Category: অন্যান্য

  • আজানের সময় ভাষণ থামালেন মোদি

    আজানের সময় ভাষণ থামালেন মোদি

    আজান চলাকালীন বক্তব্য থামালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বিকালে গুজরাটের আহমেদাবাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য রাখছিলেন মোদি।

    সেসময়ই পাশের একটি মসজিদ থেকে আজানের শব্দ ভেসে আসে। সাথে সাথে বক্তব্য থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী, আজান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি মঞ্চেই দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর আজান শেষে ফের ভাষণ শুরু করেন।

    আগামী ৯ ডিসেম্বর গুজরাট বিধানসভার প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগে দক্ষিণ গুজরাটের নবসারিতে প্রচারণায় গিয়েছিলেন মোদি। সেখানেই আজান চলাকালীন মাঝপথে নিজের ভাষণ থামিয়ে দেন মোদি।

    তবে এবারই প্রথম নয়, আজান চলাকালীন এর আগেও একবার নিজের ভাষণ থামিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছরেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারণায় রাজ্যটির খড়গপুরে এক প্রচারণায় যোগ দিতে এসে আজানের সময় নিজের বক্তব্য সাময়িক বন্ধ রাখেন মোদি।

    সেসময় পোডিয়ামে রাখা গ্লাস থেকে পানি খেয়ে টানা তিন মিনিট নীরবতা পালন করেন।

    পরে আজান শেষে মোদি জানিয়েছিলেন ‘প্রার্থনা চলাকালীন সময়ে আমি কারো ব্যাঘাত করতে চাই না। সেই কারণেই আমি কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে নিলাম। ’

  • এটাই শেষ নির্বাচন?

    এটাই শেষ নির্বাচন?

    আরেকটি নির্বাচনের পর অবসরে যেতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘনিষ্ঠদের তিনি বলেছেন, ‘২০১৮ এর পর আর নির্বাচন করতে চান না।’ অবসর নিয়ে তিনি ঢাকায় নয় থাকতে চান টুঙ্গিপাড়ায়। সেখানে পৈতৃক ভিটায় বাড়িও বানিয়েছেন। ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, ‘আল্লাহ যদি তৌফিক দেন আরেকবার দেশ পরিচালনা করার, তাহলেই শেষ।’ এর মধ্যে বাংলাদেশ একটা মর্যাদার জায়গায় যাবে বলেই বিশ্বাস কর্মঠ এই প্রধানমন্ত্রীর।

    ২০১৮ এর নির্বাচনে যে দল ক্ষমতায় আসবে তারাই ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করবে। একই দল ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালন করবে। শেখ হাসিনা এখন প্রতিটি ঘরোয়া আলোচনাতেই এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। তিনি সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কেন আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কেন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়টা জরুরি।

    ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশের তালিকায় প্রবেশ করবে বলে আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর। ঘরোয়া আলোচনায় বলেছেন, ‘জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজটা প্রায় সমাপ্ত করতে পেরেছি। আমার দায়িত্ব শেষ। নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দিবো। গ্রামে গিয়ে অবসর কাটাবো।`২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর বয়স হবে ৭৬ বছর। ৭৬ এ বহুদেশে সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান রয়েছেন। একটু তাড়াতাড়ি হয়ে গেল না? ‘কোথায় তাড়াতাড়ি? ৮১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছি। ৩৬ বছর দলের সভাপতি আর কত?’ এভাবেই জবাব দেন।

    একটা কথা সবসময়ই বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ক্ষমতার লোভ আমার নেই। প্রধানমন্ত্রী হবার শখও আমার ছিল না। দেশ পরিচালনার দায়িত্বও নিয়েছি শুধু জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের জন্য। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ সুখে থাকুক। দুবেলা পেট পুরে খাক। আমরা দেশটাকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার কাছাকাছি নিয়ে গেছি। বিশ্বে আজ মর্যাদার আসনে বাংলাদেশ।’ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করেছেন। এখন দারিদ্র মুক্তির দারপ্রান্তে বাংলাদেশ।

    প্রায়ই ঘনিষ্ঠদের বলেন, ‘আল্লাহ বোধ হয় এজন্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন।’আগেও অবসরের কথা বলেছেন। প্রতিবার দলের কাউন্সিলে অবসরের ইচ্ছা জানান। কিন্ত কর্মীদের প্রবল আবেগের কাছে পরাস্ত হন। ‘কর্মীরাই আমার সব। এদেশের মানুষের ভালবাসায় সম্ভবত আমি বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি।’ এমন কথা বলতে বলতে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। এজন্যই কর্মীদের আবেদনের কাছে নিজের ইচ্ছার পরিবর্তন করেন। তবে, এবার আর না।

    সাধারণ মানুষের জীবনে ফিরে যেতে চান।মালয়েশিয়ার নেতা মাহাথির মোহাম্মদের মতো কি তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়েই তিনি ক্ষমতা ছেড়ে যেতে চান? এমন প্রশ্ন তাঁকে অনেকেই করে, কিন্ত তুলনায় ঘোর আপত্তি তাঁর। তিনি কারো মতো না। তিনি শেখ হাসিনা, অনন্য। মানুষের ভালবাসা উপেক্ষা করে সত্যি কি পারবেন তিনি অবসরে যেতে?

  • গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    বছর দশেক আগের কথা। মা ও ভাই-বোনদের হাত ধরে দক্ষিণ সুদান থেকে রিফিউজি ক্যাম্প হয়ে কেনিয়া যান তিনি। অবশেষে খালি পায়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।

    তিনি আর কেউ নন, আন্তর্জাতিক মডেলিং দুনিয়ায় যার পরিচিতি ‘কুইন অফ দ্য ডার্ক’ নামে; তার প্রকৃত নাম নেয়াকিম গ্যাটওয়েক। ‘মডেল’ শব্দের অর্থ কী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সেটাই জানতেন না তিনি।

    noakim-2

    ভাগ্যের কী লীলা! ২৪ বছর বয়সে এসে সেই তারই ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। অথচ এক সময় গায়ের রংয়ের কারণে উঠতে-বসতে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

    নেয়াকিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এসে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। প্রথম দিকে সেখানেও তাকে গায়ের রঙের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু হার মানার মেয়ে নন তিনি।

    noakim-2

    নিজের সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে নেয়াকিম জানান, নিজেকে ভীষণ ভালবাসি। ভালবাসি আমার গায়ের রং। নিজেকে ভাল না বাসলে, অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে না।

    সফল এই মডেল চান বিশ্ব দরবারে সুদানের কথা তুলে ধরতে। তার খুব ইচ্ছে, নিজের জন্মভূমির জন্য কিছু করার। বিশেষ করে সেখানকার ছোট ছোট অসহায় মেয়েদের জন্য কিছু করার।

  • আখেরি মুনাজাতে সম্পন্ন চরমোনাইয়ে অগ্রাহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল

    আখেরি মুনাজাতে সম্পন্ন চরমোনাইয়ে অগ্রাহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল

    মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী চরমোনাইয়ে অগ্রহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল শেষ হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আমিরুল মুজাহিদীন আলহাজ হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)-এর পরিচালনায় আখেরি মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    মুনাজাতের আগে শেষ বয়ানে পীর সাহেব বলেন, আমরা সবাই কবর পথের যাত্রী। যার ভিতরে তাকাব্বরি থাকবে সে বেহেশতের ঘ্রাণও পাবে না। হিংসা, অহংকার, গিবত, মিথ্যা, সুদ, ঘুষসহ সব গুণাহের কাজ দূর করতে হবে। হারাম মালের দ্বারা যে রক্ত ও শরীর তৈরি হবে তার স্থান হবে জাহান্নাম। কবর আজাব ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা ও তরিকার পাঁচ ওষুধ পালনসহ শরিয়তের যাবতীয় হুকুম আহকাম মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, পরিপূর্ণ ও সহি-শুদ্ধভাবে নামাজের জন্য কেরাত শিক্ষা করা ফরজ। যারা আত্মাকে পবিত্র করবে তারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

