Category: অন্যান্য

  • ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ‌১৪৭৪ টাকা

    ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ‌১৪৭৪ টাকা

    আবারও বাড়লো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

    রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় নতুন দর ঘোষণা করে বিইআরসি। যা সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে।

    এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে বোতলজাত করা এলপিজির ৫.৫ কেজির দাম ৬৭৬ টাকা, ১২.৫ কেজি ১৫৩৬ টাকা, ১৫ কেজি ১৮৪৩ টাকা, ১৬ কেজি ১৯৬৬ টাকা, ১৮ কেজি ২২১১ টাকা, ২০ কেজি ২৪৫৭ টাকা, ২২ কেজি ২৭০৩ টাকা, ২৫ কেজি ৩০৭২ টাকা, ৩০ কেজি ৩৬৮৬ টাকা, ৩৩ কেজি ৪০৫৪ টাকা, ৩৫ কেজি ৪৩০০ টাকা ও ৪৫ কেজির এলপিজির দাম ৫৫২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে মূসকসহ প্রতিকেজির মূল্য ১২২ টাকা ৮৬ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির মূসকসহ প্রতি কেজির মূল্য ১১৯ টাকা ৪ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া মূসকসহ অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের মূল্য টাকা ৬৭ টাকা ৬৮ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

    এর আগে জানুয়ারি মাসে এলপিজি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৪০৪ টাকা থেকে ২৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

    এর আগে গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে ৫ দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে ৭ দফা। গত বছরের জানুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, জুন ও জুলাই মাসে কমেছিল এলপিজির ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম বেড়েছিল ফেব্রুয়ারি, মে, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে।

  • আজকের যুব সমাজ হবে ২০৪১ সালের কর্ণধার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    আজকের যুব সমাজ হবে ২০৪১ সালের কর্ণধার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার দিকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে দরিদ্র দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে এসেছেন। ২০৪১ সালে সমৃদ্ধশালী স্মার্ট বাংলাদেশে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।তখন আমরা হয়ত থাকব না। কিন্তু আজ যারা যুব সমাজ আছ, তোমরাই হবে সেই ২০৪১ সালের কর্ণধার।এজন্য তোমাদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।
    তিনি আরও বলেন, তোমাদের লেখাপড়া করতে হবে, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।তোমাদের ভবিষ্যতের জন্য এখন থেকেই গঠনমূলক কর্মকাণ্ড করতে হবে। তোমরা যদি সততা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের যদি গড়ে তুলতে পার, তাহলেই তোমরা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কর্ণধার হতে পারবে। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে ৫২তম উপ-আঞ্চলিক/ আঞ্চলিক স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা শীতকালীন খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো দেশের নাগরিক বা মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ না হতে পারলে সে দেশ কখনও সমৃদ্ধ লাভ করতে পারে না। জাতির পিতা স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়ার। কিন্তু আমরা জনসাধারণ যদি শারীরিকভাবে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারে তাহলে এটা সোনার বাংলা হবে না, রুগ্ন বাংলা হবে। সুতরাং সোনার বাংলা গড়তে হলে আমাদের প্রতিটি নাগরিককে শরীরের দিকে নজর দিতে হবে। আর এজন্যই সরকার খেলাধুলার দিকে নজর দিয়েছে।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও আমরা আশা করবো এখনকার শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলাধুলার প্রতিও মনোযোগী হবে। একজন শিক্ষার্থী লেখাপড়ার সঙ্গে খেলাধুলায় মনোযোগী হলে তারা অন্যান্য খারাপ কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবে।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বরিশালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বরিশাল অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো.আনোয়ার হোসেন ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বরিশালের সচিব আ ফ ম বাহারুল আলম।

  • একজন আদর্শ স্বামীর প্রতিকৃতি

    একজন আদর্শ স্বামীর প্রতিকৃতি

    মনের কোটরে যাকে সযত্নে ঘিরে রেখেছিলাম তাকে তো আর মনের কোটরে ধরে রাখতে পারিনি। সবকিছু আল্লাহর লিখন। জায়গাটা তো ঠিকঠাক, জায়গা মতই আছে। শুধু কোটরটাকে নিয়ে সারাক্ষণ হাহাকারটা সঙ্গে করে নিয়ে সংসারের সব কাজে ডুবে থাকতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু না! তা পারা খুব কষ্টের ও কঠিনতম কাজ। আমার জীবন যাকে ছাড়া চলত না প্রতি মুহূর্ত যাকে নিয়ে গেঁথেছি নকশীকাঁথার কথার মালা যাকে ছাড়া চলত না এখানে সেখানে বেড়ানো, বিয়ের দাওয়াত, দেশ-বিদেশে ব্ড়োতে যাওয়া সবকিছুই চলতে থাকে বহমান গতিতে। কিন্তু মনের গভীরে হাহাকার মৃত্যু পর্যন্ত বহমান থাকবে।
    বিয়ের পর সবার স্বামী যার যার স্ত্রীর কাছে আদর্শরূপ নিয়ে জীবন কাটাতে চেষ্টা করে। সেই চেহারা স্ত্রীদের কাছে এক এক জনে এক এক চিন্তাধারায় গ্রহণ করে।
    আমার স্বামী একজন আদর্শ স্বামী এবং একজন আদর্শ স্বামীর প্রতিকৃতি। আদর্শ স্বামীর প্রতিকৃতি বুঝিয়ে তার ব্যাখ্যা করা আমার জন্য অনেক কঠিন ব্যাপার।
    শুরুর জীবনের কথা, আমি সংসারের অনেক কাজ বুঝতাম এবং বেশ কিছুই পারতাম। কিন্তু রান্না তেমন কিছুই পারতাম না। আমাকে আমার সাহেব হাতে ধরে অনেক রান্না শিখিয়েছেন। উনি অনেক রকম রান্না জানতেন। এরপর শিখেছি আমার শ্বাশুরী মা’র কাছে।
    আমার সাহেব উনার মা’র হাতের রান্না খুব পছন্দ করতেন। তাই আমি ভাবলাম মা’র রান্না খাওয়ার মধ্যেই তার আত্মতৃপ্তি সেইহেতু আমার সেই রান্নাগুলো আয়ত্ব করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করতাম।
    আমার প্রতি দায়িত্বশীলতা ছিল আমার সাহেবের অপরিসীম। আমাদের দুই ছেলে, ছেলেদের প্রতি দায়িত্ব-আদর-¯েœহও ছিল বলা-কওয়ার বাইরে। দুই ছেলে দেশের বাইরে পড়াশুনা করেছে। তাদের খাওয়া-পড়া, দেশ-বিদেশে ঘোরা কোন কিছুতেই বাবার অবহেলা ছিলনা। ছেলেরা ছিল বাবার হার্টের দু’টা অংশ। বাবার অন্তর নিংড়ানো ভালোবাসা ছিল ছেলে-বৌ ও নাতিদের জন্য। আমার জন্যতো বটেই।
    আমার গর্ব ভালোবাসার জায়গা ছিল আমার স্বামী। তার জীবনের ক্ষেত্র ছিল তার কর্মস্থল, চেম্বার সেই সাথে সর্বপ্রথমে স্ত্রী-সন্তান, ছেলের বৌরা, নাতী-নাতনীরা বাবা-মা, ভাই-বোন, ভাই-বোনদের স্বামী-স্ত্রী সেই সাথে আত্মীয়-স্বজন।
    আমার স্বামীর বাবা ও মা অর্থাৎ দাদা-দাদীর বাড়ীর দুই দিকটাই ছিল অত্যন্ত প্রসিদ্ধ ও সম্ভ্রান্ত। দুইদিকের আত্মীয়-স্বজনের যার সাথেই সম্পর্কের জায়গা, সেই জায়গাটাতে সে দৃঢ়তার সাথে শক্ত হাতে ধরে রাখতে ভালবাসত।
    আমার ৪৩ বছরের সংসার জীবনে বাবা-মা’র দুইপক্ষের আত্মীয়-স্বজনের আসা-যাওয়া সেই সাথে ফোনে যোগাযোগ ছিল। আত্মীয়-স্বজনেরা সবাই ভালবাসত, শ্রদ্ধা করত। বাবা-মা ভাই-বোনেরাও ভালবাসত ও শ্রদ্ধা করত। ডাঃ সাহেব অসম্ভব রকম সৌখিন ছিলেন। দেখতেও অত্যন্ত সুদর্শন ছিলেন। আমার সম্মান আমি যতটুকু তাঁর কাছ থেকে আশা করতাম আমি তাঁর কাছ থেকে তার চেয়ে বেশী আদর, ¯েœহ, ভালবাসা, শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, আস্থা ও ভরসা, সাহস আমি জীবনভর পেয়েছি।
    এই কারণে নিজেকে অনেক ভাগ্যবতী মনে করতাম। সেই সাথে আল্লাহর কাছে প্রতি নামাযে এমনকি সর্বক্ষণই শুকরিয়া আদায় করতাম। আমার স্বামী শুধু নিজে নয় তার দু’টা সন্তানকেও তার আদর্শে আদর্শবান করে আমাকে দিয়ে গিয়েছেন।
    বাবার অনেক প্রতিচ্ছবি আমি তার সন্তানদের মাঝে দেখতে পাই। সময়ে সময়ে বলত তোমার আম্মা আমার সংসার ও জীবনে সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। তাই মা’র প্রতি শ্রদ্ধা ভালবাসার কখনো কমতি করবা না। তার চরিত্রের আদর্শ, নীতিবোধ, মানুষের প্রতি সহনশীলতা, ভালবাসার কোন ঘাটতি আমার চোখে পড়েনি।
    আমার জীবনে সামাজিকতা, আত্মীয়-স্বজনের সাথে আনন্দ করা ও মেলামেশা, আমার সংসার চালানো, আমার সহপাঠীদের সাথে আনুষ্ঠানিকতা, প্রতিবেশী ভাবীদের সাথে সময় কাটানো বা গল্প করা আমার বেড়ানো, শৌখিনতাবশতঃ হাট-বাজার করা সব কিছুতে ছিল তার অন্তরের সম্মতি। আনন্দিত হয়ে সবকিছু মেনে নেওয়া এই জন্য আমি আমার ৪৩ বছর এর সংসার জীবনের চাওয়া-পাওয়ায় যে ইতি টেনে উনি চলে গেলেন। আমাকে ও আমার দুই সন্তান, বৌ ও নাতী-নাতনীদের রেখে গেলেন তার ঋণ আমার বেঁচে থাকা পর্যন্ত দেয়ার অনেক চেষ্টাটুকুর কমতি থাকবে না।
    জানিনা আমি কতটুকু পারব। দোয়া চাই সমস্ত আত্মীয়-স্বজন নিজের লোক সবার কাছে। পাড়া প্রতিবেশী এমনকি উনার রোগীদের কাছে ও দেশবাসীর কাছে। আল্লাহ যেন আমাকে সেই হায়াতটুকু দেন উনার জন্য কিছু করার জন্য।
    আমার সংসারটা ছিল প্রাণবন্ত। আমি আমার সন্তান, স্বামী সবমিলে ছিল একটা সাজানো গোছানো ফুলের বাগান, একটা জীবন-একটা আত্মা।
    আমার সাহেব ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, ভদ্র, সৎ ও মার্জিত সেই সাথে ধর্মপরায়ন। উনাকে নিয়ে আমার শান্তির অন্ত ছিলনা।
    যতটুকু সময় পার করেছি উনার সাথে সেই সময়টুকু আল্লাহর রহমতে আমার জীবনে শ্রেষ্ঠতম শান্তি ও প্রশান্তি ও রহমতের সময় ছিল। পরিশেষে আবার বলি স্বামী হিসাবে শুধু নয় বাবা হিসাবে সন্তানদের কাছে শ্রেষ্ঠ বাবা সে নিজে সন্তান হিসাবে বাবা-মা’র কাছে শ্রেষ্ঠ সন্তান ও ভাই-বোনদের কাছে শ্রেষ্ঠ ভাই।
    দুলাভাই হিসাবে আমার ভাই-বোনদের কাছে এছাড়াও যত ধরণের ভাই-বোন আছে তাদের কাছে ভালবাসা ও শ্রদ্ধার পাত্র ছিল। এছাড়াও মেয়ের জামাই হিসাবে আমার বাবা-মা ও অসম্ভব রকমের আদর-¯েœহ করতেন।
    আমার তেমন কোন চাহিদা ছিলনা, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে উনি আমাকে দু’হাত উজার করে দিয়ে গিয়েছেন। আমি কৃতজ্ঞতার ভাষায় উনাকে প্রকাশ করতে পারব না। দেশের বাইরে আমি পৃথিবীর অনেক দেশ ভ্রমণ করেছি উনার সাথে। কোথাও যেতে চাইতেন না আমাকে ছাড়া। ডাঃ সাহেব কম কথা বলতেন, কিন্তু আমার সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। এত ব্যস্ততা ও কর্মজীবনে কখনো আমার কথায় বিরক্ত হতেন না।
    আমি অসুস্থ হলে অসম্ভব ভেঙ্গে পরতেন। আজ আমার সবকিছু আল্লাহ দিয়ে রেখেছেন নেই শুধু শূন্য ঘরে আমাদের সাথে তাঁর বিচরণ।
    ডা: সাহেব ঢাকা মেডিকেল কলেজে দীর্ঘ অনেক বছর কাজ করেছেন নিউরোলজী বিভাগে। সেখান থেকে প্রফেসর হয়ে অবসরে যান। ১৮/২০ বছর প্র্যাক্টিস করেছেন আনোয়ার খান মর্ডাণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আমি উনার সহধর্মীনি হিসাবে সহ-কর্মী, স্টাফ এমনকি হাসপাতালের সবার কাছে উনার জন্য দোয়া চাই। আল্লাহ যেন উনাকে সমস্ত কিছু মাফ করে দিয়ে বেহেশত নছিব দান করেন-আমীন।

