Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ডাকসুর পুনর্নির্বাচনের দাবিতে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা অরণির

    ডাকসুর পুনর্নির্বাচনের দাবিতে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা অরণির

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের পুনর্নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে আগামীকাল সোমবার ক্লাস বর্জন ও উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র জোটের ভিপি পদের প্রার্থী অরণি সেমন্তি খান।

    রবিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে তিনি এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এ সময় তাদের প্যানেলের জিএস প্রার্থী আসিফুর রহমান, উম্মে হাবিবা বেনজির প্রমুখ উপস্থিত।

    স্বতন্ত্র জোটের ঘোষিত পাঁচটি দাবি হলো বিতর্কিত ডাকসু নির্বাচন বাতিল, পুনঃতফসিল ঘোষণা, ব্যর্থ ভিসির পদত্যাগ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার।

    এর আগে, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বামজোটের ভিপি প্রার্থী ও ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দীও আগামীকাল সোমবার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে উপাচার্য কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। পরে পুনরায় নির্বাচনের দাবি তোলেন ভিপি নুরের প্যানেল। এ সময় ভিপি নুরুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমি একমত। সাধারণ শিক্ষার্থীরা চাইলে আমি দায়িত্বগ্রহণ করব। না চাইলে করব না।

  • পুনর্নির্বাচনের দাবি নুরের, ক্লাস বর্জনের ঘোষণা সেমন্তির

    পুনর্নির্বাচনের দাবি নুরের, ক্লাস বর্জনের ঘোষণা সেমন্তির

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদে আবারও নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর।

    রোববার (১৭ মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।

    নুর বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা চাইলে আমি দায়িত্বগ্রহণ করব। না চাইলে করব না।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে আমি গণভবনে গিয়েছি। সেটি আমার সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেই গণভবনে গিয়েছি।

    এদিকে পাঁচ দফা দাবিতে আগামীকাল সোমবার (১৮ মার্চ) ক্লাস বর্জন ও উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে নির্বাচন বর্জনকারী প্যানেলগুলো। পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা।

    দাবিগুলো হলো- ডাকসু নির্বাচন বাতিল, পুনঃতফসিল দেয়া, উপাচার্যের পদত্যাগ, মামলা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের বিচার।

    নির্বাচন বর্জনকারী প্যানেলগুলোর পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন স্বতন্ত্র জোট থেকে ভিপি প্রার্থী অরণি সেমন্তি খান।

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে জাঁকজমক প্রস্তুতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

    বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে জাঁকজমক প্রস্তুতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

    রোববার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দিনটি উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এ নির্দেশনা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে দিনটি জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে উদযাপনে শনিবার থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা প্রস্তুতি শুরু করে। বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার বিদ্যালয় পর্যায়ে চিত্রাঙ্কন ও শিশু কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃতি, রচনা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হবে।

    অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে রচনা, আবৃতি, আলোকচিত্র ও বির্তক প্রতিযোগিতা, প্রবন্ধ পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হবে।

    রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

    এদিন সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান, জন্মবার্ষিকীর কেক কাটা ও দোয়া মোনাজাত করা হবে।

    তারা জানান, জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান তুলে ধরা হবে। তার জীবনীর উপর আলোকপাত করা হবে। এছাড়া শিশুকণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রতিযোগিতাসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পরে বঙ্গবন্ধুর রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হবে।

    এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মান্নান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী পালন করতে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

    তিনি বলেন, এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু সর্ম্পকে জানতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী জানতে আগ্রহ তৈরি হবে। তারা বাংলাদেশ স্বাধীন করতে বঙ্গবন্ধুর অবদান জানতে পারবে।

  • অস্ত্রের পরিবর্তে আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে কলম তুলে দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

    অস্ত্রের পরিবর্তে আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে কলম তুলে দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

    ২০০৮ থেকে ২০১৮ এই দশ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অস্ত্রের ঝনঝনানি হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় অস্ত্রের ঝনঝনানি ছিল। গুলি-বোমা ছিল প্রতিদিনকার ব্যাপার। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে এক দলের নেতাকর্মীরা অন্য দলের নেতাকর্মীদের হত্যা করত। আমরা ক্ষমতায় এসে অস্ত্রের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের হাতে কলম তুলে দিয়েছি।

    আজ শনিবার ডাকসুর নবনির্বাচিত নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির আমল থেকে ডাকসু নির্বাচন বন্ধ ছিল। ডাকসু নির্বাচনটা চ্যালেঞ্জ ছিল আমাদের জন্য। আমরা সেটা করতে পেরেছি।

    ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ডাকসু নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ হয়, এটা সবসময় বলেছি। ছাত্রছাত্রীরা যা চাইবে, তাই হবে। ভোট কে কত পেল, সেটা বড় নয়। যারা জয়লাভ করেছে সবার কিন্তু এই বিবেচনা রাখতে হবে কে ভোট দিল কে দিল না সেটা বিষয় নয়।

    নির্বাচনে ভিপি পদে হেরে যাওয়া শোভনের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটে হারার পর শোভন আমার কাছে এসেছে। আমি শোভনকে বলেছি, ভোটে হেরেছ, এবার যাও তাকে (নুর) অভিনন্দন জানাও। সে তাই করেছে। আমি এজন্য শোভনকে ধন্যবাদ জানাই। সে রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার দাদা এমপি ছিলেন, বাবা উপজেলা চেয়ারম্যান। সে তার রাজনৈতিক উদারতা দেখিয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, আমরা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব খুঁজছি। সেটা ছাত্রজীবন থেকেই শুরু হলে ভালো। আমরা স্কুলজীবন থেকেই শুরু করেছি ছোটবেলা থেকেই গণতন্ত্রের চর্চা থাকুক।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডে তিনজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। পাশাপাশি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

    এর আগে বিকেল তিনটার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান ডাকসুর নবনির্বাচিত নেতারা। এ সময় ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও ছাত্রলীগকে পৃথক গাড়িতে গণভবনে যেতে দেখা যায়। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডাকসুর নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও বিজয়ী অন্যান্য নেতৃবৃন্দের পরিচয় পর্ব সম্পন্ন হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাকিরা সম্মতি দিলে যাবো : ভিপি নুর

    প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাকিরা সম্মতি দিলে যাবো : ভিপি নুর

    অনিয়ম কারচুপির পরেও ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। চায়ের আমন্ত্রণে যাবো কিনা সেটা সবাইকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি একা বললে তো হবে না, অনেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্যানেলগুলো রয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিবো, তারা সম্মতি দিলে যাবো।

    শুক্রবার রাজু ভাস্কর্যে অনশনরত শিক্ষার্থীদের দেখতে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নবনির্বাচিত (ভিপি) নুরুল হক নুর এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়েও তার দায়িত্ব রয়েছে। পজেটিভভাবে আমি যাওয়ার পক্ষে। প্রধানমন্ত্রীর সামনে যেন আমরা আমাদের সমস্যাগুলো তুলে ধরতে পারি। তবে আমি আন্দোলনকারী ভাই-বোনদের সঙ্গে কথা বলে এবং যারা এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তাদের সঙ্গে কথা বলে ফাইনাল ডিসিশন নেবো। কারণ তারা যদি সম্মতি না দেয় তাহলে তো আমি যেতে পারবো না। আশা করি, তারা হয়তো সম্মতি দেবে।

    নুর বলেন, আমি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনের নামে সন্ত্রাসীদের হাতে বার বার রক্তাক্ত হয়েছি। তখন আমার এ ভাই-বোনরাই আমার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। তারা না চাইলে দায়িত্ব গ্রহণ কিংবা দেখা করতে যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না।

    নবনির্বাচিত এই ভিপি বলেন, আমার ব্যক্তি ইমেজকে নষ্ট করার জন্য ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বিভ্রান্ত করার জন্য নানা কিছু ছড়ানো হচ্ছে। আমি আগেও বলছি এখনও বলছি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তবে আমি এখন কোনোভাবেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আমি বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক। এ পরিষদের পক্ষ হতে আমি ডাকসুতে নির্বাচন করেছি। এখানে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।

    উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। জিএস পদে জয়লাভ করেছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এছাড়া এজিএস নির্বাচিত হয়েছেন ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।

    সোমবার (১১ মার্চ) রাত ৩টা ১৭ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এ ফলাফল ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

  • নির্বাচনে লড়ছেন সে কথা পরিবারকেই জানাননি বরিশালের মেয়ে ভিপি আশা

    নির্বাচনে লড়ছেন সে কথা পরিবারকেই জানাননি বরিশালের মেয়ে ভিপি আশা

    পড়াশোনার সঙ্গে উপস্থাপনা, টিউশনি, আবৃত্তি সবই করছেন সমানতালে। ডাকসু নির্বাচনে হয়েছেন হলের ভিপি। রিকি হায়দার আশার এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে সাহস আর পরিশ্রমের নানা গল্প।নিজের কষ্টার্জিত অর্থে ব্যয় মিটিয়েছেন নির্বাচনের। সাহস নিয়ে ছাত্রলীগের প্যানেলের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ভিপি নির্বাচিত হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। আশা পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্ট্যাডিজের শিক্ষার্থী। এ ছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সেক্রেটারি।একান্ত সাক্ষাৎকারে আশা বলেন, হল সংসদ নির্বাচনে আমি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়ী হয়েছি।

    আমাদের হলে মোট ভোট পড়ে ১১৬৬টি। এর মধ্যে আমি পেয়েছি ৮শ’ ১২ ভোট।

    তিনি বলেন, হলে পুরো প্যানেল ছিল ছাত্রলীগের। আমরা স্বতন্ত্রভাবে তিনজন নির্বাচন করেছি। তিনজনই নির্বাচিত হয়েছি। অন্য দু’জন হলেন- সাহিত্য সম্পাদক পদে খাদিজা শারমিন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে তাসনীম হালিম মীম। এ ছাড়া ছাত্র ইউনিয়ন থেকে দু’জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। মোটা দাগে বলতে গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন পেয়ে স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছি। নির্বাচনের আগের পুরো রাত আমরা ঘুমাইনি। সারা রাত জেগে ব্যালট বাক্স পাহারা দিয়েছি।

    স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে নির্বাচনের নেপথ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি কারো কাছে নিজের জন্য ভোট চাইনি। ভোট চেয়েছি যোগ্য প্রার্থীর জন্য। আমি ভোট চেয়েছি প্রত্যেকটি সাধারণ শিক্ষার্থীর সচেতনতার কাছে। সেদিক থেকে বিচার করলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়তো মনে হয়েছে হল সংসদে অন্য যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার থেকে আমি যোগ্য।

    ফলে তারা আমাকে নির্বাচিত করেছে। নির্বাচনের খরচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। বিটিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার কাজ করি। বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও টিউশনি ইত্যাদি থেকে উপার্জিত ও জমানো টাকা দিয়ে নির্বাচন করেছি।

    আশা বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সকল চাওয়া-পাওয়া ও দাবি-দাওয়ার কথা রয়েছে। সেগুলো পালন করাই এখন আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ। যেহেতু স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলাম তাই অনেক চড়াই উৎরাই ও নানামুখী ধকলের মধ্যে দিয়ে ভিপি নির্বাচিত হয়েছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থনে আমাদের হলে প্রথম থেকেই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। ভোটের দিন আমাদের হলে কোনো সমস্যা হয় নি। এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা খুব ভালো ভাবে ভোট দিতে পেরেছে। আমাদের ইশতেহারের মূল বিষয় ছিল আবাসন সমস্যা, খাবারের মান উন্নয়ন, ক্যাম্পাসে যাতায়াত উপযোগী প্রয়োজনীয় বাসের ব্যবস্থা করা।

    এ ছাড়া হলে ফার্মাসি ও টেইলার্স স্থাপন করা ইত্যাদি। এগুলোর পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে সঙ্গে নিয়ে তাদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া ও প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চাই। নতুন নির্বাচিত এই ভিপি বলেন, আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বরিশালে। বাবার নাম আলি হায়দার বাবু। মা ডালিয়া হায়দার। স্কুল ছিল বরিশাল সদর গার্লস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

    বরিশাল মহিলা কলেজের পর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্ট্যাডিজ বিভাগে। তিনি মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। ৪ ভাই ও বোনের মধ্যে আশা তৃতীয়।

    তিনি বলেন, বাসায় জানলে হয়তো দুশ্চিন্তা করবে- এমনটি ভেবে প্রথমে নির্বাচন করার বিষয়টি বাবা-মাকে জানান নি। পরে অবশ্য তারা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে সমর্থন ও সাহস যুগিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ডাকসু নির্বাচনে কুয়েত মৈত্রী হলসহ মেয়েদের চারটি হলেই জয়ী হন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। কুয়েত মৈত্রীতে ভিপি পদে জিতেছেন সুস্মিতা দে। আর জিএস পদে জিতেছেন সাগুফতা বুশরা মিশান। শামসুন্নাহার হল ছাত্র সংসদে স্বতন্ত্রদের প্যানেলের আট প্রার্থীর সবাই জয়ী হয়েছেন। ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ভিপি হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রিকি হায়দার আশা।একই হলে জিএস পদে জয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের সারা বিনতে জামান। কবি সুফিয়া কামাল হলে ভিপি পদে স্বতন্ত্র প্যানেলের তানজিনা আক্তার সুমা এবং জিএস পদে একই প্যানেলের মনিরা শারমিন জয়ী হয়েছেন।

  • ব্রাজিলে স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে শিশুসহ নিহত ৯

    ব্রাজিলে স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে শিশুসহ নিহত ৯

    ব্রাজিলের সাও পাওলোতে একটি স্কুলে অজ্ঞাত বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে শিশুসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশু, দুই কিশোর-স্কুলের কর্মীও রয়েছেন।

    বুধবার সকালে সাও পাওলো রাজ্যের বন্দুকধারীর হামলায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাউল ব্রাসিল এলিমেন্টারি স্কুলের আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়, মুখোশপড়া দুই তরুণ স্কুলভবনে ঢুকে হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। পুলিশের গুলিতে তারাও নিহত হয়েছেন।

    সাও পাওলো রাজ্যের সামরিক পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, সুজানোতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে একব্যক্তি এলোপাতাড়ি গুলি করলে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

    সাও পাওলো রাজ্যের গভর্নর জাওয়া দোরিয়া এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমি বন্দুক হামলার খবর জানতে পেরেছি। শিক্ষার্থীদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছে ওই বন্দুকধারীরা।’

    ব্রাজিল বিশ্বের সবচেয়ে সহিংসতাপূর্ণ একটি দেশ হলেও সেখানে স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা একেবারে বিরল। দেশটিতে এর আগে স্কুলে সবচেয়ে বড় হামলাটি হয়েছিল ২০১১ সালে। রিওডি জেনেরিওতে সাবেক এক শিক্ষার্থীর হামলায় তখন ১২টি শিশু মারা গিয়েছিল।

  • ট্রাকচালক হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদক পাব স্বপ্নেও ভাবিনি

    ট্রাকচালক হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদক পাব স্বপ্নেও ভাবিনি

    ২০১৯ সালে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহে সারা দেশে শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী হিসেবে নির্বাচিত দিনাজপুরের ট্রাকচালক ফারুক হোসেন এবার প্রধানমন্ত্রী পদক পেয়েছেন।

    বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পদক গ্রহণ করেন ফারুক হোসেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তার হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    dinajpur

    ছবি: সংগ্রহ।

    পদকপ্রাপ্ত ফারুক হোসেনের বাড়ি দিনাজপুরের সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে। তার জন্ম ১৯৮৮ সালের ১২ মার্চ। সদর উপজেলার চেরাডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০২ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করার পর অভাব-অনটনের জন্য আর লেখাপড়ার সুযোগ হয়নি। এরপর শহরের পুলহাট বিএডিসির বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্রে বস্তা টানার কাজ শুরু করেন। ২০০৭ সালে মাস্টাররোলে বিএডিসির ট্রাক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। ২০১৭ সালে বিএডিসির রংপুর যুগ্ম-পরিচালকের দফতরে ট্রাক সহকারী হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ পান ফারুক হোসেন।

    শিক্ষানুরাগী ফারুক নিজে বিভিন্ন স্কুলে ও পাড়ায়-মহল্লায় গিয়ে হতদরিদ্র ও ঝরে পড়া শিশুদের খুঁজে বের করেন। তাদের লেখাপড়া যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য বেতনের ২৫ শতাংশ দিয়ে শিক্ষা উপকরণ কিনে বিতরণ করেন। পাশাপাশি তিনি ও তার স্ত্রী সাবেরা আক্তার মিলে নিজ বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র। যার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৯। ফারুক হোসেন সংসার জীবনে এক সন্তানের জনক।

    dinajpur

    ছবি: সংগ্রহ।

    প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পদক গ্রহণ করে ফারুক হোসেন বলেন, আমার বাবা অর্থের জোগান দিতে না পারায় লেখাপড়া করতে পারিনি বেশি। তখনই পণ করেছিলাম আমার মতো কারও যাতে অর্থের অভাবে লেখাপড়া বন্ধ না হয় সেজন্য উপার্জনের একটা অংশ ব্যয় করব শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের জন্য। ২০০৭ সাল থেকে এই কাজটি করে চলেছি। কোনো স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য নয়, হতদরিদ্র শিশুরা যাতে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়- সেই চিন্তা থেকেই এই কাজ করছি আমি।

    ফারুক হোসেন আরও বলেন, আমি কল্পনা করতে পারিনি এমন কাজ করলে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়। স্বপ্নেও ভাবিনি আমি ট্রাকচালক হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদক পাব। কিছু চাওয়া-পাওয়ার আশায় এই কাজ করিনি আমি। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও উৎসাহিত করবে। যতদিন শিক্ষা থেকে শিশুদের ঝরে পড়া বন্ধ হবে না ততদিন আমার এই কাজ অব্যাহত থাকবে।

  • শোভনের বক্তব্যে কাঁদাল ছাত্রলীগ

    শোভনের বক্তব্যে কাঁদাল ছাত্রলীগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে পরাজয় মানতে না পেরে বিক্ষোভ করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফের পুনঃভোটের দাবি জানায় তারা। তবে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক শোভন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য নূরসহ সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান। শোভন কথা বলার সময় নেতাকর্মীদের অনেকে উচ্চস্বরে কাঁদছিলেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভরত নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ডাকসু নির্বাচনে পরাজিত এই ভিপি প্রার্থী এসব কথা বলেন।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়ে লাভ নাই। কারণ, আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে চলতে হবে। সবাই তো আমাদের। কে আপন, কে পর? সবাই তো আপন। তুমি যদি মানুষকে পর করে দাও তাহলে তো হবে না। তোমাকে মনে রাখতে হবে তুমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী। ছাত্রলীগ কর্মীদের মন ছোট হতে পারে না। ছাত্রলীগ কর্মীদের মন অনেক বড় হতে হয়।

    ভিসির বাসভবন অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে শোভন বলেন, ‘এই অবরোধ বা এই ভিসির বাড়ির সামনে দাঁড়ানো আল্লাহর ওয়াস্তে আমি তোমাদের বলতেসি, তোমরা ভিসির বাসার সামনে থেকে সরে যাও। তোমরা কার জন্য করতেছ, ছাত্রলীগের জন্যই তো করতেছ, আমাদের জন্যই তো, আমার জন্যই তো করতেছ, আমি এইখানে বলতেছি। তোমরা আমার কথা মানবা না? আমি তো ব্যক্তি না, আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি, আমার একটা জায়গা আছে, আমার জায়গাটা তোমরা নষ্ট করো না। তোমাদের প্রতি আমার অনুরোধ, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের শুধু না, সারা দেশের ছাত্রদের প্রতিনিধিত্ব করি। আমরা সেই সব ছাত্রদের দেখে রাখবো, এটা আমাদের দায়িত্ব। দায়বোধের জায়গা থেকে আমরা এটা করবো’ বলেও যোগ করেন তিনি।

    শোভন বলেন, ‘আমি তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছি তোমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে এই জায়গা ছেড়ে দিবা। যদি না যাও, তাহলে আমি বুঝবো তোমরা আমাকে মানো না।’

    সবার সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘অনেক সময় অনেক কিছুর কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য দেশের ভালোর জন্য নিজেকে বলি দিতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য আমরা সবাইকে একসাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। নূরও আমাদের সঙ্গে কাজ করবে।’ শোভন কথা বলার সময় নেতাকর্মীদের অনেকে উচ্চস্বরে কাঁদছিলেন। সে সময় এ আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এরপরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

  • আমাদের সব চাওয়া-পাওয়া নূর পূরণ করবে: শোভন

    আমাদের সব চাওয়া-পাওয়া নূর পূরণ করবে: শোভন

    ডাকসুর ভিপি পদে নিজের পরাজয় মেনে নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেছেন, আমি ভিপি হতে পারি নাই। তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে আমাদের সব চাওয়া-পাওয়া নূর পূরণ করবে।

    আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নুরকে ভিপি মেনে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি এ কথা বলেন।

    শোভন বলেন, ভোটে নূর ভিপি নির্বাচিত হয়েছে। আমরা তাকে মেনে নিয়েছি। সবাই তাকে মেনে নেবেন। সে আমার বন্ধুর ছোট ভাই। এ নিয়ে কেউ কোনো সংঘর্ষে জড়াবে না।

    ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, নির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নূর আমাদের সাথে কাজ করবে। কাউকে পর করে দিলে হবে না। ছাত্রলীগের কর্মীদের মন অনেক বড়।

    একইসঙ্গে তিনি নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নূরের পাশে থেকে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    উল্লেখ্য, ডাকসুতে ভিপি ছাড়া সবগুলো পদেই জয়ী হন সরকার সমর্থক সংগঠন ছাত্রলীগের প্রার্থীরা। ভিপি পদে জয়ী হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মোর্চা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নূরুল হক নূর।