Category: রাজণীতি

  • শাহজালালে থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

    শাহজালালে থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সক্ষমতার চেয়ে ক্রমবর্ধমান যাত্রীদের সেবার মান নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এটি আগের দুই টার্মিনালের চেয়ে চার গুণ বড় এ টার্মিনাল ভবন বছরে কমপক্ষে ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রী ধারণে সক্ষম।

    শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী ২১ হাজার ৩শ’কোটি টাকার এই প্রকল্প উদ্বোধন করেন।

    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা যায়, জাপানের মিটসুবিশি এবং ফুজিতা ও কোরিয়ার স্যামসং একটি কনসোর্টিয়াম- এর নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের দায়িত্ব পেয়েছে।

    প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারি কোষাগার থেকে পাওয়া যাবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে পাওয়া যাবে। এটি নির্মিত হলে বছরে আরো অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবে।

    ২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে ১৩ হাজার ৬১০ দশমিক ৪৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে একটি পৃথক কার্গো হাউজ স্থাপনসহ প্রকল্প কাজের কিছু অংশ বর্ধিত করায় মোট প্রকল্প ব্যয় বেড়ে ২১ হাজার ৩শ’কোটি টাকা হয়েছে।

  • নুরসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    নুরসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    অবৈধ জনতাবদ্ধ হয়ে ডাকসু ভবনে অনাধিকার প্রবেশ করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও চুরির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের হয়। শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মারামারির ঘটনায় ভিপি নুরুল হকসহ নাম উল্লেখ করে ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঢাবির শিক্ষার্থী ডি এম সাব্বির উদ্দিন। এছাড়া আরো ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে এ মামলায়।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২২ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার সময় উল্লেখিত ২৯ জন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো ১৫ জন লাঠি ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের ফলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ ৮ জন গুরুতর জখম হন। এছাড়া তাদের মারপিটের সময় মানিব্যাগ, মোবাইল ও হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয় আসামিরা। এসময় গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়।

    যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এপিএম সোহেল, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হানিফ, আমিনুল ইসলাম, তুহিন ফারাবী, মেহেদি হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিস উদ্দিন হলের ছাত্র সালেহ উদ্দিন সিফাত, নাজমুল হাসান, আয়াতুল বেহেশতী, রবিউল হোসেন, আরিফুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম।

    এর আগে ডাকসু ভবনে ভিপি নুরসহ তার সঙ্গীদের মারধরের অভিযোগে শাহবাগ থানায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাদের নাম উল্লেখ করে শাহবাগ থানায় মামলা হয়। মামলাটি আজ ডিবিতে স্থানান্তরিত হয়েছে।

  • মন্ত্রিসভায় আসছে রদবদল, পূর্ণ মন্ত্রীত্ব পাচ্ছেন কর্নেল (অব:) ফারুক

    মন্ত্রিসভায় আসছে রদবদল, পূর্ণ মন্ত্রীত্ব পাচ্ছেন কর্নেল (অব:) ফারুক

    দলের সম্মেলনের পর এবার মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন বছরের শুরুতেই এই পুনর্বিন্যাস হতে পারে। গত ৭ জানুয়ারির মন্ত্রিসভার এক বছর যারা ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি তাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন হতে পারে। আওয়ামী লীগের মধ্যে ত্যাগী, পরীক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন অনেক নেতাকর্মী রয়েছেন যারা দলের সঙ্কট সময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু কাউন্সিলে মূল্যায়ন করা হয়নি, এ রকম দুয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা বা পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নতুন বছরে সরকারের মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস হতে পারে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস একটি রুটিনওয়ার্ক। নতুন বছরে এটা হতে পারে।

    দলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন কিন্তু সরকারেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এমন কয়েকজনকে আওয়ামী লীগের ঘোষিত আংশিক কমিটিতে রাখা হয়নি। এর মধ্যে নৌ-প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে পূর্ণমন্ত্রী করা হচ্ছে বলে জোর আলোচনা রয়েছে। রাজধানীর চারপাশে নদী দখল উচ্ছেদ অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করে তিনি নদীর জায়গা রক্ষা করেছেন। বিভিন্ন রুটে নতুন করে নৌযান চালু ও সদরঘাটকে আধুনিক করে সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে এনেছেন।
    এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণমন্ত্রী হতে পারেন।

    এ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমকে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছিলেন। বর্তমান ঘোষিত আংশিক কমিটিতে তাদের রাখা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারে তাদের কাজে লাগাতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি দল ও সরকার আলাদা করার নীতিতে অটল থাকেন তা হলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ কয়েকজন মন্ত্রী মন্ত্রিত্ব ছাড়ার চাপে থাকবেন। কারণ দলে তাদের সাংগঠনিক কাজ অনেক। এছাড়া আগামী ১০ মার্চের আগে সারা দেশে আওয়ামী লীগের জেলা-উপজেলার সম্মেলন শেষ করার টার্গেট রয়েছে আওয়ামী লীগের। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাম্প্রতিক রাজাকার তালিকা নিয়ে সরকারকে বেশ বেকায়দায় ফেলে দিয়েছিলেন। ভুলে ভরা এই তালিকা নিয়ে খোদ সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাকে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়েছে। এই মন্ত্রণালয়ে রদবদল না হলেও একজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করা হতে পারে।

    পেঁয়াজ নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটে যাওয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি খুব চাপে রয়েছেন। এর আগে কোরবানির চামড়া নিয়েও একই রকম চাপে পড়েছিলেন এই মন্ত্রী। আসন্ন রদবদলে টিপু মুনশির দফতর রদবদল হতে পারে। কিংবা এ মন্ত্রণালয়ে নতুন কোনো প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন।

    এছাড়া পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণমন্ত্রী হতে পারেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

    সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, কয়েকজন সিনিয়র সাবেক মন্ত্রীকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতায় সমালোচনার কারণে বিব্রত সরকার। এজন্য কয়েকজন মন্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

    ব্যর্থতার দায়ে কেউ মন্ত্রিসভা থেকে বাদও পড়তে পারেন। পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতরেও সমালোচনার ঝড় বইছে। রেল মন্ত্রণালয়েও কাজের সমন্বয়হীনতা রয়েছে বলে মূল্যায়নে উঠে এসেছে। চালের দাম বৃদ্ধি ও এর নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হয়েছে। ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় দুয়েকজনকে আনা হতে পারে।

    কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী জানান, সরকার গঠনের এক বছর পূর্তি হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। মন্ত্রিসভার সদস্যদের গত বছরের ‘পারফরম্যান্স’ প্রধানমন্ত্রীর কাছে আছে। যারা ইতোমধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে তাদের হয়তো কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হবে। আর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দুয়েকজনের পদোন্নতি হতে পারে।

    সূত্র জানায়, রদবদলের অংশ হিসেবে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাককে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার পেতে পারেন অন্য কোনো মন্ত্রণালয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে আবদুর রাজ্জাককে খাদ্যমন্ত্রী করা হয়। এখন আবদুর রাজ্জাককে কৃষি থেকে সরিয়ে খাদ্যে নিয়ে আসা হলে কৃষিতে আগের মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে ফের বসানো হতে পারে। কৃষিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বেশ সফলতার পরিচয় দিয়েছিলেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রীকে নিয়ে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা সাজান তিনি।

    পাঁচ মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় প্রথম পরিবর্তন করা হয়। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানকে সরিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বদলি করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বরত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়।

    ছোট পরিসরে মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণে ইমরান আহমেদ পদোন্নতি পেয়ে প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হন। আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ফলে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রীর সংখ্যা বেড়ে হয় ২৫। তবে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা আগের মতোই ১৯ ও উপমন্ত্রীর সংখ্যা তিনজনেই রয়েছে। বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৪৭ জন। এবার মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস হয়ে এর সংখ্যা ৫৫ হতে পারে।

  • শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীত বিদ্যালয়ের জমি বেদখল হতে দেব না : মেয়র সাদিক

    শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীত বিদ্যালয়ের জমি বেদখল হতে দেব না : মেয়র সাদিক

     বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুজিব বাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান ছিলেন।আমার দাদাও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। বরিশালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে এমন একটা মানুষ জীবিত থাকা অবস্থায় শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীত বিদ্যালয়ের জমি বেদখল বা বেহাত হতে দেব না।

    সোমবার রাতে অমর একুশে গানের সুরকার, বরিশালের সন্তান শহীদ আলতাফ মাহমুদ এর ৮৬তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে দেয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মেয়র বলেন, বিভিন্ন মহল নানা উপায়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে সরকার কে বির্তকিত করার চেষ্টা করছে। কারন দেশে চলমান উন্নয়ন যজ্ঞ ওই মহলটির সহ্য হচ্ছে না। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সচেতন থাকার আহবান জানান।

    নগরীর হাসপাতাল রোডস্থ শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীত বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত বরিশালের এই কৃতি সন্তানের ৮৬ তম জন্ম বার্ষিকীতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালযের সভাপতি প্রবীন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এস এম ইকবাল।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাকেন সরকারি বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ইমানুল হাকিম,সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাজল ঘোষ, সাইফুর রহমান মিরন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

  • আওয়ামী লীগের নব নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদককে মেয়র সাদিকের অভিনন্দন

    আওয়ামী লীগের নব নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদককে মেয়র সাদিকের অভিনন্দন

    অনলাইন ডেস্ক :: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নেের ধারক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ররহমানের কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা নবম বারের মতো সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয় বারের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ, জাতি সর্বোপরি সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্যে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে। দেশ ও সংগঠনের নেতৃত্বে যতোদিন শেখ হাসিনা থাকবেন ততোদিন সব নিরাপদ ও গতিশীল থাকবে।

    বিবৃতিতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করেন।

  • সংসদীয় বোর্ডের সদস্য হলেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ

    সংসদীয় বোর্ডের সদস্য হলেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ

    আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের পাশাপাশি আগামী ৩ বছরের জন্য সভাপতিমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ও উপদেষ্টা পরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    সভাপতি: শেখ হাসিনা

    সাধারণ সম্পদাক : ওবায়দুল কাদের

    সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন- সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লেফটেন‌্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোটেক আব্দুল মান্নান খান, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, মো. শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মো. আব্দুর রহমান।

    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা হলেন- মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, হাছান মাহমুদ, বাহাউদ্দিন নাছিম।

    সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন যারা- আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এসএম কামাল হোসেন এবং মির্জা আজম। সাংগঠনিক সম্পাদকের তিনটি পদ খালি রয়েছে। স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ও সংসদীয় বোর্ডের সদস্যদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে।

    সম্পাদকীয় পদে জায়গা পেলেন যারা- এর মধ্যে শাম্মী আহমেদকে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরুকে আইন বিষয়ক সম্পাদক, ফরিদুন্নাহার লাইলীকে কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, সুজিত রায় নন্দীকে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, বিপ্লব বড়ুয়াকে দপ্তর সম্পাদক, আবদুস সোবহান গোলাপকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, দেলোয়ার হোসেনকে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুরকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, মেহের আফরোজ চুমকিকে মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মৃনাল কান্তি দাসকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, হারুনুর রশীদকে যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, শামসুন্নাহার চাপাকে শিক্ষা ও মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক, অসীম কুমার উকিলকে সংষ্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক এবং ডা. রোকেয়াকে স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।

    সংসদীয় বোর্ড- শেখ হাসিনা, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ওবায়দুল কাদের, মো. রাশিদুল আলম। বাকি নামগুলো পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে। এক্ষেত্রে বিভাগীয় দিকগুলো বিবেচনায় নিতে চান বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

    স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড- শেখ হাসিনা, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, কাজী জাফর উল্লাহ, মোহাম্মদ নাসিম, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লেফটেন‌্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ওবায়দুল কাদের, মো. রাশিদুল আলম, মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মো. আব্দুর রহমান, ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ।

    উপদেষ্টা পরিষদ- ৫১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদে আছেন- ডা. এস এ মালেক, আবুল মাল আব্দুল মুহিত, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী, এইচ টি ইমাম, ড. মশিউর রহমান, অধ‌্যাপক ড. আলাউদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবু নসর, শ্রী সতীশ চন্দ্র রায়, অধ‌্যাপক ড. আব্দুল খালেক, অধ‌্যাপক ডা. রুহুল হক, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, কাজী আকরাম উদ্দীন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, ড. অনুপম সেন, অধ‌্যাপক ড. হামিদা বানু, অধ‌্যাপক ড. মো. হোসেন মনসুর, অধ্যাপক সুলতানা শফি, এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী, অ্যাম্বাসেডর মোহাম্মদ জমির, গোলাম মওলা নকশাবন্দি, ড. মির্জা এম এ জলিল, ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক, অধ‌্যাপক ড. সাইদুর রহমান খান, ড. গওহর রিজভী, মো. রশিদুল আলম, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, কাজী সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ মকবুল হোসেন, মোজাফফর হোসেন পল্টু, অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, মুকুল বোস, সালমান এফ রহমান, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আতাউর রহমান, জয়নাল হাজারী। বাকি পদগুলো পরে আলোচনা করে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

  • সংসদীয় বোর্ডের সদস্য হলেন আমু-তোফায়েল-হাসানাত

    সংসদীয় বোর্ডের সদস্য হলেন আমু-তোফায়েল-হাসানাত

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নবমবারের মতো দলের সভাপতি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সদ্য বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে স্বপদেই রাখা হয়েছে।

    শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলটির সংসদীয় বোর্ডের সদস্যদের নামও ঘোষণা করা হয়।

    বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে শেখ হাসিনা, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্যাহ, ওবায়দুল কাদের এবং মো. রাশিদুল আলমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

  • সম্মেলনকে ঘিড়ে ঢাকার রাজপথ কাপালেন মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    সম্মেলনকে ঘিড়ে ঢাকার রাজপথ কাপালেন মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে লোকসমাগমের সংখ্যাগত বিবেচনায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও দলীয় নেতা সেরনিয়বাত সাদিক আব্দুল্লাহ চমকই দেখালেন। প্রায় ১০ হাজার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ঢাকায় উপস্থিত হয়ে সম্মেলনস্থল অভিমুখে রাজপথ কাপিয়ে তোলেন। শেখ হাসিনা ভয় নাই, সাদিক ভাই রাজপথ ছাড়ে নাই, এরুপ শ্লোগানে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত পৌঁছানের পূর্বে গগণবিদারী আওয়াজ ও কর্মী-সমর্থকদের ঢল সবার নজর কেড়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়- শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় ৫টি লঞ্চযোগে এই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সদরঘাট নৌবন্দরে পৌছানোর পর একত্রিত হয়ে মিছিলে শ্লোগান তোলে। প্রায় দুই ঘণ্টা সময় পায়ে হেঁটে দীর্ঘ এই মিছিলের বহর সম্মেলনস্থ সোহরওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছায়। মিছিলের অগ্রভাগে থাকা পায়জামা পাঞ্জাবী সহকারে মুজিবকোর্ট গায়ে সাদিক আব্দুল্লাহ’র নেতৃত্ব দেওয়ার ঢংয়েও ছিল ব্যতিক্রমতা। কখনও নিজে নেচে-দুলে আবার কখনও শ্লোগানের সুর তুলে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উম্মাদনা জাগ্রত করতে দেখা গেছে। বরিশাল শহর থেকে এই বিপুল সংখ্যক লোকের সমন্বয় বিশালকায় মিছিল সম্মেলনস্থলে পৌঁছা মাত্র সেখানে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাদের কড়তালির মাধ্যমে অভিবাদন জানান। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সাদিক আব্দুল্লাহ মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার ভঙ্গিমা এবং তার পেছনে কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহের স্রোতকে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার সাথে তুলনা করতে শোনা গেছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা মফস্বল শহর থেকে একত্রে এত নেতাকর্মী ঢাকামুখী হওয়ার দৃশ্য দেখে পুলকিত এবং ভুয়াসী প্রসংশা করেন।

    দলীয় নেতাকর্মীরা মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন- মেয়র সাদিকের নেতৃত্বে এই বিশালকায় মিছিল শুধু জনসভাস্থল নয়, ঢাকার রাজপথের পথচারীদের মাঝেও আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কত সংখ্যক লোক এই বহরে অংশ নিয়েছিল তা কেউ সঠিকভাবে নিরুপন করতে না পারলেও ১০ হাজারের কম হবে না বলে ধারণা করছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুইদিন ব্যাপি জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে সাদিক আব্দুল্লাহ এমনটিই চেয়েছিলেন ঢাকার রাজপথে নিজেকে উপস্থাপনে। সফলও হলেন গত এক সপ্তাহকালের প্রস্তুতির। এর আগে অনুষ্ঠিত বরিশাল মহানগরের সম্মেলনে নেতাকর্মী সমাগমে সফলতায় তার কারিশমা বা পরিকল্পার আলোকেই এই প্রস্তুতি নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

    সূত্র জানায়- অত্যান্ত সতর্কভাবে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের চিহ্নিত করে পরিচয়পত্র দিয়ে ঢাকা অভিমুখে তার সফর সঙ্গী করেন। বৃহস্পতিবার রাতে ৫টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয় বরিশাল নৌবন্দরের টার্মিনালে। জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একত্রিত হয়ে গভীর রাতে লঞ্চে চেপে ওঠেন। সাথে মহিলা নেত্রী ও কর্মী-সমর্থকদের সংখ্যাও কম নয়। রাত ১২ টার পর বরিশাল নৌবন্দরে ভিন্ন এক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। আ’লীগের নেতাকর্মীদের অভায়ারণ্যে এক উৎসবমুখর পরিবেশ পরিলক্ষিত হয়। এরপর মুহূমুহূ আতোশবাজি নৌবন্দরের আকাশ নানা রঙে আলোকিত করার পাশাপাশি সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারীদের নিয়ে ঢাকা অভিমুখে বরিশাল ছাড়ছেন তার প্রতিধ্বনি শোনা যায়।

    সফরে সম্পৃক্ত বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী নিশ্চিত করেন- সুশৃঙ্খল পরিবেশে এবং রাতে খাবার পরিবেশন সর্বশেষ সকালের নাস্তা পর দুপুর ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চগুলো অবস্থান নেয়। সেখানে মধ্যহ্নভোজের পর কিছুটা বিরতি নিয়ে সাদিক আব্দুল্লাহ নেতৃত্ব দিয়ে এই বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের সম্মেলনস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখী নিয়ে যান। এই সফরকে অনেকে শো-ডাউন হিসেবে দেখছেন। সেক্ষেত্রে সাদিক আব্দুল্লাহ শতভাগ সফল হয়ে ঢাকায়ও চমক সৃষ্টি করলেন, দৃষ্টি কাড়লেন সমাবেশস্থলে আসা দেশজুড়ে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের।’

  • শেখ হাসিনা সভাপতি ওবায়দুল কাদেরই সম্পাদক

    শেখ হাসিনা সভাপতি ওবায়দুল কাদেরই সম্পাদক

    উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুই দিনব্যাপী ২১তম জাতীয় সম্মেলন আজ। ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে গড়তে সোনার দেশ/এগিয়ে চলেছি দুর্বার, আমরাই তো বাংলাদেশ’ স্লোগান সামনে রেখে বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে কাউন্সিল অধিবেশনে আগামী তিন বছরের জন্য নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করা হবে। দলটির সভানেত্রী পদে টানা নবমবারের মতো নির্বাচিত হবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সাধারণ সম্পাদক পদেও পরিবর্তন আসছে না। দ্বিতীয়বারের মতো থেকে যাচ্ছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে অন্য পদগুলোতে আসবে নতুনত্ব। প্রেসিডিয়াম পদে অভাবনীয় পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। একইভাবে ব্যাপক রদবদল হবে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদেও। অন্যান্য সম্পাদকম-লীর পদগুলোতেও দায়িত্বের হেরফেরের পাশাপাশি ছিটকে পড়বেন কেউ কেউ। মূল্যায়ন হবে ১৯৮১ সালের পর যারা ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের। দলের একাধিক নেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এমন আভাস দিয়েছেন। এবারের সম্মেলনে দলের থিম ট্যাংক হিসেবে পরিচিত উপদেষ্টা পরিষদও সাজানো হবে নতুন করে। সূত্রমতে, আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রস্তুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বরণ করে নিতে। গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত জেলা-মহানগর, উপজেলা থেকে আগত ডেলিগেটস ও কাউন্সিলরদের কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। কাউন্সিলর ও ডেলিগেটস ছাড়াও সারা দেশ থেকে আসা ৫০ হাজার নেতা-কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।

    আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার বার্তা নিয়ে দলের ২১তম সম্মেলনের দিকে তাকিয়ে দেশবাসী। সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প কেবল শেখ হাসিনাই। কাজেই টানা নবমবারের মতো তিনি পুনরায় সভানেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হবেন এটা শতভাগ নিশ্চিত। টানা ৩৮ বছর দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দলটির নেতৃত্বে থেকে তিনি চার মেয়াদে দলকে ক্ষমতায় এনেছেন। ১৯৮১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে দেশে ফিরে গ্রামের পর গ্রাম হেঁটে সংগঠনকে সুসংগঠিত করেন। তিনি শুধু আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীই নয়, দেশবাসীর আস্থার প্রতীক।

    দলের সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে সবার আগ্রহ থাকলেও এ পদে এবার পরিবর্তন আসছে না বলে জানা গেছে। সে কারণে শেখ হাসিনার রানিং মেট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে থেকে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর ওবায়দুল কাদের এখন আগের চেয়ে বেশি শক্ত ও সুস্থ। আওয়ামী লীগের অতীত কমিটিগুলোর দিকে তাকালেই দেখা যায় দলটির সাধারণ সম্পাদক পদে সবসময়ই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতারা দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে পাঁচবার দায়িত্ব পালন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাজউদ্দীন আহমদ এ পদে ছিলেন তিনবার। জিল্লুর রহমান ছিলেন চারবার। এ ছাড়া আবদুর রাজ্জাক দুবার, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী দুবার, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দুবার।

    সেই ধারাবাহিকতায় ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাচ্ছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্রমতে, এবার প্রেসিডিয়াম পদে বড় চমকই থাকছে বলে মনে করেন দলের একাধিক নেতা। প্রেসিডিয়ামের অনেক সদস্যই এবার উপদেষ্টা পরিষদে যাবেন বলে জানা গেছে। এখানে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে আসবে নাটকীয় নানা পরিবর্তন। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে গুরুদায়িত্ব পালন করা ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা, যারা আওয়ামী লীগের দুর্দিনে বুক চিতিয়ে লড়েছেন, তাদের মধ্যে থেকেই দলের নেতা নির্বাচন করা হবে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর যারা দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তাদের মূল্যায়ন করা হবে এবারের সম্মেলনে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী নেত্রীদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে এবারের জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত কমিটিতে সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ নারী নেত্রীর সংখ্যা ১৫ জন। এবার সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ গুছিয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগ প্রধান। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন আজ বিকাল ৩টায়।

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশ এলাকা বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। একই সঙ্গে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশ এলাকায়। দ্বিতীয় দিন আগামীকাল বেলা সাড়ে ১১টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে কাউন্সিল অধিবেশন। ওই কাউন্সিল অধিবেশনেই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। এ জন্য তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। অপর দুই সদস্য হলেন- উপদেষ্টা সদস্য ড. সাইদুর রহমান ও ড. মশিউর রহমান।

  • মামলার হুঁশিয়ারি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীর

    মামলার হুঁশিয়ারি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীর

    যেসব গণমাধ্যম ‘রাজাকারের তালিকা করতে ৬০ কোটি টাকা খরচ’ শিরোনামে সংবাদ প্রচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

    তিনি বলেছেন, ‘রাজাকারের তালিকা করতে ৬০ কোটি টাকা খরচ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি প্রত্যাহার করতে হবে। এবং যেসব গণমাধ্যম ওই সংবাদটি প্রচার করেছে তাদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। যদি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো ক্ষমা চেয়ে সংবাদটি প্রত্যাহার না করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’

    বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সূফি আব্দুল্লাহ হিল মারুফ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘রাজাকারের তালিকা করতে ৬০ কোটি টাকা খরচ’ একটি অসত্য সংবাদ।

    মন্ত্রী বলেন, ‘এ তালিকা তৈরির জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়নি বা বরাদ্দ চাওয়াও হয়নি। কাজেই কোনও খরচের প্রশ্নই আসে না। এটি একটি অসত্য তথ্য।’

    এ ধরনের অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করেছেন তিনি।

    সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো সংবাদটি প্রত্যাহার করে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী।