Author: banglarmukh official

  • শিগগিরই শুটিংয়ে ফিরছেন ইরফান খান

    শিগগিরই শুটিংয়ে ফিরছেন ইরফান খান

    শামীম ইসলাম:

    বলিউডের প্রভাবশালী নায়ক ইরফান খানের হঠাৎ করে হাই-গ্রেড নিউরোএন্ডোক্রাইন ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর সবার জানা। আগস্টের শুরুর দিকে লন্ডনে চিকিৎসাধীন ইরফানের সর্বশেষ খবর পাওয়া গিয়েছিল কেমো থেরাপি নিয়েছেন তিনি। আর অভিনয় করতে পারবেন না এমন শঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন এই অভিনেতা। সবশেষ অভিনীত ‘কারওঁয়া’ সিনেমাটাই তার জীবনের সর্বশেষ সিনেমা হয়ে থাকে কিনা, জেগেছিল এমন শঙ্কাও! এরই মধ্যে সু খবর এলো আবারও অভিনয়ে ফিরতে যাচ্ছেন ইরফান খান।

    শারিরীক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো এখন তার। তাই প্রিয় কাজের মধ্যে ফিরতে যাচ্ছেন। উধম সিং এর বায়োপিকে অভিনয় করবেন ইরফান খান। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করবেন পরিচালক সুজিত সরকার। ছবিতে ‘উধম সিং’য়ের চরিত্রে অভিনয় করবেন ইরফান। হঠাৎ ইরফান অসুস্থ হওয়ায় কাজ থেমে যায় ছবিটির। তবে আর শঙ্কা নেই, শিগগিরই ক্যামেরার সামনে আসবেন এই অভিনেতা।

    প্রায় বছরখানেক আগে এই সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছিল। এর আগে সুজিত সরকারের পরিচালনায় পিকু সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন ইরফান খান, দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে তার জমজমাট রসায়ন লুফে নিয়েছিল দর্শক। সেই সুজিত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ইরফানের ফিরে আসার। তিনি বলেছেন, ‘সিনেমার পুরো টিম ইরফানের জন্যে অপেক্ষায় আছি, কখন তিনি ফিরবেন এবং নতুন করে কাজ শুরু করবেন আমাদের সঙ্গে। আমি এ পর্যন্ত যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, যাদের কাজ দেখেছি, তাদের মধ্যে ইরফান অন্যতম সেরা অভিনেতা। আমি জানি, ওর নির্দিষ্ট কিছু স্বপ্ন আছে, ফিরে এসে সেগুলো সে পূরণ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা করি। ওর সঙ্গে কাজ শুরু করার জন্যে আমরা সবাই পুরোপুরি প্রস্তুত।’

    নতুন সিনেমাতেও এরমধ্যেই নাম লেখানো শুরু করে দিয়েছেন ইরফান। স্ক্রীপ্টও পড়েছেন বেশ কয়েকটা। তবে দুয়েকটা কাজ আটকে আছে তার জন্যে, সেগুলো শেষ করেই নতুন সিনেমার কাজ ধরবেন, জানা গেছে এমনটাই। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিশাস ভরদ্বাজের ‘স্বপ্নাদিদি’ প্রোজেক্টটা। ভারতের প্রথম মহিলা গ্যাংস্টার স্বপ্না দিদির জীবনী অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটা, নাম ভূমিকায় অভিনয় করার কথা দীপিকা পাড়ুকোনের। তবে ইরফান অসুস্থ থাকায় সিনেমাটার শুটিং শুরু হতে পারেনি সময়মতো, দীপিকার শিডিউল জটিলতায় অচিরেই শুরু করাও যাচ্ছে না। সেকারণেই ইরফান-দীপিকার জুটি অনস্ক্রিনে দেখার জন্যেও দর্শকের অপেক্ষার প্রহরটা বাড়ছেই।

  • নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন জরুরি : স্পিকার

    নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন জরুরি : স্পিকার

    শামীম ইসলাম:

    জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চার কেন্দ্রবিন্দু সংসদ। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন জরুরি। অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের মূলভিত্তি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা অন্যতম প্রধান শর্ত। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করাই ফেমবোসা’র মূল লক্ষ্য।

    বুধবার রাজধানী ঢাকার রেডিসন ব্লু’তে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আয়োজিত ফোরাম অব ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া (এফইএমবিওএসএ) এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ এফইএমবিওএসএ এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে আফগানিস্তানের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ও ফেমবোসার বর্তমান চেয়ারম্যান ডা. গোলাজান এ. বাদি সাইদ এবং বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বক্তব্য রাখেন।

    স্পিকার বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। সে কারণে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারিগরি উদ্ভাবনী, ওয়েরসাইট ডিজাইন, নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করার জন্য গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    এ সময়ে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন খুব কাছে উল্লেখ করে বলেন, ইতোমধ্যে কমিশন স্মার্ট কার্ডসহ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। ফেমবোসার এ ধরনের সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়া দেশসমূহের মাঝে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক জ্ঞান লাভে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।

    নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা আনয়নে ফেমবোসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি

    স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ বিজয় ছিনিয়ে আনে। এখন তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করেছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

    অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবম ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া’ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে তিনি ফেমবোসার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম ভোট অব থ্যাংকস প্রদান করেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে ভারতের নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা, ভুটানের নির্বাচন কমিশন সচিব দাউয়া তানজিন, মালদ্বীপের অ্যাম্বাসেডর এশাথ শান শাকির, নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডা. আইয়োদী প্রাশাদ জাদেভ, পাকিস্তানের ভারপাপ্ত হাইকমিশনার শাহ ফয়সাল কাকার, শ্রীলঙ্কার নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান মাহিন্দ্রা দেশাপ্রিয়াসহ বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনারগণ এবং দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের মানববন্ধন।

    স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের মানববন্ধন।

    শেখ সুমন :

    বেসরকারী স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা শিক্ষকদের শিক্ষা জাতীয়করণ এবং বার্ষিক ৫ ভাগ প্রবৃদ্ধি ও পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ)।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জেলা স্বাশিপের সভাপতি অধ্যাপক মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মামুন-অর রশিদ, অধ্যাপক কবির হোসেন, অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম সহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তাদের দাবির সুস্পস্ট ঘোষণা এবং দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সাথে স্বাশিপের কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুকে প্রাণনাশের হুমকীদাতাদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন স্বাশিপ নেতারা।

  • কৃষক ফেডারেশনের মানববন্ধন

    কৃষক ফেডারেশনের মানববন্ধন

    শেখ সুমন:

    জাতিসংঘের আসন্ন অধিবেশনে ‘কৃষক ও গ্রামের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার’ বিষয়ক প্রস্তাবনার পক্ষে বাংলাদেশের ভোট প্রদানের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছে কৃষক ফেডারেশন। সংগঠনের বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মো. হারুন ভান্ডারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম মহুরী, কিষানী সভার জেলা সভানেত্রী রেহেনা বেগম মিতু ও সাধারন সম্পাদিকা নূরনাহার মিলিসহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, কৃষি শ্রমিকদের ৮ ঘণ্টা শ্রমঘণ্টা নির্ধারণ, ন্যুনতম মজুরি নির্ধারণ, কাজের নিশ্চয়তা বিধান, ওভারটাইম মজুরি নির্ধারণ, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ ও নিরসনসহ কৃষি শ্রমিকদের নানা অধিকার সংরক্ষনের জন্য ‘লা ভিয়া ক্যাম্পেসিনা এবং এফএও যৌথভাবে বহু বছর ধরে কাজ করে আসছে। সবশেষ গত ১৩ এপ্রিল জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ‘কৃষক ও গ্রামের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার’ বিষয়ক প্রস্তাবনাটি আলোচিত হয়।

    জাতিসংঘের আসন্ন সভায় এই প্রস্তাবনাটি ভোটের জন্য উপস্থাপিত হবে এবং বাংলাদেশ এই প্রস্তাবে ভোট দেবে বলে মানববন্ধনে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন কৃষক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ।

