Category: রাজণীতি

  • পানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    পানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    অনলাইন ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজধানীর পাশাপাশি, তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

    আজ রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। এ সময় সারাদেশের পুরানো রেলসেতু মেরামতের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া পানির অপচয় বন্ধ করতে পানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানান সরকার প্রধান। পরে ভিডিও কনফারেন্সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী এবং মানিকগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণ, ৫টি রেলপথ বর্ধিকরণ, ২টি পানিশোধনাগারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ১১টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একটা দেশের সার্বিক উন্নয়ন করতে হলে শুধু রাজধানী ভিত্তিক উন্নয়ন করলে হবে না। তৃণমূল পর্যায়ের যে মানুষগুলো থাকে, তাদের অর্থসামাজিক উন্নয়ন ছাড়া দেশ কখনো উন্নত হতে পারে না। রেলের পুরনো যে সমস্ত ব্রিজগুলো আছে, সেগুলো ভালোভাবে মেরামত করতে হবে। তার কারণ হচ্ছে এগুলো অনেক পুরানো।

    তিনি বলেন, অনেক অর্থ খরচ করে পানি শোধনাগারে পানি শোধন করে তা সরবরাহ করা হয়। এ পানি যারা ব্যবহার করবেন তাদের মৃতব্যয়ী হতে হবে এবং পানির অপচয় বন্ধ করতে হবে।

  • মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র শোক

    মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র শোক

    বরিশাল মহানগর ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মাসুম এর মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। পাশাপাশি  তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।

  • প্রধানমন্ত্রীর ইতালি সফরে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য ও অভিবাসন ইস্যু

    প্রধানমন্ত্রীর ইতালি সফরে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য ও অভিবাসন ইস্যু

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বিপক্ষীয় সফরে ইতালি যাচ্ছেন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী গুইসেপ কন্টের আমন্ত্রণে এ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অভিবাসন, রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চায় বাংলাদেশ। অন্যদিকে, সামরিক সহযোগিতা ও জ্বালানি খাতকে আলোচনায় প্রাধান্য দিতে আগ্রহী ইতালি।

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ফরেন অফিস কনসালটেশন, উভয় দেশের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমি সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় সহযোগিতাসহ অন্যান্য চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউরোপ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় অংশীদার এবং গত বছর লন্ডন সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে কর্মরত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্পর্কোন্নয়নে আরও কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন।’ বিভিন্ন কারণে ইউরোপের মধ্যে ইতালির গুরুত্ব অন্যতম। সে কারণেই   সফরের মাধ্যমে বর্তমান সরকার একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে আগ্রহী বলেও তিনি জানান।

    রাজনৈতিক সম্পর্ক

    এর আগে নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনসহ অন্যান্য দেশে প্রধানমন্ত্রী সফর করলেও তৃতীয় দফায় সরকার গঠনের পর ইউরোপে এটাই শেখ হাসিনার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউরোপকে আমরা কতটুকু গুরুত্ব দিচ্ছি, এই সফরের মাধ্যমে অন্যান্য দেশগুলোকেও সে বিষয়ে একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাই।’

    এই কর্মকর্তা আরও  বলেন, ‘আমরা চাই আরও বেশি সংখ্যায় ইউরোপীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশ সফর করুক। আর আমাদের রাজনৈতিক নেতারাও বেশি বেশি ইউরোপীয় দেশগুলো সফর করুক।’ তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন রাশিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশ সফর করেছেন।’

    বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

    বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ ১৬০ কোটি ডলারের বেশি।

    এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমরা তৈরি পোশাক সবচেয়ে বেশি রফতানি করে থাকি। এরপর আছে চামড়াজাত পণ্য।’ তিনি জানান, ইতালি থেকে আমদানির পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি ডলার এবং এর মধ্যে বেশিরভাগ তৈরি পোশাক শিল্পের যন্ত্রপাতি।

    এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আরও বাণিজ্য বাড়াতে চাই। একইসঙ্গে বাংলাদেশে ইতালিয়ান বিনিয়োগকে উৎসাহিত করি।’

    অভিবাসন

    দুই দেশের জন্য অভিবাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। কেননা, ইতালির হিসাব অনুযায়ী, সেদেশে প্রায় একলাখ ৪০ হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছে। এ বিষয়ে সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের পরেই ইউরোপে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি আছে ইতালিতে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অবৈধপথে ওই দেশে গেছে।’

    তিনি বলেন, ‘ইতালিতে দক্ষ কর্মীর স্থায়ী চাহিদা রয়েছে, যার একটি অংশ বাংলাদেশ মেটাতে পারে। আমরা বৈধপথে ওই দেশে কর্মী পাঠাতে চাই। দক্ষতা বাড়াতে তারা আমাদের সহায়তা দিতে পারে। ইতালি গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের পর বাংলাদেশি কর্মীরা ফের দেশে ফেরতও আসবে। এজন্য একটি মেকানিজম রয়েছে।’

    আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইতালিতে পরিশ্রমী হিসেবে বাংলাদেশিদের যথেষ্ট সুনাম আছে এবং কর্মী হিসেবে বাংলাদেশিরা অনেক দক্ষ। এজন্য আমরা চাই, বৈধপথে শ্রমিক পাঠাতে।’

    উল্লেখ্য, আগে ইতালিতে বৈধপথে কৃষি শ্রমিক পাঠানোর একটি চুক্তি ছিল। ওই চুক্তির অধীনে প্রায় ১৮ হাজার বাংলাদেশি সেখানে গেলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত এসেছে ১০০ জনেরও কম। এ কারণে ২০১২ সাল থেকে ওই চুক্তি বাতিল করে দেয় রোম।

    সামরিক সহযোগিতা

    ইউরোপের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় ইতালি। এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং আমাদের জাতীয় স্বার্থের প্রতি খেয়াল রেখেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’এ বিষয়ে কোনও চুক্তি হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

  • বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক সীমানা নির্ধারনের আতঙ্ক থেকে রক্ষায় স্মারকলিপি

    বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক সীমানা নির্ধারনের আতঙ্ক থেকে রক্ষায় স্মারকলিপি

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃক বরিশাল নগরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নদীর জায়গার সীমানা নির্ধারনের কাজ শুরু হয়েছে। এ কাজ শুরু হওয়ার পরপরই কীর্তনখোলা নদী তীরবর্তী বরিশাল নগরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মাঝে স্থাপনা হারানোসহ ভাঙ্গা’র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যার ধারাবাহিকতায় আতঙ্ক ও নগরের ৬ টি (৫, ৬,৮, ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড) ওয়ার্ডের বিশেষ অংশ রক্ষার দাবিতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন এলাকাবাসি।

    রোববার (১২ জানুয়ারি) ‍দুপুরে সিটি করপোরেশনের এ্যানেক্স ভবনে গিয়ে এলাবাসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সাথে দেখা করেন ও তার কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

    এসময় মেয়র স্থানীয়দের আতঙ্কিত ও বিচলিত না হওয়ার জন্য বলেন। পাশাপাশি সবাইকে ধৈর্য্য ধারন করার আহবান জানিয়ে বলেন বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে তিনি কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

    এদিকে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পলাশপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডটি বরিশাল পৌরসভা পরবর্তীতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের একটি পুরাতন ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে প্রায় ৫০ হাজার লোকের বসবাস। ওই এলাকায় নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজারের অধিক এবং এলাকায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টি, মাদ্রাসা প্রায় ১৪টি, মসজিদ ১৯টি রয়েছে। এই এলাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধানগবেষনা, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠান হিসাবে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, একাধিক বিশুদ্ধ পানির পাম্প, ময়লা পরিশোধনাগার, বিদ্যুৎ বিভাগের ওজোপাডিকো লিঃ এর পাওয়ার হাউজ এবং বরিশালে ২য় বৃহত্তম কাজীর গোরস্থানের অবস্থান। যেখানে ঘনবসতি পূর্ণ ৯টি কলোনীতে হাজার হাজার লোকের বসবাস। পাকা, আধাপাকা, কাচা ঘরের সংখ্যা প্রায় দশ হাজার। আমারা এলাকাবাসী যুগ যুগ ধরে শাস্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছি। আমাদের এই পাচ নং ওয়ার্ডেটি ভূমি মন্ত্রণালয় এর দুটি মৌজায় বিভক্ত যা আমানতগঞ্জ ও চরবদনা মৌজার অন্তর্ভূক্ত।

