বিগত দিনের ন্যায় কথা রাখলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃঃ আবারো মানবতার সহায়তায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করা বরিশাল নগরীর এক নরসুন্দরের পরিবারের আবেদনের তিন ঘন্টার মধ্যেই স্বজনদের কাছে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি। গতকাল শনিবার তিনি এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।মেয়রের নিজস্ব ফেইসবুক পেইজে সরাসরি লাইভ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শনিবার নগরীর সরকারি বরিশাল কলেজ সংলগ্ন রজনীগন্ধ্যা কমিউনিটি সেন্টারে বরিশাল জেলা নরসুন্দর কল্যান সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বিশ্বকর্মা পুজার আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নগরীর সাগরদী গাওসিয়া সড়ক নিবাসী ও একই এলাকার জয় হেয়ার ড্রেসার নামক প্রতিষ্ঠানের নরসুন্দর স্বপন চন্দ্র শীলের স্ত্রী রিতা রানী শীল জানান, তার স্বামী গত একবছর যাবত অসুস্থ্যতায় ভুগছেন। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় স্বপন চন্দ্র শীল যেমন আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তেমনি কর্মস্থলে যেতে না পারায় সংসারের ভরপোষনও চালাতে পারছেন না। তিন লাখ টাকা হলে তার স্বামীকে অপারেশন করে সুস্থ করে তোলা সম্ভব বলে জানান রিতা রানী। তার এ কথা শুনে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ স্বপন শীলের অপারেশনের পুরো টাকা দেয়ার কথা বলে অনুষ্ঠান শেষে বাসায় দেখা করতে বলেন। পরবর্তীতে রিতা রানী তার পুত্র জয় শীলকে সাথে নিয়ে গতকালই মেয়রের কালিবাড়ী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে দেখা করেন। এসময় মেয়র তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে স্বপন শীলের চিকিৎসার জন্য নগদ তিন লাখ টাকা স্ত্রী রিতা রানী শীলের হাতে তুলে দেন। আর্থিক সহায়তার অর্থ পেয়ে অশ্রু সংবরণ করতে না পারা রিতা রানী বলেন, তার বিশ্বাস ছিলো মেয়রের সাথে দেখা করে তাদের দূরাবস্থার কথা জানালে মেয়র তাদের ফিরিয়ে দিবেন না। রিতা রানী আরো বলেন , মেয়র তার বিশ্বাসের পুরোটাই বাস্তবায়ন করে চিকিৎসার পুরো টাকাই তার স্বামীর চিকিৎসার জন্য দিয়েছেন। টাকাগুলো হাতে পেয়ে মেয়রের জন্য রিতা রানী দু’হাত তুলে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন বলেন সৃষ্টিকর্তা যেন মেয়রকে র্দীঘজীবী করেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *