Category: অন্যান্য

  • পিরোজপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে এসি!

    দরিদ্রদের জন্যে দেওয়া সরকারের উপহারের ঘর যিনি পেয়েছেন তিনি সেখানে এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) ও আকাশ ডিটিএস লাগিয়েছেন।

    আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে সারা দেশে গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার।

    দরিদ্র হিসেবে গৃহহীনের কোটায় ঘর পাওয়া এক ব্যক্তির সেই ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র এবং আকাশ ডিটিএইচ লাগানোর পর এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন- যদি উনি দরিদ্রই হন, তাহলে কিভাবে তার ঘরে এসি এবং আকাশ ডিটিএস ব্যবহার হয়? পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইন্দুরকানী উপজেলায় হাতে গোনা কিছু সরকারি অফিস, মসজিদ এবং বাসাবাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র ব্যবহার হয়।

    এ ছাড়া এলাকার অন্যান্য বাসা-বাড়িতে বা বহুতল ভবনে সচরাচর এসির ব্যবহার চোখে পড়ে না। অথচ সরকারের দেওয়া আশ্রয়ণের ঘরে ব্যবহার হচ্ছে এসি! যিনি ওই ঘরের মালিক তিনি জাতীয় পার্টির (জেপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রসমাজ পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার ৩ নম্বর বালিপাড়া ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক মো. ইকবাল সেপাই। একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা হওয়ার সুবাধে দলীয় সুপারিশে তিনি এ ঘরটি পেয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ড্রেজিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাসে ৫০ থেকে এক লাখ টাকার মতো তার আয়। চলেন প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের পালসার মোটরসাইকেলে। চলাফেরা কিংবা বেশভূষা দেখে বোঝার উপায়ই নেই যে তিনি দরিদ্র মানুষ।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য এ উপজেলায় ৫৪৪টি গৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। এর মধ্যে কিছু ঘর নির্মাণাধীন থাকলেও বাকি ঘরগুলোর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। এগুলো তালিকাভুক্ত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর মাঝে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ উপজেলায় জাতীয় পার্টির (জেপি) দলীয় সুপারিশে বেশ কিছু ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। যার অধিকাংশই জেপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে বরাদ্দ নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এ বিষয়ে নিজ নামে আশ্রয়ণের ঘর পাওয়া মো. ইকবাল সেপাইর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, সরকারিভাবে আমি এই ঘরটি পেয়েছি। আমি গরম সহ্য করতে পারি না। তাই ঘরে এসি লাগিয়েছি। এতে দোষের কী হলো!

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, গৃহহীনদের তালিকায় বালিপাড়া গ্রামে ইকবাল সেপাইর নামে একটি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি নিজ উদ্যোগে ঘরে এসি লাগিয়েছেন বলে লোকমুখে শুনেছি।

    ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন্নেসা খানম বলেন, দরিদ্র ও অসহায় বা এমন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে সরকারি খরচে গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। কোনো সচ্ছল ব্যক্তির এ ঘর পাওয়ার কথা নয়। তার পরও এ ধরনের অভিযোগের সূত্র ধরে বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে।

  • দেশান্তর.কম এর সম্পাদক জাকারিয়া রবিউলের জন্মদিন আজ

    দেশান্তর.কম এর সম্পাদক জাকারিয়া রবিউলের জন্মদিন আজ


    নিজস্ব প্রতিনিধি
    ১২ই এপ্রিল এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

    জাকারিয়া রবিউল দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত আছেন। তিনি দেশান্তর.কম এর সম্পাদক, বার্তা বিচিত্রার স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ ভারত বাংলার স্টাফ রিপোর্টার এর পাশাপাশি বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা,র সহ – সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন- Bhrc বরিশাল সদর উপজেলা শাখার সহকারী তথ্য সম্পাদক, ই-প্রেস ক্লাব এর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন।
    দেশান্তর.কম অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক মোঃ জাকারি রবিউল এর জন্মদিন এ অনেকে শুভাকাঙ্ক্ষী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

    বরিশাল শহরে আমানতগন্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোঃ এম এ জলিলুর রহমান, মাতা নাজমুন নাহার।তারা ১ ভাই ১ বোন তিনি বড়।

    জাকারিয়া রবিউলের জন্মদিনে তার প্রতি প্রানঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

  • দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সংসদে ক্ষোভের মুখে বাণিজ্যমন্ত্রী

    নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভের মুখে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সংসদে এমপিরা বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। সাধারণ মানুষ অ্যাফেকটেড (ক্ষতিগ্রস্ত) হচ্ছে। তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কঠোরভাবে বাজার নজরদারি করতে হবে। সরকারের সহযোগিতা ছাড়া সিন্ডিকেট মূল্যবৃদ্ধি করতে পারে না।

    মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সংসদে বাণিজ্য সংগঠন বিল পাসের প্রক্রিয়ার সময় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    বিলের ওপর আলোচনাকালে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, সিন্ডিকেটের স্বার্থে বিলটি আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে সিন্ডিকেটকে উৎসাহী করা হচ্ছে।

    বিএনপির সংরক্ষিত আসনের রুমিন ফারহানা বলেন, তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে হইচই হলো। ১৫ দিনে সিন্ডিকেট এক হাজার কোটি টাকা উঠিয়ে নিয়েছে। সিন্ডিকেট হলো সরকার। সরকার আর সিন্ডিকেটের মধ্যে পার্থক্য নেই।

    জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক বলেন, সাধারণ মানুষ অ্যাফেকটেড হচ্ছে। তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কঠোরভাবে বাজার নজরদারি করতে হবে। সরকারের সহযোগিতা ছাড়া সিন্ডিকেট মূল্যবৃদ্ধি করতে পারে না।

    তিনি বলেন, বলা হয় যুদ্ধের কারণে দাম বেড়েছে। যেসব পণ্য আমদানি করা হয় সেগুলোর দাম বাড়তে পারে। যেগুলো যুদ্ধের আগে আমদানি করা হয়েছে এবং যেগুলো দেশি পণ্য সেগুলোর কেন দাম বাড়বে। প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে হলেও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবি জানান তিনি।

    জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, সাধারণ মানুষ এখন পুষ্টিমানের সঙ্গে আপস করতে বাধ্য হচ্ছে। শ্রীমঙ্গলে যে লেবু দুই টাকা সেটা ঢাকায় ২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্যমন্ত্রীকে আবার যুদ্ধ করতে হবে।

    বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, গ্যাসের অভাবে ঢাকায় হাহাকার চলছে। গ্যাসের দাম, তেলের দাম সব বাড়ানো হচ্ছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এক্ষেত্রে কিছু উদ্যোগ সরকার নিয়েছে। কিন্তু সেখানে স্বচ্ছতার অভাব আছে।

    তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা জনপ্রতিনিধি হয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ছেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ক্ষমতার বলয়ে থেকে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। তারেক রহমান লন্ডন থেকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করছেন, বিএনপির কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে- এসব অপ্রাসঙ্গিক কথা না বলে সরকারকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

    পীর ফজলুর রহমান বলেন, আজ সংবাদপত্রে এসেছে তিনি (বাণিজ্যমন্ত্রী) গতকাল বাজারে গিয়েছেন এবং তিনি ২৮ টাকা কেজিতে পাঁচ কেজি পেঁয়াজ কিনেছেন। এখন মাননীয় মন্ত্রী যদি ঘোষণা দিয়ে একটু কাঁচাবাজার, সবজি বাজারসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে যেতেন মানুষও ওই বাজারে যেতে পারতো এবং মন্ত্রীর মতো কম দামে জিনিস কিনতে পারতো। কারণ উনি যতই ভ্যাট কমিয়ে মূল্য কমানোর চেষ্টা করছেন, প্রকৃতপক্ষে বাজারে পণ্যের দাম অত কমেনি।

    তিনি বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী সজ্জন মানুষ। কিন্তু তিনি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। যে কারণে প্রায় সময় সিন্ডিকেট দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। মন্ত্রী একজন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী কিন্তু কেন তিনি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না।

    তিনি আরও বলনে, সত্য স্বীকার করতে হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। সিন্ডিকেট করে তেলের দাম বাড়িয়ে হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি।

    গণফোরামের মোকাব্বির খান বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী দেশের শীর্ষস্থানীয় সফল ব্যবসায়ী। মন্ত্রী হিসেবে তিনি কতটুকু সফল সেটা বলতে না পারলেও বাজারে গেলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সেটি ভালোভাবে জানা যাবে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দাবি করে তারা ব্যবসাবান্ধব। যে সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী একজন ব্যবসায়ী, সেই সরকার জনবান্ধব নয়, ব্যবসাবান্ধব হওয়াই স্বাভাবিক।

    তিনি বলেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। তার অনেক আগে এই সংসদ অধিবেশনে তিনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছিলেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অজুহাত হিসেবে যুদ্ধকে সামনে নিয়ে আসলে হবে না। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট মূল্য বাড়িয়ে পকেট কেটে অনেক টাকা নিয়ে গেছে।

    জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বলেন, অ্যাপোলো (এভারকেয়ার) হাসপাতালে গেলে লক্ষাধিক টাকা বিল এলে, বাজারে গেলে বেশি দাম দেখে বাণিজ্যমন্ত্রীর কথা মনে পড়ে।

    জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নান বলেন, সরকার ধরলে দাম কমে আবার যখন সরকার শিথিলতা দেখায় তখন দাম বাড়ে। একটার দাম কমলে আরেকটার দাম বাড়ে এটা একটা লুকোচুরি খেলার মতো।

    বিরোধী এমপিদের বক্তব্যের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘আমি বরাবরই লক্ষ্য করি একটা ব্যাপার কোনো কোনো সদস্য আমার মন্ত্রণালয়ের কোনো কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলেন যে বাণিজ্যমন্ত্রী নিজে ব্যবসায়ী সেহেতু সেই দিকটাকেই বেশি করে দেখানো হয়।

    তিনি বলেন, ‘ব্যবসা করি আজ ৪০ বছর, রাজনীতি করি ৫৬ বছর। ’৬৬ সাল থেকে শুরু করেছি কিন্তু রাজনীতিবিদ হতে পারিনি। এই ঢাকা শহরে অর্ধেকের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম ’৭৩ সালে। ’৬৯ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমার, উকিল যখন পার্লামেন্ট মেম্বার হন, ডাক্তার যখন হয় তাকে কেউ বলে না যে উকিল কেন আসছে? কিন্তু আমি ব্যবসায়ী বলে আমার অপরাধ।’

    টিপু মুনশি বলেন, যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে, এটা তিনি কখনো বলেননি। প্রতি মাসে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। এখন বিশ্ব বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, সরকার কোথাও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে না। ব্যবসায়ীদের সহায়তা করে। যে কেউ চাইলে তেল আমদানি করতে পারে। সরকার সিন্ডিকেট করে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই।

    তিনি বলেন, একটি টিসিবির ট্রাক থেকে আড়াইশ মানুষকে পণ্য দেওয়া হয়। ছবি দেখানো হয় পণ্যের জন্য মানুষ দৌড়াচ্ছে। ৩০০ জন লাইনে দাঁড়ালে ৫০ জন পাবেন না। বাকি ২৫০ জন যে পণ্য পেয়েছেন সেটা দেখানো হয় না।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিন্ডিকেট বলে যাদের কথা বলা হচ্ছে তারা কেউ রাজনীতি করেন না, তারা কেউ এমপি নন। সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত ফলোআপ করছেন।

  • ভোগান্তি কিছুটা কমেছে ট্রেনের টিকিটে

    ভোগান্তি কিছুটা কমেছে ট্রেনের টিকিটে

    আগের দুই দিনের তুলনায় ভোগান্তি কমেছে ট্রেনের টিকিটে। স্টেশনে ভিড়ও কমেছে। আগের দিনের মতো রোববার অচল  হয়নি অনলাইন সার্ভার। তবে সহজে ঢোকা গেলেও নিবন্ধনে ভোগান্তি এবং টাকা পরিশোধ করার পরও টিকিট না পাওয়ার কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রায় দুই লাখ গ্রাহক অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন। রোববার সকাল ৮টা থেকে চার ঘণ্টায় সাত হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে অনলাইনে।

    টানা ১৫ বছর ট্রেনের টিকিট বিক্রির দায়িত্বে ছিল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস)। দরপত্র জটিলতা ও আইনি লড়াইয়ের পর টিকিটের ঠিকাদারি পেয়ে ২৫ মার্চ থেকে দায়িত্ব নেয় সহজ লিমিটেড। অপারেটর বদলের কারণে পাঁচ দিন হাতে লেখা টিকিট দেওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সহজ-এর ব্যবস্থাপনায় দেশের ৭৭টি স্টেশনে কম্পিউটারাইজড টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

    শুরু থেকেই সঙ্গী হয় দুর্ভোগ। নতুন ওয়েবসাইট ও সার্ভার বারবার অচল হওয়ায় স্টেশনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়। ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে টিকিট প্রত্যাশীদের।

    কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার সমকালকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। রোবাবার সার্ভার ডাউনের ঘটনা ঘটেনি। টিকিট বিক্রিতে আগের ধীরগতি নেই। যাত্রীরা স্বাভাবিক সময়ের মতোই টিকিট পাচ্ছেন।

    সিএনএস নিজস্ব ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করত। রেলকে অ্যাপ বুঝিয়ে দেয়নি সিএনএস। ফলে শুক্রবার থেকে শুধুমাত্র রেলওয়ের http://www.eticket.railway.gov.bd  ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। নতুন ওয়েবসাইটে টিকিট পেতে সব তথ্য দিয়ে নতুন করে নিবন্ধন করতে হচ্ছে।

    সহজ লিমিটেডের জনসংযোগ বিভাগের ম্যানেজার ফারহাত আহমদ সমকালকে বলেছেন, সিএনএস ১৫ বছরে ৪০ লাখ গ্রাহকের নিবন্ধন করেছে। সহজ দায়িত্ব নেওয়ার পর ৩৬ ঘণ্টায় দুই লাখ গ্রাহক নিবন্ধন করেছেন। শনিবার সকাল ৮টায় অনলাইন ‘লাইভ’ হওয়ার পর এক মিনিটে ২২ লাখ ‘হিট’ হয়েছিল। সে কারণে সার্ভার অচল হয়ে যায়। এ সমস্যা দূর হওয়ায় গ্রাহকরা সহজেই নিবন্ধন করে টিকিট করতে পারছেন।

    টিকিটিংয়ে ইন্টিগ্রেটেড ব্যবস্থা চালু করতে প্রকল্প নিয়েছে রেলওয়। ফারহাত আহমদ বলেছেন, রেল যে সব ফিচার চেয়েছে, তার সব কিছু যোগ করে টিকিটিং করতে ১৮ মাস সময় লাগবে। রেল যখন বলবে তখন অ্যাপ চালু করা হবে। সহজ নিজস্ব নয়, রেলের ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই টিকিট বিক্রি করবে।

    রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী বলেছেন, আগের অপারেটর তার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করায়, নিবন্ধিত সব গ্রাহকের ডাটা তাদের কাছেই রয়ে গেছে। অ্যাপও তাদের রয়ে গেছে। রেলের সাইটের মাধ্যমে বিক্রি হওয়ায়, ভবিষ্যতে অপারেটর বদল হলেও সব তথ্য রেলের কাছেই থাকবে।

    আগের দিন ওয়েবসাইটে ঢুকতে না পারলেও রোববার এই প্রতিবেদক নিবন্ধন করতে পেরেছেন তিনবারের চেষ্টায়। প্রথম দুইবার ওটিপি এলেও, তা গ্রহণ করছিল না। ফারহাত আহমদের দাবি, নিবন্ধনকারী যে কোম্পানির ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহার করেছেন সেটির সঙ্গে রেলের সার্ভারের সংযোগের সমস্যার কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে।

    ট্রেন যাত্রীদের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে রোববারও নানা অভিযোগ এসেছে। আকিবুল ইসলাম নামে এক যাত্রী জানিয়েছেন, দুইবার টাকা কাটলেও তার মেইলে টিকিট আসেনি।

    খরচ কমাতে সহজ কানাডায় অ্যামাজনের সার্ভারে সাইট হোস্ট করেছে। ফলে ল্যাটেন্সি বেড়েছে- এ অভিযোগের বিষয়ে ফারহাত আহমদ বলেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি জেনে বলবেন।

  • ভোগান্তি কিছুটা কমেছে ট্রেনের টিকিটে

    আগের দুই দিনের তুলনায় ভোগান্তি কমেছে ট্রেনের টিকিটে। স্টেশনে ভিড়ও কমেছে। আগের দিনের মতো রোববার অচল  হয়নি অনলাইন সার্ভার। তবে সহজে ঢোকা গেলেও নিবন্ধনে ভোগান্তি এবং টাকা পরিশোধ করার পরও টিকিট না পাওয়ার কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রায় দুই লাখ গ্রাহক অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন। রোববার সকাল ৮টা থেকে চার ঘণ্টায় সাত হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে অনলাইনে।

    টানা ১৫ বছর ট্রেনের টিকিট বিক্রির দায়িত্বে ছিল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস)। দরপত্র জটিলতা ও আইনি লড়াইয়ের পর টিকিটের ঠিকাদারি পেয়ে ২৫ মার্চ থেকে দায়িত্ব নেয় সহজ লিমিটেড। অপারেটর বদলের কারণে পাঁচ দিন হাতে লেখা টিকিট দেওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সহজ-এর ব্যবস্থাপনায় দেশের ৭৭টি স্টেশনে কম্পিউটারাইজড টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

    শুরু থেকেই সঙ্গী হয় দুর্ভোগ। নতুন ওয়েবসাইট ও সার্ভার বারবার অচল হওয়ায় স্টেশনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়। ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে টিকিট প্রত্যাশীদের।

    কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার সমকালকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। রোবাবার সার্ভার ডাউনের ঘটনা ঘটেনি। টিকিট বিক্রিতে আগের ধীরগতি নেই। যাত্রীরা স্বাভাবিক সময়ের মতোই টিকিট পাচ্ছেন।

    সিএনএস নিজস্ব ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করত। রেলকে অ্যাপ বুঝিয়ে দেয়নি সিএনএস। ফলে শুক্রবার থেকে শুধুমাত্র রেলওয়ের http://www.eticket.railway.gov.bd  ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। নতুন ওয়েবসাইটে টিকিট পেতে সব তথ্য দিয়ে নতুন করে নিবন্ধন করতে হচ্ছে।

    সহজ লিমিটেডের জনসংযোগ বিভাগের ম্যানেজার ফারহাত আহমদ সমকালকে বলেছেন, সিএনএস ১৫ বছরে ৪০ লাখ গ্রাহকের নিবন্ধন করেছে। সহজ দায়িত্ব নেওয়ার পর ৩৬ ঘণ্টায় দুই লাখ গ্রাহক নিবন্ধন করেছেন। শনিবার সকাল ৮টায় অনলাইন ‘লাইভ’ হওয়ার পর এক মিনিটে ২২ লাখ ‘হিট’ হয়েছিল। সে কারণে সার্ভার অচল হয়ে যায়। এ সমস্যা দূর হওয়ায় গ্রাহকরা সহজেই নিবন্ধন করে টিকিট করতে পারছেন।

    টিকিটিংয়ে ইন্টিগ্রেটেড ব্যবস্থা চালু করতে প্রকল্প নিয়েছে রেলওয়। ফারহাত আহমদ বলেছেন, রেল যে সব ফিচার চেয়েছে, তার সব কিছু যোগ করে টিকিটিং করতে ১৮ মাস সময় লাগবে। রেল যখন বলবে তখন অ্যাপ চালু করা হবে। সহজ নিজস্ব নয়, রেলের ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই টিকিট বিক্রি করবে।

    রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী বলেছেন, আগের অপারেটর তার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করায়, নিবন্ধিত সব গ্রাহকের ডাটা তাদের কাছেই রয়ে গেছে। অ্যাপও তাদের রয়ে গেছে। রেলের সাইটের মাধ্যমে বিক্রি হওয়ায়, ভবিষ্যতে অপারেটর বদল হলেও সব তথ্য রেলের কাছেই থাকবে।

    আগের দিন ওয়েবসাইটে ঢুকতে না পারলেও রোববার এই প্রতিবেদক নিবন্ধন করতে পেরেছেন তিনবারের চেষ্টায়। প্রথম দুইবার ওটিপি এলেও, তা গ্রহণ করছিল না। ফারহাত আহমদের দাবি, নিবন্ধনকারী যে কোম্পানির ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহার করেছেন সেটির সঙ্গে রেলের সার্ভারের সংযোগের সমস্যার কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে।

    ট্রেন যাত্রীদের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে রোববারও নানা অভিযোগ এসেছে। আকিবুল ইসলাম নামে এক যাত্রী জানিয়েছেন, দুইবার টাকা কাটলেও তার মেইলে টিকিট আসেনি।

    খরচ কমাতে সহজ কানাডায় অ্যামাজনের সার্ভারে সাইট হোস্ট করেছে। ফলে ল্যাটেন্সি বেড়েছে- এ অভিযোগের বিষয়ে ফারহাত আহমদ বলেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি জেনে বলবেন।

  • হ্যালো অ্যাওয়ার্ডস মাতালেন বলিউড সুন্দরীরা

    হ্যালো! দ্য হল অফ ফেম অ্যাওয়ার্ডস ২০২২ অনুষ্ঠিত হলো গেল ১৩ মার্চ রাতে। জাঁকজমক এ অনুষ্ঠানটি মূলত ফ্যাশনেবল একটি ইভেন্ট ছিলো। ‘শেরশাহ’ অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকে বছরের সেরা প্রতিভাবান পুরস্কার দেওয়া হয়।

    অনন্যা পান্ডেকে মোস্ট প্রমিজিং ট্যালেন্ট পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তারা উপস্থিত হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্তিক আরিয়ান, রেখা, কৃতি স্যানন, কিয়ারা আদভানি প্রমুখ।

    এই ইভেন্টে সেরা পোশাক পরা কিছু সেলিব্রিটির ছবি ভাইরাল হয়েছে। তালিকায় আছেন-

    কৃতি স্যানন
    ‘বচ্চন পান্ডে’ তারকা কৃতি স্যানন। সুন্দর বেগুনি স্ট্র্যাপলেস গাউন পরিধানে নজর কাড়েন তিনি সবার। একটি বড় তুলতুলে পথ। সঙ্গে বেগুনী হীরার কানের দুল এবং সোফিয়া ওয়েবস্টার হিল পরেছিলেন। তাকে দেখতে চমৎকার লাগছিলো। কৃতির লুক তৈরি করেছেন সুকৃতি গ্রোভার। কৃতি শুধু পুরস্কারই জিতেননি, তিনি তার দৃষ্টিনন্দন চেহারার জন্যও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

    অনন্যা পান্ডে
    একটি কালো গাউন পরেছিলেন। তাকে দেখতে অসাধারণ লাগছিলো। তার গাউনটি এমব্রয়ডারিসহ একটি সি-থ্রু নেটেড গাউন ছিলো। তার মেকআপ ছিল হালকা।

    কিয়ারা আদভানি
    তিনিও অ্যাওয়ার্ড শোতে অংশ নিয়েছিলেন। তিনিও স্ট্র্যাপি হলুদ গাউনে ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন। কিয়ারা তার গাউনটি ফারাহ খান আলীকে দিয়ে তৈরি করিয়েছেন।

  • সুন্দরবনে একসঙ্গে দেখা মিললো ৪ বাঘের

    সুন্দরবনে একসঙ্গে দেখা মিললো ৪ বাঘের

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ এক লীলাভূমি সুন্দরবন। শুধু দেশে নয়, বিশ্বের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম এ ম্যানগ্রোভ বন। শীত মৌসুম এলেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর সুন্দরবনে ছুটে যান লাখো পর্যটক। আর ভ্রমণে সময় বনে থাকা বাঘের (রয়েল বেঙ্গল টাইগার) দেখা পাওয়া তো চরম সৌভাগ্যের।

    গত শনিবার (১২ মার্চ) এমনটাই ঘটেছে এমএল সুপতি নামের পর্যটকবাহী লঞ্চে সুন্দরবনে ঘুরতে যাওয়া ভ্রমণপিপাসুদের সঙ্গে। একসঙ্গে থাকা চারটি বাঘ দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান লঞ্চে থাকা ৩০ জন পর্যটক। এ প্রথম হয়তো মুক্ত বনে বাঘের দর্শন পেয়েছেন অনেকে।

    সুপতি লঞ্চের স্টাফরা জানান, পর্যটকদের ভ্রমণ শেষে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সুন্দরবন থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছিলেন তারা। কচিখালী ও কটকার মাঝামাঝি ছিটে কটকা এলাকায় এলে হঠাৎ নদীর চরে গোল গাছের পাশে বাঘের দেখা মিলে। লঞ্চটি আরও কাছে যেতে দৃশ্যমান হয় চারটি বাঘ। পর্যটকরা দেখে হৈ চৈ শুরু করে দেন। বিশেষ করে শিশুরা বেশি আনন্দিত হয়।

    পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বণ্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জাগো নিউজকে বলেন, শনিবার বনে ঘুরতে আসা পর্যটকরা বাঘের দেখা পেয়েছিল। নদীর চরে গোল গাছের পাশে বসে রোদ পোহাচ্ছিল এবং খেলা করছিল। এ দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করেছে।

    পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, সুন্দরবনে আসা পর্যটকদের বাঘের দেখা ভাগ্যের ব্যাপার। শনিবার যে বিরল দৃশ্য সুন্দরবনে আগত পর্যটকরা উপভোগ করেছেন তাদের ভ্রমণ সার্থক হয়েছে।

  • মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত অধ্যক্ষ গ্রেফতার

    নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ হযরত আলীকে (৬০) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার (০৯ মার্চ) রাতে নাটোরের লালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    র‍্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের সদস্যরা জানায়, বড়াইগ্রামের দাসগ্রাম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ওই ছাত্রীকে উপবৃত্তির কাগজপত্র সংশোধনের জন্য ডেকে পাঠায়। ছাত্রীটি আসার পর ফাঁকা মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ নিজ অফিসে তাকে ডেকে আনে।

    এসময় তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসীরা এগিয়ে এলে তিনি ওই ছাত্রীকে ছেড়ে দেন। এ বিষয়ে থানায় মামলা হলে পুলিশের পাশাপাশি অভিযানে নামে র‍্যাব। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকা থেকে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করা হয়।

  • ইতিহাসের আজকের দিনের উল্লেখযোগ্য যত ঘটনা (১০ মার্চ)

    ইতিহাসের আজকের দিনের উল্লেখযোগ্য যত ঘটনা (১০ মার্চ)

    আজ ১০ মার্চ ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফাল্গুন ১৪২৮, ০৫ শা’বান ১৪৪৩। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৬৯তম (অধিবর্ষে ৭০তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৯৬ দিন বাকি রয়েছে।

    আজকের দিনটি সময়ের হিসেবে অতি অল্প সময়। আবার একটি ঘটনার জন্য যথেষ্ট সময়। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনেই ঘটেছে নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অনেকের আজ জন্মবার্ষিকী আবার কেউ মৃত্যুবরণ করেছিলেন এই দিনেই। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক আজকের দিনের ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়-


    ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনটি

    ১৫৮৫ – সম্রাট আকবরের ফরমান জারি : আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী উদ্ভাবিত বাংলা ফসলী সন প্রবর্তিত হয়। এই সনই বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন।
    ১৬২৪ – ইংল্যান্ড ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
    ১৮০১ – প্রথম ব্রিটিশ লোকগণনা শুরু হয়।
    ১৮৭৬ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তার নব আবিস্কৃত টেলিফোনের মাধ্যমে প্রথম বার্তা প্রেরণ করেন।
    ১৯০৭ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাপ্তাহিক ‘স্বরাজ’ সম্পাদনা শুরু করেন।
    ১৯১৯ – মিশর তেকৈ সাঈদ জগলুল পাশাকে বহিষ্কারের ফলে কায়রোতে জাতীয়তাবাদের দাঙ্গা শুরু।
    ১৯৩৪ – ব্রিটিশ রাজ বাংলার কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
    ১৯৪২ – জাপানিরা রেঙ্গুন দখল করে নেয়।
    ১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারফোর্স জাপানে ফায়ার বোমা নিক্ষেপ করে। এতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়, যার বেশির ভাগই বেসামরিক।
    ১৯৫৬ – বৈমানিক পিটার টুইস প্রথম মানব যিনি ঘণ্টায় ১০০০ মাইল বেগে বিমান চালনা করেন।
    ১৯৬৯ – মার্টিন লুথার কিং-এর হত্যাকারী জেমস আর্ল রে-কে যুক্তরাষ্ট্রের মেফিস আদালত ৯৯ বছরের সাজা প্রদান করেন।
    ১৯৭০ – ভিয়েতনামের মাইলাই গ্রামে বর্বরোচিত গণহত্যার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন আরর্নেস্ট মেডিনা এবং অপর চার সৈন্যকে অভিযুক্ত করা হয়।
    ১৯৭১ – ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারতের কংগ্রেস পার্টি সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক বিজয় লাভ করে।
    ১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে সোয়াজিল্যান্ড।
    ১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
    ১৯৯৩ – মিশরে মৌলবাদ দমন অভিযান। পুলিশের গুলিতে ২০ মুসলমানের প্রাণহানি।
    ২০০০ – দক্ষিণ আমেরিকার আন্দাজ পর্বতমালার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার এক মরুভূমিতে পৃথিবীর বৃহত্তম ডাইনোসোরের কঙ্কাল আবিষ্কার।
    ২০২০ – জয় বাংলাকে হাইকোর্ট কর্তৃক বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

    ইতিহাসের এই দিনে যাদের জন্ম

    ১৬২৮ – মার্সিলো মালপেগেই, ইতালির চিকিৎসক এবং জীব বিজ্ঞানী।
    ১৭৭২ – ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি।
    ১৭৮৪ ভারতীয় পণ্ডিত ও কলকাতা হিন্দু সমাজের বিশিষ্ট নেতা স্যার রাজা রাধাকান্ত দেববাহাদুর (মৃ.১৯/০৪/১৮৬৭)
    ১৮১০ – স্যামুয়েল ফার্গুসন, আইরিশ কবি।
    ১৮৭৩ – ইয়াকপ ওয়াসায়মান, জার্মান ঔপন্যাসিক।
    ১৮৮৮ – ব্যারি ফিটজগেরাল্ড, তিনি ছিলেন আইরিশ অভিনেতা।
    ১৯১১ – ওয়ার্নার অ্যান্ডারসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।
    ১৯২৩ – ভ্যাল লজ্‌স্‌ডন ফিচ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।
    ১৯৩২ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানী উড়ুপি রামচন্দ্র রাও জন্ম গ্রহণ করেন।(মৃ.২০১৭)
    ১৯৩৬ – সেপ ব্ল্যাটার, ফিফার ৮ম প্রেসিডেন্ট (বর্তমান)।
    ১৯৪৪ – সমরেশ মজুমদার ভারতের বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক।
    ১৯৫০ – মাহফুজ উল্লাহ, বাংলাদেশি লেখক, সাংবাদিক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশবিদ।
    ১৯৫৬ – রবার্ট লয়েওয়েল্ল্যন, তিনি ইংরেজ অভিনেতা ও লেখক।
    ১৯৬৮ – ফেলিচে এরিনা, তিনি অস্ট্রেলিয়ান লেখক।
    ১৯৭৮ – নিল আলেকজান্ডার, তিনি স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড়।
    ১৯৮৪ – অলিভিয়া ওয়াইল্ড, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

    ইতিহাসের এই দিনে যারা মৃত্যুবরণ করেন

    ১৮১১ – হেনরী ক্যাভেল ভিলন, বিজ্ঞানী।
    ১৮৭২ – মাৎসিনি, ইতালীয় জাতীয়তাবাদী নেতা।
    ১৮৯৭ – ভারতের মহারাষ্ট্রের সমাজ সংস্কারক শিক্ষাব্রতী ও কবি সাবিত্রীবাই ফুলে প্রয়াত হন।
    ১৯৪০ – মিখাইল বুলগাকভ, রুশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক।
    ১৯৬৬ – ফ্রাঙ্ক ও’কনার, আইরিশ ছোট গল্পকার।
    ১৯৬৬ – ফ্রিৎস জের্নিকে, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও একাডেমিক।
    ১৯৭২ – বিদগ্ধ সাহিত্যিক ও ইতিহাসবেত্তা হরিহর শেঠ।
    ১৯৮০ – সুবোধ ঘোষ, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।
    ১৯৮৩ – আতিকুজ্জামান খান, বাংলাদেশী কূটনীতিক, সাংবাদিক এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার।
    ১৯৮৮ – অ্যান্ডি গিব্ব, তিনি ছিলেন ইংরেজি থেকে অস্ট্রেলিয়ান গায়ক।
    ১৯৯৮ – লয়েড ব্রিজেস, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।
    ২০০৩ – নীলুফার ইয়াসমীন, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী।
    ২০১২ – ফ্রাঙ্ক শেরউড রোল্যান্ড, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

    দিবস
    জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস, বাংলাদেশ।

  • বাথরুমে মিলল ১১২ লিটার তেল, বেডরুমে ২৫০ কেজি ডাল

    বাথরুমে মিলল ১১২ লিটার তেল, বেডরুমে ২৫০ কেজি ডাল

    কুমিল্লায় এক ওএমএস ডিলারের বাথরুম আর খাটের নিচে পাওয়া গেছে টিসিবির ১১২ লিটার সয়াবিন তেল। এছাড়া তার বেডরুমে পাওয়া গেছে টিসিবির ২৫০ কেজি মসুর ডাল। এ ঘটনায় ঐ ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

    বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন

    তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আমরা কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকায় অভিযান চালাই। ঐ সময় দেখতে পাই স্থানীয় ওএমএস ডিলার মেসার্স সাইফুল এন্টারপ্রাইজের মালিক ফয়সালুর রহমান তার দোকানে টিসিবির তেল ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করছেন। পরে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে খাটের নিচ এবং বাথরুম থেকে ১১২ লিটার টিসিবির সয়াবিন তেল উদ্ধার করি। এছাড়া তার বেডরুম থেকে ৫০ কেজি ওজনের ৫ বস্তা টিসিবির মসুর ডাল উদ্ধার করা হয়।

    সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ঐ ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ও উদ্ধারকৃত মালামাল এতিমদের মাঝে বণ্টনের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হন্তান্তর করা হয়েছে।

    জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের এ কর্মকর্তা।