Category: রাজণীতি

  • বার্ষিয়ান রাজনীতিবিদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এর জন্মদিন  আজ

    বার্ষিয়ান রাজনীতিবিদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এর জন্মদিন আজ

    রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীমের জন্মদিন আজ (২৬ নভেম্বর)। ১৯৫০ সালের এই দিনে তিনি বরিশাল শহরের পৈত্রিক নিবাসে জন্মগ্রহণ করেন। এই রাজনীতিবিদের ৭০তম জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতৃবৃন্দসহ সংসদীয় এলাকা বরিশাল সদর আসনের নেতাকর্মীরা।

    বরিশাল সদর আসনের সাংসদ জাহিদ ফারুকের জন্মদিনে কোন ধরনের আড়ম্বর না থাকলেও কর্মী-সমর্থকেরা ছোট্ট পরিসরে পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন মসজিদে দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে তার দীর্ঘায়ু কামনা করা হচ্ছে।

    সেনাবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তা স্বাধীনতার স্বপেক্ষ শক্তি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পরে ২০০৮ সালে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে বরিশাল সদর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই দফায় তিনি অল্পকিছু ভোটে পরাজিত হলেও গত ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে এই আসনে জয়ী হন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ ফারুক।

    পরে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    এই আওয়ামী লীগ নেতা বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন- জন্মদিনে তাঁর বিশেষ কোন আয়োজন নেই। তবে পরিবার পরিজনদের নিয়ে সন্ধ্যার পরে একটি কেক কাটতে যাচ্ছেন।

    এর আগে সকালে ঘুম থেক উঠে নাস্তা সেরে প্রতিদিনের মতো মন্ত্রণালয়ে যান সরকারের এই মন্ত্রী।

  • পুলিশের তাড়া খেয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পালাল বিএনপিকর্মীরা

    পুলিশের তাড়া খেয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পালাল বিএনপিকর্মীরা

    দুর্নীতি মামলায় সাজা পেয়ে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটকে অবস্থান নেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় তারা খালেদার মুক্তির দাবি জানান। পরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে রাস্তা থেকে সরে যান তারা।

    এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে তাদের ছত্রবঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

    এর আগে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুর ১টার কিছুক্ষণ আগে থেকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মূল ফটকে জড়ো হন। প্রধান বিচারপতি যেখানে বিচার কাজ পরিচালনা করেন তার সামনের মূল রাস্তায় বসে যান তারা। এসময় নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি চেয়ে স্লোগান দেয়া শুরু করেন।

    সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তায় কোর্ট এলাকায় পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা যেন কোর্টের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য কোর্টের সকল গেটে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।

    সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন। তাদের অবস্থানের কারণে কদম ফোয়ারা থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কের একাংশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে।
    সড়কে অবস্থান নেয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে অ্যাকশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

  • আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু

    আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু

    দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে বসেছে পদ্মা সেতুর ১৭তম স্প্যান (৪ডি)। জাজিরা প্রান্তের মাদারীপুর এলাকায় মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের সময় স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের বসানো হয়।

    স্প্যানটি বর্ষার আগে মাওয়া কুমারভোগ কনেস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে এনে জাজিরা প্রান্তের ২৭ ও ২৮ নম্বর পিলারের কাছে বিশেষ কাঠামোর ওপর রাখা হয়েছিল। পরে বিশাল আকৃতির ক্রেন দিয়ে সকাল ৯টার দিকে স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে আসা হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে পিলারের ওপর ওঠানোর কাজ শুরু হয়। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের সময় স্প্যানটি পিলারের ওপর তোলার কাজ শেষ হয়। মূল সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি ও সেতু কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

    এদিকে এই স্প্যানটি বসানোর ফলে দৃশ্যমান হয়েছে পদ্মা সেতুর ২ হাজার ৫৫০ মিটার। অর্থাৎ আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হুমায়ন কবীর জানান, ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটিতে বসেছে এই স্প্যানটি। এর ফলে সেতুর ২ হাজার ৫৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। আগামী ৪ অথবা ৫ ডিসেম্বর ১৭ ও ১৮ নম্বর খুঁটিতে বসার কথা রয়েছে ১৮তম স্প্যান। এখন থেকে অল্প সময়ের ব্যবধানে স্প্যান উঠতে থাকবে।

    তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে চীন থেকে আরও দুটি স্প্যান বাংলাদেশে পৌঁছেছে। সমুদ্রপথে গত ১৯ নভেম্বর বিকেলে স্প্যান দুটি মংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে ১৬তম স্প্যান (৩ডি) ১৬ ও ১৭ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয়েছে। ওই স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে সে সময় সেতুর ২৪০০ মিটার দৃশ্যমান হয়। স্প্যান বসার পরে কাজের গতি বেড়েছে।

    প্রকৌশলী জানান, সব চ্যালেঞ্জ জয় করে এগিয়ে যাচ্ছে মূল সেতুর কাজ। পিলারের পাশাপাশি, স্প্যান, রোডওয়ে ও রেলওয়ের কাজও এগিয়ে চলছে। পুরো সেতুতে ২ হাজার ৯৩১টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। আর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে ২ হাজার ৯৫৯টি। সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে পুরো প্রস্তুত এখন ৩৩টি। ৪২টি পিলারের উপর ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।

    ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুতে প্রথম স্প্যান বসানো হয়। এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। মূল সেতুর কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি)। আর নদীশাসনের কাজ করছে সেদেশেরই আরেক প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

  • ২ নং শুক্তাগড় ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৯ অনুষ্ঠিত

    ২ নং শুক্তাগড় ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৯ অনুষ্ঠিত

    এইচ এম নুরুল ইসলাম সুমন:

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মো: নুরুল আমিন খান সুরুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক, ঝালকাঠী জেলা আওয়ামীলীগ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, এড. এ. এইচ. এম. খাইরুল আলম সরফরাজ, সাধারন সম্পাদক ও আহব্বায়ক, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি,রাজাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ। আরও উপস্থিত ছিলেন এড. বাবু সন্জিব কুমার,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক,ঝালকাঠী জেলা আওয়ামীলীগ।

    ছবি: এইচ এম নুরুল ইসলাম সুমন:

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাক্ষ মনিরউজ্জামান, উপজেলা চেয়ারম্যান রাজাপুর উপজেলা পরিষদ। এছাড়াও বিভিন্ন নেতৃীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এম নুরুল ইসলাম সুমবঃগতকাল সোমবার ২ নং শুক্তাগড় ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মো: নুরুল আমিন খান সুরুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক, ঝালকাঠী জেলা আওয়ামীলীগ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, এড. এ. এইচ. এম. খাইরুল আলম সরফরাজ, সাধারন সম্পাদক ও আহব্বায়ক, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি,রাজাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ। আরও উপস্থিত ছিলেন এড. বাবু সন্জিব কুমার,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক,ঝালকাঠী জেলা আওয়ামীলীগ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাক্ষ মনিরউজ্জামান, উপজেলা চেয়ারম্যান রাজাপুর উপজেলা পরিষদ। এছাড়াও বিভিন্ন নেতৃীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও আসছে ব্যাপক রদবদল

    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও আসছে ব্যাপক রদবদল

    আর মাত্র এক মাস পরেই আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারও জাতীয় সম্মেলনে সবচেয়ে আলোচনার বিষয় দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ। এবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও ব্যাপক রদবদল আসছে, এটা নিশ্চিত। এরইমধ্যে ‘দলে সাধারণ সম্পাদক পরিবর্তন হচ্ছেন’- এমন গুঞ্জন যেমন রয়েছে তেমনি ‘ওই পদটি অপরিবর্তনীয় থাকছে’ এমন আলোচনাও রয়েছে। সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য দলের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজনের নাম এখন আলোচনায়। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে কে আসছেন সে বিষয়ে দলের কেউই এখনও পরিষ্কার নন।

    আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রগুলো বলছে, এরইমধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগে শীর্ষ নেতৃত্বে আমূল পরিবর্তন এনেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এটা আসলে একটা ইঙ্গিত দলের কেন্দ্রীয় কমিটির জন্যও। এর আগে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েন ৫০ জন এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৪৩ জনের মধ্যে ৪১ জনই বাদ পড়েন।

