Category: রাজণীতি

  • ১৬ই ডিসেম্বর রাজাকার তালিকা প্রকাশ!

    ১৬ই ডিসেম্বর রাজাকার তালিকা প্রকাশ!

    আসন্ন বিজয় দিবেসে রাজাকারদের তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ রবিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠক সূত্রে জানা যায়, রাজাকার, আলবদর ও আল শামসদের তালিকা প্রণয়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এরইমধ্যে যেসব জেলার রাজাকারদের তালিকা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে এসেছে সেগুলোই বিজয় দিবসে প্রকাশ করা হবে।

    জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, রাজি উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম এবং এ বি তাজুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরাসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।

  • বরিশাল মহানগরের নব নির্বাচিত আ.লীগে নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হাসানাত আবদুল্লাহ্

    বরিশাল মহানগরের নব নির্বাচিত আ.লীগে নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হাসানাত আবদুল্লাহ্

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ৩০ টি ওয়ার্ডের সম্মেলন সফলভাবে শেষ করে নতুন কমিটি ঘোষনা করায় এবং আগামী ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন সফল করার লক্ষে দক্ষিন বাংলার রাজনৈতিক অভিভাবক,পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লা্হ্ এমপি’র সাথে ৩০ টি ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

    শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তার শেরালস্থ বাস ভবনে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ এর সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট এ.কে.এম জাহাঙ্গীরসহ মহানগরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

    পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

    শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার সম্মেলন উদ্বোধন ঘোষণা করলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে মহানগরীর দুই শাখার উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

    এর আগে বেলা ১১টার দিকে সম্মেলনস্থলে পৌঁছান আওয়ামী লীগ সভাপতি।

    এ সময় শেখ হাসিনার আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে সম্মেলনে প্রধান অতিথি শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    পরে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়।

    এবার ঢাকা মহানগরের দুই অংশ একসঙ্গে সম্মেলনের আয়োজন করেছে। একইমঞ্চে একই সময়ে দুই অংশের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    এতে দুই অংশের নেতাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত আছেন। আজ দুই অংশ মিলিয়ে চার হাজার কাউন্সিলর ও ডেলিগেট উপস্থিত আছেন বলে জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

    উল্লেখ্য, প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ৩টায় রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে নেতৃত্ব নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই নগরীর দুই শাখার নবনির্বাচিত নেতাদের নাম জানা যাবে।

  • শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে : ওবায়দুল কাদের

    শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনীতি কেনাবেচার পণ্য নয়। রাজনীতি আপন ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার নয়। শেখ হাসিনা আমাদের এমন শিক্ষাই দিয়েছেন। রাজনীতিকে জনগণের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার।

    শনিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা পথ শেখ হাসিনা আমাদের অনুসরণ করতে বলেছেন। একজন রাজনীতিকের মানুষের ভালোবাসা পাওয়া ছাড়া আর কিছুই পাওয়ার নেই। অনুকরণ করতে হবে। শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ রাজনীতিক পঁচাত্তরের পর একজনের নাম কেউ বলতে পারবে না।

    এ সময় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের সাধারণ জীবনযাপনের বর্ণনা তুলে ধরে তিনি বলেন, কেন করাপশন করবেন? কেন অনিয়ম করবেন? কেন দুর্নীতি করবেন? কেন টেন্ডারবাজি করবেন? কেন চাঁদাবাজি করবেন? বঙ্গবন্ধু পরিবার এই দেশে সততার রাজনীতির প্রতীক। এই পরিবার থেকে শিক্ষা নিন সততা কাকে বলে।

    কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী যে শুদ্ধি অভিযানের সূচনা করেছেন এই শুদ্ধি অভিযান কে সফল করতে হবে। মনে রাখবেন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আর বেশি দূরে নয়। এই সম্মেলন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার শপথ নিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আপনাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সম্মেলন পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

  • বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি থেকে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পদত্যাগ

    বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি থেকে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পদত্যাগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি থেকে সভাপতি কামরুল ইসলাম কিরন ও সাধারন সম্পাদক আরিফুর রহমান মিরাজ ব্যাক্তিগত সমস্যার কারনে বুধবার রাতে পদত্যাগ করেছেন।

    ২১ শে নভেম্বর,২০১৯(বৃহস্পতিবার)  বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।কমিটিতে কামরুল ইসলাম কিরন সভাপতি, রিফাত রহমান প্রীতম সহ-সভাপতি, আরিফুর রহমান মিরাজ সাধারণ সম্পাদক, আহসান রাব্বি যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সামিয়া সুলতানাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আগামী এক বছরের জন্য বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

    ব্যাক্তিগত সমস্যার কারনে বুধবার রাতে সভাপতি কামরুল ইসলাম কিরন ও সাধারন সম্পাদক আরিফুর রহমান মিরাজ পদত্যাগ করেছেন।

  • খালেদার মেডিকেল রিপোর্ট চান আপিল বিভাগ

    খালেদার মেডিকেল রিপোর্ট চান আপিল বিভাগ

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থার বিষয়ে জানতে মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) এই রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়েছে। এদিন আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, কায়সার কামাল, ফাইয়াজ জিবরান প্রমুখ। শুনানিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে খালেদা জিয়ার জামিন চান জয়নুল আবেদীন।

    গত রোববার (২৫ নভেম্বর) শুনানির দিন ধার্য থাকলেও আপিল বিভাগের সব সদস্য শুনবেন বলে বৃহস্পতিবার তারিখ ঠিক করেন প্রধান বিচারতি। হাইকোর্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম জিয়ার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। চেম্বার আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

    আদালতে সেদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। উপস্থিত ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, মীর নাসির, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল, কামরুজ্জামান মামুন, সগীর হোসেন, জহিরুল ইসলাম সুমন, এহসানুর রহমান প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

    এর আগে ১৭ নভেম্বর এ আবেদন উপস্থাপনের পর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান শুনানির জন্য ২৫ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন।

    গত ১৪ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এ আবেদন করেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। গত ৩১ জুলাই দুর্নীতির মামলায় অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট।

    এদিকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হয়। পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করেন। তবে সে আবেদন এখনও আদালতে উপস্থাপন করেননি তার আইনজীবীরা।

    ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে, তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

    খালেদা জিয়ার পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সদ্যপ্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

    পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এর বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। এরপর চলতি বছর ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দ করার ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন।

    এরপর ২০ জুন বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। পরে ১১ সেপ্টেম্বর ফের জামিন আবেদন ফেরত দেন বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

    ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

    দুর্নীতির পৃথক দুটি মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রয়েছেন।

  • বরিশালের সাবেক এমপি জামালকে ৩ মামলায় আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    বরিশালের সাবেক এমপি জামালকে ৩ মামলায় আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    জাতীয় সংসদের বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ শহীদুল হক জামালকে দুদকের করা আরও তিন মামলায় অব্যাহতি দেয়ার আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, তাকে এক সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার জন্যও বলা হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

    নিম্ন আদালতের দেয়া অব্যাহতির আদেশ বাতিল চেয়ে দুদকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আসামিপক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও আইনজীবী এম কে রহমান।

    পরে আমিন উদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের জানান, এক মামলায় তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ বুধবার দেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার আরও তিন মামলায় চার সপ্তাহের রুল জারি করে নোটিশপ্রাপ্তির এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হলো।

    তিনি আরও জানান, বরিশাল বিভাগীয় স্পেশাল জজ গত ২৩ সেপ্টেম্বর চার্জ শুনানি শেষে তাকে একই ধরনের মোট ২০টি মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট চার মামলায় তার অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক।

    ঘটনার বিবরণী উল্লেখ করে আমিন উদ্দিন মানিক জানান, বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে বরাদ্দ ত্রাণের ৩০ টন চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুর রহিম জোয়ার্দার বাদী হয়ে ২০০৯ সালে ২৫ জুন বানারীপাড়া থানায় তিনটি মামলা করেন। পরে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াজেদ আলী গাজী তদন্ত করে ২০১২ সালে গত ১ আগস্ট সাবেক হুইপ সৈয়দ শহীদুল হক জামালসহ প্রত্যেক মামলায় দু-জন করে আসামি শ্রেণিভুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • খালেদা জিয়া অপরাধী নন, বললেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নূর (ভিডিও)

    খালেদা জিয়া অপরাধী নন, বললেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নূর (ভিডিও)

     রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কারাবন্দী রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নূর। তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলীয় প্রধানকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া মানে সেই দলকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়া। একটি দলের প্রধানকে কারাগারে পাঠিয়ে ক্ষমতাসীনরা অন্য সব বিরোধীদের সতর্ক করে দিয়েছেন বলে মনে করেন তিনি।’

    গত সোমবার একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নূর বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও উদারতার জায়গা থেকে খালেদা জিয়াকে সরকারের মুক্তি দেয়া উচিত।
    এমন সব মন্তব্যের পেছনে ভিপি নূরের যুক্তি, ‘যেখানে খালেদা জিয়ার মতো এতো বড় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জেলে রাখার পরও দেশে এ নিয়ে দুর্বার কোনো আন্দোলন হয়নি;তাহলে আমার মতো ভিপিকে কোনো মামলায় গ্রেফতার করে জেলে ঢোকালে তেমন কিছুই হবে না।’

    এমন বার্তা বা হুমকি তাকেও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে খালেদা জিয়ার কারাভোগের জন্য রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির ব্যর্থতাকে দায়ী করলেন ভিপি নূর।
    তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রধানকে মুক্তির বিষয়ে দলটির নেতাকর্মীরা সেভাবে আন্দোলন করতে পারেনি। আন্দোলন মানে রাজপথ উত্তেজিত করা নয়, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া নয়। আন্দোলনের নানা কৌশল আছে। অনেক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি আছে।’ খালেদা জিয়াকে মুক্তি করতে সেসব কৌশলের কোনোটাই বিএনপির নেতাকর্মীরা নিতে পারেনি বলে নূরের মন্তব্য।

    তিনি বলেন, ‘তারা বলে আমার নেত্রী আমার মা, বন্দী হতে দেব না। কিন্তু যখন খালেদা জিয়া বন্দী হচ্ছিলেন তখন তারা সেভাবে আন্দোলন করতে পারেনি। তারা যদি তাদের নেত্রীকে ভালোবাসেন তবে সেদিন তারা নিজেরাও থানার সামনে গিয়ে শুয়ে পড়ে বলতো যে, আমাদেরও গ্রেফতার করো। পুলিশের মার খেয়ে গণগ্রেফতার হতেন তারা। মানুষ দেখতো। কিন্তু সেটি তারা করেনি।’

    নূর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় বিএনপির দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের উচ্চপদস্থ নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাহারা খাতুন বিএনপির আমলে রাজপথে পুলিশের হাতে মার খেয়েছে। শাড়ি ধরে টেনেছে। এখন সেসব ঘটনার প্রতিশোধ নিতে থাকলে দেশের ভবিষ্যৎ কি? এই দুই বড় বিরোধী দলের হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতিতে সাধারণ মানুষ ভুক্তোভোগী হচ্ছে।’ এই নোংরা মানসিকতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে জানান তিনি।

    নুর বলেন, ‘এখন এমন হয়ে গেছে রাজনীতিবিদরা আর দেশের মানুষের স্বার্থে রাজনীতি করছেন না। বিশেষকরে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের উচ্চপদস্থ নেতারা ক্ষমতায় গেলে তারা ব্যস্ত কে এমপি হবেন, কে মন্ত্রী হবেন, কে ফ্ল্যাট কিনবেন, কে বাইরে জায়গা-জমি করবেন, কে বিদেশে বাড়ি বানাবেন! তৃণমূলেও একই ব্যাপার ঘটছে। রুট লেভেলের কর্মকর্তারা কেউ বাসকাউন্টার খাবে, কেউ মাছঘাটের ইজারা নেবে, কেউ গরুমহিষের হাটের ইজারা নেবে। বেশিরভাগ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে এমন সব বাণিজ্যিক বিষয় ঢুকে পড়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে এসব বাণিজ্যিক বিষয় প্রভাব ফেলছে।’
    নূর বলেন, ‘ছাত্র সংগঠন হিসেবে যেসব কাজ করা দরকার ছাত্রলীগ সেগুলো থেকে অনেক পিছিয়ে গেছে। তারা এখন শুধু তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেমেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেখেছি হাতুড়ি বাহিনী, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে হেলমেট বাহিনী দেখেছি। বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরাব হত্যার ঘটনা দেখেছি। আমরাও ছাত্রলীগের অহরহ হামলার শিকার হয়েছি সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এই ছাত্রলীগের কত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রলীগের অংশগ্রহণ যথেষ্ঠ প্রশংসনীয়। ছাত্রলীগ বর্তমানে আর সেই অবস্থানে নেই।’
    তবে সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ নয় বলেই ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের মাধ্যমে নিপীড়িত হচ্ছে বলে মনে করেন ভিপি নূর।

    সাধারণ মানুষ প্রতিবাদী ও ঐক্যবদ্ধ হলে এমনটা হতো না জানিয়ে তিনি উদাহরণ দেন, ‘বুয়েটে যেসব ছাত্রলীগ কর্মীদের দাপটে টেকা যেত না, আবরার হত্যাকাণ্ডের পর শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এখন সেখানে ছাত্রলীগের নামও মুছে দেয়া হয়েছে।’
    তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের নাম মুখে দেয়া আমাদের লক্ষ্য না, আমি বলতে চাচ্ছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্ররা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, প্রতিহত করতে শেখে তাহলে ছাত্রলীগ

    বা অন্য কোনো সংগঠন যারাই হোক না কেন তাদের মোকাবেলা করা অসম্ভব কিছু নয়। বরং সাধারণ ছাত্রদের এমন প্রতিবাদ দেখে সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা নিজেদের চরিত্রে পরিবর্তন আনবে। তাদের নিপীড়ন চরিত্র, টেন্ডাবাজি চরিত্র বন্ধ হবে। শিক্ষককে জিম্মি করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে আসবে।’

     

  • বরিশাল মহানগরের ৩, ৯, ২৫ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ ১৮টি ওয়ার্ড আ.লীগের কমিটি ঘোষণা

    বরিশাল মহানগরের ৩, ৯, ২৫ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ ১৮টি ওয়ার্ড আ.লীগের কমিটি ঘোষণা

    নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল মহানগরের ২২, ২৭, ২৪, ২৫, ২৬, ১৩, ২৩, ১১, ১২, ৯, ১০, ১৬, ১৭, ১৪, ১৫, ৩, ২০, ২১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক কাজী মুনির উদ্দিন তারিক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য বরিশাল ক্রাইম নিউজকে জানানো হয়েছে।

    ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোঃ মজিবুর রহমান মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক পদে হাজী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি জনি হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ফাহিম হাসান অর্ক, ১৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোঃ হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ হীরা, ১১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোঃ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে আতিকুর রহমান মুন্না, ২২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ মনজুর ও সাধারন সম্পাদক পদে এইচএম হাফিজুর রহমান শিবলী, ২৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোঃ আব্দুল আলীম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ শফিকুল আলম বাবু সরদার ২৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ নাজমুল হুদা ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাহমুদ তারিজ, ২৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মীর শহীদুল ইসলাম রনি, ২৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে হুমায়ূন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক পদে সোলাইমান হা্ওলাদার বাপ্পি, ১২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে একেএম মোস্তফা সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ মিজানুর রহমান দিপু, ১০নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ সাইফুল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে শেখর চন্দ্র দাস, ১৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে খন্দকার রেজানুর রহমান রেজা ও সাধারণ সম্পাদক জনাব সঞ্জীব কুমার রায় পিংকু, ১৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে সৈয়দ মাসুদ করিম ও সাধারণ সম্পাদক পদে সাইদ মাহমুদ, ১৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে তৌহিদুর রহমান সাবিদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে শাকিল হোসেন পলাশ, ১৫নং ওয়ার্ডে সভাপতি হিসেবে শেখ রিয়াজ উদ্দিন কবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, ২১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসাবে মোঃ রুস্তম আলী হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু জাফর শিকদার, ২৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মনিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক পদে ইমরান চৌধুরি জামাল, ২০ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মোস্তফা কামাল ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাকিবুল হক রনিকে নির্বাচিত করে আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

  • আমাদের ‘বাংলার ভেনিস’ বরিশালকে এগিয়ে নেয়ার চিন্তা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে: মেয়র সাদিক

    আমাদের ‘বাংলার ভেনিস’ বরিশালকে এগিয়ে নেয়ার চিন্তা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে: মেয়র সাদিক

    অনলাইন ডেস্ক ::

    বরিশালে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন কর্মসূচির আওতায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) বরিশাল নগরের হোটেল গ্র্যান্ডপার্কে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম, প্রকল্পের অর্থায়নকারী সংস্থা জার্মানির কেএফডব্লিউ’র ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনির্বাণ কুন্ডু। আরও অতিথি ছিলেন জার্মানির কোকস জিএমবিএইচ এর টিম লিডার দিপক গুজরাল।

    কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ এই প্রকল্পের সাফল্য কামনা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবনা রয়েছে আমাদের স্বপ্নের বাংলার ভেনিসকে আগের জায়গায় নিয়ে যেতে। তার সেই ভাবনা বাস্তবায়নে আমরা যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি, তাহলে আগামীর সুন্দর বরিশাল গড়া সম্ভব।

    তিনি বলেন, নগরীর খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খালগুলো পুনরুদ্ধারে আমাদের কাজ করতে হবে।

    কাজের মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, টেকসই উন্নয়ন পেতে হলে ব্যক্তিস্বার্থের কথা ভুলে গিয়ে সমষ্টিগত উন্নয়নের কথা চিন্তা করতে হবে।

    জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের পরিচালক বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খান মো. নুরুল ইসলাম জানান, জার্মানির কেএফডব্লিউ এর আর্থিক সহায়তায় বরিশাল নগরে ১৩০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

    এই কর্মশালার মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১ মাসের মধ্যে প্রকল্পের সরেজমিন কাজ শুরু হবে।

    প্রকল্পের আওতায় বন্যার পানি থেকে বাঁচতে নগরের পলাশপুর, রসুলপুর ও কলাপট্টি বস্তির ২০৬টি ঘর উঁচুকরণ, কলাপট্টি বস্তির ৬০২ মিটার ড্রেনেজ উন্নয়ন ও ২ ইউনিট করে ২০টি টয়লেট নির্মাণ, ৮টি বস্তিতে পাইপলাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ, ৩ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন, ২২ দশমিক ৭০ কিলোমিটার ড্রেন পুনর্নির্মাণ, নগরের সাগরদী খালের ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পুনঃখনন ও খালের দুই পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং নগরের বিভিন্ন এলাকায় ৭ দশমিক ১০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে।