Category: রাজণীতি

  • রেড, গ্রিন ও ইয়োলো জোনে ভাগ হবে দেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    রেড, গ্রিন ও ইয়োলো জোনে ভাগ হবে দেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সংক্রমণ ও মৃতের হার বিবেচনায় পুরো দেশকে রেড, গ্রিন ও ইয়োলো জোনে ভাগ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    সোমবার (১ জুন) করোনাভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ে করণীয় সংক্রান্ত সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আক্রান্ত এলাকাগুলোকে প্রয়োজনে সাময়িক লকডাউন করা হবে। ঢাকা, নারায়াণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছে। যদি কোনো জোন রেড হয় সেগুলো রেড করা হবে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখনও জোন করা হয়নি। যখন করা হবে তখন জানতে পারবেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলা ও উপজেলা এখনও ভালো আছে। আমরা সেটা ভালো রাখতে চাই। সেটা রাখতেই আজ এই সভা করা হলো। গত পরশুদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম নিয়ে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। সে পরামর্শ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা একটা প্ল্যান তৈরি করব। সেটা নিয়ে নীতিগতভাবে এখানে আলোচনা হয়ে গেছে। আমরা এখন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দিয়ে দেব। তখন মেয়র, স্বাস্থ্য, স্বারাষ্ট্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সবাই মিলে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব।

    জোন কীভাবে করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত এটাই। এখন বিশেষজ্ঞরা কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন বা জোনিং করবেন সেটা তারা জানেন।

    এলাকাভিত্তিক লকডাউনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, জোনের মাধ্যমেই সব করা হবে। যেখানে বেশি সংক্রমিত হবে সেখানে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা যেভাবে পরামর্শ দেবেন সেভাবেই আমরা কাজ করব।

    ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জকে রেড জোনে ফেলা হবে কি না-জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ কাজ বিশেষজ্ঞরা করবেন। তবে আমরা মনে করি রেড জোন হওয়া উচিত। কারণ এখানে অনেক সংক্রমিত।

    পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমাদের সংক্রমণের হার প্রতিদিনই বাড়ছে। পাশাপাশি করোনা পরীক্ষার হারও বাড়ছে। আজ সেজন্য কয়েকটা জোন মার্কিং করছি। যেমন, রেড, গ্রিন ও ইয়োলো। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল এ জোনগুলোর মধ্যে রেড জোনকে কীভাবে গ্রিন জোন করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা দেবেন। সেই প্রস্তাবনা আমরা খুব শিগগিরই বাস্তবায়ন করব।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জের মেয়র, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • মোহাম্মদ নাসিমের শরীরে ধরা পড়লো করোনা

    মোহাম্মদ নাসিমের শরীরে ধরা পড়লো করোনা

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ১ জুন, সোমবার রাতে তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

    এর আগে সকালে করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। পরপর করোনা পরীক্ষার জন্য তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এবং তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়।

    হাসপাতালটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আল ইমরান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এদিকে তাকে প্লাজমা থেরাপি দেয়ার বিষয়েও কথাবার্তা চলছে।

  • কভিড-১৯ মোকাবেলায় জনগণের পাশে নেই বিএনপি

    কভিড-১৯ মোকাবেলায় জনগণের পাশে নেই বিএনপি

    করোনাভাইরাসের কারণে এক উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশ। এ সংকটকালে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ত্রাণ ও সহয়তা দিতে যখন ব্যস্ত সরকার দলীয় লোকজন তখনো দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি বিএনপিকে।

    ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে শেখ হাসিনা নেতৃত্বে সবাইকে নিয়ে রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে করোনা প্রতিরোধ করা হবে। এমনকি আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা বিএনপিকে বারবার আহ্বান করেন সম্মিলিতভাবে এই অদৃশ্য শত্রুকে মোকাবিলা করার। দেশের সংকটকালে রাজনীতির ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। কিন্তু অন্য রাজনৈতিক দল আসলেও বিএনপিকে ঐক্য হয়ে সম্মিলিত প্রয়াসে অসহায়, খেটে খাওয়া, কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি।

    অন্যদিকে দেশে করোনাভইরাসের প্রথম থেকে সরকার ও তার দলের নেতাকর্মীরা মাঠে সরব থেকে মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক ভিডিও কনফারেন্সে বলেছেন, করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব মোকাবিলায় ও জনগণকে সহযোগিতা করতে এই সংকটের সময়ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশবাসীর পাশে নেই। এই সংকটে বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশবাসীর পাশে না দাঁড়িয়ে শুধু সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করে চলেছে। এই সংকটময় সময়ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে আসেনি, সহযোগিতা হাত বাড়ায়নি। তাদেরকে বারবার বলা হয়েছে- আসুন সবাই মিলে করোনা নামক অদৃশ্য শত্রুকে মোকাবিলা করি। কিন্তু বিএনপি দেশের এই দুঃসময়েও জনগণের পাশে নেই। তারা সরকারের সমালোচনা করে এই সংকটময় পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপতৎপরতায় লিপ্ত।

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, করোনা এই পরিস্থিতিতে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই সকল রাজনৈতিক দল একযোগে সরকারের সহযোগী হিসেবে একসঙ্গে কাজ করছে। জনগণকে রক্ষা করার জন্য। এমনকি ভারতেও প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেই কাজটি বিএনপি করেনি, করতে পারেনি। কারণ তারা আর্দশের সেই সংস্কৃতিটি লালন করে না। বরং তারা ‘পলিটিক্স অব ডিনায়াল’ আর ‘পলিটিক্স অব কনফ্রনটেশন’-এ বিশ্বাস করে। আমরা (আওয়ামী লীগ) আশা করেছিলাম মানুষের এই দুর্যোগের সময় বিএনপি তাদের চিরাচরিত ‘না বলার রাজনীতি আর সাংঘর্ষিক রাজনীতি’ থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, তারা বেরিয়ে আসতে পারে নাই।

  • মেয়রসহ পরিবারের পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত

    মেয়রসহ পরিবারের পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত

    কক্সবাজার পৌরসভার দুই কাউন্সিলরের পর এবার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের করোনা পজিটিভ এসেছে। সেই সঙ্গে করোনা পজিটিভ এসেছে তার পরিবারের অপর চার সদস্যের।
    শনিবার (৩০মে) সন্ধ্যায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে মেয়র মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যের করোনা ‘পজিটিভ’ এসেছে।
    জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, মেয়র মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নমুনা গত ২৯ মে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পাঠানো হয়।
    মেয়রের পরিবার সূত্র জানায়, কোনো ধরনের লক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও চিন্তামুক্ত হতে নমুনা দিয়েছেন তারা। এতে করোনা পজিটিভ এসেছে তাদের।
    এদিকে, করোনার ভয়কে জয় করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যাশায় নিজেসহ পরিবারের সবার সুস্থতায় দোয়া চেয়েছেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান।
    মেয়র বলেন, জনসেবায় জনতার মাঝে থাকতে গিয়ে হয়তো করোনায় আক্রান্ত হয়েছি। আমার থেকে সংক্রমিত হয়েছে পরিবারের সদস্যরা। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
    এর আগে ২৮ মে কক্সবাজার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজান ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সালাহউদ্দিন সেতুর করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। এরপরই করোনা নিয়ন্ত্রণে তারা কক্সবাজারে কারফিউ জারির অনুরোধ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
    কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া বলেন, কলেজের ল্যাবে শনিবার (৩০ মে) ১৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৯ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার ২১ জন ও চকরিয়ার একজন। চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার একজন, বান্দরবান সদরের একজন, রুমা উপজেলার একজন ও থানচি উপজেলার একজন। বাকি তিনজন চকরিয়া উপজেলার পূর্বের করোনা পজিটিভ।

    কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে কক্সবাজারে ২৭ রোহিঙ্গাসহ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪০ জন। মারা গেছেন ১৪ জন। মৃতদের মাঝে সদর উপজেলার নয়জন, চকরিয়ার চারজন এবং রামুর একজন রয়েছেন।

    কক্সবাজার সদরে ২৫১ জন আক্রান্তের মাঝে সুস্থ হয়েছেন ২২ জন। রামুতে আক্রান্ত ২৪ জনের সুস্থ হয়েছেন দুইজন। চকরিয়ায় আক্রান্ত ১৫৭ জনের সুস্থ হয়েছেন ৭০ জন। পেকুয়ায় আক্রান্ত ৩৮ জনের সুস্থ হয়েছেন ২১ জন। মহেশখালীতে আক্রান্ত ৩১ জনের মধ্যে ১২ জন সুস্থ। টেকনাফে আক্রান্ত ২১ জনের সুস্থ হয়েছেন আটজন। উখিয়ায় আক্রান্ত ৮৯ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন সাতজন। কুতুবদিয়ায় আক্রান্ত দুইজন চিকিৎসাধীন।

