমস্থলের আশপাশে নামিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট এলাকার বসতিদের আত্মরক্ষায় সাইক্লোন সেন্টারে নিয়ে যেতে। সেই সাথে পুলিশ সদস্যরাও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে যেনো ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের গতিবেগের সাথে নিজেরাও ছুটাছুটি করেছেন কোনো মানুষ যেনো অরক্ষিত অবস্থায় না থাকে। অবশ্য গতকাল বুধবার সকাল থেকেই তাদের এই প্রস্তুতি দেখা যায়।

    পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এক্ষেত্রে বিশেষ এক ভ’মিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মেট্রোপুলিশ কমিশনার। তিনি শহরকেন্দ্রিক শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা হলেও তার এলাকার আওতাধীন বিশেষ করে কীর্তনখোলা ও মেঘনার নদীর মধ্যবর্তী স্থান চড়কাউয়া থেকে লাহারহাট পর্যন্ত বন্দর থানা পুলিশকে সজাগ বা দৌড়ের উপর রেখেছিলেন কোথাও যেনো নিরাপত্তার ঘাটতি না থাকে। তদ্রুপ রেঞ্জ ডিআইজি তার তিনটি থানা হিজলা , মুলাদী ও মেহেন্দীগঞ্জকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ গাইডলাইন দিয়ে মাঠে রাখেন রাতভর।

    সূত্রের ভাষ্যমতে , সকাল থেকেই নদী তীরবর্তী বা কাছাকাছি এলাকাসমূহের মানূষদের সাইক্লোন সেন্টারে নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়ে তা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকেও সতর্ক রেখেছিলেন নিজেদের চিন্তাভাবনা বা কৌশলের আলোকে। সেক্ষেত্রে স্পীডবোটসহ এম্বুলেন্স স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিলো -ডাকলেই তড়িৎ ব্যাবস্থা নেওয়ার। শুধুই কী তাই? সাইক্লোন সেন্টারে খাবার ব্যাবস্থাও করা হয়েছিলো জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে। যা তদারকিতে ছিলো পুলিশ সদস্যরা। তবে অপর একটি সূত্র জানায়, মেট্রোপুলিশ কমিশনার নিজ উদ্যোগেও খাবার প্রস্তুত রেখেছিলেন দুযোগ পরবর্তী সময়ের জন্য।
    তবে পুলিশী ভ’মিকার নজরকাড়া দৃষ্টি ছিলো গতকাল দিনভর হ্যান্ডমাইকে কখনও ডাঙায় আবার নদীতে স্পীডযোগে স্বেচাছাসেবকদের ন্যায় সর্বশেষ খবর অবহিত করে আমজনতাকে নিরাপদে থাকতে ঘোষণা দিয়ে আসছিলো। তাদের এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর হয় বলে জানা গেছে। আবার অনেকে পুলিশের আহবান উপেক্ষা বা ঘূর্ণিঝড় আম্ফানকে আমলে নিতে না চাওয়ায় তাদের সাইক্লোন সেন্টারে যেতে বাধ্য করে।

    অন্যদিকে বরিশাল নগর আ.লীগের সাধারণ সস্পাদক ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ তার দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও মাঠে নামিয়ে দিয়েছিলেন , স্ব্চ্ছোসেবকের ভ’মিকায়। ইতিপূর্বে এধরনের দুর্যোগে এই নেতা নিজেই স্পীডবোটযোগে নৌপথে নেমে হ্যান্ডমাইকে মানুষকে সতর্কতায় ভ’মিকা রাখতে দেখা গেলেও এবার করোনায় নিরাপত্তাজনিত কারনে ঘর থেকেই বরিশালে প্রস্তুতির সার্বিক চিত্র মনিটরিং করছিলেন। একপর্যায়ে রাতে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন, এমনটি জানালেন তার ঘনিষ্টজনরা।

    এই নেতাও সকাল থেকে উদ্বিগ্ন ছিলেন ঝড়ের গতিবেগ বরিশালকে ছোঁয়া দেয় কিনা এমন আশঙ্কা মাথায় রেখে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন নয়া এই দূর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের সহায়তা বা নির্দেশনা মানতে। তিনিও প্রস্তুত ছিলেন, আম্ফান যদি বরিশালকে আহত করে ক্ষয়ক্ষতির ধ্বংসস্ত’পে রূপ দেয় তাহলে পরবর্তী করণীয়সমূহ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণে।

    জানা যায়, সন্ধ্যার পরই শুরু হয় অম্ফানের তান্ডব। সুন্দরবনে আঘাত হানার পর ঝাপটা আসতে থাকে দক্ষিণাঞ্চলে। প্রথমে যেভাবে বাতাসের গতিবেগ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছিল তাতে আশঙ্কা তৈরী হয়েছিলো বরিশাল জেলায় আম্ফান প্রকৃতির বৈরীতায় বিবর্ণ করে তুলতে যাচ্ছে। ভাগ্যসহায়, ধীরে ধীরে বাতাসের গতিবেগ কমে আসলেও গুমট ভাব মানুষের ভিতরকার আতঙ্ক আরও ভর করে।

    ধারনা করা হচ্ছে, প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের সম্মিলিত পূর্বপ্রস্তুতিতে এঅঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অতোটা বেশী নয়। তবে মর্মদায়ক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে কলাপাড়া থেকে। সেখানে সতর্কীকরণ প্রচারণা চালাতে গিয়ে নদীতে নৌকা ডুবে শাহ আলম মীর (৫৫) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক নিখোঁজ রয়েছেন। হিজলায় গভীর রাতে মেঘনায় দুই ট্রলারের সংঘর্ষে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ট্রলার মাঝি রাসেল হাওলাদারের মৃতদেহ উদ্ধার করতে স্থানীয়রা সক্ষম হয়েছেন। ভোলার চরফ্যাসনের কচ্চপিয়ায় ঝড়ে গাছের নিচ চাপা পড়ে সিদ্দিক ফকির নামের ৭০ বছরের একজন মারা গেছেন।

    এই ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় আম্ফানের যে গতিবেগের কথা প্রচার পেয়েছিলো এবং সন্ধ্যার পর তার আলামত শুরু হওয়ায় ভীতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি অস্বাভাবিক ছিলোনা। কিন্তু বরিশাল জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ক্ষমতাসীন মহল প্রকৃতির এই বৈরীতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব ইতিহাস পর্যালোচনায় ভয়ঙ্করতা থেকে। উদ্বিগ্ন মানুষ রাতের গভীরতায় ক্লান্তিতে যখন ঘুমে আচ্ছন্ন তখন মেট্রোপুলিশ কমিশনার সাহাবুদ্দিন খান ও মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ চিন্তামগ্নে নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব । পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মোঃ অজিউর রহমান ও পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি রাতভর খোঁজখবর নিতে থাকেন, দিতে থাকেন সকল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা।

    এদিক থেকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ ও পুলিশ কমিশনারের ভুমিকা তাদের থেকেও ছাড়িয়ে যায় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে দিনভর ব্যাস্ততা, রাতে উভয়ের চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। অন্তত বিভাগীয় এই শহরে আম্ফানের প্রবেশ করলেও মোকাবিলায় দৃঢ়তার সাথে জনতার পাশে থাকতে মাঠে থাকা স্বেচ্ছাসেবক পুলিশ ও দলীয় কর্মীদের সাথে সার্বক্ষীণক যোগাযোগ রাখেন সেহরীর পূর্বমূহূর্ত পর্যন্ত। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে। যদিও দুজনই সম্ভাব্য ইতিহাসের বড় ঝড়ের ছোবল আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিলেন কিন্তু মানসিকভাবে ছিলেন দৃঢ়চেতা। করোনার দুর্যোগের মাঝে আবার নতুন ঝামেলার উপসর্গ আম্ফান মোকাবিলায় তাদের কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে তারা কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত।

  • গভীর রাতে অপ্রত্যাশিত দৃশ্যের খোজে মেয়র সাদিক

    গভীর রাতে অপ্রত্যাশিত দৃশ্যের খোজে মেয়র সাদিক

    যার যতো সুনাম তার ততো বদনাম, এ যেনো এদেশীয় সমাজব্যাবস্থার একটি ব্যাধি অথবা ধারায় রূপ নিয়েছে। তদ্রুপ দায়িত্বশীলদের নিয়ে সমালোচনাও থাকে বেশী। এই গন্ডি থেকেও বেরুতে পারেননি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ। বরিশাল মহানগর আ.লীগের সাধারন সম্পাদক এই নেতার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের স্বপ্ন দেখায় সিটি কর্পোরেশনকে করেছেন দূর্নীতিমুক্ত। করোনা দূর্যোগে ত্রাণ দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন আলোচনার শীর্ষে। তার চেয়েও বেশী প্রশংসিত হচ্ছেন তার ত্রাণ বিতরন কার্যক্রমের ব্যতিক্রমতায়। এতসব ব্যাস্তততার মাঝে বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশনের অনিয়ম ধরতে অথবা স্বচক্ষে দেখতে এই নেতা গভীর রাতে এই শহরে ঘোরেন, কখনও একা বা কিছু সঙ্গীসমেত।

    তার ঘনিষ্ঠজনদের অভিমত, করোনা দূর্যোগে এই নেতা প্রকাশ্যে না থেকে অনেকটা অন্তরালে থাকায় কিছুটা বিতর্ক হয়েছিলো। স্থানীয় রাজনীতিতে বিষয়টি ইস্যু হিসেবে নিয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনায় মাঠ গরম করে তোলে। কিন্তু সেই সমালোচনা যখন ধোপে টেকেনি, তখন রেশন কার্ড বিতরণ নিয়ে দলীয়করনের অভিযোগ তুলে ফাঁপরে ফেলতে চেয়েছিলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। কিন্তু যখন প্রায় ৯০হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ দিয়ে নিজেকে ভাগ্যবিধাতার দূত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে আভির্ভূত হয়েছেন, তখন নিন্দুকরাও চুপসে গেলেন।

    বিশেষ করে তার অদৃশ্যে থাকা নিয়ে চরম আলোচনায় রহস্য সৃষ্টি হলেও আসলে তিনি অন্তরালে নয়, প্রকাশ্যেই আছেন। দিনে নয়, গভীর রাতে এই নেতাকে প্রায় নগরীতে ঘুরতে দেখা গেছে। মিডিয়া কর্মীরা তার এই অবস্থানগত রহস্য ভেদ করতে না পারলেও এখন নিশ্চিত হয়েছেন এই নেতা প্রকাশ্যেই আছেন, রাতে ঘুরেফিরে স্বচোখে দেখছেন কোথায় নিহিত রয়েছে নগরীর ত্রুটি-বিচ্যুতি।

    সূত্র জানায়, প্রতিদিনই তার উদ্যোগে চলছে ত্রাণ তৎপরতা। রাতের গভীরতা বৃদ্ধির সাথে সিটি কর্পোরেশনের ট্রাকভর্তি ত্রাণ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তালিকা ধরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে। এই ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে যেনো কোনো বিশৃঙ্খলতা না ঘটে তা নিশ্চিত করতে মেয়র সাদিক নিজেই মাঠে নামেন ভিন্ন এক অববয়ে। তার উপস্থিতিতে ত্রাণের চালভর্তি ট্রাক কীভাবে যায় এবং সঠিক তালিকা অনুযায়ী তা বিতরন করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতেই বর্তমানে মেয়র সাদিককে রাতে নগরীতে দেখা যায়। কিন্তু তার বেশভূশ দেখে অনুমান করা সহজতর হয়না, এই সেই যুববয়সী মেয়র।
    অপর একটি সূত্র বলছে, শুধু ত্রাণ বিষয়ক নয়, নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও নিজ চোখে পরখ করতে সড়কের এককোণে নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে প্রত্যক্ষ করেন সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীলতা আর পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কাজের গতি। অনিয়ম দেখলেই তিনি তাৎক্ষণিক কোনো ভ’মিকায় না গিয়ে পরদিন শুরু করেন একশ্যান, যা ড্রামা অর্থাৎ নাটকীয়তায় পরিণত হয় হঠাৎ অবহেলায় অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনে। মেয়রের এই পদক্ষেপে তার অনুসারীরা ভারতীয় একটি চলচিত্রের ফাটাকেস্ট’র সাথে তুলনা করেন।

    এর যুতসই কারনও রয়েছে। দুর্নীতিতে অক্টোপাসের ন্যায় আঁকড়ে ধরে রাখা সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে বাঘা বাঘা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যাবস্থা নিয়ে কাউকে করেছেন ওএসডি আবার কেউ হয়েছেন দপ্তর অদল-বদল। নিশ্চিত হওয়া গেছে, এক্ষেত্রে কোনো সুপরিশ আমলে নেয়নি। দলের মধ্যে কথা চালু রয়েছে যে, নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে এই নগরের মেয়র তারই দলীয় নেতা সম্পর্কে পিতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকেও ছাড় দেন না, রাখেন না কোনো সুপারিশ। ফলস্রুতিতে অন্তত সিটি কর্পোরেশনে মেয়র সাদিক নামটি এখন মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, কখন কার চেয়ার কেড়ে নেন ব্যার্থতায়।

    পাশাপশি সাংগঠনিক বিষয়েও তিনি বেশ কঠোর রয়েছেন। তার অনুসারীদের মন্তব্য, এই নেতাকে এমনটি আগে দেখা যায়নি। মেয়র হিসেবে নগর ভবনের ক্ষমতা নেওয়া ও নগর আ.রীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর সেই সাদিক আব্দুল্লাহ আর এই সাদিক আব্দুল্লাহ এক নয়। উদাহরন হিসেবে বলা যেতে পারে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সুজনকে বহিস্কারে তার কঠোর মনোভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। শুধু সুজন নয় , এমন অনেক নেতাকর্মী রয়েছেন, যাদের অনিয়মের অভিযোগ সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ভাগ্যের সিঁকে ছিড়ে কালীবাড়ি সড়কের তার বাসভবনে দরজায় অঘোষিত সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে আসা যাওয়ায় নিষেধাঞ্জা জারি করা হয়। যেকারনে সাদিক আব্দুল্লাহর চারপাশে থাকা অনেক অনুগত্য রাজনৈতিক সহোচরদের এখন আর দেখা যায়না।

    নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দেয়া তথ্য সমর্থনযোগ্য এমন একটি সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে। মেয়র সাদিক তার অনুসারী এমনকি নগর আ.লীগ নেতাদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন অনিয়ম ও সাংগঠনিক দায়িত্ব অবহেলা বরদাস্ত করা হবেনা। ছাত্রলীগ নেতা সুজনের রাজনৈতিক ছন্দপতনের উদাহরন দেখে নেতারা এখন এতটাই সতর্ক তাদের নেতা মেয়র সাদিকের গতিবিধি নজর রাখতে নিজেদের ভ’ত-ভবিষ্যতের ভাবনায়। ঐ সূত্রটি বলছে এই নেতা যাকে, যেভাবে, যেখানে দায়িত্ব দিয়েছেন তা যথার্থভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা তদারকিতে তার নিজের কিছু বিশ্বস্ত সোর্স তৈরী করেছেণ। আবার কেউ এই তথ্যের বিরোধিতা করে বলতে চাইছেন এই নেতা কাউকেই বিশ্বাস করেননা যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে নিশ্চিত না হন ঘটনার বাস্তবতা।

    এই পদক্ষেপের আলোকেই ত্রাণ তৎপরতা তদারকি আর নগর পরিচ্ছন্নতা দেখতে কখনো মধ্যরাত থেকে শেষরাত পর্যন্ত চুপিসারে নগরীতে ঘোরেন। কখনও নিজের গাড়িতে, আবার কখনও কৌশলগত কারণে মোটরসাইকেল চেপে দুরন্ত গতির এই নেতা একটানে ঘুরে আসেন নগরীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। কিন্তু তিনি রাতে বেশী সোচ্চার, দিনে অদৃশ্যে ঘরবন্দী থাকেন সেই প্রশ্নে এই নেতাকে বর্তমান বরিশাল রাজনীতিতে রহস্যময় পুরুষ হিসেবে ভাব হচ্ছে। এমন অভিমত ব্যাক্ত করে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছে, মেয়র সাদিকের কৌশল অতো সহজ নয়। যেকারনে তিনি অল্প বয়সে হয়েছেন মেয়র, পেয়েছেন নগর আ.লীগের সাধারন সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ পদ। নিন্দুকেরা বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা সমালোচনায় তার গতিরোধ ও ইমেজ নিয়ে টানাটানি করলেও সেই রশি ছিড়ে পড়ছে এই নেতার রাজনৈতিক পরিপক্কতায়। ফলে কোনোভাবেই পেরে উঠছে না, বা বুঝতে সক্ষম হচ্ছেনা কখন কোন গতিবিধিতে নিজ ঘর থেকেই খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি রাতের বরিশালে পিচঢালা পথে পা রাখছেন।

  • আমির হোসেন আমুর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরন ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত

    আমির হোসেন আমুর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরন ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, শিল্পমন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী, আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ঝালকাঠি- নলছিটির জনসাধারনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতির শুরু থেকেই তিনি ঝালকাঠী-নলছিটির জনগনের খোজখবর রাখছেন এবং সর্বস্তরের জনগনের জন্য দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। সরকারের নানাবিধ ত্রান ও সহায়তা কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনিও নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়, কর্মহীন মানুষের মাঝে প্রকাশ্যে ও গোপনে ব্যাপকভাবে খাদ্য এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান প্রধান করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ঝালকাঠী-নলছিটির অসংখ্য পরিবারের মাঝে তার নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নলছিটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে পুনরায় খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। খাদ্যসামগ্রীতে রয়েছে চাল, ডাল, আলু, চিড়া,ছোলা,মুড়ি, তেল, লবণ ও মুশুরি ডাল। বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠী জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান,সাবেক উপজেলা আওয়ামীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ ওয়াহেদ কবির খান, নলছিটি পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. এসকেন্দার আলী খান, সাধারন সম্পাদক বাবু জোনার্ধন দাস, নলছিটি উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি মোঃ ফিরোজ আলম খান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আমির হোসেন আমুর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরন ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকায় জনসাধানের মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি বিরাজ করছে।

  • ঢাকা ও বরিশাল দুই নগরপিতার সততার চমক

    ঢাকা ও বরিশাল দুই নগরপিতার সততার চমক

      জনসেবা. উন্নয়ন ও দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সততার অগ্র পথিক হিসাবে চমক দেখিয়েছেন বরিশালে জনন্দিত সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও ঢাকা দক্ষিন সিটি মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস।

    বরিশালে মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের পরে বিসিসির সকল অনিয়ম দুর্নীতি মুক্ত করতে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের ওএসডি করা সহ সকল ঘুষ বানিজ্য ও অনিয়ম দুর করেন মেয়র সাদিক । গোটা নগরবাসী তার সুফল ভোগ করতেছে। পাশা পাশি উন্নয়ন কাজ তরান্বিত করা ও জনদুর্ভোগ কমানো এবং সর্বোচ্চ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে চলেছেন তিনি । এখন আর দপ্তরে ঘুষের জন্য ফাইল আটকে থাকেনা। নগরবাসী বিসিসিতে গেলে সেখানকার কর্মকর্তা কর্মচারীরা মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলে। আগে নগরবাসীকে মক্কেল মনে করতো আর এখন বিসিসির কেউকে খুশি করতে চাইলে এক বাক্যে বিসিসির স্টাফরা বলেন কিছু লাগবে না. আগে চাকরিটা বাচাঁন।

