Blog

  • এসএসসির ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

    এসএসসির ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

    সিফাত :

    ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

    ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

  • ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরুর অপেক্ষা রোবটের

    ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরুর অপেক্ষা রোবটের

    মেডিকেলের ছাত্র হিসেবে লেখাপড়া শেষ করে ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরু করার জন্য অপেক্ষা করছে ‘শিওয়াই’ নামে একটি রোবট। ইতোমধ্যে চীনের ‘ন্যাশনাল মেডিকেল লাইসেন্সিং এক্সামিনেশন’ পরীক্ষায় ৪৫৬ পয়েন্ট পেয়ে পাস করেছে রোবটটি। পরীক্ষায় গড়ে কোনো চিকিৎসকের পাওয়া নম্বরের তুলনায় তা বেশি। সিনগুয়া ইউনিভার্সিটির আই ফ্লাই টেক জয়েন্ট ল্যাবে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    পরীক্ষার খাতায় শিওয়াইকে দশ লাখ মেডিকেল ইমেজ, চিকিৎসা সংক্রান্ত ৫৩টি বই ও কুড়ি লাখ মেডিকেল রেকর্ড, চার লাখ চিকিৎসা সাময়িকী এবং প্রতিবেদন থেকে নির্বাচিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় বলে জানান ল্যাবটির পরিচালক হু ঝি।

    তবে পরীক্ষায় পাস করলে কী হবে, সে তো আর মানুষের মতো হবে না! তাই আপাতত তাকে ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস উন্নতিতে কাজ করতে হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোবটটি নিখুঁতভাবে জ্ঞানের ব্যবহার করতে পারেনা বিধায় চিকিৎসকের পরিবর্তে এ যন্ত্রমানবকে ব্যবহার করা হবে না। এরপর তাকে মেডিকেল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস

    ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস

    ১৪ ফেব্রুয়ারি! বর্তমান বিশ্বে এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) নামে উদ্যাপন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ দিবস অত্যন্ত আড়ম্বর, জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এর সূচনা মধ্যযুগে হলেও নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রসার ঘটে। আশির দশকেও বাংলাদেশের মানুষ এ দিবসটির সঙ্গে ছিল অনেকটা অপরিচিত। তবে নব্বইয়ের দশক থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সহযোগিতায় ও মিডিয়ার কল্যাণে এ দেশের যুবসমাজের মাঝে তা ছড়িয়ে পড়ে।

    ভালোবাসা দিবসের উৎস নিয়ে নানা মত প্রচলিত আছে। এ সম্পর্কে যদ্দুর জানা যায়, লুপারকালিয়া নামে প্রাচীন রোমে এক উৎসব ছিল, যা ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অবধি হতো। যে উৎসবে নারী-পুরুষ সমানতালে মদ পান করত এবং লটারির মাধ্যমে সঙ্গী বেছে নিয়ে তার সঙ্গে একান্তে মিলিত হতো। অতঃপর রোমানরা যখন তাদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্মে ধাবিত হচ্ছিল, তখন তারা প্রাচীন দেবীর নামে লুপারকালিয়া উৎসবকে মেনে নিতে পারছিল না। আবার উৎসবটি খুব জনপ্রিয় ছিল বলে ছেড়েও দিতে পারছিল না। অবশেষে উৎসবটিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামে উৎসর্গ করে উদযাপন করত। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ নোয়েল লেন্সকি বলেছেন, লুপারকালিয়া উৎসবে পুরুষরা দেবী লুপারকাসের নামে একটি ছাগল আর একটি কুকুর বলি দিত। তারপর মৃত ছাগল বা কুকুরের চামড়া দিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের বেদম প্রহার করত। তাদের বিশ্বাস, এ প্রহারের কারণে মেয়েদের প্রজননক্ষমতা বাড়ে।

    ভালোবাসা দিবসের সূচনা ইতিহাস সম্পর্কে আরও যা জানা যায়, ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস বিবাহিত পুরুষদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বন্ধ করে দেন এবং আইন জারি করেন, তার সাম্রাজ্যে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। কারণ বিবাহিত সেনারা স্ত্রী-সন্তানদের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে চাইত না। কিন্তু রোমান এক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সম্রাটের ন্যায়ভ্রষ্ট নিয়মের প্রতিবাদ করেন এবং বিয়ে করেন। এ খবর সম্রাট ক্লডিয়াসের কাছে পৌঁছলে তিনি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর সে মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ দিবসকে ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। আবার কারও কারও মতে, ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন খ্রিস্টান পাদরি ও চিকিৎসক। সে সময় রোমানরা ছিল দেব-দেবীর অনুসারী। ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বন্দী অবস্থাতেই ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের চোখের চিকিৎসা করেন। ফলে মেয়েটি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে লিখে যান, Love From your valentine. আর এ ঐতিহাসিক দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এসব মানবিক গুণ আছে বলেই এখনো টিকে আছে এ নশ্বর পৃথিবী। আল্লাহতায়ালা নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর কুদরতের মধ্যে অন্যতম একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে তোমাদের স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও অনুগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।’ (সূরা আর রুম : ২১)।

    ভালোবাসা হলো খোদায়ি অনুভূতি, আত্মার তৃপ্তি ও মনের প্রশান্তি। আল্লাহতায়ালা আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা শিক্ষা দিয়েছেন, যা কোনো বিশেষ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও উত্তম চরিত্রমাধুর্য দ্বারা আমাদের প্রিয় নবী (সা.) জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়; বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামের বিকিরণ। প্রতিটি ভালোবাসা হতে হবে আবেগ, বিবেক ও স্রষ্টার সম্মতির সমন্বয়। কিন্তু যে ভালোবাসার পরিচালক হয় শুধু আবেগ বা কুপ্রবৃত্তি, সে ভালোবাসা মানুষের ইহকাল-পরকাল উভয়কে ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস করে মানুষের মনুষ্যত্ব, জাগরিত করে পশুত্বের হিংস্র বৈশিষ্ট্য। দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বে ভালোবাসা দিবসের নামে উৎপত্তি হচ্ছে নানান অপসংস্কৃতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন; যা ইসলামের নীতি ও আদর্শবহির্ভূত। যে কোনো দিবস উদ্যাপনে সুস্থ ও সুন্দরভাবে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে সচেষ্ট হওয়া ইসলামের শাশ্বত নীতি। আজ পবিত্র ও সত্যিকার ভালোবাসার অভাবে সর্বত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে হিংসা-বিদ্বেষ, ছড়িয়ে পড়ছে গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো অসংখ্য অপরাধ। তাই মহান স্রষ্টার সমীপে এই মিনতি যে, সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল হোক সব ধরনের অশ্লীলতা, বেলেল্লাপনা ও অপসংস্কৃতি। জয় হোক পবিত্র, অকৃত্রিম ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার।

    লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, কাজলা (ভাঙ্গা প্রেস) যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

  • শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    আমাদের শরীরের ৬০ শতাংশই জলীয় পদার্থ। আর যখন শরীরের পানির পরিমাণ কমে যায়, তখনই আমাদের ডিহাইড্রেশন হয়। শরীর থেকে সাধারণত প্রস্রাব, ঘাম এবং মলমূত্রের মাধ্যমে পানি নির্গত হয়।

    পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করতে তাই আমাদের প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া দরকার। অল্প মাত্রায় পানিশূন্যতা হলে তা প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে ঠিক হয়ে গেলেও, গুরুতর পানিশূন্যতা হলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

    কী কী কারণে হয় পানিশূন্যতা?

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডায়রিয়া, অতিরিক্ত সুর্যের তাপে থাকা, অতিরিক্ত শরীর চর্চার সময় প্রচুর পরিমাণে ঘাম নির্গত হলে এবং ডায়াবিটিসের কারণেও হতে পারে পানিশূন্যতা।

    পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    ১. প্রচণ্ড পানি তেষ্টা পাওয়া।

    ২. মুখ শুকিয়ে যাওয়া।

    ৩. মাথা যন্ত্রণা।

    ৪. মেজাজ খারাপ হওয়া।

    ৫. দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

    ৬. পেশিতে টান ধরা।

    ৭. চামড়া শক্ত হয়ে যাওয়া।

    ৮. বারবার মিষ্টি খেতে চাওয়া।

  • সানির বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

    সানির বিরুদ্ধে ফের থানায় অভিযোগ

    পর্নগ্রাফি ছেড়ে অভিনয় জগতে এসেছেন সানি লিওনি৷ পর্নস্টারের ইমেজ ঝেড়ে এখন তিনি সফল বলিউড অভিনেত্রী৷ কিন্তু আজও তাকে দেখলে অনেকের চোখে সানির পর্নস্টার ইমেজ ভেসে ওঠে৷ সেই ইমেজের জন্য মাঝে মধ্যেই সমালোচিত হতে হয় তাকে৷

    এই পর্নস্টার ইমেজের কারণে ফের বিপাকে সানি৷ তার বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ের নাজারথপেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি৷সেই অভিযোগে বলা হয়েছে, সানি পর্ণগ্রাফিকে প্রচার করেন৷ দেশের আইন অনুযায়ী যা অপরাধ৷ সানির জন্য দেশের সংস্কৃতিরও বারোটা বাজছে বলে দাবি অভিযোগকারীর৷

    এদিকে শনিবারই চেন্নাইতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন সানি৷ এই প্রথম তামিল ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন সানি৷ ছবির নাম ভিরামা দেবী৷ ঐতিহাসিক পটভূমিকায় নির্মিত ছবিটি৷ এই ছবিতে সানিকে যোদ্ধা রাজকুমারীর বেশে দেখা যাবে৷

    এই চরিত্রের জন্য সানি লিওনিকে তরোয়াল চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে৷ এই ছবির অনুষ্ঠানে চেন্নাইতে পা রাখেন তিনি৷ আর এদিনই থানায় তার নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ যদিও এনিয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোন বিবৃতি আসেনি৷

    এই প্রথম নয়৷ এর আগে সানিকে নিয়ে উত্তাল হয় চেন্নাই৷ গত বছর সানির বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বন্ধের দাবিতে চলে বিক্ষোভ৷ কিছু কট্টরপন্থী সংগঠন বর্ষবরণের রাতে সানির অনুষ্ঠানের প্রবল বিরোধীতা করে৷ তাদের দাবি এই ধরনের অনুষ্ঠান রাজ্যের সংস্কৃতিতে আঘাত হানবে৷ যার জেরে অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় আয়োজকরা৷

    সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন

  • রাশিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ৭১

    রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ৭১ জন নিহত হয়েছেন। রবিবার রাশিয়া ও কাজাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন অরস্কে এই বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে।

    জানা গেছে, ৬৫ জন যাত্রী ও ৬ জন বিমানকর্মীকে নিয়ে সারাতোভ এয়ারলাইন্সের বিমানটি এদিন সকালে অরস্কের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে এটিসি’র সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিমানটির। এরপরই রামেনস্কি এলাকায় বিমানটি ভেঙে পড়ার খবর মেলে। দুর্ঘটনার সাথে সাথেই উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছে যায়। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, এলাকার বাসিন্দারা হঠাৎই দেখতে পান একটি জ্বলন্ত বিমান মাটিতে এসে আছড়ে পড়ল।

  • অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির শাস্তি ৭ বছর করে দ্রুত বিচার বিল পাস

    অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির শাস্তি ৭ বছর করে দ্রুত বিচার বিল পাস

    যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, সম্পত্তি বিনষ্ট, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির শাস্তি বাড়িয়ে দ্রুত বিচার আইনের সংশোধনী বিল পাস করেছে সংসদ।

    রবিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের বৈঠকে ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারি অপরাধ (দ্রুত বিচার সংশোধন) আইন -২০১৮’ বিলটি কন্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন।

    এরআগে বিলের ওপর আনীত জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

    ২০০২ সালে প্রণীত প্রণীত বিলটি ২০১৪ সালে সংশোধীত হয়। বিদ্যমান সে আইনের ৪ ধারায় নতুন সংশোধনী এনে অপরাধের শাস্তি ৫ বছরের পরিবর্তে ৭ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে বিদ্যমান আইনের ধারা ৪ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লেখিত পাঁচ বছরের পরিবর্তে সাত বছর শব্দগুলি প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া বিলে বিদ্যমান আইনের ধারা ৮ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লেখিত সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করবে শীর্ষক নতুন (২) উপ-ধারা প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে, চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়-বিক্রয় গ্রহণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃ্খংলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারি অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সনের ১১ নং আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। উক্ত আইনে শাস্তির পরিমাণ কম থাকায় আইনটি সময়োপযোগী করা এবং দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে এ আইনে নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

    গাজীপুর ও রংপুর মহানগর পুলিশ বিল: এছাড়া গতকাল সংসদে ‘গাজীপুর মহানগরী পুলিশ আইন-২০১৮’ ও ‘রংপুর মহানগরী পুলিশ আইন-২০১৮’ নামের বিল দু’টি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। এসব মহানগরীর জন্য স্বতন্ত্র পুলিশ বাহিনী গঠন ও তা পরিচালনার জন্য বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে পৃথকভাবে দু’টি বিল উত্থাপন করা হয়। পরে বিল দু’টি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

  • ডিভিশন পেলেন খালেদা

    ডিভিশন পেলেন খালেদা

    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া জেলকোডের বিধান অনুযায়ী ডিভিশন (প্রাপ্য প্রথম শ্রেণীর সুবিধা) দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার সন্ধ্যায় কারা মহাপরিদর্শক (আইজি-প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখারউদ্দীন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    এর আগে, বিএনপির আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন দিতে নির্দেশ দেন আদালত।

  • বিএনপির কার্যালয়ে মার্কিন দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা

    বিএনপির কার্যালয়ে মার্কিন দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা

    রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মার্কিন দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা পরিদর্শন করেছেন। রবিবার বিকাল ৫টার দিকে তারা কার্যালয়ে যান। এসময় সেখানে বেশ কয়েকদিন ধরে অবস্থান নেওয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর সাথে তারা বৈঠক করেন।

    প্রায় ২০ মিনিটের এ বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিসহ চলমান রাজনীতি সম্পর্কে দুই কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

    বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কার্যালয়ে থাকা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহমদ। এদের মধ্যে একজন হলেন মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার বিল মরেন।

  • পিস্তল কেড়ে নিয়ে গুলি করা হয় হারুণকে

    পিস্তল কেড়ে নিয়ে গুলি করা হয় হারুণকে

    যুবদল নেতা হারুণ উর রশীদের সাথে থাকা পিস্তল কেড়ে নিয়ে গুলি করে সন্ত্রাসী আলমগীর ওরফে কালা আলমগীর ওরফে শরবত আলমগীর। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া শরবত আলমগীর আদালতে ১৬৪ ধারার জবানন্দিতে এ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। রবিবার বিকেলে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মো. নোমান।

    সদরঘাট থানা ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, জবানবন্দিতে শরবত আলমগীর জানিয়েছেন, হত্যকাণ্ডের কিছু দিন আগে আলমগীর এক ট্রাকচালকের কাছ থেকে ২৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে হারুণ তাকে ডেকে সেই টাকা ফেরত দিতে বলেন। কিন্তু এ নিয়ে তাদের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এর জের ধরে ঘটনার দিন আলমগীর হারুণকে দোকান থেকে টেনে বের করে তার কোমর থেকে পিস্তল কেড়ে নিয়ে বুকে গুলি করে। এরপর সেজান নামে এক সন্ত্রাসী লোহার পাইপ দিয়ে হারুণের মাথায় আঘাত করে। শরবত আলমগীর গিয়ে হারুনের পেটে ছুরিকাঘাত করে। আরও কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে তাকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি, লাথি মারে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩ ডিসেম্বর নগরীর সদরঘাট থানার কদমতলী এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় পরিবহন ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা হারুণ অর রশিদ চৌধুরীকে। হত্যাকাণ্ডের পর বিএনপি নেতারা এ ঘটনার জন্য যুবলীগ-ছাত্রলীগকে দায়ী করে আসছিলেন।