  • করোনায় মৃত বিএনপি নেতার লাশ দাফন করলো ছাত্রলীগ

    করোনায় মৃত বিএনপি নেতার লাশ দাফন করলো ছাত্রলীগ

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লায় মৃত বিএনপি নেতার লাশ দাফন করেছে উত্তর জেলা ছাত্রলীগ। শুক্রবার (২৯ মে) দেবিদ্বার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম ভুঁইয়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন সম্পন্ন করে ছাত্রলীগের ‘ওরা ৪১ জন’ টিম। শুক্রবার গভীর রাতে হোসেনপুর পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয় তাকে।

    জানা যায়, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম ভুঁইয়া ছাত্রজীবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। বিএনপির সমর্থনে জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যানও ছিলেন। কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক এবং দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ছিলেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি কেন্দ্রীয় মহাসচিব এবং স্থানীয় বিএনপি নেতারা শোকও প্রকাশ করেছেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আবু কাউছার অনিকের নেতৃত্বে ‘ওরা ৪১ জন’ ইতিমধ্যে করোনায় মৃত বিভিন্ন দল-মতের পাঁচজনের লাশ দাফন করেছে। আব্দুস সালাম ভুইয়ার লাশ দাফনে সহযোগিতা করেন জেলা ছাত্রলীগের সদস্য সাদ্দাম হোসেন, ক্বারী সাইফুল ইসলাম, আবু হানিফ সরকার, হাফেজ তোফায়েল আহমেদ, ক্বারী কামাল উদ্দিন, মাওলানা খালিদ ও হাফেজ নাজিম উদ্দিন সরকার।

    কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আবু কাউছার অনিক জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিব হাসানের ফোন পেয়ে আমাদের ‘ওরা ৪১ জন’ টিম মৃত বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম ভুইয়ার লাশ ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী দাফন করেছি। দল-মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে করোনায় মৃত ব্যক্তিকে আমরা সম্মানের সাথে বিদায় জানানোর চেষ্টা করছি।

  • গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ব্যবস্থা: কাদের

    গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ব্যবস্থা: কাদের

    করোনা সংক্রমণের মধ‌্যে চালু হওয়া গণপরিবহনে স্বাস্থ‌্যবিধির শর্তগুলো না মান‌লে তাদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    শনিবার দুপুরে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলছে। সরকারি ছুটির সঙ্গে মিল রেখে বন্ধ থাকা গণপরিবহন খুলতে যাচ্ছে। আগামী সোমবার ১ জুন থেকে সড়ক পরিবহন শুরু হচ্ছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট স্টেক হেল্ডারদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। গণপরিবহনে স্বাস্থ‌্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনে সকলেই সম্মতি দিয়েছে। আমরা সবাই মিলে ভালো থাকতে চাই। সামান‌্য উপেক্ষা ভয়াবহ বিপদ ডেকে আতে পারে। তাই যে সকল শর্ত বিআরটিএ তথা মন্ত্রণালয় দেয়া হয়েছে সেসব শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনে আমি নিজেদের স্বার্থেই যাত্রী সাধারণ, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এ সকল শর্তগুলো প্রতিপালনের মাধ‌্যমে করোনা সংক্রমণ থেকে যানবাহন ও যাত্রীদের সুরক্ষা দিতে হবে। যে সকল পরিবহন সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালনে ব‌্যর্ত হবে তাদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সকল স্টেক হেল্ডারদের নিয়ে টার্মিনাল ভিত্তিক মনিটরিং টিম গঠনের ও কাউন্সিলিংয়ের আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কা‌দের বলেন, সরকারি নজরদারিসহ বিআরটিএ’র মোবাইল টিম কার্যকর থাকবে। আমরা চাই না পরিবহন কিংবা টার্মিনাল করোনা সংক্রমের কেন্দ্রে পরিনত হোক। আমি টার্মিনাল সমূহের কর্তৃপক্ষকে পুরো এলাকাজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান তথা জীবানু মুক্ত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

    গণপরিবহন চলার ক্ষেত্রে শর্তগুলো তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাসসমূহে ৫০ ভাগ যাত্রী পরিবহন করা যাবে। অর্থাৎ অর্ধেক সিট খালি রাখতে হবে। যাত্রী ওঠানামার সময় সামাজিক দুরত্ব শারীরিক দুরত্ব মেনে চলতেই হবে। যাত্রী পরিবহন, শ্রমিক, চালক, চালকের সহকারী, কাউন্টার কর্মী সকলকে মাস্ক পরিধান বাধ‌্যতামূলক করতে হবে। হ‌্যান্ড স‌্যানিটাইজার ব‌্যবহারসহ টার্মিনাল এবং স্টেশনে সাবান ও পানির ব‌্যবস্থা রাখতে হবে হাত ধোয়ার জন‌্য। ট্রিপ শুরু হওয়ার আগে ও পরে জীবানুনাশক স্প্রে করতে হবে। অনুমোদিত নির্দিষ্ঠ স্টেশন ছাড়া যেখানে সেখানে থামানো যাবে না। যাত্রী ওঠা নামা যত্রতত্র করা যাবে না।

    ‌বি‌ভে‌দের রাজনী‌তিকে ক‌রোনার অভিন্ন শত্রু উল্লেখ ক‌রে তি‌নি ব‌লেন, আমাদের মাঝে রাজনৈতিক মত ও পার্থক‌্য আছে এবং থাকবেই, কিন্তু সবার এ কথা মনে রাখতে হবে যে, করোনা আমাদের সকলেরই অভিন্ন শত্রু। এই সময়ে বিভেদের রাজনীতি করোনা সংক্রমণে করোনার পরম বন্ধু হিসেবে কাজ করবে।

  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জনের করোনা শনাক্ত

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জনের করোনা শনাক্ত

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাসায় কর্মরত চারজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তার পরিবারের সবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

    তিনি লেখেন, ‘২০০০ সালে ডেঙ্গু হয়েছিল আমার, রোজার মাসে। তখন ডেঙ্গু মানে অবধারিত মৃত্যু। সেই সাথে হলো পক্স। এমন অবস্থা মনে হলো হাতে আর দুই একদিন সময় আছে! টানা একমাস অসুস্থতার পর সুস্থ হয়ে ওঠার একদিন আগে একজন ডাক্তার বাসায় এসে বললেন ডেঙ্গু হয়নি। কে যানে কি হয়েছিলো! আরেকবার ডেঙ্গু হয়েছিল কয়েক বছর আগে, সম্ভবত ২০১৪ সালে। হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো, রক্ত দিলো। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সুস্থ হলাম। এর মাঝে ছোট, বড়, মাঝারি আরও অসুখ-বিসুখ হয়েছে। প্রতিবার আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ হয়েছি।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘করোনাকালে যতটা সম্ভব সাবধানে থাকার চেষ্টা করেছি। যদিও ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ার প্রথম দিকে মাদ্রিদ আর জেনেভা যেতে হয়েছিলো। বিশ্ব তখনও এর ভয়াবহতা বুঝে ওঠেনি। অনেকদিন থেকেই শুনছি পরিচিত মানুষের পরীক্ষা করাচ্ছেন। কেউ কেউ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, কেউ হাসপাতালে ভর্তি। মৃত্যুবরণ করেছেন একাধিক পরিচিত ব্যক্তি। তাই আমার বাসার সহকারী মিঠু যখন বললো বাবুর্চি মুসা আর চারজন নিরাপত্তাকর্মীর মধ্যে একজনের জ্বর তখন দেরি না করে পরীক্ষা করালাম, নিজেরসহ মোট ৯ জনের। ফলাফল এসেছে মুসা ও সেই নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট ৪ জন পজেটিভ। মানে বাকি দুইজন পজেটিভ হয়েও কোনো লক্ষণ নেই। আমরা বাকিরা নেগেটিভ।’

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘গতকাল রাত থেকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। বাড়িতে রোগী রেখেই চিকিৎসা করাতে হবে এবং নিজেদের সুস্থ রাখতে হবে। কাজটা মোটেই সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আমাদের সবার জন্য দোয়া করার জন্য। অসুস্থরা যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন এবং নতুন কেউ যেন সংক্রমিত না হন।’

    তিনি লেখেন, ‘গত দুইমাস যেভাবে কাজ করেছি অবশ্যই চেষ্টা করবো সেভাবে বাসায় থেকে কাজ করতে। অজস্র মানুষের বিভিন্ন অনুরোধ আসে আমার কাছে প্রতিদিন, এই সময় মলত সেটা প্রবাসীদের কাছ থেকে আর অন্যদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশেদের নাগরিকদের কাছ থেকে। এলাকার দেখভালতো আছেই। এখন আর কথা না বাড়াই। সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। ভালো থাকুন সবাই।’

    (একটা ছোট্ট অনুরোধ, আমার বাসার কাউকে দয়াকরে শুধু খোঁজ নেবার জন্য ফোন দিবেন না। তারা সবাই মানসিকভাবে কিছুটা হলেও কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এবং নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেবার জন্য ব্যস্ত আছেন। আপনার কোনো বার্তা থাকলে তা নিচে লিখে দিতে পারেন অথবা যেকোনো মাধ্যমে সরাসরি আমার কাছে।)

    আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলের প্রতি সদয় হউন।

  • দেশের ক্রান্তিলগ্নে মেয়র সাদিক এর কর্ম তৎপরতা, সারা দেশে প্রশংসিত সাদিক আবদুল্লাহ

    দেশের ক্রান্তিলগ্নে মেয়র সাদিক এর কর্ম তৎপরতা, সারা দেশে প্রশংসিত সাদিক আবদুল্লাহ

    তানজিম হোসাইন রাকিব: করোনার থাবায় সারা পৃথিবী যখন থমকে, খেটে খাওয়া মানুষদের পেটে যখন হাহাকার তখন ঐ মানুষগুলো সম্পুর্ন নির্বরশীল হয়ে পরে তার জনপ্রতিনিধির উপর। ভাসমান মানুষগুলোর একমাত্র সম্বল হয় তার জনপ্রতিনিধিরা। এখন প্রশ্ন আসে জনপ্রতিনিধিরা কতটুকু করে জনগনের জন্য? আমরা যদি বরিশালের কথা ধরি তাহলে দেখা যায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ কতটুকু করেছেন বরিশালের জন্য।

    আসুন জেনে নেই এই ক্লান্তিলগ্নে কি কি করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

     

    মার্চ ২৯, ২০২০ : করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিসিসি মেয়র এর উদ্যোগে নগরীর অলিগলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে

    বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে শুক্রবার থেকে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে জীবাণুনাশক ছিটানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়। মার্চ এর ২৭ ও ২৮ তারিখ ২৮ হাজার লিটার করে এবং মার্চ এর ২৯ তারিখ ৪০ হাজার লিটার নগরীর প্রানকেন্দ্র সদর রোড, গীর্জ্জা মহল্লা, হাসপাতাল রোড, বটতলা, আমতলা, বাংলা বাজার, পলাশপুর কলোনী, ২২ নং, ২৩, ২৪ এর একাংশ, ২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ডে বিসিসির পানি বিভাগের কর্মীরা তাদের পানিবাহী গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনাকে ঘিরে জীবাণুনাশক স্প্রে করে।

    মার্চ ৩০, ২০২০ : বিসিসি মেয়র এর উদ্যোগে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু

    মার্চ এর ৩০ তারিখে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে নগরীর কেডিসি কলোনীর নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। এতে ছিল চাল, ডাল ও আলু।কঠিন সময়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া এ উদ্যোগ সর্বস্তরে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

    এপ্রিল ২, ২০২০: ৬ হাজারের অধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া কাজ সম্পন্ন হয়

    এপ্রিলের ২ তারিখে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ৬ হাজারের অধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়। নগরীর শিশু পার্ক কলোনী (বস্তি), কলাপট্টি, কসাইখানা ও পলাশপুরেরর নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয়া হয়।

    এপ্রিল ৪, ২০২০: শেবাচিমে রোগীর স্বজনদের তিনবেলা খাবার দেওয়া শুরু করে মেয়র সাদিক

    এপ্রিলের ৪ তারিখে শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর স্বজনের তিন বেলা খাবারের দায়িত্ব নিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার হোটেল, রেস্তুরা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়া রোগীর স্বজনদের মুখে খাবার তুলে দেয়ার এই ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করায় মেয়রের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মরত সকলে।

    এপ্রিল ৬, ২০২০: বিসিসির ত্রাণ তহবিলে মেয়র সাদিক দিলেন সম্নানির সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা

    এপ্রিলের ৬ তারিখে বরিশাল নগরীর অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এাণ তহবিল গঠন করা হয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রাণ তহবিল নামে গঠিত ওই ত্রাণ তহবিলে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তার সম্নানিসহ কর্পোরেশন থেকে প্রাপ্য সমূদয় অর্থের পুরোটাই অর্থাৎ ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন। এবং এই তহবিলে বরিশাল নগরীসহ সমাজের বিত্তবান মানুষদের সহায়তা প্রদানের আহবান জানান।

    এপ্রিল ১২, ২০২০: কর্মহীন ১৬ হাজার পরিবারের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া কাজ সম্পন্ন করেন মেয়র সাদিক

    এপ্রিলের ১২ তারিখে  করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বরিশাল নগরীতে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে  প্রায় ১৬ হাজার পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান করা হয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে খাদ্য সহায়তা বিতরনেরর ১৪ তম দিনে নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্ন আয়ের ১৭৬০ পরিবারের মানুষগুলোর ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়।

    এপ্রিল ১৭, ২০২০: করোনা প্রতিরোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা

    এপ্রিলের ১৭ তারিখের একটি চিত্র  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। শুরুতেই বিসিসির স্টাফদের সুরক্ষায় বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থগিত, নগর ভবনসহ নগরীর ১২টি পয়েন্টে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর মেয়রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ৩০ মার্চ থেকে অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়।  প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার লিটার জীবানুনাশক পানি স্প্রে করা হয়।

    এপ্রিল ৩০, ২০২০:  অর্ধলক্ষ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া কাজ সম্পন্ন

    এপ্রিলের ৩০ তারিখে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এপ্রিলের ৩০ তারিখ পর্যন্ত অর্ধ লক্ষ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।

     

    মে ৪, ২০২০: নগরীর ৩০৩ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    মে ৪, ২০২০ এ  বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার দেয়া তালিকা অনুসারে  বরিশাল নগরীতে বসবাসকারী ৩০৩জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    মে ৭, ২০২০: নগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন মেয়র সাদিক

    মে ৭, ২০২০ এ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি রোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের পর নগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।নগরীর ব্যক্তিগত ও সার্বজনীন মিলিয়ে ৩০টি ওয়ার্ডের মোট ৪০টি পুজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে এ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়।

    মে ২১, ২০২০: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় মেয়র সাদিক এর নির্ঘুম রাত

    প্রাণ কেড়ে নিতে সময়ের অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস আতঙ্ক থেকেও অধিকতর চিন্তা-ভাবনা দেখা দিয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ধেয়ে আসছে, এই খবরে বরিশালের চারিদিকে চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় একরাত পার হলো গতকাল বুধবার ২০মে ঘনঘোর আঁধারে এক পরিবেশ। বরিশালের শুধু প্রশাসন নয়, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ক্ষয়ক্ষতি রোধে দিনের শুরু থেকে সর্বাত্মক চেষ্টায় ও কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। বিশেষ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কাটিয়েছেন নির্ঘুম এক রাত।

    বরিশালবাসি গর্বিত এমন একজন জনপ্রতিনিধি পেয়ে।

     

  • দেশের ক্রান্তিলগ্নে মেয়র সাদিক এর কর্ম তৎপরতা, সারা দেশে প্রশংসিত সাদিক আবদুল্লাহ

    দেশের ক্রান্তিলগ্নে মেয়র সাদিক এর কর্ম তৎপরতা, সারা দেশে প্রশংসিত সাদিক আবদুল্লাহ

    তানজিম হোসাইন রাকিব: করোনার থাবায় সারা পৃথিবী যখন থমকে, খেটে খাওয়া মানুষদের পেটে যখন হাহাকার তখন ঐ মানুষগুলো সম্পুর্ন নির্বরশীল হয়ে পরে তার জনপ্রতিনিধির উপর। ভাসমান মানুষগুলোর একমাত্র সম্বল হয় তার জনপ্রতিনিধিরা। এখন প্রশ্ন আসে জনপ্রতিনিধিরা কতটুকু করে জনগনের জন্য? আমরা যদি বরিশালের কথা ধরি তাহলে দেখা যায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ কতটুকু করেছেন বরিশালের জন্য।

    আসুন জেনে নেই এই ক্লান্তিলগ্নে কি কি করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

     

    মার্চ ২৯, ২০২০ : করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিসিসি মেয়র এর উদ্যোগে নগরীর অলিগলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে

    বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে শুক্রবার থেকে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে জীবাণুনাশক ছিটানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়। মার্চ এর ২৭ ও ২৮ তারিখ ২৮ হাজার লিটার করে এবং মার্চ এর ২৯ তারিখ ৪০ হাজার লিটার নগরীর প্রানকেন্দ্র সদর রোড, গীর্জ্জা মহল্লা, হাসপাতাল রোড, বটতলা, আমতলা, বাংলা বাজার, পলাশপুর কলোনী, ২২ নং, ২৩, ২৪ এর একাংশ, ২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ডে বিসিসির পানি বিভাগের কর্মীরা তাদের পানিবাহী গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনাকে ঘিরে জীবাণুনাশক স্প্রে করে।

    মার্চ ৩০, ২০২০ : বিসিসি মেয়র এর উদ্যোগে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু

    মার্চ এর ৩০ তারিখে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে নগরীর কেডিসি কলোনীর নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। এতে ছিল চাল, ডাল ও আলু।কঠিন সময়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া এ উদ্যোগ সর্বস্তরে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

    এপ্রিল ২, ২০২০: ৬ হাজারের অধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া কাজ সম্পন্ন হয়

    এপ্রিলের ২ তারিখে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ৬ হাজারের অধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়। নগরীর শিশু পার্ক কলোনী (বস্তি), কলাপট্টি, কসাইখানা ও পলাশপুরেরর নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয়া হয়।

    এপ্রিল ৪, ২০২০: শেবাচিমে রোগীর স্বজনদের তিনবেলা খাবার দেওয়া শুরু করে মেয়র সাদিক

    এপ্রিলের ৪ তারিখে শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর স্বজনের তিন বেলা খাবারের দায়িত্ব নিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার হোটেল, রেস্তুরা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়া রোগীর স্বজনদের মুখে খাবার তুলে দেয়ার এই ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করায় মেয়রের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মরত সকলে।

    এপ্রিল ৬, ২০২০: বিসিসির ত্রাণ তহবিলে মেয়র সাদিক দিলেন সম্নানির সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা

    এপ্রিলের ৬ তারিখে বরিশাল নগরীর অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এাণ তহবিল গঠন করা হয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রাণ তহবিল নামে গঠিত ওই ত্রাণ তহবিলে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তার সম্নানিসহ কর্পোরেশন থেকে প্রাপ্য সমূদয় অর্থের পুরোটাই অর্থাৎ ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন। এবং এই তহবিলে বরিশাল নগরীসহ সমাজের বিত্তবান মানুষদের সহায়তা প্রদানের আহবান জানান।

    এপ্রিল ১২, ২০২০: কর্মহীন ১৬ হাজার পরিবারের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া কাজ সম্পন্ন করেন মেয়র সাদিক

    এপ্রিলের ১২ তারিখে  করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বরিশাল নগরীতে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে  প্রায় ১৬ হাজার পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান করা হয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে খাদ্য সহায়তা বিতরনেরর ১৪ তম দিনে নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্ন আয়ের ১৭৬০ পরিবারের মানুষগুলোর ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়।

    এপ্রিল ১৭, ২০২০: করোনা প্রতিরোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা

    এপ্রিলের ১৭ তারিখের একটি চিত্র  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। শুরুতেই বিসিসির স্টাফদের সুরক্ষায় বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থগিত, নগর ভবনসহ নগরীর ১২টি পয়েন্টে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর মেয়রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ৩০ মার্চ থেকে অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়।  প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার লিটার জীবানুনাশক পানি স্প্রে করা হয়।

    এপ্রিল ৩০, ২০২০:  অর্ধলক্ষ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া কাজ সম্পন্ন

    এপ্রিলের ৩০ তারিখে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এপ্রিলের ৩০ তারিখ পর্যন্ত অর্ধ লক্ষ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।

     

    মে ৪, ২০২০: নগরীর ৩০৩ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    মে ৪, ২০২০ এ  বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার দেয়া তালিকা অনুসারে  বরিশাল নগরীতে বসবাসকারী ৩০৩জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    মে ৭, ২০২০: নগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন মেয়র সাদিক

    মে ৭, ২০২০ এ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি রোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের পর নগরীর ৪০টি পুজা মন্ডপে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।নগরীর ব্যক্তিগত ও সার্বজনীন মিলিয়ে ৩০টি ওয়ার্ডের মোট ৪০টি পুজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে এ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়।

    মে ২১, ২০২০: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় মেয়র সাদিক এর নির্ঘুম রাত

    প্রাণ কেড়ে নিতে সময়ের অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস আতঙ্ক থেকেও অধিকতর চিন্তা-ভাবনা দেখা দিয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ধেয়ে আসছে, এই খবরে বরিশালের চারিদিকে চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় একরাত পার হলো গতকাল বুধবার ২০মে ঘনঘোর আঁধারে এক পরিবেশ। বরিশালের শুধু প্রশাসন নয়, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ক্ষয়ক্ষতি রোধে দিনের শুরু থেকে সর্বাত্মক চেষ্টায় ও কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। বিশেষ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কাটিয়েছেন নির্ঘুম এক রাত।

    বরিশালবাসি গর্বিত এমন একজন জনপ্রতিনিধি পেয়ে।

     

  • মেয়ের কান্না দেখে অঝোরে কাঁদলেন গাজীপুর মেয়র

    মেয়ের কান্না দেখে অঝোরে কাঁদলেন গাজীপুর মেয়র

    সাত বছরের ছোট্ট জারা। দিন শেষে বাবা ফিরবে। তারপর বাবার সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে উঠবে। বাবার সঙ্গে নানা খেলায় মেতে ওঠা। বাবার গলা জড়িয়ে ঘুমিয়ে থাকা। এগুলোই ছিল হাসিখুশি জারার প্রাত্যহিক রুটিন। বাবার সঙ্গে মেয়ের এই হৃদ্যতা অনেকদিন নেই। কারণ, বাবা তাকে ছেড়ে মানুষ বাঁচানোর যুদ্ধে। দীর্ঘ দুই মাস পর বাবা কাছে এসেছিল। কিন্তু কাছে থেকেও যেন অনেক দূরে। গাড়ি থেকে নামতে পারলেন না। বাবা-মেয়ের মাঝখানে যেন এপার-ওপার তারকাঁটা। গলায় জড়িয়ে ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না। কারণ, বাবা যে যুদ্ধে আছেন, সেখান থেকে একেবারে বিজয়ী না হওয়া পর্যন্ত কেউ কাউকে ধরা যায় না।

    জারার বাবা অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পর গাজীপুর হয়ে ওঠে করোনাভাইরাসের হটস্পট। নাগরিকদের রক্ষায় জারাসহ পরিবার-পরিজন দূরে রেখে জাহাঙ্গীর নেমে পড়েন মানুষ বাঁচানোর যুদ্ধে। করোনাভাইরাস ঠেকানোর লড়াইয়ে গিয়ে আদুরে মেয়েটির মায়াও ছাড়তে হয় তাকে।

    অপরদিকে, ছোট্ট জারা কী আর এতসব বোঝে! সে শুধু বোঝে, তার বাবা দ্রুতই ফিরবে। আবার তাকে বুকে জড়িয়ে নেবে। গালে চুমু খাবে। খেলা আর খুনসুটিতে মেতে উঠবে বাবা-মেয়ের আদুরে প্রাঙ্গণ।

    আজ যখন মেয়ের খুব কাছাকাছি গেলেন নিজেকে খুব শক্তভাবে সামলানোর চেষ্টা করেন জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু শেষপর্যন্ত পারলেন না চোখের জল আটকে রাখতে। দূর থেকে বাবা-মেয়ের দেখাদেখি তৈরি করে এক আবেগঘন পরিবেশ। তারপর জাহাঙ্গীর আবার চলে আসেন মেয়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে।

    গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানোর ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে গাজীপুর দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে। প্রথমদিকে ভয়াবহ সংক্রমণের পথে এগোলেও বর্তমানে এর বিস্তার অনেকখানি কমেছে। এর পেছনে মেয়র জাহাঙ্গীরের ভূমিকার বিষয়টি বারবার উঠে আসছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, মেয়র শুরু থেকে তৎপর না হলে গাজীপুরে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হতো। বিশেষ করে তিনি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরুর দিকেই নিজস্ব তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ সুরক্ষা সামগ্রী আমদানি করে তা বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে বিতরণ করেন। এ ছাড়া চিকিৎসার সামগ্রিক বিষয়াদি তদারকি করেন তিনি।

    খুবই ছোঁয়াছে রোগ হওয়ায় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে গেলে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরে যাওয়াই স্বাভাবিক। নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে মেয়র জাহাঙ্গীরও দীর্ঘ দুই মাস ধরে বাইরে অবস্থান করছেন। ফলে তিনি বঞ্চিত রয়েছেন আদুরে কন্যার ভালোবাসা থেকেও। মেয়েও সমানভাবে বাবার স্নেহবঞ্চিত।