Blog

  • বাংলাদেশে প্রথম কন্যা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ঝালকাঠিতে

    বাংলাদেশে প্রথম কন্যা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ঝালকাঠিতে

    বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানসহ বিভিন্ন দেশে থাকা ঝালকাঠির মেয়েদের নিয়ে কন্যা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কন্যা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে এই প্রথম কন্যা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠির একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে আয়োজকরা এসব তথ্য জানিয়েছেন। এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ সদস্য শারমিন মৌসূমী কেকা, পৌর কাউন্সিলর নাসিমা কামাল, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাফরিন ফারজানা শিমুল, শিমুল সুলতানা হেপি, রাজাপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আক্তার লাইজু, সহকারী অধ্যাপক ড. কামরুন্নেছা আজাদ, প্রভাষক সাইফা আলম সঞ্চি, গৃহিণী মাহমুদা বেগম প্রমুখ। সম্মেলনে জেলা পরিষদ সদস্য শারমিন মৌসূমী কেকা বলেন, ঝালকাঠি জেলায় জন্মগ্রহণকারী সকল বয়সী মেয়েরা এ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

    ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে মিলন মেলা এবং ২৭ জানুয়ারি বিকেল ৫টা থেকে সম্মাননা প্রদান, পুরস্কার বিতরণ ও দেশ বরণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ জানুয়ারির মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ২০ জানুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমী হলরুমে বাছাই করা হবে। এতে গান, নাচ, আবৃত্তি, সুন্দরী ও রান্না প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স ১৮ বছরের উর্ধ্বে থাকতে হবে।

  • বরিশাল সদর আসনের সাবেক সাংসদ, মন্ত্রী মতিউর রহমান আর নেই

    বরিশাল সদর আসনের সাবেক সাংসদ, মন্ত্রী মতিউর রহমান আর নেই

    জাতীয় পার্টি’র সাবেক মন্ত্রী, সচিব, রাষ্ট্রদূত এবং বরিশাল সদর আসনের সাবেক সাংসদ এম মতিউর রহমান ইন্তেকাল করেছেন।  মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ঢাকা’র একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

    মতিউর রহমান বরিশাল বিভাগের কাউখালী উপজেলা’র জয়কুল গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি মেট্রিক পাশ করেন। এরপর তিনি বিএম কলেজ থেকে ১৯৪০ সালে এইচ এস সি ও ১৯৪২ সালে ডিগ্রী পাশ করেন এবং ১৯৪৬ সালে লোকপ্রশাসন বিষয়ে এম.এ পাশ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি পাকিস্তান একাউন্ট সার্ভিসে যোগদান করেন। এরপূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭২ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিল্প সচিব নিযুক্ত হন।

    অবসরে যাওয়ার পর তিনি কোরিয়া ও জাপানের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত ছিলেন। এরপর তিনি রাজনীতিতে যোগদান করে ১৯৮৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং জাতীয় পার্টি সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে তিনি পুনরায় আবারো বরিশাল সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এম মতিউর রহমানের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার নিজবাড়ি কাউখালী’র জয়কুল গ্রামে নামাজে জানাযা শেষে তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে। সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি’র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল ও জেলা জাতীয় পার্টি’র নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    বরিশালে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে বরিশালে প্রেস ব্রিফিং করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় জেলা প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, ১১ জানুয়ারী বেলা ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারী নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ১৫০টি স্টল থাকবে মেলা প্রাঙ্গনে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে সকলের জন্য। মেলায় লাঠি খেলা, বৌচি ও হারিভাঙ্গা, ভলিবলসহ নৃত্য পরিবেশনা, উন্নয়নমূলক জারি গান, বরিশাল-ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক নাটিকা, একক সঙ্গীত, নৃত্য পরিবেশনা ও প্যাকেজ পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক জানান, সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে বরিশাল জেলা প্রশাসন তিনদিন ব্যাপী এই উন্নয়ন মেলার আয়োজন করেছে। প্রেস ব্রিফিং এ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ, আবুল কালাম তালুকদার, মনির হোসেন হাওলাদার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার আহসান মাহামুদ রাসেল ও মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রমূখ।

  • ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির মিডিয়া সেন্টারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা তফসিল ঘোলণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন ও সিটির সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সঙ্গে যুক্ত হওয়া নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে সাধারণ নির্বাচন আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ১৮ জানুয়ারি, যাচাই বাছাই ২১ ও ২২ জানুয়ারি, প্রত্যাহার ২৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ জানুয়ারি ও ভোটগ্রহণ করা হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি। এ সময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ করপোরেশনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সমর্থনে ওই নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন সদ্য প্রয়াত আনিসুল হক। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ নভেম্বর তার মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ১ ডিসেম্বর থেকে ওই পদটি শূন্য ঘোষণা করে। আইন অনুযায়ী ৯০ দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ উপ-নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির। এ ছাড়া দুই সিটির আশপাশের ইউনিয়নযুক্ত করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড গঠন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর গত ৮ আগস্ট এসব ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট করতে ইসিকে অনুরোধ জানানো হয়। ইসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ডিএনসিসিতে সাধারণ ওয়ার্ড ( আগের ৩৬+ সংযুক্ত নতুন ১৮) ৫৪টি; সংরক্ষিত ওয়ার্ড (আগের ১২+ নতুন ৬) ১৮টি; ভোটকেন্দ্র ( আগের ১০৯৩+ নতুন ২৫৬) ১৩৪৯টি (সম্ভাব্য); ভোটকক্ষ (আগের ৫৮৯২+ নতুন ১৬০৮) ৭৫০০টি (সম্ভাব্য); অস্থায়ী ভোটকক্ষ (আগের ২৭৭+ নতুন ৬৮) ৩৪৫টি (সম্ভাব্য)। এ ছাড়া ডিএনসিসিতে বর্তমান ভোটার সংখ্যা ৩১ লাখ ২ হাজার ১৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ২ হাজার ৪৭২ জন এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪২ জন। এর আগে ২০১৫ সালের নির্বাচনে এই সিটিতে মোট ভোটার ছিল ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছিল ১২ লাখ ২৪ হাজার ৭০১ জন এবং নারী ভোটার ছিল ১১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩ জন। ডিএসসিসির সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২৩১টি; ভোটকক্ষ ১২৩১টি, অস্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৫৬টি। এসব ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫১ হাজার ২৯০ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৮ জন।

  • সিস্টিন চ্যাপেলের ভিতরেই মাতৃদুগ্ধ পান করাতে বললেন পোপ

    সিস্টিন চ্যাপেলের ভিতরেই মাতৃদুগ্ধ পান করাতে বললেন পোপ

    তামিলনাড়ুর জন্য গিয়েছিলেন জয়ললিতা। সাংসদ সে কাজটা সংসদ কক্ষের ভিতরেই। বললেন খোদ পোপ ফ্রান্সিস। উদ্দেশ্যে বললেন, ‘শিশু কেঁদে ওঠে বা ওদের খিদে, সিস্টিন চ্যাপেলের ভিতরেই মাতৃদুগ্ধ পান করান। কারণ এই স্নেহ-মমতার সর্বোৎকৃষ্ট’ মাতৃদুগ্ধ পান করান কোথায়, কীভাবে হবে, তা আদৌ জনসমক্ষে কি না.. তা নিয়ে বিতর্ক হয়নি।

    নারীরা অনেক বলেছেন, সদ্যোজাত শিশু ৬ মাস পর্যন্ত, এই বয়সের যে কোনও সময় খিদে পাবে। মায়েরা যদি বাড়ির থাকেন, তখন সন্তান সাথে থাকলেও মাতৃদুগ্ধ পান করানো যায় না। কারণ রাস্তাঘাটে তার ব্যবস্থা নেই ও একটা অস্বস্তিও কাজ করে-লোকে কী ভাববে।

    তাছাড়া সন্তানকে মাতৃদুগ্ধ পান করাতে গিয়ে যৌন হেনস্থার মুখেও বহু সময় নারীদের পড়তে হয়েছে। সেটাও তাই একটা অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জন্যই পুরো তামিলনাড়ু জুড়ে জয়ললিতা রাস্তার পাশে পাশে শেল্টার বানিয়েছিলেন, যাতে মায়েরা সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। সে ক্ষেত্রে নারীদের অস্বস্তিবোধ থাকবে না।

    অস্ট্রেলিয়ার ওই সাংসদ সদ্যোজাতকে পার্লামেন্টের অধিবেশনেই নিয়ে যান ও তাকে সেখানেই মাতৃদুগ্ধ পান তিনি সব নতুন মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, তারা যেন সন্তানকে নিজের কর্মস্থলে বা রাস্তাঘাটেই দুগ্ধপান করান। এতে লজ্জা বা অস্বস্তির কোনও কারণ নেই। এভাবেই মাতৃদুগ্ধ পানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা সময়ে উদ্যোগী হয়েছেন নানা স্তরের মানুষ। তবে রবিবার ‘ব্যাপটাইজ’ করার অনুষ্ঠানে পোপের এই কথা যে নিঃসন্দেহে সুদূরপ্রসারী, তা নিয়ে বিতর্ক নেই।

    স্টিন চ্যাপেল রোমান ক্যাথলিকদের অন্যতম পবিত্র স্থান। তার ভিতরে মাতৃদুগ্ধ পানের অনুমতি এক রকম অভাবনীয়ই। এ দিন ১৮টি মেয়ে ও ১৬টি ছেলেকে ‘ব্যাপটাইজ’ করেন পোপ।

    সেই অনুষ্ঠানেই সকলকে অবাক করে দিয়ে খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু বলেন, ওরা যদি কান্নার কনসার্ট শুরু করে, যদি ওদের অস্বস্তি হয়, খিদে পায় বা শীত করে ওদের মাতৃদুগ্ধ পান করান এর ভিতরেই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এটা ভালোবাসারই আর একটা রূপ মাত্র। এ ক্ষেত্রে দুটো বার্তা দেওয়া গেছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

    প্রথমত, মাতৃদুগ্ধ পান করাতে চান না অনেক মা। বিশেষত, যে কোনও দেশের শহরাঞ্চলে এই প্রবণতা বেশি। এই বার্তায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধ পানের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। হয়তো কিছু ক্ষেত্রে ধর্মগুরু বলায় মতের পরিবর্তন হতে পারে।

    দ্বিতীয়ত, কর্মস্থল-সহ জনসমক্ষে মাতৃদুগ্ধ পানের কোনও ভয় বা লজ্জা নেই, এগিয়ে আসতে হবে মায়েদেরই। এই বার্তাও গেছে পোপের কথায়। মাতৃদুগ্ধ পান নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর নানা উদ্যোগ চলছে দেশে-বিদেশে। সেখানে পোপের বক্তব্য অনুঘটকের কাজ করতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

  • টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ধর্ষণ; তৃতীয় দফায় চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

    টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ধর্ষণ; তৃতীয় দফায় চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে বহুজাতিক কোম্পানীর কর্মী রুপা খাতুনকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার তৃতীয় দফায় আজ আরো চারজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করবে আদালত। এরা হলেন, লাল মিয়া, হাসমত আলী, এম এ রৌফ ও ইমাম হোসেন।

    গত রবিবার রুপার লাশ উদ্ধার ও সুরতহাল প্রতিবেদনের সাক্ষী মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য প্রবীর এন কুমার, পঁচিশ মাইল এলাকার রশীদ মিয়া ও রহিজ উদ্দিন এবং রুপাকে বহনকারী বাস জব্দ করার সাক্ষী মধুপুরের শ্রমিক আবুল হোসেনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

    টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌশুলী (পিপি) একে এম নাসিমুল আক্তার জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে আজ রুপা ধর্ষণ হত্যা মামলায় চারজনের সাক্ষ্য গ্রহন করা হবে।

    এর আগে গত বুধবার মামলার বাদী মধুপুরের অরণখোলা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্য গ্রহণকালে মামলার পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপা খাতুনকে চলন্ত বাসে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্ষণ করে। পরে তাকে হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ওই রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

    রুপার ভাই ২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় এসে লাশের ছবি দেখে রুপাকে সনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর (৪৫), সুপারভাইজার সফর আলী (৫৫) এবং সহকারি শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) গ্রেফতার করে। পুলিশের কাছে তারা রুপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে।

    ২৯ আগস্ট বাসের তিন সহকারি শামীম, আকরাম, জাহাঙ্গীর এবং ৩০ আগস্ট চালক হাবিবুর এবং সুপারভাইজার সফর আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা সবাই এখন টাঙ্গাইল কারাগারে আছে। ৩১ আগস্ট রুপার লাশ উত্তোলন করে তার ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে সিরাজগঞ্জের তাঁরাশ উপজেলার নিজ গ্রাম আসানবাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।

  • ৮ বছরে ৮টা বিয়ে করে সাড়ে চার কোটি টাকার মালিক!

    ৮ বছরে ৮টা বিয়ে করে সাড়ে চার কোটি টাকার মালিক!

    পরিবহন ব্যবসা ভালো চলছিল না। বিকল্প ব্যবসা হিসেবে তাই বড়লোক বিধবা এবং বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়া নরীদের বিয়ে করা শুরু করেছিলেন তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর জেলার ভেল্লালোরের বাসিন্দা বি পুরুষোত্তমন। গত ৮ বছর ধরে এমন ৮ জন নারীকে বিয়ে করে প্রায়ে সাড়ে চার কোটি টাকার মালিক হয়ে গিয়েছিল ৫৭ বছরের পুরুষোত্তমন।

    কিন্তু ফের বিধাতা পুরুষের বক্র দৃষ্টির শিকার হয়েছে পুরুষোত্তমন। তার চতুর্থ স্ত্রী, চেন্নাইয়ের অধ্যাপক ইন্দিরাগান্ধীই প্রথম স্বামীর নামে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই পুরুষোত্তমনের ৮টি কুকীর্তির কথা সামনে আসে।

    ইন্দিরাগান্ধী পুলিশকে জানিয়েছেন, পুরুষোত্তমন তাকে বলেছিলেন, তিনি যেন তার চেন্নাইয়ের বিলাসবহুল বাড়িটি বিক্রি করে দেন, যাতে তারা কোয়েম্বাটুরে নতুন দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারেন। সেই মতো দেড় কোটি টাকায় বাড়ি বিক্রি করে পুরো টাকাটাই স্বামীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন ইন্দিরাগান্ধী। তারপর থেকেই ফেরার পুরুষোত্তমন। এরপরই পুলিশে অভিযোগ জানাতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তার আগে আরও তিনজনকে এবং পরে আরও চারজনকে বিয়ে করেছিল পুরুষোত্তমন। তাদের কাছ থেকেও প্রচুর অর্থ হাতিয়েছিল সে।

    কোয়েম্বাটুর পুলিশ তার তিন স্ত্রীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে। তার সপ্তম স্ত্রী কুমুদাবল্লী অভিযোগ করেছেন, পুরুষোত্তমন তাকে বলেছিল, জমি সংক্রান্ত একটি মামলায় তার ১৭ কোটি টাকা আটকে আছে। সমস্যা মেটাতে তার কিছু টাকার প্রয়োজন। স্বামীর প্রবোধবাক্যে ভুলে কুমুদাবল্লী তার কৃষিজমি বিক্রি করে ৩ কোটি টাকা দেয় পুরুষোত্তমনকে। তারপরই সেখান থেকে চম্পট দেয় পুরুষোত্তমন।

    পুলিশ তদন্তে আরও জানতে পেরেছে, কোয়েম্বাটুরের গান্ধীপুরমে ট্রাক পরিবহন ব্যবসা ছিল পুরুষোত্তমনের। তার স্ত্রী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। বাড়িতে তার বৃদ্ধা মা এবং ১৮ বছরের মেয়ে রয়েছে। পরিবহন ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় বিয়ে করে বড়লোক বিধবা এবং বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের কাছ থেকে টাকা হাতানোর ছক কষেছিল সে।

    এ ব্যাপারে তার সহায়ক ছিল কোয়েম্বাটুরের একটি পাত্রপাত্রী সংস্থার দুটি কর্মী মোহন এবং বনজা। তারাই পুরুষোত্তমনকে এধরনের নারীর খোঁজ দিতেন, যারা দ্বিতীয় বিয়েতে ইচ্ছুক। তাদেরকেও খুঁজছে পুলিশ। তারপরই রূপবান এবং বাকচতুর পুরুষোত্তমন নিজের রূপ এবং কথার জালে ভোলাত ওই নারীদের।

    এভাবেই সবিতা, ঊষারানি, বিমলা, ইন্দিরাগান্ধী, শান্তিনী, চিত্রা, কুমুদাবল্লী এবং সুশীলাকে বিয়ে করেছিল পুরুষোত্তমন। নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়াতে কয়েকটি বিয়ে নথিভুক্তও করেছিল সে। প্রতারক পুরুষোত্তমনের খোঁজে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

  • ডিআইজি মিজানের বিয়ে নিয়ে তোলপাড়

    ডিআইজি মিজানের বিয়ে নিয়ে তোলপাড়

    বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে তুলে নিয়ে জোর করে বিয়ের কথা শোনা যায়। আর এমন কাজ করে বখাটে যুবক কিংবা সন্ত্রাসীরা। আর সেই নারীকে উদ্ধারে নায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন পুলিশ। এমন ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু সেই পুলিশই এবার মরিয়ম আক্তার ইকো নামের এক নারীকে তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন। আর সেই নারী যখন পুলিশ স্বামীর স্ত্রী পরিচয় দিতে চাইলেন তখনই তাকে ফাঁসানো হলো মামলার জালে। যা রীতিমতো ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’তে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। যদিও নিজের বিরুদ্ধে উঠা সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মিজানুর রহমান।

    দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় দৈনিককে মরিয়ম আক্তার ইকো জানিয়েছেন, চাকরির জন্য বান্ধবীর পরিচয় সূত্রে এক নারীর মাধ্যমে মিজানুর রহমানের সঙ্গে প্রথমে মুঠোফোনে পরিচয় হয় তার। এরপর তিনি তাকে ফোনে কথা বলার সময় বিয়ে করার ইঙ্গিত দিতেন। এরই মধ্যে গত বছরের ১৪ জুলাই ইকোকে তাদের পান্থপথের বাসা থেকে এক রকম কৌশলে তার গাড়িতে তুলে জোরপূর্বক ৩০০ ফুট এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ইকো। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ডিআইজির বেইলি রোডের বাসায়। সেখানে তাকে সুস্থ করার কথা বলে অষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। ইকো জানান, পরদিন দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঘুম থেকে জেগে দেখতে পান তার পরনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মিজানের স্লিপিং ড্রেস এবং তিনি তার বেডরুমে। বুঝতে পারেন, তার সর্বনাশ হয়ে গেছে। এরপর কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ডিএমপি কার্যালয় থেকে ছুটে আসেন মিজানুর রহমান। ইকোকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। ১৪ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ৩ দিন ওই বাড়িতেই ছিলেন ইকো।

    পরবর্তীতে, খবর দেওয়া হয় ইকোর মা কুইন তালুকদারকে। বগুড়া থেকে তার মা কুইন তালুকদার ১৭ জুলাই সন্ধ্যায় ডিআইজির বেইলি রোডের বাসায় এসে পৌঁছান। এরপর অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক তার সঙ্গে ইকোর বিয়ে দিতে মা-মেয়েকে রাজি করান। ৫০ লাখ টাকা দেনমোহরে মরিয়ম ও মিজানুর রহমানের বিয়ে পড়ানোর জন্য মগবাজার কাজী অফিসের কাজীকে ডেকে আনা হয়। বিয়ের পর ওই রাতেই মা-মেয়েকে ছেড়ে দেয়া হয়।

     

    পরে লালমাটিয়ায় ৫০ হাজার টাকার ভাড়া ফ্ল্যাটে নিয়ে গোপনে সংসার শুরু করেন ডিআইজি মিজান। ওই ফ্ল্যাটের নিচে সাদা পোশাকে সার্বক্ষণিক পুলিশের দু’জন সদস্যকে পাহারায় রাখা হয়। এর ফলে ইকো এক রকম গৃহবন্দি হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে তাকে নির্যাতন করা হতো বলেও অভিযোগ করেন ইকো। ৪ মাস এভাবে অতিবাহিত হওয়ার পর ডিআইজি মিজানকে স্বামী হিসেবে পরিচয় দিয়ে অফিসে মুডে থাকা একটি ছবি ফেসবুকে আফলোড করেন। এতেই চরমভাবে ক্ষিপ্ত হন মিজানুর রহমান। এ ছবির বিষয়টি পুলিশের উপর মহলে জানাজানি হয়ে যায়। ফেসবুক থেকে দ্রুত ছবিটি সরিয়ে ফেলতে তিনি লালমাটিয়ার বাসায় ছুটে আসেন। সেখানে বিষয়টি নিয়ে স্ত্রী ইকো, শাশুড়ি কুইন তালুকদারের সঙ্গে তার চরম মাত্রায় বাকবিতণ্ডা হয়। একই পর্যায়ে ডিআইজি মিজান তার বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দেন।

    পরবর্তীতে মামলাও হয়। সেই মামলায় ৫৪ ধারায় সেগুনবাগিচার একটি রেস্তোরাঁ থেকে পুলিশ ইকোকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তিন সপ্তাহ কারাভোগের পর সপ্তাহখানেক আগে মরিয়ম জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। নতুন করে তাঁকে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে মরিয়মের পরিবার।

    এদিকে, পুলিশ কর্মকর্তার এমন বিয়ের খবর প্রকাশ হতেই চারদিকে সমালোচনার ঝড় উঠে। পুলিশের এমন রূপ সবাইকে ভাবিয়ে তুলছে। গতকাল থেকে শুরু করে আজও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

    যদিও নিজের বিরুদ্ধে উঠা সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মিজানুর রহমান। দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় দৈনিককে তিনি বলেন, মরিয়ম আক্তার ইকো একজন প্রতারক। তাঁর মা, নানিও একই রকম। তাঁর সঙ্গে ইকোর মাত্র দুবার দেখা হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইকোর আপলোড করা ছবির জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

  • আট জাতীয় দিবস বাধ্যতামূলক পালনের রিট খারিজ

    আট জাতীয় দিবস বাধ্যতামূলক পালনের রিট খারিজ

    সব রাজনৈতিক দল ও দেশের প্রত্যেক নাগরিককে আটটি জাতীয় দিবস পালন বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়েছে।

    সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খারিজের এ আদেশ দেন।

    আদালত বলেন, নাগরিকদের এসব দিবস পালনে বাধ্য করার নির্দেশনা দেওয়া আমাদের আওতায় পড়ে না। এটা দেখার দায়িত্ব জনগণের নির্বাচিত সংসদের।

    এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বুধবার আটটি দিবসকে আলাদাভাবে পালন বাধ্যতামূলক করতে আদালতের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন আইনজীবী মো. শহীদুল।

    দিবসগুলো হলো 
    ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ৩ নভেম্বর চার নেতার জেলহত্যা দিবস ও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস।

    সব রাজনৈতিক দলসহ দেশের সব নাগরিকের জন্য এসব দিবস পালন বাধ্য করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়েছিল।

    সোমবার আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোজাম্মেল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।

  • ছাত্রলীগ কর্মী খুনের ঘটনায় ‘ফাইটার’ ডায়মন্ড আটক

    ছাত্রলীগ কর্মী খুনের ঘটনায় ‘ফাইটার’ ডায়মন্ড আটক

    সিলেটের টিলাগড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী তানিম খাঁন খুনের ঘটনায় ফাইটার খ্যাত ছাত্রলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন ডায়মন্ডকে আটক করেছে পুলিশ।

    সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিলাগড় এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, তানিম খুনের ঘটনায় ডায়মন্ডসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে।

    আটক অন্যরা হলেন- আওয়ামী লীগ নেতা ও সিসিক কাউন্সিলার আজুদর রহমান আজাদের অনুসারি, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরী গ্রুপের ছাত্রলীগকর্মী রুহেল আহমদ, জাকির আহমদ ও সৈয়দ আবিদ আহমদ। রবিবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

    বিভিন্ন সূত্র জানায়, ‘ফাইটার’ ডায়মন্ড জেলা ছাত্রলীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এর আগেও বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে আসেন ডায়মন্ড।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে রবিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে টিলাগড় পয়েন্টে প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের ছুরিকাঘাতে খুন হন সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা তানিম আহমদ খাঁন। তিনি ওসমানীনগর উপজেলার নিজ বুরুঙ্গা গ্রামের ইসরাইল খাঁনের ছেলে।

    এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। সোমবার বিকেল ৪টায় নিজ বুরুঙ্গায় তার জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তানিমকে দাফন করা হবে।