Author: banglarmukh official

  • আমিও রান চাই’

    আমিও রান চাই’

    ওপেনিং জুটিতে তামিমের সঙ্গী কে হবেন এ নিয়ে প্রত্যেক সিরিজেই ভাবতে হয় জাতীয় দলের নির্বাচকদের। এটা এখন নিত্যকার ঘটনাও বলতে পারেন। গত কয়েক বছরে অন্তত ডজন খানেক ব্যাটসম্যান তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছেন কিন্তু কেউই থিতু হতে পারেন নি। এবারের এশিয়া কাপে তামিমের সঙ্গী হচ্ছেন লিটন দাস।

    দুই সিরিজ পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন লিটন। এশিয়া কাপের বড় মঞ্চে ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গী হবেন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

    এশিয়া কাপ ও নিজের খেলা নিয়ে লিটনের অভিব্যক্তি ‘যারা বড় বড় ক্রিকেটার তারা ভালো শুরু করতে পারলে ইনিংস লম্বা করে। এখনও বড়দের কাতারে যেতে পারিনি; তাই এখন বড় ইনিংস হচ্ছে না। আমি চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার, যেন বড় কিছু করতে পারি।’

    টাইগারদের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে নেই তৃতীয় ওপেনার। তাই সব ম্যাচ খেলার অলিখিত লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছেন লিটন। বড় ইনিংস খেলে তামিমের সঙ্গী হিসেবে থিতু হওয়ার স্বপ্নে বিভোর মারকুটে এ ব্যাটসম্যান।

    ‘এটি আসলে একটি ভালো সুযোগ। আমি অনেক দিন থেকে ওয়ানডে দলের বাইরে। যদি সুযোগ পাই তাহলে অবশ্যই ভালো করার চেষ্টা করবো। সামনে আমাদের এশিয়া কাপের দুটি ম্যাচ আছে। এগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে যদি সুযোগ থাকে ভালো করার অবশ্যই চেষ্টা করবো।’

    সেই ভালোটি কেমন? লিটন বলেন, ‘এখন পারফর্ম ছাড়া তো আর ভালো কিছু নেই। আপনারা রান চান, আমিও রান চাই।’

    বাংলাদেশের হয়ে ১২টি ওয়ানডে খেলা লিটনের সর্বোচ্চ ইনিংস ৩৬ রানের। ২০১৫ সালের জুনে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেন ইনিংসটি। সেটিকে ছাড়িয়ে যেতে পারেননি পরের ১০ ম্যাচেও!

  • গৃহবধূকে গণধর্ষণ; ৩ ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    গৃহবধূকে গণধর্ষণ; ৩ ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালের মুলাদীতে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ শেষে পুনরায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তিন ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে এই মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ। মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

    মামলায় অভিযুক্তরা হল- উপজেলা চরকমিশনার এলাকার আব্বাস হাওলাদার ও মো. কামাল। ধর্ষণ চেষ্টাকারীরা হল- ইদ্রিস হাওলাদার, বছির হাওলাদার ও কছির হাওলাদার।

    ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানা যায়, একই এলাকার ওই যুবতীকে প্রায়ই পথে-ঘাটে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল আব্বাস। ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই ওই যুবতীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী তাকে তুলে না নেওয়ায় গৃহবধূ তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এই সুবাদে আব্বাস তার বন্ধু কামালকে নিয়ে গৃহবধূর ইজ্জত নষ্ট করার পায়তারা করে। গৃহবধূর বাবা আব্বাসের অভিভাবককে ডেকে তার অপকর্মের বিষয়ে সতর্ক করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় আব্বাস। এর জের ধরে গত ২৭ আগষ্ট আব্বাসসহ অন্যান্যরা গৃহবধূর বাবাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

    গত ২৯ আগষ্ট রাতে গৃহবধূ টয়লেট থেকে বের হলে আব্বাস ও কামাল তার মুখে গামছা বেঁধে বাড়ির পিছনে নিয়ে প্রথমে আব্বাস ও পরে কামাল তাকে ধর্ষণ করে। আব্বাস ও কামাল ধর্ষণ করে চলে যাবার পর ইদ্রিস, বছির ও কছির সেখানে উপস্থিত হয়ে গৃহবধূর শ্লীলতাহানিসহ তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। গৃহবধূ কছিরের হাতে কামড় দিলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতা।

