Category: রাজণীতি

  • প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান নেতা কর্মীরা।

    শনিবার সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডি ৩২ এর বাড়ির সামনে অবস্থিত প্রতিকৃতিতে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানান নেতাকর্মীরা।

    এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমানদের নিয়ে পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। বিকালে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এছাড়াও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্যভাবে পালন করতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে ৩ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনসহ বিভিন্ন সঙ্কটে সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি রেখেছে সংগঠনটি।

  • বেড়িবাঁধের কাজ আগামী বর্ষার আগে শেষ করা হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    বেড়িবাঁধের কাজ আগামী বর্ষার আগে শেষ করা হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

    শুক্রবার প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি উপকূলীয় বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের জরাজীর্ণ ও ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন।

    এ সময় তার সঙ্গে সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান এবং শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনী উপজেলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপ উপজেলায় ১২ হাজার ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধের কাজ আগামী বর্ষার আগে শেষ করা হবে।

    পরে তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন।

  • তিনি কেন্দ্রীয় নেতা, তবুও বরিশাল নিয়ে তার এত মাতামাতি কেন?

    তিনি কেন্দ্রীয় নেতা, তবুও বরিশাল নিয়ে তার এত মাতামাতি কেন?

    বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারের বিরুদ্ধে আবারও একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলেছে দলের একটি বৃহৎ অংশ। বরিশালের সাংগঠনিক বিষয়ে ভুমিকা রাখতে কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেওয়া সত্বেও বিভিন্ন কমিটি গঠন এবং দলীয় অনুষ্ঠানে নিজের তৈরি তালিকা অনুসারে অতিথি করা নিয়ে দলের ভেতরকার মতবিরোধ তুঙ্গে উঠেছে। সরোয়ার বিরোধীরা এখন এককাতারে সামিল হয়ে কৌশলী পদক্ষেপ রেখে তাকে প্রতিহত করার পরিকল্পনার খবর পাওয়া গেছে। কৃষকদলের সভা এবং ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সরোয়ার ভুমিকা রাখতে গিয়ে উভয় সংগঠনের অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে গেছে। এসময় ছাত্রদল বহুভাগে বিভক্ত এবং মূলদলে একই চিত্রে উত্তাপের আভা সবে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। গত দু’দিন ধরে বিএনপির অভ্যন্তরণী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে মাঠে গড়ালে সমূহ সংঘাত দেখা দিলে শীর্ষ সারির নেতৃবৃন্দ কেউই কোন অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তবে পুলিশ সতর্ক থাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সুযোগ তৈরি হতে দেয়নি।

    বিএনপি ঘনিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়- বরিশালে সরোয়ার ক্ষমতা বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের মধ্যে বিভাজনের রেখা তৈরি হয়। গত মেয়র ও সাংসদ নির্বাচনী মাঠে প্রার্থী হিসেবে সরোয়ার একা থাকলেও শীর্ষ সারির কাউকে কাছে পায়নি। সম্প্রতি সেই বিরোধ জটিল আকার ধারণ করে কৃষকদল পুর্ণজীবিত করা নিয়ে। স্থানীয়ভাবে এই অঙ্গ সংগঠনকে গতিশীল করতে জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন উত্তরের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদের তৎপরতায় কেন্দ্র সায় দিয়ে একটি দিকনির্দেশনা বাতলে দেয়। সে অনুযায়ী সাবেক ছাত্রনেতা মহসিন ইসলামকে আহবায়ক এবং সফিউল ইসলামকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করলে জেলা বিএনপির এক পক্ষ বিপেক্ষ অবস্থান নেয়। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম প্রকাশ্যে ভুমিকা রেখে ওই আহবায়ক কমিটির বৈধতার প্রশ্ন তোলেন। গত সপ্তাহে কৃষকদলের উপজেলাসমূহের কমিটি এবং কীভাবে সম্মেলন সফল করা যায় সে বিষয়ে বৈঠকের কথা ছিল। খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শিল্পপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টু ঝালকাঠি-পিরোজপুর সাংগঠনিক বরিশালের ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

