Author: banglarmukh official

  • ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

    ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

    ‘গণতন্ত্রের বিজয় সুনিশ্চিত করা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে ১৪ দল। এ ছাড়াও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল। নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সমাবেশ অব্যাহত থাকবে।’

    কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আজ শনিবার কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

    এর আগে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি (জেপি)’র মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসে তখন অশুভ একটি মহল ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো ওই অশুভ শক্তি আবারো নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে কোনো অবান্তর, অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক দাবি দেশের মানুষ মানবে না। কারণ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)’র মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।

    নাসিম বলেন, সংবিধান বিরোধী কোনো কোনো কাজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না এবং তা মেনে নেওয়া হবে না। আগামী ডিসেম্বরেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    নির্বাচনের আগে সংলাপের দাবি নাকচ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দল অর্থহীন সংলাপের পক্ষে নেই। সংলাপের অর্থ হলো নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া এবং অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনা।

    ‘বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করাই বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের করা মন্তব্যের জবাবে নাসিম বলেন, দেশের জনগণের রায়ের মাধ্যমেই কেবল মাত্র সরকার পরিবর্তন হতে পারে। কোনো দল বা মহল সরকার পরিবর্তন করতে পারবে না।

    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে যেভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাতে দেশের মানুষ আবারো আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। সরকার বদলের বিএনপির স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।

    এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা বা না করার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র এখতিয়ার। তবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল পাওয়া গেছে। কেননা ইভিএমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত অনেক ভোট কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থীরাও জয়লাভ করেছে। আর ভালো জিনিস মেনে নিতে কারো তো কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়।

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোটে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নাসিম বলেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দল একটি আদর্শিক জোট। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া বড় লক্ষ্য নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনই এ জোটের প্রধান লক্ষ্য।

    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল।

  • সাব্বির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ

    সাব্বির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ

    শাস্তি যে বড় হতে চলেছে তা অনুমিতই ছিল। বিসিবির বিভিন্ন সূত্রেও জানা যাচ্ছিল, এবার আর পার পাবেন না সাব্বির রহমান। একের পর এক অঘটন ঘটানো এই ক্রিকেটারকে এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ শনিবার বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সুপারিশ করা হয়। বোর্ড মিটিংয়ে তা অনুমোদন পেলে শাস্তি কার্যকর হবে।

    বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির এই শুনানিতে আসা আরেক ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে সতর্ক করা হয়েছে। সৈকতের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌতুক এবং নির্যাতনের মামলা করেছেন তার স্ত্রী সামিয়া। মোসাদ্দেক স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছেন দাবি করলেও সামিয়ার পরিবার এটা অস্বীকার করেছে।

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে একের পর এক কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় সাব্বির রহমান। গত ডিসেম্বরে রাজশাহীতে জাতীয় লিগের ম্যাচ চলাকালে এক কিশোরকে পিটিয়েছিলেন তিনি। সতীর্থ মেহেদী মিরাজের সঙ্গেও তিনি অসাদচরণ করেছেন। ক্যারিয়ারে বিভিন্ন সময়ে শৃঙ্খলাভঙ্গ করা সাব্বির সম্প্রতি বিতর্ক ছড়ান ফেসবুকে এক ভক্তকে গালাগাল করে। তাছাড়া উশৃঙ্খল জীবনযাপনের অসংখ্য অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। আসন্ন এশিয়া কাপের দল থেকেও বাদ পড়েছেন তিনি।

    শুনানি শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে শৃঙ্খলা কমিটির অন্যতম সদস্য এবং বিসিবি পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেছেন, আজ দুটি শুনানি ছিল। সিদ্ধান্ত বলব না, আমাদের সুপারিশ, যেটা বোর্ড সভাপতি বরাবর দেব। সাব্বিরের শুনানিতে যেটা হয়েছে, ওকে আমরা ৬ মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছি।

  • বিএনপি নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

    বিএনপি নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

    তিনি বলে, এমন বিরোধী দল বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। তারা গত ১০ বছরে ১০ মিনিটের জন্য আন্দোলন করতে পারেনি। এ ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের নেতাদের পদত্যাগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    শনিবার বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিএনপির মতো ব্যর্থ দল আর কোথাও নাই। তারা সবসময় সর্বাত্মক আন্দোলনের কথা বলে। কিন্তু তারা এমন কোনো আন্দোলন করতে পারেনি যার কারণে সরকার গত দশ বছরে দুই মিনিটের জন্য অস্বস্তিতে পড়েছে। তাই আমি বলবো এ ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে বিএনপির সকল নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত।

    এ সময় তিনি নির্বাচন সামনে রেখে জোট ভাঙা-গড়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। জোটের শরিকদের জন্য ৬৫ থেকে ৭০ টি আসন ছেড়ে দেয়ার কথা চিন্তাভাবনা করছে আওয়ামী লীগ বলে জানান তিনি।

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি জন্য বিএনপি নেতাদের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে সরকারের কিছু নেই। এটা আদালতের বিষয়। লিগ্যাল ব্যাটেলে জয় লাভ করে তারা তাদের নেত্রীকে মুক্ত করে আনতে পারে। এক্ষেত্রে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।

    আদালতকে প্রভাবিত করার যে অভিযোগ বিএনপি নেতারা করে আসছেন তার সেটি প্রত্যাখ্যান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যদি সরকার আদালতকে প্রভাবিত করত তাহলে এখন পর্যন্ত ৩০ টি মামলায় তিনি কিভাবে জামিন পেলেন?

    মওদুদ আহমেদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাদের বলেন সংবিধান সম্মত না হলেও তিনি নাকি তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মওদুদ সাহেব আপনারা সংবিধানকে পেছনে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন আপনাদের পক্ষে এটা বলা সম্ভব।

    এসময় বিএনপি নেতাদের বিএনপির প্রতি তিনটি প্রশ্ন ছুড়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, এ তিনটি প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারলে বিএনপি জনগণের কাছে প্রত্যাশা করতে পারে না।  প্রশ্ন তিনটি হলো (১) তারা কেন ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করেছিল, সেই সঙ্গে এটা কে পঞ্চম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছিল? (২) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাবমেরিন কেবল কেন তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল? (৩) তারা কেন তাদের দলের গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাতিল করল এ প্রশ্নগুলোর উত্তর জাতিকে দিতে হবে।

  • নির্বাচন পরিচালনায় সামরিক বাহিনীকে চান ফখরুল

    নির্বাচন পরিচালনায় সামরিক বাহিনীকে চান ফখরুল

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের শেষ কথা অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। সকল রাজবন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। জাতীয় সংসদকে ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেইংফিল্ড তৈরি করতে হবে। সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দিতে হবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

    শনিবার বিকেলে দলটির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। বেলা ২টায় জনসভা শুরু হয়। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুজ্জামান আলীম।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আজকে দুঃস্বপ্ন দেখে তারা ভয়ে চিৎকার করে ওঠে। আসলো, আসলো বিএনপি আসলো, আসলো, আসলো তারেক রহমান আসলো। আসলো, আসলো খালেদা জিয়া আসলো এই ভয়ে রাতে তাদের ঘুম হয় না। ২৪টা ঘণ্টা শুধু বিএনপিভীতি, খালেদা জিয়া-ভীতি, তারেক রহমান-ভীতি, এর থেকে বাঁচার জন্য কত রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে, এখন নিয়ে আসছে ইভিএম। এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।’

    বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও দেশবাসী বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সমস্ত দেশবাসী ও রাজনৈতিক সংগঠনকে আহ্বান জানাতে চাই আসুন এখন আর কোনো বিভেদ নয়, কালবিলম্ব নয়, গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য, বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে রক্ষার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আসুন বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলে এই দুঃশাসনকে এই স্বৈরাচারকে যারা বুকের ওপর চেপে বসে আছে তাদের পরাজিত করি।’

    Fokhrul

    তিনি বলেন, ‘এই জনসভা আজকে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের তরুণরা আবার জেগে উঠেছে। তারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা এনেছে। ১৯৯০ সালে বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল। তারা প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও দেশমাতাকে ফিরিয়ে আনবে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনবে।’

    ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মামলা প্রত্যাহার চাই, তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহার চাই, তার বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মন্ত্রী আগে থেকেই বলে দিচ্ছেন যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তার সাজা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর নতুন করে তদন্ত করা হয়েছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই এই ধরনের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। বাংলাদেশের মানুষ এই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কয়েকদিন আগে কারাগারে আমাদের নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। সরকারকে বলতে চাই অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করুন। তার চিকিৎসার উপযুক্ত ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় সব দায়দায়িত্ব আপনাদেরকে নিতে হবে।’

    ফখরুলের বক্তব্যের মধ্যদিয়ে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে সভা শেষ হয়। এতে অন্যদের মধ্যে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদল সভপতি সাইফুল ইসলাম নীরব প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

    এছাড়াও জনসভায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, তৈমুর আলম খন্দকার, ফরহাদ হালীম ডোনার, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওবায়দুইল ইসলাম, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহ-সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম, আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর!

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর!

    আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে সম্ভাব্য এ তারিখের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে তিনি কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি। নির্দিষ্ট দিনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারাও এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি।

    নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন-সংক্রান্ত ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে।

    ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনে জন্য ৪০ হাজার ৬৫৭টি ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা করেছে ইসি। এর মধ্যে সম্ভাব্য ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৪ হাজার ৪৫৩টি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর আসন অনুসারে ভোটকেন্দ্রের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অনেক আগে থেকেই কার্যক্রম শুরু করেছে। এমনকি তাদের প্রার্থী বাচাইও প্রায় চূড়ান্ত। নেতারা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী সঠিক সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করছেন। তবে এ বিষয়ে বাইরে তারা কিছু প্রকাশ করছেন না।

    আওয়ামী লীগের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করেছে।

    এ ছাড়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার কথাবার্তার মধ্যদিয়েও জানা গেছে, ২৭ ডিসেম্বরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ।

    বিরোধীদল জাতীয় পার্টিও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদও স্বীকার করেছেন যে তিনি ৩০০ আসন এবং ১০০ আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করে রেখেছেন। বিএনপি নির্বাচনে এলে মহাজোটে এবং না এলে বিরোধী দল হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

    তবে আরেক বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এখনো নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে মুখ খুলছে না। তবে তারা এখন পর্যন্ত বলছে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না।

    এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছোটখাট দলগুলোও জোট করে মাঠে নামার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • ওজন নিয়ন্ত্রণে মরিচ!

    ওজন নিয়ন্ত্রণে মরিচ!

    মরিচ ঝাল হয় এর মধ্যে থাকা ক্যাপসিসিন নামক উপাদানের কারণে। আর এই একই উপাদান শরীরের মেটাবলিজমের গতি বাড়িয়ে সহজে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

    বাল্টিমোরে বায়োফিজিক্যাল সোসাইটির ৫৯তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে।

    এই গবেষণায় ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় চর্বিজাতীয় খাবার-দাবার খাওয়ানোর পরেও পরীক্ষাগারের নির্দিষ্ট ইঁদুরকে ক্যাপসিসিন খাওয়ানোর ফলে তাদের ওজন তেমন বাড়ে না। এ তথ্য ওবিস বা অতিরিক্ত ওজনবিশিষ্ট মানুষদের জন্য সুখবর হয়ে হতে পারে।

    ইয়াওমিং ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, মোটাসোটা মানুষের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রনে আনতে ক্যাপসিসিন খুবই কার্যকর হতে পারে। এ ছাড়াও ক্যাপসিসিনের প্রভাবে শরীরের শক্তি (ক্যালোরি) ক্ষয় হয় এবং তাপ উত্পন্ন হয়। এর ফলে সাদা চর্বি রূপান্তরিত হয় বাদামি চর্বিতে। শরীরে সাদা চর্বি শক্তি সঞ্চয় করে রাখে আর বাদামি চর্বি তাপ সৃষ্টি করে। খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকার ফলে মেটাবলিজমের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় এবং ওবেসিটি দেখা দেয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ক্যাপসিসিন-এর এই গুণ।

    এ পরিস্থিতিতে মরিচ বা ঝাল খাওয়াটা উপকারী হলেও এ বিষয়ে খুব সাবধান থাকতে হবে। যদি ভেবে থাকেন একটা টোস্ট বা ডিমের সঙ্গে অনেকগুলো মরিচ খেয়ে নিলেই কাজ হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। এরও একটা নির্দিষ্ট মাপ রয়েছে। এই জন্যই গবেষকেরা ক্যাপসিসিন থেকে প্রাকৃতিক ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট তৈরি করার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন যা শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণই নয়, স্বাস্থ্যের আরও নানা সমস্যার প্রতিকারে কাজে লাগে।

  • বিয়ে করলে কারিনাকেই করতাম মন্তব্য করণের

    বিয়ে করলে কারিনাকেই করতাম মন্তব্য করণের

    করণ জহরের সঙ্গে কারিনা কাপুরের বন্ধুত্বের কথা কারও অজানা নয়। তবে এবার কারিনাকে নিয়ে করণ কি বললেন জানেন?

    সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় টক শোতে উপস্থিত হয়েছিলেন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক করণ জহর। আর সেখানেই নিজের পছন্দের নারী, যৌনতা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় করণকে। আর সেখানেই কারিনার বিষয়টি খোলাসা করেন তিনি।

    যদি কখনও বিয়ে করতেন, তাহলে কে হতেন তার জীবনসঙ্গী? এমন প্রশ্নের উত্তরে করণ স্পষ্টভাবে তার উত্তর দেন। তিনি বলেন, যদি কখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন, তাহলে কারিনাকেই বিয়ে করতেন তিনি। শুধু তাই নয় পছন্দের নারীর বিষয়ে বলার পাশাপাশি যৌনতা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় করণকে। সেখানে তিনি বলেন, তিনি নাকি যৌনতার জন্য সঠিকভাবে উপযুক্ত নন। তবে বলিউডের কাছ থেকে এখনও অনকে কিছু শেখার বাকি আছে বলেও মন্তব্য করেন করণ।

    করণ জহরকে ‘মুভি মাফিয়া’ বলে ডাকেন অর্জুন কাপুর। যদিও সেটা মজার ছলেই। এদিকে বিয়ে না করলেও, যশ এবং রুহির নামে দুই সন্তানের বাবা করণ জহর।

    সম্প্রতি তৈমুর এবং রুহিকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয় করণ জহরকে। সেখানে বলিউডের এই জনপ্রিয় পরিচালক বলেন, কারিনা-পুত্র তৈমুরকে রুহি ‘দাদা’ বলে ডাকুক, তিনি তা কখনও চান না। তৈমুর এবং রুহি যাতে ভবিষ্যতে ‘ডেটিং’ করে, সেটাই তার মনের ইচ্ছা।

    প্রসঙ্গত, শুটিংয়ের ফাঁকে মাঝে মধ্যেই তৈমুরকে নিয়ে করণ জহরের বাড়িতে যান কারিনা কাপুর খান। আর সেখানেই বসে তৈমুর এবং রুহির খেলার আসর। মাঝে মধ্যেই কারিনা কাপুর খান এবং করণ জহরকেও তৈমুরদের খেলার সঙ্গী হিসেবে দেখা যায়। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর পরই তা আবার ভাইরাল হয়ে যায়।

  • সিএনএন ও এনবিসির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

    সিএনএন ও এনবিসির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

    সিএনএন ও এনবিসির ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন (সিএনএন) প্রেসিডেন্ট জেফ জুকারকে
    বরখাস্ত করা উচিত।
    নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে সিএনএন এর পাশাপশি এনবিসি নিউজের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, এনবিসি চেয়ারম্যান অ্যান্ডি ল্যাককেও বরখাস্ত করাটা ভালো হবে।

    ট্রাম্পের অভিযোগ, তার (ট্রাম্পের) প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করায় সিএনএন ঠিকমত কাজই করতে পারছে না।

    জুকার সম্প্রতি হার্ট সার্জারির কারণে সিএনএন থেকে ছয় সপ্তাহের ছুটিতে আছেন। তাকে নিয়ে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের ব্যাপারে সিএনএন কোনো মন্তব্য করেনি।

  • সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে : মওদুদ

    সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে : মওদুদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, দেশের মধ্যে যারাই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চান, তারা আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়া শুরু করেছে। একটি জাতীয় ঐক্য হবে। কারণ আমরা গুম দেখতে চাই না। হত্যা, অপহরণ দেখতে চাই না। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য বেড়ে সামনের দিকে যাচ্ছে। এখন সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে।

    শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, ‘আমার ভয় হয়, কারণ কামাল হোসেনরা যখন জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা শুরু করল, সরকার বলল ভালো। গণতন্ত্রের জন্য ভালো আলোচনা। কিন্তু এখন ঐক্য বেড়ে সামনের দিকে যাচ্ছে। এখন সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে’, মন্তব্য মওদুদের।

    তিনি আরও বলেন, সামনের দিনে যখন এই ঐক্য জনমত তৈরি করবে, তখন হয়তো এই সরকারই সবার আগে আঘাত হানার চেষ্টা করবে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরতদের যেভাবে আঘাত করেছে, গ্রেফতার করেছে; সেভাবে আঘাত ও গ্রেফতার করবে। কিন্তু এবার আর তা পারবে না।

  • ‘আমরা জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল’

    ‘আমরা জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল’

    আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমরা ইভিএম মেশিনের প্রতি নয়, জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল। জনগণ সরাসরি ভোট দিক, আর ইভিএম মেশিনের মাধ্যমেই দিক, যে কোনোটাই আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য।

    শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে বলেন, তিনি কথা তো বলেন এমন, যেগুলোর সঙ্গে তথ্য বা সত্যের কোনো মিল নেই। আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। জনগণ প্রত্যক্ষভাবে ভোট দিয়েছে। কোনো মেশিন দ্বারা নয়।

    আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সব সময় প্রসাদে বসে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে। তারা জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে না। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের আমলে আওয়ামী লীগ জনগণের সরাসরি ভোটে বার বার ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।