Category: রাজণীতি

  • ঢাকা-১২ আসনে ত্রাণ বিতরণ করেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  আসাদুজ্জামান খান কামাল

    ঢাকা-১২ আসনে ত্রাণ বিতরণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

    নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১২ আসনে ত্রাণ বিতরণ করেছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল এম.পি–

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে উক্ত ত্রান বিতরন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (পিআরও)শরীফ মাহমুদ অপু। মনিপুরীপারায় মন্ত্রীর নিজ বাসার সামনে বসে এ কার্যক্রম চলে |

     

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর পক্ষ থেকে  ওয়ার্ড  আওয়ামীলীগ নেতাদের হাতে ত্রান তুলে দেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় এর পি.আর.ও শরীফ মাহমুদ অপু |

     

     

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়  এর পি.আর.ও শরীফ মাহমুদ অপুর পর্যাবেক্ষনে সপ্তাহব্যাপি চলবে এ ত্রান বিতরন কার্যক্রম | দরিদ্র , অসহায় , ভাসমান খেটে খাওয়া মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ ত্রান সামগ্রী  পৌছে   দেবেন  ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মীরা|

  • করোনা মহামারীতে”গভীর রাতেও চলছে বিসিসি কর্মীদের পরিস্কার কার্যক্রম

    করোনা মহামারীতে”গভীর রাতেও চলছে বিসিসি কর্মীদের পরিস্কার কার্যক্রম

    করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর গত ১২ এপ্রিল বরিশাল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে প্রশাসন।

     

     

     

    এক মাসের অধিক সময় ধরে গণজমায়েত রোধ, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণ, কর্মহীনদের খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ সরকারি একাধিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

     

     

     

    টানা এ লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি যারা মেনেছেন, তারা প্রয়োজন ছাড়া যেমন ঘর থেকে বের হয়নি, তেমনি অপ্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। এক কথায় জরুরি সেবাপ্রদান প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবারই কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। বেশিরভাগ মানুষই অনেকটা ছুটির আমেজ কাটিয়ে উঠেছেন।

     

    তবে গেলো একমাস ধরে কাজ বন্ধ রাখার কোন সুযোগ হয়নি বরিশাল সিটি করপোরেশেনর পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীদের। সংকটময় মুহুর্তেও যথানিয়মে কোন অযুহাত ছাড়াই তারা নগর পরিষ্কারের কাজটি করে যাচ্ছেন। ফলে শহরের রাস্তাঘাটগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অর্থাৎ ঝকঝকে তকতকেই থাকছে। আর এ ঝকঝকে তকতকে রাখতে প্রয়োজনবোধে পায়ে বুট, হাতে গ্লোভস আর মুখে মুখোশও ব্যবহার করছেন তারা।

     

     

     

    যদিও সাধারণ নগরবাসীর অসহযোগিতা দুঃখ রয়েছে তাদের, তারপরও নগর পরিষ্কার রাখার কাজটিতে অনীহা নেই এসব পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের। বরং ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের পাশাপাশি, সড়কে জীবানুনাশক তরল ছিটানো, মশক নিধনে স্প্রে ও ড্রেন পরিষ্কারের কাজটি করছেন পুরোদমে।

     

     

     

    বরিশাল সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, পরিচ্ছন্নতা বিভাগে প্রায় ১ হাজার কর্মী রয়েছে বর্তমানে। যাদের মধ্যে একটি বড় অংশ নগরের ত্রিশটি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট ও ফুটপাত ঝাড়ু দেয়ার কাজ করেন। অপর একটি অংশ ড্রেন ও নালা পরিষ্কারের কাজ করে থাকেন। এছাড়া ছোট ভ্যান ও পিকআপে করে নগরের বিভিন্ন বাসা-বাড়ি এবং নির্ধারিত স্থানের ময়লা ডাম্পিং প্লেসে নেয়ার কাজটি করেন অন্য একটি গ্রুপ। এর বাহিরে সড়কে জীবানুনাশক তরল ছিটানো, মশক নিধনে স্প্রেও নিয়মিত করছে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।

     

     

     

    নিয়মিত এসব কাজ করোনার সংকটময় পরিস্থিতিতেও নগরবাসীর সেবা নিশ্চিতের লক্ষে বন্ধ রাখা হয়নি। বরং ঝুঁকিকালীন এই সময়টাতে স্বাভাবিক বেতন পেয়েই খুশি পরিচ্ছন্ন কর্মীরা।

     

     

     

    পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানান, নগরকে পরিষ্কার রাখা যেমন তাদের কাজ, তেমনি একটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নগরবাসীর জন্য একটি সেবাও। তাই করোনার কথা চিন্তা না করে কোন অযুহাত ছাড়াই মন দিয়ে নিয়মিত কাজটি করে যাচ্ছেন।

     

     

     

    তবে কিছু মানুষের আচরণে দুঃখও প্রকাশ করেছেন তারা। নগরের বটতলা, পুলিশ লাইন, ব্যপ্টিষ্ট মিশন এলাকার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানান, বিকেল থেকে গভীররাত অব্দি পর্যায়ক্রমে এ শহর পরিষ্কারের কাজ করেন তারা। ফলে সকালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি শহরের দেখা পান নগরবাসী। কিন্তু করোনার বর্তমান সময়ে কিছু লোক ইচ্ছে করে তাদের পরিচ্ছন্নতার কাজগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

     

     

     

    পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অভিযোগ বটতলা, পুলিশ লাইন এলাকার কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যারা আমরা ময়লা নেয়ার পরে রাস্তাঘাটের নির্ধারিত স্থানগুলোতে ময়লা ফেলছেন। তাদের অনুরোধ করার পরও এটি করে যাচ্ছেন। ওইসব লোকদের দাবি ময়লার ভেতরে এসে তারা ময়লা ফেলতে পারবে না। কিন্তু এতে আমাদের পরিশ্রমটা বৃথা হয়ে যাচ্ছে। আর তাদের কথা আমরা ভাবলেও আমাদের কথা তারা কতটা ভাবছে।

     

     

     

    এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু বলেন, নগর প্রশাসনও মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রতক্ষ নির্দেশনা কাজ পরিচালিত করে যাচ্ছেন। আবার মহা ক্রান্তিকালেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা পিছু হটেননি। কারণ মেয়র তাদের ভালোবাসেন, তারা মেয়রকে ভালোবাসেন। একমাত্র সেরনিয়বাত সাদিক আব্দুল্লাহ যিনি দাবি তোলার আগেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছেন।

     

     

     

    তিনি বলেন, ময়লা-আবর্জা পরিষ্কারের পাশাপাশি নগরের রাস্তাঘাট জীবানুমুক্ত রাখতে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার তরল স্প্রে করা হচ্ছে। মশক নিধনে ১৮ হাজার লিটার লার্ভাসাইড ছিটানো হচ্ছে প্রতিদিন। পর্যাপ্ত অ্যাডাল্টিসাইডও রয়েছে, যা প্রয়োজন অনুসারে দেয়া হবে।

     

     

     

    তবে সবকিছুর পরও নগরবাসীকে আরো সচেতন হতে হবে, নিজের বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি যেখানে, সেখানে ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

     

     

     

    বিসি সি’র প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ও ভ্যাটেনারি সার্জন ডাঃ রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আন্তরিকতার সাথেই তাদের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। চালানো হচ্ছে  মশক নিধন কার্যক্রমও।

     

     

     

    যদিও নিজেদের শহরকে সুন্দর রাখতে নগরবাসিকে আরো সচেতন হতে হওয়ার আহবান জানিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

     

     

     

    উল্লেখ্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই নগর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। যে কারণে তিনি এরইমধ্যে নগরবাসীর কাছ থেকে বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন। আবার নগর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজটি কষ্ট করে যে শ্রমিকরা করছেন, তাদের কষ্ট লাঘবে বেতনও সর্বোপ্রথম বড় অংকে বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে বাস্ত

  • সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে  স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

    সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

    দি বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রী এর পক্ষ থেকে এবং এফ বি সি সি আই এর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এর সহযোগিতায় আজ সকাল ১১ টায় আমানতগঞ্জ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে নিয়োজিত ডাক্তার,নার্স,হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পিপি, মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরন করেন, আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, সভাপতি,দি বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রী ও  চেয়ারম্যান,বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ।

     

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দি বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রী এর সহ- সভাপতি জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম ঝান্ডা,

    রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের সি ও জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

  • ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদের

    ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সময়ে এ পর্যন্ত ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

    বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা এবং নগদ ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছে।’

    দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের ত্রাণ তৎপরতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, দলীয় সংসদ সদস্যসহ আমাদের জনপ্রতিনিধি দলের পক্ষে সারাদেশে এই ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এখনও ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার, ব্লিচিং পাউডার ও স্প্রে মেশিনসহ স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    করোনা পরিস্থিতি সামনে আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আক্রান্ত ২১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম। সামনে আরও কঠিন সময় আসতে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই চ্যালেঞ্জিং সময় অতিক্রম করতে হবে আমাদের সাহসিকতার সাথে। এজন্য আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মানসিক প্রস্তুতি রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে। এই মহামারী মোকাবেলায় শেখ হাসিনা যে ধৈর্য, কর্মনিষ্ঠা, প্রজ্ঞা, সাহস ও দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছেন তা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে।

    ওয়ান ইলেভেনের সময় দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি স্মরণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ ৭ মে আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন ২০০৭ সালের এই দিনে চিকিৎসা শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে শত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিল তিনি যেন দেশে ফিরে না আসেন।

    কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা অসীম সাহসের সঙ্গে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ফিরে আসেন দেশের মাটিতে। যাতে ফিরে না আসতে পারে সেজন্য ফিরে আসার দিনে তখনকার সরকার তখনকার সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা করে ওয়ারেন্ট জারি করে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোকে টিকিট না দেয়ার জন্য চাপ তৈরি করে। কিন্তু তাকে তারা বাধা দিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি দেশে ফিরে আসেন।বাসস

  • নলছিটিতে কৃষকলীগ সভাপতি ফিরোজ আলমের নেতৃত্বে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌছে দেয়া হলো

    নলছিটিতে কৃষকলীগ সভাপতি ফিরোজ আলমের নেতৃত্বে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌছে দেয়া হলো

     

     

    আরিফুর  রহমান  আরিফ : ঝালকাঠির নলছিটিতে করোনাভাইরাসের প্রভাবে শ্রমিক সংকটে পড়ায় কৃষকের চার বিঘা জমির পাকা ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলেন উপজেলা কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার সকাল ৬ টা থেকে দুপুর পযন্ত  উপজেলার নান্দিকাঠি  এলাকায়  কৃষক লীগের সভাপতি ফিরোজ আলম ও সাধারণ সম্পাদক হানিফ হাওলাদারের নেতৃত্বে  কৃষক সিদ্দিক হোসেনের জমির পাকা ধান কাটা হয়।

    উপজেলা কৃষক লীগের  সভাপতি ফিরোজ আলম  জানান, বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে উপজেলার কৃষকরা অসহায় হয়ে পড়েছে। ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য আমাদের নেতাকর্মীরা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

     

     

    তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে কৃষক যেনো ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  নির্দেশনায়  ও  শিল্প মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিল্প ও খাদ্য মন্ত্রী  আমির হোসেন আমু এমপির সহযোগিতায় এ কাজ করা হচ্ছে। আগামীতেও কৃৃৃষকলীগের সহযোগিতা  অব্যাহত থাকবে।

     

    ধান কাটা বিষয়ে কৃষক সিদ্দিক হোসেন কৃষক লীগের  এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ধান কাটা শ্রমিক সংকটের ফলে মাঠের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছিলাম না। এমন দুর্দিনে কৃষক লীগের  নেতাকর্মীরা এসে আমার জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। এতে আমি খুব আনন্দিত।

  • মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০৩ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন কে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০৩ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন কে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি রোধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এবার বরিশাল নগরীতে বসবাসকারী ৩০৩জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে ও সরাসরি তত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার দেয়া তালিকা অনুসারে এ খাদ্য সহায়তা বিতরন শুরু হয় রবিবার রাতে।  প্রথমদিন তারাবি নামাজের পরপরই এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। নগরীর ১  নম্বর থেকে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ ও বসতবাড়ীতে থাকা ইমাম ও মুয়াজ্জিমদের কাছে গিয়ে  খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের মোট ৩০৩ জন ইমাম, মুয়াজ্জিমকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম আজ শেষ হবে। এদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ঘোষনাসহ অনেক এলাকা লকডাউন করা হয়। এর ফলে নগরীর খেটে খাওয়া অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে।  এসকল অসহায় মানুষের দূর্দশা লাঘবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে গত ৩০ মার্চ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম শুরু করা হয়। তারই ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এপর্যন্ত নগরীর ৬০ হাজারের অধিক অসহায় পরিবারের মাঝে এসহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সম্ভব সবধরণের সহযোগিতার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।  জনসাধারণের নিরাপদে ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে এসব খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম নিজে সরাসরি মনিটরিং করছেন। এক্ষেত্রে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দর সাথে যুক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।

  • উজিরপুরে ছাত্রদলের উদ্যােগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    উজিরপুরে ছাত্রদলের উদ্যােগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সাইফুল ইসলাম সুজনের অনুদানে কর্মহীন অসহায়দের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

     

    শুক্রবার ( ০১ মে) সকালে উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শতাধিক অসহায় ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে বরিশাল জেলা ছাত্রদল নেতা মারজান হৃদয় এর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

     

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন হাতেম আলী কলেজ ছাত্র নেতা তানভীর হাওলাদার, যুবদল নেতা মাসুম মল্লিক,উজিরপুর উপজেলা ছাত্র নেতা তুফান হাওলাদার সহ আরো অনেক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • করোনায় বিসিসি’র নাগরিক সেবা আগের চেয়েও গতিশীল

    করোনায় বিসিসি’র নাগরিক সেবা আগের চেয়েও গতিশীল

    মহামারী করোনা সংক্রমণে থমকে গেছে অনেক কিছুই। তবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নগরবাসীর সেবার গতিকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন বিসিসি কর্মীরা। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে সকল কাউন্সিলর এবং বিসিসির সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাঠে তৎপর। ঝুঁকি জেনেও এই করোনাকালে তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন আগের চেয়েও দ্রুত গতিতে।

     

    ইতমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিসিসি মেয়রের উদ্যোগে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক পরিবারে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়া হয়েছে।

     

     

     

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বরিশাল নগরীতে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সহ বর্ধিত এলাকাগুলোতেও এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

     

     

     

    পরিস্কার পরিচ্ছনা কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। বিভিন ড্রেন পরিস্কার সহ নগরীকে পরিচ্ছন্ন ও ভাইরাস মুক্ত রাখাতে প্রাণপন চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিসিসি।

     

     

     

    মশার প্রকোপ রুখতে ছেটানো হয়েছে মশা নিরোধক ওধুধ। তাছাড়া নাগরিক সেবার অন্যান্য খাতে এমনই তৎপরতা দেখা গেছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সচেতন নগরবাসী।

     

     

     

    বিসিসি মেয়র সকলের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে বলেছেন, করোনা প্রতিরোধে সচেতন হোন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সকলের সুরক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আপনারা ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