    কেন্দ্রীয় একটি সূত্র জানায়- বরিশালে কৃষকদলের কমিটি গঠন সংক্রান্ত সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয় আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে। কিন্তু বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতিকল্পে গোলযোগের শঙ্কা দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ওই নেতা বরিশালে না এসে ঢাকায় ফিরে যান। সর্বশেষ মঙ্গলবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আহবায়ক কমিটি সম্মেলন প্রস্তুতির বিষয়ে নতুন করে বৈঠকের ডাক দেয়। জেলা কার্যালয় ছেড়ে কেন প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠানস্থ বেঁচে নেওয়া হল তা থেকেই অনুমান করা গেছে দলীয় বিভেদের কারণে কৃষকদল নিয়ে উদ্যোগীরা দলীয় কার্যালয়ে নিরাপদ মনে করেনি। তাদের ভাষায়- জেলা কার্যালয় মূলত মজিবর সরোয়ার প্রভাবিত অংশের দখলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়- প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সেখানে সরোয়ারপন্থী ছাত্র-যুবদলের নেতারা মারমুখি অবস্থান নিয়ে অনুষ্ঠানের অতিথি এবায়দুল হক চাঁন ও মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদকে প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেয়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন অতিথি সেখানে উপস্থিত হয়ে কিংকর্তব্যবিমুঢ় পরিস্থিতির মুখে পড়ে স্থান ত্যাগ করেন। এই ঘটনার রেশ পড়ে বুধবার ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে। সকাল থেকেই জেলা বিএনপি কার্যালয় সম্মুখে দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় যত বাড়ছিল, উত্তেজনার উত্তাপও ততটা আঁচ করা যাচ্ছিল। পরিস্থিতি অনুধাবনে পুলিশ কার্যালয় সম্মুখে অবস্থান নিরাপত্তার প্রাচীর গড়ে তোলে।

    দলীয় একটি সূত্র জানায়- ছাত্রদলের জেলা ও মহানগর আয়োজনে অতিথি করা নিয়ে এই সংগঠনের মধ্যে সকাল থেকেই বিভক্তি সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বুধবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে জেলা ছাত্রদল তাদের অনুষ্ঠানে দলের যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারকে প্রধান অতিথি ও এবায়দুল হক চাঁনকে বিশেষ অতিথি করা নিয়ে ওই ছাত্র সংগঠন দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। জেলা ছাত্রনেতা মাহফুজ আলম মিঠু অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কাকে করা যায় সে বিষয়ে মজিবর রহমান সরোয়ারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকেই প্রাধান্য দেন। এই ছাত্রনেতা সরোয়ারের অনুসারী হিসেবে চিহ্নিত। তাদের দাবি- কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে সরোয়ারকে প্রধান অতিথির তালিকায় রাখা হয়। কিন্তু জেলা ছাত্রদলের অপর একটি অংশ এর বিরোধীতা করে বলছে- নিয়ম অনুসারে জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁনকে প্রধান অতিথি না করে সরোয়ার নিজের ক্ষমতা জাহির করতে চেয়েছেন। সকালের পরিস্থিতি আরও নাজুক। মহানগর ছাত্রদল কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী মিছিল-শ্লোগানে সীমাবদ্ধ ছিল।

    প্রথমে কামরুল পরে সোহেল রাঢ়ী বিভক্ত হয়ে মিছিল নিয়ে জেলা কার্যালয়ের সম্মুখে উপস্থিত হলে উত্তাপ দেখা দেয়। এর মধ্যে একাংশ সরোয়ারের অনুসারী, অপরাংশ কমিটিতে স্থান না পাওয়ার পেছনে সরোয়ারের ইন্ধন রয়েছে এমন অভিযোগে ক্ষুব্ধ ছিল। এই পরিস্থিতে সকালের অনুষ্ঠানেও সরোয়ার অনপুস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় ছাত্রনেতা রনির নেতৃত্বে আর একটি পৃথক কর্মসূচি পালিত হয়। ছাত্রদলের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবার সুখকর হল না মূলত সরোয়ার ভার্সেস চানের মধ্যে নেতৃত্ব বিস্তার নিয়ে শীতল লড়াই থাকায়।

    দলের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দলীয় যুগ্ম মহাসচিব পদে আসার পরেও বরিশালে সরোয়ার একক কতৃত্ব ধরে রাখতে চাওয়ায় সংগঠন এলোমেলো অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সর্বক্ষেত্রেই যুগ্ম এই মহাসচিব ভুমিকা রাখতে চাওয়ায় অপরাপর নেতারা বিষয়টি কখনই ভাল চোখে দেখছে না। আবার অভিযোগ রয়েছে- সরোয়ার তার বিকল্প কারও উত্থ্যান না চাওয়ায় দলের মধ্যে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। যে কারণে বিএনপি প্রভাবিত বরিশালে দলের মধ্যে বহুমুখি বিভাজন দেখা দেয়। কখনও সরোয়ারের বিরুদ্ধে সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল আবার কখনও এবায়দুল হক চাঁন সাথে কেন্দ্রীয় নেত্রী বিলকিস জাহান শিরিনের বিরোধীতায় বরিশাল বিএনপিতে পূর্বপর নানা মেরুকরণ দেখা যায়। সর্ব প্রথম সরোয়ারের সাথে দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজনের দ্বন্দ্বের পরিণতিতে এই নেতা নিজ ঘরনায় নাজেহাল ও রক্তাক্ত হওয়ার পর রাজনীতি থেকে নির্বাসনে গিয়ে লন্ডনে অবস্থান নিয়ে আছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এই উদাহরণ স্মরণ করে অনেকেই সরোয়ারের মুখোমুখি লড়াই করার চেয়ে কৌশলে এগোতে চাইছেন। যে কারণে সরোয়ার বিরোধী বৃহৎ একটি অংশ এক মঞ্চে আসতে গোপনে একট্টা হচ্ছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে মজিবর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কৃষকদল নিয়ে তার কোন মাথা ব্যথা নেই। মূলত কেন্দ্র একটি খসড়া কমিটি তৈরি করায় এবায়দুল হক চাঁন তা মেনে নিতে পারছেন না বিধায় কিছুটা বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি কেন এলেন না তার সোজাসাপটা উত্তর হচ্ছে- দলের মধ্যে কমিটিতে স্থান পাওয়া নিয়ে তরুণদের মধ্যে মতবিরোধ থাকায় তিনি নিজেকে দূরে রাখায় তার এই অনপুস্থিতি।

    অবশ্য এবায়দুল হক চাঁন এই বক্তব্যের বিরোধীতা করে বলেন- একনায়কতন্ত্র সৃষ্টির কারণে দলের মধ্যে সরোয়ারের বিরোধীরা মাঠে নামায় তিনি বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে কৌশল নিয়েছেন। এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন- কেন্দ্রীয় নেতা হওয়া সত্বেও বরিশাল নিয়ে তার এত মাতামাতি কেন।

  • শিক্ষা সরকারের দয়া নয় বরং এটা মানুষের অধিকার : গণপূর্তমন্ত্রী

    শিক্ষা সরকারের দয়া নয় বরং এটা মানুষের অধিকার : গণপূর্তমন্ত্রী

    পিরোজপুরের ৭ টি উপজেলার প্রায় ৩ লক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝে ২৫ লক্ষাধিক বই বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১১ টায় পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পিরোজপুর- ১ আসনের সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

    এ সময় তিনি বলেন, শিক্ষা সরকারের দয়া নয় বরং এটা মানুষের অধিকার। তাই সকলের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বছরের প্রথম দিনেই ৩৫ কোটিরও বেশি বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। যাতে কোন শিক্ষার্থীই পড়াশুনা থেকে ঝড়ে না পরে এজন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের বলে জানান মন্ত্রী।

    পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইদ্রিস আলী আযিযী এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ হাবিবুর রহমান মালেক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুনীল চন্দ্র সেন।

    এ বছর প্রাথমিকের ১ হাজার ৩০২টি বিদ্যালয়ের ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৩৪৫ শিক্ষার্থীর মাঝে ৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ৫০১ টি বই বিতরণ করা হয়। এছাড়া ৫৫০ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদ্রাসা, এবতেদায়ী ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১৯ লক্ষ ৪৮ হাজার ৯৯৫ টি বই বিতরণ করা হয়।

  • ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের দুদফা হাতাহাতি

    ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের দুদফা হাতাহাতি

    জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় দুই দফায় হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

    বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    বেলা ১১টায় সভা শুরু হলে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে দুবার হাতাহাতি হয় নেতাকর্মীদের মধ্যে। পরে সিনিয়র নেতারা এসে বিবাদমান গ্রুপকে সরিয়ে দেয়।

    এদিকে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের লোকজন ছোটাছুটি করতে থাকে। এই ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহতের ঘটেনি।

    এর আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন, পায়রা উড়িয়ে ছাত্রদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্র সমাবেশের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আমানউল্লাহ আমান, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, বর্তমান সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ অনেক লম্বা লম্বা কথা শুনতে পাই। অনেকেই মিডিয়ায় বড় বড় কথা বলছেন। এসব কথা বলার নৈতিক অধিকার তাদের নেই।

    আমি ওবায়দুল কাদেরকে বলতে চাই– আসুন, দেখুন মানুষ আপনাদের ভালোবাসে কিনা। অস্ত্র ছেড়ে, নিরাপত্তা ছেড়ে; আসুন– দেখুন মানুষ কী বলে।

    একাদশ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। রাস্তায় দাঁড়িয়ে একশজনকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, তাদের ৯০ জনই বলবে ভোট দিতে পারেনি। জনগণের ম্যান্ডেটহীন অবৈধ সরকার জোর করে টিকে আছে।

    তিনি বলেন, গুম-খুনের এই বাংলাদেশ আমরা চাইনি। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি, তাবেদারি করার জন্য নয়। গণতন্ত্রহীনতা দেখার জন্য নয়।

    সিটি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে মহাসচিব বলেন, আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি এ কথা বারবার প্রমাণ করার জন্য যে, এই সরকারের অধীনে সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না–¬ এটি প্রমাণ করার জন্য।

  • ‘বিশৃঙ্খলাকারীদের ছাত্রলীগে স্থান নেই’: ছাত্রলীগ সভাপতি জয়

    ‘বিশৃঙ্খলাকারীদের ছাত্রলীগে স্থান নেই’: ছাত্রলীগ সভাপতি জয়

    আল নাহিয়ান খান জয়। ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। জন্ম বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর ইউনিয়নের ঠাকুরমল্লিক গ্রামে। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী খান। শৈশবে দাদা ও বাবার কাছে বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনতেন। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাবার হাত ধরেই যুক্ত হন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে।

    বরিশাল জেলা স্কুলে অধ্যয়নকালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতেখড়ি জয়ের। উপজেলা ছাত্রলীগেও সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা করেন ঢাকা কমার্স কলেজ থেকে। জয়ের দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই ওই কলেজে ছাত্রলীগের কার্যক্রম গতিশীল হয়।

    ২০০৮-০৯ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন আল নাহিয়ান খান জয়। বর্তমানে তিনি অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিতে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক, পরবর্তীতে একই হলের সাধারণ সম্পাদক হন। এরপর কেন্দ্রীয় কমিটির আইন সম্পাদক, সহ-সভাপতি হন।

    ছাত্রলীগের এ সর্বাধিনায়ক মুখোমুখি হয়েছেন পরিবর্তন ডটকমের। আসন্ন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, নেতৃত্বের কালিমা ও সংকট কাটিয়ে ওঠা ও আগামীর পথচলা নিয়ে দীর্ঘ আলাপ হয়। যার কিয়দংশ পাঠকের জন্য তুলে ধরেছেন সালাহ উদ্দিন জসিম।

    বাংলাদেশের জন্মের আগে ছাত্রলীগের জন্ম। ৪ জানুয়ারি সংগঠনটির ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    আল নাহিয়ান খান জয়: ১৯৪৮ সালে ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের যাত্রা শুরু। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে এ সংগঠনের জন্ম। প্রত্যেকটি নেতাকর্মী দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমরা অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। সবচে বড় বিষয় হলো; আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৪ জানুয়ারি সাবেক ও বর্তমানদের মিলনমেলা হবে। সেখানে আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি থাকবেন। ছাত্রলীগের নেতকর্মীদের এটাই স্বপ্ন ছিল; দেশরত্নকে সামনে থেকে দেখতে পাওয়া। তার সঙ্গে একটা অনুষ্ঠান করা। এটা এবার হচ্ছে।

    এছাড়াও রক্তদান কর্মসূচি, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ, পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোসহ নানা কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি।

    স্বভাবত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসেন না, এবার আসছেন। এতে আপনাদের নেতৃত্বের কোনো চমক আছে কীনা?

    আল নাহিয়ান খান জয়: আসলে আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছি, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে একসঙ্গে কাজ করার। আর্থিক অস্বচ্ছলতা, পারিবারিক নানা সমস্যাসহ তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিচ্ছি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সব সময় আমাদের ওপর আস্থা রাখে। কারণ ছাত্রলীগ সব সময় সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলে। জাতির পিতা এ সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য। তিনি বলেন, আমরা প্রটোকল ছাড়া চলি। মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হবে, এমন কিছু আমরা করছি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছি। মূল কাজটা করার চেষ্টা করছি। এটাই বড় চমক।

    একটা সংকটের মধ্যদিয়ে আপনারা দায়িত্ব নিয়েছেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে কীনা?

    আল নাহিয়ান খান জয়: আমরা বিশেষ পরিস্থিতির মাধ্যমে দায়িত্ব পেয়েছি। যদিও আমরা দায়িত্বের মধ্যেই ছিলাম। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক শাখার উপ আইন সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আইন সম্পাদক, পরে সহ সভাপতি ও এখন ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্বের মধ্যে থাকাটা সব সময়ই হয়ে আসছে। দায়িত্বে থাকাটা আমার ভালোই লাগে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে সব সময় কথা বলতে পারি, সবার সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করতে পারি। ছাত্ররাজনীতির এই প্ল্যাটফর্ম এই মুহূর্তে অনেক ভালো লাগছে। আমি কোনো প্রতিবন্ধকতা দেখছি না।

    এত বড় সংগঠন, লাখ লাখ নেতাকর্মী, তাদের আপনি সভাপতি। এই দায়িত্ব পালনে আপনার অনুভূতি কী?

    আল নাহিয়ান খান জয়: জাতির পিতার নিজ হাতে গড়া ছাত্র সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছি, এ জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। লাখ লাখ নেতাকর্মী ও ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে পারছি। তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করতে পারছি। তাদের সুখ-দুঃখ শেয়ার করতে পারছি। এটাই আমার জন্য আনন্দের। ছাত্রলীগের একজন কর্মী বলেন বা নেতা বলেন, আমরা এ পরিচয়েই গর্বিত।

    আপনার ছাত্ররাজনীতির শুরু কবে থেকে? বা এর পেছনে কোনো গল্প আছে কীনা?

    আল নাহিয়ান খান জয়: আসলে রাজনীতির প্রতি ভালোবাসা পরিবার থেকেই পেয়েছি। পরিবারের বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা ছিল। আমরা ছোটোবেলা থেকে দাদা-বাবা থেকে বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনতাম। তার ভাষণের কথা শুনতাম। যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, তখন থেকে চিন্তা করেছি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্ল্যাটফর্মে রাজনীতি করবো। স্কুল জীবন থেকেই এই স্বপ্ন ছিলো, তার ধারাবাহিকতায় এই দায়িত্বে এসে কাজ করছি।

    যোগ্য অনেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পায়নি, বা অনেকে প্রত্যাশিত পদ পায়নি। তাদের পদায়নে আপনারা কোনো ব্যবস্থা নেবেন কীনা?

    আল নাহিয়ান খান জয়: আসলে আমাদের সারাদেশে লাখ লাখ নেতাকর্মী, ৩০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সবাইকে জায়গা দিতে পারি না। এটা সম্ভবও না। তবে আমি বলেছি, যারা মাঠে থেকে দিনরাত পরিশ্রম করেছে কিন্তু বিভিন্ন কারণে বাদ পড়েছে। যারা যোগ্যতা নিয়ে রাজনীতি করছে, মাঠে যাদের ডেডিকেশন আছে, পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডও আওয়ামী লীগের। তাদের আমরা পদায়ন করবো, নেতৃত্বে নিয়ে আসবো।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হল শাখা ও অনেকগুলো জেলা শাখার সম্মেলন দীর্ঘদিন ঝুলে আছে, আপনারা এগুলো শিগগিরই করবেন কীনা?

    আল নাহিয়ান খান জয়: একটা ঝামেলা বা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা দায়িত্বে এসেছি। তারপরও দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নির্দেশনা দিয়েছি, যেনো তারা দ্রুত হল সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করেন। আশা করছি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পরই আমরা হল সম্মেলন দিতে পারবো।

    এছাড়া দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই সারাদেশে বিভিন্ন ইউনিটেও আমরা যোগাযোগ করছি। কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে সমাধান করছি। কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ কমিটিও দিয়েছি। অচিরেই বিভিন্ন সাংগঠনিক ইউনিটে তারিখ দিয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব নিয়ে আসবো।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলেক্ষ্যে সারাদেশের নেতাকর্মীদের প্রতি আপনার আহ্বান কী?

