Category: শিক্ষাঙ্গন

  • প্রাথমিক নিয়োগে সাইন্স গ্র্যাজুয়েটদের ২০ শতাংশ পদ থাকবে

    প্রাথমিক নিয়োগে সাইন্স গ্র্যাজুয়েটদের ২০ শতাংশ পদ থাকবে

    বিজ্ঞান বিষয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০ শতাংশ পদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে সংরক্ষিত থাকবে।

    আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি উপজেলার প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন।

    প্রাথমিকের সচিবকে উদ্ধৃত করে মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক স্কুলগুলোতে গণিত শিক্ষকদের সংকট কাটানোর অংশ হিসেবে এই নিয়োগ দেয়া হবে।  স্কুলের শিশুদের খেলতে খেলতে গণিত শেখানোর পরামর্শ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম।  অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সকল অতিরিক্ত সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • শুধু সিলেবাসে আটকে না রেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিশ্বকে চেনাতে হবে: বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার

    শুধু সিলেবাসে আটকে না রেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিশ্বকে চেনাতে হবে: বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) রাম চন্দ্র দাস বলেন, আজ তোমরা শুন্ধসুরের মাধ্যমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছো এর মধ্যদিয়ে শুন্ধ মানুষ গড়ে উঠার মাধমে একজন শুন্ধ বাঙ্গালী হয়ে বাংলার মাঠিতে প্রতিষ্ঠিত হবে। তোমাদের কাছে আমরা এই প্রত্যাশা করতে পারি।

    এসময় তিনি আরো বলেন,এই সময়ের যারা ধারক-বাহক তারা শুন্ধভাবে ভাষা ব্যবহার করবে তাদের প্রতি আহবান জানান।তিনি আরো মাঠে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বলেন,ছেলে-মেয়েদেরকে শুধু সেলেবাসের মধ্যে আটকে না রেখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা,মুক্তিযুদ্বের ইতিহাসের পাশাপাশি বিশ্বকে চেনাতে হবে।

    আজ যেসব শিক্ষার্থী শুন্ধভাষায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছো তোমরা প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে নিজেদের তুলে ধরবে তোমাদেরকে সে আহবান করছি।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দেশব্যাপি কর্মসূচির অংশ হিসাবে বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শুন্ধসুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগীতা ও সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির একথা বলেন। বরিশাল জেলা প্রশাসকের আয়োজনে ও বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো বক্তব্য রাখেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত এআইজি) মোঃ মোশারফ হোসেন (বিপিএম), বরিশাল পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম,জেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন।

    এসময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগ বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পরে প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাস,বিশেষ অতিথি পুলিশ কমিশনার মোঃ মোশারফ হোসেন,জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অতিথিরা বেলুন ফেষ্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্টিকভাবে উদ্বোধন করেন।

    অপরদিকে বরিশাল সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংগীত প্রতিযোগীতায় বরিশাল নগরের ৩০টি ও জেলার ১০ উপজেলার ৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। একই সময়ে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাস, জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান,পুলিশ সুপার,বরিশাল জেলা প্রশাসক বরিশাল জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ রায় চৌধুরী সহ অন্যান্ন কর্মকর্তারা বেলুন ফেষ্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন করেন।

  • শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কাজে লাগাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কাজে লাগাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। নতুন নতুন উদ্ভাবনে প্রশিক্ষণের জ্ঞান ব্যবহার করতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষার উদ্দেশ্য নৈতিকতা বোধসম্পন্ন ভালো মানুষ তৈরি করা। ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতাবোধ তৈরি করে দেয়া। প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে এ সব বিষয় শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

    সোমবার ঢাকায় জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) অডিটোরিয়ামে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব বলেন শিক্ষামন্ত্রী। নায়েমে চলমান ১৫৩তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    দীপু মনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে শুধু প্রকৃতিতেই পরিবর্তন আসে না, আমাদের পোশাক ও খাদ্যাভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়। বিভিন্ন ঋতুতেই ভিন্ন ভিন্ন পিঠা তৈরি হয়। এটি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ।

    তিনি আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে আমা, উৎদের ঐতিহ্যসব ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। আমাদের ভাষা ও ইতিহাস সম্পর্কেও সচেতনতার বিকাশ ঘটাতে হবে। প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি স্বাস্থ্যকর জীবনবোধ তাদের মধ্যে গড়ে তুলতে হবে। এ জীবনবোধ তৈরিতে শিক্ষকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর আহাম্মেদ সাজ্জাদ রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এবং কোর্স পরিচালক নাসরিন সুলতানা।

  • দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ নিল দুদক

    দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ নিল দুদক

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে দুদক।

    রোববার দুদক প্রধান কার্যালয়ে ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌশলপত্র-২০১৯’ এর ওপর মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য দেশের ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এমন মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান।

    উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারাই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সবচেয়ে যোগ্য এবং মেধাবী সন্তান। তাই কমিশনের কর্মকৌশল প্রণয়নে সর্বপ্রথম আপনাদের সঙ্গেই আলোচনা করা হচ্ছে। তাই আমরা আপনাদের কাছ থেকে দুর্নীতি প্রতিরোধে নতুন ধারণা, সৃজনশীল আইডিয়া এবং সর্বোপরি কর্মপন্থা গ্রহণ করতে চাই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিনিধি তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণে এ জাতীয় মতবিনিময় সভা এটাই প্রথম।

    চেয়ারম্যানের সূচনা বক্তব্যের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থী তামান্না রিফাত আরা বলেন, দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন কোনো পদ্ধতি নেই, যার সাহায্যে দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে।

    জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. সাইদুর রহমান বলেন, অপরাধীদের দ্রুত বিচার করা না গেলে অপরাধ দমন সম্ভব নয়। তিনি দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেন।

    শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিরা রহমান বলেন, খাদ্যে ভেজাল দেয়াও দুর্নীতি। ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা এ দুর্নীতি করছে এবং তারাই নিরাপদ খাদ্যের জন্য হুমকি।

    বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. ফারুক হোসেন বলেন, কৃষির ভর্তুকির অর্থ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিকট পোঁছানোর আগেই বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি সংঘটিত হয়।

    আর্মডফোর্সেস মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মো. আশিকুর রহমান মিয়া বলেন, আমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছি কিনা- এটিই বড় প্রশ্ন। দুর্নীতিকে একটি চেইন অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, নিচের দিকে কর্মরত কর্মকর্তারা জানেন তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও দুর্নীতিপরায়ণ। তাই দুর্নীতি করলে কিছু হবে না, এমন ধারণা তাদের।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শম্পা গুহ বলেন, পদ্ধতিগত কারণেই দুর্নীতি অপ্রতিরোধ্য।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামস আসিফ চৌধুী বলেন, দুদক স্কুল পর্যায়ে ‘সততা সংঘ’ গঠন করলেও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের কোনো সংগঠন নেই। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এথিকস্ ক্লাব গঠনের আহ্বান জানান।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্পিতা মহাজন বলেন, আইনি সংস্কার এবং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ এবং তাৎক্ষণিক ফল দেখতে চায় মানুষ।

    শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী টোটন চন্দ্র দেব নাথ বলেন, দুর্নীতি যারা করেন তাদের ভয় ও লজ্জার ব্যবস্থা করতে হবে। দুর্নীতি দমনে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনেরও আহ্বান জানান তিনি।

    শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, একসময় বলা হতো অর্থই অনর্থের মূল, কিন্তু সবসময় এটি অনর্থের মূল নয়। অনেক সময় অর্থই অর্থের মূল। অর্থ মানেই ক্ষমতা। অনেক সময় মানুষ অর্থের পেছনে ছোটে। এটাতে তারা এখন আর লজ্জা পায় না, তাই দুর্নীতিবাজদের লজ্জা ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা।

    ‘মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষা এবং মূল্যবোধসম্পন্ন উন্নয়নের প্রয়োজন। দুদককে ভয় পায় না এমন লোক হয়তো সমাজে নেই। তবে ভয় দিয়ে সবকিছু জয় করা যায় না’- যোগ করেন তিনি।

    এ সময় দুর্নীতিবাজদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা হবে এবং লোভের জিহ্বা কেটে ফেলা হবে। আপনারা বলছেন, শাস্তি হয় না, তথ্যটি সঠিক নয়। এবারও শতকরা ৬৩ ভাগ মামলায় সাজা হয়েছে। আমরা হয়তো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় দুর্নীতি কমাতে পরিনি। এই ৬৩ ভাগ সাজা কিন্তু এমনিতে হয়নি। এটি আমাদের সকলের ঐকান্তিক চেষ্টার ফসল।

    ‘আমি আগেও বলেছি আজও বলছি, কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দুর্নীতি দমন সম্ভব নয়। দুর্নীতি দমনে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন।’

    তিনি আরও বলেন, সব দুর্নীতিই দুদকের ম্যান্ডেটভুক্ত নয়। দণ্ডবিধির কতিপয় ধারা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জন দুদকের তফসিলভুক্ত। দুর্নীতির উৎস বন্ধেও সরকারের নিকট সুপারিশ করার আইনি দায়িত্ব দুদকের রয়েছে। কমিশন স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনহয়রানি রোধে বিভিন্ন সুপারিশমালা সরকারের কাছে প্রেরণ করছে।

    দুদক চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া দুর্নীতি দমন সম্ভব নয়, বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলো অনুধাবন করে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতি দমনের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, একদিন বা এক বছরেই দুর্নীতি থেকে পরিত্রাণের উপায় নেই।

    ‘এটি একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং এটি অব্যাহত থাকলে দুর্নীতি অবশ্যই সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে। দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে শিক্ষাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ৭৫% ফেল করা শিক্ষার্থীকে প্রমোশন দিয়ে মানসম্মত শিক্ষাকে কলুষিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে ২০৩০ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিতে এবং ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড পেতে হলে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এটা আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে।

    দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি দুটি পর্যায়ে বেশি হয়। একটি প্রাতিষ্ঠানিক এবং অপরটি ব্যক্তি পর্যায়ে। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে দুর্নীতি অবশ্যই কমে আসবে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ রয়েছে কিন্তু রোগেীদের দেয়া হচ্ছে না। শুধুমাত্র মনিটরিংয়ের অভাবেই রোগীর কাছে ঔষধ পৌঁছাচ্ছে না।

    দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, শিক্ষার্থীরা আদর্শিক অবস্থানে রয়েছেন। সুনীতি, সদাচার ও দেশপ্রেমই তাদের আদর্শ। তাদের কোনো ব্যক্তিস্বার্থ কিংবা গোষ্ঠীস্বার্থ নেই। পদ্ধতিগত সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সিটিজেন চার্টার, ই-টেন্ডারিং পদ্ধতি, ক্রয় নীতিমালা- সবই পদ্ধতিগত সংস্কারের অংশ।

    মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) সারোয়ার মাহমুদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুদক সচিব মোহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত, মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী, মহাপরিচালক (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

  • দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত হচ্ছে

    দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত হচ্ছে

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় সাড়ে নয় হাজার আবেদন আমরা পেয়েছি। এরমধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে যারা ‘নির্ণায়ক মান’ পূরণে সমর্থ হয়েছে এমন দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে যোগ্য বলে বেছে নেয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান এক বছরে না হলেও পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে।

    রোববার জাতীয় সংসদে পীর ফজলুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্বগ্রহণের পর এখন পর্যন্ত এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। অবশিষ্ট স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামোও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারি করা হয়। এমপিওপ্রত্যাশী প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।

    দীপু মনি বলেন, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াটি একেবারেই কম্পিউটারের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি। ইতোমধ্যে আমরা এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছি। তাদের বরাদ্দের প্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে আমরা বাছাইকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করব।

    মন্ত্রী জানান, ২০০৯ সাল থেকে সারাদেশে এক হাজার ৬২৪টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীর কর্মসংস্থানসহ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

    দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যলায়ের সংখ্যা ১০৩টি
    লিয়াকত হোসেন খোকার অপর এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, দেশে বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০৩টি। বর্তমান সরকারের বিগত মেয়াদে (২০০৯-২০১৮) দেশে ৪৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা ও স্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

  • প্রশাসনের কিছু লোক জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে বেশি ক্ষমতাবান মনে করে: শামীম ওসমান

    প্রশাসনের কিছু লোক জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে বেশি ক্ষমতাবান মনে করে: শামীম ওসমান

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, আমি তোমাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দিতে চাই না। আমি আমার ছেলে মেয়েদেরকে যদি মিথ্যা আশ্বাস না দেই আর তোমাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দেই তাহলে এটা আমার জন্য গুনাহের কাজ হবে। আমি তোমাদের বন্ধু হিসেবে সহযাত্রী হিসেবে বলতে চাই- তোমরা যা পারবে আমি তা পরবো না।

    কিন্তু তোমরা ঘুমিয়ে গেছ, তোমরা ফার্মের মুরগির মতো হয়ে গেছ। প্রতিবাদ করতে জানো না। তোমরা চোখের সামনে অন্যায় দেখো কিন্তু প্রতিবাদ করো না। যেদিন ছাত্রসমাজ প্রতিবাদ করার সাহস হারিয়ে ফেলবে সেদিন সে তার ভবিষ্যৎ হারিয়ে ফেলবে। ভালো রেজাল্ট করবে, কিন্তু এরপর কী হবে। তুমি যদি অসহায় হয়ে যাও সাধারণ মানুষের জন্য কথা বলবে কে। দেশের মানুষের জন্য কথা বলবে কে।

    আজ রবিবার দুপুরে সরকারি তোলারাম কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শামীম ওসমান আরও বলেন, সকল অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকেই প্রতিবাদ করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি তোলারাম কলেজের ছাত্ররা যদি রাস্তায় নামে তাহলে নারায়ণগঞ্জে মাদক, ইভটিজিং, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি কোন কিছুই থাকবে না। ‘তোমরা রাস্তায় নামলে কোনো মায়ের সন্তান মাদক বিক্রি করতে পারবে না। তোমরা মনে করলে কোন ইভটিজিং থাকবে না। তোমরা মনে কর প্রশাসন দায়িত্ব পালন করবে। প্রশাসন তোমাদের মালিক না। তোমাদের ট্যাক্সের পয়সায় তারা লালিত পালিত হয়।

    কিন্তু সমস্যা হয়ে গেছে প্রশাসনের কিছু লোক মনে করে তারা জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে বেশি ক্ষমতাবান হয়ে গেছে। আর তোমরা ছাত্ররা চুপ হয়ে গেছ। শুধু বইয়ের পড়া পড়লে চলবে দেশের পড়া পড়তে হবে না। রাজনীতি করার দরকার নেই। দেশকে ভালোবাসতে হলে রাজনীতি করতে হবে না।

    আমি আপনাদের দ্বারা পরিচালিত হতে চাই। আপনারা যেভাবে পরিচালিত করবেন আমি সেভাবেই পরিচালিত হবো। আপনাদের সাহসে আমি সাহসী হতে চাই। আপনারা আমার চেয়ে অনেক মেধাবী। শামীম ওসমান অন্যায় করলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে কে। আপনাদের সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জকে সুন্দর করে সাজাতে চাই।’’ বক্তব্যে যোগ করেন শামীম ওসমান।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি তোলারাম কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর শাহ মো. আমিনুল ইসলাম ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ মোদক।

    সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বেলা রানী সিংহ এর সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দনশীল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রফেসর শিরীন বেগম, যুবলীগ নেতা এহসানুল হক নিপু, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানী, বর্তমান সভাপতি আজিজুর রহমান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের  নেতাকর্মীরা।

  • আদর্শিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

    আদর্শিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

    বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে একটি আদর্শিক মূল্যবোধ নিয়ে সমাজে দাঁড়াতে হবে, প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।

    আজ শনিবার সকালে হাছান মাহমুদ কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে যান। সেখানে তিনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন। হাছান মাহমুদ ঘুরে দেখেন কবিগুরুর স্মৃতিবাহী বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভবন, ছাতিমতলাসহ বাংলাদেশ ভবন। মন্ত্রী বৈঠক করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গেও।

    শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ ভবনে গেলে মন্ত্রীকে ফুলের স্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিশ্বভারতীতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। মন্ত্রীও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ’প্রত্যেক মানুষেরই ইচ্ছা থাকে। সেই ইচ্ছাকে সফল করতে থাকতে হয় প্রচেষ্টা। এই ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টার সমন্বয় হলেই মানুষের জীবনে সফলতা আসে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অনেক মেধাবী আছে, কিন্তু অনেকেই সফলতা পায় না। তাই এই সফলতা পেতে হলে থাকতে হবে একটি আদর্শিক মূল্যবোধ। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রতিটি মানুষেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সে কোন আদর্শ চায়? এই আদর্শও সঠিক হতে হবে। তবেই একটি মানুষ জীবনে সফলতা পেতে পারে।’

    এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান, প্রথম সচিব (প্রেস) মোফাকখারুল ইকবাল, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র তারকা ফেরদৌস এবং বাংলাদেশ ভবনের সমন্বয়ক অধ্যাপক মানবেন্দ্র মুখার্জি। তিনি এদিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ভবন দুদেশের মৈত্রীর এক স্মারক। একে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি এখানে একটি গবেষণা কেন্দ্র গড়ার প্রস্তাব রাখেন। মন্ত্রী বাংলাদেশ ভবন দেখে এবং ঘুরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • সমাপনীর ফল চ্যালেঞ্জ প্রায় ৯৬ হাজার পরীক্ষার্থীর

    সমাপনীর ফল চ্যালেঞ্জ প্রায় ৯৬ হাজার পরীক্ষার্থীর

    প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফলাফলে আপত্তি জানিয়েছে ৯৫ হাজার ৬৯১ জন শিক্ষার্থী। গত মাসে প্রকাশিত ফলাফলে এ আপত্তি জানিয়ে ফল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছে তারা। এদের মধ্যে কেউ প্রাপ্ত ফল বাড়ানো, কেউ ফেল থেকে পাস করার জন্য আবদেন করেছে বলে জানা গেছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়। আগে থানা শিক্ষা অফিসার বরাবর এ আবেদন করত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। চলতি বছর টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে এ আবেদনের উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে খাতা পুনর্নিরীক্ষণ আগের মতোই জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সহায়তা নেবে ডিপিই।

    ডিপিইর সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী অনুজ কুমার রায় বলেন, চলতি বছর কেন্দ্রীয়ভাবে এ পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ফল প্রকাশের পরবর্তীতে নানা ধরনের অনিয়মের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়। ফল প্রকাশের পরদিন তথা ২৫ ডিসেম্বর থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে ৯৫ হাজার ৬৯১ শিক্ষার্থী ফল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছে। আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে এ পুনর্নিরীক্ষণ ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। একইসঙ্গে পঞ্চম শ্রেণির নির্ধারিত ৮৫ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর মেধা ও কোটাভিত্তিক বৃত্তির তালিকাও প্রকাশ হবে বলে জানান তিনি।

    প্রকৌশলী অনুজ কুমার রায় আরও বলেন, এবার সাতটি বিভাগ থেকে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ের ফল পরিবর্তনের জন্য বেশি আবেদন জমা হয়েছে। এর মধ্যে বেশি আবেদন ইংরেজি বিষয়ে প্রায় ১৭ হাজার ২২১টি, গণিতে ১৫ হাজার ৭৮১টি, বাংলা বিষয়ে ১৪ হাজার ৩৩৮টি ও বিজ্ঞানে প্রায় ১২ হাজারের মত আবেদন জমা হয়েছে। ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফলেও আপত্তি জানিয়ে প্রায় ৫ হাজার আবেদন জমা হয়েছে। সব মিলে সারাদেশে ৯৫ হাজার ৬৯১টি আবেদন পড়েছে। গত বছর এর সংখ্যা ছিল ৭৯ হাজার ৭০৯টি। গত বছরের চেয়ে এবার ১৫ হাজার ৯৮২ আবেদন বেশি এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, আবেদনকারীদের পরীক্ষার খাতা নতুনভাবে মূল্যায়ন নয়, শুধু মূল্যায়নকারী শিক্ষকদের দেয়া নম্বরগুলো নতুনভাবে গণনা করা হবে। খাতায় প্রাপ্ত নম্বরের মধ্যে যোগে ভুল হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে।

    জানা গেছে, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী-পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পায় ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ শিক্ষার্থী। এ পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৮৯৬ জন পরীক্ষা দিয়ে ২৫ লাখ ৮ হাজার ৯০৪ জন পাস করে। তার মধ্যে ১২ লাখ ১১ হাজার ৬০০ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ৪১ হাজার ২৯৬ জন ছাত্রী। প্রাথমিক সমাপনী ও ইবতেদায়িতে ছাত্রদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ ৪৮ শতাংশ, আর ছাত্রীদের পাসের হার ৯৭ শতাংশ ৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পায় ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন। তার মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪১১ জন ও ছাত্রী ২ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ জন।

    অন্যদিকে, ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পায় ১২ হাজার ২৬৪ জন। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৭ জন। এর মধ্যে পাস করে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৫৫৭ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮৮ জন ছাত্র ও ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৬৯ জন ছাত্রী। গত ২২ নভেম্বর শুরু হয় পিইসি ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। শেষ হয় ৩০ নভেম্বর।

  • দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

    দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেছেন, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এ পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। ছোটখাটো যে ব্যত্যয়গুলো ঘটেছে, তা যেন ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সেজন্য যা যা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন শিক্ষা মন্ত্রণালয় তা নেবে।

    শনিবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ ও জামায়াতের নতুন নামে তৎপর হওয়ার আলোচনার ব্যাপারে ডা. দীপু মনি বলেন, জামায়াতের মধ্যে জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার এবং জঙ্গিবাদী যে ধারণাগুলো রয়েছে, তা অত্যন্ত সাম্প্রদায়িক। তারা সেগুলোকে আদর্শ বলে ধারণ করে আরেকটি ভিন্ন নামে সংগঠন করার অপপ্রয়াস চালায় কি-না, সেটিও দেখার বিষয়।

    জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি জীবন কানাই চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার (এসপি) জিহাদুল কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল প্রমুখ।

  • মায়ের পা ধুয়ে ব্যাতীক্রম ভাবে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালন

    মায়ের পা ধুয়ে ব্যাতীক্রম ভাবে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালন

    অনলাইন ডেস্ক:

    আজ ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে’ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশ্বজড়ে পালিত হচ্ছে এ দিবসটি। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের,তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি। শুধু তরুণ-তরুণী শুধু নয়, আজ সব বয়সের মানুষের ভালোবাসা প্রকাশের আনুষ্ঠানিক দিন।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে এ দিবসটি। দিবসটি উপলক্ষে মুঠোফোনের মেসেজ, ই-মেইল, ফেসবুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকে।

    আবার কেউবা চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, উপহার, বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন প্রিয়জনকে উপহার দিয়েছেন। টাঙ্গাইলে ভিন্ন আঙ্গিকে পালিত হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবস। সবাই মায়েদের পা ধুয়ে পালন করল বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।

    আজ সকালে স্থানীয় একটি স্কুলের উদ্যোগে এসপি পার্ককে শতাধিক মায়ের পা ধুয়ে দেন তাদের সন্তানেরা।পরে মায়ের জন্য ভালোবাসা স্লোগান দিয়ে মায়েদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেন শিশুরা।

    হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারি স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভীর সঞ্চালনা ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম।

    এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম আহমদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহাদুজ্জামান মিয়া, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা কাজী গোলাম আহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।