  • ৬০ হাজার কর্মহীন পরিবার পেলো ত্রান সহায়তা,সর্বমহলে প্রশংসিত বিসিসি মেয়র

    ৬০ হাজার কর্মহীন পরিবার পেলো ত্রান সহায়তা,সর্বমহলে প্রশংসিত বিসিসি মেয়র

    তানজিম হোসাইন রাকিব : করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যাবস্থাপনায় বরিশাল নগরীর প্রায় ৬০ হাজার কর্মহীন পরিবার পেল ত্রান সহায়তা | গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার পরিবার এই খাদ্য সহায়তার আওতায় এসেছে বলে জানা গেছে | গতকাল নগরীর ১ নং ওয়ার্ড, ৩ নং ওয়ার্ড, ৯ নং ওয়ার্ড এবং ২৯ নং ওয়ার্ড এ ত্রান সমগ্রী বিতরন করা হয়|

     

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে,  ইতোমধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর ৬০ হাজারেরর অধিক অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী ঘরে গিয়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে মশক নিধন কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে।  অপরদিকে পানি সরবরাহ বিভাগে নগরজুড়ে জীবনানুনাশক স্প্রে ছিটানোর পরিধী আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে।  জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে বিসিসির ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। বিসিসি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর উদ্যোগে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। শুরুতেই বিসিসির স্টাফদের সুরক্ষায় বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থগিত, নগর ভবনসহ নগরীর ১২টি পয়েন্টে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর মেয়রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ৩০ মার্চ থেকে অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা  প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়। এর আওতায় ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৬০ হাজার পরিবারকে ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। মেয়রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এ সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। এদিকে বিসিসির পানি সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুক জানান, মেয়রের নির্দেশে গত দেড়মাস ধরে করোনা রোধে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গড়ে বর্তমানে প্রতিদিন ৪২ হাজার লিটার জীবানুনাশক পানি স্প্রে করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তাদের শাখায় ৯ হাজার ধারন ক্ষমতার নতুন একটি ভাউজার যুক্ত হওয়ায় জীবনুনাশক স্প্রে ছিটানো কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, বাজার ও জনসমাগম হয় এমন এলাকায় স্প্রে ছিটানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে ছোট দুটি গাড়ীর সাহায্যে নগরীর বর্ধিত এলাকায় এবং বড় গাড়ীর সাহায্যে গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে  ছিটানো হচ্ছে। অপরদিকে বিসিসির পরিচ্ছনতা কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম জানান, করোনা রোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। কয়েকশত কর্মী নগরী পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া মশক নিধন কার্যক্রমও চলছে জোরেশোরে। তিনি জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে মেয়রের নির্দেশে প্রতিদিন সকালে নগরীর ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডে ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে স্প্রে করা হচ্ছে। এবং বিকেলে ফগার মেশিনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন সড়ক ও ড্রেনে স্প্রে করা হচ্ছে। বিসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা  ডা. ফয়সাল হাজবুন জানান, মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নির্দেশে জনগনের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধকল্পে বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসকল অভিযানে আভিযানিক এলাকায় উপস্থিত জনসাধারণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও ব্যবসায়ীদের মূল্য বৃদ্ধি না করার জন্য আহবান করা হয়। এদিকে অসহায় মানুষদের সহায়তায় গঠন করা হয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ত্রান তহবিল।  গত ৬ এপ্রিল এ তহবিল চালু করেই মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর দায়িত্বকালিন সময়ের প্রাপ্য সম্মানির ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন।

     

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় দেশে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বিসিসি | বিসিসি মেয়র জানান, করোনা মোকাবিলায় এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে |

  • বরিশালে ৪০২ কওমি মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

    বরিশালে ৪০২ কওমি মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

    পবিত্র রমজান উপলক্ষে সারা দেশের ৬ হাজার ৯৫৯ কওমি মাদরাসায় ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    জানা যায়, সারা দেশের ৬ হাজার ৯৫৯ কওমি মাদরাসায় ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে বরিশালে ৪০২টি রয়েছে।