  • ঝালকাঠিতে এল জি ইডি বিভাগের মানববন্ধন

    এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম ইয়াজদানীর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসী সাহাবুদ্দিনসহ সকল হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।

    সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি এলজিইডি কার্যালয়ের সামনের সড়কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ মানববন্ধন করেন।

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন ঝালকাঠি এলজিইডির নির্বাহী প্রোকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম সরকার। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মো. গোলাম ইয়াজদানীর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা একটি পরিকল্পিত ঘটনা।

    এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় আরো কঠোর আন্দোলন করা হবে।

  • ব‌রিশা‌লে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটর শোভযাত্রা

    ব‌রিশা‌লে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটর শোভযাত্রা

    বরিশাল ব্যুরো।। আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সমর্থনে বরিশালে মোটর শোভাযাত্রা করেছে সমর্থকরা।

    শনিবার বিকাল ৪ টায় বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে এই শোভাযাত্রা বের করা হয়।

    দলের সমর্থনে শ্লোগান দেয়াসহ বিশ্বকাপের থিম সং ও ভেপু বাজিয়ে শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় ব্রাজিলের সমর্থকদের গায়ে ব্রাজিলের জার্সি এবং হাতে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের পতাকা শোভা পাচ্ছিলো।

    ব্রাজিলের সমর্থক মারুফ বলেন, আমি বাংলাদেশের নাগরিক, আর তাই এই দেশকেই বেশি ভালোবাসি। তবে ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে ব্রাজিলের সমর্থন করি। আর তাই বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের জয় প্রত্যাশা করে তাদের স্বাগত জানিয়ে এ র‌্যা‌লির আয়োজন। যেখানে ব্রাজিলের সমর্থকরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করেছে।

    মুহা: পলাশ চৌধুরী বলেন, ব্রাজিল সাপোর্টার্স অফ বরিশাল নামক ফেসবুক গ্রুপের আয়োজনে বরিশালের ব্রাজিল সাপোর্টারদের অংশগ্রহনে মোটর শোভযাত্রা ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেটি ব্রাজিল ফুটবল দলকে ভালোবেসেই করা, আমরা সবাই প্রত্যাশা করছি এবারের বিশ্বকাপও ব্রাজিল জিতবে।

    রিয়াজ হাওলাদার ব‌লেন, আ‌র্জেন্টিনাও এবার ভা‌লো দল, মে‌সিরও শেষ বিশ্বকাপ। ত‌বে ব্রা‌জি‌লের সাম‌নে আ‌র্জেন্টিনা টিক‌বে না।

    এস এন পলাশ
    বরিশাল
    ০১৭১৩৯৬৩৬২৯

  • ব‌রিশা‌লে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটর শোভযাত্রা

    ব‌রিশা‌লে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটর শোভযাত্রা

    বরিশাল ব্যুরো।। আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সমর্থনে বরিশালে মোটর শোভাযাত্রা করেছে সমর্থকরা।

    শনিবার বিকাল ৪ টায় বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে এই শোভাযাত্রা বের করা হয়।

    দলের সমর্থনে শ্লোগান দেয়াসহ বিশ্বকাপের থিম সং ও ভেপু বাজিয়ে শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় ব্রাজিলের সমর্থকদের গায়ে ব্রাজিলের জার্সি এবং হাতে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের পতাকা শোভা পাচ্ছিলো।

    ব্রাজিলের সমর্থক মারুফ বলেন, আমি বাংলাদেশের নাগরিক, আর তাই এই দেশকেই বেশি ভালোবাসি। তবে ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে ব্রাজিলের সমর্থন করি। আর তাই বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের জয় প্রত্যাশা করে তাদের স্বাগত জানিয়ে এ র‌্যা‌লির আয়োজন। যেখানে ব্রাজিলের সমর্থকরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করেছে।

    মুহা: পলাশ চৌধুরী বলেন, ব্রাজিল সাপোর্টার্স অফ বরিশাল নামক ফেসবুক গ্রুপের আয়োজনে বরিশালের ব্রাজিল সাপোর্টারদের অংশগ্রহনে মোটর শোভযাত্রা ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেটি ব্রাজিল ফুটবল দলকে ভালোবেসেই করা, আমরা সবাই প্রত্যাশা করছি এবারের বিশ্বকাপও ব্রাজিল জিতবে।

    রিয়াজ হাওলাদার ব‌লেন, আ‌র্জেন্টিনাও এবার ভা‌লো দল, মে‌সিরও শেষ বিশ্বকাপ। ত‌বে ব্রা‌জি‌লের সাম‌নে আ‌র্জেন্টিনা টিক‌বে না।

    এস এন পলাশ
    বরিশাল
    ০১৭১৩৯৬৩৬২৯

  • ক্রমেই কমছে রাতের তাপমাত্রা

    বিদায় নিচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, একইসঙ্গে গ্রামাঞ্চলে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। ক্রমেই কমছে রাতের তাপমাত্রা। রাতের তাপমাত্রা কমার এ ধারা আগামী দিনগুলোতে অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    গত কিছুদিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। তাপমাত্রা ক্রমেই কমছে। অন্যান্য অঞ্চলেও রাতের তাপমাত্রাও কমছে।

    সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকালে দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল তেঁতুলিয়ায়। শনি ও রোববার তেঁতুলিয়ায় এ তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি। শুক্রবার সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সোমবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঢাকায় ২৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি, একদিন আগে ছিল ২৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যান্য বেশির ভাগ অঞ্চলেও রাতের তাপমাত্রা কমেছে।

    এখন সারাদেশ প্রায় বৃষ্টিহীন। রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু রাঙ্গামাটিতে ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হতে বিদায় নিয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের অবশিষ্টাংশ থেকে বিদায় নেওয়ার আবহাওয়াগত অবস্থা অনুকূলে রয়েছে। মৌসুমি বায়ু উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

    সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।’

    এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে জানিয়ে আবুল কামাল বলেন, পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিনে আন্দামান সাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

  • ফেসবুকে প্রেম শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন কলেজছাত্র

    ফেসবুকে প্রেম শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন কলেজছাত্র

    নিউজ ডেস্কঃ ভালোবাসা মানে না কোনো বাধা। তার বাস্তব উদাহরণ মামুন (২২) ও খাইরুন নাহার (৪০) দম্পতি। ৬ মাস প্রেমের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা। নাটোরের গুরুদাসপুরে তাদের বাড়ি। তবে বর্তমানে তারা নাটোর শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।

    জানা গেছে, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। তবে পারিবারিক কলহে সে সংসার বেশি দিন টিকেনি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। তিনি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র
    ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। সপ্তাহ খানেক আগে তাদের বিয়ের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

    সাংবাদিক দের এক প্রশ্নের জবাবে খাইরুন নাহার বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। আত্মহত্যা করারও সিদ্ধান্ত নেই। সে সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন আমার খারাপ সময় পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছে এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছে। পরে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। বিয়ের পর মামুনের পরিবার মেনে নিলেও আমার পরিবার মেনে নেয়নি।
    তিনি বলেন, ‘সামাজিকভাবে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসিত মন্তব্য থাকলেও সেসব তোয়াক্কা না করে নতুন সংসারে সুখেই দিন কাটাচ্ছি। আজীবন মামুনের সঙ্গে সংসার করে যেতে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই।’

    মামুন হোসেন বলেন, ‘মানুষের মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কি বললো সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি।’

    ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, মামুন নাটোরে থেকে এনএস কলেজে পড়ালেখা করে জানি। আজ ফেসবুকে দেখলাম কলেজশিক্ষিকাকে বিয়ে করেছে। শুনেছি ওই মেয়েটাও (খায়রুন নাহার) নাটোরে বাসা নিয়ে থাকে। সেখান থেকেই কলেজ করে। তারা বিয়ে করলেও এতদিন ঘটনা জানাজানি হয়নি।

    খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবু সাইদ বলেন, ‘খায়রুন নাহার আমার প্রতিষ্ঠানের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। রোববার ফেসবুকের এই খবর দেখে প্রথমে ঘটনা জানলাম। ওই শিক্ষিকা বছর খানেক আগে বলেছিলেন, তিনি নাটোর শহরে বাসা নেবেন। এতটুকুই জানতাম। কলেজে আসলে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

  • ১৬ বছরের কিশোরীর ৩ বার বিশ্বরেকর্ড

    ১৬ বছরের কিশোরীর ৩ বার বিশ্বরেকর্ড

    বয়স মাত্র ১৬ বছর। এরই মধ্যে তিনবার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজের নাম উঠিয়েছে লারা নুনান। এবার মাত্র ৩০ সেকেন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ জন প্রেসিডেন্টকে শনাক্ত করে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

    প্রখর স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন এই কিশোরী অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বাসিন্দা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে লারাকে নিয়ে ১ জুলাই ২০২২ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ বছরের লারা নুনান মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ছবি দেখে ৪০ জন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে শনাক্ত করতে পেরেছেন ও তাদের নাম বলতে পেরেছেন।

    তার আগে কেউ এত কম সময়ে এত জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম বলতে পারেননি। গত বছর ৩০ সেকেন্ডে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে শনাক্ত করে ও তাদের নাম বলে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন আনা সিং নামের একজন। তবে লারা একই সময়ের মধ্যে আনার থেকেও ১২টি নাম বেশি বলতে পেরে বিশ্বরেকর্ডটি দখল করেছেন

    এই অনন্য কীর্তির জন্য লারাকে ‘মেমোরি মাস্টার’ বলে আখ্যা দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ। তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও দুবার লারার নাম গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে উঠেছে। প্রথমবার মাত্র ১ মিনিট সময়ে ৮৮টি জনপ্রিয় মার্ভেল চরিত্র শনাক্ত ও তাদের নাম বলতে পারায় লারা বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল।

    পরেরবার ১ মিনিটে ১০২টি কার্টুন চরিত্রের নাম বলতে পারায় লারার নাম গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ওঠে। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টদের নাম বলে তৃতীয়বারের মতো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলেছেন এই কিশোরী।

    লারা বলে, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নই। তাই দেশটির প্রেসিডেন্টদের নাম মনে রাখা, তাদের চেনা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলনের মাধ্যমে আমি এটা সম্ভব করেছি। আমি অভিভূত। কারণ এখন তিনটি গিনেস রেকর্ড এখন আমার।’

  • বডিগার্ডের সঙ্গে নোরার আচরণে নেটদুনিয়ায় সমালোচনা

    বডিগার্ডের সঙ্গে নোরার আচরণে নেটদুনিয়ায় সমালোচনা

    নিজের সর্পিল ডান্স মুভস আর ফ্যাশন সেন্সের জেরে নেটদুনিয়ায় হামেশাই চর্চায় থাকেন নোরা ফাতেহি। আপতত একটি ডান্স রিয়ালিটি শো’র বিচারকের আসনে দেখা যাচ্ছে তাকে। সোমবার (৪ জুলাই) বৃষ্টিভেজা মুম্বাইয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে লেন্সবন্দি হন নোরা। হালকা গোলাপি শাড়িতে ঠিকরে বেরোচ্ছে নোরার গ্ল্যামারাস। তবে গাড়ি থেকে নেমে ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে যাওয়ার সময়ের এক ভিডিওর জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো রোষের মুখে পড়েছেন এ নায়িকা।কী রয়েছে সেই ভিডিওতে? দেখা যাচ্ছে মুম্বাইয়ের ভারি বৃষ্টিতে নিজের আউটফিট সামলাতে গিয়ে নাকাল নোরা। তার পুরো টিম এগিয়ে আসে নায়িকাকে গাড়ির দরজা থেকে ভ্যানিটিতে পৌঁছে দিতে। সেখানে দেখা যায় বৃষ্টিতে তখন কাকভেজা নোরার শাড়ির নিচের অংশ ধরে রেখেছেন তার বডিগার্ড। এ দৃশ্য মোটে পছন্দ হয়নি নেটদুনিয়ার। মহারানির মতো গটগটিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন নোরা, আর তার জন্য হয়রানির মধ্যে পড়ছেন বডিগার্ড।নোরার এ আচরণ চরম সমালোচনার মুখে পড়লো। একজন লেখেন, ‘এদের এমন হাবভাব কেন? মহারানি নিজের পোশাকটাও সামলাতে পারে না’। অপর একজন লেখেন, ‘আশা করি ওই ব্যক্তি সুস্থ আছেন’। অপর এক নেটিজেন লেখেন, ‘খুব নিচু মনের পরিচয়, বেতন দেয় বলে এমন ব্যবহার উচিত নয়’।কালার্স টিভির এ ডান্স রিয়ালিটি শো’র অন্তিম পর্বের শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত নোরা। যেখানে তার সঙ্গে বিচারকের আসনে রয়েছেন নীতু কাপুর ও মাস্টার মর্জি। ফাইনালে বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হবেন রণবীর কাপুর ও বাণী কাপুর।