করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নানামূখী কর্মতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৪ হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মীদের দ্বারা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ৬ শতাধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। চাহিদা মেটাতে বিশেষ ওএমএস কার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া করোনা প্রতিরোধে নেয়া বিভিন্ন কর্ম তৎপরতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহন করা হচ্ছে। আর সকল কার্যক্রমই সরাসরি তত্ত্বাবধান করছেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গত ৩০মার্চ থেকে নগরীর কর্মহীন মানুষদের বাসায় বাসায় গিয়ে খাদ্য সামগ্রী ( চাল, মসুর ডাল, আলু ও দুটি সাবান) পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। প্রথম দফায় মোট ৫৭ হাজার ১৭১ পরিবারের বাসায় গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে পুনরায় এ সহায়তা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। ঈদের দুইদিন বন্ধ থাকার পর তা আবার শুরু করা হয়েছে। এবং এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৪০৩ টি পরিবারের কাছে এ সহায়তাসহ এখন পর্যন্ত মোট ৮৩ হাজার ৫৮৪ পরিবারের কাছে এ সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এবং মেয়রের ঘোষনা অনুযায়ী পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। এদিকে করোনার নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি মেয়রের নির্দেশে বিসিসির স্বাস্থ্য শাখা থেকেও একটি টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। ওই টিম এখন পর্যন্ত বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের ৬ শতাধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করেছে। এছাড়া ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে মশক নিধন কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। অপরদিকে পানি সরবরাহ বিভাগে নগরজুড়ে জীবনানুনাশক স্প্রে ছিটানোর পরিধী আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিসিসি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। শুরুতেই বিসিসির স্টাফদের সুরক্ষায় বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থগিত, নগর ভবনসহ নগরীর ১২টি পয়েন্টে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর মেয়রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ৩০ মার্চ থেকে অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়। এর আওতায় ৩০ মে পর্যন্ত ৮৩ হাজার ৫৭৪ পরিবারকে ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। বসতবাড়ী ছাড়াও নগরীর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সমূহের অসহায়দের মাঝেও খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নগরীতে সরকারের দেয়া বিশেষ ওএমএস কার্ডের চাহিদা বেশী থাকায় মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ এব্যাপারে উদ্যোগী হয়ে কার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করিয়েছেন। এদিকে বিসিসির পানি সরবরাহ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে , মেয়রের নির্দেশে করোনা রোধে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গড়ে বর্তমানে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার জীবানুনাশক পানি স্প্রে করা হচ্ছে। পানি সরবরাহ শাখায় ৯ হাজার ধারন ক্ষমতার নতুন একটি ভাউজার যুক্ত হওয়ায় জীবনুনাশক স্প্রে ছিটানো কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, বাজার ও জনসমাগম হয় এমন এলাকায় স্প্রে ছিটানো হচ্ছে। এর মধ্যে ছোট দুটি গাড়ীর সাহায্যে নগরীর বর্ধিত এলাকায় এবং বড় গাড়ীর সাহায্যে গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানো হচ্ছে। অপরদিকে বিসিসির পরিচ্ছন্নতা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, করোনা রোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। কয়েকশত কর্মী দিনরাত নগরী পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া মশক নিধন কার্যক্রমও চলছে জোরেশোরে। ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে মেয়রের নির্দেশে প্রতিদিন সকালে নগরীর ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডে ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে স্প্রে করা হচ্ছে। এবং বিকেলে ফগার মেশিনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন সড়ক ও ড্রেনে স্প্রে করা হচ্ছে। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ ও জনগনের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে নগরীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এদিকে অসহায় মানুষদের সহায়তায় গঠন করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রান তহবিল। গত ৬ এপ্রিল এ তহবিল চালু করেই মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর দায়িত্বকালিন সময়ের প্রাপ্য সম্মানির ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন।
Category: রাজণীতি
-

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন হাসপাতালে
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনকে। তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন।দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানান, জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় কয়েক দিন আগে সাহারা খাতুন রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে তিনি কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত নন বলে জানান বিপ্লব বড়ুয়া।তিনি বলেন, বর্তমানে সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তাকে আরও কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। দলের ত্যাগী প্রবীণ এ নেতার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।সাহারা খাতুন দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পরে মন্ত্রিপরিষদে রদবদল হলে তাকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। -

বাড়ছে না ছুটি, কাল এলাকাভিত্তিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী
চলমান করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত রোগী ও মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ছুটি না বাড়িয়ে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তিনটি জোনে ভাগ করে এলাকাভিত্তিক ম্যাপ প্রস্তুত হয়েছে। কাল এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
জানা গেছে, সংক্রমণের এলাকা ভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে তার সঙ্গে কিছু সুপারিশ ও প্রস্তাব তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আজকের মধ্যে সেই তালিকা ও প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে মন্ত্রণালয়। কাল সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী। কাল প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের পরই কিছু এলাকায় লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেড জোন পুরোপুরি কঠোর লকডাউনের আওতায় থাকবে। এ জোনের মধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, চট্টগ্রামসহ যেসব জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি সেখানে এলাকাভিত্তিক লকডাউন করা হবে। আর ইয়োলো ও গ্রিন জোনে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে তালিকাভুক্ত করা হবে। মূলত সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিদিন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর চিহ্নিত করে করোনা মানচিত্র আপডেট করা হবে। আক্রান্তের ঘনত্ব অনুযায়ী এই মানচিত্র হবে তিন ধরনের- রেড, ইয়েলো ও গ্রিন।
এ বিষয়ে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, তিন জোনে বিভক্ত করে লকডাউনের বিষয়ে একটি তালিকা করে তার সঙ্গে কিছু প্রস্তাবনা দিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজকেই পাঠিয়ে দেব। প্রধানমন্ত্রী কাল সার্বিক বিষয়টি দেখে সংযোজন বা বিয়োজন করে সিদ্ধান্ত দেবেন। পুরো বিষয়টিই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেগুলোকে রেড জোনে রাখা হবে।
প্রাথমিকভাবে কোন এলাকাগুলোকে রেডজোনে রাখা হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, চট্টগ্রামমের যেসব এলাকাগুলোতে সংক্রমণ বেশি সেগুলো রেড জোনে থাকবে। এছাড়াও অন্যান্য যেসব জেলায় সংক্রমণ বেশি সেগুলোও রেড জোনে রাখা হবে।
সূত্র বলছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যে রেড মানচিত্রের এলাকাগুলোতে লকডাউন কার্যকর করা হবে। আর এসব এলাকায় আরোপ করা হবে সর্বোচ্চ কড়াকড়ি। রেড মানচিত্রের এলাকা থেকে কাউকে অবাধে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে বাকি দুই জোনে চলাচলে কড়াকড়ি থাকবে না। সেখানে সতর্কতা রাখতে নেয়া হবে বিশেষ ব্যবস্থা।
-

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন।
শনিবার সকালে নাসিমের ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয় এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘উনার অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে আছেন তিনি।
‘অস্ত্রোপচারের পর উনি ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এরপর চিকিৎসকরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন’ যোগ করেন তিনি।
দেশবাসীর কাছে মোহাম্মদ নাসিমের জন্য দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।
করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ভোররাতে ব্রেইন স্ট্রোক করলে জরুরি-ভিত্তিতে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।
ব্রেইন স্ট্রোক করায় তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।
রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে ১ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।
মোহাম্মদ নাসিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্রও তিনি। ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম।
-

করোনা মোকাবেলায় প্রথম সারির যোদ্ধাদের নিয়ে মেয়র সাদিক এর আবেগঘন স্টাটাস
তানজিম হোসাইন রাকিব: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রথম সারির যোদ্ধা পুলিশ, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানান বরিশাল সিটি করর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
পুলিশ, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তার ফেসবুক পেইজে একটি স্টাটাস দেন। স্টাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল:-
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রথম সারির যোদ্ধা পুলিশ, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। নিজের জীবনকে বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সারাদেশে বহু পুলিশ সদস্য, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন অনেকে।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল সোহেল মাহমুদসহ সারাদেশে মৃত্যুবরণকারী সকলের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
মৃত্যুকে পরোয়া না করে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার প্রলয় চিসিম, ওসি (তদন্ত) আঃ রহিম মুকুল, ইন্সপেক্টর জাহিদুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর এমাদুল করিম সহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আক্রান্ত সদস্যবৃন্দ এবং দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সকল পুলিশ সদস্য, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ সকলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
সর্বোপরি, চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানবতার মা, জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মহান আল্লাহ্ তায়ালা তাঁকে ও তার পরিবারের সকলকে সুস্থ রাখুন। সেই সাথে প্রার্থনা করছি খুব শীঘ্রই বিশ্ববাসী যেন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তি লাভ করে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
-

করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ৫ নির্দেশনা
জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের পাঁচটি নির্দেশনা প্রতিপালনের আহ্বান জানিয়েছেন।তার এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবন থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
নির্দেশনাগুলো হল-
১. অফিস আদালত, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সংক্রমণ রোধের কার্যপদ্ধতি অনুসরণ।
২. গণপরিবহনে চলাচলের সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা।
৩. জনসম্মুখে সব সময় মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা মেনে চলা।
৪. দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন এবং তা প্রতিপালনে জনগণকে সচেতন করবেন।
৫. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। জনপ্রতিনিধিরা অঞ্চলভিত্তিক তদারকির মাধ্যমে সংক্রমণ রোধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণেও ভূমিকা রাখবেন। আপৎকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসহায়-দুস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
-

হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েও নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন না বৃদ্ধ
বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক বৃদ্ধকে টমটম থেকে নামিয়ে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে জামা-কাপড় ছিঁড়ে উলঙ্গ করে নির্যাতন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে বিষয়টি নজরে আসে সবার।
ঘটনার সময় হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি ওই বৃদ্ধ। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই বৃদ্ধের সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ করেছেন এলাকার কয়েকজন সন্ত্রাসী। গত ২৪ মে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ায় ন্যক্কারজনক এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় যুবলীগ নেতা আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল যুবক এ ঘটনা ঘটান।
ভুক্তভোগী নুরুল আলম (৭২) উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ার বাসিন্দা। অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা আনছুর আলম একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এবং মৃত মনির উল্লাহর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ২৪ মে বিকেলে বাজার থেকে ফেরার পথে বৃদ্ধ নুরুল আলমকে টমটম থেকে নামিয়ে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে যান এলাকার কয়েকজন যুবক। এ সময় নুরুল আলমকে কিল-ঘুষি মারা হয়। পরে তার পরনের লুঙ্গি, গেঞ্জি টেনে ছিঁড়ে ফেলেন যুবলীগ নেতা আনছুর আলম। একই সঙ্গে তাকে গালিগালাজ করা হয়। কয়েকজন যুবক এসব দৃশ্য মোবাইলের ক্যামরায় ধারণ করেন। বার বার হাতজোড় করলেও বৃদ্ধকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি কেউ।
এ ঘটনার পর ৩১ মে বৃদ্ধ নুরুল আলমের ছেলে আশরাফ হোসাইন চকরিয়া থানায় মামলার জন্য এজাহার দেন। এজাহারে ওই এলাকার মৃত মনির উল্লাহর ছেলে বদিউল আলম, আনছুর আলম, শাহ আলম, শাহ আলমের স্ত্রী আরেজ খাতুন, বদিউল আলমের ছেলে মিজানুর রহমান, আবদুল জাব্বারের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন, জয়নাল আবেদিন এবং মনজুর আলমের ছেলে মো. রুবেলকে অভিযুক্ত করা হয়।
এজাহারে আশরাফ হোসাইন উল্লেখ করেছেন, ২৪ মে আমার বৃদ্ধ বাবা নুরুল আলম ঈদের বাজার করে ঢেমুশিয়া স্টেশন থেকে টমটমযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে যুবলীগ নেতা আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী টমটম থেকে আমার বাবাকে নামিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে পরনের লুঙ্গি, গেঞ্জি ছিঁড়ে উলঙ্গ করে ফেলেন। পাশাপাশি তাকে মারধর ও গালিগালাজ করেন তারা।
গ্রামের কয়েকজন যুবক এ দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন। এ সময় আমার বাবা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করলেও কেউ রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। খবর পেয়ে আমার ছোট ভাই সিএনজিচালক সালাহউদ্দিন স্থানীয় লোকজনসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করে। এরপর বাবাকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।
আশরাফ হোসাইন এজাহারে আরও উল্লেখ করেছেন, ঘটনার সময় আমার বাবার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ও পকেটে থাকা সাড়ে সাত হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা।
আশরাফ হোসাইন বলেন, তুচ্ছ ঘটনার জেরে আমার বাবার ওপর অমানবিক নির্যাতন করেছেন সন্ত্রাসী আনছুর আলম। স্থানীয় যুবলীগ নেতা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। এমন কোনো অপকর্ম নেই যা সে করে না। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম জিকু বলেন, তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ নুরুল আলমের সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। তিনি এলাকার বয়োবৃদ্ধ মানুষ ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা। সবাই তাকে সম্মান করে। এলাকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী এই ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি আমাকে জানানোর পর থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি।
কি কারণে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে বিষয়টি জানতে যুবলীগ নেতা আনছুর আলমের মোবাইলে অনেক বার কল দিলেও রিসিভ করেননি।
চকরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে আশরাফ হোসাইন মামলার জন্য থানায় এজাহার দিয়েছেন। তবে এজাহারটি এখনও আমার হাতে পৌঁছেনি। এজাহারটি হাতে এলে তদন্ত করে খুব দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টা আমি ফেসুবকে দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমি ওসিকে নির্দেশ দিয়েছি। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং যারা ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়েছে; তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
-

