Blog

  • অবরোধের ধকল সামলে নিয়েছে কাতার

    অবরোধের ধকল সামলে নিয়েছে কাতার

    সৌদি জোটের অবরোধের ধকল কাতার সামলে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা মুদ্রানীতি বিশেষজ্ঞ ড. খালিদ রাশেদ আল-খাতের। বুধবার তিনি ওই মন্তব্য করেন।

    দোহা ইন্সটিটিউটের আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিসের আয়োজনে ‘২০১৭ উপসাগরীয় সংকট, অর্থনীতি, আইনগত এবং রাজনৈতিক দৃষিভঙ্গি’ শিরোনামে এক আলোচনাসভায় ড. খালিদ রাশেদ এ ধরনের কথা বলেন।

    ড. খালিদ রাশেদ বলেন, কাতারকে অস্থিতিশীল করার জন্য অবরোধ আরোপকারী দেশের ষড়যন্ত্র ছিল। কিন্তু কাতার এখন সেই ধকল সামলে উঠেছে।

    তিনি আরও বলেন, যদি মুদ্রার মূল্যমান কমে যায়, মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা। তারা সরকারকে চাপে ফেলতেই এমনটা করেছে।

    এখন পর্যন্ত কাতারে মুদ্রার মানের তারতম্য ঘটেনি। মুদ্রার মান অবশ্য অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে কাতারের রিয়ালের মান কমে যায়নি।

    তার মতে, অবরোধকারী দেশগুলোর আচরণের কারণে বন্ধু রাষ্ট্রের কাছ থেকে দেশে বসবাসরত মানুষজনের জন্য খাবার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করেছে কাতার।

    এমনকি অবরোধ আরোপকারী দেশগুলো যদি কাতার থেকে তাদের বিনিয়োগ সরিয়েও নেয়, তারপরেও কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ সেই বিনিয়োগ একেবারেই সামান্য।

    সূত্র : গালফ টাইমস

  • উত্তর কোরিয়ার টার্গেট গুয়াম সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য

    উত্তর কোরিয়ার টার্গেট গুয়াম সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুয়াম দ্বীপে হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের অনুমোদন পেলেই অাগস্টের মাঝামাঝি সময়ে গুয়ামে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে দেশটি।

    তবে গুয়ামের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে সেখানে হামলা করা হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা হিসেবেই বিবেচনা করা হবে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে উত্তর কোরিয়ার হামলার পরিকল্পনার জবাবে বৃহস্পতিবার গুয়ামের গভর্নর ইডি কালভো এ কথা বলেন।

    কিন্তু প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ছোট দ্বীপে কেন হামলার হুমকি দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া? অাসুন জেনে নেয়া যাক গুয়াম সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য।

    উত্তর কোরিয়া থেকে তিন হাজার চারশ কিলোমিটার দূরে গুয়াম দ্বীপটি ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মূল ঘাঁটি। হাওয়াই আর এশিয়ার মাঝে এটাই একমাত্র ভূমি, যেখানে বিমানবন্দর রয়েছে।

    এই স্থান থেকে একই সঙ্গে কোরিয়া আর তাইওয়ানের আশেপাশের এলাকা কাভার করা সম্ভব। দ্বীপটির বেশিরভাগ এলাকা জুড়েই রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।

    দ্বীপটির অর্থনীতির মূল উৎস পর্যটন আর মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। সেখানে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার মানুষ বসবাস করে, যাদের মধ্যে আদিবাসী চামোরো রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে জাপানি আর চীনা লোকজন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্য দ্বীপের বাসিন্দারাও থাকে সেখানে।

    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেও, গুয়ামের বাসিন্দারা মার্কিন নির্বাচনে ভোট দিতে পারে না। দ্বীপটিতে সম্পদ খুবই কম আছে; সবকিছুর জন্য তাদের আমদানির উপর নির্ভর করতে হয়।

    ১৮৯৮ সালে স্পেন-মার্কিন যুদ্ধে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের দখলে যায়। তারপর থেকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।

    সেখানকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, যদি উত্তর কোরিয়া দ্বীপটিতে হামলা করে বসে তাহলে তাদের দৃঢ় বিশ্বাস মার্কিন সেনাবাহিনী রক্ষা করবে। এখন দেখার বিষয় দ্বীপটিতে হামলা চালানোর জন্য কিম অনুমোদন দেন কি না এবং হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী কী করে।