    অত্র এলাকাবাসি সরকারি আইন অনুসারে ভূমি কর, সিটি কর্পোরেশনের পৌর কর, পানির বিল নিয়োমিত ভাবে পরিশোধ করে আসিতেছি। কিন্তু হঠাৎ করে কিছুদিন পূর্বে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আমাদের জানামতে হাই কোর্টের একটি রায় নিয়ে ১১৭ বছর পূর্বের সি.এস পর্চা অনুযায়ী নদীর সীমানা পুনঃ নির্ধারণ করার কাজ করে।কিন্তু নির্ধারিত সীমানায় দেখা যায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে ৫নং ওয়ার্ড, ৬নং ওয়ার্ডের ২/৩ অংশ এবং ৮,৯,১০,১১ নং ওয়ার্ডের বেশ কিছু অংশ তাদের সীমানানির্ধারনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেন। যারমধ্যে সরকারে অনেক প্রতিষ্ঠান সহ, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক সীমানা নির্ধারণ করার ফলে নির্ধারিত সীমানার লক্ষাধিক জনগন উচ্ছেদ আতংকে দিন যাপন করছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আঃ সালাম জানান, নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ’র লোকজন মাপঝোক দিচ্ছে এবং সীমানা নির্ধারণ করে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন দেয়ার কাজও করছে। যা নিয়ে আতঙ্ক দিনে দিনে বাড়ছে। তাই আমরা আজ আমরা মেয়রের কাছে এসেছি। তার কাছে আমরা এলাকাবাসী অনাকাংক্ষিত উচ্ছেদ আতংক থেকে মুক্তি পেয়ে পূর্বের ন্যয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে এলাকায় বসাবার করতে পারি তার ব্যবস্থা চেয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি।

  • বরিশালের দোয়ারিকা সেতু রক্ষায় ২৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার প্রকল্পের অনুমোদন

    বরিশালের দোয়ারিকা সেতু রক্ষায় ২৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার প্রকল্পের অনুমোদন

    সেতুর আশপাশে বালু উত্তোলন বা বালুমহাল করা যাবে না। এতে পিলারের সাপোর্ট নষ্ট হয়ে সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এমন নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

    বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    ‘সুগন্ধা নদীর ভাঙন হতে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু (দোয়ারিকা সেতু) রক্ষার্থে ৩.৭৬৫ কি.মি. নদী তীরে স্থায়ী রক্ষাপ্রদ কাজ’ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এমন নির্দেশনা দেন। ২৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

    সেতু সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর বাম তীর ২ কি.মি., সেতু সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর ডান তীর ১ দশমিক ৭৬৫ কি. মি. ও নদীর উত্তর পাশে সৃষ্ট চরে ০ দশমিক ৬২৫ কি. মি. ড্রেজিং কাজ করা হবে। একইসঙ্গে নির্মাণকালীন সেতু ও অ্যাপ্রোচ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করা হবে।

    প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সুগন্ধা নদীর ভাঙন থেকে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু (দোয়ারিকা সেতু) ও সেতু অ্যাপ্রোচ সড়ক রক্ষাসহ উন্নত ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনসহ প্রকল্প এলাকার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

    একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সেতুর আশপাশে নদীতে নাব্যতা রক্ষা করতে হবে। নদীর নাব্যতা ঠিক করতে ড্রেজিং করতে হবে। আবার এমনভাবে ড্রেজিং করা যাবে না যাতে নদীর পাড় ভাঙে।’

    সড়কের দুইপাশে ফাঁকা জায়গা থাকলে সেখানে গাছ লাগানোরও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

  • কাউকে গ্রেফতারের এখতিয়ার দুদকের নেই : প্রধানমন্ত্রী

    কাউকে গ্রেফতারের এখতিয়ার দুদকের নেই : প্রধানমন্ত্রী

    কাউকে গ্রেফতার করার এখতিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতির অভিযোগে কাউকে গ্রেফতার করতে হলে তাদের আইনশৃঙ্খলা সংস্থাকেই বলতে হবে। তারা নির্দেশ দিতে পারে। দুদকের কিন্তু কোনো গ্রেফতার করার এখতিয়ার নেই। কাউকে তারা ধরে রেখে ওখানে হাজতখানা বানাবে, হাজতে রাখবে, এটা কিন্তু দুদকের কাজ নয়। যার যার কাজ তার তার করতে হবে। এ কথাটা মাথায় রাখতে হবে।

