Author: banglarmukh official

  • মোনালিসা হত্যা মামলার আসামিকে আনা হলো দুবাই থেকে

    মোনালিসা হত্যা মামলার আসামিকে আনা হলো দুবাই থেকে

    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্কুলছাত্রী মোনালিসা আক্তারকে (১২) ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু সাঈদকে (২৮) সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হয়েছে। দীর্ঘ আট মাস পর গ্রেপ্তার করে আজ রোববার দুপুরে তাঁকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। আবু সাঈদ ফতুল্লা পশ্চিম দেওভোগের বড় আমবাগান এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে।

    নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, মোনালিসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু সাঈদ দেশ ছেড়ে পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এনসিবি শাখার মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ সেপ্টেম্বর আবু সাঈদকে গ্রেপ্তার করে দুবাই পুলিশ।

    ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের বলেন, ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের পর আসামি আবু সাঈদের সব প্রক্রিয়া শেষে আজ রোববার তাঁকে দেশে নিয়ে আসা হয়। তাঁকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড প্রার্থনা করা হবে।

    মামলার এজাহার, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে আবু সাঈদ বিয়ে করার জন্য দুবাই থেকে দেশে আসেন। পরে পাশের বাড়ির ফতুল্লার কাশিপুর আমবাগান এলাকার ব্যবসায়ী শাহীন ব্যাপারীর মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রী মোনালিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সাঈদের পরিবার।

    কিন্তু মেয়ের বয়স অল্প হওয়ায় সাঈদের পরিবারের প্রস্তাবে রাজি হয়নি মোনালিসার পরিবার। পরে সাঈদ পাশের এলাকার এক মেয়েকে বিয়ে করেন। ওই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি পরিবারের লোকজন নরসিংদীতে বেড়াতে গেলে মোনালিসাকে একা বাড়িতে পেয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে মোনালিসার লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পুলিশ মোনালিসার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ দিকে ঘটনার পর আবু সাঈদ দুবাই পালিয়ে যান।

    ওই সময় মোনালিসার ছোট ভাই শাহেদ বলেছিল, সাঈদ নামে এলাকার এক ছেলে পানি খাওয়ার কথা বলে তাঁদের ঘরে যান। খেলার কথা বলে তাকে বাইরে পাঠিয়ে দেন সাঈদ। পরে সে ঘরে এসে দেখেন তার বোন ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে মোনালিসাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। মোনালিসা হাজী উজির আলী উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

  • কানাডায় সিনহার মেয়ে আশা সিনহার একাউন্ট জব্দ

    কানাডায় সিনহার মেয়ে আশা সিনহার একাউন্ট জব্দ

    নিজের আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে বই লিখে নতুন করে আলোচনায় আসা সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে আর্থিক ও প্রভাব বিস্তার করার অন্তত এক ডজন অভিযোগ উঠেছে।

    আমেরিকা-কানাডা-অস্ট্রেলিয়ায় অর্থপাচার, দুদকের তদন্তে বাধা, জজ নিয়োগে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সিনহাকে নিয়ে দেশ বিদেশের সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসা এসব খবর চোখ এড়ায়নি ক্যানাডিয়ান ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অব কমার্সের(CIBC)। কানাডায় অবস্থিত সিনহার ছোট মেয়ে আশা সিনহার ব্যাংক একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে এবার তার একাউন্ট জব্দ করেছে সিআইবিসি।

    এসকে সিনহা যেসব ব্যক্তিদের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করেছেন, যারা বরাবরই সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিশ্বাসভাজন বলে পরিচিত, তাদের মধ্যে আছেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ কুমার রায়, সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক রণজিৎ, কানাডা প্রবাসী অভিবাসন আইনজীবি মেজর (অব.) সুধীর সাহা।

    সুধীর সাহার মাধ্যমে আশা সিনহার একাউন্টে (একাউন্ট নম্বরঃ ৫৫১৪২৩১, CIBC) বেশ কয়েক দাগে মোটা অংকের টাকা জমা হয়েছে বলে ইতমধ্য ক্যানাডিয়ান ইম্পেরিয়াল ব্যাঙ্ক অব কমার্সের তদন্তে উঠে এসেছে।

    ০৭ এপ্রিল ২০১৬, আশা সিনহার ব্যাংক একাউন্টে মেজর (অব.) সুধীর সাহা ৫০,০০০ ডলার জমা করেন।

    ০৫ জুন ২০১৬ এবং ৭ মে ২০১৬ তে যথাক্রমে ৪০,০০০ এবং ৫০,০০০ ডলার জমা করেন। ০৯ জুলাই ২০১৬ মিরন সাহা নামে এক ব্যক্তি সুধীর সাহার রেফারেন্সে ৫০,০০০ ডলার জমা দেয় আশা সিনহার ব্যাংক একাউন্টে।

    ক্যানাডিয়ান ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অব কমার্সের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার ক্রিস্টিনা ক্যামার জানান, “বাংলাদেশের চীফ জাস্টিস সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বর অভিযোগগুলো আমাদের চোখ এড়ায়নি। অস্ট্রিলিয়ায় এবং কানাডায় তার মেয়েরা থাকে এটিও আমাদের নজরে এসেছে। আশা সিনহা আমাদের একজন ক্লায়েন্ট। এ জন্য আমরা আশা সিনহার একাউন্টের লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু করি। আপাতত তার একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে”।

    উল্লেখ্য, সাবেক প্রধান বিচারপতি এস,কে সিনহার বিরুদ্ধে নিজের এবং ভাইয়ের নামে প্লট বরাদ্দে প্রভাব বিস্তার, প্লটের মূল্য পরিশোধ না করা, ১/১১ এর সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরকারের আদায় করা অর্থ পুনরায় ফেরত দিতে উৎকোচ গ্রহণ, অর্থপাচার, দুদকের তদন্তে বাধা, জজ নিয়োগে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

    এস কে সিনহা প্রধান বিচারপতি থাকাকালে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত তিন কোটি ১৭ লাখ ৮৫ টাকা কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মেয়েদের কাছে পাচার ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার করেছেন। সাবেক প্রধান বিচারপতির আয়কর বিবরণী, অনিরুদ্ধ রায়ের অ্যাকাউন্টস অফিসারের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিবরণী, কানাডায় পাঠানো টাকার ব্যাংক কনফারমেশন এসএমএসের স্ক্রিন শর্ট, কানাডায় অবস্থান করা প্রধান বিচারপতির মেয়ে আশা সিনহার দ্বারা অর্থপ্রাপ্তির স্বীকৃতির এসএমএস, অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো অর্থের কনফারমেশন ই-মেইল, ইন্দোনেশিয়ার পেনিন ব্যাংক হতে অস্ট্রেলিয়ায় সূচনা সিনহার অ্যাকাউন্টে পাঠানো অর্থের ডিপোজিট ফর্ম থেকে এসব অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্যও ইতিমধ্য পাওয়া গেছে।

  • নিরাপত্তা আইন: সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে পুলিশকে

    নিরাপত্তা আইন: সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে পুলিশকে

    বাংলাদেশের সংসদে পাশ হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোন পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশকে গ্রেফতারের যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, সেটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করবে বলে আশংকা করছেন সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রস্তাবে পরোয়ানা ছাড়া পুলিশকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল যেই ধারার অধীনে, সেই ধারায় সংসদীয় কমিটি প্রস্তাব করেছিল যে পরোয়ানা ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা বা ব্যক্তিমালাকানাধীন ডিজিটাল ডিভাইস তল্লাশি বা জব্দ করার ক্ষেত্রে সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

    তবে শেষমুহুর্তে মহাপরিচালকের অনুমোদন নেয়ার বিধানটি বাদ দিয়ে সংসদে পাস হয়েছে বিলটি।

    অর্থাৎ একজন পুলিশ অফিসার এখন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সন্দেহভাজন ব্যক্তির ব্যবহার করা ডিজিটাল ডিভাইস তল্লাশি ও জব্দ করাসহ ঐ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করতে পারবেন।

    কেন বাদ দেয়া হলো মহাপরিচালকের অনুমোদন নেয়ার বিধান?

    মহাপরিচালকের অনুমোদনের বিধানটি কোন যুক্তিতে বাদ দেয়া হলো, সে-বিষয়ে বাংলাদেশের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, “একটি ঘটনা ঘটার সময় পুলিশের যদি মহাপরিচালকের অনুমতির অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে অন্তত ডিজিটাল অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়।”

    মি. জব্বার বলেন অপরাধ সংঘটনের সময় যেন পুলিশ আমলাতান্ত্রিক জটিলতার শিকার হয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধাগ্রস্থ না হয় সেজন্যেই বাদ দেয়া হয়েছে মহাপরিচালকের অনুমোদনের বিধানটি।

    “অপরাধ সংঘটনের সময় পুলিশ যদি পদক্ষেপ নিতে না পারে, তাহলে তো অপরাধ সংঘটিত হয়েই যাবে, সেটিকে আর থামানো যাবে না”, বলেন মি. জব্বার।

    এই আইনের বিভিন্ন অনুষঙ্গ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ নানা পক্ষ।

    সাংবাদিকদের আপত্তি কী নিয়ে?

    সাংবাদিকরা বলছেন পুলিশ অফিসারের হাতে এই পরিমাণ নির্বাহী ক্ষমতা থাকলে সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতা খর্ব ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হয়রানিরও সম্ভাবনা থাকে।

    সম্পাদকদের পরিষদ ‘এডিটরস কাউন্সিল’এর সাধারন সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, “এই আইন বাস্তবায়িত হলে একজন পুলিশ অফিসারের চিন্তায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নির্ভর করবে। পত্রিকায় কি ছাপানো হবে, তার ফলে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার হতে হবে কিনা – এসব বিষয়ে একজন পুলিশ অফিসার শুধুমাত্র সন্দেহও যদি পোষণ করেন তবুও একজন সাংবাদিকের স্বাধীনতা বিঘ্ন হয়।”

    মি. আনাম মন্তব্য করেন শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা বা তাঁর ব্যবহারের ডিজিটাল ডিভাইস বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি করার ক্ষমতা একজন পুলিশ অফিসারের হাতে অর্পণ করা উচিত নয়।

    তবে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর মতে, আইন শষৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা এই ধারার অপব্যবহারের সুযোগ নেই।

    “একজন পুলিশ অফিসার আইনের অপব্যবহারও করলেও চূড়ান্ত বিচার করার ক্ষমতা তো তাঁর নেই। বিচার তো আইন অনুযায়ী আদালতই করবে। কাজেই এই ধারার অধীনে আইনের অপব্যবহারের সুযোগ নেই”, বলেন মি. জব্বার।

    পাশাপাশি এই আইন থেকে সাংবাদিকদের বাদ রাখার যে আবেদন করা হয়েছিল তা বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী।

  • এক নারীকে নগ্ন করে মারধর করে একদল দুর্বৃত্ত নারীর গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়াও ছিটিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা

    এক নারীকে নগ্ন করে মারধর করে একদল দুর্বৃত্ত নারীর গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়াও ছিটিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা

    চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক নারীকে নগ্ন করে মারধর করে একদল দুর্বৃত্ত। তাদের এ তাণ্ডবের শেষ হয়নি এখানে, ওই নারীর গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়াও ছিটিয়ে দেয় তারা। দুর্বৃত্তদের ঠেকাতে এগিয়ে এসে মারপিটের শিকার হয়েছেন ওই নারীর শ্বশুড়।

    চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের অাসাম প্রদেশের করিমগঞ্জ এলাকায়। ভারতীয়  খবরে বলা হয়েছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর এক নারীকে নগ্ন করে বেধড়ক মারধর করেন বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত। তাদের বাধা দিতে ছুটে আসেন নারীর শ্বশুর। তাকে গাছে বেঁধে তার সামনেই চলে নারকীয় অত্যাচার। পুরো দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া হয়।

    পুলিশে অভিযোগ জানালে ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে বলে ওই নারীকে হুমকি দেয়া হয়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর করিমগঞ্জ পুলিশ নড়ে-চড়ে বসে। পরে রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    অাসাম পুলিশের মহাপরিচালক কুলধর সাইকিয়া বলেন, আমরা ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছি। বাকি অভিযুক্তদেরও শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে।

    করিমগঞ্জের অাসাম-মিজোরাম সীমান্তের আদিবাসী অধ্যুষিত মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা ওই নারীর অভিযোগ, ১০ সেপ্টেম্বর সকালে দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে পড়ে ৬-৭ জন যুবক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আবাসন প্রকল্পের পাওয়া সহায়তার টাকা চাঁদা দাবি করে এই যুবকরা।

    চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে বেআইনি মদ বিক্রির অভিযোগ তুলে মারধর শুরু করে তারা। পর গ্রামবাসীরা জড়ো হলে তাদের সামনেই নগ্ন করে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ।

  • সাড়ে তিন কোটি টাকার ইয়াবাসহ মডেল আটক

    সাড়ে তিন কোটি টাকার ইয়াবাসহ মডেল আটক

    শনিবার রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় ইয়াবাসহ এক র‌্যাম্প মডেল ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে র‌্যাব। উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবার দাম প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।

    উপজেলার শান্তিরহাট মোড় থেকে আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন র‌্যাম্প মডেল সুমাইয়া আকতার (১৯) ও  মডেল অর্পন দাস (৩০) এবং প্রাইভেটকার চালক মো. শরীফ (৩২)। ইয়াবাসহ এসময় তাদের প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।

    র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান জানান, আটককৃতরা কক্সবাজার থেকে নম্বরবিহীন একটি প্রাইভেটকার যোগে ইয়াবাসহ ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এমন সংবাদ পেয়ে পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

  • ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্র

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্র

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা ডা. লোটে শেরিং। তিনি ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

    এমবিবিএস পাস করে বাংলাদেশে জেনারেল সার্জারি বিষয়ে এফসিপিএস করেন। ২০১৩ সালে সিভিল সার্ভিস থেকে অব্যাহতি নিয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন লোটে শেরিং।

     গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভুটানে অনুষ্ঠিত প্রথম দফা নির্বাচনে তার ডিএনটি দল জয়লাভ করে চমক সৃষ্টি করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে প্রথম দফা নির্বাচনে হেরে ছিটকে পড়েন। অবশ্য তিনি পরাজয় মেনে নিয়েছেন। ডা. লোটে শেরিং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ১৮ অক্টোবর।

    moymonsing4

    জানা যায়, ভুটানে দুই দফায় ভোট হয়। প্রথম দফায় ভোটাররা রাজনৈতিক দলগুলোকে ভোট দেয়। দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ডা. লোটে শেরিং মুখোমুখি হবেন ডিপিটির ফেনসাম সগবার। কিন্তু ইতোমধ্যে বিপুল ভোটে ডা. লোটে শেরিংয়ের ডিএনটি জয়ী হয়েছে।

    ডা. লোটে শেরিংয়ের প্রোফাইলে শিক্ষাগত যোগ্যতার স্থানে এমবিবিএস ঢাকা ইউনিভার্সিটি লেখা, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। তিনি জেনারেল সার্জারিতে এফসিপিএসও করেছেন বাংলাদেশে।

    moymonsing3

    যে দুই দল প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান পায় তারা পার্লামেন্টের ৪৭টি আসনে প্রার্থী দেয় এবং তখন দ্বিতীয় দফা ভোট হয়। এবারের প্রথম দফার ভোটে চারটি দল অংশ নেয়। প্রথম দফার মৌলিক নির্বাচনে বিস্ময়কর সাফল্য পান লোটে শেরিং।

    রাজনীতিতে আসার আগে ডা. লোটে শেরিং জেডিডব্লিউএনআরএইচ অ্যান্ড মঙ্গার রিজিওনাল রেফারেল হসপিটালে কনসালট্যান্ট সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জেডিডব্লিউএনআরএইচে ইউরোলজিস্ট কনসালট্যান্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ২০১৩ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং ২০১৮ সালের শুরুতেই দলের শীর্ষপর্যায়ে চলে আসেন ডা. লোটে শেরিং।

  • বিএনপি-কামাল জোট অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়

    বিএনপি-কামাল জোট অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়

    খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি-কামাল জোট ১/১১ এর মতোই দেশে আরেকটি অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠার অশুভ লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও তারা সফল হবে না।

    তিনি বলেন, তাদের কোন অযৌক্তিক দাবি মানা হবে না। বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের নের্তৃত্ব দেবেন। সংবিধানের বিধি-বিধানের বাইরে যাবার কোন সুযোগ নেই।

    খাদ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন বাজারে গিয়ে জনসংযোগ করে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার সময় এসব কথা বলেন।

    জনসংযোগ শেষে মন্ত্রী স্থানীয় স্কুল মাঠে এক জনসভায় বক্তৃতা করেন। হযরতপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাজী আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শফিউল আযম খান বারকু, ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম প্রমুখ

  • মঞ্জুকে  কুপিয়ে আহত করা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন

    মঞ্জুকে কুপিয়ে আহত করা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান মঞ্জু’র উপর কতিপয় চিহ্নিত জঙ্গি সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলা করে কুপিয়ে জখম করার প্রতিবাদে ও দ্রুত হামলাকারী সন্ত্রসীদের গ্রেপ্তারের দাবী জনিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল।

    রোববার সকাল ১১টায় সদররোড বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বক্তব্য রাখেন,মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক খান মোঃ আনোয়ার,সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সমির,মতিউর রহমান মিঠু,তারেক সোলাইমান,সাইদুল ইসলাম ও ডাঃ মোঃ আনিস।
    বক্তারা অভিলম্বে মসিউর রহমান মঞ্জুর উপর হামলাকারীদের গ্রেপতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

  • ইয়াবাসহ পুলিশের খাঁচায় এবার বরিশালের সেই অনিক চৌধুরী

    ইয়াবাসহ পুলিশের খাঁচায় এবার বরিশালের সেই অনিক চৌধুরী

    বরিশাল শহরের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল চৌমাথা এলাকায় অনিক চৌধুরী একটি আতংকিত নাম। কেউ এই নামটি জোপে ভয়ে। আবার কেউ তাকে তোয়াজ করে অনৈতিক সুবিধা হাসিলের কারণে। এই অনিক স্থানীয় ব্যক্তি বিশেষকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে চৌমাথা এলাকায় গড়ে তুলেছেন মাদকের একটি শক্তপোক্ত সিন্ডিকেট।

    অবশ্য মাদকের হোলসেলর নামের তকমাটি জুড়তে গিয়ে তিনি কতিপয় ব্যক্তিকে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়েই ব্যবসাটি চালাচ্ছিলেন। এমনকি শোনা গেছে, অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে পুলিশও ছিল ম্যানেজ। কিন্তু সেই অনিকের লাগাম এবার টেনে ধরার সক্ষমতা দেখালো কোতয়ালি থানা পুলিশ।

    শনিবার রাতে এই থানা পুলিশের একটি টিম নবগ্রাম রোড এলাকা থেকে অনিক চৌধুরী ও তার সহযোগী রিপন দাস কালুকে গ্রেফতার করে। ওই সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করার বিষয়টি জানিয়েছে পুলিশ। অনিক চৌধুরী বরিশাল শহরের স্বনামধন্য চিকিৎসক মজিবুর রহমান রিপন ওরফে এমআর চৌধুরীর ভাতিজা।

    ভয়াঙ্কর এই যুবক সাম্প্রতিকালে এক তরুণীকে প্রকাশ্যে সড়কে ফেলে পিটিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন। এমনকি সেই ঘটনায় কোতয়ালি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়েছিল। কিন্তু তখন থানার তদন্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান অনিককে রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেন। ফলে সেই দফা তরুণীর কাছে হাত পা ধরে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পেয়েছিলেন।

    তবে ভেতরের খবর হচ্ছে ওসি আসাদ লাখ টাকা সন্ধিচুক্তিতে তাকে রক্ষায় অগ্রসর হয়েছিলেন। সেই ঘটনার মাস দুয়েকের মাথায় অনিক চৌধুরী ইয়াবা নিয়ে পুলিশের জালে আসার বিষয়টি ব্যাপক ভাবে আলোড়িত হচ্ছে। বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, সহকারী কমিশনার রাসেল হোসেনের নেতৃত্বে শনিবার রাতে নবগ্রাম রোডে অভিযান করে অনিক ও তার সহযোগী কালুকে আটক করা হয়। ওই সময় অনিকের কাছ থেকে ২০ ও কালুর কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের পরবর্তী তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই অনিক ওই এলাকার অনিচুর রহমান ওরফে বাবুল চৌধুরীর ছেলে।

    এদিকে অনিকের গ্রেপ্তারের খবরে নগরীর চৌমাথা এলাকার বাসিন্দাদের স্বস্তি এনেছে। এমনকি অনেকে গ্রেফতারের খবর শুনে আনন্দ উল্লাসও প্রকাশ করেছেন।

  • দুই রান আউটে ব্যাটিং বিপর্যয়ে টাইগাররা

    দুই রান আউটে ব্যাটিং বিপর্যয়ে টাইগাররা

    ১৮ রানের মধ্যে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ মিঠুনের পর এশিয়া কাপে আরও একবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের সামনে যখন, তখন বাংলাদেশকে পথ দেখান আগের তিন ম্যাচে ব্যর্থ লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম।

    তবে ম্যাচের ১৯তম ওভারে ৪১ রান করা লিটন দাসকে ফিরিয়ে আফগানদের স্বস্তি এনে দেন রশিদ খান। আর ওই ওভারের শেষ বলে সাকিব রান আউট হলে বিপদের গন্ধ পায় বাংলাদেশ। আর ২১তম ওভারে মুশফিক ৩৩ রান করে ফিরে গেলে এশিয়া কাপে আরও একবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে টাইগাররা।

    এর আগে, টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দেখে-শুনে শুরুটা করে দুই ওপেনার লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে আগের দুই ম্যাচের এই ম্যাচেও পুরোপুরি ব্যর্থ তামিমের অনুপস্থিতি দলে সুযোগ পাওয়া শান্ত। এরপর ব্যাটিং প্রমোশনে তিনে ব্যাট করতে আসা মোহাম্মদ মিঠুন এক রান করে ফিরে যান।