Author: banglarmukh official

  • ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫৯

    ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫৯

    ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মোট ১৩ দিনে (১৬-২৮ আগস্ট) প্রাণ হারিয়েছে ২৫৯ ও আহত হয়েছে ৯৬০ জন। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মনিটরিং সেল এসব তথ্য জানিয়েছে।

    সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবার কোরবানির ঈদযাত্রায় ২৩৭টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে যা গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় দুর্ঘটনার ১৪.৪৪ শতাংশ কম।

    পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২৯.১৮ শতাংশ বাস, ২৩.৬ শতাংশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৬.৬ শতাংশ নসিমন-করিমন, ৫.৯ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ১১.১৫ শতাংশ অটোরিকশা, ১৬.৭২ শতাংশ ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল এবং ৯.১৬ শতাংশ অন্যান্য যানবাহন ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

    হতাহতের মধ্যে ১২ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, চার চিকিৎসক, দুই প্রকৌশলী, দুই সাংবাদিক, দুই শিক্ষক, ২০ শিক্ষার্থী, ৫৯ নারী, ৩৪ শিশু, ৪২ চালক-হেলপার এবং আটজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।

  • এবার জনগণ সরকারের মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে’

    এবার জনগণ সরকারের মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে’

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এবার জনগণ সরকারের সকল মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। ভোট নিয়ে অনাচারের পুনরাবৃত্তি জনগণ রুখে দেবে। জনগণের শিলা-কঠিন ঐক্যে ইভিএম নিয়ে সরকারের সব পরিকল্পনা ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে।

    শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় রিজভী আরো বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ভিন্নমতের পরও সিইসি ইভিএম ব্যবহারে মরিয়া। এটা স্পষ্ট, তিনি আগামী ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

    দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আগামীকাল শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও ভালো জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য আমরা সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা প্রত্যাশা করছি, জনসভায় ব্যাপক জনসমাগম ঘটবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান ঢালী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মীর সরফত আলী সপু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মো. মুনির হোসেন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, শনিবার বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ২টায় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

  • দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী সাত দেশের জোট বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

    এর আগে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ফ্লাইট কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর পোখারেল ও নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস।

    বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে দুইদিনের সফরে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৮ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশন এবং শুক্রবার সকালে সমাপনী অধিবেশনসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভুটানের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দাসো শেরিং ওয়াংচুক, শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চ্যান-ও-চা এবং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট এই সম্মেলনে অংশ নেন।

    সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি, ভুটানের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দাসো শেরিং ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

  • ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচন ২০১৮ সালে করার চেষ্টা করছে বিএনপি। তবে এই নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে আর আসবে না। নির্দিষ্ট একটা দলের জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না। গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কোনো দলকে সুযোগ দেয় না।

    শুক্রবার সিলেট সার্কিট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার করতেই আমরা ইভিএম সাপোর্ট করি। নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের ‘খারাপ ধারণা’ দূর করতে ইভিএম দরকার। ইভিএম হচ্ছে আধুনিক ভোটিং পদ্ধতি। সিলেটেও বিএনপি দু’টি ইভিএমের কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। তারা জিতলে মানবে আর হারলেই কারচুপির অভিযোগ তুলবে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারবে না বলেই নানা অভিযোগ দিচ্ছে তারা।

    ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের ‘নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি)’ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, এক জন নোট অব ডিসেন্ট দিতেই পারেন। সিইসিসহ পাঁচ জন কমিশনারের মধ্যে সবার মতামত যে এক হবে এমন তো কোনো কথা নেই। এটাই গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য। একজন ভিন্ন মত দিতেই পারেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, একেএম এনামূল হক শামীম, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

  • এশিয়া কাপ; বিক্রি হয়ে গেছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সব টিকিট

    এশিয়া কাপ; বিক্রি হয়ে গেছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সব টিকিট

    আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্দা উঠবে এশিয়া কাপ ২০১৮ আসরের। এরই মধ্যে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য গ্রুপ পর্বের খেলায় ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রাথমিকভাবে যেসব টিকিট ছাড়া হয় তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। এরপর অনলাইনে অতিরিক্ত টিকিট ছাড়া হয়। সেগুলোও দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে।

    প্রসঙ্গত, টি-২০ বিশ্বকাপের কথা বিবেচনা করে ২০১৬ সালে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ভার্সন টি-টোয়েন্টিতে হলেও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে ৫০ ওভারে। গতবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।

    দুবাইয়ে বাংলাদেশে- শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের এশিয়া কাপ। এবারের আসরটি এশিয়া কাপের ১৪তম আয়োজন। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবে বাছাইপর্ব থেকে উতরে আসা আরও একটি দল। বাছাইপর্বে খেলবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং, নেপাল, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমান।

    গ্রুপ ‘বি’ তে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। এ ছাড়া একই গ্রুপ ‘এ’তে অবস্থান করছে ভারত ও পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বের সেরা চার দলকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সুপার ফোর। সুপার ফোরের সেরা দুই দল খেলবে ফাইনালে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।

    ১৯৮৪ সালে শুরু হওয়া এশিয়া কাপ ২০ ওভারে একবারই অনুষ্ঠিত হয়েছে। এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে এ টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়। গত আসরসহ বাংলাদেশ পাঁচ বার এশিয়া কাপের আয়োজন করে। বাংলাদেশ দুইবার ফাইনালে উঠলেও জিততে পারেনি।

    এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের সূচি
    ১৫ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা, দুবাই
    ১৬ সেপ্টেম্বর – পাকিস্তান বনাম বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা দল, দুবাই
    ১৭ সেপ্টেম্বর – শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান, আবু ধাবি
    ১৮ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা দল, দুবাই
    ১৯ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম পাকিস্তান, দুবাই
    ২০ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান, আবু ধাবি

    সুপার ফোরের সূচি
    ২১ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘এ’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স আপ
    ২১ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘বি’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘এ’ রানার্স আপ
    ২৩ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘এ’ রানার্স আপ বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স আপ
    ২৩ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘এ’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘বি’ বিজয়ী
    ২৫ সেপ্টম্বর– গ্রুপ ‘এ’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘এ’ রানার্স আপ
    ২৬ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘বি’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স আপ

  • বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৮তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৮তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

    অবাধ মুক্ত তথ্য প্রবাহ জনগনের অধিকার আমাদের অঙ্গিকার এ শ্লোগান নিয়ে চলা বরিশাল পেশাধারী সাংবাদিকদের সংগঠন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (বিআরইউ)১৮ তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ শুক্রবার বিআরইউ কার্যালয়ে দিনব্যাপি এ সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বিআরইউ সভাপতি নজরুল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারন সভায় বিগত দিনের রিপোর্ট উপাস্থাপন করেন সাধারন সম্পাদক বাপ্পি মজুমদার।
    বিআরইউ’র আয়-ব্যায়ের উপর রিপোর্ট পেশ করেন কোষাধাক্ষ রবিউল ইসলাম।
    এসময় রিপোর্টের উপর আলোচনা করেন পরিতোষ সরকার,এস.এম মিনার,আনিসুর রহমান,মোখলেচুর রহমান মনি।
    বার্ষিক সাধারন সভার সাধারন আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মিথুন সাহা,শুশান্ত ঘোষ,তন্ময় তপু,দপ্তর সম্পাদক মুসফিক সৌরভ,মাসুক কামাল ও কামরুল আহসান।

    বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যক্রম আরো গতিশীল করা নিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন,সিনিয়র সাংবাদিক এ্যাড. তপন চক্রবর্তী ও সিনিয়র সাংবাদিক এ্যাড. মানবেন্দ্র ব্যাটবল প্রমুখ।
    বার্ষিক সাধারন সভায় বলা হয় নগরীর অপসাংবাদিকতা বন্ধ ও প্রতিরোধ করার জন্য সকল সদস্যদের স্বোচ্ছার হওয়ার আহবান জানানো হয়।

  • বানারীপাড়ায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বানারীপাড়ায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বানারীপাড়ায় ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুই নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে ফজলুল হক ধনুকের স্ত্রী কোহিনুর বেগম(৫৫)’র লাশ বাড়ির আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়ার পরে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

    লাশ উদ্ধারকারী থানার এস আই শাহাদাৎ হোসেন জানান কোহিনুর বেগম মানুষিক রোগী ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকালে একই ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকার সুলতান হোসেনের মেয়ে ফাহিমা আক্তার (১৯)’র লাশ পাশ্ববর্তী নানা বাড়ির একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। প্রাথমিকভাবে এ দুটি ঘটনা আত্মহত্যা বলে পুলিশ ও পরিবারের ধারণা।

    প্রসঙ্গত,বানারীপাড়ায় একের পর এক ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হলেও কোনটির মৃত্যু রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

  • ইসলামী আন্দোলনের ৩০০ আসনের প্রার্থী যারা

    ইসলামী আন্দোলনের ৩০০ আসনের প্রার্থী যারা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বেশ আগেভাগেই ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা করেছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী এই দলটি। বড় কিছু না ঘটলে সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী ইসলামী দল ইসলামী আন্দোলন এককভাবেই সারা দেশে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে।  ইসলামী আন্দোলন স্থানীয় নির্বাচনে বিশেষ করে সিটি করপোরেশনগুলোয় অংশ নিয়ে ভোটে চমক দেখিয়েছে। জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আমরা এককভাবে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৩০০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছি। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব, অর্থনৈতিক ও পারিবারিক অবস্থা, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও দক্ষতা বিবেচনা করেই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

    তালিকায় থাকা প্রার্থীরা হলেন— রংপুর বিভাগ : পঞ্চগড়-১ আলহাজ খন্দকার খাজা আলম, পঞ্চগড়-২ মো. কামরুল হাছান, ঠাকুরগাঁও-১ মো. আবদুল জব্বার, ঠাকুরগাঁও-২ মো. রেজাউল করীম, ঠাকুরগাঁও-৩ আলহাজ মো. নাজিম   উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো. আশরাফুল আলম, দিনাজপুর-২ মো. হাবিবুর রহমান, দিনাজপুর-৩ মাওলানা মুফতি মো. খায়রুজ্জামান, দিনাজপুর-৪ মো. আমিনুল ইসলাম, দিনাজপুর-৫ মাওলানা মো. মতিউর রহমান, দিনাজপুর-৬ মো. নুর আলম সিদ্দিকী, নীলফামারী-১ মো. সাইফুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মো. জহুরুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ মো. আমজাদ হোসেন সরকার, নীলফামারী-৪ মাওলানা শহিদুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ মো. ফজলুল হক, লালমনিরহাট-২ আলহাজ মো. ইব্রাহীম হোসেন খান, লালমনিরহাট-৩ মো. মোকছেদুল ইসলাম, রংপুর-১ মো. মোকতার হোসেন, রংপুর-২ মাওলানা মো. আশরাফ আলী, রংপুর-৩ মো. আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-৪ মো. বদিউজ্জামান, রংপুর-৫ মো. শফিউল আলম, রংপুর-৬ মাওলানা মো. বেলাল হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আলহাজ আবদুর রহমান প্রধান, কুড়িগ্রাম-২ মো. মোকছেদুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আলহাজ মাওলানা গোলাম মোস্তফা, কুড়িগ্রাম-৪ আলহাজ মাওলানা আনছার উদ্দিন, গাইবান্ধা-১ মো. আশরাফুল ইসলাম খন্দকার, গাইবান্ধা-২ মৌলভী মো. আবদুল মোত্তালেব, গাইবান্ধা-৩ আলহাজ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ মো. আবদুর রাজ্জাক।

