Blog

  • খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে : মওদুদ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি, সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

    শনিবার বিকালে নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি। তাকে একজন সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে নেত্রীকে। সেখানে অন্য কোনও কারাবন্দি নেই। এটি অন্যায়, আমরা এ বিষয়ে আদালতে যাব।

    মওদুদ আরও বলেন, রায়ের সত্যায়িত কপি পেলে আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার জামিনের জন্য আপিল করা হবে।

    খালেদা জিয়ার সার্বিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ম্যাডাম স্বাভাবিক আছেন, ভালো আছেন তবে তার শরীরের অবস্থা ভালো না।

    খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলকোড অনুযায়ী তিনি ডিভিশন পান। তিনি যেহেতু তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং সিনিয়র নাগরিক তাই তার এ সুবিধা পাওয়া উচিত।

    তিনি বলেন, গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, সরকার বলেছে ম্যাডামকে তার গৃহপরিচারিকা ও ডিভিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা আজ দেখে এসেছি, এসব মিথ্যা। তাকে একটা নির্জন ভাঙা বাড়িতে রাখা হয়েছে। উনার খাবারের ক্ষেত্রেও কোনও পরিবর্তন নেই। সাধারণ বন্দিরা যে খাবার পান, তাকেও সেই খাবার দেওয়া হচ্ছে। ম্যাডাম এসব খাবারে অভ্যস্ত না।

    এর আগে বিকালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি দল কারা ফটকে পৌঁছান।

    মওদুদের সাথে থাকা অন্য আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান।

    উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

    একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

    রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের লালদালানখ্যাত ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সোমবার ‘রোজা’ পালনের আহ্বান বিএনপির

    খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সোমবার ‘রোজা’ পালনের আহ্বান বিএনপির

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতাকর্মীদের মামলা এবং হয়রানি থেকে রেহায় পেতে রোজা পালন করবে বগুড়া জেলা বিএনপি। আগামী সোমবার রোজা শেষে শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে ইফতারে অংশ নিবে দলের নেতাকর্মীরা। আজ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম।

    এসময় তিনি নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের বগুড়াবাসীকে রোজা পালনের আহবান জানান। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, কেন্দ্রীয় সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মাদ শোকরানা, সাবেক এমপি এড. হাফিজার রহমান .আলী আজগর হেনা, লাভলী রহমান, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, রেজাউল করিম বাদশা, আহসানুল তৈয়ব জাকির, ডা. শাহ মো. শাজাহান, ডা; মামুনুর রশিদ মিঠু, পরিমল চন্দ্র দাস, তৌহিদুল আলম মামুন, আবুল বাশার, ফারুকুল ইসলাম ফারুক, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফিক, নাজমা আক্তার প্রমুখ।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যে বিএনপির  নেতাকর্মী শহরের নবাববাড়ী রোডে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন।  সমাবেশে ভিপি সাইফুল বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে আরো একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন চায় আ’লীগ। একারণেই দেশের মানুষের আস্থার ঠিকানা খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে অবৈধ সরকার। তারা ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই অগণতান্ত্রিক পন্থা বেছে নিয়ে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ আজ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে, এ সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে ভোট বিপ্লব ঘটবে ধানের শীষের পক্ষে। তিনি নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

  • কারাগারে স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া

    কারাগারে স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া

    নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সুপারের সাবেক অফিস কক্ষেই কাটছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার। ডিভিশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত ২৫০-৩০০ স্কয়ার ফুটের একটি কক্ষেই কাটবে তার সময়।

    জানা গেছে, কারাগারে স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া। তিনি কারাগারের দেওয়া খাবারই খেয়েছেন। বিশ্রামের পাশাপাশি তিনি নামাজ পড়েছেন।

    কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেল কোড অনুযায়ী সাধারণ বন্দীর সব সুযোগ-সুবিধাই দেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে।

    যদিও নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, খালেদার পছন্দ অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। তার ব্যক্তিগত গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগমকে খালেদা জিয়ার সেবা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার গুলশানের বাসা থেকে ফাতেমাকে নিয়ে একই গাড়িতে করে আদালতে উপস্থিত হন খালেদা জিয়া। রায় পড়ার সময়ও তার সাথেই ছিলেন ফাতেমা। আদালতের রায় পড়া শেষ হলে বিচারকরা কক্ষ ত্যাগ করেন।

    এরপর খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে, পরিচর্যার জন্য ফাতেমাকে তার সাথে কারাগারে রাখার আবেদন জানান আইনজীবীরা। আবেদনে স্বীকৃতি দিয়ে এ বিষয়ে একটি আবেদনপত্র দেওয়ার জন্য আইনজীবীদের নির্দেশ দেন বিচারক। আদালতের স্বীকৃতি পেলে, ফাতেমাকে নিয়ে নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে যান খালেদা জিয়া।

    এদিকে, বিকাল বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করতে কারাগারে গিয়েছেন ৫ আইনজীবী। তার সাথে দেখা করতে যাওয়া আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার আবদুর রেজ্জাক খান ও এ জে মোহাম্মদ আলী।

    এর মধ্যে প্রথম দিন খালেদা জিয়ার সাথে তার ভাই-বোনসহ পরিবারের সদস্যরা দেখা করে। তারা তার জন্য কাপড় চোপড় নিয়ে যায়। এছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরাও কিছুক্ষণ পর পর কারাগারের সামনে ভিড় করে। কেউ কেউ খাবারও নিয়ে আসে। তবে পুলিশের ব্যারিকেডের কাছেই তাদের আটকে দেওয়া হয়। খাবারও ভেতরে পাঠানোর অনুমোদন মেলেনি।

  • ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    খালেদা জিয়া আজ যদি গণতন্ত্র রক্ষা আর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা না বলতেন তবে তাকে জেলে যেতে হতো না। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে সরকার জেলে পাঠিয়েছে। তাই এখন আমাদের লক্ষ্য খালেদা জিয়ার মুক্তি আর গণতন্ত্র রক্ষায় সহায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের।

    দলীয় প্রধানকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরের সদর রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও নগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এসব কথা বলেন।

    যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমরা আপোস করিনি বলে আজ আমাদের জেলে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু এখন যারা ক্ষমতায় রয়েছেন তাদের মামলাগুলোর হদিস নেই। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সাড়ে সাত হাজার মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

    তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মামলা-হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের আন্দোলন থেকে দূরে রাখা যাবে না। এসময় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    বরিশাল মহানগর বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল হোসেন খান, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামন ফারুক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ অন্যরা।

  • বিকেএসপিতে মাশরাফি ঝড়

    ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। শুক্রবার বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে কলাবাগানের বিপক্ষে আবাহনীর হয়ে ৫৪ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। পাশাপাশি বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জয়ের নায়কও তিনি।

    এদিন, টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯.৫ ওভারে ২১৭ রান করে আবাহনী। মাশরাফি ছাড়াও আবাহনীর হয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৫ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৪০ রান করেন।

    জবাব দিতে নেমে মাশরাফির বোলিং তোপে ১৮১ রানে গুটিয়ে গেছে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। মুক্তার আলীর ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৪০ রান। আবাহনীর হয়ে মাশরাফি ৪টি, তাসকিন আহমেদ ৩টি উইকেট নেন।

  • বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সৌদি-আমিরাত

    বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সৌদি-আমিরাত

    শান্তিতে নোবেল পদক জয়ী তাওয়াক্কুল কারমান বলেছেন, ইয়েমেনে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এসময় তিনি ইয়েমেনে সৌদি জোটের সামরিক আগ্রাসনের বন্ধের আহ্বান জানান।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্সকে ইস্তাম্বুল থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাওয়াক্কুল কারমান বলেন, ইয়েমেনের বৈধ সরকারের বিরুদ্ধে হুথি বিদ্রোহীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সৌদি আরব ও আমিরাত। ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার ও কুৎসিত রাজনীতির চর্চা করতে গিয়ে তারা ইয়েমেনিদের বিক্রি করে দিয়েছে। এটা ইয়েমেনিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আব্দ রাবুহ মানসুর হাদিকে সৌদি আরবে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, তাওয়াক্কুল কারমান একজন সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি ‘উইমেন জার্নালিস্ট উইদাউট চেইন’ নামের একটি সংগঠনের নেতৃত্ব দেন। আরব বসন্তে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১১ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান তিনি।

  • বিদ্যাকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছেন ভক্ত!

    তারকাদের যেমন খ্যাতি ও যশ রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিড়ম্বনাও। এমনই বিড়ম্বনায় পড়লেন বলিউডের তারকা অভিনেত্রী বিদ্যা বালান।

    সম্প্রতি হঠাৎ করেই বিদ্যাকে দেখা যায় মুম্বাই বিমানবন্দরে। হয়তো কোনো ভ্রমণ শেষে ফিরছিলেন তিনি। সবাই তাকে ঘিরে ধরলেন। এর মধ্যে আবার একজন তার পাগল ভক্ত। তিনি একটা ছবি তুলতে চান। কিন্তু আচরণে এতটাই আগ্রাসী হয়ে উঠলেন যে তিনি আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করে বসলেন বিদ্যাকে। খুবই বিরক্ত হলেন ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী তারকা।

    বিদ্যা কঠিন চোখে তার দিকে তাকালেন। কড়া কণ্ঠে বললেন পাশে দাঁড়িয়ে ভদ্রভাবে ছবি তুলতে। নিজেকে সামলে নিলেন ভক্ত। বোঝালেন, আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বিদ্যাকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছেন। উদ্দেশ্যমূলকভাবে করেননি কাজটা। তবুও বিদ্যা তার সঙ্গে একটা সেলফি তুলেছেন।

    এছাড়া অর্জুন কাপুরের বোন আনুশলা কাপুরও পড়েছিলেন বাজে পরিস্থিতিতে। তিনি ভাই অর্জুনের সঙ্গে একটি মুভির স্ক্রিনিং দেখতে যাচ্ছিলেন শহরতলীর এক থিয়েটারে। সেখানে রাস্তা আটকালেন এক ভক্ত। সেলফি তুলতে চান। অর্জুনের সঙ্গে ছবি তুলতে চান। কিন্তু সীমা ছাড়ালেন। এত কাছে চলে এলেন যা অর্জুনের মোটেও পছন্দ হলো না। বোন ভক্তকে বোঝালেন। কিন্তু তিনি খুব দ্রুত সেলফি তুলতে প্রস্তুতি নিলেন। আনুশলাকেও অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দিলেন। তবে অর্জুন খুব দ্রুত বোনকে সরিয়ে নিতে সক্ষম হন।

  • বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ডেকে মির্জা ফখরুলের সংবাদ সম্মেলন

    বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ডেকে মির্জা ফখরুলের সংবাদ সম্মেলন

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায়সহ সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানাতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ডেকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

    ফখরুল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিবিসি, ফ্রান্সভিত্তিক এএফপি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এপি, জার্মানিভিত্তিক ডয়েচে ভেলে, ভারতভিত্তিক জি মিডিয়ার সাংবাদিকসহ অন্যরা।

    সংবাদ সম্মেলনে ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওশাদ জমির প্রমুখ।

  • বিশ্ব গণমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে খালেদা জিয়ার খবর

    বিশ্ব গণমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে খালেদা জিয়ার খবর

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার রায়ের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়েছে। কোনো কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রধান খবর ছিল এটি। কিছু সংবাদমাধ্যম আবার এ নিয়ে বিশ্লেষণও প্রকাশ করেছে।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাঁর ছেলে তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আখতারুজ্জামান বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির অনলাইন সংস্করণে শিরোনাম করা হয়েছে ‘সংঘর্ষের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দুর্নীতির দায়ে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার ঘটনায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে পুলিশ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।’

    বার্তা সংস্থা এএফপির শিরোনাম ছিল এ রকম—‘বিরোধীদলীয় নেতা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের আদালত।’ খবরে আরও বলা হয়েছে, ‘একটি এতিমখানার জন্য ২ লাখ ৫২ হাজার ডলার চুরির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা খালেদা জিয়া।’

    অন্যদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের শিরোনাম ছিল, ‘ঘুষের জন্য বাংলাদেশর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কারাদণ্ড, আপিলের পরিকল্পনা’।

    খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের খবরে হওয়া বিক্ষোভের বিষয়টি শিরোনামে এনেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের অনলাইন সংস্করণ। শিরোনাম ছিল, ‘বিরোধীদলীয় নেতাকে কারাদণ্ড দেওয়ায় বাংলাদেশে সহিংস বিক্ষোভ।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে বিচারকের রায় ঘোষণার পর আদালতের বাইরে খালেদা জিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে।

    কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার শিরোনাম ছিল, ‘দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর জেল’। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর খবর দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান রায় ঘোষণা করেন।

    ‘আমি ফিরে আসব, কাঁদার প্রয়োজন নেই’— এটা ছিল হিন্দুস্তান টাইমসের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম। আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে খুললে প্রথমেই চোখে পড়ছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া রায়ের খবর। খবরের শিরোনাম হলো, ‘৫ বছর কারাদণ্ড খালেদা জিয়ার, উত্তপ্ত ঢাকা’। অন্যদিকে দ্য হিন্দুর অনলাইন সংস্করণের আন্তর্জাতিক বিভাগে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়েছে এ খবর। এতে বলা হয়েছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়কে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ায় (পিটিআই) প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম বাংলায় তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের আদালত।’ খবরে আরও বলা হয়, একই মামলায় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে লেখা মতামতে সাংবাদিক জ্যোতি মালহোত্রা বলেছেন, খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ায় আরও শক্তিশালী হবে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন-এর অনলাইন সংস্করণে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের খবর। শিরোনাম ছিল, ‘আত্মসাৎ করায় বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ড।’

  • বরিশালে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ- আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অবস্থান

    বরিশালে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ- আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অবস্থান

    কাজী সাইফুল :

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দেয়ার প্রতিবাদে ও রায় বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ করেছে মহানগর বিএনপি। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, বিএনপি নেতা মহসিন মন্টু, মহানগর যুবদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন প্রমূখ।

    এদিকে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল মহড়া শেষে অবস্থান নেয় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়ন থাকায় কোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।