    আল নাহিয়ান খান জয়: বর্তমান যে ডিজিটাল যুগ, তথ্যপ্রযুক্তির যে ব্যবহার, এরমধ্য দিয়ে আমরা সবার সঙ্গে কথা বলি। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা প্রতিদিনেই আমাদের সঙ্গে কথা বলে। প্রতিদিনই নির্দেশনা দেই। তবুও ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী উপলক্ষ্যে সাংগঠনিক ইউনিটের নেতাকর্মীদের প্রতি আমাদের আহ্বান- তারা যেনো তাদের সাবেক ও বর্তমানদের নিয়ে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। আর ছাত্রলীগের সুনাম অক্ষুণ্ন রেখে যেনো সবাই কাজ করে। চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজসহ কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলাকারীদের ছাত্রলীগের স্থান নেই। তাদের যেনো প্রত্যেক শাখা ইউনিট থেকে বাদ দেয়া হয়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের অন্যায় আমরা মেনে নেবো না।

    আমাদের সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

    আপনাকে ও আপনার মাধ্যমে পরিবর্তন পরিবারকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

  • বরিশাল নগরীকে ডিজিটাল করতে কাজ চলছে- মেয়র সাদিক

    বরিশাল নগরীকে ডিজিটাল করতে কাজ চলছে- মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় সারাদেশের মতো বরিশালকে ডিজিটালাইজড করতে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের একাধিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির বাণিজ্য প্রসারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    বুধবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে নগরের আছমত আলী খান ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে পাঁচ দিন ব্যাপী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো বরিশাল-২০২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
    .
    বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি বরিশাল শাখার চেয়ারম্যান শাহ বোরহার উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শাহবুদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম অজিয়র রহমান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন, কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, আছমত আলী খান ইনস্টিটিউশনের সভাপতি সৈয়দ গোলাম মাসউদ বাবলু, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন এবং ওয়ালটন ল্যাপটপ) শরিফ আব্দুল্লাহ।

    মেলায় পাঁচটি প্যাভিলিয়ন ও ৬৬টি স্টলে কম্পিউটার ও বিভিন্ন এক্সেসরিজ, সিসিটিভি ক্যামেরাসহ নানা সামগ্রী পরিদর্শন ও বিক্রির জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।’

  • বরিশালকে ডিজিটালাইজড করতে কাজ চলছে : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশালকে ডিজিটালাইজড করতে কাজ চলছে : মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় সারাদেশের মতো বরিশালকে ডিজিটালাইজড করতে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের একাধিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির বাণিজ্য প্রসারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    বুধবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে নগরের আছমত আলী খান ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে পাঁচ দিন ব্যাপী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো বরিশাল-২০২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
    .
    বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি বরিশাল শাখার চেয়ারম্যান শাহ বোরহার উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শাহবুদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম অজিয়র রহমান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন, কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, আছমত আলী খান ইনস্টিটিউশনের সভাপতি সৈয়দ গোলাম মাসউদ বাবলু, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন এবং ওয়ালটন ল্যাপটপ) শরিফ আব্দুল্লাহ।

    মেলায় পাঁচটি প্যাভিলিয়ন ও ৬৬টি স্টলে কম্পিউটার ও বিভিন্ন এক্সেসরিজ, সিসিটিভি ক্যামেরাসহ নানা সামগ্রী পরিদর্শন ও বিক্রির জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে

  • ভিপি নুরের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে খানসামায় প্রতিবাদ মিছিল

    ভিপি নুরের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে খানসামায় প্রতিবাদ মিছিল

    ডাকসুতে হামলার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ডাকসুর ৩৭ জনের বিরুদ্ধে ভিপি নুরের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট বাজারে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ সোমবার দুপুরে খানসামা উপজেলার পাকেরহাট গ্রোয়ার্স মার্কেটের সামনে এই প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে খানসামা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।

    এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাকেরহাট গ্রোয়ার্স মার্কেট থেকে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল বের করে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শাপলা চত্বরে গিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলার ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজ সরকার, খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম, সদস্য রাকেশ গুহ, ভেড়ভেড়ী ইউয়িন ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাওফিক আহমেদ শামীম, ৩নং আংগারপাড়া ইউনিয় ছাত্রলীগের আহ্বায়ক লিটন ইসলাম।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, ডাকসুর হামলার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এবং দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কৃতি সন্তান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর নির্বাচিত সদস্য রকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য সেদিন ওই ঘটনায় অনুপস্থিত থাকার পরও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ভিপি নুরের এই মিথ্যা মামলা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিব না। এই মামলা ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা হয়েছ। অতিদ্রুত তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর আন্দোলের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

  • বরিশালে ছাত্রলীগ নেতা সৌরভের বিয়েতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম সৌরভের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর ক্লাব রোডস্থ বরিশাল ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে বর ও কনেসহ তার পরিবারের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন বরিশাল সিটি কর্পােরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়াম লীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।