  • কারগারে আদালত স্থানান্তরে সংবিধান লঙ্ঘন হয়নি : অ্যাটর্নি জেনারেল

    কারগারে আদালত স্থানান্তরে সংবিধান লঙ্ঘন হয়নি : অ্যাটর্নি জেনারেল

    অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংবিধান মেনেই পুরনো কারাগারে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করা হয়েছে।

    বুধবার বিকালে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    ‘কারাগারে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করায় সংবিধান লঙ্ঘন হয়েছে’ এমন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, কারগারে আদালত স্থানান্তরে সংবিধান লঙ্ঘন হয়নি। নিরাপত্তাজনিত কারণেই পুরনো কারাগারে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করা হয়েছে।

    এর আগে, সকালে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারের ভেতরে বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস বসিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আদালতের বিচারক ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান।

    আদালতে বিচারককে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আপনারা যা খুশি করেন, যা ইচ্ছা সাজা দেন।’

    এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা না থাকায় শুনানি মুলতবি করে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করে দেন বিচারক। সে পর্যন্ত এই মামলায় জামিনে থাকবেন খালেদা জিয়া।

    প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার দু’বছর আগে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। ওই দিন থেকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

  • প্রধান নেশা শিশু ধর্ষণ, অবশেষে গ্রেফতার

    প্রধান নেশা শিশু ধর্ষণ, অবশেষে গ্রেফতার

    প্রধান নেশা শিশু ধর্ষণ। একের পর ৫-১০ বছরের শিশুদের টার্গেট করে তাদের পিছু নিয়ে নানা প্রলোভনে আসক্ত করে সুযোগ বুঝে ধর্ষণ করে পালানোই যেন মহাসিন (৩৫) নামের এক ধর্ষকের প্রধান নেশা। সতের বছর আগে ১৮ বছর বয়সেই সে শিশু ধর্ষণ মামলায় জেলও খেটেছে একবার। তারপর আবার গত বছরের নভেম্বরে এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পৃথক স্থানে শিশুধর্ষণ করে। ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করতে থাকা এবং তার পরিচয় কেউ যাতে চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য কৌশলে সে বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো।

    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে বহু আগেই বাড়িঘর বিক্রি করে সে ওখান থেকে উধাও হয়। এমনই এক শিশু ধর্ষক অবশেষে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলো বুধবার রাতে। অনেক শিশুর অভিভাবকরা আত্মসম্মানের ভয়ে মামলা না করলেও ইতিমধ্যে ২ শিশুর অভিবাবকরা ধর্ষক  মহসিন আলীর বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই ২ শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মহসিন আলি শেখকে (৩৫) বুধবার মধ্যরাত ৪টার দিকে গ্রেফতার করা হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের ৪৩(২)১৮ ও ৫২(১১)১৭ নং দুইটি মামলা রয়েছে। অন্যান্য থানায়ও তল্লাশি দেওয়া হচ্ছে এ জাতীয় আরো মামলা তার বিরুদ্ধে থাকতে পারে এ আশংকায় বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি মো: আলমগীর হোসোইন।

    এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত) গাজী মো. সালাউদ্দিন জানান, ২০০১ সালে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৫ বছর জেল খেটে বের হয়েছে বলে মহসিন মৌখিকভাবে স্বীকার করে। তবে মামলাটির সত্যতা যাচাই বাছাই চলছে। আটকের রাতে ১২টার পর মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর এলাকায় ধর্ষণসহ চুরি, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াতে থাকাবস্থায় পুলিশ তাকে আটক করে। এর আগে সে আত্নগোপনে থাকার জন্য নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার ডেমরা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভাসমানভাবে অবস্থান করে আসছিলো। নির্দিষ্ট করে তার কোন ঠিকানা নেই। ধর্ষণ মামলা দুইটির সুরাহা না হওয়ায় পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহন করেন তিনি। মহসিনকে একাধিকবার গ্রেফতার চেষ্টা করা হলেও সে পুলিশি ফাদ বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ৬ মাস ধরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    তিনি আরো জানান, ৫-১০ বছরের শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করতো। তার পরিচয় কেউ যাতে চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর এলাকার আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে দীর্ঘদিন আগে বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যায়।

    এদিকে, জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. হৃদয়(৩৫) নামের অপর এক ব্যাক্তিকে আটক করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে। হৃদয় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল এবং বরগুনা জেলার আমতলি থানার ত্রিপুরা গ্রামের সেলিম মৃধার ছেলে। ভোর ৬টার দিকে তাকে ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

  • যে কারণে মাদকবিরোধী প্রচারণার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সঞ্জয় দত্ত

    যে কারণে মাদকবিরোধী প্রচারণার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সঞ্জয় দত্ত

    ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকারের মাদকবিরোধী প্রচারণার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। অথচ ব্যক্তি জীবনে এক সময় নিজেই মাদকের নেশায় বুঁদ ছিলেন মুন্না ভাই এম বি বিএস খ্যাত এ অভিনেতা। এমনকি মাদক নিরাময় কেন্দ্রেও ভর্তি ছিলেন তিনি। তবে সব ছেড়ে সুস্থ জীবন-যাপন করছেন তিনি। আর তাই এবার নিজেই নেমেছেন মাদক বিরোধী প্রচারণায়।

    সম্প্রতি তার জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘সঞ্জু’ ছবিতে এসব বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। গত শনিবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে।

    সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ব্যক্তিগত জীবনে মাদকাসক্ত ছিলেন সঞ্জয় দত্ত। ফলে তিনি যতটা নেশার ক্ষতিকর দিকটা তুলে ধরতে পারবেন, তা অন্য কেউ পারবেন না। তাই সঞ্জয়কে এই প্রচারে যুক্ত করা হয়েছে।

  • ২০ দিনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার: অর্থমন্ত্রী

    ২০ দিনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার: অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ২০ দিনের মধ্যে স্বল্প পরিসরে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে।

    বুধবার সচিবালয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে মুহিত এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২০ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হবে। তবে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মডেল অনুযায়ী হবে। তাকে প্রধান করে স্বল্পসংখ্যক মন্ত্রী নিয়ে এ সরকার হবে।

    তিনি আরও বলেন, আগামী ২৭ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন চিন্তা করছে। এবার নির্বাচন ফেয়ার (সুষ্ঠু) হবে। বিএনপি না এলে তারা শেষ হয়ে যাবে। এছাড়া ইভিএম (ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন) ছাড়া নির্বাচন কখনোই পুরোপুরি সুষ্ঠু করা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশনে অনেক সংস্কার হয়েছে। এবার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

    সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

  • শপথ নিলেন রাজশাহী ও সিলেটের মেয়র

    শপথ নিলেন রাজশাহী ও সিলেটের মেয়র

    রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা শপথ গ্রহণ করেছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    এসময় রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও আরিফুল হক চৌধুরীকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

    গত ৩০ জুলাই রাজশাহী এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন নৌকা প্রতীকে এক লাখ ৬৫ হাজার ৩৩২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

    অপরদিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ৯২ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন।

  • এই আদালত চলতে পারে না: খালেদা জিয়া

    এই আদালত চলতে পারে না: খালেদা জিয়া

    নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারের ভেতরে বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস বসিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারের ব্যবস্থা করায় অসন্তোষ জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, এই আদালত চলতে পারে না। আধা ঘণ্টারও কম সময় আদালতের কার্যক্রম চলার পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা না থাকায় শুনানি মুলতবি করে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করে দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান। এদিকে বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালত  পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আদালত বর্জন করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

    আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অনুপস্থিতিতে বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে নতুন এ এজলাসে বিচার কার্যক্রম শুরুর পর খালেদা জিয়া নিজের অসুস্থতার কথা তুলে ধরে বিচারককে বলেন, আমি শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। ডাক্তার আমাকে বেশিক্ষণ পা ঝুলিয়ে থাকতে মানা করেছেন। তাই এই পরিবেশে আমার বারবার আসা সম্ভব নয়। আপনাদের যা ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিন। কারণ বর্তমানে এই আদালতে ন্যায় বিচার পাওয়া যায় না। এখানে ইচ্ছা মতো বিচার চলছে। অন্যায়ভাবে বিচার করা হচ্ছে।

    আদালতে খালেদা জিয়া বলেন, কারাগারে আদালত স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সাতদিন আগে হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এ নিয়ে কেন গেজেট হবে? কেন আগে গেজেট দেওয়া হলো না? তিনি বলেন, ইচ্ছা করে আমার আইনজীবীদের আদালতে আসতে দেওয়া হয়নি। তাছাড়া আমার আইনজীবীরা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। এজন্য আদালতে তারা উপস্থিত হতে পারেননি।

    এর আগে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে আদালত ঘোষণা করে সেখানেই দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার শুনানি করার নির্দেশ দেয়। এ কারাগারেই আরেকটি ভবনের দোতলার একটি কক্ষে গত সাত মাস ধরে বন্দি রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এতিমখানা দুর্নীতির মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই বিচারক তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন।

  • বিমানের ভাবমূর্তি উন্নয়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    বিমানের ভাবমূর্তি উন্নয়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দেশের বিমানবহরে প্রথমবারের মতো সংযোজিত ৭৮৭ বোয়িং ড্রিমলাইনার বিমানের উদ্বোধনকালে বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সংস্থার ভাবমূর্তি উন্নয়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

    ‘আমি চাই বিমানে যারা কাজ করবেন তারা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন, যাতে দেশের কোন বদনাম না হয় এবং দেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল থাকে,’- তিনি ৭৮৭ বোয়িং ড্রিমলাইনার আকাশবীণা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরো লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে বিদেশি এবং স্থানীয় যাত্রীসা ধারণ সেই সাথে প্রবাসী বাংলাদেশেরিরা দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে তাদের মালপত্র নিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারে।

    তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পাদন করতে হবে।’ তিনি এ সময় বিমান কতৃর্পক্ষকে নিরাপত্তার বিষয়টিতেও আরো গুরুত্বারোপ করার আহবান জানান।

    ২৭১ আসনবিশিষ্ট বোয়িং ৭৮৭ ড্রিম লাইনার উড়োজাহাজটির নাম রাখেন ‘আকাশবীণা’ প্রধানমন্ত্রী।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাজাহান কামাল বিশেষ অতিথি হিসেকে উপস্থিত ছিলেন।

    বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) মুহম্মাদ এনামুল বারী এবং বেসাসরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।

    মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    আমাদের বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে দু’একটি দেশের আপত্তি থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার একটা বিষয় ছিলো সেটা আপনারা জানেন। কোন কোন সরকার এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তাও আপনারা জানেন। যাই হোক, তারা সেটি প্রত্যাহার করেছে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি এখন উন্নত হয়েছে।

    তিনি নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক। তাই আমরা একটু সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চাই। আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে যে সম্মান অর্জন করেছিলাম সেটা হারিয়ে গিয়েছিল ’৭৫-এর ১৫ অগাস্টের পর থেকে। সেই সম্মানকে আবার আমরা ফিরিয়ে নিয়ে এসে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে যে উন্নয়ন করা যায়, সেটাও আমরা কিন্তু প্রমাণ করেছি।’

    দেশে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় থাকার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই অর্জনটা ধরে রেখেই আমাদের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

    স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতার হাত ধরেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্ম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকরা মুক্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে ভেবেছিল তাঁদের একটি নিজস্ব এয়ারলাইন্স হবে, যে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন বঙ্গবন্ধু। দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় জন্ম নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

    তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে বিমানের যাত্রা শুরু হয়েছিল ডাকোটা উড়োজাহাজ দিয়ে আর আজকে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ‘ড্রিমলাইনার আকাশবীনা’র। ‘আকাশবীনা’র আজকের এই অভিষেকের দিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য আরো একটি মাইলফলক, স্বপ্ন পূরণের দিন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ বিমানের প্রতি এতোই আন্তরিক ছিলেন যে, এর লোগো তৈরি এবং চূড়ান্ত করার কাজ তিনি নিজেই তদারকি করেন। তাঁর সাড়ে তিন বছরের সরকারের সময় ব্যাংকক, কলকাতা, কাঠমান্ডুও দুবাই আন্তর্জাতিক রুট চালু হয়। বিমানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিমানের উন্নয়নের পাশাপাশি জাতির পিতা ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল এভিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজকের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নামে পরিচিত।

    প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিমানের দুরাবস্থার কথা স্মরণ করে বলেন, ২০০৯ সালে আমরা সরকার পরিচালনায় এসে দেখি বিমানের অবস্থা খুবই নাজুক। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমানকে পরিণত করে দুর্নীতি আর লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে। তারা নিউইয়র্ক, ব্রাসেলস, প্যারিস, ফ্রাংকফুর্ট, মুম্বাই, নারিতা এবং ইয়াঙ্গুন রুটে বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়। চরম লোকসান আর অব্যবস্থাপনায় বিমান মুখ থুবড়ে পড়ে।

    তিনি বলেন, জরাজীর্ণ বিমান বহর, বিপর্যস্ত শিডিউল, অন্তহীন অভিযোগ। এ সঙ্কট উত্তরণে প্রয়োজনীয় কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন করে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করি আমরা।

    একটু গান শোনার ব্যবস্থা অনেক বিমানে ছিল না, বিমানে বসে থাকলে প্রায়ই পানি পড়তো, টয়লেট টিস্যু বা তোয়ালে দিয়ে পানি আটকাতে হতো জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে কারণে সরকারে আসার পর পরই আমরা উদ্যোগ নেই। সেই উদ্যোগের ফলেই বিমান বহরে আজ নতুন নতুন আধুনিক বিমান সংযুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের বিমানবন্দরও অনেক আধুনিক হয়েছে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক এয়ারলাইন্স হিসেবে বিমানকে গড়ে তোলার জন্য তাঁর নির্দেশেই বিমান পরিচালনা পর্ষদ বিশ্বখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের চুক্তি করে। সেই চুক্তির আওতায় ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে ছয়টি বিমান। বাকি চারটির প্রথমটি বহরে যুক্ত হলো।

    তিনি বলেন, আমাদের বিমান বহরে সংযুক্ত হওয়া পালকি, অরুণ আলো, আকাশপ্রদীপ, রাঙ্গাপ্রভাত, মেঘদূত ও ময়ূরপঙ্খী। আমরা নতুন নতুন আঙ্গিকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিযে বিমানগুলোরও নামকরণ করি। আরেকটি ড্রিম লাইনার, বিমানের বহরে যোগ হবে নভেম্বর মাসে।
    তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, সে সময়ে আমাদের নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। তখন হয়তো এখানে আসা বা এটা উদ্বোধন করা সম্ভব হবে না। তাই আমি চাই এটা দ্রুত এসে যাক এবং তার কাজ শুরু করুক। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যসমূহে বিমানের যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সরকার গত মাসে কানাডার সঙ্গে ৩টি ড্যাশ-৮ বোম্বারডিয়ার উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তাতে করে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক যোগাযোগটা আমরা আরো বাড়াতে পারবো।

    বিমানের উন্নয়নে তাঁর সরকারের নানা উদ্যোগের বর্ণনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে এই বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজ বলে কিছুই ছিলো না। বিমানবন্দরে নেমে হেঁটে বিমানে উঠতে হতো। আমরা সরকারে এসে এটির আধুনিকায়নের দিকে নজর দেই এবং উন্নত করার ব্যবস্থা নেই।’

    তিনি বলেন, ‘কার পার্কিং, বোর্ডিং ব্রিজ, সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এই সবগুলো কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতেই হয়েছে।’

    বিমানের উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ করতে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকেও আমরা উন্নত করতে চাচ্ছি। এটাও যেন একটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে ওঠে। কারণ, এটি আন্তর্জাতিক বিমান রুটের মধ্যে পড়ায় এটা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, আন্তর্জাতিক বিমানগুলো এটাকে রিফ্যুয়েলিংয়ের জন্য ব্যবহার করতে পারে। ’

    সৈয়দপুর, সিলেট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকেও উন্নত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে বাগেরহাটের খান্দাইল বিমানবন্দর করার কথাও জানান ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বিমান নয়, বিমানবন্দরসমূহ উন্নয়নেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সিলেট বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণেরও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
    তিনি এ সময় হজ ফ্লাইট সফল ভাবে সম্পন্ন করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রীর সামনে উড়োজাহাজটির একটি মডেল উপস্থাপন করা হয়। পরে বিমান বহরে যুক্ত নতুন এই উড়োজাহাজটি পরিদর্শন করেন তিনি।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জানান, উদ্বোধনের পর আজ সন্ধ্যায় ‘ড্রিমলাইনার আকাশবীণা’র প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

    আকাশবীণায় আসন সংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। দু’পাশের প্রত্যেক আসনের পাশে রয়েছে বড় আকারের জানালা। একইসঙ্গে জানালার বোতাম টিপে আলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। জানালা ছাড়াও কেবিনেও রয়েছে মুড লাইট সিস্টেম।

    টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রিমলাইনার চালাতে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি লাগবে। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম। বিমানটির ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেক্ট্রিক (জিই)। বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হবে ইলেক্ট্রিক ফ্লাইট সিস্টেমে।

  • সালমানের বাবার কারণেই আমি শাহরুখ হয়েছি

    বলিউডের দুই প্রভাবশালী অভিনেতা শাহরুখ খান আর সালমান খান। কথায় আছে, এক বনে দুই রাজা থাকতে পারেনা। তবু তারা দুই রাজা হয়ে আছেন বলিউড রাজত্বে। পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারনে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ সময় অম্ল-মধুর সম্পর্ক বিরাজ করতে দেখা গেছে। এমনকি অনেক বছর নিজেরা মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত করেননি।

    তবে এখন সেসব অতীত। বর্তমানে দুই খানের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্বের সম্পর্ক বিরাজ করছে। সময় পেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান। অবসরে বেরিয়ে যান সাইকেলিংয়ে। তাছাড়া পারিবারিক পার্টি তো রয়েছেই। বলা যেতে পারে তারা এখন মানিক জোড়।

    সম্প্রতি শাহরুখ খান সালমান খানের টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘দশ কা দম’-এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি তার ক্যারিয়ারে সফলতার পেছনে সালমান খানের বাবা সেলিম খানের অবদানের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘প্রথম মুম্বাইয়ে এসেছিলাম উঠতি অভিনেতা হিসেবে। তখন সালমান খানের বাড়িতে খেয়েছি। সেলিম খান আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। সেকারনে আজ আমি শাহরুখ খান হতে পেরেছি। আমি এই অনুষ্ঠানে কেবল সালমানের কারণে এসেছি। সে আমাকে যেখানে যেতে বলবে আমি সেখানেই যাব।’

    এদিকে শাহরুখ খান এখন ‘জিরো’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এতে বামন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। ছবিতে চমক হিসেবে থাকছে সালমান খানের উপস্থিতি। সালমান খান এই ছবিতে অতিথি শিল্পী হিসেবে অভিনয় করছেন। ইতোমধ্যে ছবির টিজারে একসঙ্গে হাজির হয়েছেন খানদ্বয়।

    অন্যদিকে সালমান খান অভিনয় করছেন ‘ভারত’ ছবিতে। ক্যাটরিনা কাইফ রয়েছেন সাল্লুর বিপরীতে। যদিও প্রথমে এতে অভিনয় করার কথা ছিল প্রিয়াংকা চোপড়ার। পরে তিনি ছবি থেকে সরে যান।