  • প্রধানমন্ত্রীকে দেখলেই শেষ ইচ্ছে পূরন হবে লাইলি বেগমের।

    প্রধানমন্ত্রীকে দেখলেই শেষ ইচ্ছে পূরন হবে লাইলি বেগমের।

    ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে বের করা মিছিলে গুলি চালায় পাকিস্তানি পুলিশ। আর সেই খবর ঝালকাঠিতে এসে পৌঁছে ২২ ফেব্রুয়ারি সকালে। আর তখনই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে ঝালকাঠির স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। সেদিনের আন্দোলনে অংশ নেয়া অনেকেই আজ জীবিত নেই। যারা বেঁচে আছেন তাদেরও কেউ খোঁজ নেয় না। এমনই একজন লাইলী বেগম (৭৬)। ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। লাইলী বেগম বলেন, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে স্বাধীনতার বীজ বপন করেছি। মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, দেশও স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু ভাষা সৈনিকের কোনো স্বীকৃতি বা সম্মাননা পাইনি। বয়স অনেক হয়েছে। চলাচল করতেও কষ্ট হয়। যেকোনো সময় দেহ থেকে প্রাণটা বের হয়ে যেতে পারে। তবে মৃত্যুর আগে একটাই ইচ্ছা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, পাকিস্তানিদের চক্রান্তে মামলার স্বীকার হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭০ সালে ঝালকাঠিতে এসেছিলেন। তিনি ডাক বাংলোতে অবস্থানকালে আমি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাই। কিছুক্ষণ কথা বলার পর পানি পিপাসার কথা জানান বঙ্গবন্ধু। তখন টিউবয়েল থেকে পানি এনে তাকে পান করাই। তিনি (বঙ্গবন্ধু) যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে আমাদের ভাষা সৈনিকদের জন্য একটা সম্মাননার ব্যবস্থা করে দিতেন। আমিও তার কাছে গিয়ে ঝালকাঠির লাইলী বলে পরিচয় দিলে তিনি আমাকে ঠিকই চিনতেন। স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঝালকাঠিতে কোনো কলেজ ছিল না, স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরাই সেদিন বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দানের দাবিতে নেমেছিল। শাসক চক্রের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে ১৭ ফেব্রুয়ারি স্কুলছাত্রদের নিয়ে ৯ সদস্যের সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে এখানকার স্কুলগুলোতে ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল পালনের চেষ্টা করা হলেও গ্রেফতারের ভয় দেখানোয় তা সফল হয়নি। কিন্তু এদিন ঢাকায় গুলি বর্ষণের খবর পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি সকালে এখানে ছড়িয়ে পড়া মাত্রই উত্তেজিত ছাত্ররা রাস্তায় নেমে পড়ে। স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে প্রথম বারের মতো মিছিল বের হয়। মিছিলটি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছলে ছাত্রদের কাছ থেকে ঢাকায় ছাত্র হত্যার খবর পাই। সেদিন আমার নেতৃত্বে ছাত্রীরা বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেয়। মিছিলটি উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে সেখানকার শিক্ষার্থীরাও এতে যোগ দেয়। ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ এবং মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দানের স্বপক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে সরকারি বালিকা বিদ্যালয় মাঠে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি আমাকে বাসা থেকে পাকিস্তানি মিলিটারীরা ধরে নিয়ে যায়। ঝালকাঠি পৌরসভা সংলগ্ন ডাক বাংলোতে নিয়ে কর্মকর্তাদের সামনে হাজির করে আমাকে প্রশ্নবানে জর্জড়িত করেন। কে কে মিছিলে ছিলো? তাদের বাসা কোথায়? আমি সব জানা সত্তেও বলছিলাম কাউকেই আমি চিনি না। এভাবে তারা দিনের পর দিন আমাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে স্বীকারোক্তির জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করতেন। আমার একই কথা ছিলো ‘কাউকেই আমি চিনি না।’ এরপর আমার বিয়ে হয় পুলিশের এক হাবিলদারের সঙ্গে। যিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন অতন্দ্রভাবে সরকারি ডিউটি এবং বাকিটা সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ব্যয় করতেন। এ সময় দেশের ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পরিকল্পনা জেনে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে জানাতেন।’ লাইলী বেগমের ৮ মেয়ে ২ ছেলে। সন্তানদের মধ্যে কারো কোনো ভালো চাকরি না থাকায় কোনোমতে জীবন পার করছেন। তার মনের কষ্ট এখন একটাই, দীর্ঘ ৬৬ বছেরেও কেউ তাদের খোজ নেয়নি। পাননি কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

  • ১০ বছরে ১৮ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ

    ১০ বছরে ১৮ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ

    >> দুই মেয়াদে মোট ব্যয় অনুমোদন ১৭,৮২,৯০৪ কোটি টাকা
    >> অবকাঠামো খাতে অর্থ বরাদ্দ সবচেয়ে বেশি
    >> প্রথম মেয়াদে মোট ব্যয় ৪,৪৯,৮৩০ কোটি টাকা
    >> ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ৩,৮৪,৫২৮ কোটি টাকা
    >> ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩১৮টি প্রকল্প অনুমোদন
    >> উন্নয়নের ছোঁয়া সর্বত্র : পরিকল্পনামন্ত্রী

    বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে নেয়া হয়েছে মোট দুই হাজার ১৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্প। এসব প্রকল্পে প্রায় ১৮ লাখ কোটি (১৭ লাখ ৮২ হাজার ৯০৪ কোটি) টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। এ অর্থের বড় একটি অংশ বরাদ্দ হয়েছে রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে। এছাড়া কৃষি, আর্থ-সামাজিক ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে দেয়া হয়েছে রেকর্ড সংখ্যক প্রকল্প।

    jagonews

    গত ১০ বছরে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর তৈরি করা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলছেন, দেশের এমন কোনো জায়গা পাওয়া যাবে না যেখানে সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এই সরকার উন্নয়নমুখী। ধারাবাহিকতা বাজায় থাকার কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মনোযোগ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

    তিনি বলেন, এ সময়ে সরকার অনেক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এখন সময় এসেছে টেকসই উন্নয়নের প্রতি নজর দেয়ার। আগামীতে ক্ষমতায় আসলে অবশ্যই এ বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে। কেননা এতোদিন আমাদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি ছিল, এখন সেটা অর্জিত হয়েছে।

    পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, উন্নয়নের জন্য এই সরকার টানা ২০০৮-০৯ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত সময় পায়। এই ১০ বছরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৯০৪ কোটি টাকার। মোট দুই হাজার ১৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে এ অর্থ অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে গত তিন অর্থবছরেই অনুমোদন হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ২২ হাজার ৯০৬ কোটি টাকার প্রকল্প, যা গত ১০ বছরে অনুমোদিত ব্যয়ের প্রায় ৫৭ শতাংশ।

    দেশে বড় বাজেটের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০০৮-০৯ অর্থবছরের ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় অর্থবছরটির প্রথম একনেক সভা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের শেষ একনেক সভা হয় গত অর্থবছরের ২৬ জুন। এসব সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়।

    govt-1

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নকাজও এগিয়ে চলছে। প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন যাতে নির্বিঘ্নে হয়, সেজন্য যুক্ত করা হয়েছে ফার্স্ট ট্র্যাক। প্রতি মাসে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি খতিয়ে দেখছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। আর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন।

    প্রতিবেদনে পদ্মা সেতুসহ বেশির ভাগ প্রকল্পের সন্তোষজনক অগ্রগতির চিত্র উঠে এসেছে। ফার্স্ট ট্র্যাকভুক্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- পদ্মা সেতু, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামু-মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প।

    এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দেশের অবকাঠামোগত চিত্র অনেকটাই বদলে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    তথ্য অনুসারে, বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে অনুমোদিত প্রকল্প ব্যয়ের পরিমাণ চার লাখ ৪৯ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় মেয়াদে ১ হাজার ১৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে অনুমোদন হয়েছে ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে সাত লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, বৈদেশিক সহায়তা থেকে পাঁচ লাখ ১৩ হাজার কোটি এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭ হাজার কোটি টাকা। যদিও ২০০৫-০৬ অর্থবছরে মোট ৪৩ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা।

    পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দাবি, বড় ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুরুতে কিছুটা সক্ষমতার অভাব থাকলেও এখন যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে শতভাগ সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি একটি টেকসই গতিশীলতার মধ্যে এসেছে। সেই গতিশীলতা ধরে রাখতে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে সবসময়ই পিছিয়ে পড়া এলাকা, প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের পাশাপাশি সকল জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

    gene-2

    পরিকল্পনামন্ত্রী কামাল জানান, দারিদ্র্য বিমোচন ও আয়বৈষম্য কমিয়ে আনার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নই প্রকল্প গ্রহণের অন্যতম লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদে অর্জিত অর্থনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন হয়েছে। এতে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) পরবর্তীতে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো (এসডিজি) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার নীতি-কৌশল ও লক্ষ্য বাস্তবায়ন হচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্পও গ্রহণ করা হচ্ছে সেভাবেই।

    ১০ বছরের প্রকল্প ও ব্যয় অনুমোদন 

    অর্থবছর       প্রকল্প    ব্যয় অনুমোদন
    ২০০৮-০৯    ৬৯টি    ১৩,৭৮৩ কোটি টাকা
    ২০০৯-১০    ২২৫টি   ৮০,৪৬৯ কোটি টাকা
    ২০১০-১১    ২৫০টি   ১১২,১২৬ কোটি টাকা
    ২০১১-১২    ১৬৮টি   ১৬১,২৬০ কোটি টাকা
    ২০১২-১৩    ১৫১টি   ১৬,৪০৬ কোটি টাকা
    ২০১৩-১৪    ২১২টি   ১২১,৯৬২ কোটি টাকা
    ২০১৪-১৫    ২১২টি   ১৬৩,৯৯২ কোটি টাকা
    ২০১৫-১৬    ২৭৮টি   ২৭১,৯৪৯ কোটি টাকা
    ২০১৬-১৭    ২৫২টি   ৩,৮৪,৫২৮ কোটি টাকা
    ২০১৭-১৮    ৩১৮টি   ৩,৬৬,৪২৯ কোটি টাকা

    ১০ অর্থবছরে মোট প্রকল্প ২১৩৫টি মোট ব্যয় অনুমোদন ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে ২০০৮-০৯ অর্থবছরের (২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি শুরু) ৬৯ প্রকল্পে ব্যয় অনুমোদন করে ১৩ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ২২৫টি প্রকল্পে ব্যয় অনুমোদন হয় ৮০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। এর পরের অর্থবছরই প্রথমবারের মতো প্রকল্প ব্যয় অনুমোদন এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ২০১০-১১ অর্থবছরে ২৫০ প্রকল্পে ব্যয় অনুমোদন হয় এক লাখ ১২ হাজার ১২৬ কোটি টাকা।

    govt-3

    ২০১১-১২ অর্থবছর ১৬৮ প্রকল্পে ব্যয় অনুমোদন হয় এক লাখ ৬১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৫১ প্রকল্পে ব্যয় অনুমোদন হয় এক লাখ ছয় হাজার ৪০৬ কোটি, ২০১৩-১৪ অর্থবছর ২১২ প্রকল্পে এক লাখ ২১ হাজার ৯৬২ কোটি এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ২১২ প্রকল্পে এক লাখ ৬৩ হাজার ৯৯২ কোটি টাকার অনুমোদন দেয়া হয়।

    ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো প্রকল্প ব্যয় দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এ অর্থবছর ২৭৮ প্রকল্পের বিপরীতে ব্যয় অনুমোদন হয় দুই লাখ ৭১ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছর ২৫২ প্রকল্পের বিপরীতে তিন লাখ ৮৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা এবং সদ্যসমাপ্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩১৮ প্রকল্পের বিপরীতে তিন লাখ ৬৬ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন দেয় একনেক।

  • দুর্নী‌তি কর‌লে যে দ‌লেরই হন রক্ষা পা‌বেন না : প্রধানমন্ত্রী

    দুর্নী‌তি কর‌লে যে দ‌লেরই হন রক্ষা পা‌বেন না : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ব‌লে‌ছেন, দলীয় প‌রিচ‌য়ে নয়, নির্বা‌চিত জনপ্র‌তি‌নি‌ধি হি‌সে‌বে সব ধরনের সু‌যোগ সু‌বিধা পা‌বেন। য‌দি সেখা‌নে অ‌নিয়ম হয়, দুর্নী‌তি হয়, সন্ত্রাস ও জ‌ঙ্গিবা‌দের স‌ঙ্গে জড়া‌নোর কোনো অ‌ভি‌যোগ উঠে তাহ‌লে যে দ‌লের নেতাই হন না কেন, রেহায় পা‌বেন না।

    বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল‌য়ে রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠা‌নে তি‌নি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী ব‌লেন, যারাই ক্ষমতায় অাসুক দে‌শের উন্নয়ন যেন থে‌মে না যায়। বাংলা‌দেশ যেন পি‌ছি‌য়ে না যায়। জনগণ অ‌নেক অাশা আকাঙ্ক্ষা নি‌য়ে অাপনা‌দের ভোট দি‌য়ে‌ছে। তা‌দের অাশা পূর‌ণে অাপনা‌দের কাজ কর‌তে হ‌বে। অাগামী ডি‌সেম্ব‌রে জনগণ তা‌দের ভোটা‌ধিকার প্র‌য়োগ ক‌রে নতুন সরকার গঠন কর‌বে।

    তিনি আরও বলেন, যেই সরকার গঠন করুক না কেন তারা নি‌জে‌দের সম্পদশালী না ক‌রে যেন জনগণ‌কে সম্পদশালী ক‌রে। তাহ‌লে দে‌শের উন্নয়ন হ‌বে, দেশ এ‌গি‌য়ে যা‌বে। জনগণ যেন সম্পদশালী হয় সে দি‌কে লক্ষ্য রে‌খে অাপনা‌দের কাজ ক‌রে যে‌তে হ‌বে।

    স্থানীয় সরকার সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল‌য়ের মুখ্য স‌চিব মো. ন‌জিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • পোশাকে বেড়েছে বিদেশি বিনিয়োগ

    পোশাকে বেড়েছে বিদেশি বিনিয়োগ

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোতে টাকার অঙ্কে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। তবে কমেছে শেয়ার ধারণের পরিমাণ। বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকা বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় শেয়ার ধারণের পরিমাণ কমলেও টাকার অঙ্কে বিনিয়োগ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তৈরি করা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পোশাক খাতের কোম্পানির সংখ্যা ৫০টি। চলতি বছরের জুলাই মাস শেষে এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ১৩টিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ রয়েছে। আগের মাস জুনেও ১৩টি কোম্পানিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল। তবে ২০১৭ সালের জুনে পোশাক খাতের ১৫টি কোম্পানিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল। এর মধ্যে আর্গন ডেনিম ও নূরানী ডাইং থেকে বিদেশিরা সম্পূর্ণ বিনিয়োগ উঠিয়ে নিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ পোশাক খাতের কোম্পানির আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। এই খাতের বেশিরভাগ কোম্পানি দুর্বল মৌলভিত্তির এবং তাদের পারফরমেন্স খারাপ। আবার কোম্পানিগুলোর মালিকানায় যারা রয়েছেন তাদের নৈতিকতা নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। যে কারণে পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কম।

    চলতি বছরের জুলাই শেষে বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকা পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে- অ্যাপেক্স স্পিনিং, ঢাকা ডা্ইং, ইনভয় টেক্সটাইল, এইচআর টেক্সটাইল, হা-ওয়েল টেক্সটাইল, মালেক স্পিনিং, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, নূরানী ডাইং, প্যাসেফিক ডেনিম, প্রাইম টেক্সটাইল, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, শাশা ডেনিম, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ও স্কয়ার টেক্সটাইল।

    এই ১৩ কোম্পানির সাত কোটি ৯৭ লাখ ৫৩ হাজার শেয়ার রয়েছে বিদেশিদের কাছে। বর্তমান বাজারদরে শেয়ারগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৩২১ কোটি ১৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। জুন মাসে এই কোম্পানিগুলোর আট কোটি ১৪ লাখ ৯৬ হাজার শেয়ার ছিল বিদেশিদের কাছে। জুন মাসের শেষ কার্যদিবসের বাজারদর অনুযায়ী, মাসটিতে পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল ৩১৩ কোটি ৫৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।

    এই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোতে টাকার অঙ্কে বিদেশিদের বিনিয়োগ বেড়েছে সাত কোটি ৬২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বিপরীতে পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোর ১৭ লাখ ৪৩ হাজার শেয়ার বিদেশিরা জুলাই মাসে বিক্রি করে দেন।

    বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকা ১৩টি কোম্পানির মধ্যে জুলাই মাসে দুটি কোম্পানির কিছু শেয়ার নতুন করে কিনেছে বিদেশিরা। বিপরীতে সাতটি কোম্পানির শেয়ারের কিছু অংশ বিক্রি করে দিয়েছে। বাকি চার কোম্পানির শেয়ার জুন মাসে যা ছিল তাই রয়েছে।

    বিদেশিরা যে দুটি কোম্পানির শেয়ার কিনেছেন তার মধ্যে রয়েছে অ্যাপেক্স স্পিানিং ও এইচআর টেক্সটাইল। এর মধ্যে জুলাই শেষে অ্যাপেক্স স্পিানিংয়ের এক লাখ ৪১ হাজার শেয়ার রয়েছে বিদেশিদের কাছে, যা কোম্পানিটির মোট শেয়ারের এক দশমিক ৬৮ শতাংশ। জুন মাসে এ কোম্পানিটির ৭৯ হাজার বা দশমিক ৯৪ শতাংশ শেয়ার ছিল বিদেশিদের কাছে।

    বর্তমান বাজারদরে অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারে বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে এক কোটি ৮৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। যা জুন মাসে ছিল এক কোটি ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ হিসাবে কোম্পানিটিতে বিদেশিদের ৪৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা বিনিয়োগ বেড়েছে। শেয়ার ধারণ বেড়েছে ৬২ হাজার।

    এইচআর টেক্সটাইলে বিদেশিদের বিনিয়োগ বেড়েছে এক কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। জুলাই শেষে কোম্পানিটির পাঁচ লাখ ১৬ হাজার শেয়ার রয়েছে বিদেশিদের কাছে, যা কোম্পানিটির মোট শেয়ারের দুই দশমিক শূন্য চার শতাংশ। বর্তমান বাজারদরে এ শেয়ারগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে দুই কোটি ৫১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। আগের মাস জুনে কোম্পানিটির দুই লাখ ৪৮ হাজার শেয়ারে বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল এক কোটি সাত লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

    অপরদিকে শেয়ার ধারণ কমলেও টাকার অঙ্কে বিনিয়োগ বেড়েছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার টেক্সটাইল ও মালেক স্পিনিংয়ে। এর মধ্যে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজে ২৮ কোটি ৫০ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, স্কয়ার টেক্সটাইলে এক কোটি তিন লাখ ৭৯ হাজার টাকা এবং মালিক স্পিনিংয়ে ৭৩ লাখ ১৪ হাজার টাকা বিনিয়োগ বেড়েছে বিদেশিদের।

    এদিকে শেয়ার সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলেও জুলাই মাসে টাকার অঙ্কে দুটি কোম্পানিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ বেড়েছে এবং দুটিতে কমেছে। বিনিয়োগ বাড়া দুই কোম্পানির মধ্যে শাশা ডেনিমে বিনিয়োগ বেড়েছে পাঁচ লাখ ১২ হাজার টাকা। বর্তমান বাজারদরে কোম্পানিটির শেয়ারে বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে ২৯ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, যা জুনে ছিল ২৯ কোটি ১৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

    অপর প্রতিষ্ঠান প্রাইম টেক্সটাইলে বিদেশিদের বিনিয়োগ বেড়েছে ১৯ হাজার টাকা। কোম্পানিটিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে ৩৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা, যা জুনে ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

    শেয়ার সংখ্যা একই থাকার পরও টাকার অঙ্কে বিনিয়োগ কমে যাওয়া দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কুইন সাউথ টেক্সটাইলে ২২ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা বিনিয়োগ কমেছে। বর্তমান বাজারদরে কোম্পানিটির শেয়ারে বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে ৮১ কোটি ৯৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, যা জুনে ছিল ১০৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

    অপর প্রতিষ্ঠান হা-ওয়েল টেক্সটাইলে ৫৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ কমেছে। বর্তমানে কোম্পানিটিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে ৩০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, যা জুনে ছিল ৩১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

    পোশাক খাতের কোম্পানিতে বিদেশিদের বিনিয়োগচিত্র-

    কোম্পানি জুলাই জুন
    শেয়ার সংখ্যা বিনিয়োগ (টাকা) শেয়ার সংখ্যা বিনিয়োগ(টাকা)
    অ্যাপেক্স স্পিনিং ১ লাখ ৪১ হাজার ১ কোটি ৮৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯ হাজার ১ কোটি ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার
    ঢাকা ডাইং ৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৫ লাখ ২৭ হাজার ৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৭ লাখ ৮০ হাজার
    ইনভয় টেক্সটাইল ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১০ কোটি ৮৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৯৭ হাজার
    এইচআর টেক্সটাইল ৫ লাখ ১৬ হাজার ২ কোটি ৫১ লাখ ৩৫ হাজার ২ লাখ ৪৮ হাজার ১ কোটি ৭ লাখ ৮৫ হাজার
    হা-ওয়েল টেক্সটাইল ৭৮ হাজার ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮ হাজার ৩১ লাখ ২০ হাজার
    মালেক স্পিনিং ৮৩ লাখ ৮৩ হাজার ১৭ কোটি ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬ লাখ ২২ হাজার ১৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার
    মোজাফফর হোসেন স্পিনিং ৮৫ হাজার ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১ লাখ ১৩ হাজার ১৭ লাখ ৯ হাজার
    প্যাসেফিক ডেনিম ১৩ হাজার ২ লাখ ৬১ হাজার ২৫ হাজার ৪ লাখ ৭ হাজার
    প্রাইম টেক্সটাইল ৯৬ হাজার ৩৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৬ হাজার ৩৩ লাখ ৬২ হাজার
    কুইন সাউথ টেক্সটাইল ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮১ কোটি ৯৮ লাখ ৭৫ হাজার ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ১০৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৪ হাজার
    শাশা ডেনিম ৫১ লাখ ১৭ হাজার ২৯ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৫১ লাখ ১৭ হাজার ২৯ কোটি ১৬ লাখ ৬৬ হাজার
    শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৭৯ হাজার ১১৯ কোটি ৬০ লাখ ৬২ হাজার ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৩ হাজার ৯১ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার
    স্কয়ার টেক্সটাইল ১ কোটি ৯ লাখ ১৫ হাজার ৫৬ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার ১ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার ৫৫ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার
  • আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা

    আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা

    রাকিব সিকদার নয়নঃ

    বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস উপলক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান ও পরিদর্শন করেন ভোলা-৪ আসনের নৌকার দক্ষ মাঝি চরফ্যাশন মনপুরার উন্নয়নের রুপকার, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী আলহাজ্ব. আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এম.পি

  • বাউফলে জামাই-শশুর মারামারি, আহত-৩

    বাউফলে জামাই-শশুর মারামারি, আহত-৩

    পটুয়াখালীর বাউফলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র জামাই-শশুর মারামারি । লাঠি দিয়ে শাহ আলম নামে এক ব্যক্তির মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে তাঁর আপন মেয়ের জামাই। হামলাকারী ওই মেয়ে জামাইয়ের নাম মো. ফরিদ।

    মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রায় তাঁতেরকাঠি গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। এ ঘটনায় আহত শ্বশুর, মেয়ে ও মেয়ে জামাই তিনজনকেই বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানা গেছে, দেড় বছর পূর্বে রায় তাতেঁরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদারের(২৫) সাথে বিয়ে হয় একই গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহ আলম মিয়ার মেয়ে শাহনাজ বেগমের(১৮)। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতেই থাকত ফরিদ। শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালীন সময়ে ফরিদের কাছ থেকে তাঁর শ্বশুর শাহ আলম মিয়া ২৬হাজার টাকা ধার নেয়।

    সম্প্রতি এই পাওনা টাকা নিয়ে জামাই ও শ্বশুরের মধ্যে ঝগড়া হওয়ায় স্ত্রী শাহনাজকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে যায় ফরিদ। মঙ্গলবার সকালে ফরিদ তাঁর স্ত্রী শাহনাজকে তাঁর বাপের কাছ ওই ধারের টাকা আনতে পাঠায়। এ সময় শাহনাজের সাথে তাঁর ভাই পারভেজ মুন্সীর কথা কাটাকাটি হয়। পরে সেখানে ফরিদ গেলে তাঁর সাথে তাঁর শ্বশুর শাহ আলম মিয়ার কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

    কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ফরিদ তাঁর শ্বশুর শাহআলম মিয়ার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে ফরিদের স্ত্রীর বড় ভাই পারভেজ মুন্সী এসে ফরিদকে মারধর শুরু করলে শুরু হয় ত্রিমুখি সংঘর্ষ। এসময়ে ফরিদের স্ত্রী শাহনাজ মারামারি ছাড়িয়ে দিতে গেলে পারভেজের লাঠির আঘাতে জখম হয় সে।

    পরে আহত অবস্থায় শাহ আলম, ফরিদ ও শাহনাজকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
    এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।