Author: banglarmukh official

  • রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়াই সংসদে সড়ক পরিবহন বিল

    রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়াই সংসদে সড়ক পরিবহন বিল

    বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন বিল, ২০১৮ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়াই সংসদে পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সংবিধান অনুযায়ী, কোনো বিল আইনে পরিণত হলে তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয়ের সম্ভাবনা থাকলে সেই বিল সংসদে উত্থাপনের আগে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সেই অনুমতি না নেয়ায় সংসদ সচিবালয় থেকে তা ফেরত পাঠানো হয়েছে। সংসদের আইন মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানা গেছে।

    জানা যায়, বিলটি আসন্ন জাতীয় সংসদ অধিবেশনেই উত্থাপন করা হবে। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংসদের অধিবেশন বসছে। বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। ডিসেম্বরের শেষে একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হবে। সে হিসেবে জরুরি কোনো প্রয়োজন না পড়লে আগামী সংসদ অধিবেশনই চলতি সংসদের শেষ অধিবেশন হতে পারে। নভেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের জাবালে নূর পরিবহনের বাস চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। পরের দিন থেকে রাজধানীর সড়কে অবস্থান করে বেপরোয়া বাস চালকের ফাঁসি, রাস্তায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালনা বন্ধসহ ৯ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এরপর আইনটি চূড়ান্ত করে সাজা ও জরিমানা বাড়ানো হয়।

  • পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তাপ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের

    পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তাপ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের

    সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থতার অভিযোগে পাকিস্তানকে দেয়া ৩০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে পাকিস্তান। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের উত্তাপ বাড়ছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর আসন্ন পাকিস্তান সফরে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কুরেশি।

    ওদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তান আরো বেশি করে চীনের দিকে ঝুঁকে প ড়বে।

    গত ১৮ই আগস্ট পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন দেশটির সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খান। দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যয় সংকোচন নীতিসহ অভ্যন্তরীণ নানা বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নিয়ে একের পর এক চমক দেখাতে থাকেন পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের এই নেতা।

    তবে সরকার গঠনের ১৫ দিনের মাথায় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী। গত শনিবার ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ পাকিস্তান সফরে গেলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইরানের সাথে একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।

    আর ওই সফরের একদিন পরই সন্ত্রাসবাদ দমনে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে পাকিস্তানকে ৩০ কোটি ডলারের সামরিক সহযোগিতা বন্ধের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগ মানতে নারাজ ইসলামাবাদ। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনগণ প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলছে উল্লেখ করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আগামী বুধবারের বৈঠকে এর কারণ জানতে চাওয়া হবে।

    শাহ মোহাম্মদ কুরেশি বলেন, সন্ত্রাসবাদ কোনো দেশের একক সমস্যা নয়। এটি বর্তমানে আঞ্চলিক তথা বৈশ্বিক সমস্যা। এই সমস্যা দূর করতে হলে সবাইকে যৌথভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সন্ত্রাসবাদ দমনে পাকিস্তান সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছ। আমাদের সেনাবাহিনী এবং সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই অনেক ত্যাগ স্বীকার করছে। ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়ালেই কেবল সন্ত্রাসবাদ দমন সম্ভব।

    মাইক পম্পেওর সফরের আগে, পাকিস্তানকে কঠোর বার্তা দিতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এর ফলে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করবে পাকিস্তান।

    শশাঙ্ক জোশি (সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, আরইউএসআই) বলেন, চীন-পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডর প্রকল্পে বিশাল অংকের অর্থ বিনিয়োগ করছে চীন। এছাড়া, চীনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কিনে থাকে পাকিস্তান। সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের বিমান ঘাঁটি ব্যবহারসহ নানা সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। পেন্টাগনের এমন পদক্ষেপের কারণে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে চীনমুখী হতে পারে পাকিস্তান।

    সন্ত্রাসবাদ দমনে গত ১৫ বছরে পাকিস্তানকে ৩ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর আফগানিস্তানে তালেবান নির্মূলে পাকিস্তানকে জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের নিরাপদ স্বর্গ হিসেব ব্যবহৃত হয়-এমন অভিযোগ তুলে সবধরনের নিরাপত্তা সহায়তা বন্ধের হুমকি দেয় ওয়াশিংটন।

  • সালমান শাহকে নিয়ে আমার এখনও মুগ্ধতা কাটেনি : সুইটি

    সালমান শাহকে নিয়ে আমার এখনও মুগ্ধতা কাটেনি : সুইটি

    আগামী ৬ই সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকী। আর এই দিনটি আসার আগেই শুভাকাঙ্ক্ষীদের  মনে পড়ে খুব অল্প সময়ে বনে যাওয়া সুপারস্টারের কথা। তেমনি একজন তানভীন সুইটি। সালমান শাহর বিপরীতে ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ শিরোনামের একটি নাটকে জুটি বেঁধে ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করেন এই অভিনেত্রী।

    ১৯৯৫ সালের দিকে এই নাটকের শুটিং হয় বলে জানান তিনি। প্রথম নাটকের শুটিংয়ের সেই সময় প্রসঙ্গে সুইটি বলেন, সালমান শাহর সঙ্গে আমার আগে থেকে পরিচয় ছিল। তবে সেই সময়ে চারদিকে তার যথেষ্ট তারকাখ্যাতি।

    সুইটি বলেন, একজন মানুষের ভালো ব্যবহারের কারণেই তাকে আজীবন মনে রাখতে হয়। সালমান শাহর ব্যবহার প্রত্যেককে মুগ্ধ করতো। সেই মুগ্ধতা এখনো আমার কাটেনি।

    সুইটি বলেন, সালমান শুটিং স্পটে আমাকে সে ম্যাডাম বলে ডাকা শুরু করে। এটির কারণ জানতে চাইলে সে মজা করে বলে ফিল্মের নায়িকাদের ম্যাডাম বলে ডাকি। সত্যি বলতে, সে সময়ে সে এত বড় তারকা হওয়ার পরেও আমার সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে অভিনয় করে। এমনকি তার স্ত্রী সামিরাকে বলে দেয় আমাকে সহযোগিতা করার জন্য। সামিরাও বেশ হেল্পফুল ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে মর্মাহত হয়েছি।

    সুই্যটি সম্প্রতি সরকারের উন্নয়নমূলক নতুন একটি প্রজেক্টে কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। পদ্মা ভাঙনের ফলে অনেকে ঘরবাড়ি হারিয়েছে। সরকার এই সব মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করে দিয়েছে। মৎস্য চাষ, গরুর খামারসহ বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য সরকার তাদের ঋণ দিয়েছে। সরকারের উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে এই প্রজেক্ট।

  • ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা, ১৬ জনের প্রাণহানি

    ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা, ১৬ জনের প্রাণহানি

    ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে বন্যায় ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে ৪৮ ঘন্টায় রাজ্যটির ১৬ জেলা প্লাবিত হয়েছে।সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শাহজাহানপুর জেলা।এই জেলায় ছয়জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

    রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সিতাপুর জেলায় তিনজন এবং আমেথি ও অরাইয়া জেলায় চারজন করে মারা গেছে। প্রায় ৪৬১টি ঘরবাড়ি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    জানা গেছে, বিমান বাহিনী উত্তর প্রদেশ রাজ্যে উদ্ধার কাজে অংশ নিচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ললিতপুর এবং ঝানসি জেলা থেকে ১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতের কেরালা রাজ্যে ভয়াবহ বন্যায় কয়েক লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  • মন্ত্রিসভায় সংশোধিত শ্রম আইন অনুমোদন

    মন্ত্রিসভায় সংশোধিত শ্রম আইন অনুমোদন

    শ্রম ইস্যুতে বেশ কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এনে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৮’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত খসড়াটি উপস্থাপিত হলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এই অনুমোদনের কথা জানান।

    তিনি বলেন, সংশোধিত শ্রমআইনে বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্য রয়েছে শ্রমিকদের উৎসব ভাতা বাধ্যতামূলক; কিশোররা কাজ করতে পারবে, শিশুরা নয়; দুর্ঘটনায় কোনো শ্রমিক নিহত হলে তার ক্ষতিপূরণ দ্বিগুণ দিতে হবে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইনে মালিক ও শ্রমিকদের অসদাচরণ বা বিধান লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। আগে কারাদণ্ডের পরিমাণ ছিল ২ বছর।

    বাংলাদেশে ২০০৬ সালের শ্রমআইন কার্যকর রয়েছে। বিভিন্ন শ্রম সংস্থা ও শ্রমিক সংগঠনের দাবির মুখে ২০১৩ সালে শ্রমআইন সংশোধন করা হলেও তা যথেষ্ট হয়নি বলে আলোচনা ছিল।

  • নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে

    নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নুরুল হুদা বলেছেন, সব মহলের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে কি না।

    তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি না, সে চিন্তা আরও পরে হবে। আইন প্রণয়ন, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সব মহলের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি না।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) ইভিএম বিষয়ে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনকালে সিইসি প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।

    সরকার যদি আইন করে, পরিবেশ যদি থাকে র‌্যানডমলি কিছু আসনে ইভিএম ব্যবহারের চেষ্টা করা হবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে উৎকণ্ঠা থাকা স্বাভাবিক। কারণ আমরা এটির ব্যবহার, উপকারিতা সম্পর্কে এখনও তাদেরকে জানাতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে তারা সব জানতে পারবেন। আর যেকোনো উদ্যোগ, নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি এলে, তা নিয়ে জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটিকে আমরাও ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি। যারা ভোট দেবেন বা ট্যাক্স হোল্ডারদের টাকা অপচয় হবে কিনা এটা জানতে চাইবেন, এটাও তো স্বাভাবিক বিষয়।

    নূরুল হুদা বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই এখন সব তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।

    তিনি বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাজার রকমের জিনিসপত্রের প্রয়োজন হয়। চিন্তায় থাকতে হয়, কেন্দ্রে পৌঁছানোর সময় ব্যালট পেপার ছিনতাই হয় কিনা? প্রযুক্তির ব্যবহার হলে এসব চিন্তা দূর হবে। এ ছাড়া নির্বাচন পরিচালনায় ৭০ ভাগ খরচ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য, সেটিও কমে আসবে।

    তিনি বলেন, ইভিএম কেনার কোনো তহবিল নির্বাচন কমিশনের কাছে আসবে না। এটি অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সরকার দেখবে।

    ইটিআইয়’র মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

  • বিএনপি নেতা জিয়াউদ্দিন সিকদার এর  পুত্র সহ আটক ৩

    বিএনপি নেতা জিয়াউদ্দিন সিকদার এর পুত্র সহ আটক ৩

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    বরিশাল বিএনপি নেতার ছেলেসহ ৩ কিশোরকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার এএসআই বিধান চন্দ্র গণপতি জানিয়েছেন, তাদেরকে শহরের কালীবাড়ি এলাকা থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও কনডমসহ আটক করা হয়।

    আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে থানা পুলিশের একটি টহল টিম গোপন সংবাদে ভিত্তিতে তাদের আটক করে বলে জানাগেছে।

    আটকদের মধ্যে ইত্তেসাফ রাফি (১৮) বরিশাল মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) জিয়া উদ্দিন শিকদারের ছেলে। বাকি দুজন হচ্ছে, কালীবাড়ি রোড এলাকার রতন কুমার দাসের ছেলে (১৬) এবং হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকার আলিমুল কবিরের ছেলে হেদায়তুর রহমান অর্নব (২০)।

    কোতয়ালি মডেল থানার এএসআই বিধান চন্দ্র গণপতি বলেন, আটকের পর তাদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইনানুক ব্যবস্থা প্রহন করা হবে। তবে নিশ্চিত হওয়াগেছে, কয়েকদিন পূর্বেও বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন শিকদরের ছেলে পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল।

  • অবৈধ কর্মপরিষদ এর জিএস নাহিদ সেরনিয়াবাত গ্রেপ্তার

    অবৈধ কর্মপরিষদ এর জিএস নাহিদ সেরনিয়াবাত গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    বরিশাল বিমানবন্দর থানা পুলিশ অর্থ অাত্মসাৎ মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত অাসামী বিএম কলেজের অস্থায়ী কর্মপরিষদের জিএস নাহিদ সেরনিয়াবাতকে গ্রেফতার করেছে। আজ সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর নতুল্লাবাদ এলাকা থেকে নাহিদ সেরনিয়াবাদকে গ্রেপ্তার করে এ এস আই মহিউদ্দিন, পরে তাকে আদালতে প্রেরণ করেন, বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ এ আর মুকুল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    উল্লেখ্য,নাহিদ সেরনিয়াবাত মাদারীপুর এর কালকিনী উপজেলার এক গ্রামের সেরনিয়াবাত বংশ এর বাসিন্দা,আগৈলঝাড়ার (শেরাল)এর সেরনিয়াবাত বংশের সাথে তাহার কোনো আত্বীয় সম্পর্ক নেই,খোজ নিয়ে জানা যায়,নাহিদ দীর্ঘদিন যাবৎ সকল ধরনের অপকর্ম,চাদবাজি,টেন্ডারবাজি,ইট ভাটা দখল সহ,নারী ও মাদকের সাথে জড়িত ছিলো।নাহিদ নামের পাশে সেরনিয়াবাত যুক্ত থাকায়,বিভিন্ন অফিস আদালতে সুবিধা নেয়ার পায়তারা চালাতো ও ক্ষমতার অপব্যবহার করতো,তার গ্রেপ্তার এ নগরবাসী স্বস্তি পেয়েছেন

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ : ১৯ লাখ আবেদন

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ : ১৯ লাখ আবেদন

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট নিরসনে নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ দেয়া হবে। গত ৩০ আগস্ট অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এসব পদের বিপরীতে সারা দেশে প্রায় ১৯ লাখ প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে ডিপিই মহাপরিচালক আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ আবেদন প্রক্রিয়া চলে।

    মহাপরিচালক আবু হেনা বলেন, ১২ হাজার সরকারী শিক্ষক নেয়া হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনেকের আগ্রহ থাকায় সারা দেশে ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৭ আবেদন জমা পড়ে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। এ সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ শেষ করা হবে। ডিপিই ওয়েবসাইটে dpe.teletalk.com.bdপ্রবেশপত্র ও যাবতীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।

    জানা গেছে, দেশের ৬৩ জেলার সরকারি বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গত ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ডিপিই। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাস থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাস হতে হবে।

    ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসন প্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে।

    ডিপিই’র নিয়োগ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালের স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বর্তমানে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ ফল প্রকাশ হতে পারে।

  • আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার তারেক : ফখরুল

    আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার তারেক : ফখরুল

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজ ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারামুক্তি দিবস। ১১/১-এর ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন অসাংবিধানিক সরকারের নির্দেশে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পরে তার বিরুদ্ধে চালানো হয় অপপ্রচারের ধারাবর্ষণ। ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের কর্তৃত্ববাদী সরকার গণতন্ত্র ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধা দিয়ে তারেক রহমানকে ঘিরে বিছাতে থাকে নানা চক্রান্তজাল। মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে তারেক রহমানকে হেয় করার জন্য রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করা হয়। অথচ দেশের কোথায়ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা ছিল না। দিনের পর দিন রিমান্ডের নামে নিষ্ঠুর নির্যাতন করা হয়। পৈশাচিক, শারীরিক অত্যাচারে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নিমর্ম অত্যাচারে তারেক রহমান মুক্তির পরও হাসপাতালের বিছানা থেকে উঠতে পারেননি।

    তিনি আরও বলেন, ১১/১-এর সরকার যে মামলায় তারেক রহমানের নাম অভিযোগপত্রে দিতে পারেনি, ক্ষমতাসীন হওয়ার পর সেই মামলায় সম্পূরক চার্জশিট দিয়ে তারেক রহমানের নাম দেয়া হয়েছে। সুতরাং এই নাম দেয়া সরকারের প্রতিহিংসার চরিতার্থেরই নামান্তর। অর্থাৎ নির্দোষ তারেক রহমান আওয়ামী সরকারের আক্রোষের শিকার।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সমকালীন রাজনীতির সবচেয়ে জনপ্রিয় জননেতা তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস এবারে যথাযথভাবে পালন করা যায়নি। কারণ, দেশে এখন অন্ধকার শ্বাসরোধী পরিবেশ। তারেক রহমানের ওপর সরকারের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ধারা এখনও বয়ে চলেছে। নানাভাবে তাকে বিপর্যস্ত-বিপন্ন করার জন্য সরকার কূটচাল চেলেই যাচ্ছে। তথাকথিত আইনি প্রক্রিয়ার নামে মিথ্যা মামলা ও অন্যায় সাজা দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসাপূরণের গতি অব্যাহত আছে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া অন্যায় বিচারে কারাবন্দি। প্রতিহিংসা চরিতার্থের নেশায় উম্মাদ সরকার দেশনেত্রীকে হয়রানি ও হেনস্তা করার জন্য বানোয়াট মামলা এবং পরিকল্পিত আইনি প্রক্রিয়ার নামে তাকে সাজা দিয়েছে। এক ব্যক্তির অদম্য ক্রোধ ও হিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটছে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ওপর।

    তিনি বলেন, ‘এক ভয়াঙ্কর রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশে বিরাজমান। গুম-খুন, লুটপাট, অর্থ আত্মসাৎ ও দখলের মহাসমারহে গণতন্ত্রকে বন্দী করা হয়েছে। বন্দী করা হয়েছে গণতন্ত্র স্বীকৃত বিরোধীদলের অধিকার, মানুষের কথা বলার অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে। সারাদেশ আজ বন্দীশালায় পরিণত হয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্তবলয়ে বন্দী দেশবাসী। এমতাবস্থায় আমরা সকলে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস স্মরণ করছি। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। দুঃশাসনের অবসানে তার অতিদ্রুত দেশে ফেরার জন্য দেশবাসীসহ সকলে প্রতীক্ষা করছি।’

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।