    ইমানের ওপর পরিপূর্ণভাবে মজবুত থাকার নির্দেশনা দিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আল্লাহ পাকের জিকির অধিক করলে কলবের ময়লা দূর হয়। কলব পরিষ্কার হওয়ার একমাত্র পথ জিকির। মুসুল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা চরমোনাই এসেছেন তারা সবাই নির্দেশ মেনে চলবেন, অন্যথায় চরমোনাই আসার দরকার নাই। আমরা পীর-মুরিদির ব্যবসা করি না। আখেরি মুনাজাতে পীর সাহেব বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন। মোনাজাত শেষে আগত মুসুল্লিরা শত শত বাস, লঞ্চ ও ট্রলার যোগে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

    চলতি বছর চরমোনাই এলাকায় ২টি মাঠজুড়ে মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা, মাঠের আশপাশের বাগান, ঘড়বাড়ির আঙিনাসহ সবখানে বিপুলসংখ্যক মুসল্লিদের উপস্থিতিতে তিল ধারণে ঠাঁই ছিল না। মাহফিলে আগত মুসুল্লিদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জানাজা শেষে তাদের কফিন নিজ নিজ ঠিকানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করে মুজাহিদ কমিটি।

  • চাকরি না পাওয়ায় বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে তরুণদের

    চাকরি না পাওয়ায় বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে তরুণদের

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমার সমালোচনা করে যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন, চাকরি না পাওয়ার কারণে তারা তাদের প্রেমিকাকে হারাচ্ছেন। যাদের সঙ্গে তাদের বিয়ের কথা পাকা হয়েছিল সেই বিয়েও ভেঙে যাচ্ছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর নগর ভবনে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমাবেশে তরুণদের চোখে-মুখে গভীর হতাশা, বেদনার ছাপ দেখেছি। তারা কোথায় যাবেন? তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করবেন না। পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর মায়ের কাছে টাকা চাইতে পারে না। বেকার বলে বন্ধু-বান্ধবদের মুখ দেখাতে পারেন না। চাকরি না পাওয়ায় তরুণরা তাদের প্রেমিকাকে হারাচ্ছেন।

    সরকারের জনপ্রশাসনমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, উচ্চ শিক্ষিত বেকার তরুণরা যাবে কোথায়? জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাহেব গত ২০ নভেম্বর সংসদে বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে নাকি বাড়ানো যাবে না। কেন জানতে চাই। ৩০ বছর বয়সীদের হতাশা আমি দেখেছি, ৩০ এর বেশি বয়সীদের বেদনা আপনি দেখেছেন? সরকারি চাকরিতে বয়সের বেড়াজালে তরুণরা চাকরি পাচ্ছেন না।

    এ সময় শেখ হাসিনার ডিজিটাল সরকারের আমলে প্রেমিকা হারানো বা বিয়ে ভেঙে যাওয়ার মতো ব্যাপার চলতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    জনপ্রশাসনমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, কী কারণে তরুণ সমাজ শিক্ষা শেষে পরিবার, সমাজ ও দেশের সম্পদ হওয়ার পরিবর্তে বোঝা হয়ে পড়ছে; এ কথা আপনাকে বলতে হবে। আমাদের আইনের মারপ্যাঁচে সীমাবদ্ধ সুযোগের কাছে পরাজিত হচ্ছে তরুণরা।

    তিনি বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে, এ বুলি আউড়িয়ে আইনকে যুগোপযোগী রাখার জন্য সময় পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংশোধন ও বিয়োজন করার প্রয়োজন পরে। সময়ের আলোকে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা এমন একটি আইন যা পরিবর্তনের মাধ্যমে ৩০ থেকে বাড়াতে হবে। কথা পরিষ্কার।

    নিজের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ওমর ফারুক বলেন, এটাতো পরিষ্কার ২৩ বছরের শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সমীকরণটি শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। তার প্রমাণ ২৭-২৮ বছরের আগে কোনো ছাত্রের শিক্ষা জীবন শেষ হয় না।

  • প্রধানমন্ত্রীর রূপপুর আগমন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ‘ফ্ল্যাশ মব’

    প্রধানমন্ত্রীর রূপপুর আগমন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ‘ফ্ল্যাশ মব’

    দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিঅ্যাক্টর বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশনে প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন হবে আগামী বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)।

    এর মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজের সূচনা ঘটবে। এ ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রূপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী একটি বর্ণাঢ্য ‘ফ্ল্যাশ মব’ প্রদর্শনীর
    আয়োজন করে।

    শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সবুজ ও লাল রঙয়ের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্কুল মাঠে ‘LOVE ROOPPUR’ শীর্ষক একটি ফিগার তৈরি করে। ফ্ল্যাশ মবটি ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে ধারণ করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম কংক্রিট ঢালাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন। রসাটমের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটির জেনারেল কন্ট্রাক্টর রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

  • রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে ২৩১২ কোটি টাকার আশ্রয়ণ প্রকল্প

    রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে ২৩১২ কোটি টাকার আশ্রয়ণ প্রকল্প

    নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য ২ হাজার ৩১২ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। যেখানে এক লাখ রোহিঙ্গাকে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হবে।

    রোহিঙ্গাদের আবাসন প্রকল্পসহ মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকে ১০ হাজার ৯৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ৪৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল। খবর বাসসের।

    এ সময় পরিকল্পনা সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা সচিব কে এম মোজ্জামেল হকসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। আশা করছি ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে সেদেশের নাগরিকরা ফেরত যাওয়া শুরু করবে। এরপরও তারা যতদিন এখানে অবস্থান করবেন তাদের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ভাসানচরে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সব সময় বাণিজ্যিক লাভ দেখে প্রকল্প হাতে নেয় না। মিয়ানমার থেকে আসা সেদেশের নাগরিকরা কষ্টে আছেন। তাদের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আশা করি আমরা নিজেদের টাকায় কাজ শুরু করলেও বিদেশিরা সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসবে।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী এক বছরের মধ্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সবগুলো পাকা রাস্তা পুর্নবাসনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এখন থেকে নতুন রাস্তা না করে পুরনো রাস্তাগুলো আবার পাকা করতে হবে। এছাড়া এখন থেকে রাস্তা তৈরির সময় দু’পাশে জলাধার এবং ধীর গতির যান চলাচলের ব্যবস্থা রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

  • সরকারের ভিত কাঁপে এক খুনে

    সরকারের ভিত কাঁপে এক খুনে

    রাত ৩টা। চারদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার।

    নিস্তব্ধতা ভেঙে বিকট শব্দে মহাসড়ক দিয়ে নাইট কোচ ছুটে চলেছে। একটি মাত্র চায়ের টং দোকান। দু-চার জন ক্রেতা। রাস্তার দিকে তাকিয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরী। বাসের জন্য অপেক্ষায়। চোখেমুখে তার উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা। হঠাৎ পুলিশের একটি পিকআপ এসে থামল। ভিতরে তিনজন পুলিশ। লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে কিশোরীর দিকে। কোথায় যাবে? এক পুলিশের এমন প্রশ্নে হতচকিত কিশোরীটি। ভয়ে ভয়ে কিশোরীর জবাব, দিনাজপুর। মায়ের কাছে যাব।

    চল চল। উঠে পর গাড়িতে। মায়ের কাছে যাবি, নাকি কোথায় যাবি, পৌঁছে দেব, পুলিশ বলে তাকে। কিশোরীটি ইতস্তত করছিল। এই উঠ, ধমক দেয় এক পুলিশ। কিশোরী তাদের সঙ্গে পিকআপে উঠে পড়ে। এরপর রক্ষক ভক্ষকের বেশে। পিকআপেই ধর্ষণের চেষ্টা। হায়েনাদের কাছ থেকে রক্ষা পেতে গাড়ি থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কিশোরীটি। আবারও তাকে তুলে নেয়। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিশোরীকে নিয়ে যায় তারা। সেখানে উপর্যুপরি ধর্ষণ শেষে হত্যা করে কিশোরীকে। গাড়িতে কিশোরীর দেহ তুলে নেয়। চলন্ত গাড়ি থেকেই ছুড়ে ফেলে দেয় হতভাগ্য কিশোরীর নিথর দেহ। দিনাজপুরের সেই কিশোরী ইয়াসমিনের ঘটনা এটি। পুলিশবেশী হায়েনার দল ইয়াসমিনকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যায়নি। মাকে দেখতে যে কিশোরী মেয়েটি ঢাকা থেকে ছুটে চলে এসেছিল একদম একা। ভয়ডর পেছনে ফেলে পৌঁছে গিয়েছিল মায়ের দোরগোড়ায়।

    কিন্তু মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া দূরের কথা, ১৪ বছরের ইয়াসমিনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে পুলিশরূপী দুর্বৃত্তরা। শুধু তাই নয়, দুনিয়া থেকেই তাকে বিদায় করে দিয়েছে নির্মম নির্যাতন করে। কোনোরকম গোসল-জানাজা ছাড়া দাফন করে পুলিশ। ইয়াসমিন ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সারা দেশ যেন কেঁপে উঠেছিল। কেঁপে উঠেছিল তৎকালীন সরকারের ক্ষমতার ভিতও। বাংলাদেশের ইতিহাসে ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডটি সর্বাধিক আলোচিত ঘটনা। ইয়াসমিনকে নিয়ে চলচ্চিত্র ও নাটক তৈরি হয়েছে। কবি, সাহিত্যিক ও লেখকরা ইয়াসমিনকে নিয়ে বহু লেখালেখি করেছেন। বই প্রকাশ করেছেন। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। উত্তাল হয় গোটা দিনাজপুর। শান্ত মানুষ গর্জে ওঠে। গুলি চালায় পুলিশ। এতে জীবন দিয়েছেন অন্তত সাতজন। আর পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অগণিত মানুষকে। কারফিউ দিতে হয় সরকারকে। ইয়াসমিন হত্যার পর থেকে প্রতি বছর ২৪ আগস্ট ‘ইয়াসমিন হত্যা দিবস’ বা ‘নারী নির্যাতন ও প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। পরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের তিন সদস্যকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মামলার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়। দিনাজপুর শহরের রামনগর এলাকার রিকশাচালক মৃত এমাজ উদ্দিন ও শরিফা বেগমের একমাত্র মেয়ে ইয়াসমিন বেগম। শহরের লালবাগ কোহিনূর স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত সে। বাবা মারা যাওয়ার পর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় ইয়াসমিনের। সংসারে অভাবের তাড়নায় মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৯২ সালে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে ঢাকায় যায়। সে আবুল আহসান আহমদ আলী নামের এক ব্যক্তির ধানমন্ডি ১ নম্বর সড়কের ১৩ নম্বর বাসার এক পরিবারে গৃহপরিচারিকার কাজ করত। আবুল আহসান আহমদ আলীর গ্রামের বাড়িও দিনাজপুর। টানা তিন বছরে একবারও দিনাজপুরে মায়ের কাছে আসা হয়নি ইয়াসমিনের। তাই বাড়িতে আসার জন্য বিশেষ করে মাকে দেখার জন্য ভীষণ উতলা ছিল সে। গৃহস্বামী তাকে দুর্গাপূজার ছুটিতে যাওয়ার কথা বলেন।

    কিন্তু বাড়ি যাওয়ার জন্য উতলা ইয়াসমিন সেই বাক্যে সান্ত্বনা পায়নি। এ কারণে ১৯৯৫ সালের ২৩ আগস্ট ওই পরিবারের ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে একাই দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হয়ে যায় ইয়াসমিন। সে উঠে পড়ে দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওগামী নৈশ কোচ হাছনা এন্টারপ্রাইজে। ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন রাত ৩টার দিকে দিনাজপুরের দশমাইল মোড়ে নামে। কোচের সুপারভাইজার দশমাইল মোড়ের পান দোকানদার জাবেদ আলী, ওসমান গনি, রহিমসহ স্থানীয়দের কাছে কিশোরী ইয়াসমিনকে দিয়ে সকাল হলে মেয়েটিকে দিনাজপুর শহরগামী যে কোনো গাড়িতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু এর কিছুক্ষণের মধ্যে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার টহল পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান সেখানে আসে। তারা মেয়েটিকে মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। দশমাইলের একটি আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিশোরীকে নিয়ে যায় তারা। পরে ধর্ষণ ও হত্যা করে। পরদিন সকালে ইয়াসমিনের লাশ পাওয়া যায় দিনাজপুর-দশমাইল মহাসড়কে রানীগঞ্জ ব্র্যাক অফিসের সামনে। ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়, পুলিশ হেফাজতে ধর্ষণ শেষে খুন হয় ইয়াসমিন। পুলিশের এই পৈশাচিক ঘটনা জানাজানি হলে দিনাজপুরবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। দিনাজপুর কোতোয়ালি পুলিশ ‘একজন অজ্ঞাত পরিচয় যুবতীর লাশ উদ্ধার’ মর্মে ঘটনাটি সাজিয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা ফাইল করে। লাশের তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বালুবাড়ী শেখ জাহাঙ্গীর গোরস্থানে দাফন করা হয়। লাশের কোনো প্রকার গোসল ও জানাজা হয়নি। এখানে উল্লেখ্য যে, উত্তর গোবিন্দপুর এলাকায় পড়ে থাকা ইয়াসমিনের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির উদ্দেশ্যে কোতোয়ালি থানার এসআই স্বপন কুমার প্রকাশ্যে জনতার সামনেই লাশ উলঙ্গ করে ফেলেন, যা উত্সুক জনতার মাঝে ক্ষোভ সঞ্চার করে। এ নিয়ে পরদিন দিনাজপুরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। পুলিশ ও প্রশাসনের রহস্যময় আচরণ জনমনে কৌতূহল ও বিক্ষোভ শতগুণে জাগিয়ে তোলে। একপর্যায়ে ২৬ আগস্ট স্থানীয় জনতা কর্তৃক রামনগর মোড়ে মিটিং আহ্বান করে প্রচার চালানোর সময় কোতোয়ালি থানা এলাকায় পুলিশ মাইক ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় আশপাশ এলাকার লোকজন সংগঠিত হয়। সন্ধ্যার পরে রামনগর মোড়ে ইয়াসমিনের গায়েবি জানাজা শেষে রাত ১০টার দিকে প্রতিবাদী জনতা বিক্ষোভ মিছিলসহকারে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে। ক্ষুব্ধ জনতা কোতোয়ালি থানার সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং সারা রাত থানা অবরোধ করে রাখে। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এতে আট-দশ ব্যক্তি আহত হয়। ২৭ আগস্ট শহরে থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই বেলা ১১টার দিকে ঘটনার প্রতিবাদ ও সব প্রশাসনিক কর্মকর্তার বদলি এবং দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরে একটি বিশাল মিছিল বের করলে মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ শহরের বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে গুলি চালালে সামু, কাদের, সিরাজসহ সাতজন নিহত হন। আহত হন তিন শতাধিক মানুষ। পরে বিক্ষুব্ধ জনগণ শহরের চারটি পুলিশ ফাঁড়ি জ্বালিয়ে দেয়। শহরের আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরে ১৪৪ ধারা (কারফিউ) জারি করা হয়। নামানো হয় বিডিআর। দিনাজপুর থেকে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    মামলা ও বিচার প্রক্রিয়া : এসব ঘটনায় দিনাজপুরবাসীর পক্ষে তিনটি মামলা করা হয়; যার মধ্যে নিরাপত্তার কারণে ইয়াসমিন হত্যা মামলাটি দিনাজপুর থেকে স্থানান্তর করা হয় রংপুরে। ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ আবদুল মতিন মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি পুলিশের এএসআই মইনুল, কনস্টেবল আবদুস সাত্তার ও পুলিশের পিকআপ ভ্যানচালক অমৃত লাল বর্মণের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ বিধান, ১৯৯৫-এর ৬ (৪) ধারায় ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে রংপুর জেলা কারাগারের অভ্যন্তরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

  • অতিরিক্ত পর্ন দেখলে যেসব মারাত্মক ক্ষতি হবে

    অতিরিক্ত পর্ন দেখলে যেসব মারাত্মক ক্ষতি হবে

    বেশি পর্ন দেখা কী ক্ষতিকারক! এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই গবেষণা শুরু করে ইতালির এক স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। আর দীর্ঘ গবেষণার পর যে তথ্য সামনে এল, তা জানার পর চোখ কপালে উঠবে অনেকেরই। বিশেষত যাদের প্রতিনিয়ত পর্ন দেখার অভ্যাস আছে, ‘পর্ন না দেখলে যাদের ঘুম আসে না’, তাদের জন্য এই গবেষণার ফল বিশেষ চিন্তার।
    ভারতীয় মিডিয়া ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, মাত্রারিক্ত পর্ন দেখার ফলে পর্নে আসক্ত ব্যক্তি ক্রমশ ‘সেক্সুয়াল অ্যানোরেক্সিয়া’র দিকে ঝুঁকতে পারেন। সোজা ভাবে যাকে বলা হয় যৌন অনাক্রম্যতা।
    তাছাড়াও হতে পারে উদ্বেগ ব্যাধিও। তবে অনেক চিকিৎসকেই মনে করছেন এই গবেষণা একপেশে এবং এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গবেষক ডঃ নিকোল প্রস বলছেন পর্ন দেখার কারণে স্বাভাবিক যৌনতায় কোনও রকম সমস্যা হওয়ার কিছু নেই।
    কানাডার আরেকটি গবেষণার দাবি, যারা তুলনায় বেশি পর্ন দেখতে পছন্দ করেন তাদের মধ্যে লিঙ্গ সাম্যতার বিষয়টি বেশি করে কাজ করে। শুধু তাই নয়,  প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই গবেষণায় এও বলা হয়, যারা পর্ন দেখতে পছন্দ করেন তাদের মধ্যে যৌন হিংসার বিষয়টিও তুলনায় কম কাজ করে, অন্যদের ক্ষেত্রে যেটা ভয়াল রূপ ধারণ করলেও করতে পারে।
    আবার এই মতের উল্টো দিকও দেখিয়েছেন অনেকে। গবেষকদের কেউ কেউ বলছেন, যে পুরুষরা ‘হার্ডকোর পর্ন’ দেখতে অভ্যস্ত তাদের মধ্যে লিঙ্গ বৈষম্য মূলক আচরণেরও প্রভাব বিস্তার করে।
    এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে গবেষণা যে ফলাফলে এসে উপনীত হয়েছে সেখানে পর্ন দেখাকে প্রাথমিকভাবে আসক্তি হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে গবেষনাও এও বলা হয়েছে পর্নের আসক্তি কখনই মাদকাসক্তের মত বিষয় নয়। পর্ন দেখার বিষয় প্রতিনিয়ত কাজে প্রভাব ফেলে, ব্যবহারিক আচরণে প্রভাব ফেলে তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়া উচিত বলে মনে করেন গবেষকরা
  • জাবিতে নিপীড়ন ও উত্যক্তের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    জাবিতে নিপীড়ন ও উত্যক্তের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চারুকলা বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীর শারীরিক নিপীড়নের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পাল্টা অভিযোগ করেছেন ৪৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
    সোমবার প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযোগ করেন, ৪৬তম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী গত ২২ নভেম্বর পুরাতন কলা ভবনের সামনে ক্লাস চলাকালীন তাদের অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও আপত্তিকর দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উত্যক্ত করেন। পরে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে পাঠান তারা। অভিযোগে তারা আরো উল্লেখ করেন, ওই শিক্ষার্থী ‘মাদকাসক্ত’ও বিভিন্ন সময় তিনি মেয়েদের সঙ্গে ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ করেন।
    এর আগে গত রবিবার ৪৬ ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী প্রক্টর বরাবর অভিযোগ করেন, গত ২২ নভেম্বর অভিযুক্ত চারুকলা বিভাগের ৫ সিনিয়র শিক্ষার্থী তাকে পুরাতন কলা ভবনের পিছনে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেন।
    এদিকে এ ঘটনায় ১৩ শিক্ষার্থীকে শোকজ করেছে বিভাগটি। একই সঙ্গে তাদের আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। সোমবার চারুকলা বিভাগের সভাপতি এম এম ময়েজ উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
    এম এম ময়েজ উদ্দীন বলেন, একটি অভিযোগ পত্র পেয়েছি। সেখানে র‌্যাগিংয়ের শিকার ৪৬ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বিচার চেয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ১৩ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা। তাদেরকে আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছে।
    এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, বিভাগীয়ভাবে বিষয়টির তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।