    অর্থাৎ চাকরি হারানোর ভয়ে কেউ অনিয়ম করার সাহস পাচ্ছে না। নগরীতে এখন আর প্রভাবসালীদের অনিয়মের দাপট চলেনা। তবে কিছু বড় মেয়ারা বেজার হলেও বরিশালের শতকারা ৯০ ভাগ মানুষ মেয়র সাদিক আবদুল্লার এমন পদক্ষেপকে সমর্থন করে প্রসংসা করছেন ।

    এছারাও সপ্তাহে দু দিন নাগরিকরা তাদের সুখ দুখের কথা মেয়রের নিকট বলতে পারেন।। এতে নতুন দৃস্টান্ত স্থাপন করেছেন মেয়র সাদিক। সড়ক সংস্কারে এখন কোন ঠিকাদার অনিয়ম করার সাহস পায় না। বর্তমানে মহামারি করোনা মোকাবেলায় নগরীতে এপর্যন্ত প্রায় ৬৮ হাজার কর্মহীন পরিবারের ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়ে প্রধামন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন।।

    অপর দিকে মেয়র সাদিক আবদুল্লার মত সততা নিয়েই কাজ শুরু করেছেন তার ফুফাতো ভাই ঢাকা দক্ষিন সিটির নব নির্বাচিত মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস। সপথ নিয়েই মেয়র তাপস প্রথমে দুই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করেছেন । আশা করি সেখানেও থাকবেনা কোন অনিয়ম। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও মেয়র তাপসের মত সব জনপ্রতিনিধিরা সততা নিয়ে কাজ করলে বাংলাদেশে গুটি কয়েক দুর্নীতিবাজরা অনিয়ম করার সাহস পেতোনা। সরকার ও দলের দুর্নাম হতোনা।

  • দায়িত্ব নেওয়ার পরদিন দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলেন মেয়র তাপস

    দায়িত্ব নেওয়ার পরদিন দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলেন মেয়র তাপস

    গতকাল শনিবার (১৬ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএসসিসির মেয়রের দায়িত্ব নেন শেখ ফজলে নূর তাপস। ওই সময় তিনি বলেন, ডিএসসিসিকে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করা হবে আমার অন্যতম একটি লক্ষ্য। আর এর পরদিনই করপোরেশনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলেন তিনি।

    রোববার (১৭ মে) ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক সন্ধ্যায় সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, নতুন মেয়র দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের দু’জনকে লিখিতভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের সম্পর্কে আর কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয় এ মুহূর্তে।

    চাকরিচ্যুত শীর্ষ দুই কর্মকর্তা হলেন ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার। এ দু’জনের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য, দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ তদন্তাধীন ছিল।

    এক প্রশ্নে জবাবে ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাকি যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে ডিএসসিসির নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আকরামুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী করপোরেশন যদি মনে করে কাউকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া দরকার, সেক্ষেত্রে তিন মাসের বেতন দিয়ে তাকে বিদায় করে দিতে পারে। এ নিয়মেই দুই কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে।

  • একজন শেখ হাসিনার গল্প

    একজন শেখ হাসিনার গল্প

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    আজ ১৭ মে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এদিন দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের কাছে ফিরে আসেন। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।

    ভারতে নির্বাসিত জীবনের কথা বলতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতেই শেখ হাসিনা বলেন, “ভাবলাম দেশের কাছে যাই। কখনও শুনি, মা বেঁচে আছে। কখনও শুনি, রাসেল বেঁচে আছে। একেক সময় একেক খবর পেতাম। ওই আশা নিয়ে চলে আসলাম। কেউ বেঁচে থাকলে ঠিক পাব।
    “২৪ অগাস্ট দিল্লি পৌঁছলাম। মিসেস গান্ধী (ইন্দিরা গান্ধী) আমাদের ডাকলেন। ওনার কাছ থেকে শুনলাম, কেউ বেঁচে নেই। হুমায়ুন রশীদ সাহেব আগে বলেছিলেন। কিন্তু, আমি রেহানাকে বলতে পারি নাই। কারণ, ওর মনে একটা আশা ছিল, কেউ না কেউ বেঁচে থাকবে।”
    “দিল্লিতে মিসেস গান্ধী থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। ওয়াজেদ সাহেবকে (এম ওয়াজেদ মিয়া) এটমিক এনার্জিতে কাজের ব্যবস্থা করে দিলেন।”
    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে শেখ হাসিনা বলেন, “এটা কী কষ্টের .. যন্ত্রণার কাউকে বুঝিয়ে বলতে পারব না।”
    অর্থের কারণে ১৯৭৭ সালে বোন শেখ রেহানার বিয়েতে লন্ডনে যেতে না পারার বেদনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে যাব, অত টাকা ছিল না। আর, কোথায় থাকব?”
    ১৯৮০ সালে লন্ডনে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইন্দিরা গান্ধীর ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
    “ওর (শেখ রেহানা) যখন বাচ্চা হবে, আমি মিসেস গান্ধীকে গিয়ে বললাম, আমি যেতে চাই রেহানার কাছে। উনি ব্যবস্থা করে দিলেন। টিকেটের ব্যবস্থা করে দিলেন। থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।”
    “৮০ এর শেষে দিল্লিতে ফিরে আসি। টাকাও ছিল না। আর, কার কাছে হাত পাতা.. ভালো লাগত না।”
    ১৯৮০ সালে বিদেশে থাকার সময়ই আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত করা হয় রাজনীতির বাইরে থাকা শেখ হাসিনাকে।
    তিনি বলেন, “এত বড় সংগঠন করার অভিজ্ঞতাও আমার ছিলে না। আমার চলার পথ অত সহজ ছিল না।”
    দল এবং দলের বাইরে নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে শেখ হাসিনা বলেন, “খুনিরা বহাল তবিয়তে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত। স্বাধীনতার বিরোধীরা তখন বহাল তবিয়তে। তারাই ক্ষমতার মালিক। যে পরিবারকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো, সে পরিবারের একজন এসে রাজনীতি করবে।
    “সেটা এত সহজ ছিল না, প্রতি পদে পদে প্রতিবন্ধকতা ছিল।”
    বক্তব্যের এই পর্যায়ে উপস্থিত নেতাদের আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব খুঁজতে বলেন শেখ হাসিনা; তবে সবাই সমস্বরে ‘না না’ বলে ওঠেন।
    শেখ হাসিনা বলেন, “নতুন নেতৃত্ব খোঁজা দরকার। জীবন-মৃত্যু আমি পরোয়া করি না। মৃত্যুকে আমি সামনে থেকে দেখেছি। আমি ভয় পাইনি।
    “আমি বিশ্বাস করি, আমার আব্বা আমাকে ছায়ার মতো আমাকে দেখে রাখেন.. আর, উপরে আল্লাহর ছায়া আমি পাই।”
    “মেয়ের হাত ধরে দুটা সুটকেস নিয়ে চলে আসি। আমি মনে করি, আমাকে যেতে হবে, কিছু করতে হবে,” ৩৯ বছর আগের এই দিনটিতে দেশে ফেরার কারণ ব্যাখ্যা করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

     

  • এমপি থেকে নগরপিতা

    এমপি থেকে নগরপিতা

    নির্বাচিত হওয়ার প্রায় সাড়ে ৩ মাস পর মেয়রের চেয়ারে বসলেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্যের চেয়ার থেকে এবার নগরপিতার চেয়ারে বসলেন শেখ পরিবারের সদস্য। ঠিক একেবারে সংসদ ভবন থেকে নগরভবনে চলে গেলেন ব্যারিস্টার তাপস।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসি) নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর সংসদ সদস্য পদ ছাড়েন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এরপর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এমপি থেকে নগরপিতা হয়ে যান এই আইন প্রণেতা।

    এর আগে সংসদ সদস্য হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সংসদীয় এলাকার জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। এবার আরও বৃহৎ পরিসরে ডিএসসি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন এই আইনজীবী। করোনা সংকটের কারণে অনাড়ম্বর কোনো অনুষ্ঠান ছাড়াই দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছেন তাপস।

    শনিবার (১৬ মে) বিকেল ৩টায় তার হাতে দায়িত্ব তুলে দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বিকেলে জুমের সাহায্যে অনলাইনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন নয়া মেয়র। এরপর ১৭ মে প্রথম অফিস করার মধ্য দিয়ে তার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। ওই দিন নতুন মেয়রকে ডিএসসিসি’র সকল দায়-দেনা, স্থায়ী, অস্থায়ী সম্পত্তি,বিভিন্ন ব্যাংকের স্থিতি, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মকাণ্ড, রাজস্ব আদায়, বর্জ্য স্বাস্থ্য সেবা তথ্যাদিসহ করপোরেশনের বিভিন্ন শাখার হালনাগাদ তথ্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন জমা দেবে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এবং নতুন মেয়রকে সেটা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দেখানো হবে।

    এছাড়া ডিএসসিসি’র স্বত্বাধিকারী সকল ব্যাংক হিসাবের বিবরণী ১৬ মে পর্যন্ত গত ছয় মাসের ব্যাংক লেনদেনের বিবরণী ক্যাশ-ইন-হ্যান্ড এবং ক্যাশ-ইন-ব্যাংক তুলে ধরবেন প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা বিজয় লাভ করেন। এরপর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে শপথ নেন নব নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও মো. আতিকুল ইসলাম। একই দিন শপথ নেন দুই সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলররা।

    স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ অনুযায়ী, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বোর্ড সভা থেকে তার মেয়াদকাল শুরু হবে। অর্থাৎ নতুন মেয়র যেদিন কাউন্সিলরদের নিয়ে প্রথম সভা করবেন সেদিন থেকেই শুরু হবে তার ৫ বছরের মেয়াদকাল।

  • আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

    আজ ১৭ মে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এদিন দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের কাছে ফিরে আসেন। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। এসময় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে তারা রেহাই পান।

    পরবর্তী সময়ে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপরেই তিনি ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।

    শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের হৃদয় ছোঁয়া ভালবাসার জবাবে এদিন তিনি বলেন, ‘বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি দেশে এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসাবে, মেয়ে হিসাবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।’

    স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশব্যাপী প্রতিবছর বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করলেও এবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন কর্মসূচি পালিত হচ্ছেনা।

    আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনটিকে দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে এদেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ ভূলুণ্ঠিত করা হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে রাজনীতিবিদ হিসাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আবারো দেশে স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর যারা ছিল অবহেলিত ও নির্যাতিত, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে ও তাঁর নেতৃত্বের পরশে তারা আবারো জেগে ওঠার সাহস ও প্রেরণা পায়। এদিন শেখ হাসিনার নামে যথার্থই জেগে উঠে বাংলাদেশ।

  • বিসিসি মেয়র এর নির্দেশে  রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে আলোচনা সভা

    বিসিসি মেয়র এর নির্দেশে রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে আলোচনা সভা

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মাননীয় মেয়র ও
    আমানগঞ্জ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন হোলি বেরিং রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের সন্মানিত সভাপতি জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ভাই এর নির্দেশক্রমে আজ সকাল ১১ টার সময় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সাথে ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা ক্ষেত্রে করনীয় বিষয় নিয়ে সার্বিক আলোচনা করেন ।

    Image may contain: one or more people, people sitting, people standing and indoor

    সকলকে মাননীয় মেয়র মহোদয় এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু।