Blog

  • এমপি পংকজ নাথ’র এপিএস’র ওপর হামলা

    এমপি পংকজ নাথ’র এপিএস’র ওপর হামলা

    বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্য পংকজ নাথের এপিএস সাইফুল ইসলামকে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে বেদম মারধরের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেশীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির অভিযোগে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সাইফুলের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে দুপুরে স্পিডবোটযোগে ঢাকায় নিয়ে যায়।

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা চত্বরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সাইফুল পৌর শহরের আম্বিকাপুর এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মালেক জোমাদ্দারের ছেলে মিন্টু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে ১০/১২ জন স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মী সাইফুলের ওপর হামলা চালায়। সাইফুলকে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে উপজেলা চত্বরে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে সাইফুলের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে স্পিডবোটযোগে ঢাকায় নিয়ে যায়।

    ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হামলাকারী মিন্টু জানান, সাইফুল (মিন্টু) তার বড় ভাই উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মনির জোমাদ্দারসহ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এ কারণে তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্কের ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় সাইফুলকে নিষেধ করা হলেও সে তা শোনেনি। উপরন্তু সাইফুল (মিন্টু) ও তার ভাইয়ের কাছে বানোয়াট কথাবার্তা বলে। একইভাবে তার কাছেও বাবা ও ভাই সম্পর্কে বানোয়াট কথাবার্তা বলতে থাকে। যা এলাকাবাসীও অবগত রয়েছে। সেই মিথ্যা কথাগুলো বিভিন্নস্থানে রটিয়ে দেয়ায় তার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। কোনোভাবে তাকে নিবৃত্ত করতে না পেরে শিক্ষা দেয়ার জন্য মারধর করা হয়েছে।

    মেহেন্দীগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আকতারুজ্জামান জানান, এপিএস সাইফুল ও মিন্টুর ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। হঠাৎ করে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধ থেকে মারধর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আহত এপিএস সাইফুলের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তারা নিজেরাই সমঝোতার মাধ্যমে তাদের সমস্যা সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন।

  • মানুষের ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই- সাদিক আবদুল্লাহ

    মানুষের ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই- সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন ,আমি এই শহরের রাজনৈতিক একটি পরিবারের সন্তান । আমি তৃনমুল সাধারন মানুষের ভালবাসা নিয়ে রাজনীতিতে এগিয়ে যেতে চাই। আমি কোন কুট রাজনীতি বুঝি না ।ঐ রাজনীতি করতে চাই না। আমি সর্বক্ষন মানুষের ভালবাসা নিয়ে রাজনৈতিক ভাবে চলতে চাই।

    শনিবার দুপুরে প্রতিবাদী সাংবাদিকদের সংগঠন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যলয়ে এসে মিট দ্যা প্রেস মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিট দ্রা প্রেস মতবিনিময় সভায় তিনি আরো বলেন আমি বরিশালের স্বার্থে যে কোন উন্নয়নমুলক ভাল কাজে দেশ ও জনসাধারনের উপকার হয় সে কাজ করতে আমি ভয় পাইনা। আমি জনগনের মাঝে থাকতে চাই।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড.একে এম জাহাঙ্গির, বরিশাল মহানগর প্রচার ও প্রকশনা সম্পাদক এ্যাড. গেলাম সরোয়ার রাজিব, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত ।আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক সাধারন সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন, সাবেক সভাপতি শুশান্ত ঘোষ ও বর্তমান সাধারন সম্পাদক বাপ্পি মজুমদার।   এর পূর্বে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, সম্পাদক সহ সদস্যবৃন্দ।

  • ১৮২ পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন বিপিএম-পিপিএম

    ১৮২ পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন বিপিএম-পিপিএম

    অপরাধ দমনে সাহসিকতা, সেবা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮২ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেলের (পিপিএম) জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

    আগামী ৮ জানুয়ারি সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশের প্যারেডে সালাম গ্রহণ করবেন ও মনোনীত পুলিশ সদস্যদের পদক তুলে দেবেন।

    সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য ৩০ জন পুলিশ সদস্য বিপিএম-সাহসিকতা এবং ৭১ জন পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন পিপিএম-সাহসিকতা পদক।

  • বরিশাল জেলা ছাত্রদলের কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা- আহত

    বরিশাল জেলা ছাত্রদলের কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা- আহত

    বিএনপির গনতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা ছাত্রদল নেতা সোহেল রাড়ির নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল হয়। কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করে ছাত্রদল নেতা সোহেল রাড়ি।

    ছাত্রলীগের হামলায় দুই ছাত্রদল কর্মী আহত হয়। সোহেল রাড়ি আরও জানায়, শুক্রকার নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় কালো পতাকা মিছিল বের করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের মিছিলে হামলা করে। হামলায় ছাত্রদলের সাজিদুল হক সাজিত ও রায়হান গুরুতর আহত হলে তাদেরকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই, আটক ৫

    ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই, আটক ৫

    ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই করে মাইক্রোবাসযোগে পালানোর সময় পাঁচ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে হাতকড়া, ডিবির পোশাক, ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে।
    আটককৃতরা হলো মাদারীপুর জেলার উত্তর দুধখালী গ্রামের মোসলেম হাওলাদারের পুত্র সিরাজ হাওলাদার (৩৮), একই গ্রামের আয়নাল হাওলাদারের পুত্র সুমন হাওলাদার (৩৮), শিবচরের জাহাঙ্গীর ফরাজীর পুত্র নাসের ফরাজী (৩২), শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার পুঠিজুড়ি গ্রামের মজিদ হাওলাদারের পুত্র আলম হাওলাদার (৩৯) ও নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিকল গ্রামের ছলেমান আলীর পুত্র মোঃ রানা (২৭)। বৃহম্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের সহযোগীতায় কোটালীপাড়া থানা পুলিশ উপজেলার বহড়াবাড়ি গ্রাম এলাকা থেকে তাদের আটক করে।
    পুলিশ জানায়, গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর গ্রাামের খাদিজা বেগম (৫২) ও তার পুত্র কায়েস হাওলাদার (৩০) নির্মাণ সামগ্রী ক্রয়ের জন্য নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়। তারা টরকী বন্দর সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে আরও ২ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। মোট ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে রড, সিমেন্ট ক্রয়ের জন্য তারা ভুরঘাটার উদ্দ্যেশে রওনা হন। পথিমধ্যে একটি মাইক্রোবাস তাদের গতিরোধ করে ডিবি পরিচয়ে তাদের টেনে হিঁচড়ে মাইক্রোবাসে তোলে। এ সময় গৌরনদী মডেল থানার চৌকস সেকেন্ড অফিসার এসআই সগীর হোসেন বিষয়টি দেখে তাদের আটকানোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। বিষয়টি তাৎক্ষনিক তিনি (সগীর) পাশ্ববর্তী সকল থানার ওসিদের অবহিত করেন।
    সূত্রে আরও জানা গেছে, ছিনতাইকারীরা খাদিজা ও কায়েসকে মাইক্রোবাসে তুলেই চোঁখ বেঁধে তাদের সাথে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকারীরা গৌরনদী থেকে আগৈলঝাড়া মহাসড়ক ধরে কোটালীপাড়ায় প্রবেশ করে। পীড়ারবাড়ীতে মাইক্রোবাস থেকে খাদিজা ও কায়েসকে ফেলে দিয়ে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এদিকে পুলিশ বিভিন্ন মোড়ে ব্যারিকেট সৃষ্টি করায় ভাঙ্গারহাট পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বহড়াবাড়িতে পুলিশ ব্যারিকেট দেখে ছিনতাইকারীরা গাড়ি থামিয়ে পালানোর চেষ্টাকালে উল্লেখিতদের পুলিশ আটক করে।
    এস.আই সগীর হোসেন জানান, গত ২১ ডিসেম্বর টরকী বন্দর সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে উত্তর কোরিয়া ফেরত কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা জনৈক জলিল নামের এক ব্যক্তি আড়াই লাখ টাকা উত্তোলন করেন। ওই চক্রটি ভুয়া ডিবি পরিচয়ে জলিলকে গাড়িতে তুলে তাকে মারধর করে ওই টাকাসহ তার সাথে থাকা অন্যান্য মালামাল নিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। ওই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    কোটালীপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গৌরনদী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সগীর হোসেনের সহযোগীতায় আটককৃত ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে হাতকড়া, ডিবির পোশাক, ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হলেও তাদের অপর সদস্যরা টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। টাকা উদ্ধারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন ট্রাম্পের বিষয়ে ১০ বিস্ফোরক তথ্য

    ২০০ এর বেশি সাক্ষাৎকারের উপর ভিত্তি করে ‘ফায়ার এন্ড ফিউরি: ইনসাইড দি ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ’ বইটি লেখা হয়েছে। সাংবাদিক মাইকেল উলফের এ বইটিতে ট্রাম্প প্রশাসন নিয়ে এমন কিছু অভিনব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যেসব বিষয়ে আগে খুব একটা জানা যায়নি। তবে হোয়াইট হাউজ দাবি করেছে, বইটি অসত্য আর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দিয়ে ভরা।

    বইটির ১০টি বিস্ফোরক তথ্য:
    ১. ট্রাম্প জুনিয়রের সঙ্গে রাশিয়ানদের বৈঠক
    বইটির তথ্য অনুসারে, হোয়াইট হাউজের সাবেক কর্মকর্তা স্টিভ ব্যানন বলেছেন, ২০১৬ সালের জুনে রাশিয়ার কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে ট্রাম্প টাওয়ারে একটি বৈঠক করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। সেখানে কোন আইনজীবীকে রাখা হয়নি। ওই বৈঠকে রাশিয়ানরা ট্রাম্প জুনিয়রকে হিলারি ক্লিনটনের বিষয়ে কিছু নেতিবাচক তথ্য তুলে দেন। পুরো ঘটনাটি রাষ্ট্রদ্রোহের মতো বলে মনে করেন ব্যানন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সে সময়েই এফবিআইকে ডাকা উচিত ছিল।

    ২. নির্বাচনে জিতে সংশয়ে পড়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
    নির্বাচনে জয়ের কিছু পরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র তার একজন বন্ধুকে বলেছেন, তার বাবাকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন তিনি ভুত দেখেছেন। মেলানিয়ার চোখে ছিল জল, কিন্তু আনন্দের নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখে স্টিভ ব্যাননের মনে হচ্ছিল তিনি যেন দ্বিধাগ্রস্ত, হতাশ আর ভীত হয়ে পড়েছেন। তারপর হঠাৎ করেই যেন তিনি সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে, এটা তার প্রাপ্যই ছিল।

    ৩. অভিষেকে নিরানন্দ ট্রাম্প
    অভিষেকের দিনটি উপভোগ করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথম সারির বেশিরভাগ তারকা ওই অনুষ্ঠানটি বর্জন করায় তিনি ছিলেন রাগান্বিত, সবকিছু নিয়েই ছিল তার অসন্তোষ। এমনি প্রকাশে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি ঝগড়াও করেন। ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের চোখও যেন জমাট বেধে ছিল অশ্রু।

    ৪. হোয়াইট হাউজ নিয়ে ভীত আর উদ্বিগ্ন ট্রাম্প
    হোয়াইট হাউজ নিয়ে উদ্বিগ্ন আর খানিকটা ভীত হয়ে পড়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের জন্য আলাদা একটি শয়নকক্ষ বেছে নেন। প্রথমদিনেই তিনি রুমে আরো দুইটি টেলিভিশন আর দরজায় তালা লাগানোর নির্দেশ দেন। যদিও তাতে আপত্তি করেছিলেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা, কারণ তাদের মতে নিরাপত্তার জন্য এখানেও তাদের প্রবেশাধিকার থাকা দরকার।

    ৫. ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট ইভাঙ্কা ট্রাম্প?
    ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, ভবিষ্যতে সুযোগ আসলে  প্রেসিডেন্ট পদের জন্য নির্বাচনে দাঁড়াবেন। তাহলে হিলারি ক্লিনটন নয়, ইভাঙ্কাই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট।

    ৬. ট্রাম্পের চুল নিয়ে মশকরা
    ট্রাম্পের চুল নিয়ে মশকরা করতেন মেয়ে ইভাঙ্কা। কারণ তিনি মাথায় খুলিতে প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছিলেন। যার ফলে তার মাথার কয়েকটি অংশের চুল বিশেষভাবে সাজানো থাকে।

    ৭. হোয়াইট হাউজে সিদ্ধান্তহীনতা
    ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের কাছে হোয়াইট হাউজের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কেটি ওয়ালশ জানতে চেয়েছিলেন অগ্রাধিকারের তালিকায় কোন কাজগুলো থাকবে? কিন্তু তার কোন জবাব দিতে পারেননি কুশনার। পরের ছয় সপ্তাহের মধ্যেও এ বিষয়ে কুশনারের কাছ থেকে কোন জবাব পায়নি হোয়াইট হাউজের কর্মীরা।

    ৮. রুপার্ট মারডকের জন্য ট্রাম্পের প্রশাসন
    নির্বাচনে জয়ের পর একটি অনুষ্ঠানে রুপার্ট মারডকের আসার কথা ছিল, কিন্তু তার দেরি হচ্ছিল। যখন যখন অতিথিরা চলে যাচ্ছিলেন, ট্রাম্প তাদের আরো খানিকক্ষণ থাকার জন্য অনুরোধ করেন।

    ৯. ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘গাধা’ বলেছিলেন রুপার্ট মারডক
    মারডকের জন্য ট্রাম্পের যে ভক্তি শ্রদ্ধাই থাকুক না কেন, তিনি তার প্রতি ততটা সৌজন্য দেখাননি। সিলিকন ভ্যালির নির্বাহীর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বৈঠকের আগে রুপার্ট মারডক টেলিফোনে অনুরোধ করেন যে, এইচ-ওয়ানবি ভিসার ব্যাপারটি বিবেচনা করা হয়। ট্রাম্প দেখা যাবে বলে জবাব দিলে তাকে ‘গাধা’ বলে ফোন কেটে দেন মারডক।

    ১০. ফ্লিন জানতেন রাশিয়া যোগাযোগ কাল হয়ে দাঁড়াবে
    বইতে আরও লেখা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন নির্বাচনের আগেই বলেছিলেন, কোন বক্তৃতার জন্য রাশিয়ানদের কাছ থেকে ৪৫ হাজার ডলার গ্রহণ করা ভালো হবে না। তবে এটা তখনি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে, যদি আমরা নির্বাচনে জিতে যাই।

  • কাল যে কোনো মূল্যে সমাবেশ করবে বিএনপি: রিজভী

    কাল যে কোনো মূল্যে সমাবেশ করবে বিএনপি: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারি উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার যে কোনো মূল্যে সমাবেশ করবে বিএনপি।

    বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, কাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলেও এখনো অনুমতি পায়নি বিএনপি। তবে অনুমতির জন্য এখনো আশাবাদী বিএনপি।

    রিজভী বলেন, অতীতে বিএনপির কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা হয়েছে এমন কোনো নজির নেই। আওয়ামী নেতাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে-তারাই পরিকল্পিতভাবে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে একটা অশান্তির পরিবেশ তৈরী করতে চাচ্ছেন। তারা রাজনীতিকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন।

  • নতুন মন্ত্রীকে সতর্ক করলেন মেনন

    নতুন মন্ত্রীকে সতর্ক করলেন মেনন

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন একেএম শাহজাহান কামাল। তাকে সতর্ক করেছেন এ মন্ত্রণালয়ের সদ্য বিদায়ী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেছেন, বিমান নিয়ে অনেক সংকট আছে। এ মন্ত্রণালয়ে আমরা অনেক অর্জন করেছি। বিমানের কিছু ব্যর্থতায় সব অর্জনই শেষ হয়ে যায়।

    বৃহস্পতিবার সকালে নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া একেএম শাহজাহান কামালকে সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রাশেদ খান মেনন বলেন, আমি এ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিমান পর পর তিন বছর লাভজনক প্রতিষ্ঠান হয়েছে। বিমানকে আমরা ক্যাটাগরি-১ এ আনার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আনতে পারিনি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স দেওয়ার প্রতিশ্রতি ছিল। কিন্তু সেটা আমরা পূরণ করতে পারিনি।

  • দেশের প্রথম ছয় লেন ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশের প্রথম ছয় লেন ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ফেনীর মহিপালে নির্মিত দেশের প্রথম ও একমাত্র ছয় লেনের ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্লাইওভারটির উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ফ্লাইওভারের মাধ্যমে ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে। যারা চট্টগ্রাম, নেয়াখালী বা ফেনীমুখী তাদের সবার জন্য এক কষ্টের জায়গা ছিল মহিপালের এ জায়গাটি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে আটকে থাকতো হতো এখানে।

    তিনি আরও বলেন, ‘বাড়ছে যানজট। বাড়ছে গাড়ি। যত বেশি আর্থিক উন্নতি হবে ততো বেশি গাড়ি বাড়বে। বাড়বে যানজট। সে লক্ষ্যেই আমরা যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি।’

    এ ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজে সেনাবাহিনীসহ, সাধারণ জনতা ও অন্যান্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পের জন্য যে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তার চেয়ে ছয় মাস আগে কাজ শেষ করেছে সেনাবাহিনী। এজন্য তাদেরসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই।’

    ‘২০২১ সালের মধ্যে দেশকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করবো। স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করবো। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। ’

    প্রধানমন্ত্রী ফ্লাইওভার উদ্বোধন করার পর তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সংযোগস্থল মহিপালে এ ফ্লাইওভার চালু হওয়ায় মহাসড়কে যানজট অনেকাংশে কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ ফ্লাইওভারের সার্ভিস লেনের দৈর্ঘ্য ১৩৭০ মিটার এবং প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ মিটার। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১১৬০ মিটার এবং ফুটপাথের দৈর্ঘ্য ২২১০ মিটার। ফ্লাইওভারটিতে রয়েছে ১১টি স্প্যান এবং ১৩২টি পিসি গার্ডার। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে, ১৮১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

  • সবাই খুঁজে পায় শুধু পুলিশ খুঁজে পায়না আসামী আ’লীগ নেতা ছবি চেয়ারম্যানকে

    সবাই খুঁজে পায় শুধু পুলিশ খুঁজে পায়না আসামী আ’লীগ নেতা ছবি চেয়ারম্যানকে

    বন্দর থানার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের তিন বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এমনকি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। সদর উপজেলার লাখ লাখ ভোটার তাকে চেনে আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে। তিনি মনিরুল ইসলাম ছবি। তার বিশেষ প্রভাবে চলে বন্দর থানা। কাউকে ধরতে বললে পুলিশ ধরে আবার ছাড়তে বললে ছাড়ে। কিন্তু পরিচিত এই জনপ্রতিনিধিকে খুঁজে পাচ্ছেন না বন্দর থানা পুলিশ। আওয়ামীলীগের ঘরে বাইরে বিতর্কিত মানুষটিকে খুঁজে না পেয়ে আদলতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি। ওদিকে আদালতকে ভুল ও মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

    ২০১৭ সালে সাংবাদিক হত্যার হুমকি ও পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে থানায় জিডি এবং জিডির সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ নভেম্বর আদালত মনিরুল ইসলাম ছবির বিরুদ্ধে মামলা গ্রহন করে সমন জারি করে। ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতের সমন নির্দেশে ১৪ নভেম্বর বরিশাল বন্দর থানায় পৌছলে তা জারি করার দায়িত্ব পরে এএসআই বেল্লালের উপর। বেল্লাল সমন ইস্যুতে দীর্ঘ একমাস ধরে গরিমসি করতে থাকে। মাত্র একদিন নামে মাত্র ১১ ডিসেম্বর ছবির বাড়িতে গিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে যে ছবি তার বাড়িতে নেই। সে ঢাকায় থাকায় সমন ইস্যু করা গেল না। যদিও এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওইদিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি পার্টির কাজে বরিশাল ও তার বাড়িতে বেশ কয়েকবার যাতায়াত করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাকে খুঁজে পায়নি।

    অভিযোগ রয়েছে, মনিরুল ইসলাম ছবির সাথে যোগাযোগ করেই তার বাড়িতে গিয়েছিল এএসআই বেল্লাল এবং আসামী মনিরুল ইসলাম ছবির পরামর্শ অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সূত্র নিশ্চিত করেছে, শুধু প্রতিবেদন দাখিল নয়, প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করে প্রথমে মনিরুল ইসলাম ছবিকে দেখায় বেল্লাল। তিনি সম্মতি দিলেই শেষে আদালতে ছবিকে না পাওয়ার প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, মুঠোফোনে ছবির সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়েছে তিনি ঢাকায় রয়েছেন।

    প্রশ্ন হলো, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য র্দীঘ একমাস সময় নিয়েও বন্দর থানা পুলিশ খুঁজে পায়নি কিভাবে? ওই একমাস কি পুরোটাই ঢাকায় ছিলেন ছবি? এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিক হত্যার পরিকল্পনাকারীকে সুযোগ করে দিতেই বন্দর থানা কর্তৃপক্ষ আসামী না খুঁজে পাওয়ার প্রতিবেদন দিয়েছে। যদিও ২ জানুয়ারী আদালত মনিরুল ছবিকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদালতের ধার্য তারিখে হাজির হয়নি ছবি। ওদিকে মামলার বাদী মেহেদী হাসান খান বন্দর থানার এএসআই বেল্লালের দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে মিথ্যা-বানোয়াট উল্লেখ করে আদালত বরাবর দরখাস্ত করেছেন। সেখানে মেহেদী হাসান খান উল্লেখ করেন, মনিরুল ইসলাম ছবির স্থায়ী ঠিকানা চরকাউয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে। বর্তমানে তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ডের জর্ডন রোডের বাসিন্দা।

    মেহেদী হাসান বলেন, পুলিশ ওই প্রতিবেদন নি:সন্দেহে আসামী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে দিয়েছে। কারন সবাই যেখানে মনিরুল ইসলাম ছবিকে খুঁজে পায় সেখানে পুলিশ খুজে পায়না কেন? তবে বন্দর থানার এএসআই বেল্লাল বলেন, আমি আসামীকে খুঁজতে তার বাড়িতে গিয়ে না পেয়ে এমন প্রতিবেদন দাখিল করেছি। দীর্ঘ এক মাসেও মনিরুল ইসলামকে খুঁজে পাননি এমন প্রশ্ন করা হলে তার কোন সঠিক জবাব দেননি এই এএসআই।