Category: রাজণীতি

  • আ.লীগের কাউন্সিলে হাসানাত আব্দুল্লাহকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করার দাবী

    আ.লীগের কাউন্সিলে হাসানাত আব্দুল্লাহকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করার দাবী

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিকে আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দেখতে চায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী সহ গোটা বরিশাল বাসী।

    দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা পার্বত্য শান্তির চুক্তির প্রণেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ তার মেধা.মনন,শৈলী, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে আ’লীগকে বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনা লে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে এক অপ্রতিদ্বন্ধী রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করেছেন। তার নেতৃত্বে আ’লীগ নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক তৎপরতায় এ অ লে বিএনপি-জামায়াত’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট অনেকটা অস্তিত্বহীণ হয়ে পড়েছে।বরিশালের সকল উপজেলা ও জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীদের বিজয়ী করতে পলিসি মেকারের ভূমিকায় অবর্তীণ হন বঙ্গবন্ধুর অবিনাশী আদর্শের এ নেতা। রাত-দিন একাকার করে তিনি আ’লীগকে সুসংগঠিতও দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে শহর থেকে গ্রাম আর গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ছুঁটে বেড়ান। তার দূরদর্শিতায় বরিশালের সব জনপ্রতিনিধি এখন আ’লীগের।

    শুধু বরিশালেই নয় জাতীয় রাজনীতিতে তার সরব উপস্থিতিও রয়েছে। ১৯৯৭ সালে অশান্ত পার্বত্য অ লে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পাদনের মাধ্যমে তৎকালীণ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালণ করে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় তারও নাম লিখিয়েছেন। ওই সময় আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয কংগ্রেসে চেয়ারম্যান হবার শতভাগ সম্ভাবনার পরেও শেখ ফজলূল করিম সেলিমের মা, তার খালা ও বঙ্গবন্ধুর বোনের কথায় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ তার প্রার্থীতা প্রত্য্হাার করে চেয়ারম্যান পদে শেখ ফজলুল করিম সেলিমকে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়ে ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

    প্রসঙ্গত আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ যুবলীগের ওই সম্মেলন (কংগ্রেস) প্রস্তুতি কমিটিরও চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৭১ সালে মামা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে সেই সময়ের সাহসী টগবগে যুবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে বরিশাল অ লে মুজিব বাহিনী প্রধান হিসেবে মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য মনে করে সন্মূখ সমরে জীবন পণ লড়াই করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা পালণ করেন।

    স্বাধীনতার পর তিনি বরিশাল পৌরসভার সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। পরবর্তীতে বরিশাল-১(আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গোটা বরিশাল অ লে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আর্বিভূত হন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশেন, বিভাগ, শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয়, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র,শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রতিষ্ঠা, দোয়ারিকা-শিকারপুর ও দপদপিয়া ব্রিজ নির্মাণ সহ গোটা বরিশালের সার্বিক উন্নয়নে তার অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে রক্তঝড়া অচিন্তনীয় বিয়োগান্তুক অধ্যায়ের শোকগাথাঁয় মামা জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে বাবা তৎকালীণ কৃষিমন্ত্রী ও কৃষক কুলের নয়নের মনি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও নিজের শিশু পুত্র সুকান্ত আব্দুল্লাহ সহ পরিবারের অনেক স্বজনকে হারান তিনি। সেদিন রাতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অপার কৃপায় অলৌকিকভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ,বুলেটবিদ্ধ স্ত্রী শাহানারা আব্দুল্লাহ ও তার কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু পুত্র আজকের বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বেঁচে যান।

    শরীরে ৫টি বুলেট বহন করে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে শাহানারা আব্দুল্লাহ স্বামী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর মতো আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। ৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলা সহ নানা ভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও তার পরিবারকে হয়রানির শিকার হতে হয়।

    ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। সকল ষড়যন্ত্রের মধ্যেও আ’লীগের দুঃসময়ের কান্ডারির ভূমিকায় অবর্তীণ হয়ে বরিশালে আ’লীগকে সুসংগঠিত করে রেখে দলীয় নেতা-কর্মীদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    বরিশালে আ’লীগ মানেই হাসানাত ভাই। তার নেতৃত্বে দক্ষিনা লে সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল আ’লীগ চলছে দূরন্ত ও দূর্বার গতিতে। আসন্ন কাউন্সিলে আ’লীগের কিংমেকার বলে খ্যাত বর্ষিয়ান জননেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিকে আ’লীগের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারিত মন্ডলী প্রেসিডিয়ামে দেখতে চান গোটা বরিশালবাসী। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা চেহারার অবয়বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছায়া জননন্দিত নেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত করলে তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা,সততা,মেধা,বিশ্বস্ততা,প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে সাংগঠনিক ভাবে আরও শক্তিশালী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ ও ২০৪১ সালের রূপকল্প বাস্তবায়ন করে ক্ষুধা,দারিদ্র,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ-দুর্নীতিমুক্ত, শোষন ও বৈষম্যহীণ স্বপ্নের অসা¤্রদায়িক সোনারবাংলা বির্নিমাণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

    বরিশালের আ’লীগ নেতা-কর্মী ও সর্তীথজনদের বিশ্বাস জননেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার বিচক্ষন্নতা দিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে তার ত্যাগ ও যোগ্যতার যথার্থ মূল্যায়ন করবেন।

  • শহীদদের প্রতি বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা

    শহীদদের প্রতি বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ। সোমবার বরিশাল নগরীর ডিসি অফিস সংলগ্ন শহীদ নামফলকে এই শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন, বিএনপি বরিশাল জেলা (দ:) সভাপতি এবায়েদুল হক চান, বরিশাল জেলা (উত্তর) বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ, বরিশাল জেলার (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন, বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম পান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আব্দুল্লাহ সাদি, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম সুজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাজেদ শিকদার সুজন, সহ-সাংগঠনিক আরিফুর রহমান হেলাল, মসিউর রহমান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মিঠু আহমেদ, তাঁতি বিষয়ক সম্পাদককাওসার হোসেন রহিম, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান বাপ্পী, সহ-দপ্তর সম্পাদক হানিফ হাওলাদার রিয়াজ প্রমুখ।

  • মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কেই দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কেই দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাজাকারদের তালিকার বিষয়ে আগেই নোট দেওয়া হলেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তা সংশোধন করেনি বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘রাজাকারদের তালিকার বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে নোট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা তা সংশোধন করেনি। তাদের আরো যাচাই-বাছাই করা উচিত ছিল।’

    এদিকে সম্প্রতি প্রকাশ করা রাজাকারদের তালিকায় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার নাম আসার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এই ঘটনার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে রাজাকারদের যেই তালিকা পেয়েছি, সেটাই প্রকাশ করেছি। এটা আমরা তৈরি করি নি। জাতি এই তালিকা চেয়েছে, আমরা শুধু প্রকাশ করেছি মাত্র।

    তিনি আরও বলেন, ‘এই ঘটনার পুরো দায় আমি নিজের কাঁধে নিচ্ছি। এবং এর জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি। বেশ কয়েকটি অভিযোগ ইতোমধ্যে আমাদের হাতে এসেছে। অভিযোগের পরিমাণ বেশি হলে তালিকা প্রত্যাহার করা হবে। এরপর তদন্ত করে আবার যখন নতুন করে তালিকা ছাপাবো, অবশ্যই দুঃখ প্রকাশ করে ছাপাবো।’

    এর আগে, গত রবিবার মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৯৭২ সালের দালাল আইনে মামলা করা হয়েছিল তাদেরকে রাজাকার আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর সদস্য হিসাবে চিহ্নিত করে ১০ হাজার ৭৮৯ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন। তবে তালিকা প্রকাশের পরই তালিকায় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার নাম থাকার অভিযোগ ওঠে।

  • দালাল আইনে মামলা থাকা ব্যক্তিদের নাম রাজাকারের তালিকায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দালাল আইনে মামলা থাকা ব্যক্তিদের নাম রাজাকারের তালিকায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক :: রাজাকারের তালিকা তৈরিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রাথমিকভাবে দালাল আইনে যাদের নামে মামলা হয়েছিল, সেই তালিকাটা পাঠিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তালিকার সঙ্গে কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু রাজাকারের তালিকা তৈরির সময় বিষয়টি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়নি বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজাকারের লিস্ট করবে। আমাদের কাছে তারা চিঠি পাঠিয়েছিল, আমাদের কাছে যে সমস্ত তথ্য আছে সেগুলো যেন পাঠানো হয়। রাজাকারের লিস্ট তৈরি করা দুরূহ ব্যাপার। আমরা প্রাথমিকভাবে দালাল আইনে যাদের নামে মামলা হয়েছিল, সেই দালাল আইনের লিস্টটা পাঠিয়েছি। সেই লিস্টে আমরা মন্তব্য করে দিয়েছি, অনেকের নামের মামলা উইথড্র করা হয়েছিল। সেটা তালিকায় যথাযথভাবে আসেনি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজাকারের তালিকা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত হবে।’

    আসাদুজ্জামান খান কামাল নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ রাজাকারদের তালিকা তৈরি করতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    ‘মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলমান দুর্নীতি, মাদক ও মজুতদারের বিরুদ্ধে অভিযানে কৃষক লীগের একাত্মতা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষক লীগ। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ।

    গত রোববার একাত্তরের রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও স্বাধীনতাবিরোধী ১০ হাজার ৭৮৯ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম ধাপে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    কিন্তু তালিকায় রাজশাহী, বরগুনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে পরিচিত। এসেছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার নামও। ফলে এই তালিকা নিয়ে ওই সব এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এই তালিকা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।

    তবে এরই মধ্যে রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম আসায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেছেন, ভুল–ভ্রান্তি বেশি বের হলে তালিকা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। আজ রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যে তালিকা পেয়েছি, হুবহু তা প্রকাশ করেছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সে সময়ের সরকারি রেকর্ড দিয়েছে, নতুন তালিকা করেনি।’

    সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শুদ্ধি অভিযান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন,‘শুদ্ধি অভিযান চলছে। অনেকেই মনে করছেন আমরা থেমে গেছি। আমরা আসলে থেমে নেই। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা এই অভিযান চলমান রাখব। আমরা তথ্যভিত্তিক অভিযান চালাব।’

    সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, কৃষক লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন সুইট, বিশ্বনাথ সরকার বিটু প্রমুখ বক্তব্য দেন।

    সভায় কৃষক লীগ নেতাদের দুর্নীতি, মাদক ও মজুতের বিরুদ্ধে শপথবাক্য পাঠ করান আলোচনা সভার বিশেষ অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

  • রাজাকারের তালিকায় ভুল থাকার কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাজাকারের তালিকায় ভুল থাকার কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    যাচাই-বাছাই না করেই রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আর এ কারণেই এই ভুল হয়েছে বলে জানান তিনি।

    মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কৃষক লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দালাল আইনে রাজাকারদের যে তালিকা ছিল, তা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে অনেকের নামের পাশে নোট ছিল, কারো নামে মামলা ছিল, সে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই না করেই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এজন্যই এমন অসঙ্গতি।

    আরও নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    উল্লেখ্য, একাত্তরে পাকিস্তানবাহিনীকে নানাভাবে সহায়তাকারী ১০ সহস্রাধিক রাজাকার, আলবদর ও আল শামসের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নামও ঢুকে পড়েছে, যা নিয়ে চলছে তুমুল সমালোচনা। এ বিষয়ে আজ দু:খ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক। বলেছেন, তালিকা সংশোধন করা হবে।

  • প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব জয়নুল আবেদীন আর নেই

    প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব জয়নুল আবেদীন আর নেই

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

    সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

    তার ভাগনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আবু রেজা নদভী বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন সিঙ্গাপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    তার মরদেহ আনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দফতর তদারকি করছে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ শোক জানান তিনি।

    অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে ‘বীর বিক্রম’ উপাধি পাওয়া এই সেনা কর্মকর্তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

  • লিংকন দাস লিটুর অকাল প্রয়ানে বিসিসি মেয়রের শোক

    লিংকন দাস লিটুর অকাল প্রয়ানে বিসিসি মেয়রের শোক

    বরিশাল নগরীর অমৃত লাল দে কলেজের শিক্ষক লিংকন দাস লিটুর অকাল প্রয়ানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বিবৃতিতে তিনি প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

  • যে কোন নগরীর থেকে বরিশাল নগরীর রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো : চীনা রাষ্ট্রদূত

    যে কোন নগরীর থেকে বরিশাল নগরীর রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো : চীনা রাষ্ট্রদূত

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. লি জিমিং।

    মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর ক্লাব রোডে বরিশাল ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ায় এই সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

    সৌজন্য সাক্ষাতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি’র বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজে চীনা সরকার ও তাদের ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রন জানান। এ কাজে যারা এগিয়ে আসবেন তাদের সর্বত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন মেয়র।

    এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নগরী অন্যান্য নগরীর থেকে কিছুটা অনুন্নত। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার দুরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়ন সাধিত করেছেন। আমি আশা করছি চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।

    প্রতি উত্তোরে চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. লি জিমিং বলেন, ‘যে কোন নগরীর থেকে বরিশাল নগরীর রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো। এটা একটি স্বাস্থ্য সম্মত নগরী বলে আমার মনে হচ্ছে।

    চীন সরকার এবং তাদের ব্যবসায়ীরা এখানে বিনোয়াগ করার জন্য আগ্রহী। আমি আশা করি বরিশাল অচিরেই একটি উন্নত নগরীতে পরিনত হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. লি জিমিং।

    সৌজন্য সাক্ষাত কালে চীনা রাষ্ট্রদূতের সফরসঙ্গী ছাড়াও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম (বার), জেলার স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক শহীদুল ইসলাম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, প্যানেল মেয়র-২ রফিকুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।

    সৌজন্য সাক্ষাত শেষে বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ চীনা রাষ্ট্রদূতকে বরিশাল সিটি’র প্রতীকি চাবি উপহার দেন।

    জানা গেছে, ‘চীনা রাষ্ট্রদূত তিন দিনের শুভেচ্ছা সফরে বরিশালে এসেছেন। তার বরিশাল সফরের মূল্য উদ্দেশ্য ছিলো বিসিসি মেয়রের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত। এছাড়া তিনি বরিশালের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখবেন।

  • বিজয় দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল ইসলামের বিশাল র‌্যালী

    বিজয় দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল ইসলামের বিশাল র‌্যালী

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ  ছাত্রলীগ, বরিশাল মহানগর এর ক্লিন ইমেজের নেতা মাইনুল ইসলামের নেতৃত্বে এক বিশাল র‌্যালী বের হয়। সকাল ১০ টায় র‌্যালীটি জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে থেকে চকের পোল প্রদক্ষিন করে পার্টি অফিসের সামনে এসে শেষ হয়।

    নগরীর চকবাজার থেকে ক্যামেরায় তানজিম হোসাইন রাকিব

     

    বরিশালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে একুশ বার তোপধ্বনির পর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস নানা ধরণের কর্মসূচির মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয়েছে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে প্রশাসনের পর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, জেলা দক্ষিণ ও উত্তর সহ, ওয়ার্কার্স পার্টিসহ অনান্য রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজাকারদের বিচারের প্রত্যয়ে শ্লোগান তোলেন। এর সাথে তৃণমূল পর্যায়ের রাজাকারদের তালিকা প্রকাশের দাবী করেন।

    এর পরে সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে অনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। সেখানে পুলিশ,আনসার,কারারক্ষি, সহ নগরীর অর্ধাশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক শারিরিক কসরত প্রদর্শণ করে। এছাড়াও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা কর্মসূচি মহান বিজয় দিবসে পালিত হচ্ছে।


    সকাল ১১ টায় নগরীর শহীদ সোহেল চত্বর জেলা ও মহানগর দলীয় কার্যালয় থেকে বিসিসি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল­াহ্’র নেতৃত্বে বিভিন্ন ডিসপ্লে সহ বেড় করা এক বিজয় র‌্যালি।

    এছাড়া সকাল ৯টায় বরিশাল রিপোটার্স ইউনিটির আয়োজনে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধের তথ্য ও দলিলচিত্র প্রদর্শণী করা হয়। এরপূর্বে রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজন অনুষ্ঠান ফিতা কেটে উদ্ধোধন করে বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

  • ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ

    ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। একই সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তালিকাও প্রকাশ করেন তিনি।

    মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয় সংলগ্ন সরকারি পরিবহন পুল ভবনের ৬ তলায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা ঘোষণা করেন তিনি।

    একাত্তরে খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনে যারা পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিলেন, সেসব রাজাকারের তালিকার প্রথম পর্ব প্রকাশ করা হয় রোববার।