করোনা বিশ্ব বদলে দিলেও বিএনপিকে বদলাতে পারেনি: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বদলে দিচ্ছে বিশ্ব, পরিবেশ শিষ্টাচার। কিন্তু বিএনপিকে বদলাতে পারেনি।
বিএনপির মনে নেতিবাচকতার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে- মন্তব্য করে তিনি বলেন, সংক্রমণের শুরু থেকেই একই বক্তব্য দিয়ে আসছে তারা। অনবরত সমালোচনার ভাঙা রেকর্ড বাজাচ্ছে। অন্ধ সমালোচনা, নেতিবাচকতা আর মিথ্যাচারের বৃত্ত থেকে তারা বের হতে পারছে না।আজ মঙ্গলবার (২ জুন) জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির উদ্দেশে কাদের বলেন, নেতিবাচক ও দায়িত্বহীন রাজনীতির কারণে ইতোমধ্যে তারা রাজনীতির আইসোলেশনে পৌঁছে গেছে। বিষোদগারের ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি সরকারের ভালো কাজ দেখতে পায় না। তাদের মনে ছড়িয়ে পড়েছে নেতিবাচকতার সংক্রমণ।তিনি বলেন, তারা নিজেদের মধ্যকার সমন্বয়হীনতা না দেখে অন্যত্র সমন্বয় আছে কিনা সেটা খুঁজে বেড়ায়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব বলেছেন- সরকার নাকি কানে তুলো দিয়েছে। আমি বলতে চাই সরকারের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সক্রিয় আছে। বরং আপনারাই দেখতে পাচ্ছেন না অসহায়-কর্মহীন মানুষের কষ্ট। সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধির নিরলস প্রয়াস চোখ বন্ধ রাখলে দেখতে পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, চোখের সামনে থেকে মরচে ধরা চশমা সরিয়ে ফেলুন তবে সরকারের কার্যক্রম দেখতে পাবেন। বিএনপির দৃষ্টিসীমায় অবৈধ ক্ষমতার মসনদ আর দুর্নীতির পাহাড়। তাই তারা সরকারের ইতিবাচক কিছু দেখতে পায় না।
-

অচিরেই খারাপ দিন কেটে গিয়ে সুদিন ফিরবে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনার কারণে অর্থনৈতিক গতিশীলতা কিছুটা স্থবির হয়ে গেছে। তবে এমন দিন থাকবে না। আমরা যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারবো। আমরা আশা করি অচিরেই খারাপ দিন কেটে গিয়ে সুদিন ফিরবে।
আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক সভায় একথা বলেন তিনি। এ সময় সব হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
কভিড-১৯ এর সাবধানতায় পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি ভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্য মন্ত্রী ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা সম্মেলন কক্ষ থেকেই অংশ নেন। পরে বৈঠকের খুঁটিনাটি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই না দেশের মানুষ কষ্ট পাক। সেদিকে লক্ষ্য রেখে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পূর্বের নির্দেশনাগুলো অর্থাৎ যেগুলো বন্ধ ছিল সেগুলো উন্মুক্ত করেছি, উন্মুক্ত করেছি এই জন্য যে খেটে খাওয়া, দিন এনে দিন খাওয়া, সাধারণ মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত প্রত্যেকে তাদের জীবন যাত্রা যেন অব্যাহত রাখতে পারে, সচল রাখতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। কাজেই আমাদের সকলকে স্ব স্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রেখেই স্ব স্ব কর্মস্থলে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতির যে গতিশীলতা পেয়েছিল করোনাভাইরাস আসায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী চলছে। আমরা চাই না দেশের মানুষ কষ্ট পাক। সেদিকে লক্ষ্য রেখে বন্ধ প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। যাতে খেটে খাওয়া, দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত প্রত্যেকে তাদের জীবনযাত্রা যেন অব্যাহত রাখতে পারে। সেজন্যই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, যেটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সেটা মেনেই আমাদের চলতে হবে। আমাদের দেশের মানুষ তারা যেন সুরক্ষিত থাকে। মনে রাখতে হবে নিজের সুরক্ষা মানে অপরকে সুরক্ষিত করা। আমরা সকলে নিজের পরিবার এবং নিজের সহকর্মী সকলের সুরক্ষা রাখতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করব এটা হবে আমাদের সিদ্ধান্ত।
তিনি বলেন, করোনায় শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্ব বলতে গেলে স্থবির। সব জায়গায় এই সমস্যাটা দেখা দিয়েছে। আমরাও তার থেকে বাইরে না। -

মানুষের জীবন বাঁচাতেই কিছু শর্ত শিথিল করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
করোনার প্রভাবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতায় স্থবির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের জীবন বাঁচাতেই কিছু জায়গায় শর্ত শিথিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০২ মে) সকালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি- একনেক সভায় একথা বলেন তিনি। এ সময় সব হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
সামনে বাজেট অধিবেশন। নতুন অর্থ বছরের হিসেব মেলানোর ব্যস্ততা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার (০২ মে) বসলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি- একনেকের বৈঠক।
কোভিড-১৯ এর সাবধানতায় পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি ভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্য মন্ত্রী ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা সম্মেলন কক্ষ থেকেই অংশ নেন।
বৈঠকের শুরুতেই দেয়া সূচনা বক্তব্যে করোনা দুর্যোগে বাজেট ও প্রকল্প প্রণয়নে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান সরকারপ্রধান। বলেন, মানুষের কষ্ট লাঘবেই শর্ত শিথিল করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার উদ্যোগ নিতে হয়েছে।
কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সচেতনতা প্রয়োজন ব্যক্তি পর্যায় থেকেই।
পরে, বৈঠকের খুঁটিনাটি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। জানান ৭ মন্ত্রণালয়ের ১০ প্রকল্পে ১৬ হাজার ২৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ সময় হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিতের তাগিদও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
