Author: banglarmukh official

  • অনশনেও বিভক্ত বিএনপি

    অনশনেও বিভক্ত বিএনপি

    দলীয় বিভক্তিতে বরিশাল মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে পৃথকভাবে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর সদর রোডের বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন নেতাকর্মীরা।

    এদিকে, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁনের সভাপতিত্বে দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা সমাবেশ ও প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন।

    অপরদিকে, উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদের সভাপতিত্বে উত্তর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতীকী অনশন পালন করেন।

    একই সময় দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপির প্রতীকী অনশন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার।

    এতে বক্তব্য রাখেন- মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন প্রমুখ।

    অনশন ও সমাবেশ থেকে বিএনপির নেতৃবৃন্দ আগামী অক্টোবরে জাতীয় নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার আগে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করে তার নেতৃত্বে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলেও সমাবেশে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিএনপি নেতারা।

    এদিকে বিএনপির প্রতীকী অনশন ও সমাবেশ উপলক্ষে বিএনপির কার্যালয়সহ সদর রোডের আশপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ হয় বিএনপি এ অনশন।

  • মসজিদের পাশে কবর চান কনক চাঁপা

    মসজিদের পাশে কবর চান কনক চাঁপা

    বাংলা সংগীতের এক উজ্জল নক্ষত্রের নাম রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা। অসংখ্য গান গেয়ে মানুষের মন জয় করে আছেন তিনি। আজ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ এই প্রথিতযশা কণ্ঠশিল্পীর জন্মদিন। ১৯৬৯ সালের এই দিনে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। যেখানে জন্মদিন নিয়ে মানুষের আগ্রহের কোন শেষ নেই, সেখানে কনক চাঁপার এই দিনটি নিয়ে আলাদা ভাবে কোন আগ্রহ নেই।

    কনক চাঁপা বললেন, ‘প্রতিটি কর্মদিবসই আমার জন্মদিন। কাজের মাঝেই এবং কাজের জন্যই আমার জন্ম। আমি একজন আপাদমস্তক কন্ঠশ্রমিক।যে মহামানব হযরত মুহাম্মাদ সঃএর জন্য এই পৃথিবীর জন্ম তাঁর জন্মদিন মৃত্যু দিবস পালন যেখানে নিয়ম নাই সেখানে আর কারো জন্মদিবস পালন অর্থহীন। যদিও সেপ্টেম্বর মাস এবং এগারো সংখ্যা আমার খুবই প্রিয়। হাজার হলেও আমি মানুষ, নিজেকে ভালবাসি, তাই হয়তো এর বাইরে যাওয়ার সাধ্য আমার নাই। তবে আমি কখনোই আমার জন্মদিন এবং মৃত্যু দিন পালন করা হোক এ আমি চাই না।’

    তবে জন্মদিনে বেশ কিছু ইচ্ছে অনিচ্ছের কথা জানিয়েছেন এই শিল্পী। কনক চাঁপা বলেন,‘এ বছর আমি উনপঞ্চাশ এ পা রাখবো। কর্মহীন দীর্ঘজীবন আমার খুবই অপছন্দ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকতে চাই, সুরের সাথে ন্যায়ের সাথে ভালো কাজের সাথেই থাকতে চাই। আরো ভালো কিছু কাজ করতে চাই। এই আমার বড় ইচ্ছা। মৃত্যুর পর শহীদ মিনারে যেতে চাইনা একদমই। এটাও আমার বড় ইচ্ছা, মসজিদের পাশে কবর চাই এটাও আরেকটি সুপ্ত ইচ্ছা।’

    কনক চাঁপা আরও বলেন,‘সত্যিকার অর্থেই জন্মদিন এর প্রতি আলাদা কোন দুর্বলতা আমার নেই একথা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই। আর আমি কোন সেলিব্রিটি বা তারকা নই যে আমার জন্ম তারিখ কাউকে মনে রাখতে হবে।বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতের উন্নতি করার জন্য আমি গান গাইনি, আমি গান গেয়েছি নিজের জীবিকার তাগিদে তাই দেশের মানুষের কাছে সুশীল সমাজের কাছে, সরকারের কাছে আমার কোনই চাওয়া নেই, আক্ষরিক অর্থেই এক ফোঁটাও চাওয়া পাওয়া নেই। জন্মদিন তো দুরের কথা।’

    ছোট বেলার জন্মদিনের স্মৃতি ও একজন শিল্পী হয়ে ওঠার পিছের গল্পও শোনালেন কনক চাঁপা। বললেন, ‘জন্মদিন! সবাই একটা নির্দিষ্ট তারিখে জন্ম নেয়। কারো বাবা-মা সে তারিখ মনে রাখে, কারো বাবামা জন্ম দিয়ে বাচ্চা লালন করার তাগিদে সেই তারিখ ভুলে যান। আমি সৌভাগ্যবান কারণ আমার বাবা সে তারিখটি সযত্নে নিজ ডায়েরির পাতায় লিপিবদ্ধ করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু সেই তারিখে কেক কেটে মোম জ্বালিয়ে স্বজনদের দাওয়াত করে উৎসব পালনের রেয়াজ আমাদের পরিবারে ছিল না। যখন কিশোরী হয়ে উঠছিলাম তখন দুয়েক বছর বান্ধবীদের ডেকে মা পায়েস চানাচুর কেক নুডলস কলা দিয়ে আপ্যায়ন করেছিলেন বটে। এর পরই বিয়ে হয়ে গেলো সেই কিশোরী থাকতেই। স্বামী একজন মিউজিক ডিরেক্টর। বলা যায় দুজনই বেকার। গান গাওয়ার জন্য বিটিভি, বাংলাদেশ বেতারে যাওয়ার রিক্সা ভাড়া জোটানোও ভয়াবহ কঠিন কাজ ছিল! জীবন বাঁচাতে জীবিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে এই কিশোরী তখন দুবাচ্চার মা। তবুও গান গেয়ে যেভাবে মানুষের মনে নিজ পরিচয় নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তাতে এখনকার যুগ হলে স্টার হয়ে যেতাম। ইউটিউব এ ভিউ কোটির ঘর ছাড়িয়ে যেতো কিন্তু কখনোই বুঝতে সক্ষম হইনি যে আমার গান মানুষ শোনে বা আমি জনপ্রিয় কেউ! চুরাশি সালে পয়লা ছবির গান গাইলেও নব্বই দশকে ছবির গান গাওয়া নিয়মিত হল। তখন থেকেই জীবন আর আমার হাতে রইলো না।এবং জন্মদিন ভুলেই গেলাম। কত জন্মদিন মঞ্চে রেকর্ডিং স্টুডিওতে পার করেছি ইয়ত্তা নেই। কেউ জানতোও না মাইক্রোফোন এ দাঁড়ানো কন্ঠশ্রমিকের আজ জন্মদিন। যাদের আন্ডারে অর্থাৎ যে মিউজিক ডিরেক্টর দের সুরে গান গাইতে সারাদিন সারামাস স্টুডিওতে কাটিয়েছি, অথবা এফডিসির কেউ, তাঁরাও বলতে পারবেন না আমার জন্মদিন কবে। কখনো কোন পেপার পত্রিকার কাছ থেকে শুভেচ্ছা শুভকামনা পাইনি।ঘরের মানুষ ও প্রায় বছরই ভুলে গেছেন একথা। ভুলে যাওয়াটা নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই হয়েছে। কত জন্মদিন ফ্লাইট এ কাটিয়েছি, ইকোনমি ক্লাসের যাত্রী বলে ফ্লাইটের তরফ থেকেও সে শুভাশিস পাইনি।ছেলেমেয়ে মেয়ে জামাই, আমার অনলাইন স্কুলের সন্তান সম ছাত্রছাত্রীরা , তারা যদিও জন্মদিন পালন করে এখন খুব আগ্রহভরে। কিন্তু এখন আর এইসব সেভাবে আমাকে টানে না।’

    উল্লেখ্য, কনক চাঁপার বাবার নাম আজিজুল হক মোর্শেদ। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তৃতীয় কনক চাঁপা। অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি বাংলা গানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন। চলচ্চিত্র, আধুনিক গান, নজরুল সঙ্গীত, লোকগীতি সহ প্রায় সবধরনের গানে কনক চাঁপা সমান পারদর্শী। তিনি ৩২ বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত চলচ্চিত্রের তিন হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কনক চাঁপা। প্রকাশিত হয়েছে ৩৫টি একক গানের অ্যালবাম।

    গানের পাশাপাশি লেখক হিসেবেও কনকচাঁপার সুখ্যাতি রয়েছে। ২০১০ সালের অমর একুশে বইমেলায় ‘স্থবির যাযাবর’, ২০১২ সালের অমর একুশে বইমেলায় ‘মুখোমুখি যোদ্ধা’ ও ২০১৬ সালের অমর একুশে বইমেলায় ‘মেঘের ডানায় চড়ে’ নামে তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে কনক চাঁপার।

    কনকচাঁপা বিখ্যাত কন্ঠশীল্পি বশীর আহমেদের ছাত্রী। দীর্ঘদিন তাঁর কাছে উচ্চাঙ্গ, নজরুল সঙ্গীতসহ অন্যান্য ভারতীয় সঙ্গীতের তালিম নিয়েছেন।

    তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে, অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন, তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই, ভাল আছি ভাল থেকো, যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর হয়ে রয় (খালিদ হাসান মিলুর সাথে), আমার নাকেরই ফুল বলে রে তুমি যে আমার, তোমায় দেখলে মনে হয়, আকাশ ছুঁয়েছে মাটিকে, অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে, তুমি আমার এমনই একজনসহ অনেক গান।

    গানের জন্য রুমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা ৩ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া তিনি বাচসাস চলচ্চিত্র পুরস্কার, দর্শক ফোরাম পুরস্কার, প্রযোজক সমিতি পুরস্কারসহ আরও অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

  • চার মন্ত্রী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য আবেদন

    চার মন্ত্রী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য আবেদন

    চলচ্চিত্রের শিল্পী সংকট দূর করার লক্ষ্যে শুরু হচ্ছে ‘নতুন মুখের সন্ধানে-২০১৮’ প্রতিযোগিতা। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশ থেকে বড় পর্দার জন্য অভিনয়শিল্পী সংগ্রহ করা হবে। ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে প্রতিযোগিতাটি। সেদিন থেকেই আবেদন করতে পারবেন প্রতিযোগীরা। জানা গেল এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করবেন চারজন মন্ত্রী ও দুইজন সচিব।

    অভিনয়ে আগ্রহীদের আবেদনপত্র জমা নেওয়া শুরু হবে তাদের মাধ্যমেই। এমনই জানিয়েছেন পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার। তিনি জানান, প্রথম দিন প্রতীকীভাবে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করবেন চার মন্ত্রী ও দুই সচিব।

    মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘আমাদের প্রতিযোগীতার আবেদন পত্র জমা নেওয়া শুরু হবে একটা অন্যরকম চমক দিয়ে। । চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম আবেদন করবেন চারজন মন্ত্রী ও দুই সচিব। তবে সেটি হবে প্রতীক আবেদন।’

    কারা এই চারজন মন্ত্রী ও দুই সচিব যারা অভিনয়ে আসার জন্য আবেদন করবেন। গুলজার জানালেন, তার আর কেউ নন এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিশেষ অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য সচিব এম এ মালেক ও সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

    এ ছয়জনই প্রথম প্রতীকী অর্থে অভিনয়ের জন্য আবেদন করবেন। মুশফিকুর রহমান গুলজার আরও বলেন, ‘আমরা এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পীদের যে শূন্যতা চলছে, তা পূরণ করার চেষ্টা করব ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। আশা করি, সারা দেশ থেকে শিল্পীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে চলচ্চিত্রে নিয়মিত কাজ করবেন।’

    এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত থাকবেন চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নবীন-প্রবীণ তারকাশিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও কলাকুশলীরা। নায়ক, নায়িকা, পার্শ্ব-অভিনেতা, খলনায়ক, কমেডি ও শিশুশিল্পী—এই ছয়টি ক্যাটাগরিতে শিল্পী নেওয়া হবে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকেই আবেদন করতে পারবেন অভিনয়ে আগ্রহীরা।

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে এবং বিএফডিসির সহযোগিতায় ‘অফট্র্যাক ইভেন্টস অ্যান্ড অ্যাডভারটাইজিং’ এবং ‘টিম ইঞ্জিন’-এর ব্যবস্থাপনায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন মুখের সন্ধানে-২০১৮’। আগামী ১৬ সেপ্টম্বর থেকে শুরু হবে প্রতিযোগিতার মূল কার্যক্রম। সেদিন থেকেই শুরু হবে নতুন শিল্পীদের রেজিস্ট্রেশন। এই রিয়েলিটি শো সম্প্রচার করবে এশিয়ান টিভি।

    মান্না, সোহেল চৌধুরী, দিতি, অমিত হাসান, আমিন খান, মিশা সওদাগরসহ জনপ্রিয় অনেক শিল্পী চলচ্চিত্রে এসেছেন ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এর আগে ১৯৮৪, ১৯৮৮ ও ১৯৯০ সালে মোট তিনবার ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

  • পুরস্কারে না থাকলে মেসির কি আসে যায় : সুয়ারেজ

    পুরস্কারে না থাকলে মেসির কি আসে যায় : সুয়ারেজ

    এবার ফিফা বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায়ও জায়গা হয়নি লিওনেল মেসির। ১১ বছর পর এমন ঘটনা ঘটলো, যাতে বিস্মিত পুরো ফুটবল দুনিয়া। তবে বিস্মিত নন তার বার্সেলোনা সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ। আর্জেন্টাইন সুপারস্টার কোনো পুরস্কার না জিতলেও তার অর্জনে এতটুকু কিছু আসবে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

    ফিফা বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় এবার নাম এসেছে রিয়াল মাদ্রিদের লুকা মদ্রিচ, জুভেন্টাসের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর লিভারপুলের মোহামেদ সালাহর। মেসির নামই যেহেতু নেই, পুরস্কার জেতার প্রশ্নই আসে না। মেসির ক্যারিয়ারে কি এটা সবচেয়ে বড় ধাক্কা?

    লুইস সুয়ারেজ মোটেই তেমনটা মনে করছেন না। উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার বলেন, ‘আমার মনে হয় না, কোনো অ্যাওয়ার্ড পাওয়া কিংবা না পাওয়ায় কিছু যায় আসে। সে যা জিতেছে এবং যা অর্জন করে চলেছে, সেটা তার থেকে দূরে যাবে না। ব্যাপারটা এমন যে, আমি গোল করলাম আর এটা (পুরস্কার) জেতার যোগ্য হয়ে গেলাম। আমি এসব মনে করি না। আপনি কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, প্রতি ম্যাচেই আপনি সেটা দেখাচ্ছেন।’

    মাঠে মেসির যে প্রভাব, সেটা পুরস্কারের সঙ্গে তুলনা করা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন সুয়ারেজ। বার্সা স্ট্রাইকারের ভাষায়, ‘পুরস্কারের চেয়ে মাঠে যেটা আপনি জেতেন, সেটা বেশি মূল্যবান। সেটা হতে পারে সেরা গোলদাতা হওয়া। এটা আপনার কাছ থেকে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। আপনি তো গোল করেই সেটা জিতে নিয়েছেন, মাঠে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, খেলোয়াড় বা সাংবাদিকদের ভোটে আপনি সেটা জেতেননি।’

    আর্জেন্টাইন সতীর্থকে প্রশংসায় ভাসিয়ে সুয়ারেজ বলেন, ‘এমন অনেক সময় থাকে, যখন আপনাকে তার দিকে তাকাতেও হবে না। কারণ আপনি জানেন, সে বলটা আপনার চাওয়া মতোই দেবে। অনেক সময় থাকে আপনি এমন ফাঁকা জায়গা দেখবেন, যেটাতে সুযোগ নেয়া যায়। এই সময়ও তাকে কিছু বলতে হবে না, কারণ ইতোমধ্যেই সে ওই জায়গায় চলে গিয়েছে। এজন্যই অনেক মানুষ এবং আমার কাছে সে ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। তাকে কিছু বলতে হয় না, কারণ সে সবই দেখতে পায়।’

  • অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান

    অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান

    জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার ক্লার্কসডর্পে, খেলবেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে! ২৪ বছর বয়সী মার্নাস লাবোসকাগনে ডাক পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেই অভিষেক হয়ে যেতে পারে তার।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের টেস্ট দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার যে দলে জায়গা দিয়েছেন পাঁচ নতুন মুখকে। তাদের মধ্যে একজন এই লাবোসকাগনে।

    ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্লার্কসডর্পে জন্ম লাবোসকাগনের। জন্মের ১০ বছর পর অর্থাৎ ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পারি জমায় তার পরিবার। এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়াতেই আছেন এই ক্রিকেটার। ‘এ’ দল হয়ে এখন ডাক পেয়ে গেছেন জাতীয় দলেও।

    লাবোসবাগনে এমনিতে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবে টুকটাক লেগস্পিনও করতে জানেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার ব্যাটিং গড় ৩৫.১৯। ৩৫ ম্যাচে ৪টি সেঞ্চুরিসহ ২১৪৭ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। লেগস্পিন ভেল্কিতে নিয়েছেন ১২টি উইকেট।

  • ‘দর্শক মাঠে আসতে শুরু করেছিল’

    ‘দর্শক মাঠে আসতে শুরু করেছিল’

    আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের পর অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতায় মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের। আলোচনার বিষয়বস্তু সেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সেই ব্যর্থতা। দেশের সর্বকালের সেরা ফুটবলার, দক্ষ কোচ-ফুটবল মাঠের কোনো কিছুই তার চোখ এড়ানোর নয়। অনেক কিছু বুঝেও তাকে নীরবে সইতে হয়। তিনি যে অভিভাবক।

    কাজী মো. সালাউদ্দিনের একটা শঙ্কা দর্শক ধরে রাখা নিয়ে। নীলফামারীতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ এবং বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দর্শক ঢল দেখে অভিভূত হয়েছেন তিনি। অবাক হয়েছেন মালদ্বীপ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচেও ৮/৯ হাজার দর্শক আসায়। সবই জাতীয় দলের ভালো রেজাল্টে।

    ‘দল ভালো ফলাফল করলে দর্শক আসবে। এটা আমি আগেও বলেছি। আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছিলাম, দর্শক মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরে। দর্শক মাঠে আসতে শুরু করেছিল। এটা দেশের ফুটবলের বড় এক দিক। কিন্তু হঠাৎ সব এলোমেলো’-বলছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি।

    এই হারের নেতিবাচক প্রভাব বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে দর্শকদের মধ্যে পড়বে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘পড়তেও পারে। মানুষ জয় দেখতে পছন্দ করে। তবে আমাদের দায়িত্ব হলো এটা কাটিয়ে তোলা। একটি হার, একটি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়া মানেই কিন্তু সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। জার্মানিও তো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। তার অর্থ এই নয় যে, জার্মানির ফুটবল শেষ হয়ে গেছে।’

  • বার্নিকাটর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    বার্নিকাটর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট।

    মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

    আগামী অক্টোবরে ঢাকা মিশন শেষ হচ্ছে প্রায় তিন বছর ধরে ঢাকায় থাকা জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক মার্শা বার্নিকাটের। তবে সরকার প্রধানের সঙ্গে এটি তার বিদায়ী সাক্ষাৎ নয়। বরং দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জরুরি আলোচনা করতে বৈঠক করছেন তিনি।

    বৈঠকের সঙ্গে যুক্ত কূটনীতিকরা ধারণা করছেন, সরকার প্রধান ও মার্কিন দূতের বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশন, বৈশ্বিক, আঞ্চলিক এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সমস্যা ও সম্ভাবনা, বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সহিংসতামুক্ত পরিবেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচনের একটি গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার প্রশ্নে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতাতেও উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বাংলাদেশের বন্ধু-উন্নয়ন সহযোগীরা।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাওয়ার জন্য গত সপ্তাহে মার্কিন দূত পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে এ সংক্রান্ত একটি নোটভারবালও হস্তান্তর করেন।

    অবশ্য ৫ সেপ্টেম্বরে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের দিনেই বিমানবন্দরে আকাশবীণার উদ্বোধনীতে সরকার প্রধানের সঙ্গে দেখা হয় বার্নিকাটের। বিমানের ভেতরে পাশাপাশি বসে একটি সেলফিও তুলেন রাষ্ট্রদূত।

  • বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সংসদ অধিবেশন মুলতবি

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সংসদ অধিবেশন মুলতবি

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জাতীয় সংসদে নেমে এসেছে অন্ধকার। সংসদ অধিবেশন শুরুর পনের মিনিট আগে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া পরও সেখানে লাইন দিতে না পারায় সংসদের বেশির ভাগ রুম অন্ধকারে ছেয়ে যায়। তবে জেনারেটরের মাধ্যমে সংসদ অধিবেশন সোয়া এক ঘণ্টা চলার পর বিদ্যুৎ স্বাভাবিক না হওয়ায় তড়িঘড়ি করে সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়।

    মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় সংসদ অধিবেশন চলার পনের মিনিট আগে বিদ্যুৎ চলে যায়। সেই অবস্থাতেই অধিবেশন শুরু হয়। পরে বিদ্যুৎ আসলেও সংসদে লাইন দেয়া যাচ্ছিল না। লাইন দিলেই কেটে যাচ্ছিল। এরপর ঘণ্টা খানেক অধিবেশন চলার পর ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া সংসদের সব কাজ স্থগিত করে বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বৈঠক মুলতবি করেন।

    এ বিষয়ে পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, ‘আমাদের সংসদ চলে মেঘনা ঘাটের ৪০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎগ্রিডের মাধ্যমে। কিন্তু সেখানে কারিগরি সমস্যা দেখা দেয়ায় সংসদের বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। এজন্য সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়েছে।’

    সংসদের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর তা আসলেও সংসদের লাইন দেয়া যাচ্ছিল না। বার বার কেটে যাচ্ছিল। এজন্য এখন আর লাইন দেয়ার সাহস পাচ্ছেন না কর্মকর্তারা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে লাইন দেয়া হবে।

    সংসদের চিফ হুইপ ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ের কয়েকটি রুম ঘুরে দেখা গেছে তারা মোবাইলের লাইন দিয়ে জরুরি কাজ করছেন। সন্ধ্যা ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংসদের বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হয়নি।

  • আওয়ামীলীগ ও বিএপির প্রার্থী চুড়ান্ত

    আওয়ামীলীগ ও বিএপির প্রার্থী চুড়ান্ত

    আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে সব কয়টি সংসদীয় আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ ও সাবেক ক্ষমতাসীন দল বিএনপি দফায় দফায় বিভিন্ন সংস্থা এবং দলীয় বুদ্ধিজীবি ও সুধীমহল দিয়ে একাধিক জরিপের পর ৩০০আসনে প্রার্থী প্রাথমিক ভাবে চুড়ান্ত করেছে। প্রার্থী চুড়ান্তের ক্ষেত্রে দিনীতি অবলম্বন করা হয়েছে।

    এক দলগত ভাবে, দুই জোটগতভাবে। দলগতভাবে যেসব প্রার্থী চুড়ান্তকরা হয়েছে নিম্নে তার তুলে ধরা হল: ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী ৫ থেকে এবং একই আসন থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদ মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিশ্চিত।

    এ দু নেতার কোন প্রতিদন্ধিও নেই। নোয়াখালী ১ আসনে ক্ষমতাসীন দলের একাধীক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও বিএনপিতে একক প্রার্থী ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। সামগ্রীক বিবেচনায় এই আসনে আওয়ামীলীগ বর্তমান সংসদ সদস্য এ এইচএম ইব্রাহিমের মনোনয়ন চুড়ান্ত করেছেন। নোয়াখালী ২ আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী জয়নাল আবেদিন ফারুক, তার প্রতিদন্ধি কোন প্রার্থী বিএনপিতে নাই। কিন্তু এ আসনে আওয়ামীলীগের অন্তত অর্ধডজন মনোনয়ন প্রত্যাশী।

    বর্তমান সংসদ সদস্য বয়সের ভারে নতজানু মোরশেদ আলম দলীয় মনোনয়ন চাইলেও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জনগনের সাথে সম্পর্ক তৈরীতে ব্যর্থ হওয়ায় তার মনোনয়ন হাতছাড়া হয়ে যায়। এখানে শক্তিশালী বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদিন ফারুককে মোকাবেলায় আওয়ামীলীগ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভুইয়া মানিকের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে। নোয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির বরকত উল্ল্যাহ বুলুর ও আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরনের মনোনয়ন নিশ্চিত।

    নোয়াখালী-৪ আসনে, আওয়ামীলীগের একরামুল করিম চৌধুরী ও বিএনপির মোঃ শাহাজাহানের মনোনয়ন নিশ্চিত। নোয়াখালীল দ্বিপ উপজেলার নোয়াখালী ৬ আসন হাতিয়ায় আওয়ামীলীগের মোহাম্মদ আলী ও বিএনপির ফজলুল আজিমের মনোনয়ন নিশ্চিত বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সূত্রমতে জোটগত নির্বাচন হলে নোয়াখালীতে কোন সংসদীয় আসন ১৪ দল বা ২০ দলের কোন শরীক দল পাওয়ার সম্ভবনা নেই। বড় ধরনের কোন অঘটন বা পরিবর্তন না ঘটলে আগামী সংসদ নির্বাচনে উল্লিখিতনেতারা আওয়ামীলীগ ও বিএনপির হয়ে পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে নির্বাচন করবেন।

  • গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

    গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

    বরিশাল নগরীর কাশিপুরের ইছাকাঠীতে গলায় ফাঁস দিয়ে তৃপ্তি বাড়ৈ (২১) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। তিনি কাশিপুরের ইছাকাঠী কলোনির বাসিন্দা দানিয়াল বাড়ৈর মেয়ে ও বরিশালে একটি কলেজ থেকে এইচএসএসি পাশ করেছেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, তৃপ্তির প্রায় দুই বছর আগে স্থানীয় বাসিন্দা পিটারের ছেলে চন্দনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এর কিছুদিন পর তাদের আবার সখ্যতা গড়ে উঠলে এ নিয়ে তাদের পারিবারের মধ্যে বিরোধ বাধে। এর জের ধরে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তৃপ্তি।

    পরিবারের লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম জানান, তৃপ্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।