    সূত্র : এবিসি নিউজ

  • ওয়াশিংটনের আকাশে উড়ছে রুশ বিমান

    ওয়াশিংটনের আকাশে উড়ছে রুশ বিমান

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি, পেন্টাগন ও দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র প্রধান কার্যালয় এবং অ্যান্ড্রুস ঘাঁটির আকাশে রাশিয়ার বিমানবাহিনীর নিরস্ত্র একটি বিমান দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    সিএনএন বলছে, দুই দেশের যৌথ একটি চুক্তির আওতায় রুশ ওই বিমান যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে উড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে থেকে অন্যান্যদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করতে নিম্ন উচ্চতায় থেকে মস্কো এবং ওয়াশিংটনের বিমান যৌথভাবে এ কাজ করে।

     মার্কিন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার একটি সূত্র বলছে, ভার্জিনিয়ার ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ কোর্স ও দেশটির অত্যন্ত গোপনীয় বাঙ্কার স্থাপনা কেন্দ্র মাউন্ট ওয়েদারের আকাশে উড়েছে রুশ ওই বিমান। 

    ওপেন স্কাই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ৩৪টি দেশের সামরিক ঘাঁটির ওপর নজরদারি চালায় এ দুই দেশ ও অন্যান্যদের বিমানগুলো।

    ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ বলছে, বুধবার সকালে রুশ বিমানবাহিনীর টুপলেভ টিইউ-১৫৪ বিমানটি ওয়াশিংটনের কেন্দ্রস্থল ও ম্যারিল্যাণ্ডের যৌথ ঘাঁটি অ্যান্ড্রুসের ৩ হাজার ৭০০ ফুট ওপরে চক্কর দিয়েছে। ম্যারিল্যাণ্ডের অ্যান্ড্রুসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ানের ঘাঁটি রয়েছে।

    হোয়াইট হাউসের আশ-পাশের অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও সুরক্ষিত আকাশসীমা পি-৫৬ এ প্রবেশের অনুমতি রয়েছে রুশ বিমানের।

    মার্কিন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার একটি সূত্র বলছে, ক্যাটোকটিন মাউন্টেইনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশ্রাম স্থান ক্যাম্প ডেভিড, ভার্জিনিয়ার ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ কোর্স ও দেশটির অত্যন্ত গোপনীয় বাঙ্কার স্থাপনা কেন্দ্র মাউন্ট ওয়েদারের আকাশে রুশ বিমানটি উড়েছে। ৩৪ দেশ স্বাক্ষরকারী ওপেন স্কাই চুক্তি ২০০২ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে।

  • আরেকটি রেকর্ড আবদুল হালিমের

    আরেকটি রেকর্ড আবদুল হালিমের

    মাথায় বল নিয়ে সাইকেল চালিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রমের রেকর্ড গড়েছেন আবদুল হালিম। তিনি এ বছর জুনে পল্টনের রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে বল মাথায় নিয়ে ১৩.৭৩ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছিলেন এক ঘণ্টা ১৯ মিনিটে।

    আবদুল হালিম জানিয়েছেন, ‘গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার তাকে মেইলে জানিয়েছে রেকর্ড হিসেবে এটা অন্তর্ভূক্ত করেছে তারা।’

    এর আগে আবদুল হালিম দুটি রেকর্ড করেছিল ২০১১ ও ২০১৬ সালে। ওই দুই রেকর্ড করেও তিনি স্থান করে নিয়েছেন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। তার প্রথম রেকর্ড ছিল বল মাথায় নিয়ে বেশি পথ হাঁটার (১৫.২ কিলোমিটার) এবং দ্বিতীয় রেকর্ড ছিল স্কেটিং করে বল মাথায় নিয়ে দ্রুত সময়ে ১০০ মিটার অতিক্রমের।

  • জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নয়নের গতিধারা ধরে রাখতে হলে সরকারে ধারাবাহিকতাও ধরে রাখতে হবে। আমরা দিন বদলের সনদ দিয়েছি, ঠিকই আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের যে আস্থা ও বিশ্বাস আমরা অর্জন করেছি তা ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এখন উন্নয়ন রোল মডেল। বিশ্বের মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করে আমাদের উন্নয়ন দেখে।

    বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত দলের যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর আমরা দেখেছি ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। জাতির পিতার নাম-নিশানা মুছে ফেলার ঘৃণ্য চক্রান্ত হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো, আমাদের দেশের কয়েকটা প্রজন্মকে এই বিভ্রান্তির বেড়াজালে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসকে কেউ কোনো দিন মুছে ফেলতে পারেনি। সত্য প্রকাশ হবেই।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে। আবার কেউ কেউ এক ধাপ উপরে গিয়ে .. কারও একক চেষ্টায় স্বাধীনতা আসেনি। হ্যাঁ একক চেষ্টায় কোনো কিছুই হয়নি। কিন্তু সবকিছুর পেছনে কারও ত্যাগ থাকে, প্রেরণা থাকে, সাংগঠনিক ক্ষমতা থাকে, মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার শক্তি থাকে। সেই শক্তি ছিল জাতির পিতার।

    শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা যদি এত জীবনে এত ত্যাগ স্বীকার না করতেন। .. যে জাতির ৮০ ভাগের মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বাস করত। এই দেশের মানুষের জীর্ণশীর্ণ শরীর, বিদেশে থেকে কাপড় এনে পরতে হত। এই রকম একটা পরিবেশ, এই রকম একটা জাতিকে স্বাধীনতাকে চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছেন জাতির পিতা।

    তিনি বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানের শাসক ইয়াহিয়া খান গ্রেফতার করে জাতির পিতাকে। শুধু তাই না ২৬ মার্চ ইয়াহিয়া যে ভাষণ দিয়েছিল সেখানে বঙ্গবন্ধুর কথাই বলেছিল, তাকে পাকিস্তানের শত্রু হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল এবং তার বিচার সে করবে এই ঘোষণাও সে দিয়েছিল। ইয়াহিয়া তার ঘোষণায় আর কারও নাম বলেনি। স্বাধীনতা ঘোষণা দেয়াটাই ছিল জাতির পিতার বড় অন্যায়। সেই অপরাধে ইয়াহিয়া অপরাধী করেছে জাতির পিতাকে। জিয়াউর রহমানও একজন মেজর ছিল। তাকে কি গ্রেফতার করেছে, তার কি চাকরি গিয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তার বিচার করে ফাঁসির রায়ে সইও করেছিল ইয়াহিয়া। সে ইতিহাস মুছে দিয়ে, আরেকজনকে ঘোষক বানিয়ে .. ঘোষক কাকে বানানো হলো? জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে বেরিকেড দিচ্ছিল, ওই চট্টগ্রামে যারা বেরিকেড দিয়েছিল তাদের ওপর গুলি চালিয়েছিল, পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ হয়ে আন্দোলনরত এবং সংগ্রামরত মানুষকে হত্যা করেছিল জিয়াউর রহমান।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বারবার প্রচার হচ্ছিল। আমাদের জহুর আহমেদ চৌধুরী (এই নামটাই মনে হয় বলেছে, রেকর্ড ক্লিয়ার না, কনফিউশন আছে।) চট্টগ্রামের নেতা তিনি বললেন- সেনাবাহিনীর কাউকে নিয়ে আসো। যেহেতু এটা যুদ্ধ, সেনাবাহিনীর কাউকে দিয়ে বলালে যেন যুদ্ধ-যুদ্ধ মনে হয়। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করা হচ্ছিল। মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন হান্নান সাহেবসহ একে একে আমাদের অনেকে পাঠ করা শুরু করেন। ২৭ তারিখে জিয়াউর রহমান যখন সোয়াত জাহাজ থেকে পাকিস্তানি শাসকদের জন্য অস্ত্র নামাতে যান তখন আমাদের যারা ভলান্টিয়ার তারা তাকে বেরিকেড দেয়, তারা তাকে আটকায়। পরবর্তীতে যেহেতু একজন সেনা অফিসার দরকার তাকে নিয়ে আসা হয় এবং তাকে দিয়ে ঘোষণা পাঠ করা হয়। কারও একক নেতৃত্বে স্বাধীনতা আসেনি। হ্যাঁ সবার সম্মিলিত চেষ্টায় কিন্তু একজন না একজনকে তো নেতৃত্বে থাকতে হয়। দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধ তার নেতৃত্ব জাতির পিতাই দিয়েছিলেন। এটাতে স্বীকার করতে পারবে না। এটাতো বাস্তব।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু দেশে না এই সত্য এখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। এখন আর মানুষের কাছে বিকৃত ইতিহাস বিক্রি করা যায় না। তারপরও সুযোগ পেলে কেউ কেউ এই বিকৃত ইতিহাসকে সামনে আনার চেষ্টা করে। ১৫ আগস্টের কালো দিবস না যদি না আসত তবে ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ হত।

    শেখ হাসিনা বলেন, দুর্ভাগ্য বাঙালির যারাই এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে, যারাই এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে, যখনই মানুষ সুফল পেতে শুরু করে তখনই ষড়যন্ত্র আরও দানা বেঁধে ওঠে। তার মানে হচ্ছে সেই স্বাধীনতার বিরোধীরা, যারা মুক্তিযুদ্ধ চায়নি, যারা হত্যা-ধর্ষণ, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত। তাদের প্রেতাত্মাগুলো বাংলাদেশে রয়ে গেছে। সুযোগ পেলেই তারা ছোবল মারার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে বাঙালি জাতিকে সর্তক থাকতে হবে এবং মানুষকে বুঝতে হবে কারা তাদের কল্যাণে কাজ করে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে উন্নয়ন হয়। জনগণের কল্যাণ হয়। আজকে উন্নয়নের যে গতিধারা তা যেন থেমে না যায় সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়নের ছোয়া, সুফল মানুষ পায়। আজকে তা মানুষ দেখেছে।

  • বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২২ হাজার পৃষ্ঠার নথি হস্তান্তর করবে পুলিশ

    বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২২ হাজার পৃষ্ঠার নথি হস্তান্তর করবে পুলিশ

    ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ২২ হাজার পৃষ্ঠার অসাধারণ দুর্লভ নথি রয়েছে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব দুর্লভ নথি ডিক্লাসিফাইড করার নির্দেশ দিয়েছেন। শিগগিরই জাতীয় আর্কাইভে এসব ঐতিহাসিক নথি হস্তান্তর করবে পুলিশ’।

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (স্পেশাল ব্রাঞ্চের) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

    জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি-২০১৭ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বৃহস্পতিবার তিনি এই তথ্য জানান। আজ রাজধানীর মালিবাগে স্পেশাল পুলিশ ব্রাঞ্চের মাল্টিপারপাস হলে এ রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    ডিআইজি (প্রশাসন) মীর শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এতে আরও বক্তব্য দেন ডিআইজি (রাজনৈতিক) মাহবুব হোসেন এবং বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ জেড এম নাফিউল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে স্পেশাল ব্রাঞ্চ প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক। বঙ্গবন্ধুকে না জানলে বাংলাদেশকে জানা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে স্পেশাল ব্রাঞ্চের অনেক স্মৃতি রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক ঘটনার সাক্ষী স্পেশাল ব্রাঞ্চ’।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২২ হাজার পৃষ্ঠার অসাধারণ দুর্লভ নথি রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্লভ নথি ডিক্লাসিফাইড করার নির্দেশ দিয়েছেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যে জাতীয় আর্কাইভে এসব ঐতিহাসিক নথি হস্তান্তর করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘এই নথি গবেষণার ক্ষেত্রে হবে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আগ্রহী গবেষকদের গবেষণা করার দ্বার উন্মোচিত হবে।’

    ডিআইজি (প্রশাসন) মীর শহীদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যার মাধ্যমে একটি জাতি, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়। তিনি প্রায় ১৪ বছর জেল খেটেছেন। বাঙালির স্বাধিকার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, শোষণ ও বঞ্চনাহীন স্বাধীন রাষ্ট্র বিনির্মাণই তার আদর্শ।

    ডিআইজি (রাজনৈতিক) মাহবুব হোসেন বলেন, একটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে অরাজকতার মধ্যে নিমজ্জিত করতে চেয়েছিল। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সেই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে দেশকে উন্নতির দিকে ধাবিত করেছে। রক্তদান কর্মসূচিতে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ৬৪ জন বিভিন্ন স্তরের পুলিশ কর্মকর্তা রক্তদান করেন।

  • হালকা মেকআপে গর্জিয়াস

    হালকা মেকআপে গর্জিয়াস

    নারীর সাজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি প্রসাধনী হচ্ছে মেকআপ। নিজেকে আরেকটু আকর্ষণীয় আর অনন্যা করে তুলতে মেকআপ ব্যবহার করে থাকেন বেশিরভাগ নারী। তবে এই মেকআপের আধিক্য আমাদের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলার বদলে অনেকটাই কমিয়ে দেয়। বরং হালকা মেকআপেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন গর্জিয়াস।

    বেইজ মেকআপের ক্ষেত্রে ভারী ফাউন্ডেশন যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। দিনের বেলা ম্যাট ফাউন্ডেশন দিয়ে বেইজ করা ভালো। ত্বক তৈলাক্ত হলে প্রথমে সারা মুখে লুজ পাউডার লাগিয়ে তারপর ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে। এতে মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী হবে। ত্বক যা-ই হোক, কমপ্যাক্ট পাউডার দিয়ে বেইজ মেকআপ শেষ করা ভালো।

    Make2

    রাতের সাজে তৈলাক্ত ত্বকে দিন ‘লিকুইড ফাউন্ডেশন’। আর শুষ্ক ত্বকে ‘ক্রিম ফাউন্ডেশন’। তারপর প্যানকেক দিন। জমকালো আর ভারী সাজেই কেবল প্যানকেক মানানসই। সাধারণত হলুদ আর গোলাপি এই দু’টি রংয়ের প্যানকেক ব্যবহৃত হয়। প্রথমে হলুদ প্যানকেক দিয়ে তারপর ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাপি শেইডের প্যানকেক দিন।

    সব ক্ষেত্রেই মেইকআপ ব্লেন্ডিং খুব জরুরি। ত্বকের সঙ্গে বেইজ যত ভালোভাবে মিশে যাবে ততই ‘ন্যাচারাল লুক’ আসবে। তারপর কমপ্যাক্ট পাউডার দিন। রাতের জমকালো অনুষ্ঠানে চাইলে ‘শিমার পাউডার’ ব্যবহার করতে পারেন।

    নাক একটু টিকালো দেখানোর জন্য নাকের দুপাশে গাঢ় শেইডের কনসিলার দিয়ে উপরে লম্বা করে হালকা শেডের কনসিলার দিন। একইভাবে চোয়ালের শেপ ঠিক করে নিন। কনসিলার ছাড়াও ব্রোঞ্জিং পাউডার দিয়েও কনট্যুর ও হাইলাইট করা যায়। চাইলে চোখও হাইলাইট করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ঠোঁটের জন্য ‘ন্যাচারাল স্কিন কালার’ মানানসই। হালকা বা ভারী- সাজ যা-ই হোক, চোখ আর ঠোঁটের সাজ হবে বিপরীত।

    Make3

    চোখের সাজে লাইনার, মাসকারা আর শ্যাডো ব্যবহার করা হয়। দিনের সাজে তিনটি একসঙ্গে ব্যবহার না করে যে কোনো দুটি বা একটিতে সীমাবদ্ধ রাখা যেতে পারে। কাজল ও আইলাইনারের চেয়ে মাসকারা প্রাধান্য দিন।

    চোখের পাতা ঘন দেখালে আরও আকর্ষণীয় লাগবে চোখ। সেজন্য কাজল বা আইলাইনার টেনে দিতে পারেন। তিনটি একসঙ্গে কেবল রাতের সাজেই চলতে পারে। ঠোঁটে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন। ব্লাশন সব সময়ই হালকা হলে ভালো লাগে। এমনকি রাতের পার্টিতেও এখন গাঢ় ব্লাশনের চল নেই।

  • ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২৪ লাখ ৩৭ হাজার তথ্য সংগ্রহ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সমানে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৩৩১ জনের তথ্য সংগ্রহ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মৃত ১৩ লাখ ৩৩ হাজার দুইজনের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। আর ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন ৬০ হাজার ৮৭৬ জন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

    সচিব বলেন, হালনাগাদে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ লাখ। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার ৭০ ভাগ পূরণ হয়েছে। হালনাগাদে যে পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট, উই আর হ্যাপি।

    জানা যায়, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৪ লাখের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছিল ইসি। বুধবার শেষদিন নতুন ভোটার হতে আগ্রহী অনেকেই ফরম পূরণ করেছেন। ফলে একদিনেই সংখ্যা এত বেড়ে গেছে বলে দাবি করছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

    সচিব বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় আর বাড়ানো হবে না। তবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে সব সময়। যে কেউ উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে ভোটার হতে পারবেন।

    তিনি বলেন, যদি কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় কেউ বাড়ি বাড়ি না গিয়েই ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ইসি ব্যবস্থা নেবে।

    ইসি জানিয়েছে, সংগ্রহকৃত এসব তথ্য নিবন্ধন কেন্দ্রে সংযোজনে ২০ আগস্ট থেকে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু হবে। তিন ধাপে হবে এ কাজ। প্রথম ধাপে ১৮৩টি উপজেলায় ২২ দিনে, দ্বিতীয় ধাপে ২১৬টি উপজেলায় ২৮ দিনে, তৃতীয় ধাপে ১১৮টি উপজেলায় ২১ দিনে, মোট ৫১৭টি উপজেলায় ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পন্ন হবে। শেষ হবে ৫ নভেম্বর।

    আর ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা, থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারের নাম কর্তন করা যাবে। এরপরে ২ জানুয়ারি হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি।

    উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কার্যক্রম গত ২৫ জুলাই ময়মনসিংহে উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য নেয়ার এই কার্যক্রম শেষ হয় বুধবার (৯ আগস্ট)। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হচ্ছে তাদের তথ্য নিয়েছে ইসি।

  • বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারসহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী চান এমপিরা

    বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারসহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী চান এমপিরা

    নিজেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারসহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী চান এমপিরা। বাসভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে এই কর্মী নিয়োগের সুপারিশ করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

    বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ জাগো নিউজকে বলেন, আজকের বৈঠকে অনেকগুলো সুপারিশ এসেছে। তার মধ্যে একটি হলো এমপিদের জন্য সরকারি বাসভবনে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ। এসব ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

    বৈঠক সূত্র জানায়, মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এমপি ভবনের লিফটগুলো দ্রুত পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে কমিটি। এছাড়া মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়ার বাসভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কামরা পরিচারক ও নিরাপত্তা প্রহরী শূন্য পদসমূহে দ্রুত জনবল নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নিমিত্তে বাসভবন এলাকায় রাতে পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা, পারিবারিক অতিথি ব্যতীত অন্য দর্শণার্থীর যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ, ভবনসমূহের ছাদ, অন্যান্য জায়গায় অবৈধ অবস্থানকারীদের তল্লাশি এবং অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুপারিশ করে কমিটি।

    কমিটি এমপিদের বাসভবনের অভ্যন্তরে স্টিকারবিহীন কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে না দেয়া এবং গাড়ি প্রবেশের সময় গেটে আন্ডার ভ্যাহিকেল সার্চের মাধ্যমে চেক করা অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেছে।

    কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী, বেগম সাগুফতা ইয়াসমিন, পঞ্চানন বিশ্বাস, ফজলে হোসেন বাদশা, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মো. আসলামুল হক ও তালুকদার মো. ইউনুস বৈঠকে অংশ নেন।

  • নেইমারের আগে রেকর্ড দামে বিক্রি হওয়া ৫ তারকা

    নেইমারের আগে রেকর্ড দামে বিক্রি হওয়া ৫ তারকা

    বিশ্বনন্দিত ফুটবল তারকা নেইমার বার্সেলোনা ছেড়ে প্যাারিস সেন্ট জার্মেইতে যোগ দিচ্ছেন। তাকে দেয়া হচ্ছে ২২ কোটি ২০ লাখ ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা ২ হাজার ১০৬ কোটি টাকা! এর আগেও বিপুল অর্থে ফুটবলের আরও ৫ তারকা বিক্রি হয়েছে। তাদের ছবি থাকছে এবারের অ্যালবামে।