Blog

  • শেবাচিম ব্লাড ব্যাংকে নেই পর্যাপ্ত জনবল

    শেবাচিম ব্লাড ব্যাংকে নেই পর্যাপ্ত জনবল

    তানজীল শুভ

     

    বরিশাল শেবাচিম মেডিকেলের রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রে নেই পর্যাপ্ত প্যাথলজিস্ট যার কারনে ভোগান্তি পোহাতে হয় হাসপাতাল এ আসা রোগীদের।রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এবং ক্রস মেচিং করানোর জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয় এইসব রোগীদের।যার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে রোগীর লোক জনেরা ঝগড়া ও করে ব্লাড ব্যাংকে কর্মরত লোকদের সাথে।

    এখানে অনেক জনের সাথে কথা বললে তারা জানান সেই সকাল থেকে বসে আছি কিন্তু এখন ও নাকি ক্রস মেচিং করা হয়নি। এভাবে চললে তো রক্ত নিয়ে যেতে যেতেই আমাদের রোগীরা মারা যাবে।ব্লাড ব্যাংকের এক কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন এখানে আমাদের কিছু করার নেই কেননা এখানে যথেষ্ট লোক না থাকার কারনে এই সমস্যাটি হচ্ছে।তারপর ও আমরা চেষ্টায় কমতি রাখি না।

    এখন এর কারনে যদি রোগীর লোকেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই।।।।।। তাই অনেকেই মনে করেন ব্লাড ব্যাংকে যদি পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেয়া হয় তাহলে এই সমস্যার সমাধান খুব তারাতারি ই ঠিক হয়ে যাবে।এবং এখানে সেবা নিতে আসা রোগীরা তাদের কাঙ্খিত সেবা পাবেন বলে রোগীর লোকজন মনে করেন

  • বরিশাল জেলা ও মহানগরীতে এক মাসে ২৭২ অপরাধ সংঘটিত

    বরিশাল জেলা ও মহানগরীতে এক মাসে ২৭২ অপরাধ সংঘটিত

    বরিশাল জেলা ও মহানগর এলাকায় গত এক মাসে ২৭২টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রয়েছে, পাশাপাশি মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে ১৫৫টি। রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

    সভা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের নভেম্বর মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় ১২৭টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় ৪টি নারী নির্যাতন, ৮৩টি মাদকদ্রব্য, ২টি দ্রুত বিচার ও ১টি শিশু নির্যাতনের মামলা রুজু করা হয়েছে। অপরদিকে বরিশাল জেলায় নভেম্বর মাসে ১৪৫টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। যার মধ্যে ৩টি হত্যাকাণ্ড, ৮টি নারী নির্যাতন, ৭২টি মাদকদ্রব্য মামলা, পুলিশ আক্রান্ত ১টি ও ১২টি শিশু নির্যাতন সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায়ও সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

    সভার সভাপতি বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে এর ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। ইভটিজিং প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে তৎপর থাকার আহ্বান জানান তিনি।  আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মো. ওয়াহেদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মনির হোসেন হাওলাদার, বিএমপি’র অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার সাইফুল্লাহ মো. নাসের প্রমুখ।

  • নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৫ জানুয়ারি

    নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৫ জানুয়ারি

    নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    খালেদা জিয়ার আইনজীবীর সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মাহমুদুল হাসান এ দিন ধার্য করেন।

    মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, সেনা নিয়ন্ত্রিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদা গ্রেফতার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এই মামলাটি করে দুদক। পরের বছরের ৫ মে খালেদাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

    এতে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডার কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।

  • এবার নগ্ন ছবি প্রকাশ করে ইন্সটাগ্রামে তোলপাড় বাণীর!

    এবার নগ্ন ছবি প্রকাশ করে ইন্সটাগ্রামে তোলপাড় বাণীর!

    বলিউড অভিনেত্রী বাণী কাপুর। এরই মধ্যে কয়েকটি ছবিতে আবেদনময়ী উপস্থাপনায় নজর কেড়েছেন সবার। সম্প্রতি হৃতিক রোশনের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। নাম না ঠিক হওয়া এ ছবিটি প্রযোজনা করবেন রাকেশ রোশান।

    তবে নতুন খবর হলো সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে নিজের নগ্ন ছবি প্রকাশ করেছেন এ অভিনেত্রী। যা ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

    বাণীর এমন কাণ্ডে অবাকও হয়েছেন তার ভক্তরাও। অনেকেই বলেছেন, হঠাৎ এ কি করলেন বাণী! কোন কারণ ছাড়াই এমন নগ্ন ছবি প্রকাশের কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি তার ভক্তরা।

    তবে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বাণী। তাও একটি পোস্টের মাধ্যমে।

    তিনি বলেন, আমি কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবো সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে কেউ কিছু বলার অধিকার রাখে না। আর কারোও বলায় আমার কিছু যায় আসে না। সুতরাং আপনারা সমালোচনা করতে থাকুন। আমি আমার মতোই চলবো।

  • ট্রাম্পের উদ্দেশ্য পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন করা : চরমোনাই পীর

    ট্রাম্পের উদ্দেশ্য পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন করা : চরমোনাই পীর

    যুদ্ধ লাগিয়ে পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি মো. সৈয়দ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।

    জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রতিবাদে সোমবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

    জেরুজালেম মুসলমানদের রাজধানী উল্লেখ করে চরমোনাই পীর বলেন, ইহুদিরা বিশ্ব মানচিত্রে ছিলেন উদ্বাস্তু। মুসলমানরাই তাদের জায়গা দিয়েছে। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের ঘোষণা বিশ্ব নেতৃত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। এর উচিত জবাব আমাদের দিতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ কোনো কাজের নয়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সেটা প্রমাণ হয়েছে। এর আগে ফিলিস্তিনে, ইরাকে ও আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।

    সমাবেশ শেষে দলটির পূর্বঘোষিত ‘মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও’ করতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। যা পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর, কাকরাইল হয়ে শান্তিনগরে এলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এসময় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রতিবাদে আগামী ১৫ ডিসেম্বর সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করার নির্দেশনা দেন চরমোনাই পীর।

  • আজ খেলা না হলে কি হবে?

    আজ খেলা না হলে কি হবে?

    প্রথমে বৃষ্টি। তারপর খেলা শুরু নিয়ে নানা ঘটনা, নাটকীয়তা আর গুঞ্জন। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর রংপুর রাইডার্সের কোয়ালিফাইয়ার ২ গতকাল রোববার শেষ হয়নি। বৃষ্টিতে ৭ ওভার খেলা হওয়ার পর রাতে বৃষ্টি কমলেও তা আর শুরু হয়নি। নানা ঘটনার পর রাত ১০.১০ মিনিটে জানানো হয়েছে খেলা যেখানে বন্ধ হয়েছে ঠিক সেখান থেকেই শুরু হবে পরের দিন সোমবার।

    সেই মতে আজ সন্ধ্যা ৬ টায় খেলা শুরুর কথা। যেথেতু ৭ ওভার হয়ে গেছে তাই রংপুর পাবে আর ১৩ ওভার ব্যাট করার সুযোগ। জবাবে পাল্টা ব্যাটিংয়ে নামবে কুমিল্লা। এটা হল স্বাভাবিক সমীকরণ বা হিসেব নিকেশ। কিন্তু যদি আজও খেলা না হয় তাহলে কি হবে? এমন প্রশ্নও কিন্তু আছে অনেকের মনে। আজ (সোমবার) দ্বিতীয় দিনের অত যদি বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আর একটি বল মাঠে না গড়ায়, তাহলে পয়েন্ট টেবিলের উপরে থাকার সুবাধে কুমিল্লা ফাইনালে চলে যাবে।

    সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিপিএল টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। বিপিএল টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যানের এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কেন গতকাল (রোববার) খেলা না হওয়ার পর কুমিল্লাকে জয়ী ঘোষণা করা হল না। যদিও আজ দ্বিতীয় দিনের মত খেলা না হওয়ায় কুমিল্লাকে জয়ী ঘোষণা করা যায়, তাহলে কাল কেন গেল না? কিসের ভিত্তিতে ম্যাচ দ্বিতীয় দিনে গড়াল?

    এ প্রশ্ন করা হলে জালাল ইউনুস বলেন, ‘বাইলজে পরিষ্কার লেখা আছে যদি কোন ম্যাচ টাই হয় কিংবা ‘নো রেজাল্ট থাকে’ তাহলে সুপার ওভারে ম্যাচ ভাগ্য নিশ্চিত করা হবে।’

    bpl

    জালালের ধারণা বেশিরভাগ ক্রিকেট অনুরাগী ও কুমিল্লা ম্যানেজমেন্ট ধরে নিয়েছিলেন শুধু টাই হলেই কেবল সুপার ওভারেই ম্যাচ ভাগ্য করা যাবে কিন্তু ‘নো রেজাল্ট’ থাকলেও যে সুপার ওভারে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করা যাবে এটা অনেকে লক্ষ্য করেননি।

    জালালের কথা, ‘খোদ কুমিল্লা ম্যানেজমেন্ট ও বিষয়টি ভুল বুঝেছিলেন। পড়ে কথার এক পর্যায়ে সুপার ওভার যে প্লেয়িং কন্ডিশনে আছে তা নিশ্চিত করার পর কুমিল্লা সুপার ওভার খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। তখন কুমিল্লাকে কয়েকটি বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়।’

    জালালের ভাষ্য মতে, ‘টুর্নামেন্ট কমিটি ওই সব বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার অধিকার রাখে। আর বাই লজে ছিল যে, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় টুর্নামেন্ট কমিটি যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। সে কারণেই হয় ৫/৭ ওভার কিংবা সুপার ওভারে ম্যাচ নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছিল কুমিল্লাকে। এমনকি আজ নতুন করে ম্যাচ শুরুর প্রস্তাবও নাকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনটাই মনভূত হয়নি কুমিল্লার। অবশেষে তারা যেখানে খেলা বন্ধ হয়েছে সেখান থেকেই খেলতে রাজি হয়।’

  • ‘মেসির যুগে খেলায় দুর্ভাগা রোনালদো’

    ‘মেসির যুগে খেলায় দুর্ভাগা রোনালদো’

    ‘কে সেরা’-এই বিতর্ক কি থামবে? পেলে-ম্যারাডোনারটাই থামেনি। মেসি-রোনালদোরটা থামবে কিভাবে? ক’দিন আগে রিয়াল তারকা মার্সেলো বললেন, সম্প্রতি পাঁচ নাম্বার ব্যালন ডি’অর অ্যাওয়ার্ড হাতে তোলা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেই বিশ্বের সেরা ফুটবলার মনে হয় তার।

    এবার ঠিক উল্টো কথা বললেন বার্সেলোনার ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার ইভান রাকিতিক। তার মতে, পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতে লিওনেল মেসিকে ছুঁয়ে ফেললেও মেসির উচ্চতায় যেতে আরও সময় লাগবে রোনালদোর। আর্জেন্টাইন জাদুকরের আমলে জন্ম নিয়ে রোনালদো ভুল করেছেন বলেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি।

    রোববার ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে বার্সেলোনার জয়ের পর রোনালদোকে নিয়ে কথা বলেন রাকিতিক। মেসির সঙ্গে তুলনায় এনে পর্তুগিজ যুবরাজকে পিছিয়েই রাখেন তিনি, ‘সেরার যুগে একই সময়ে খেলতে হচ্ছে বলে ক্রিশ্চিয়ানো দুর্ভাগা। তার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আমার চোখে লিও অতুলনীয়। সেই একমাত্র নাম্বার ওয়ান। রোনালদোকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে।’

    এদিকে, আগামী জানুয়ারিতে বার্সা ছেড়ে দেবার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে হাভিয়ের মাচেরানোর। যদিও রাকিতিক এমন গুঞ্জনকে উড়িয়েই দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। নিজেদের ভালোর জন্য ক্লাব যে কোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারে। মাচেরানো দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তার প্রতি সবার সমর্থন আছে। আমরা তাকে আরও সময় এখানে দেখতে চাই।’

  • অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি ১২৮ কর্মকর্তার

    অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি ১২৮ কর্মকর্তার

    প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ১২৮ যুগ্মসচিব। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে জনপ্রশাসনে তিনস্তরে পদোন্নতির গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি চূড়ান্ত হলো।

    অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ১২৮ কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে তাদের পদায়ন করা হয়নি। এখন প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিবের সংখ্যা হলো ৫৬০ জন। যদিও অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা একশ’র বেশি।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে এমনিতেই নিয়মিত পদের চেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা রয়েছেন। তার ওপর আবার পদোন্নতি দেয়া হলো। এতে প্রশাসনে আরও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। পদোন্নতি পাওয়ার পরও অনেককে নিচের পদে কাজ করতে হবে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, ‘লিয়েন প্রেষণসহ আরও পাঁচজনের পদোন্নতির আদেশ জারি করা হবে।’

    অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য কোন কোন ব্যাচকে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘সর্বশেষ নবম ব্যাচ থেকে এর আগের সব ব্যাচের বঞ্চিত (লেফট আউট) কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।’

    ১২৮ জনকে অতিরিক্ত পদে পদোন্নতি দেয়া হলেও অনেকে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সবধরনের যোগ্যতা থাকার পরও পদোন্নতি পাননি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন যুগ্ম-সচিব।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউসুফ হারুন বলেন, ‘যে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়া যায়নি তারা মিডিয়ার সামনে বলবেন যে- আমি তো যোগ্য ছিলাম। যোগ্য ছিলেন কিনা তা এসএসবি (সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড, যার নেতৃত্বে আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব) জানে, আমরা জানি। কারও বিরুদ্ধে বিভাগীয় মোকাদ্দমা আছে, এসিআরে (বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন) কারও মার্কস কম।’

    পদোন্নতিপ্রাপ্তদের কবে নাগাদ পদায়ন করা হবে জানতে চাইলে এপিডি বলেন, ‘আমরা পদায়নের জন্য কাজ করছি। সবাইকে আমরা পদায়ন করতে পারব না। বেশিরভাগ কর্মকর্তা যেখানে ছিলেন ওই কর্মস্থলেই থাকবেন, অর্থাৎ ইনসিটু রাখা হবে। রেগুলার পদ তো কম। এখন তো পদের বিপরীতে তো প্রমোশন হয় না।’

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি) পদোন্নতির তালিকা চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আরও যাচাই-বাছাই করে পদোন্নতির তালিকা করার নির্দেশ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফের সভায় বসে তালিকা চূড়ান্ত করে এসএসবি। এরপরই সেই তালিকা অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘সরকারের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’তে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের যুগ্ম-সচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

    বিধিমালা অনুযায়ী, যুগ্ম-সচিব পদে কমপক্ষে তিন বছর চাকরিসহ ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা যুগ্ম-সচিব পদে কমপক্ষে দুই বছরের চাকরিসহ ২২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

    উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদেও পদোন্নতি শিগগিরই আসছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

    সর্বশেষ গত ২৩ এপ্রিল প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব ও সমমর্যাদার ২৬৭ কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার। এর আগে গত বছরের ২৭ নভেম্বর জনপ্রশাসনে বড় ধরনের পদোন্নতি দেয়া হয়। ওই সময় অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম-সচিব ও উপ-সচিব পদে ৫৩৬ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি পান।

  • বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ হচ্ছে আজ

    বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ হচ্ছে আজ

    নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি গেজেট আকারে আজ প্রকাশ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

    আইনমন্ত্রী বলেন, গেজেট হয়ে গেছে এখন শুধু প্রকাশের অপেক্ষা। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার কারণে এ গেজেট প্রকাশে দেরি হয় বলেও জানান তিনি।

    এর আগে গতকাল (রোববার) রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।

    ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে সময় আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

    রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে ৩ ডিসেম্বরের আগেই অধস্তন (নিম্ন) আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত ও আচরণ বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গত ১৭ নভেম্বর (শুক্রবার) আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির হুকুম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা এ গেজেট প্রকাশ করব। তিনি অনুমতি দিলে ৩ ডিসেম্বরের আগে গেজেট প্রকাশ করতে পারব। এখন রাষ্ট্রপতির অনুমতির অপেক্ষা।’

    এর আগেও গেজেট প্রকাশে দফায় দফায় সময় নেয় সরকার পক্ষ। তারও আগে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর তলবও করেছিলেন আপিল বিভাগ। ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

    ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। ১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এ জন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদীপক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করেন।

    এ অবস্থায় ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করেন। গত ২ জানুয়ারি এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

    ২০০৭ সালের ১০ জানুয়ারি আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ-সংক্রান্ত চারটি বিধিমালা সাতদিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দেন। তবে এ সংক্রান্ত মামলাটি এখনও আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ১২ দফা নির্দেশনার যেসব দফা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য তাগিদ রয়েছে।

  • শরিকদের কাছে খালেদা চাইলেন প্রার্থী তালিকা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর কাছে প্রার্থী তালিকা চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সম্প্রতি জোটের অন্যতম প্রধান শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর কাছে মৌখিকভাবে তালিকা চাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা। ছোট অন্য দলগুলোও প্রার্থী তালিকা তৈরি করে বিএনপির কাছে পাঠাচ্ছে বলেও জানা গেছে। বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জোটের শরিকদের জন্য অর্ধশত আসন ছেড়ে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এ ছাড়া সরকারবিরোধী অন্য দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা হলে তাদের জন্যও বেশ কিছু আসন ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে বিকল্পধারা বাংলাদেশের  প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে বিএনপি।

    এ প্রসঙ্গে গতকাল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  বলেন, ‘বিএনপি জোটগতভাবেই নির্বাচনে যাবে। দলের দুঃসময়ে জোট ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জোট ভাঙার ষড়যন্ত্র চলছে। তবে জোটে আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনই গণমাধ্যমে বলার সময় আসেনি। ’

    বিএনপি ও জামায়াতের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশে জামায়াতের কাছে তাদের প্রার্থী তালিকা চাওয়া হয়েছে।

    কিন্তু এখন পর্যন্ত জামায়াত কোনো তালিকা বিএনপিকে দেয়নি। তবে তারা তালিকা তৈরি করেছে। এর আগেও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে থাকা অবস্থায় ঢাকায় বিএনপি ও জামায়াতের মহাসচিব পর্যায়ে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই বিএনপির পক্ষ থেকে জামায়াতের কাছে তাদের প্রার্থী তালিকা চাওয়া হয়। জবাবে কোন কোন আসন জামায়াতকে ছাড়তে চায়- এমন একটি তালিকা বিএনপির কাছে চাওয়া হয়। সূত্র মতে, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতকে ৩৮ আসন দিতে বাধ্য হয়েছিল বিএনপি। জামায়াতের এক নেতা বলেন, জামায়াত বিএনপির কাছে অর্ধশত আসন চাইবে। ইতিমধ্যে এসব আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। কিছু আসনে দ্বন্দ্ব থাকায় এখনো তা সম্পন্ন করা যায়নি। বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, জামায়াত চাইলেই তো আর পাবে না। একদিকে তাদের নিজস্ব কোনো প্রতীক নেই। তারপরও দলটির প্রথম সারির নেতারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়েছে। আরও বেশ কয়েকজন জামায়াত নেতা যুদ্ধাপরাধে ফাঁসির রায়সহ নানা মেয়াদে দণ্ড হয়েছে। অনেকের বিচারকার্যও চলছে। এই অবস্থায় তাদের প্রভাবশালী নেতাদের সংখ্যা খুবই কম। এ ছাড়া জামায়াত সাংগঠনিকভাবেও আগের মতো শক্তিশালী নয়। বিএনপিও আগের মতো জামায়াতকে কাছের বন্ধু মনে করে না। জামায়াতের বর্তমান নেতাদের নিয়েও সরকারের সঙ্গে নতুন বন্ধুত্বসহ নানা নেতিবাচক গুঞ্জন রয়েছে।

    বিএনপি সূত্র জানায়, ৮ম ও ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে জামায়াতের সফলতা আশব্যঞ্জক নয়। প্রথমবার ২৯টি আসনে নির্বাচন করে মাত্র ১৭টি আসনে জয়লাভ করে। এর পরে ৩৩টি আসনে নির্বাচন করে জয়লাভ করে মাত্র ২টি আসনে। তাই এবার বিএনপির পক্ষ থেকে দলটিকে ১৫ থেকে বিশটি আসনে জোটগত মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতারাও এক্ষেত্রে অনেকটা নমনীয়।

    এদিকে এলডিপি, বিজেপি, জাগপা, কল্যাণ পার্টি, লেবার পার্টিসহ অন্য দলগুলোও নিজেদের মতো করে প্রার্থী তালিকা তৈরি করছে। তাতে জোটের শরিকদেরই চাওয়া অন্তত দেড়শ আসন। যদিও এসব দল এক নেতা সর্বস্ব। দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হলে জোটের শরিকদের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। ৯ম ও ৮ম দুই নির্বাচনেই বিএনপি-জামায়াত জোটগতভাবে নির্বাচন করেছে। অতএব, এবারও যে দলের অবস্থান যে আসনে ভালো, সেখানে সেই দলের প্রার্থীকে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।