Blog

  • প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় এবার পাস করেছে ৯৫.১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত বছরের চেয়ে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকরা সোয়া ৩ ভাগ কমেছে। এ বছরের পরীক্ষায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ফল ভাল হয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ ও মেয়েদের ৯৫ দশমিক ০৩ ভাগ।

    শনিবার বেলা ১১টায় গণভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন।

    বিস্তারিত আসছে…

  • সৌদিতে অলংকার মার্কেটে বিদেশি শ্রমিক ছাঁটাইয়ের নির্দেশ

    স্বর্ণালংকার মার্কেটে বিদেশি কোনো শ্রমিক রাখবে না সৌদি আরব সরকার। চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ নির্দেশ জারি করা হয়। এ নির্দেশনা দেশজুড়ে অলংকার ব্যবসায়ীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এমনকি নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। শ্রম মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র খালিদ আবা আল খালির বরাত দিয়ে সাউদি প্রেস এজেন্সি এ খবর প্রকাশ করেছে।

    ইতোমধ্যে সৌদি আরবের ১৩টি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে ৭টিতে সরকারি নির্দেশনা পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। কাসিম, তাবুক, নাজরান, বাহা, আসির, উত্তর সীমান্ত এলাকা ও জাযান- এই সাতটি অঞ্চলে বর্তমানে আর কোনো বিদেশি শ্রমিক নিযুক্ত নেই। বাকিগুলোতেও শিগগিরই প্রবাসীদের বদলে স্থানীয় শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া হবে।

    উল্লেখ্য, স্বর্ণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একটি। দেশটিতে প্রায় ৬ হাজার স্বর্ণালংকারের দোকানে আনুমানিক ৩৫ হাজার প্রবাসী কাজ করেন।

  • ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিকে ছুটি থাকছে যতদিন

    ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিকে ছুটি থাকছে যতদিন

    সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছুটির তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে মোট ৮৫দিন ছুটি থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি সপ্তাহে ২০১৮ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো ১ জানুয়ারি পাঠ্যপুস্তক বিতরণের কার্যক্রম হিসেবে ‘পাঠ্যপুস্তক দিবস’ উদযাপন করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ দিবস ও শিক্ষা সপ্তাহ পালন করতে বলা হয়েছে। শিক্ষাপঞ্জিতে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে হবে। ১২ কর্মদিবসের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। চলতি (২০১৭) শিক্ষাবর্ষে এই সময়সূচি ছিল ৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ৫ আগস্ট। ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। চলতি বছর এই সময়সূচি ছিল ১১ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ। এছাড়া ২৮ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নিতে হবে। ফল প্রকাশ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বর। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া মোট ছুটি ৮৫ দিন।

  • ভারতে চার বাংলাদেশি নারীর দুই বছর কারাদণ্ড

    ভারতে চার বাংলাদেশি নারীর দুই বছর কারাদণ্ড

    ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে চার বাংলাদেশি নারীকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের থানে ডিস্ট্রিক্ট আদালত ওই চার বাংলাদেশিকে এই সাজা দেন। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককেই ১০ হাজার রুপি করে ব্যক্তিগত জরিমানাও করেছেন আদালতের সহকারি সেশন বিচারক আর.এস. পাতিল (ভোঁসলে)।

    ওই চার বাংলাদেশি হলেন জান্নাত নূর ইসলাম শেখ (৩৫), শুখি হারুন মোল্লা (৫৮), মিম ওরফে সীমা সামাথ মাতবর (৩০) এবং মৈনা জুমাত গাজি (৩০)।

    জানা যায়, নির্দিষ্ট সূত্রে খবর পেয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে থানের কাশিমিরা টাউনে দুইটি অভিযান চালিয়ে থানে ডিস্ট্রিক্টের রুরাল থানার পুলিশ এই চার বাংলাদেশিকে আটক করে। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন থানার অ্যান্টি-হিউম্যান ট্রাফিকিং সেলের ইন্সপেক্টর সঞ্জয় বাঙ্গার। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে আটক চার নারীই বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং তাদের কারো কাছেই ভারতে প্রবেশের পাসপোর্ট, ভিসা বা কোন বৈধ নথি ছিল না। এরপরই তাদের বিরুদ্ধে ১৪ এ(বি) ফরেনার্স অ্যাক্টে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    মঙ্গলবার সাজা ঘোষণার সময় বিচারক আর.এস. পাতিল (ভোঁসলে) জানান ‘দারিদ্রতা এবং কর্মসংস্থানের জন্যই তারা ভারতে প্রবেশ করেন এবং দৈনিক শ্রমিকের কাজ শুরু করেন। এটা ঠিক যে ওই চার নারী খুবই গরীব এবং ভারতে কোনরকম অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাই তাদেরকে সাজা দেওয়ার সময় কিছুটা উদারতা দেখানো উচিত।

    যদিও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। এই ঘটনায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তাদের সাজা ঘোষণার ক্ষেত্রে কোন রকম উদারতা দেখানো উচিত নয় এবং সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা উচিত।

    সব শুনে বিচারক অভিযুক্ত চার বাংলাদেশির প্রত্যেককেই দুই বছরের কারাগারের সাজা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি সাজার মেয়াদ শেষে ওই চার বাংলাদেশিকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়েও কারাগার কর্তৃপক্ষ ও নয়ননগর পুলিশ থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক।

  • মিশরের চার্চে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৯

    মিশরের চার্চে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৯

    নতুন বছরের আগে ফের রক্তাক্ত হলো মিশর। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে মিশরের দক্ষিণে হেলওয়ানে সেইন্ট মিনাস চার্চে বন্দুকধারীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে দুই পুলিশকর্মীও আছেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে প্রার্থনার সময় দুই আত্মঘাতী জঙ্গি বিস্ফোরকবোঝাই জামা পরে, অস্ত্র নিয়ে চার্চে ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। পুলিশের সঙ্গে পাল্টা গুলিতে নিহত হয় এক বন্দুকধারী। দ্বিতীয়জন পালিয়ে যায়।তার খোঁজ চলছে।

    মিশরের প্রেসিডেন্ট আল সিসি এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। ক্রিসমাস এবং নতুন বছর উপলক্ষ্যে মিশরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি করেছে মিশর পুলিশ। তা সত্ত্বেও এই ঘটনায় মিশর পুলিসের ফস্কা গেরোর ছবিটাই স্পষ্ট হল বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

  • নগ্ন রেস্তোরাঁর পরে এবার নির্মিত হচ্ছে নগ্ন পার্ক!‌

    নগ্ন রেস্তোরাঁর পরে এবার নির্মিত হচ্ছে নগ্ন পার্ক!‌

    গোটা ইউরোপে ঝড় তুলেছে নগ্ন রেস্তোরাঁ। সেই ঝড় থামতে না থামতেই এবার আসছে নগ্ন পার্ক। তবে ইউরোপে নয়, এমন পার্ক তৈরি হচ্ছে ব্রাজিলে। সেই পার্কের নাম ‘‌ইরোটিকা ল্যান্ড’‌।

    জানা গেছে, অপর্যাপ্ত যৌনতার ছড়াছড়ি থাকবে এই পার্কে।  নগ্ন হয়ে ঢুকতে হবে এই রেস্তোরাঁয়। নানা ‘‌জয় রাইড’‌–এর পাশাপাশি থাকবে অসংখ্য উদ্দীপক মূর্তি।  ২০১৮ সালের শেষের দিকে পিরাসিবাকা এলাকায় তৈরি হবে এই পার্ক।

    সাও পাওলো লাগোয়া এই শহর এমনিতেই রঙিন নৈশজীবনের জন্য বিখ্যাত। তার মধ্যে এই পার্ক শহরে পর্যটকদের কাছে এক নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে।  পার্কে থাকছে কামোদ্দীপক সেভেন ডি সিনেমা দেখার ব্যবস্থা। পার্কের ঠিক মাঝাখানে থাকবে একটি সুইমিং পুল। সেখানে চলবে খানাপিনা ও জলকেলির ব্যবস্থা।

    তবে এই পার্কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশ। সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মতভ উপায়ে যৌনতার অভ্যাস গড়ে তুলতে একটি কর্মশালাও চলবে এই পার্কে। পার্কের প্রবেশমূল্য ১০০ ডলার।

  • ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

    ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

    দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পুলিশের চোখে ধুলা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন মোবাইল সিম ও ঠিকানাও পরিবর্তন করছিলেন তবুও শেষ রক্ষা হল না। অবশেষে বাসার মধ্যে থাকা ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থেকেই আটক করা হল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে।
    দু-দুইটি প্রতারণার মামলা ছিল ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা মনোজ তিওয়ারি (৫৪)’এর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মুম্বাইয়ের পুলিশ গত প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে খুঁজছিল। কিন্তু ঘন ঘন মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা বদলানোর কারণে কিছুতেই মনোজকে ধরতে পারছিলেন না পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপর মোবাইলের সূত্র ধরেই গত সোমবার মনোজকে ধরতে তার জুহুর বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে যৌথভাবে অভিযান চালাতে যায় আজাদ ময়দান এবং জুহু থানার পুলিশ। কিন্তু মনোজের আইনজীবী স্ত্রী’র বাধায় ফ্ল্যাটের বাইরেই দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে হয় পুলিশ সদস্যদের। এরপর তার স্ত্রী’কে বুঝিয়ে-সুজিয়ে ফ্ল্যাটের ভিতর ঢোকে পুলিশ। কিন্তু তিনটি বেড রুমে অভিযান চালিয়েও মনোজের খোঁজ পাওয়া যায়নি। একসময় হতাশা হয়ে অভিযানে ইতি টানতে চেয়েছিলেন পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু অভিযানকারী দলের এক পুলিশ কনস্টেবলের পরামর্শে অবশেষে বাসার ওয়াশিং মেশিন খুলতেই কপালে চোখ ওঠে পুলিশের। মেশিনের ভিতরে থাকা পোশাকের মধ্যেই পাওয়া যায় মনোজ’কে। এরপরই মেশিন থেকে বাইরে এনে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে তোলা হলে মনোজকে কারাগারের নির্দেশ দেয় আদালত।
    মহারাষ্ট্রের বীড় এলাকায় বি.এড কোর্সে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার নামে তিন ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লাখ রুপি নেওয়ার অভিযোগে ২০০২ সালে আজাদ ময়দান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এছাড়াও পুণেতেও তার বিরুদ্ধে ১ কোটি রুপির প্রতারণার অভিযোগ ছিল। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই মনোজকে আটক করা হয়। মামলা শুরু হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। পরে আদালত থেকে জামিনও পান মনোজ কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী শুনানি গুলিতে আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় তাকে পলাতক বলে ঘোষণা দেয় আদালত।
    আজাদ ময়দান থানার সহকারী পুলিশ ইন্সপেক্টর বি. মিসাল জানান ‘পুলিশ যখন মনোজের বাড়ির বেল বাজায়, তখন তাঁর স্ত্রী বন্দনা দরজা খোলে কিন্তু পুলিশকে দেখেই ফের দরজা বন্ধ করে দেয়। আমাদের কাছে যেহেতু মনোজের বিরুদ্ধে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট ছিল তাই আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে বাসার মধ্যেই মনোজ আছেন। এরপর আমরা জুহু পুলিশকেও বিষয়টি জানাই এবং অভিযানে অংশ নেয়’।
    ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (জোন-১) মনোজ কুমার শর্মা জানান ‘আদালতের তরফে অভিযুক্ত মনোজকে পলাতক বলে ঘোষণা দেওয়ার পর জুহুতে মোবাইল লোকেশন দেখে তার খোঁজ পায়। গত প্রায় ১২ বছরের বেশি সময় ধরে সে পলাতক ছিল। অবশেষে গত সোমবার জুহুতে তার বাসার ভিতরে ওয়াশিং মেশিন থেকে মনোজকে আটক করা হয়। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় মনোজের স্ত্রী’র বিরুদ্ধেও জুহু পুলিশ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

  • যে কারণে ১ জানুয়ারি থেকেই বছর শুরু হয়!

    যে কারণে ১ জানুয়ারি থেকেই বছর শুরু হয়!

    নতুন বছর আসতে আর মাত্র ২ দিন বাকি রয়েছে। সারা বিশ্বেই চলছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি । কিন্তু কখনও কি মনে হয়েছে কেন ১ জানুয়ারি থেকেই বছর শুরু হয়। কারণটা জানতে হলে পিছিয়ে যেতে হবে ৪৯ খ্রিস্ট্রপূর্বে, যখন রোম সাম্রাজ্যের পূর্ণ দখল পেয়ে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন করেছিলেন রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার।

    জানা যায়, মূর্তি উপাসনায় বিশ্বাসী রোমানরা বহু দেবদেবীর সঙ্গেই পুজো করতেন দরজার দেবতা জানুসের। দুমুখ বিশিষ্ট জানুসের একটি মুখ ছিল সামনের দিকে, যা ভবিষ্যতের দিকে নির্দেশ করে। অপর মুখটি ছিল পিছনের দিকে, যা অতীতের দিকে লক্ষ্য রাখে। জানুয়ারি মাসের নামটিও ওই দ্বারদেবতার থেকেই এসেছে।

    নতুন ক্যালেন্ডার তৈরির সময় সিজারের মনে হয়েছিল, দ্বারদেব জানুসের নামাঙ্কিত মাস জানুয়ারিই যে কোনও বছরের প্রারম্ভ মাস হওয়ার যোগ্য। তাই জানুয়ারির প্রথম দিনকে নতুন বছরের শুরুর দিন ঘোষণা করেছিলেন রোমান সম্রাট। তৎকালীন রোমানরা জ্যোতির্বিজ্ঞানের কয়েকটি বিষয়ে অনবগত থেকেও শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই জানুয়ারিকে বছরের প্রথম মাস হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন।

    পরবর্তীকালে গবেষণায় জানা যায়, বছরের এই সময়টাই পৃথিবী সূর্যের সব থেকে কাছে থাকে। এছাড়া উত্তর গোলার্ধে ডিসেম্বরে দিন ছোট থাকে। ২২ ডিসেম্বর থেকে ধীরে ধীরে দিন বড় হতে থাকে এবং জানুয়ারির শুরু থেকে দিনের দৈর্ঘ বেড়ে যায় সূর্যের দক্ষিণায়নের ফলে। সেজন্যও জানুয়ারি মাসকেই বছরের প্রথম মাস বলে ধরা হয়।

  • ঢাকা থেকে বরিশাল-পায়রাবন্দর পযর্ন্ত রেললাইন হবে

    ঢাকা থেকে বরিশাল-পায়রাবন্দর পযর্ন্ত রেললাইন হবে

    রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের একটি জেলাও রেললাইন নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। সব জেলা রেলের আওতায় আসবে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা জানান তিনি।

    রেলমন্ত্রী বলেন, বরিশাল জেলায় কোনো রেল সংযোগ ছিলো না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা থেকে বরিশাল-পায়রাবন্দর পযর্ন্ত রেললাইন চালু হবে। চীনা কোম্পানির সঙ্গে ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছে। বিএনপির আমলে রেলপথ ধ্বংসের মুখে পড়েছিলো উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব সেক্টরে উন্নয়ন ঘটেছে। বিএনপির আমলে রেলপথ শতভাগ অবহেলিত ছিলো। ইঞ্জিন ও বগি কোনটাই আনেনি, নতুন রেলপথ নির্মাণ করেনি। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে অনেকেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছিলো। রেলপথ ধ্বংসের মুখে পড়েছিলো। বর্তমান সরকার ক্ষমতা এসেই রেলের দিকে সুনজর দিয়েছে। রেলের উন্নয়নে ৪৬টি প্রকল্প চলমান। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রেলপথ উদ্বোধন করা হচ্ছে।

    যানজট নিরসনে রাজধানীতে সার্কুলার ট্রেন চালু করা হবে জানিয়ে মুজিবুল হক বলেন, যানজট নিরসনে রাজধানীতে সার্কুলার ট্রেন চালু করার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সার্কুলার ট্রেন চালু হলে যানজট কমাতে আমরা অবদান রাখতে পারবো। অপরাধ বিচিত্রার আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পত্রিকাটির সম্পাদক এসএম মোরশেদ।

  • বিমানের ফ্লাইট সার্ভিসে অনিয়মই নিয়ম!

    বিমানের ফ্লাইট সার্ভিসে অনিয়মই নিয়ম!

    নিয়ম-কানুন ও দাফতরিক আদেশ কিছুই মানছে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গ্রাহকসেবা বিভাগ। ফ্লাইট সার্ভিসে জ্যেষ্ঠতা প্রদানের মতো স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে বিমান কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট মতামত ও সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিজেদের ইচ্ছামতো কেবিন ক্রুদের দায়িত্ব বণ্টন করা হচ্ছে ফ্লাইটে। বিমানেরই তৈরি আইন ভঙ্গ করে সুবিধাভোগীরা ‘সি’ নম্বরধারী ক্যাজুয়াল ক্রুদের সিনিয়র বানিয়ে ফ্লাইটে পাঠাচ্ছেন।

    নিয়োগবিধি অমান্য করে এবং সরকারি অডিট আপত্তির পরও তাদের হোটেলে দেয়া হচ্ছে সিঙ্গেল রুমের সুবিধা। সিডিউল শাখার এক কর্মকর্তার সহায়তায় এসব হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী জুনিয়র পার্সারদের।

    তাদের অভিযোগ, ‘সি’ নম্বরধারী ক্যাজুয়াল ক্রু’রা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য নন। তবুও কেবিন ক্রু অ্যাসোসিয়েশনের বিদায়ী সভাপতি ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক তাদের পক্ষাবলম্বন করেছেন। তাদের ছত্রছায়ায় এ অনিয়ম হচ্ছে।

    তবে বিদায়ী সভাপতি আকতারুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ম্যানেজমেন্ট জেনে-বুঝেই সিনিয়র হিসেবে তাদের সুযোগ দিচ্ছে। তাহলে নিয়ম-নীতি সবই কি ভুল- এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে তিনি বলেন, এসব নিয়ে নিউজ করে কী লাভ? ম্যানেজমেন্টের দুর্নীতি ও অনিয়ম বের করে নিউজ করুন।

    এদিকে ভুক্তভোগীরা বলছেন, সুবিধাভোগী ‘সি’ নম্বরধারী ক্যাজুয়াল ক্রুদের সিনিয়র বানিয়ে ফ্লাইটে পাঠিয়ে ঠিক মতো সার্ভিস দেয়া যাচ্ছে না। উল্টো বিমানের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সার্বিক ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠানের। তারা বলেন, বিষয়টি অপমানজনক হওয়ায় বেশির ভাগ স্থায়ী জুনিয়র পার্সার কাজে মনোযোগ হারাচ্ছেন। এ নিয়ে ফ্লাইট সার্ভিসে কর্মরত স্থায়ী শতাধিক জুনিয়র পার্সারের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও অদৃশ্য কারণে নীরব বিমান প্রশাসন।

    বিমান সূত্রে জানা গেছে, ভলেন্টারি রিটায়ারমেন্ট স্কিম-ভিআরএস সুবিধা নিয়ে পাঁচ জুনিয়র পার্সার অবসরে যান। এ সময় ৯০ দিনের চুক্তিতে পাঁচজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। অথচ ওই সময় জুনিয়র পার্সার পদে ১০২ অতিরিক্ত জনবল কর্মরত ছিলেন। নতুন নিয়োগ দেয়া পাঁচজনকে নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে।

    বিতর্কিত নিয়োগের পর ২০১১ সালে ৩ জুন জুনিয়র পার্সার (দিলরুবা আক্তার নাহিদ/সি-১৬২১, ফাহমিদা পারভিন জয়া/সি-১৬২২, ফারহানা আহমেদ কোয়েল/সি-১৬২৩) এর জ্যেষ্ঠতা পাওয়ার আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে বিমান প্রশাসন, আইন বিভাগসহ সকল বিভাগ মতামত দেয় এবং ২০১২ সালের ১ মার্চ জারিকৃত পত্রে (স্মারক নম্বর- ডিএসিসিএন/৩১/২০১২/৭) সুস্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, ‘স্থায়ী কর্মচারীদের সাথে সি-নম্বরধারী (ক্যাজুয়াল ভিত্তিক) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা একীভূত করার কোনো সুযোগ নেই।’ অর্থাৎ নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী ৯০ দিনের জন্য নিয়োগ পাওয়া সি-নম্বরধারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পদোন্নতি বা জ্যেষ্ঠতা পেতে পারেন না।

    জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১ অক্টোবর সরকারি অডিটের মন্তব্য ও সুপারিশে উল্লেখিত পত্রে (৮৭১১/সে-২/অ-১/অগ্রীম/বিমান/বিমান বাংলা : এয়া : লি : /ঢাকা/২০১২-১৩/৭৩৩) যেসব সুপারিশ করা হয়েছিল, সেসব সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করেনি বিমান প্রশাসন। সুপারিশে মন্তব্য করা হয়, দৈনিকভিত্তিতে পাঁচজন জুনিয়র পার্সারকে সিঙ্গেল রুমের সুবিধা প্রদান তাদের নিয়োগের শর্তভঙ্গের শামিল।

    অডিট সুপারিশে বলা হয়, স্থায়ী জুনিয়র পার্সারদের বহিঃস্টেশনে অবস্থানকালে সিঙ্গেল রুম সুবিধা প্রদানের সপক্ষে বিমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নীতিমালার কপি প্রেরণ করা এবং দৈনিকভিত্তিক জুনিয়র পার্সারদের নিয়োগপত্রের শর্তবহির্ভূত বহিঃস্টেশনে সিঙ্গেল রুমের সুবিধা প্রদান করে বিমানের আর্থিক ক্ষতির টাকা সংশ্লিষ্ট জিএম, ডিজিএম ও ম্যানেজারের নিকট হতে আদায় করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর ১০৭ জন জুনিয়র পার্সার পদে পদোন্নতি পান। এর আগে ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর পাঁচ ক্যাজুয়ালকে নিয়োগ দেয়া হয়। তখন জ্যেষ্ঠতা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। জটিলতা নিরসনে কাস্টমার সার্ভিসের জিএম আতিক সোবহান ১৫৭ জনের একটি তালিকা তৈরি করেন। ওই তালিকায় ১৫২ জন ‘পি’ নম্বরধারী বা স্থায়ী জুনিয়র পার্সারকে জ্যেষ্ঠতা প্রদান করে আদেশ জারি করা হয়। ১৫৩-১৫৭ তালিকায় থাকা চারজনকে জুনিয়র হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়। সেই থেকে তারা ‘পি’ নম্বরধারীদের কনিষ্ঠ হিসেবে ফ্লাইট করে আসছেন। সম্প্রতি শিডিউল শাখার এক কর্মকর্তা নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে বিতর্কিত ‘সি’ নম্বরধারী ক্রুদের জ্যেষ্ঠতা দিয়ে সমানে ফ্লাইটে পাঠাচ্ছেন।

    গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা-কুয়ালালামপুরের ফ্লাইটে স্থায়ী পদে কর্মরত জুনিয়র পার্সার শামীমা পারভিন শ্যামাকে (৩৫৩৮৮) জুনিয়র বানিয়ে অস্থায়ী জুনিয়র পার্সার ফারহানা আহমেদ কোয়েলকে (১৬২৩) জ্যেষ্ঠতা প্রদান করে ফ্লাইটে পাঠানো হয়। একইভাবে ২২ ডিসেম্বরের ঢাকা-কলকাতার ফ্লাইটে স্থায়ী জুনিয়র পার্সার মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ হেলালের (৩৫৬৫০) উপরে স্থান দিয়ে অস্থায়ী জুনিয়র পার্সার সাইয়েদা নাজনীন সানজানাকে (১৬১৬) পাঠানো হয়। ২৩ ডিসেম্বরের এফসিপি’তে একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। ওইদিন ঢাকা-কলকাতার ফ্লাইটে স্থায়ী জুনিয়র পার্সার রোজিনা মওলা রোজিকে (৩৫৫১০) জ্যেষ্ঠতা প্রদান না করে অস্থায়ী জুনিয়র পার্সার ফাহমিদা পারভিন জয়াকে (১৬২২) সিনিয়র বানিয়ে ফ্লাইটে পাঠানো হয়।

    অফিস আদেশ অমান্য করে স্থায়ীদের উপরে অস্থায়ীদের স্থান দিয়ে কীভাবে ফ্লাইটে পাঠানো হলো- এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে রাজি হননি বিমান পরিচালক (প্রশাসন) এম মোমিনুল ইসলাম। একইভাবে ওইসময় গ্রাহকসেবা বিভাগে দায়িত্ব না থাকার অজুহাত দেখিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান গ্রাহকসেবা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আলী আহসান বাবু।

    এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রায়ই বিব্রত হই। কিন্তু কোনো সমাধান হচ্ছে না। অচিরেই বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হবে।

    উল্লেখ্য, বিমানের আইন অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জ্যেষ্ঠতার জন্য বিবেচিত হবেন না। একই সঙ্গে এফসিপি লিস্টেও তাদের নাম স্থায়ী ফ্লাইটকর্মীদের সঙ্গে তালিকায় উঠবে না। তাদের নাম থাকবে গ্রুপ-৫-এর স্থায়ীকর্মীদের নিচে। কারণ ৯০ দিন পরপর তারা নতুন করে নিয়োগ পান। যে কারণে পদন্নোতিও তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।