Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশালে স্পিডবোটের ধাক্কায় খেয়ানৌকা ডুবে ১২ স্কুলছাত্রী আহত

    বরিশালে স্পিডবোটের ধাক্কায় খেয়ানৌকা ডুবে ১২ স্কুলছাত্রী আহত

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়ার কড়ইতলা নদীতে স্পিডবোটের ধাক্কায় খেয়া নৌকা ডুবে ১২ স্কুলছাত্রী আহত হয়েছে। আহতরা টুঙ্গিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও উপজেলার চরকেউটিয়া-বদিউল্লাহ গ্রামের বাসিন্দা। শনিবার (২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হচ্ছে এ্যানি আক্তার, সানজানা, মারিয়া, অনামিকা, সুমাইয়া, ফেরদৌসি, ঝর্ণা, বর্ষা, সুমি, হ্যাপি, রিমা ও টুবা। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শেবামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা যত না আঘাত পেয়েছে তার চেয়েও বেশি ভয় পেয়েছে। তাদেরকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    স্থানীয় মেম্বর আব্দুল সোহাগ মল্লিক জানান, স্কুল ছুটির পর ১২ জন ছাত্রী টুঙ্গিবাড়িয়া নতুনহাট খেয়াঘাট থেকে খেয়ানৌকায় ওঠে। নৌকাটি মাঝ নদীতে যাওয়ার পর ভোলা থেকে বরিশালগামী দ্রুতগামী স্পিডবোট খেয়ানৌকাটিকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে নৌকাটি ডুবে যায়। নদীতে থাকা অন্য স্পিডবোট ও নৌকার মাঝিরা এবং নদীপার থেকে লোকজন এসে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে। তবে ঘটনায় জড়িত স্পিডবোটটিকে আটক করা যায়নি।

    এ ঘটনার পর চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে আসেন উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্পিডবোট চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • বরিশালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও পরীক্ষাকেন্দ্র করার প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর

    বরিশালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও পরীক্ষাকেন্দ্র করার প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর

    বরিশালসহ দেশের আটটি বিভাগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি ক্যাম্পাস করা যেতে পারে কিনা-তা ভেবে দেখতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    বিভাগীয় শহরে আটটি আলাদা ক্যাম্পাস হলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশেই শিক্ষাটি পাবে বলে মনে করেন দীপু মনি।

    এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পরীক্ষাসহ অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষার সময় পাঠদানরোধে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শুধুই পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

    আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পারফরমেন্স র‌্যাংকিং ২০১৬-১৭ অ্যাওয়ার্ড ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি বিভাগে আটটি ক্যাম্পাস হতে পারে কিনা-সেগুলো একেবারেই বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবেই…। এখন আমরা এতো বিশ্ববিদ্যালয় করছি এবং সারাদেশেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করার জন্য প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলেছেন। সেখানে আমরা এই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, যেহেতু এই কলেজগুলো আছে সেই ক্যাম্পাস, অন্তত প্রতিটি বিভাগে ক্যাম্পাস করার কথা ভাবতে পারি কিনা? তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশেই কিন্তু এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাটি পাবে। সেক্ষেত্রে এই মুহূর্তে অবকাঠামো নিয়ে যদি বিষয় থাকে, জায়গা প্রাপ্তির বিষয় থাকে সেক্ষেত্রে ওই বিভাগের ঐতিহ্যবাহী কোনো একটি বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যার সে অবকাঠামোর সুযোগ আছে সে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে এগুলো করা যায় কিনা- এগুলো ভেবে দেখা যেতে পারে।

    পরীক্ষার কারণে পাঠদানের ক্ষতি পোষাতে পরীক্ষাকেন্দ্র নির্মাণের চিন্তার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    তিনি বলেন, পরীক্ষার কারণে পাঠদান অনেকখানি ব্যাহত হয়। এতো ক্র্যাশ প্রোগ্রাম করা হয়েছে, সেশন জট কমানো হয়েছে কিন্তু আমাদের বছরব্যাপী যে পরীক্ষাগুলো হয়; এইচএসসি, ডিগ্রি, অনার্স মাস্টার্স পরীক্ষাই চলতে থাকে। সেই পরীক্ষার কারণে কিন্তু পাঠদান অনেকখানি বিঘ্নিত হয়। এটি অন্যান্য স্তরের জন্যও অনেকখানি প্রযোজ্য। তবে এই ক্ষেত্রে (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়) অনেক বেশি প্রযোজ্য। কারণ এদের পরীক্ষা অনেক বেশি, বছরব্যাপী।

    তিনি বলেন, মাধ্যমিকে যেমন শুধু নির্দিষ্ট একটা মাস বা দেড় মাস পরীক্ষা থাকে। কিন্তু অন্যদের বছরব্যাপী। কাজেই সেইখানে আমাদের আবারো এই পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণ করে, মানে সেগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবেই কাজ করবে। সেই বিষয়টি নিয়ে আমাদের উগ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

  • ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী আসবে উপবৃত্তির আওতায়

    ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী আসবে উপবৃত্তির আওতায়

    সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, অতি দরিদ্র, বিদ্যালয়বিমুখ ও প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েদের মাঝে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আকর্ষণীয় করতে এবং সবার জন্য সমতাভিত্তিক হিসেবে এটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘সমন্বিত উপবৃত্তি নীতিমালা’ প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ নীতিমালার আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ‘দারিদ্র্যের’ ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।

    এ প্রকল্পে সরকারের বছরে খরচ হবে দুই হাজার ২৬৭ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি খসড়া নিতীমালা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এটি অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব নাসরীন মুক্তি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘অনুমোদিত উপবৃত্তির হার বাস্তবায়নের জন্য পরিপত্র/প্রজ্ঞাপন জারি করা প্রয়োজন। কিন্তু পরিপত্র জারির পূর্বে অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ আবশ্যক।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মতি প্রদানের আগে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখছে অর্থ বিভাগ।

    অর্থ সচিবকে লেখা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ‘বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বিদ্যামান উপবৃত্তির হার এবং শিক্ষার্থী নির্বাচনে পার্থক্য রয়েছে। সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) অনুসৃত পিএমটি পদ্ধতি এবং মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি, দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্প এসইএসপি এবং উচ্চ মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্প এইচএসএসপি অনুসৃত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।

    এসব প্রকল্পে উপবৃত্তির হার সমন্বিত করে ‘সমন্বিত উপবৃত্তির হার’ এবং ‘শিক্ষার্থী নির্বাচন’র বিষয় গত ১৬ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চূড়ান্ত করা হয়। সভায় দারিদ্র্যের ভিত্তিতে মোট শিক্ষার্থীর ৩০ শতাংশকে উপবৃত্তির আওতাভুক্তের প্রস্তাব গৃহীত হয়।

    সভায় সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপপ) যুগ্ম প্রোগ্রাম পরিচালক মো. আবু ছাইদ শেখ বলেন, ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি বিতরণ করা হলে বছরে সরকারের খরচ হবে দুই হাজার ২৬৭ কোটি টাকা। তিনি বলেন, ছেলে বা মেয়ে শিক্ষার্থী নির্বিশেষে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করে দারিদ্র্যের ভিত্তিতে সুবিধাভোগী শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে।
    সভায় সমন্বিত উপবৃত্তির শ্রেণিভিত্তিক হার নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো- ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির জন্য মাসিক উপবৃত্তি ২৫০ টাকা এবং টিউশন ফি ৩৫ টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন তিন হাজার ৪২০ টাকা।

    অষ্টম শ্রেণির জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৩০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৩৫ টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন চার হাজার ২০ টাকা। নবম শ্রেণির জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৪০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৫০ টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন পাঁচ হাজার ৪০০ টাকা।

    edu-02

    দশম শ্রেণির জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৪০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৫০ টাকা। এর সঙ্গে বার্ষিক পরীক্ষার ফি হিসেবে দেয়া হবে এক হাজার টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন ছয় হাজার ৪০০ টাকা।

    একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৫০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৮০ টাকা। এর সঙ্গে বছরে একবার বই কেনার জন্য দেয়া হবে এক হাজার ৫০০ টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন আট হাজার ৪৬০ টাকা।

    একাদশ শ্রেণির অন্যান্য বিভাগের জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৫০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৬৫ টাকা। এর সঙ্গে বছরে একবার বই কেনার জন্য দেয়া হবে এক হাজার টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে একাদশ শ্রেণির অন্যান্য বিভাগের এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন সাত হাজার ৭৮০ টাকা।

    দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৫০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৮০ টাকা। এর সঙ্গে বছরে একবার পরীক্ষার ফি বাবদ দেয়া হবে এক হাজার ৫০০ টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন আট হাজার ৪৬০ টাকা।

    দ্বাদশ শ্রেণির অন্যান্য বিভাগের জন্য মাসিক উপবৃত্তি ৫০০ টাকা এবং টিউশন ফি ৬৫ টাকা। এর সঙ্গে বছরে একবার পরীক্ষার ফি বাবদ দেয়া হবে এক হাজার ২০০ টাকা। প্রস্তাবিত উপবৃত্তির হারে দ্বাদশ শ্রেণির অন্যান্য বিভাগের এক শিক্ষার্থী বছরে পাবেন সাত হাজার ৯৮০ টাকা।

    উপবৃত্তিভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে হালনাগাদকৃত নির্ণায়ক ব্যবহৃত হবে। যার ভিত্তিতে আবেদনপত্র তৈরি হবে। এক্ষেত্রে হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (এইচআইইএস), ২০১৬ এর দারিদ্র্য নির্ধারক মানদণ্ড অনুযায়ী নতুন নির্ণায়ক প্রণয়ন করা হবে।

    শ্রেণি-শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের তত্ত্বাবধানে শ্রেণিকক্ষে নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা আবেদন ফরম পূরণ করবে। স্থানীয় পর্যায়ের শিক্ষা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে গঠিত একাধিক কমিটি পূরণকৃত আবেদনপত্রসমূহ বাছাই করে অনলাইনে তথ্য প্রক্রিয়ার জন্য প্রেরণ করবে। তথ্য প্রক্রিয়াকালে নির্ধারিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে উপবৃত্তিধারী নির্বাচন চূড়ান্ত হবে। এ প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনে দরিদ্র ছাত্রী বা ছাত্রের সংখ্য কম বা বেশি করা যাবে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপপ) যুগ্ম প্রোগ্রাম পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আবু ছাইদ শেখ বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বর্তামনে উপবৃত্তি দেয়া হয়। এতে উপবৃত্তির হার এবং শিক্ষার্থী নির্বাচনে পার্থক্য থাকায় বেশকিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়। এসব সমস্যা কাটানোর জন্য আমরা একটি ‘সমন্বিত উপবৃত্তি’ পদ্ধতি প্রণয়নের কাজ করছি।

    তিনি বলেন, ‘এটি বাস্তবায়িত হলে অভিন্ন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী নির্বাচন ও উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।

    ‘ইতোমধ্যে এ বিষয়ে এক খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্মতি দিলে এটি বাস্তবায়ন হবে’- যোগ করেন তিনি।

    সূত্র জানায়, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমানে ভিন্ন চারটি প্রকল্পের অধীনে উপবৃত্তির সুবিধা পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্পের কারণে উপবৃত্তি বণ্টনে চলে আসছে জটিলতা। অপরদিকে উপকারভোগীদের নির্বাচন নিয়ে এক প্রকল্পের মানদণ্ডের সঙ্গে অন্যটির মিল না থাকায় তা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় সংশ্লিষ্টদের। এমনকি এলাকাভেদে একই শ্রেণির শিক্ষার্থী পেয়ে থাকেন ভিন্ন হারে উপবৃত্তি। তাই উপকারভোগী নির্বাচনে অনিয়ম, আলাদা হারে অর্থ প্রদানসহ নানা বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটিয়ে চারটির পরিবর্তে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সব শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের সমতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেয়ার জন্য সমন্বিত উপবৃত্তি নীতিমাল প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়।

  • দেশের সেরা কলেজগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বরিশাল বিএম কলেজ

    দেশের সেরা কলেজগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বরিশাল বিএম কলেজ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৭১৮টি স্নাতক (সম্মান) পাঠদানকারী কলেজের মধ্যে জাতীয়ভিত্তিক স্কোরে ২০১৭ সালের ৫টি সেরা কলেজ, ১টি সেরা মহিলা কলেজ, ১টি সেরা সরকারি কলেজ ও ১টি সেরা বেসরকারি কলেজের নামও ঘোষণা করা হয়েছে।

    এছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রতি দৃষ্টি রেখে বিভিন্ন র‌্যাংকিং-এ সেরা অঞ্চলভিত্তিক আরও ৬৮টি কলেজের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    গাজীপুর ক্যাম্পাসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এ ঘোষণা দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, ডিন, প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দীন, প্রফেসর ড. মো: আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন দফতরের প্রধান ও কর্মকর্তারা।

    ৫টি সেরা কলেজ গুলো হচ্ছে রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী (৭২.৯৬), সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল (৬৬.১৫), সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া (৬৬.১১), সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা (৬৫.৯৬) ও কারমাইকেল কলেজ, রংপুর (৬৫.৭৯)।

    জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজটি হচ্ছে লালমাটিয়া মহিলা কলেজ (৫৯.১০), সেরা সরকারি কলেজ রাজশাহী কলেজ, (৭২.৯৬) ও সেরা বেসরকারি কলেজ হচ্ছে ঢাকা কমার্স কলেজ (৬১.৮৪)।

    ঢাকা অঞ্চলে সেরা হচ্ছে ঢাকা কমার্স কলেজ (৬১.৮৪), সরকারি সা’দত কলেজ, টাঙ্গাইল, (৬১.৭৮), তেজগাঁও কলেজ (৫৯.৮৯), সিদ্ধেশ্বরী ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা (৫৯.৬৪), লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ঢাকা (৫৯.১০), সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ ঢাকা (৫৯.১০), সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর (৫৮.৫০), সরকারি গুরুদয়াল কলেজ, (৫৮.৩৮), হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ, ঢাকা (৫৭.৯৩) ও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা (৫৬.৮৩)।

    চট্টগ্রাম অঞ্চলে সেরা সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা, (৬২.৪৬), ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী (৬০.০৩), চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৯.৯৪), সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৭.২৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ (৫৬.০০), নোয়াখালী সরকারি কলেজ (৫৪.৫৬), হাটহাজারী কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৪.৪১), সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম (৫৩.৫২), চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ, (৫৩.০১) ও চাঁদপুর সরকারি কলেজ (৫২.৩৪)।

    রাজশাহী অঞ্চলে সেরা হচ্ছে রাজশাহী কলেজ, (৭২.৯৬), সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া, (৬৬.১১), সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা (৬৫.৯৬), ভবানীগঞ্জ কলেজ, রাজশাহী (৫৬.৮৪), সৈয়দ আহমদ কলেজ, বগুড়া (৫৩.৭২), হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম কলেজ, সিরাজগঞ্জ (৫৩.২৪), সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ (৫২.৯৫), দাওকান্দি কলেজ, রাজশাহী (৫২.৬৩), রাজশাহী কোর্ট কলেজ (৫১.৯০) ও এন.এস. সরকারি কলেজ, নাটের (৫০.৭৮)।

    খুলনায় সেরা হচ্ছে সরকারি ব্রজলাল (বিএল) কলেজ, খুলনা (৬৩.২১), সরকারি এম.এম কলেজ, যশোর (৬১.৫৮), কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ (৬১.১৫),সীমান্ত আদর্শ কলেজ, সাতক্ষীরা (৫৭.০৭), যশোর ক্যান্টমেন্ট কলেজ (৫৫.৭৭), ঝিকলগাছা মহিলা কলেজ, যশোর (৫৫.৫৫), এমএসজোহা ডিগ্রি কলেজ, আলমডাঙ্গা (৫২.৩১), কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সাতক্ষীরা (৫১.৮১) ও খানজাহান আলী আদর্শ কলেজ, খুলনা (৫১.৬২) ও যশোর সরকারি মহিলা কলেজ (৫১.৫৮)।

    বরিশাল অঞ্চলে সেরা কলেজ হচ্ছে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল, ৬৬.১৫, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল (৫১.২৪), সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর (৪৫.৪৮) ও ভোলা সরকারি কলেজ (৪৪.৮৬)।

    সিলেট অঞ্চলে সেরা কলেজ হচ্ছে সিলেটে এম সি কলেজ, সিলেট, (৫৯.৫১), দক্ষিণ সুরমা কলেজ, সিলেট (৫৩.৫১), মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ (৫২.৪৩), বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ (৫২.১১), সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট (৫০.৩৬), মদনমোহন কলেজ, সিলেট (৪৯.৭৯) ও সরকারি শ্রীমঙ্গল কলেজ, মৌলভীবাজার (৪৮.৫৫)।

    রংপুরে কারমাইকেল কলেজ, রংপুর, (৬৫.৭৯), দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর (৬০.২৮), রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর (৫৮.৫২), উত্তরবাংরা কলেজ লালমনিরহাট (৫৭.০২), হাতিবান্ধা আলিমুদ্দিন কলেজ, লালমনিরহাট, (৫৫.৬০), সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর (৫৪.৯৩), কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ (৫১.৪৪), লালমনিরহাট সরকারি কলেজ (৫০.৫৬), গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, (৫০.২৭), কেবিএম কলেজ, দিনাজপুর (৪৯.১৬)।

    ময়মনসিংহে সেরা কলেজ হচ্ছে সরকারি আনন্দমোহন কলেজ (৬৪.৬৮), জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজ (৫৫.০৩), মুমিনুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ (৫২.২১), ইসলামপুর কলেজ, জামালপুর (৫১.৩৫), নেত্রকোনা সরকারি কলেজ (৪৯.১৪), শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ, মুক্তাগাছা, (৪৯.০৭) ও কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর পাবলিক কলেজ (৪৮.৪৫)।

    আগামী ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই সেরা কলেজগুলোকে সম্মাননা প্রদান ও পুরস্কৃত করা হবে।

    ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি (এমপি), সচিব মো. সোহরাব হোসাইন ছাড়াও নির্বাচিত কলেজসমূহের অধ্যক্ষরা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

  • বরিশালে প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্য, কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

    বরিশালে প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্য, কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

    স্টাফ রিপোর্টার//শামীম ইসলাম:

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে অর্জুন বিশ্বাস (২২) নামে বিএম কলেজের এক ছাত্র আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার রত্মপুর ইউনিয়নের চাঁপাচুপা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    বুধবার সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

    নিহত অর্জুন বিশ্বাস উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের চাঁপাচুপা গ্রামের অমূল্য বিশ্বাসের ছেলে এবং বিএম কলেজের দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

    স্থানীয়রা জানান, অর্জুন বিশ্বাসের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার এক স্কুলছাত্রীর প্রেমের সর্ম্পক চলছিল। সম্প্রতি প্রেমিকার সঙ্গে অর্জুনের মনোমালিন্য হয়। প্রেমিকার ওপর অভিমান করে মঙ্গলবার গভীর রাতে বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন অর্জুন।

    খবর পেয়ে বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্জুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, সকালে অর্জুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

  • এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন ডিমলা থানার ওসি

    এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন ডিমলা থানার ওসি

    জলঢাকা উপজেলা শহরের অনির্বান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে শুক্রবার তিনি বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ওইদিনই পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

    উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রশংসা পাওয়া এই কর্মকর্তা ভবিষ্যতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করারও আশা প্রকাশ করেছেন।

    পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব জলঢাকা অনির্বান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রোকনুজ্জামান চৌধুরী বলেন, অষ্টম শ্রেণি পাশ সনদ দেখিয়ে ২০১৭ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ।

    ২০১৮ সালে তিনি এসএসসি প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষায় পাশ করেছেন। এরপর চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেন।

    রোকনুজ্জামান জানান, ওই কেন্দ্রে  দ্বিতীয় সেমিস্টারে মফিজ উদ্দিন শেখসহ ৯৫ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন ৭৭ জন।

    মফিজ উদ্দিন ভর্তি হওয়ার সময় তার সার্ভিস বুক এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র জমা দিয়েছিলেন বলে কেন্দ্র সচিব রোকনুজ্জামান জানান।

    ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ জানান, ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ তিনি ডিমলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২০ মে তিনি ডিমলা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে ওই পদে বহাল আছেন।

    পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করে মফিজ উদ্দিন বলেন, “আমি অষ্টম শ্রেণি পাশ করে কনস্টেবল হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করি। পরে বিভাগীয় (ডিপার্টমেণ্টাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কনস্টেবল থেকে পদোন্নতি পেয়ে পর্যায়ক্রমে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হয়েছি।

    আমার ইচ্ছা আমি শুধু এসএসসি নয়, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতকোত্তর করতে চাই।

    তিনি বলেন, আমি তো আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্ভিস বুকে অষ্টম শ্রেণি পাশ দেখিয়েছি। এখানে লুকোচুরির কিছুই নাই। পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্যও ছুটি নিয়েছিলাম আমি।

    এ ব্যাপারে নীলফামারীর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ অষ্টম শ্রেণি পাশ করে পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। পরে বিভাগীয় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পদোন্নতি পেয়ে ওসি হয়েছেন। তিনি অনুমতি ও ছুটি নিয়ে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা দিচ্ছেন। “পড়াশোনা করতে দোষ কিসের! এটাকে আমরা ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছি।

    থানার ওসির এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে এলাকায়।

  • নেতৃত্ব বিকাশের আদর্শ স্থান হলো বিশ্ববিদ্যালয়: রাষ্ট্রপতি

    নেতৃত্ব বিকাশের আদর্শ স্থান হলো বিশ্ববিদ্যালয়: রাষ্ট্রপতি

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতিগঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল পুথিগত বিদ্যা প্রদান করে না, শিক্ষার্থীদের অতীতের সাথে বর্তমানের যোগসূত্র ঘটায়। তাদের সমকালীন আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে সচেতন করে তোলে এবং বিশ্বনাগরিকে পরিণত করে।

    আজ রবিবার বিকেলে নোয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, উচ্চ শিক্ষা প্রসারে বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক মেধাবী ও দক্ষ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন নতুন জ্ঞানের ক্ষেত্র ও বিষয়ে কার্যকর, প্রাসঙ্গিক ও ব্যবহারিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে। তোমাদের ইতিবাচক কর্ম, মেধা, প্রজ্ঞা, পরিশ্রম ও স্বদেশপ্রীতি দিয়ে তোমরাই গড়ে আধুনিক বাংলাদেশ।

    অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এম অহিদুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপুমনি এবং ধন্যবাদ বক্তব্য প্রদান করেন নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় এর রেজিস্টার অধ্যাপক মোহাম্মদ মমিনুল হক ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মৌসুমি আক্তার।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি খাতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়ন ও অগ্রগতির এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। আর তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এ নেতৃত্ব বিকাশের আদর্শ স্থান হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়।

    তিনি আরো বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা জীবনের অর্জিত জ্ঞান ও মেধা নিয়ে কর্মজীবনের পথে পা বাড়াবে। মনে রাখবে, ব্যক্তি তার কর্মের মাধ্যমে নিজ, পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধনে নিয়োজিত হয়। তোমাদের মনে রাখতে হবে, মানুষের জন্য, স্বদেশ-স্বজাতির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করার তুলনাহীন যে আদর্শ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেখে গেছেন তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তোমাদের। দেশপ্রেমের মহামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবে তোমরা এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।

    এর আগে রাষ্ট্রপতি গ্র্যাজুয়েট এবং পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীসহ বর্ণাঢ্য এক শোভাযাত্রায় অংশ নেন এবং নবনির্মিত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  হল উদ্বোধন করেন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপুমনি বলেন, জাতিসত্তা বিকাশে ও উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে গুণগত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষ ক্ষেত্রে মানোন্নয়ের বিষয়কে সব্বোর্চ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কর্মমূখী শিক্ষা বিকাশে বিভিন্ন প্রকল্প ও বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও হাতে নেওয়া হয়েছে নানাবিধ প্রকল্প। বিশ্বের নানামূখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।

    সমাবর্তনে শিক্ষার্থীদের ১০টি স্বর্ণপদক করা হয়। এর মধ্যে স্নাতক পর্যায়ের ৬ জনকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল ও স্নাতকোত্তর ৪ জনকে ভাইস-চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়। সমাবর্তনে ২২৬৩ জন গ্র্যাজুয়েটকে স্নাতক ডিগ্রি ও ৪৪৫ জনকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ২১৮ জনকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

    এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা থেকে দুপুর পৌনে তিনটায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বববিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন। সেখান থেকে মোটর শোভাযাত্রা করে অনুষ্ঠান স্থলে পোঁছান এবং বেলা সাড়ে চার টায় আবার হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় ফিরে যান।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্নাঢ্য র‌্যালি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্নাঢ্য র‌্যালি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে বের হয় এক বর্নাঢ্য আনন্দ র‌্যালি । ২০১১ সালের এই দিনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, সেই থেকে এ দিনটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে বরণ করে নিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় নানা কর্মসূচি।

    আজ শুক্রবার সকাল ৯ টায় জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলণ এবং বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানোর মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০১৯ এর উদ্বোধন করেন উপাচার্য বিশিষ্ট মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞানী শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক, এ সময় আরো ছিলেন বিশেষ অতিথি বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্য রাম চন্দ্র দাস এবং কর্নেল জিএস ডিজিএফআই বরিশাল কর্নেল জি এম শরিফুল ইসলাম।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উর্ধ্বতনরা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯.৩০ টায় উপাচার্য নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বরিশাল-পটুয়াখালী-ভোলা মহাসড়ক হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

    র‌্যালিতে বিশেষ অতিথিবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রভোস্টবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ, ছাত্র উপদেষ্টাবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, দপ্তর প্রধানগণ, কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, ২৪টি বিভাগ, ৩টি হল, বিএনসিসি সেনা ও নৌ শাখা, রোভার স্কাউটসহ কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এ মাহেন্দ্রক্ষনে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং একইসাথে তাঁর সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়ায় উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আন্দোলনের সাথে যাঁরা জড়িত ছিলেন তাঁদেরসহ সমগ্র বরিশালবাসি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    উপাচার্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও অগ্রগতি কামনা করেন। অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেনির শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

  • বরিশালে অটিস্টিক ছেলে-মেয়েদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে অটিস্টিক ছেলে-মেয়েদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে অটিস্টিক ছেলে-মেয়েদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে নগরীর কালী বাড়ি রোডের জগদিশ সারস্বত গালর্স স্কুল চত্বরে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা ক্রীড়া অফিস আয়োজিত প্রতিযোগিতায় দৌড়, বল নিক্ষেপ, চকলেট দৌড় ও বেলুন ফুটানো প্রতিযোগিতায় ১শ’ ৫০ জন অটিস্টিক শিশু প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে।

    পরে স্কুল মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

    জগদিশ সারস্বত গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আল মামুন তালুকদার, প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ ও বরিশাল জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হোসাইন আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, আমাদের দেশের অটিস্টিক শিশুরা এখন আর আগের মত পিছিয়ে নেই। তারা তথ্য প্রযুক্তি কম্পিউটার, শিক্ষা ও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছে। অভিভাবকরা সচেতন হলে অটিস্টিক শিশুরা আরও মানসিক বিকশিত হবে।

  • বরিশালে শুদ্ধ সুরে ১০ হাজার শিক্ষার্থীর ক‌ন্ঠে জাতীয় সংগীত

    বরিশালে শুদ্ধ সুরে ১০ হাজার শিক্ষার্থীর ক‌ন্ঠে জাতীয় সংগীত

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা ও সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে । মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসন বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এ আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব‌রিশা‌লের বিভাগীয় ক‌মিশনার রাম চন্দ্র দাস, বিশেষ অতিথি ছিলেন ব‌রিশাল মে‌ট্রোপ‌লিটন পু‌লি‌শের ক‌মিশনার মোশারফ হোসেন, (বিপিএম) এডিআইজি।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান।

    অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ব‌রিশা‌ল জেলার পু‌লিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম, ব‌রিশাল মে‌ট্রোপ‌লিট‌নের উপ-ক‌মিশনার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা, স্থানীয় সরকার বিভা‌গের উপ প‌রিচালক আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরিশালসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভা শেষে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি, পরে জেলা এবং মহানগরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

    পরিশেষে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুলে জেলা ৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মহানগরের ৫২ মোট ৮২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।