    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা মনোভাব প্রকাশ করেছেন, দলীয় হাইকমান্ড দীর্ঘদিন থেকেই দলের মধ্যে তারুণ্যকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যা দেখে মনে হতে পারে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবারের পর পরিবর্তন আসতে পারে। হয়তো এ চিন্তা থেকেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পরিবর্তনের প্রাক প্রস্তুতি হিসেবে এবার পদে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

    সূত্র জানায়, এবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাদ পড়বেন অনেক ‘প্রভাবশালী ও হেভিওয়েট’ নেতা, যার সংখ্যা দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের মোট সংখ্যার অর্ধেক। নতুন নেতৃত্বে কারা আসবেন তা নিয়ে দলের নবীন-প্রবীণ নেতাদের আমলনামার বিশ্লেষণ চলছে। তবে দলের ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির কলেবর বাড়ছে না। এখনও দলের কোনো কেন্দ্রীয় নেতাই বলতে পারছেন না আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে কে শেষ পর্যন্ত আসছেন। সম্মেলনে তরুণ নেতৃত্বকে এবার গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি যারা ক্লিন ইমেজের ও অতীতে ত্যাগ শিকার করেও এখনো তেমন কিছুই পাননি তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

    জানা গেছে, আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটিতেই একটি সদস্য ও সভাপতিমণ্ডলীর দুটি সদস্য পদ খালি আছে। সেগুলো এই মুহূর্তে পূরণ হবে না। সম্মেলনের পর সেগুলো পূরণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কমিটির কলেবর আগের মতোই থাকছে। অর্থাৎ কমিটি ৮১ সদস্যেরই থাকছে।’

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের সাধারণ সম্পাদক ও গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটির অনেকের পদোন্নতি ও অনেকের পদাবনতি হতে যাচ্ছে। গত কয়েক বছরে দলের কোনো কাজেই যাদের দেখা যায়নি এমন নেতারা বাদ পড়তে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সারা দেশে দলের তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগের কর্মঠ, ত্যাগী ও স্বচ্ছভাবমূর্তির কয়েকজন নেতাকে পুরস্কৃত করা হবে। নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের জন্য আওয়ামী লীগে সাবেক কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাও আসতে যাচ্ছেন।

    সম্পাদকমণ্ডলীর অনেক সদস্য মন্ত্রিসভায়, আগামী সম্মেলনে সেখানে নতুন মুখ কারা আসছেন এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা ডিসাইড করার মালিক আমাদের সভাপতি, এটা আমাদের গঠনতন্ত্রে ক্ষমতা দেয়া আছে। আমাদের নেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, তিনি নির্ধারণ করবেন কে আসবে দলে। আমাদের দলে শেখ হাসিনা ছাড়া আরও কেউ অপরিহার্য ব্যক্তি নয়। আমি আপনাদের পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমরা কেউই অপরিহার্য নই।

    আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলের মধ্যে চলমান শুদ্ধি অভিযানের প্রভাব পড়বে দলের কেন্দ্রীয় সম্মেলনেও। যারা এরইমধ্যে বিতর্কিত, তারা কমিটিতে স্থান পাবেন না। নতুন-পুরনো মিলেই কমিটি হবে। সভাপতিমণ্ডলী থেকে কেউ উপদেষ্টাও হতে পারেন। আবার উপদেষ্টা থেকে সভাপতিমণ্ডলী, যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে সদস্য কিংবা সদস্য থেকে যুগ্ম সম্পাদকও হতে পারেন। কমিটি থেকে বাদও পড়তে পারেন অনেকে। আসতে পারে নতুন মুখ।

    দলের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দলের সাধারণ সম্পাদক পদেও নেত্রী না ইচ্ছা করবেন, সেটাই হবে। তিনি পরিবর্তন চাইলে, পরিবর্তন হবে। আমাদের এখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। হয়তো কারও কারও ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। সাধারণ সম্পাদক পদেও প্রার্থী থাকতে পারে। সেখানে কোনো অসুবিধা নেই। আমি যদি মনে করি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আর কেউ হতে পারবে না, এটা তো ঠিক না। এটা ডিসাইড করবেন নেত্রী, তবে প্রার্থী হওয়ার অধিকার সবার আছে।’

    দলের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এক কেন্দ্রীয় নেতা সাংবাদিকদের বলেন, অতীতে দলে অনেক কেন্দ্রীয় ও বড় নেতা ছিল। যাদের সারা দেশের প্রতিটি অলিতে-গলিতে চিনতো। যাদের দলের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত কার্যকর গ্রহণযোগ্যতা ছিল। সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের যিনি আন্দোলিত করতে পারেন। বর্তমানেও যিনি সাধারণ সম্পাদক তারও তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক নেতাকর্মী ও সমর্থক রয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক পদে এমনই একজন আসবেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    দলের সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য বলেন, দলের তৃণমূল ও জনগণের প্রত্যাশা ছাড়াও দল ও রাজনীতির জন্য যিনি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হবেন তাকেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে। এখানে যোগ্যতাই একমাত্র মাপকাঠি।

    দলীয় সূত্রগুলো বলছে, দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের অপরিবর্তনীয় থাকার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ তিনি বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকলেও এখন অনেকটাই সুস্থ্ রয়েছেন। আবারও তার এ পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    দলীয় অপর সূত্রগুলো বলছে, এবার দলের সাধারণ সম্পাদক পদে রদবদল প্রায় পাকাপাকি। যার অনেক ইঙ্গিত দলীয় প্রধানের কাছ থেকে তারা পেয়েছেন। নানা দিক থেকে দলে অন্তত ৭ জন নেতাকে নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

    জানা গেছে, দলের সাধারণ সম্পাদক পদে রদবদল হলে তাতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে থেকেই আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ পদের ৩ জনই আলোচনায় রয়েছেন। এই তিন জনের মধ্যে থেকে যিনি দলের জন্য গত কয়েক বছরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কর্মঠ ভূমিকায় ছিলেন তার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে গত এক বছর দলের অনেক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা। যারা বর্তমানে দলের সকল কর্মকাণ্ডেই যুক্ত থাকছেন। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করছেন। তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদেই রাখা হচ্ছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে বাদের তালিকায় আছেন কমপক্ষে ১০ জন। বাদ পড়াদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী, যারা এবার উপদেষ্টা পরিষদে স্থান পেতে যাচ্ছেন। উপদেষ্টা পরিষদ থেকে ৩ জন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হতে পারেন বলে দলে আলোচনা রয়েছে। দলের সম্পাদকমণ্ডলীর মধ্যে অনেকেই বিতর্কিত হওয়ায় বাদ পড়তে পারেন। দলে নিষ্ক্রিয়তা, কমিটি বাণিজ্য, নিজ এলাকায় দলীয় কোন্দল নিরসন করতে না পারাই এর মধ্যে অন্যতম কারণ। তবে নানা কারণে আবার কয়েকজন তরুণ নেতা এবার তাদের কাজের জন্যও পুরষ্কৃত হতে যাচ্ছেন। দলের ৮ সাংগঠনিক সম্পাদকের অধিকাংশই এবার বাদ পড়তে পারেন। সম্পাদকমণ্ডলীর আরও কয়েকটি পদে পরিবর্তন আসতে পারে।

  • অনুমতি না নিয়ে সমাবেশ করার সাহস বিএনপির নেই : কাদের

    অনুমতি না নিয়ে সমাবেশ করার সাহস বিএনপির নেই : কাদের

    অনুমতি না নিয়ে বিএনপির সভা-সমাবেশ করার ঘোষণাকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করার সাহস বা শক্তি কোনোটাই বিএনপির নেই।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি তাদের নেত্রীকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে ৫০০ কর্মী নিয়ে একটি মিছিল-মিটিং করতে পারেনি তারা কীভাবে অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করবে? এ বিষয়টি হাস্যকর ছাড়া কিছুই না।

    তিনি বলেন, আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম তখন আমরাও অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করতে পারিনি। আমাদের সময় এমনও হয়েছে মিটিংয়ের আগের দিন রাতে আমরা সভার অনুমতি পেয়েছি।

  • সরাসরি কলকাতায় বরিশাল এক্সপ্রেস চালু হলে আমরা আরও সমৃদ্ধ হবো : মেয়র সাদিক

    সরাসরি কলকাতায় বরিশাল এক্সপ্রেস চালু হলে আমরা আরও সমৃদ্ধ হবো : মেয়র সাদিক

    অনলাইন ডেস্ক :: বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পার্শ্ববর্তী বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের ভূমিকা ছিল আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। স্বাধীনতা পরবর্তী ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমার দাদা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, আমার বড় ভাই সুকান্ত বাবুসহ আমাদের স্বজনদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তখন ভারত আমাদের পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছিল। যা কোনোদিন ভুলবো না।

    আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) বরিশাল নগরীর কাশিপুরে নতুন স্থানান্তরিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।

    সাদিক আব্দুল্লাহ আরও বলেন, বরিশালে এমনও অনেক লোক রয়েছেন যাদের স্বজনরা ভারতে থাকেন। আবার অনেকে ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কাজে ভারত যাওয়া আসা করেন। ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র নতুন জায়গাতে স্থানান্তরিত হওয়ায় আমি মনে করি, সেবার মান বাড়বে এবং সব সুবিধা আরও ভালোভাবে বরিশালবাসী গ্রহণ করতে পারবে।

    ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ শহরের সন্তান ও মেয়র হিসেবে বলতে পারি, আমি আপনাদের পাশে থাকবো এবং যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবো। বরিশাল থেকে কলকাতায় সরাসরি বরিশাল এক্সপ্রেস নামে বাস সার্ভিস চালু করতে যে ধরনের কাজ করা প্রয়োজন তা আমরা শুরু করেছি। ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে আমরা একটি আবেদনও দিয়েছি। বরিশাল এক্সপ্রেস চালু হলে আমরা আরও সমৃদ্ধ হবো এবং বন্ধুত্ব গভীরে যাবে।

    অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (খুলনা) মি. রাজেশ কুমার রায়না বলেন, বরিশালে দিনে দিনে ভারত ভ্রমণেচ্ছুদের সংখ্যা বাড়ছে। তাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বৃহৎ পরিসরে নতুন স্থানে ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কার্যক্রম আজ সোমবার থেকে চালু করা হয়েছে। এখান থেকে ভারত ভ্রমণেচ্ছু বরিশালের সাধারণ জনগণ উপকৃত হবেন।

    তিনি আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সু-সম্পর্ক রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, বরিশাল এক্সপ্রেস নামে বরিশাল থেকে কলকাতা সরাসরি বাস সার্ভিস চালু করতে। এর মাধ্যমে বরিশাল থেকে কলকাতার যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হবে।

    মি. রাজেশ কুমার রায়না বলেন, বৈধ ভিসায় ভারতে ভ্রমণকারী কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভারতীয় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রাথমিক ভিসাকে মেডিক্যাল ভিসায় রূপান্তর করার প্রয়োজন হবে না। আবার কোনো বিদেশি নাগরিক ভারতে প্রবেশের আগে থেকেই আক্রান্ত এমন রোগের (অঙ্গ প্রতিস্থাপন ছাড়া) ইনডোর মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট প্রাথমিক ভিসাতেই করতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শফিকুর রহমান সিকদার, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকনসহ ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতারা।

    বরিশালে ভিসা প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং জায়গা সংকটের কারণে আজ সোমবার থেকে এ কেন্দ্রের কার্যক্রম নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিপুরের ডিআইজি অফিস সংলগ্ন ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে।

  • বরিশাল ছাত্রলীগ নেতা সুজনের প্রকাশ্য সন্ত্রাস, থানায় জিডি

    বরিশাল ছাত্রলীগ নেতা সুজনের প্রকাশ্য সন্ত্রাস, থানায় জিডি

    বরিশাল ছাত্রলীগ নেতা আশিকুর রহমান সুজনের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পেটানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গতিপথ রোধ করে সিদ্দিকুর রহমান নামে ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে সুজন ও তার ভাই জহির প্রকাশ্যে পিটিয়ে এক নয়া সন্ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সুজনের বিরুদ্ধে এর আগেও বিরোধী মতের একাধিক রাজনৈতিক হেনস্তার নানা উদাহরণ রয়েছে। বিশেষ একটি মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় থাকার কারণে তার লাগাম টানা যাচ্ছিল না। ফলে তিনি নিজ এলাকা বরিশালের চরকাউয়া-সাহেবেরহাটে ধারাবাহিক সন্ত্রসের জন্ম দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু এবার এই ছাত্রলীগ নেতা বরিশাল সদর আসনের এমপি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীকের অনুসারী সিদ্দিকুর রহমানকে পিটিয়ে যেন নিজ আঙিনায় রীতিমত আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতের চরকাউয়া জিরো পয়েন্টে সুজন ও তার জহিরের এই প্রকাশ্য সন্ত্রাসের ঘটনায় শনিবার একটি সংশ্লিষ্ট বন্দর থানায় একটি অভিযোগ জমা হয়েছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগটি ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

    হামলার শিকার ছাত্রলীগ কর্মী সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন- ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে তিনি তার রাজনৈতিক অভিভাবক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর বরিশালের বাসার উদ্দেশে আসার প্রাক্কালে জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগ সম্পাদক সুজন ও তার ভাই জহির পথরোধ করে। এবং বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়ে খোদ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে ‘খিস্তিখেউর’র করে এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে সে দম্ভোক্তি করে বলে তোর নেতা (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী) আমার কিছু করার সক্ষমতা রাখে না। এবং সাথে সাথে ছাত্রলীগ কর্মীর ওপর দুই ভাই মিলে হামলা চালিয়ে মারধর করে। সর্বশেষ ছাত্রলীগ কর্মীকে সিদ্দিককে নানা ভয়ভীতি দেখায় এবং হত্যারও হুমকি দেয়। প্রতিমন্ত্রী অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে খিস্তিখেউর’র বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগের একটি বড় সংক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে প্রতিমন্ত্রী সমর্থিত বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ বিরাজের বিষয়টি আভাস পাওয়া গেছে।

    একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে- পুরো বিষয়টি ইতিমধ্যে প্রতিমন্ত্রী অবগত হয়েছেন। কিন্তু অনুসারী ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের কোন ধরনের সংঘাতে লিপ্ত না হওয়ার নির্দেশ দিয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলেছেন। মূলত সেই নির্দেশনার আলোকেই ঘটনার দুদিন পরে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অবশ্য পুলিশ এই অভিযোগ পেয়ে ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু করে দিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলছেন- প্রাথমিকভাবে অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত করা হচ্ছে। থানা পুলিশের এসআই মর্যদার এক কর্মকর্তা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এতে প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযোগটি মামলায় রুপ নেবে।

    তবে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলছেন- রাজনৈতিক শত্রুতা উদ্ধার করতে একটি মহল বিষয়টিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাকে ফাঁসানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

    এই ছাত্রলীগ নেতা দাবি করেন- সেদিন জুনিয়র ছেলেরা ঝামেলা করলে তিনি গিয়ে মিমাংসা করার চেষ্টা করেছিলেন মাত্র।’

  • শেখ ফজলে শামস পরশ কে বিসিসি মেয়র সাদিক এর অভিনন্দন

    শেখ ফজলে শামস পরশ কে বিসিসি মেয়র সাদিক এর অভিনন্দন

    বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান পদে শেখ ফজলে শামস পরশ কে নির্বাচিত করায়  বরিশাল সিটি কর্পোরশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

    আজ শনিবার এক বার্তায় বরিশাল সিটি কর্পোরশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান  শেখ ফজলে শামস পরশ কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

  • বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি গঠন

    বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি গঠন

    বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

    কমিটিতে কামরুল ইসলাম কিরন সভাপতি, রিফাত রহমান প্রীতম সহ-সভাপতি, আরিফুর রহমান মিরাজ সাধারণ সম্পাদক, আহসান রাব্বি যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সামিয়া সুলতানাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আগামী এক বছরের জন্য বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে।