সুস্থ থাকতে, ওজন কমাতে অনেকেই ফল, সবজির রস খেলেও নিউট্রিশনিস্টরা জুস খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ উত্সাহ দেন না। কারণ, জুস করলে খাবারের ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।
তবে জুস মানেই কিন্তু খারাপ নয়, জুস খাওয়ার রয়েছে প্রচুর উপকারিতাও।
১। হজম: জুস করলে ফল, সবজির ফাইবার বেরিয়ে যায়। তাই তাড়াতাড়ি শোষিত হয় ও হজমও হয় তাড়াতাড়ি।
২। বেশি ফল ও সবজি: নিউট্রিশনিস্টরা দিনে অন্তত ৫-৬ রকমের ফল, সবজি খাওয়ার কথা বলে থাকেন। এত রকম ফল, সবজি এক দিনে খাওয়া সম্ভব হয় না। জুস করে খেলে যা সম্ভব।
৩। ডিটক্স: কোনও অনুষ্ঠানে ভারী খাওয়া দাওয়ার পর পাচনতন্ত্রের যখন বিশ্রামের প্রয়োজন হয় তখন ডিটক্স করার জন্য জুস খুবই উপকারি।
৪। ত্বক: জুস পুষ্টিগুণের কারণে ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে সাহায্য করে। আবার ভাজাভুজি, ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমায়। ফলে ত্বক ভাল থাকে।
৫। স্ট্যামিনা: বিটরুট জুসের মতো বেশ কিছু জুস রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে। এই জুস অ্যাথলিটদের জন্য খুবই উপকারি।
৬। অনেক প্রকার সব্জি: জুস খেলে অনেক রকম সবজি রাখা যায় ডায়েটে। যে সবজি হয়তো রান্না করেন না বা স্যালাডে খান না, সেই সবও জুস করে খেতে পারেন।
৭। পুষ্টিগুণ: সবজির জুস খাওয়ার ভাল দিক হল এতে সবজির মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বজায় থাকে। রান্না করলে বা গরম করলে যা নষ্ট হয়ে যায়।









প্রথম দুই দিন ম্যাচের লাগাম বাংলাদেশের হাতেই ছিল। তবে তৃতীয় দিনে সেটা কেড়ে নেয় অজিরা। শুধু তাই নয়, দুই উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে দিন শেষ করা অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫৬ রানের। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ের যে কারণ ছিল সেটা অপরাজিত থাকা হওয়ার দুই অধিনায়ককে নিয়ে। এর মধ্যে ওয়ার্নার তো ছিলেন এক কথাই ভয়ংকার। হারলেও এদিন সেই রুপটা আরও একবার দেখিয়ে গেছেন এই অজি ওপেনার। তবে ওয়ার্নার পর্যন্তই।
বোলিংয়ে অবশ্য আলাদা করেই বলতে হচ্ছে সাকিবকে নৈপূন্যটাকে। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৫ উইকেট নিয়েছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। এছাড়া প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটসহ মোট ৫ উইকেটটি পেয়েছেন মিরাজ। এবং দুই ইনিংস মিলে তাইজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ উইকেট।