    রাজশাহী বিভাগ : জয়পুরহাট-১ ডা. মো. জহুরুল ইসলাম, জয়পুরহাট-২ মাওলানা আবদুল বাকী, বগুড়া-১ মুহাম্মদ শফিকুর রহমান সবুজ, বগুড়া-২ মুফতি মো. জামাল উদ্দিন, বগুড়া-৩ মো. শাহজাহান আলী তালুকদার, বগুড়া-৪ মাওলানা ইদ্রিস আলী, বগুড়া-৫ মীর মো. মাহমুদুর রহমান, বগুড়া-৬ আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ, বগুড়া-৭ মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো. মনিরুল রহমান মনিউর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল কাদের, নওগাঁ-১ আলহাজ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ মাওলানা আনিসুর রহমান, নওগাঁ-৩ মো. এমদাদুল হক, নওগাঁ-৪ মো. শফিকুল ইসলাম, নওগাঁ-৫ মো. আশরাফুল ইসলাম, নওগাঁ-৬ মো. শাহজাহান আলী প্রামাণিক, রাজশাহী-১ মাওলানা মো. আরিফুল ইসলাম, রাজশাহী-২ মো. ফয়সাল হোসেন মণি, রাজশাহী-৩ আলহাজ মো. ওসমান গনী, রাজশাহী-৪ হাফেজ মো. আবদুর রশিদ, রাজশাহী-৫ হাফেজ মাওলানা মো. রুহুল আমিন, রাজশাহী-৬ মো. আবদুস সালাম সুরুজ, নাটোর-১ মো. খালেকুজ্জামান, নাটোর-২ অ্যাডভোকেট আমেল খান চৌধুরী, নাটোর-৩ শাহ মোস্তফা ওয়ালি উল্লাহ, নাটোর-৪ মো. বদরুল আমিন, সিরাজগঞ্জ-১ মুফতি আল আমীন সিরাজী, সিরাজগঞ্জ-২ মোহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ, সিরাজগঞ্জ-৩ গাজী মো. আয়নুল হক, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা আবদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ আলহাজ মো. লোকমান হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৬ আলহাজ মেছবাহ উদ্দীন, পাবনা-১ মুফতি আবদুল মতিন, পাবনা-২ মো. ইউনুছ আলী হেলাল, পাবনা-৩ আবদুল মুত্তালিব, পাবনা-৪ মাওলানা আবদুল জলিল, পাবনা-৫ অধ্যাপক আরিফ বিল্লাহ।

    খুলনা বিভাগ : মেহেরপুর-১ মো. আবুল কালাম কাছেমী, মেহেরপুর-২ মাওলানা আবদুল কাদের, কুষ্টিয়া-১ মাওলানা মো. নাজমুল হুদা, কুষ্টিয়া-২ মাওলানা মোজাম্মেল হক, কুষ্টিয়া-৩ মো. আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া-৪ আলহাজ মো. এনামুল হক, চুয়াডাঙ্গা-১ মাওলানা মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-২ মোহাম্মাদ হাসানুজ্জামান, ঝিনাইদহ-১ আলহাজ মো. রায়হান উদ্দীন, ঝিনাইদহ-২ মাওলানা মো. ফখরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ-৩ মাওলানা মো. সরোয়ার হোসাইন, ঝিনাইদহ-৪ ডা. এইচ এম মমতাজুর রহমান, যশোর-১ মো. বক্তিয়ার রহমান, যশোর-২ আসাদুজ্জামান, যশোর-৩ মফিজুল আলম খোকা, যশোর-৪ অধ্যক্ষ মো. নাজমুল হুদা, যশোর-৫ মো. ইবাদুল ইসলাম খালাসী, যশোর-৬ মুফতি আবু ইউসুফ বিশ্বাস, মাগুরা-১ মাওলানা মো. নাজিরুল ইসলাম, মাগুরা-২ মুফতি মোস্তফা কামাল, নড়াইল-১ হাফেজ মো. খবির উদ্দিন, নড়াইল-২ ডা. এস এম নাসির উদ্দীন, বাগেরহাট-১ মো. লিয়াকত আলী শেখ, বাগেরহাট-২ আলহাজ শেখ আতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ মাওলানা শাহজালাল সিরাজী, বাগেরহাট-৪ মাওলানা আবদুল মজিদ হাওলাদার, খুলনা-১ মাওলানা মো. আবু সাঈদ, খুলনা-২ আরিফ বিল্লাহ, খুলনা-৩ মাওলানা মুজাম্মিল হক, খুলনা-৪ হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ, খুলনা-৫ মাওলানা মুজিবুর রহমান, খুলনা-৬ গাজী নূর আহমাদ, সাতক্ষীরা-১ মাওলানা এফ এম আছাদুল হক, সাতক্ষীরা-২ মুফতি রবিউল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৩ মো. ইসহাক আলী সরকার, সাতক্ষীরা-৪ মো. আবদুল করীম। বরিশাল বিভাগ : বরগুনা-২ মো. গোলাম সরোয়ার হিরু, পটুয়াখালী-১ মাওলানা আলতাফুর রহমান, পটুয়াখালী-২ মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৩ ডা. মো. কামাল হোসেন খান, পটুয়াখালী-৪ মাওলানা মুফতি হাবিবুর রহমান, ভোলা-১ মাওলানা মো. ইয়াসিন নবীপুরী, ভোলা-২ জহিরুল ইসলাম, ভোলা-৩ মাওলানা মো. মোছলেউদ্দিন, ভোলা-৪ অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. মহিবুল্যাহ, বরিশাল-১ মো. মেহেদী হাসান রাসেল, বরিশাল-২ আলহাজ মাওলানা মু. নেছার উদ্দিন, বরিশাল-৩ মাওলানা মু. সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল-৪ মুফতি সৈয়দ মো. নুরুল করীম, বরিশাল-৫ মাওলানা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ ফয়জুল করীম, বরিশাল-৬ মো. নুরুল ইসলাম আল আমিন, ঝালকাঠি-১ আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, ঝালকাঠি-২ মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করীম, পিরোজপুর-১ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, পিরোজপুর-২ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, পিরোজপুর-৩ আলহাজ শফি মাহমুদ তালুকদার।

    ঢাকা বিভাগ : টাঙ্গাইল-১ মো. জহিরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-২ মাওলানা মো. আব্বাস আলী, টাঙ্গাইল-৩ আলহাজ হাফেজ মাওলানা রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল-৪ মুফতি আমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৫ আলহাজ খন্দকার ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ মুহাম্মদ আখিনুর মিয়া, টাঙ্গাইল-৭ ডা. মো. রমজান আলী, টাঙ্গাইল-৮ মাওলানা মো. আবদুল লতিফ, জামালপুর-১ মাওলানা আবদুল মজিদ, জামালপুর-২ আলহাজ আবদুল ওয়াহাব ডিহিদার, জামালপুর-৩ মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জামালপুর-৪ হাফেজ মো. আলী আকবর সিদ্দিকী, জামালপুর-৫ ডা. সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ, শেরপুর-১ অ্যাডভোকেট মো. মতিউর রহমান, শেরপুর-২ মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরুল ইসলাম, শেরপুর-৩ হাফেজ মাওলানা আনিছুর রহমান, ময়মনসিংহ-১ আলহাজ হুমায়ুন মো. আবদুল্লাহ আল হাদী, ময়মনসিংহ-২ মুফতি গোলাম মওলা ভুইয়া, ময়মনসিংহ-৩ মাওলানা আইয়ুব আলী নুরানী, ময়মনসিংহ-৪ ডা. নাছির উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৫ আলহাজ মো. সুরুজ্জামান, ময়মনসিংহ-৬ মাওলানা নূরুল আলম সিদ্দিকী, ময়মনসিংহ-৭ মাওলানা আজিজুল হক, ময়মনসিংহ-৮ হাফেজ মাওলানা মো. আনাস জাওহারী, ময়মনসিংহ-৯ মো. সাইদুর রহমান, ময়মনসিংহ-১০ মাওলানা জয়নুল আবেদীন, ময়মনসিংহ-১১ অ্যাডভোকেট আমান উল্লাহ সরকার, নেত্রকোনা-১ মাওলানা মামুনুর রশিদ রব্বানী, নেত্রকোনা-২ মো. খোরশেদ আলী, নেত্রকোনা-৩ মো. জাকির হোসেন, নেত্রকোনা-৫ মো. শামিম হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ মাওলানা মহিউদ্দিন আজমী, কিশোরগঞ্জ-২ মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন রুবেল, কিশোরগঞ্জ-৩ হাফেজ মাওলানা আলমগীর হোসাইন, কিশোরগঞ্জ-৪ হাফেজ মাওলানা আহসান উল্লাহ, কিশোরগঞ্জ-৫ মুহাম্মদ সোহাগ ইবনে নূর, কিশোরগঞ্জ-৬ মুহাম্মদ মুসা খান, মানিকগঞ্জ-১ মো. খোরশেদ আলম, মানিকগঞ্জ-২ মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ-৩ মাহমুদুল মোস্তফা, মুন্সীগঞ্জ-১ কে এম আতিকুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ-২ হাজী মুনসুর আহমাদ মুসা, মুন্সীগঞ্জ-৩ মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ, ঢাকা-১ আলহাজ আবদুল মালেক, ঢাকা-২ মো. জহিরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ আলহাজ সুলতান আহম্মেদ খান, ঢাকা-৪ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, ঢাকা-৫ আলহাজ আলতাফ হোসেন, ঢাকা-৬ আলহাজ মো. মনোয়ার খান, ঢাকা-৭ আলহাজ আবদুর রহমান, ঢাকা-৮ মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, ঢাকা-৯ অ্যাডভোকেট মানিক, ঢাকা-১০ আলহাজ আবদুল আউয়াল, ঢাকা-১১ আলহাজ আমিনুল ইসলাম, ঢাকা-১২ অ্যাডভোকেট শওকাত আলী, ঢাকা-১৩ মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন, ঢাকা-১৫ মুফতি হেমায়েত উল্লাহ, ঢাকা-১৬ হাফেজ মাওলানা মো. ছিদ্দিকুর রহমান, ঢাকা-১৭ মো. আমিনুল হক তালুকদার, ঢাকা-১৮ আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা-১৯ মো. ফারুক খান, ঢাকা-২০ আলহাজ মো. আবদুল মান্নান, গাজীপুর-১ মুফতি আবুল বাশার, গাজীপুর-২ মো. হারুন অর রশিদ, গাজীপুর-৩ হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ, গাজীপুর-৪ মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম সরকার, গাজীপুর-৫ মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, নরসিংদী-১ মো. আশরাফ হোসেন ভূঞা, নরসিংদী-২ মো. আরিফুল ইসলাম, নরসিংদী-৩ মো. ওয়ায়েজ হোসেন ভুইয়া, নরসিংদী-৪ মাওলানা মজিবুর রহমান, নরসিংদী-৫ মাওলানা গোলাম সারওয়ার ফরিদী, নারায়ণগঞ্জ-১ হাজী মো. সৈয়দ আহাম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ-২ মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৩ মাওলানা ছানাউল্লাহ নূরী, নারায়ণগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৫ মুহাম্মদ আবুল কালাম মুন্সি, রাজবাড়ী-২ আলহাজ নুর মোহাম্মাদ, গোপালগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, গোপালগঞ্জ-২ মাওলানা তসলিম শিকদার, মাদারীপুর-১ হাফেজ মাওলানা আবু জাফর, মাদারীপুর-২ লোকমান হোসাইন জাফরী, মাদারীপুর-৩ অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, শরীয়তপুর-১ মুফতি তোফায়েল আহমদ কাসেমী, শরীয়তপুর-২ হাফেজ মাওলানা শওকত আলী, শরীয়তপুর-৩ অ্যাডভোকেট আবু হানিফ।

    সিলেট বিভাগ : সুনামগঞ্জ-১ হাফিজ মাওলানা মুফতি ফখর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ-২ মাওলানা আবদুল হাই, সুনামগঞ্জ-৩ মাওলানা কারি মুহিবুল হক আজাদ, সুনামগঞ্জ-৪ মুহাম্মদ আবদুল গফুর, সুনামগঞ্জ-৫ মাওলানা হোসাইন আহমদ আল হারুন, সিলেট-১ আলহাজ প্রফেসর ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, সিলেট-২ মাওলানা আমির উদ্দিন, সিলেট-৩ এম এ মতিন বাদশা, সিলেট-৪ মো. হানিফ খন্দকার, সিলেট-৫ মো. নূরুল আমিন, সিলেট-৬ মো. আজমল হোসেন, মৌলভীবাজার-১ মো. গিয়াস উদ্দিন, মৌলভীবাজার-২ হাফেজ মতিউর রহমান, মৌলভীবাজার-৩ মাওলানা মোস্তাফা কামাল, মৌলভীবাজার-৪ মাওলানা আবদুল মতিন, হবিগঞ্জ-১ আলহাজ মাওলানা আবদুল হান্নান, হবিগঞ্জ-২ মাওলানা আবুল জামাল মসউদ হাসান, হবিগঞ্জ-৩ মহিব উদ্দিন আহমদ সোহেল, হবিগঞ্জ-৪ মো. কামাল উদ্দিন।

    চট্টগ্রাম বিভাগ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহম্মদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ হাজী জাকির হোসেন মৃধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ আনোয়ার আহাম্মাদ লিটন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আলহাজ মোসলেহ উদ্দিন ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মাওলানা উসমান গনি রাসেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ মাস্টার মো. রেজুয়ান ইসলাম খান, কুমিল্লা-১ মাওলানা বশির আহমদ, কুমিল্লা-২ ইঞ্জিনিয়ার মুহা. আশরাফুল আলম, কুমিল্লা-৩ মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম, কুমিল্লা-৪ ড. মহসিন আলম, কুমিল্লা-৫ মাওলানা মো. রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরী, কুমিল্লা-৬ মাওলানা মো. তৈয়্যব, কুমিল্লা-৭ মাওলানা আবুল কালাম কাশেমী, কুমিল্লা-৮ মাওলানা এ কে এম মিজানুর রহমান ফারুকী, কুমিল্লা-৯ আলহাজ সেলিম মাহমুদ, কুমিল্লা-১০ সৈয়দ মোহাম্মাদ জামাল উদ্দীন, কুমিল্লা-১১ মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূইয়া, চাঁদপুর-১ মাওলানা মো. যোবায়ের আহমদ, চাঁদপুর-২ মাওলানা মো. আফসার উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ মাওলানা মকবুল হোসাইন, চাঁদপুর-৫ হাফেজ মো. শাহাদাত হোসাইন প্রধানিয়া, ফেনী-১ মাওলানা কাজী গোলাম কিবরিয়া, ফেনী-২ মাওলানা নুরুল করিম বেলালী, নোয়াখালী-১ অ্যাডভোকেট এ কে এম এরফান খান, নোয়াখালী-২ মাওলানা খলিলুর রহমান, নোয়াখালী-৩ হাফেজ মাওলানা নজীর আহমদ, নোয়াখালী-৪ মো. আবদুল হান্নান, নোয়াখালী-৫ আবু নাছের, নোয়াখালী-৬ মাওলানা সফিউল্যাহ আল মুস্তফা, লক্ষ্মীপুর-১ ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর-২ মাস্টার শাহজাহান পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর-৩ ক্যাপ্টেন (অব.) মো. ইব্রাহিম, লক্ষ্মীপুর-৪ আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ, চট্টগ্রাম-১ মাওলানা মো. সামসুদ্দিন, চট্টগ্রাম-২ মাওলানা মো. আতিকুল্লাহ বাবুনগরী, চট্টগ্রাম-৪ মো. শামসুল আলম হাসেম, চট্টগ্রাম-৫ ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৬ মাওলানা আবদুল আলী কারিমী, চট্টগ্রাম-৭ অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল হারুন, চট্টগ্রাম-৮ ডা. মো. ফরিদ খান, চট্টগ্রাম-৯ ফারুক হোসেন ভূঞা, চট্টগ্রাম-১০ আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১১ মো. লোকমান হোসেন সওদাগর, চট্টগ্রাম-১২ ডা. বেলাল নুর আজিজী, চট্টগ্রাম-১৩ এরফানুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৪ মুফতি দেলওয়ার হোসাইন সাকি, চট্টগ্রাম-১৫ মাওলানা নুরুল আলম তালুকদার, চট্টগ্রাম-১৬ ফরিদ আহমদ আনছারী, কক্সবাজার-১ মুহাম্মদ আলী আছগর, কক্সবাজার-২ ডা. জসিম উদ্দিন নদভী, কক্সবাজার-৩ মোহাম্মাদ আমিন, কক্সবাজার-৪ মাওলানা মোহাম্মদ শোয়াইব, খাগড়াছড়ি মো. আবদুল জব্বার গাজী, রাঙামাটি মো. জসিম উদ্দিন, বান্দরবান মুফতি শওকাতুল ইসলাম।

  • ধারে বার্সা থেকে ডর্টমুন্ডে আলকাসের

    ধারে বার্সা থেকে ডর্টমুন্ডে আলকাসের

    ২০১৮-২০১৯ মৌসুমের বাকি সময়ের স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা থেকে ধারে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দিয়েছেন পাকো আলকাসের। স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ডকে নিতে জার্মান ক্লাবটির খরচ হয়েছে ২ মিলিয়ন ইউরো। মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ডর্টমুন্ড।

    এ ব্যাপারে ২৪ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড ক্লাবের ওয়েবসাইটে বলেছেন, ‘ডর্টমুন্ড ও তাদের অবিশ্বাস্য সমর্থকদের জন্য খেলতে মুখিয়ে আছি আমি। বুন্দেসলিয়া বিশ্বের অন্যতম সেরা লিগ।’

    এদিকে, মৌসুম শেষে চাইলে আলকাসেরের সঙ্গে পাকাপাকিভাবে চুক্তি করতে পারবে ডর্টমুন্ড। এ জন্য তাদের খরচ হবে আরও ২৫ মিলিয়ন ইউরো।

    উল্লেখ্য, আলকাসের ২০১৬ সালে ভ্যালেন্সিয়া থেকে বার্সায় যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু কাতালান ক্লাবটির নিয়মিত একাদশে নিজের জায়গা পাকা করতে পারেননি তিনি।

  • গভীর রাতে সংস্কার দেখতে সড়কে মেয়র

    গভীর রাতে সংস্কার দেখতে সড়কে মেয়র

    দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর এখনও শপথ নেননি আরিফুল হক চৌধুরী। এই অবস্থায়ই উন্নয়ন কাজ তদারকিতে নেমেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র। নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় পানি সমস্যা সমাধানে বুধবার দিবাগত গভীর রাত পর্যন্ত সময় কাটিয়েছেন তিনি। তার এই কর্মোদ্যম প্রশংসা কুড়িয়েছে উপস্থিত নগরবাসীর।

    বুধবার রাত সাড়ে ১০টা। বন্দরবাজার এলাকায় (জেলরোড রাস্তার দক্ষিণ প্রান্তে) রাস্তা কেটে পানির লাইনের কাজ করছেন সিটি করপোরেশনের কয়েকজন শ্রমিক। হঠাৎ একটি সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামেন নবনির্বাচিত মেয়র আরিফ। তাকে দেখে ছুটে আসেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। জানান, ওই স্থানে বেশ কিছুদিন ধরে সিটি করপোরেশনের পানির লাইন ছিদ্র হয়ে পানি বের হচ্ছে। লাইন ছিদ্র হওয়ায় পানির সাথে কাদা ও বালু মিশে তা পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এমন অভিযোগও করেন স্থানীয়রা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও লোকজনের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়ে শ্রমিকদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন আরিফ। এসময় রাস্তার ডিভাইডারে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ট্রাকের ধাক্কায় হেলে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। আরিফুল হক চৌধুরী বৈদ্যুতিক খুঁটিও পরিবর্তনেরও নির্দেশ দেন তাৎক্ষনিক।

    বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত তিনি উন্নয়ন কাজ তদারকি করেন। ফেরার সময় রাতের মধ্যেই পানির লাইন মেরামত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়ে আসেন আরিফ।

    এ ব্যাপারে আরিফুল হক চৌধুরী জানান, ‘লাইন ফেটে গিয়ে পানির সাথে কাদা-বালু মিশে তা পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া কুশিঘাটের পাম্প চালু হলে ওই স্থানে (জেলরোডের দক্ষিণ প্রান্ত) পাইপের ছিদ্র দিয়ে পানি অনবরত পড়তে থাকে- এমন খবর পেয়ে উন্নয়ন কাজ দেখতে এসেছি। দিনে যাতে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি না হয় সেজন্য রাতের মধ্যেই কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছি।’