Blog

  • ধর্ষনের শিকার আত্মহননকারী স্কুলছাত্রীর দাফন সম্পন্ন

    ধর্ষনের শিকার আত্মহননকারী স্কুলছাত্রীর দাফন সম্পন্ন

    শেখ সুমন :

    ধর্ষণের শিকার হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহননকারী স্কুলছাত্রী সোনিয়া আক্তারের (১৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সকালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ইউনিয়নে নিজ গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এদিকে, এ ঘটনায় সোনিয়ার পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    গত ২৭ ডিসেম্বর সকালে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরে নিজ ঘরে গিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহননের চেষ্টা করে স্কুলছাত্রী সোনিয়া। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার (১ জানুয়ারি) রাতে স্বজনরা তার গ্রামের বাড়িতে সোনিয়ার মরদেহ নিয়ে আসলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সোনিয়া চরাদি ইউনিয়নের মধ্য চরাদি গ্রামের নওয়াব আলী খান বাড়ির বাসিন্দা দুলাল খানের ছোট মেয়ে। সে বরিশাল শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

    সোনিয়ার বরাত দিয়ে তার বড়বোন সুরাইয়া আক্তার জানান, তার বাবা দিন মজুরের কাজ করেন। ঘটনার দিন সকালে তাদের বাড়িতে কেউ ছিল না। এ সময় সোনিয়াকে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী পান্না খানের ছেলে আসাদ খান তাকে ডিম ভেজে দেওয়ার জন্য বলে। সোনিয়া ডিম পাঠিয়ে দিতে বললে আসাদ ঘরে আসতে বলেন। ঘরে ঢোকার পরে আসাদ তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। সোনিয়ার কান্না শুনে চাদনী নামে অপর এক মাদরাসার ছাত্রী ঘরের পাশে গেলে আসাদের ছোট ভাই ঘরের দরজা খুলে তাকে তাড়িয়ে দেয়। ওই সময় দরজা খোলা পেয়ে সোনিয়া পালিয়ে এসে নিজ ঘরের দরজা লাগিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুজ্জামান  বলেন, স্থানীয়দের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করলে তারা পালিয়ে যান। সকালে পুলিশের উপস্থিতে স্কুলছাত্রীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোনিয়ার পরিবারের পক্ষ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বরেও জানান ওসি মাসুদুজ্জামান।

  • ছাত্রলীগ নেতা রেজা হত্যা- পুনঃতদন্তেও কেটে গেলো এক বছর

    ছাত্রলীগ নেতা রেজা হত্যা- পুনঃতদন্তেও কেটে গেলো এক বছর

    ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা খুন দক্ষিণাঞ্চলের চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হত্যাকান্ড। ২০১৬ সালের ২৭ মে দলীয় প্রতিপক্ষের হাতে বর্বরোচিতভাবে খুন হয় সে। দেখতে দেখতে প্রায় দু’ বছর কেটে গেলো। শেষ হয়নি বিচারকার্য। বিচারপ্রার্থীরা আজ কেঁদে বুক ভাসায়। হত্যাকান্ডের পরে অভিযোগপত্র দাখিল হয় ২০১৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। ওই বছর ১০ অক্টোবর অভিযোগপত্রে নারাজি দেয়া হয়। আদালতের বিচারক মামলাটি পুনঃ তদন্তের জন্য পুলিশের সর্বোচ্চ তদন্ত সংস্থা সিআইডিকে নিদেশ দেন। সেই থেকেও কেটে গেলো আরও একটি বছর। শেষ হয়নি তদন্তকার্য। ফলে তদন্তকার্য নিয়ে আবারও চিন্তিত রয়েছেন বাদীসহ বিচারপ্রার্থীরা।

    ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ৪ জানুয়ারী। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নির্ধারিত হতে যাচ্ছে পরর্বতী সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে আসছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ ডজনখানেক এমপি-মন্ত্রী। জানা গেছে, ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা এই সম্মেলনে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের প্রধান দুই পদের শক্ত প্রার্থী ছিলেন। যে কারণেই প্রতিপক্ষ গ্র“পটি সম্মেলন পর্যন্ত যেতে দেয়নি তাকে। এদিকে ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে রেজার হত্যার বিচার চেয়েছেন বাদীসহ তার পরিবার।

    আদালত সূত্রে জানাগেছে, ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে নগরীর আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা (২৮) হত্যা মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অমিত কুমার দে। একই সাথে ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি তদন্তপ্রতিবেদন জমা দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়। এক বছর পার হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়া হয়নি।
    আদালত সুত্র জানায়, গত ২৭ মে রাতে পলিটেকনিক কলেজের সামনে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা রেজাকে কুপিয়ে হত্যা করে দলীয় প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় ৩০ মে নিহতের ভাই রিয়াজ বাদী হয়ে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ ১৪ ও অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে কোতয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান। তদন্ত শেষে এজাহারভূক্ত আসামী যুবলীগ কর্মী মেহেদী, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম, সাইফুল, মো. মুন্না ও ফয়জুল শেখে’র অব্যহতির আবেদন জানিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট থানার জিআরও এর কাছে চার্জশীট জমা দেন পরিদর্শক আতাউর রহমান। এজাহারভুক্ত আসামিদের নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ায় গত ১০ অক্টোবর আদালতে নারাজির আবেদন জানান বাদী রিয়াজ উদ্দিন।

    রিয়াজ জানান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিমের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কোতয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান সঠিক ভাবে তদন্ত করেননি। পক্ষপাত মূলক তদন্ত করে এজাহারভুক্ত মুল আসামিদের নাম বাদ দিয়ে দ্রুত চার্জশীট জমা দেন। এমনকি তিনি মামলার বাদী হওয়া সত্ত্বেও অভিযোগপত্র জমা দেয়ার পূর্বে তদন্তের স্বার্থেও তার এবং সাক্ষিদের সাথে কোন ধরণের যোগাযোগ করেনি পরিদর্শক আতাউর রহমান। ওই বছর ১৩ আগস্ট পর্যন্ত তিনবার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালতে মামলাটি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে তদন্তভার দেয়ার জন্য আবেদন করেন বাদী। পরে পূনরায় ওই বছর ১০ অক্টোবর নারাজি দেন তিনি। নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির জন্য দিন ধার্য রয়েছে আদালতে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তিন জেএমবি’র গায়েরে এহসার সদস্যকে জেহাদী বইসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রবিবার ভোররাত ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চকআলমপুর-কালিনগর এলাকার কামারদহ ছোট সাঁকো সংলগ্ন একটি আম বাগানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ধোবরা মতিবাজার গ্রামের মৃত নেফাউর রহমানের ছেলে আজিবুল হক (৫৩), ধোবরা গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫) ও লক্ষীপুর মোবারকপুর গ্রামের আইনাল হকের ছেলে তাজামুল হক (৪৬)। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি জেহাদী বই, ২টি মোবাইল ফোন, ৩টি সিমকার্ড, একটি টর্চ লাইট, একটি গ্যাস লাইটার, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পানির বোতল উদ্ধার করা হয়।

    জানা যায়, ভোররাত ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চকআলমপুর-কালিনগর এলাকার কামারদহ ছোট সাঁকো সংলগ্ন একটি আম বাগানে অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় গোপন বৈঠক চলাকালে আজিবুল হক ও সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকজন র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

    পরে আজিবুল হক ও সাইফুল ইসলামের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে শিবগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর মোবারকপুর গ্রামে পলাতক জঙ্গি মোঃ তাজামুল হকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে তার শয়ন কক্ষের খাঁটের নীচে লুকানো অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়।

    র‌্যাব-৫ ব্যাটালিয়ন এর উপ-অধিনায়ক মেজর এ এম আশরাফুল ইসলাম এবং সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোহাম্মদ সাঈদ আব্দুল্লাহ আল-মুরাদ এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

  • যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যশোর পৌঁছেছেন। রবিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে করে তিনি ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটিতে শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগদান করবেন। পরে বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে দলীয় জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে যশোরে এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভা।

    তার আগমন উপলক্ষে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। মিছিল-মিটিংয়ে মুখরিত রাস্তাঘাট।

    জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী যশোরে ২৮টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন

  • প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্বে নজিবুর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্বে নজিবুর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান।  রবিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। তার মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে।

    মুখ্য সচিবের পদটি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সমান মর্যাদার। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তারা একই পদ মর্যাদার হলেও ক্রম অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পরে মুখ‌্য সচিবের নামটি থাকে। একই পদমর্যাদার হলেও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানের নাম থাকে তাদের পরে।

  • ১২৮ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী ডিবির হাতে ‘গ্রেফতার’

    ১২৮ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী ডিবির হাতে ‘গ্রেফতার’

    চলতি বছরের আগস্টে অপহৃত ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত আহমেদকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে রামপুরা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

    সাদাত এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সদস্য।

    ডিবি দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (এসি) শামসুল আরেফিন জানান, ২০১৫ সালের রমনা থানায় নাশকতার (জ্বালাও-পোড়াও) একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    তাকে অপহরণের মামলা রয়েছে থানায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি নিজেই পলাতক ছিলেন কি-না বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে।

    এর আগে চলতি বছরের ২২ আগস্ট বিকেলে বনানী ওভারপাসের নিচে নিজ গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়া হয় সাদাতকে। গাড়িতে থাকা সাদাতের ছেলেকে অপহরণকারীরা জানায়, সাদাত ১৫ মিনিট পর ফিরে আসবেন।

    পরে তাকে না পেয়ে থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন তার স্ত্রী।

  • ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    প্রশ্ন ফাঁস ও খাতা মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতির কারণেই জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফলাফলে বড় প্রভাব পড়েছে। এ কারণেই কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ৫। এবারের জেএসসি ও জেডিসিতে পাসের হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে কমেছে তিন শতাংশের বেশি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন, প্রশ্ন ফাঁস এবং খাতা দেখায় কড়াকড়ির কারণে এবারের জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে। এসএসসি, এইচএসসিতেও মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করায় পাসের হারে ধ্বস নামে। সেই প্রভাব জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনীর ফলেও পড়েছে।

    শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম  বলেন, খাতা মূল্যায়নে পরিবর্তন আনায় জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনী পরীক্ষার ফলে বড় প্রভাব পড়ছে। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছে। ফলাফলে এর প্রভাবও পড়েছে। কেন না পরীক্ষার্থী যখন শোনে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে তখন প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তখন সে এক ধরনের আতংকের মধ্যে পড়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, এ পরীক্ষা কতটা প্রয়োজন তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এসব পরীক্ষায় মেধা যাচাই হচ্ছে না। বরং কোচিং-গাইডের বাণিজ্য জমে উঠছে। এ দুই পরীক্ষা বাতিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, এবারে পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিক পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে। এ বছরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলও তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়েছে। এসব হয়েছে নানা পরিবর্তনের ফলে। উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরিবর্তন এসেছে। পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় নানা বিষয় পরিবর্তন করা হচ্ছে। এখন শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়নে বেশ সতর্ক। এসব কারণেই ফলাফলে ধারাবাহিক প্রভাব পড়ছে।

    তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান এ ফলাফলকে বিপর্যয় বলে মনে করেন না । তার মতে, গত পাঁচ-ছয় বছরে হাইব্রিড ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার চেয়ে বেশি নম্বর দেয়া হয়েছিল। তাই জিপিএ প্রাপ্তি ও পাসের হার বেড়েছিল। এ বছরও যথাযথভাবে খাতা মূল্যায়ন হয়েছে বিষয়টা এমন নয়। তবে এবারের ফল সত্যের কাছাকাছি গেছে।

    এ শিক্ষাবিদ আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশ্ন পদ্ধতি প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নানা প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা উচিত। এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার এ পরীক্ষায় পাসের হারে বড় পতন হয়েছে, সঙ্গে কমেছে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

    আট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে এবার পাসের হার ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আর মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।

    গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে সম্মিলিতভাবে ৯৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে জেএসসিতে ৯২ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জেডিসিতে ৯৪ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। জেএসসি-জেডিসিতে এবার মোট এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে জেএসসিতে এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ এবং জেডিসিতে সাত হাজার ২৩১ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে। জেএসসি-জেডিসি মিলিয়ে গত বছর দুই লাখ ৪৭ হাজার ৫৫৮ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছিল।

    আর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে এ বছর। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে।

    গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ জন, আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ৯৪৮ জন। এ হিসাবে এবার পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ জিপিএ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।

     

  • চিত্রনায়ক আমিন খানের শৈশব ও গ্রামের গল্প

    চিত্রনায়ক আমিন খানের শৈশব ও গ্রামের গল্প

    চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ চিত্রনায়ক আমিন খান। তার পুরো নাম আমিনুল ইসলাম খান। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালিগজ্ঞ উপজেলার মৌতলায়। ১৯৭২ সালের ২৪ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। নব্বইয়ের দশকে এফডিসির ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ ঘটে তার।

    আমিন খানের চাচাতো ভাই তুহিন খান। ঢাকার একটি মোবাইল কোম্পানিতে আইটি বিভাগে চাকরি করেন। বর্তমানে ছুটিতে বয়েছেন গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞের মৌতলা গ্রামে।  আলাপ হয় আমিন খানের এই চাচাতো ভাইয়ের। তিনি জানান, আমিন খান ছোট বেলা থেকেই খুব শান্ত প্রকৃতির ছিলেন। অভিনয়ের দিকে ছোটবেলা থেকেেই ঝোঁক ছিলো তার। মৌতলা হাইস্কুলে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে এরপর খুলনা আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হন। তাপর চলে যান ঢাকাতে।

    আমিন খানের বাবা আলহাজ্ব খান লোকমান হোসেন খুলনার শিপওয়ার্ডে চাকরি করতেন। বর্তমানে মা-বাবাসহ পরিবার নিয়ে থাকেন রাজধানীর উত্তরায়। পরিবারসহ বছরে দুইবার গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন আমিন খান। প্রতিবেশিদের মধ্যে তখন আনন্দের বাঁধ ভাঙে।

    তুহিন খান আরো জানান, বড় ভাই নুরুল্লা খান সবসময় আমিন খানকে চলচ্চিত্রে কাজ করার ব্যাপারে সহযোগিতা করতেন। অবশেষে নব্বইয়ের দশকে এফডিসির ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ নামক একটি প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে চিত্রজগতে প্রবেশ করে আমিন খান। এরপর ১৯৯৩ সালে ‘অবুঝ দুটি মন’ সিনেমায় প্রথম নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক সাফল্যে তিনি হয়েছেন নন্দিত।

     

    তুহিন খান বলেন, ‘আমার চেয়ে বয়সে একটু বড় হলেও অনেকটা একসাথেই বেড়ে ওঠা। চিত্রজগতে প্রবেশের পর বড় চাচা আলহাজ্ব খান আব্দুল হামিদকে দেখেই পালাতেন আমিন খান। খুব ভয় পেতেন চাচাকে। তাছাড়া আমাদের পরিবারের সকলেই তাকে খুব মান্য করে চলেন। তবে বর্তমানে বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও অনেকটা সময় লেগেছে এমন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে।’

    তিনি জানালেন, শ্যামনগরের ইকোটুরিজম সেন্টার কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে আমিন খান তার পরিবারসহ গ্রামের বাড়িতে আসবেন। এই নায়কের বড় ছেলে নয়ন খানের বয়স সাত বছর, ছোট ছেলে অয়ন খানের বয়স পাঁচ বছর।

    যার ভয়ে পালাতেন আমিন খান সেই বড় চাচা খান আব্দুল হামিদ বলেন, ‘আমিন খান আমাদের সকলেরই স্নেহের। প্রথম দিকে আমি বিষয়টি মেনে নিতে না পারলেও পরবর্তীতে মেনে নিয়েছি। ও পড়াশোনায় খুব মেধাবী ছিলো।’

    জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে নিয়ে সাতক্ষীরাবাসী গর্ব করেন। তবে দুঃখের বিষয় সাতক্ষীরার অধিকাংশ মানুষই জানেন না আমিন খানের বাড়ি সাতক্ষীরাতে।

  • ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ভাগ্য নির্ধারণ সোমবার

    ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ভাগ্য নির্ধারণ সোমবার

    ‘পৃথিবীর জীবন নামক নাট্যমঞ্চে আমরা সবাই অভিনেতা-অভিনেত্রী। শুধু চরিত্রগুলো ভিন্ন’—কাল ফেসবুকে দার্শনিক এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাব্বির রহমান। আরেকটি ছবি পোস্ট করে বুঝিয়েছেন শুক্রবার ছুটির দিনে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময়টা তাঁর কাটছে বেশ। আসলেই কি সময়টা ভালো যাচ্ছে সাব্বিরের? তিন বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সাব্বির অনেকবারই সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন নেতিবাচক ঘটনায়। শাস্তি হিসেবে নামের পাশে কখনো যোগ হয়েছে ডিমেরিট পয়েন্ট, কখনো হয়েছে আর্থিক জরিমানা। তবে এবার রাজশাহীতে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে এক কিশোর মারধরের অভিযোগে ভালো বিপাকেই পড়েছেন বাংলাদেশ দলের এই তরুণ ব্যাটসম্যান। তাঁর ব্যাপারে বিসিবি সিদ্ধান্ত নেবে আগামী পরশু, সোমবার।

    বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শেখ সোহেল আজ বলেছেন, ‘এ ব্যাপারটা নিয়ে সোমবার দিন বসব। কাল আমি প্রতিবেদনটা দেখব। সেখানে যদি মনে হয় তাকে ডাকা দরকার, ডাকব। যদি মনে করি ডাকার দরকার নেই, তাহলে তো হলোই। ওর অপরাধ দুটি। প্রথমত সে এক কিশোর দর্শককে মারধর করেছে। দ্বিতীয়ত ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছে। খুবই অবাকই হয়েছি, একজন তারকা খেলোয়াড় হয়ে একটা বাচ্চা ছেলের সঙ্গে সে বাজে আচরণ করেছে! ছেলেটা হয়তো ওরই ভক্ত হিসেবে খেলা দেখতে গিয়েছিল।’

    ম্যাচ রেফারির দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী সাব্বির আচরণবিধির ‘লেভেল-৪’ ভেঙেছেন। যেটির শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ কিছু ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন। কিন্তু গুঞ্জন ছড়িয়েছে, শাস্তি হিসেবে বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও বাদ পড়তে পারেন সাব্বির। কিংবা অন্তত ছয় মাস নিষিদ্ধ হতে পারেন ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে। সেটি হলে আগামী ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) খেলা হবে না সাব্বিরের।

    শেখ সোহেল অবশ্য মনে করেন সাব্বিরের শাস্তি নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সময় হয়নি, ‘কাল চিঠিটা দেখি। কী শাস্তি হবে এখনই বলতে পারছি না। তবে এতটুকু বলতে পারি, বড় শাস্তিই হবে তার।’

  • পদ্মাসেতু নির্মান হলে প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বরিশাল অঞ্চলে- শিল্পমন্ত্রী

    পদ্মাসেতু নির্মান হলে প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বরিশাল অঞ্চলে- শিল্পমন্ত্রী

    স্বপ্নের পদ্মাসেতু নির্মাণ হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে হবে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

    শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে মাদ্রাসাসহ সব বেসরকারি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্ততাকালে তিনি এ কথা জানান।

    শিল্পমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রাবন্দর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়েছেন। কুয়াকাটাকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে।পদ্মাসেতু নির্মাণের পর দক্ষিণাঞ্চলে হবে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্ দেশের সব মাদ্রাসা সরকারি করা সম্ভব নয়।এছাড়া পুরাতন কয়েকটি স্কুল ছাড়া কোনো স্কুল সরকারি করা হয়নি। বেসরকারি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। তবে এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

    বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আমু আরো বলেন, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী সার্বিক সহযোগিতা করছেন। তার কাছে দাবির কিছু নাই। তিনি এ অঞ্চলের উন্নয়নের সময় উপযোগী পদক্ষেপ নেবেন। যা করছেন জাতির স্বার্থেই করছে।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন, বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য জেবুনেচ্ছা আফরোজ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলম সাজু। এছাড়া বক্তব্য রাখেন- বিভাগীয় সম্মেলন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক শান্ত ইসলাম, শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও বিভাগীয় কমিটির নেতারা।

    এর আগে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ।