Blog

  • বাবার যৌন হয়রানি নিয়ে প্রশ্ন, ক্ষুব্ধ ইভাঙ্কা ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহকারী হিসেবে কাজ করছেন তার বড় মেয়ে ইভাঙ্কা।  প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগ থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।  যা এখনো অব্যাহত আছে। বিভিন্ন মডেল, অভিনেত্রীসহ ঘটনার স্বীকার সবাই জনসমক্ষে মুখ খুলছেন।  সম্প্রতি এসব অভিযোগকারীকে বিশ্বাস করেন কি না-এমন প্রশ্ন করা হয় ইভাঙ্কাকে।

    রবিবার এনবিসি নিউজের পিটার আলেক্সান্ডারকে সাক্ষাৎকার দেন ইভাঙ্কা। সেখানেই এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।  ইভাঙ্কা যেন জানতেনই এমন প্রশ্নের মুখোমুখি তাকে হতে হবেই।  একটু সময় নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাবার যৌন হয়রানির শিকার মানুষদের অভিযোগগুলো বিশ্বাস করেন কী না?’-  এমন প্রশ্ন তার মেয়েকে করা উচিত নয়।  কারণ তিনি (ডোনাল্ড ট্রাম্প)  দৃঢ়ভাবেই বলেছেন এতে কোনো সত্য নেই।’ সূত্র : পলিটিকো

  • বাংলার বধূ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রীদেবী

    বাংলার বধূ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রীদেবী

    মিঠুনদার সঙ্গে অনেকদিন আমার কোনো যোগাযোগ নেই।  তবে আজ শ্রীদেবীর মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকে মনে হচ্ছে মানুষটা কষ্ট পাচ্ছে। ছটফট করছে। মুখফুটে কতটা বলতে পারবে আমি জানি না। কিন্তু আজ যার হৃদয়ে প্রবল রক্তক্ষরণ, তার নাম মিঠুন চক্রবর্তী।

    মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক ছিল। টান ছিল। ভালোবাসা ছিল। হিন্দু রীতিতে বিয়ে ছিল। কিন্তু জীবনের অবাক যাত্রাপথ দুজনকে আলাদা করেছে। মিলিত হতে না পারলেও পরস্পরকে সম্মান দিয়েছেন। কোনো তিক্ততা আসতে দেন নি। পরম যত্নে দৈনন্দিন জীবন থেকে আড়ালে রেখেছেন সম্পর্ক। যোগাযোগ না থাকলেও গভীর অনুভূতিটা হারিয়ে যেতে দেননি।

    মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই মিডিয়ায়। কিন্তু এটা যে শুধু তারকাজনিত টাইম-পাস ছিল না, বুঝেছি অনেক পরে। মিঠুনদার সঙ্গে ভালোমত আলাপের পর।

    আজ শ্রীদেবীর মৃত্যুসংবাদ শুনেই কেন জানি না হঠাৎ মনে পড়ল ২০০২ সালের এক মধ্যরাত। সল্ট লেকের ফ্ল্যাটের ঘর। মিঠুনদা আর আমি। অকপট মিঠুনদা সেদিন শ্রীদেবী সম্পর্কে মনের দরজা খুলে দিয়েছিল। সবটা লেখার নয়। সবটা মনেও নেই। কিন্তু, সেদিন তারকার মোড়কের ওপাশে দেখেছিলাম এক রক্তমাংসের পুরুষকে। যে কাতর প্রেমিক। যে রোজকার জীবনের ব্যস্ততা, বিলাস, বৈভবের মধ্যেও সযত্নে বাঁচিয়ে রেখেছে কিছু মুহূর্ত, তার মনের মণিকোঠায়। বাস্তবকে মানতে গিয়ে নিজে হাতে হত্যা করেছে এক মনের টানের সম্পর্ককে।

    শ্রীদেবীর সঙ্গে মিঠুনদার যখন সম্পর্ক, তখন মিঠুনদা যোগিতাভাবীকে বিয়ে করেছে। বড় ছেলে মিমো এসেছে।

    এমন সময়ে মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক। সুপারহিট জুটি। পরপর হিট। দক্ষিণ থেকে আসা শ্রীদেবী ঝড় তুলেছেন। আর বঙ্গতনয় মিঠুন বলিউডে প্রতিষ্ঠার সব ব্যাকরণ ভেঙে নিজস্ব অভিধান চালু করেছেন। পর্দার জুটি ক্রমশঃ পর্দার বাইরেও।

    সব জানতেন মিঠুনদার বন্ধু তথা দাদা অধুনাপ্রয়াত গৌতমদা আর শ্রীদেবীর বোন। দুই নক্ষত্রের একান্তে দেখার আয়োজন সম্ভবত তারাই করতেন।

    এখান থেকেই আরও গভীরতা। এবং শেষে একটি বিশেষ মন্দিরে হিন্দুমতে বিয়ে। তিনদিনের মধুচন্দ্রিমা।
    এর পরেই আশ্চর্য ধর্মসংকট। স্বাভাবিকও বটে।

    শ্রীদেবীর বক্তব্য, মিঠুনদাকে পরিবার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। শ্রীদেবীর দিক থেকে এটা সঠিক দাবি।

    কিন্তু মিঠুন স্ত্রী, পুত্রকে ছেড়ে বেরোতে পারলেন না। বাবা, মাও মিঠুনকে সমর্থন করলেন না। মিঠুন সময় চাইলেন শ্রীদেবীর কাছে।

    প্রবল মিঠুনপ্রেমে পাগলপারা শ্রীদেবী মিঠুনকে সময় দিলেন মাত্র ৪৮ বা ৭২ ঘন্টা। বাড়ি ছেড়ে আসার। অন্যথায় শ্রীদেবী অপেক্ষা করবেন না।

    শ্রীদেবীর এই চাপটা ছিল গভীর প্রেম থেকেই। মিঠুনকে নিজের মতো করে পাওয়ার জন্য। কিন্তু এই সময়সীমাটাই যেন ব্যক্তিগত সম্পর্কের সীমা ছাড়িয়ে দুই সুপারস্টারের ইগোর সংঘাতে পরিণত হল। মিঠুন সময়ের চাপ মানতে পারলেন না। শ্রীদেবী সরে গেলেন।

    শুনেছি, যখন ‘অন্যায় অবিচার’ ছবির শ্যুটিং চলছে দীঘার কাছে, তখনও শ্রীদেবীর বোন কলকাতা এসে মিটমাটের চেষ্টা করেছিলেন।
    কিন্তু তখন দুই মহাতারকাকে আর মেলানো সম্ভব হয়নি।
    এরপর মিঠুন মুম্বাই ছেড়ে উটিতে সাম্রাজ্য বসান।
    মিঠুন-শ্রীদেবী প্রেম অসম্পূর্ণ থেকে রাজকাপুর-নার্গিস বা অমিতাভ-রেখার জুটির তালিকায় ঢুকে যায়।

    এই সম্পর্কে কিছু ঠিক, কিছু ভুল, কিছু প্রশ্ন যে কেউ তুলতে পারেন। কিন্তু ঘটনা হল, সম্পর্ক আর মনের মিল নীতিকথা মেনে হয় না, এটা বাস্তব।
    মিঠুনদা মনেপ্রাণে ভালোবেসেছিল শ্রীদেবীকে, বাস্তব।
    শ্রীদেবী মিঠুনদাকে চেয়েছিলেন, এটাও বাস্তব।
    আর সবচেয়ে কঠিন বাস্তব, যে কোন কারণেই হোক, দুজনকে থমকে দাঁড়াতে হয়েছে।

    দুজনে ব্যস্ত থেকেছেন আলাদা বৃত্তে। মিঠুন পেশাগত লড়াইতে, নানা কাজে, পারিবারিক কর্তব্যপালনে। শ্রীদেবী বনি কাপুরকে বিয়ে করে দূরের সংসারে।

    সময় পেরিয়েছে। দুজনে আলাদা কক্ষপথে রেখেছে নিজেদের। দায়িত্বশীলভাবে। অতীতকে প্রকাশ্যে এনে বর্তমানের চৌম্বকীয় ক্ষেত্রটির ভারসাম্য নষ্ট করেনি কেউ। শুধু মনের মধ্যে রয়ে গেছে পরস্পরের প্রতি সম্মান আর ফেলে আসা মুহূর্ত।

    আজ যখন মিঠুনদা হঠাৎ খবর পাবে “শ্রী” নেই, আমি নিশ্চিত, এক অব্যক্ত যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে উঠবে ও।
    অসম্পূর্ণ সম্পর্কের অভিমানী সহযাত্রীর চিরবিদায়ের ধাক্কা সামলাতে খুব কষ্ট হবে মিঠুনদার।

    লেখক : তৃণমূল সাংসদ, সাংবাদিক এবং একসময় মিঠুন চক্রবর্তীর বাণিজ্যিক সহযোগী

    (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

  • কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

  • কর্মচারীদের আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

  • ভেতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- বাইরে আ.লীগের সংঘর্ষ

    ভেতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- বাইরে আ.লীগের সংঘর্ষ

    সুধী সমাবেশে স্লোগান দেওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার পটুয়াখালীর বাউফল থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ওই সময় থানা ভবনের মধ্যে অবস্থান করছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
    সমাবেশের শুরুতে এক পক্ষ স্লোগান দেয় চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের পক্ষে এবং আরেক পক্ষ স্লোগান দেয় বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েলের পক্ষে। এ নিয়ে ওই দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সংঘর্ষের সময় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এর আগেই ছাত্রীরা আতঙ্কে ওই স্থান ছেড়ে চলে যায়। বাউফল থানার নতুন চারতলা ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সকাল নয়টা থেকেই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত হতে থাকেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে থানার অদূরে হেলিকপ্টারে করে বাউফল সরকারি পাবলিক মাঠে নামেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    পরে ১১টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও বিশেষ অতিথি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ যৌথভাবে ভবনের উদ্বোধন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ তাঁদের নেতাদের পক্ষে প্রধান অতিথিকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। প্রধান অতিথি নতুন থানা ভবনের মধ্যে ঢুকলে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও চেয়ার দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটানোতে অংশ নেয় দুই পক্ষই। প্রায় ১৫-২০ মিনিটের মতো চলে ওই সংঘর্ষ। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মো. জহিরুল (৩০), মো. কামাল হোসেন (২৫), আলতাফ উদ্দিন (৬৫), মিজানুর (৪৫), মো. খোকনকে (৩৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসার পর দুপুর ১২টার দিকে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বক্তৃতা করেন চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজ, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বরিশাল বিভাগের পুলিশের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আজাদ মিয়া, জেলা প্রশাসক মাছুমুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক প্রমুখ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৭৮ টি দেশের মধ্যে আমেরিকার একটি সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছে, কারা দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রধান এবং কারা দেশের নেতৃত্বে সফল। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় স্থানে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী না হয়ে যদি তিনি অন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন, তাহলে তিনিই প্রথম হতেন। আর এটাই বাস্তবতা। তাঁর হাতে বাংলাদেশ। সে জন্যই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের মহাসড়কে উঠেছে। এটা সবাইকে ধরে রাখতে হবে। আগামী নির্বাচনে নৌকার বিকল্প নেই।

  • রিয়্যালিটি শো’র প্রতিযোগীকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা পাপনের

    রিয়্যালিটি শোতে প্রতিযোগীকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা করলেন গায়ক পাপন। আর এই চুম্বনকাণ্ডের জেরেই তার বিরুদ্ধে পকসো অ্যাক্টে অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, হোলি সেলিব্রেশনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাপন গানের রিয়্যালিটি শোতে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে এক নাবালিকাকে হোলির রং মাখাচ্ছেন এবং তারপর তাকে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা করছেন৷

    তবে এই অভিযোগ দায়ের করার পর পাপনের আইনজীবী জানান, ওই ভিডিও ক্লিপিংসটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷ ওই নাবালিকার বাবা সংবাদ মাধ্যমকে এই বিষয়টিকে নিয়ে হইচই না করার আবেদন জানিয়েছেন বলেও জানান পাপনের আইনজীবী৷

  • প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছি যেগুলো আগে নিইনি’

    প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছি যেগুলো আগে নিইনি’

    প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবার সহযোগিতা চেয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। এইসব কাজে (পরীক্ষা) যারা বাধার সৃষ্টি করে তাদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করেন।

    আজ শুক্রবার এফডিসি মিলনায়তনে নবম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘বিতর্ক বিকাশ’ এর গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন,  তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসে ইতোমধ্যে ৫২টি মামলা করে ১৫৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে আমরা চেষ্টা করছি। আগামী এইচএসসি পরীক্ষায় অতি অল্প সময়ে বড় পরিবর্তনে যাব না, সেখানেও কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছি যেগুলো আগে নিইনি। এতে আশা করছি বেশি কার্যকর হবে। এর পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনব।

    নাহিদ বলেন, ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার হলে ৩০ মিনিট আগে ঢুকিয়ে ফেলছি। প্রশ্নের খাম খোলার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে ৩০ মিনিট আগে। তার পরেও কেউ না কেউ একটা স্টেপ নিয়ে প্রচার করে দিচ্ছে।

    এবারের বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে বরিশালের বাবুগঞ্জের রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে; রানারআপ হয়েছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ইসহাকপুর পাবলিক হাই স্কুল।

  • কেকেআর শিবিরে স্বস্তির হাওয়া

    কেকেআর শিবিরে স্বস্তির হাওয়া

    ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজের ফাইনাল ম্যাচে কাঁধে চোট পেয়ে বসায় লিনকে নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় ছিলেন কেকেআর কর্মকর্তারা। আইপিএল খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত ন। তবে এটা স্পষ্ট যে, কাঁধে অস্ত্রোপচার করাতে হবে না লিনকে। এই খবরটাই উৎসাহী করছে দু’বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের।

    গত বছর ধ্বংসাত্মক শুরু করেও কাঁধের চোটের জন্য মাঝপথেই টুর্নামেন্ট ছাড়তে হয়েছিল লিনকে। এবার টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দূর্ভাগ্য তাড়া করে অস্ট্রেলিয়ান তারকাকে। চোট পাওয়া মাত্রই পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে নাম তুলে নেন লিন। আশা প্রকাশ কেরছিলেন যে আইপিএলের আগে সুস্থ হয়ে উঠবেন। প্রত্যাশার পালে হাওয়া লাগে চিকিৎসকদের আশ্বাসবাণীতে।

    গত বুধবার ব্রিসবেনে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেন লিন। মূলত চোটের গুরুত্ব বিচার করে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন তিনি। তারা তাকে আশ্বস্ত করেন যে, কিছুদিনের বিশ্রাম ও রিহ্যাবেই ম্যাচ ফিট হয়ে উঠবেন তিনি। হাড়ের সংযোগস্থল পুরনো অবস্থায় ফিরে এলেই রিহ্যাব শুরু করবেন লিন।

    যার ফলে এপ্রিলের ৭ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে লিনের। তাই আশার আলো কেকেআর শিবিরে। আইপিল নিলামে সংক্ষিপ্ত স্কোয়াড বেছে নেওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্স নতুন অধিনায়কের খোঁজে রয়েছে। দলে টি-২০ মহাতারকা বলতে সবার আগে ভেসে আসছে অজি তারকা ক্রিস লিনের নাম। স্বাভাবিকভাবেই নেতৃত্বের দৌড়ে তিনিই আছেন প্রথম সারিতে।

  • শিক্ষিকা ও তার মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের!

    শিক্ষিকা ও তার মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের!

    বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও তার মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের বিরুদ্ধে। সেই একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আবার শিক্ষিকাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের গুরুগ্রামের পাথওয়ে নামে একটি স্কুলে।

    গুরুগ্রামের পাথওয়ের স্কুলে পড়াশুনো করে সম্পন্ন ঘরে ছেলেমেয়েরাই। স্কুলেরই শিক্ষিকার মেয়ে অভিযুক্ত পড়ুয়ার সহপাঠী। অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহপাঠী ও তার মাকে ধর্ষণের হুমকি দেয় সপ্তম শ্রেণির সেই পড়ুয়া। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

    অপরদিকে সেই স্কুলেই অষ্টম শ্রেণির আর ছাত্র শিক্ষিকাকে নিভৃতে ভোজ ও যৌনতার প্রস্তাব দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই দুটি ঘটনা সামনে আসতেই বিপাকে পড়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তারা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হবে।

  • মজিবর রহমান সরোয়ারের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত

    মজিবর রহমান সরোয়ারের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাড.মজিবর রহমান সরোয়ার’র মাতা সৈয়দা মজিদুন্নেসার চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার পশ্চিম কাউনিয়া মজিবর রহমান সরোয়ারের মরহুম পিতা ও মরহুমা সৈয়দা মজিদুন্নেসার নিজ বাড়ি প্রাঙ্গনে আছরবাদ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ, বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু, মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া, জেলা দক্ষিন বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, বিসিসি প্যানেল মেয়র আলহাজ কে এম শহিদুল্লা, কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, কাউন্সিলর হারুন অর রসিদ, কাউন্সিলর মীর জাহিদ, সৈয়দ আকবর হোসেন, মোঃ ইউনুস, মহানগর বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাড. মহসিন মন্টু, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ্যাড. আলি আহম্মেদ মিয়া,আইনজীবী সমিতি সাবেক সভাপতি এ্যাড. শহিদ হোসেন, এ্যাড. নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না, কোতয়ালী বিএনপি সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন লাবু, কোতয়ালী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব নুরুল আমিন, কোতয়ালী বিএনপি দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব মন্টু খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদ ‘র যুগ্ম আহবায়ক মাহাবুবুর রহমান পিন্টু, আমিনুল ইসলাম লিপনসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, মহিলাদল ও অঙ্গ সহযোগী সংঠনের নেতা কর্মীরা।

    দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুসাস্থ কামনা করাসহ মজিবর রহমান সরোয়ার.র মাতা-পিতা সহ সর্বস্থরের কবর বাসীর জন্য দোয়া-মোনাজাত করা হয়। অপরদিকে কাউনিয়া বিসিক রোডের বাসায় জেলা যুবদল সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসানের পিতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।