    সোমবার পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    পুলিশ সদস্যদের একটি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, যেটা এখানে আপনারা একটা দাবি করেছেন, একজন বক্তব্যে বলেছেন যে, বিআরটিএ, বিআইডব্লিউটিএ, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও দুর্নীতি দমন কমিশনে। দুদকে ইতোমধ্যে কিন্তু পুলিশ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অন্য জায়গাগুলোতে আমিও মনে করি সেখানে পুলিশের প্রতিনিধি থাকা দরকার। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।

    শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরাপত্তা দেয়া প্রতিটি পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পুলিশকে জনতার পুলিশ হতে হবে। অবশ্য আগের চেয়ে বর্তমানে পুলিশের ওপর মানুষের বিশ্বাস অনেক গুণ বেড়েছে। এ বিশ্বাস আরও বাড়াতে হবে। জনগণ যেন পুলিশকে বন্ধু ভাবতে পারে।

    তিনি বলেন, আগে একটি থানায় ১০-১৫ জন করে লোক থাকত। তাদের লজেস্টিক সাপোর্টও ছিল না। এখন প্রত্যেক থানায় অফিসারের সংখ্যা, পদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। পদোন্নতির সুযোগও বেড়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। কাজেই আপনারা হিসাব করে দেখেন আগে সুযোগ কেমন ছিল আর এখন কেমন। আপনাদের চাওয়ার কিছু নেই। চাওয়ার আগেই আপনাদের সব দেয়া হয়েছে। তারপরও যদি প্রয়োজন হয় সে প্রয়োজনও মেটানো হবে।

    পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হলে দাবি-দাওয়ার কথা বলতে হবে না। পুলিশের জন্য এ যাবৎ যা করেছি তা নিজে থেকেই করেছি। আমি জানি, যারা দেশের নিরাপত্তা দেবে তাদের নিরাপত্তা যদি না থাকে, তাহলে দেশ এগোবে না।

    তিনি বলেন, ‘৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে দেখি পুলিশের বাজেট ৪০০ কোটি টাকা। আমরাই বাজেট দ্বিগুণ করি। তখন পুলিশ রেশন পেত ২০ শতাংশ। সেটাও আমরা দ্বিগুণ করে দিয়েছিলাম।

    প্রধানমন্ত্রী তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিদেশে ঘোরার সময়কার একটি স্মৃতিচারণ করে সেখানকার ছোট ছোট সুন্দর গ্রাম দেখার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ’৬৯ সালে বিদেশের এসব গ্রাম দেখে বাবা বলেছিলেন বাংলাদেশ একদিন স্বাধীন হবে। আমাদের গ্রামগুলো আমরা এভাবে সুন্দর করে গড়ে তুলব। দেশের মানুষ যেন ভালোভাবে উন্নত জীবন-যাপন করতে পারে সেভাবে দেশ গড়ব। কিন্তু তিনি তা পারেননি। আমরা তারই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি। আজ আমাদের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ ভাগ। মাথাপিছু আয় প্রায় দুই হাজার মার্কিন ডলার। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলব।

    সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। এ ছাড়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

  • মহানগর ছাত্রলীগ কর্মী লিমনের ভিন্নধর্মী মহৎ উদ্যোগ “মানবতার দেয়াল”

    মহানগর ছাত্রলীগ কর্মী লিমনের ভিন্নধর্মী মহৎ উদ্যোগ “মানবতার দেয়াল”

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    সদিচ্ছা থাকলেই সমাজের হতদরিদ্র মানুষের সেবা করা যায়। তারই প্রমান রাখলেন মহানগর ছাত্রলীগ কর্মী ফেরদৌস হাসান লিমন। সমাজের উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মাঝে বিভেদের দেয়াল তুলে দিতে স্থাপন করলেন মানবতার দেয়াল। বরিশাল নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকায় একটি দেয়ালে গরীব অসহায় মানুষের সেবা করার উদ্দেশ্যে স্থাপন করা হয়।

    এই দেয়ালে যে কোন সামর্থবান ব্যক্তি তাদের অপ্রয়োজনীয় পোষাকসহ যে কোন জিনিস ওই স্থানে রেখে আসবেন। অন্য দিকে হতদরিদ্র যাদের ক্রয় করার ক্ষমতা নেই তারা তাদের প্রয়োজনীয় পোষাক ওই স্থান থেকে নিয়ে আসবেন। এই উদ্যোগে লিমনের সাথে রয়েছেন তারই সহকর্মী ছাত্রলীগ সদস্য সাকিব,অাবির,মনির,ইউসুফ,শাওন , লিয়ন ও বেশ কয়েকজন তরুন। এদিকে তাদের এই কর্মকান্ডকে সাধুবাদ জানিয়েছেন কাউনিয়া এলাকার সুশিল সমাজ। এবিষয়ে বরিশাল জেলা অাইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড্ ফিরোজ মাহমুদ খান (সাবেক সাধারন সম্পাদক ৩নং ওয়ার্ড অাওয়ামী লীগ) বলেন তাদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আমরা চাই সমাজের তরুনরা এধরনের মহতি কাজে এগিয়ে আসুক।

    এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন বলেন ওরা যা করছে তার কোন তুলনা নেই। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি যাতে আল্লাহ তাদের মানুষের সেবা করার মনবাসনা পূর্ন করেন। মানবতার দেয়ালের উদোক্তা ফেরদৌস হাসান লিমন বলেন, অবস্থান থেকে সমাজের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই এটি স্থাপন করেছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে নগরীর বিভিন্ন স্থানে এই মানবতার দেয়াল স্থাপন করবো। লিমনের এই মহৎ উদ্যোগ “মানবতার দেয়াল” কাউনিয়া হাউজিং এলাকায় সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ-মিছিল

    খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ-মিছিল

    খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। বরিশাল: বরিশালে বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    রোববার (৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিএনপির দলীয় কার্যালয় সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এর আগে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের নেতা মো. সবুজ আকনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।

    মিছিলটি সদর রোডে বের হতে চাইলে অশ্বিনী কুমার হলের গেটে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

    সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন হিমেল, রাজিব হোসেন প্রমুখ।

    এদিকে বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা যাতে কোনো ধরনের নাশকতা সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

  • মেয়র হলে ৯০ দিনের মধ্যে মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করব: তাপস

    মেয়র হলে ৯০ দিনের মধ্যে মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করব: তাপস

    আওয়ামী লীগ মনোনীত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, মেয়র নির্বাচিত হলে দায়িত্ব গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে নাগরিকদের জন্য মৌলিক সেবা নিশ্চিত করব।

    বুধবার (১ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহিদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে বাসেত মজুমদারের জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ পর্যাপ্ত খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত। আমি লক্ষ্য করেছি, ঢাকা দক্ষিণের সবগুলো ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুবিধা নেই। এটা আমাদের করতে হবে। এটা একটা দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্রম। আমরা ৩০ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা করব। সেখানে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে যেনো খেলাধুলার মাঠ এবং পরিবেশ থাকে সে জিনিসটা লক্ষ্য করব।

    দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নের পরিকল্পনা এবং জনসেবা নিশ্চিতের বিষয়ে তাপস বলেন, আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি ইনশাআল্লাহ, দায়িত্বগ্রণের ৯০ দিনের মধ্যে মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করব। তার সঙ্গে সঙ্গে মহাপরিকল্পনার কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে।

    দক্ষিণ সিটিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ প্রার্থী দুজনই নতুন মুখ, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদিও এই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আমি নতুন। কিন্তু ঢাকা-১০ আসনে আমি দীর্ঘদিন এমপি হিসেবে কাজ করেছি। সেখানে অনেক প্রতিকূলতার মাঝে উন্নয়নের কাজ করেছি।

    ঢাকাবাসীর উন্নয়ন ও উন্নত রাজধানী উপহার দেয়ার জন্য কাজ করবেন বলে জানান তিনি।

  • ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ নেতারা। আছেন বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত থাকা সাবেক নেতাকর্মীরা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১১১টি সাংগঠনিক জেলার সাবেক ও বর্তমান নেতারা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।

    ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান থেকে ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশনা দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

    এর আগে, সকাল সাড়ে ৬ টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শুরু হয় ৭২-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা। সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কাটা হয় কেক।

    দুই দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে রবিবার (৫ জানুয়ারি) পালিত হবে রক্তদান কর্মসূচি, এরপর শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষ হবে।