Author: banglarmukh official

  • বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    দরজায় কড়া নাড়ছে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন। ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যে গতকাল মঙ্গলবার গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় বৈঠকে মিলিত হন বিকল্পধারার সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি মহাসচিব আবদুল মান্নান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী বলে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

    বৈঠকে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, এই বৈঠকে যারা উপস্থিত আছেন তাঁদের কারোই ভোট নেই। তাই নির্বাচনে ইতিবাচক ফলাফল আনতে হলে যুক্তফ্রন্টকে একটি ‘বিগ ফিশ’ ধরতে হবে। অর্থাৎ একটি বড় দলকে যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে ভেড়াতে হবে।

    আব্দুর রব বলেন, আওয়ামী লীগকে এক্ষেত্রে বিবেচনা করা যাবে না। তাহলে বাকি থাকলো বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে না গেলে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা শূন্য। তাই বিএনপিকে যুক্তফ্রন্টে নিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন আব্দুর রব। আবার জামাত-হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করলে যুক্তফ্রন্টের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন আব্দুর রব।

    এসময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবশ্যই তাঁরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হবেন। ২০ দলীয় জোট ঐক্যে আসলো কী আসলো না তাতে কিছু আসে যায় না। বিএনপি এককভাবে আসলেও তাদের সঙ্গে ঐক্য করা হবে বলে জানান তিনি।

    এই পর্যায়ে জামাতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করা হবে নাকি জামাতকে বাদ দিয়ে ঐক্য করা হবে এ বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে বিতর্ক হয়।

    ড. কামাল হোসেন তখন বিএনপির সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, আগে বিএনপির মনোভাব কী জানা প্রয়োজন। বিএনপি কী করতে চায় তা আগে জানতে হবে। বিএনপির মনোভাব জানার পর দলটির সঙ্গে ঐক্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান ড. কামাল। এরপর সিদ্ধান্ত হয়, বি. চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না ও ড. জাফরুল্লাহ বিএনপির সঙ্গে কথা বলবেন। শিগগিরই তাঁরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্য প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনায় বসবেন বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

  • ‘নেত্রী গ্রিন সিগনাল দিয়েছেন, তাই নেমে পড়েছি’

    ‘নেত্রী গ্রিন সিগনাল দিয়েছেন, তাই নেমে পড়েছি’

    চিত্রনায়ক শাকিল খান দুদিন ধরে বাগেরহাটের মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনে জনসংযোগ করছেন। তিনি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া চাচ্ছেন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে বলছেন।  মঙ্গলবার বিকেলে মোংলা উপজেলার চটেরহাট এলাকায় প্রচারণা সভায় বক্তব্য দেন শাকিল খান। মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইদ্রিস আলীর বাসায় ওই সভা হয়।

    Advertisement সভায় শাকিল খান বলেন, ‘নেত্রী (আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) গ্রিন সিগনাল দিয়েছেন, তাই এলাকায় নেমে পড়েছি। জনগণের কাছে যাচ্ছি, দোয়া চাচ্ছি, ভালো সমর্থনও পাচ্ছি।’ এ সময় শাকিল খান আরো বলেন, আমি নির্বাচনী যে আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি, হয়তো তা অনেকে মনে করতে পারেন এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য (বর্তমান খুলনা সিটি মেয়র) আলহাজ তালুকদার আব্দুল খালেকও বিগত দিনে এ ধরনের কথা বলে গেছেন, তাই আমিও বলছি, এটা আপনারা ভাববেন না। বাস্তবতা হচ্ছে হাতের পাঁচ আঙুল যেমন সমান নয়, সব মানুষের মন তেমন সমান নয়। কাউকে সমানভাবে দেখলে আপনারা ভুল করবেন। দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে থেকে কাজ করে যাচ্ছি, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    শাকিল খান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই বিতাড়িত। অনেক নেতা-কর্মী কষ্টে-ক্ষোভের মধ্যে আছেন। এলাকায়ও ঠিকমতো থাকতে পারেন না। এটি শুনলে নিজের কাছেও অনেক খারাপ লাগে। আমি এই কথাগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছেও বলেছি। তবে আমি যদি আপনাদের মাঝে আসতে পারি, তাহলে আপনাদের সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করব। এমপি নির্বাচিত হলে মোংলা-রামপালের প্রতিটি ঘরে ঘরে যাতে অন্তত একটি করে চাকরি হয় তার ব্যবস্থা করব।

    প্রচারণা সভায় উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইদ্রিস আলী, মোংলা পোর্ট পৌরসভার কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল ইসলামসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের কয়েকশ নেতাকর্মী ও সমর্থক। এর আগে সোমবার দিনভর রামপালের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসংযোগ করেন শাকিল খান।

  • নিহত সুবর্ণার সর্বশেষ ক্রাইম নিউজে কী ছিল ?

    নিহত সুবর্ণার সর্বশেষ ক্রাইম নিউজে কী ছিল ?

    আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল ‘দৈনিক জাগ্রত বাংলা’র সম্পাদক ও প্রকাশক নারী সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখনো কোনো রহস্য উদ্ধার হয়নি। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে জেলার রাধানগরে তার বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

    জানা যায়, ফেসবুক নিয়ে সমস্যায় ছিলেন তিনি। তবে কী ধরণের সমস্যায় তিনি ছিলেন তার কিছু তিনি প্রকাশ করেননি। তবে জুলাই মাসের ১৫ তারিখে একটি সংবাদের লিংক শেয়ার করেন সুবর্ণা; যে পোস্টটি তার শেয়ার করা সর্বশেষ ক্রাইম রিপোর্ট। ১৫ জুলাই তার ওই পত্রিকায় ‘পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বিয়ের প্রলোভনে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি সংবাদের লিংকটি তিনি ফেসবুকে শেয়ার করেন।

    ওই সংবাদে স্থানীয় ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধির বরাত দিয়ে ভাঙ্গুড়ায় এক যুবক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে (১৪) বছরের এক অষ্টম শ্রেনির ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করেছে; এমন অভিযোগের খবর প্রকাশ করা হয়ে। খবরে উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের পাঁচ বেতুয়ান গ্রামের এক কিশোরীকে পার্শ্ববর্তী বেতুয়ান ফকিরপাড়া গ্রামের ঘাট মাঝি আবু সাম এর ছেলে সুজনের (২০) প্রেমের সম্পর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়। ওই খবরে বলা হয়েছে, ‘প্রেমিক সুজন ফোন করে প্রেমিকা কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে জানায় এবং কিশোরীকে বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলে। প্রেমিকের কথা মতো কিশোরী বাড়িতে থাকা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে প্রেমিকের কাছে যায়। এসময় প্রেমিক তার বন্ধু নাঈম ও শাহাবুদ্দিনের সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া উপজেলার বাঘমাড়া বেতকান্দী গ্রামে তার খালার বাড়িতে যায়। এরপর লম্পট প্রেমিক তার খালার বাড়িতে প্রেমিকা কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সারারাত ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে প্রেমিক কাজী ডেকে আনার কথা বলে কিশোরী প্রেমিকার কাছে থাকা ওই টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। পরে প্রেমিকের খালার পরিবার কিশোরীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এরপর ধর্ষণের শিকার কিশোরী তার পরিবারকে বিষয়টি জানালে স্থানীয় গ্রাম প্রধান ও নেতাকর্মীদের জানায় কিশোরীর পরিবার।’

    এদিকে সুবর্ণার তার পুরাতন আইডি ‘Shobarna Nodi’ থেকে গত গত ১২ আগস্ট একটি পোস্ট দেন; যেখানে ‘সুবর্ণা নদী’ নামের আরেকটি আইডিতে বন্ধুতের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতে বলেছিলেন। ‘সুবর্ণা নদী’ নামের নতুন আইডির লিংটি তিনি পুরাতন আইডিতে পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘আমার এই আইডিতে একটু প্রব্লেম হয়েছে। সবাই আমার এই আইডিতে রিকুয়েস্ট পাঠান

  • নারী সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যার নেপথ্যে

    নারী সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যার নেপথ্যে

    পাবনায় নারী সাংবাদিক সুবর্ণা নদী হত্যার কারণ উদঘাটনে কয়েকটি ইস্যু নিয়ে পুলিশ মাঠে নেমেছে। ইতোমধ্যে তার সাবেক শ্বশুর পাবনার ইদ্রাল ইউনানি কোম্পানি ও শিমলা ডায়াগনস্টিকের মালিক আবুল হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

    বড় বোন চম্পা খাতুন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন- পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন। এ মামলায় সুবর্ণা তার সাবেক স্বামী রাজীব ও তার বাবা আবুল হোসেনসহ তিনজনকে আসামি করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি। এ মামলার কারণেই সুবর্ণাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন চম্পা খাতুন।

    সুবর্ণা নদী জেলার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর মেয়ে। আবুল হোসেনের ছেলে রাজীবের সঙ্গে তিন-চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল সুবর্ণার। বছরখানেক আগে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সুবর্ণা স্বামী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে ঢাকায় ও পাবনায় সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। জীবন আশঙ্কায় তিনি অাইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিস্টদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন।

    উল্লেখ, পাবনা পৌর সদরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    সুবর্ণা ‘আনন্দ টিভি’র পাবনা প্রতিনিধি ছিলেন। অনলাইন পোর্টাল দৈনিক জাগ্রতবাংলার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। পাশাপাশি পাবনা বার্তা ২৪ ডটকমসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে কাজ করতেন।

    এর আগেও সুবর্ণার একবার বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারের জান্নাত নামের ৬ বছরের কন্যা সন্তান ও মাকে নিয়ে শহরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে বাসা ভাড়া থাকতেন।

  • চুলে নয়, বলে তাকাও : মালিঙ্গার জন্মদিনে শচীন

    চুলে নয়, বলে তাকাও : মালিঙ্গার জন্মদিনে শচীন

    মঙ্গলবার নিজের ৩৫তম জন্মদিন পালন করেছেন শ্রীলংকার কিংবদন্তী পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। জন্মদিনে ভারতীয় কিংবদন্তী শচীন টেন্ডুলকারের কাছ থেকে মজাদার এক শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন বাহারি ঝাঁকড়া চুলের পেসার মালিঙ্গা।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে মালিঙ্গাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে শচীন লিখেছেন, ‘যখন লাসিথ মালিঙ্গার বিপক্ষে ব্যাটিং করার সময় আসত তখন আমি সবসময় বলতাম, ‘ওর চুলে নয় বলের দিকে তাকাও’। শুভ জন্মদিন প্রিয় বন্ধু।’

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএলে) একসাথে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলার সুবাদে মালিঙ্গার সাথে শচীনের বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। দুজন একসাথে মজার মজার মুহূর্ত কাটিয়েছেন মুম্বাই শিবিরে। যার প্রেক্ষিতেই জন্মদিনে মালিঙ্গার সাথে মজা করে নিলেন শচীন।

    তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে জাতীয় দলে নিজের জায়গাও হারিয়ে ফেলেছেন মালিঙ্গা। ফর্মের পড়তির কারণে বর্তমান লংকান জাতীয় দলে নেই মালিঙ্গা। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৪৯২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। ৩১ টেস্টে ১০১, ২০৪ ওয়ানডেতে ৩০১ ও ৬৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯০ উইকেট রয়েছে মালিঙ্গার নামের পাশে।

  • সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশে বিচারাধীন মামলা সাড়ে ৩৪ লাখ

    সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশে বিচারাধীন মামলা সাড়ে ৩৪ লাখ

    সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৪১৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া সারাদেশের অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫টি। যা সুপ্রিম কোর্টের পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালতে (সকল জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং অধীনস্ত আদালত সমূহ, ট্রাইব্যুনাল, সিএমএম ও সিজেএম আদালত এবং অধীনস্ত আদালতসমূহ) সব মিলিয়ে মোট ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৩টি মামলা বিচারাধীন

    সারাদেশে মামলার এই পরিসংখ্যানের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান  বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে মামলার পরিসংখ্যান বের করার কারণ হলো- প্রথমত, মামলার সংখ্যা জানা। দ্বিতীয়ত, মামলা নিষ্পত্তিতে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা। কোন আদালতে কত মামলা, মামলা নিষ্পত্তির জন্য কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য এই পরিসংখ্যান বলে জানান তিনি।

    এ ছাড়া দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারক সঙ্কট রয়েছে। পরপর দুইজন বিচারপতি পদত্যাগ করার পর এই সংঙ্কট তৈরি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে। তাই বিচারক সঙ্কটে সময় মতো বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়ায় দিনে দিনে মামলার স্তূপ আকার ধারণ করছে। ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন ২০১৮ সাল পযন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা ১৩,০২৬টি। অন্যদিকে, বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা ৬৩৫১টি মামলা। অন্যান্য মামলা ১১৬টি। মোট ১৯৪৯৩টি মামলা আপিল বিভাগে।

    যদিও চলতি বছর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ জন বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৯২টি। অন্যদিকে, বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা ৩ লাখ ১২ হাজার ২০৫টি মামলা। রিট ৭৮৯৩৯টি আদিম রিট ৯৭৭৯টি মামলা।

    তবে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খুব বেশি সংখ্যাক বিচারপতির প্রয়োজন নেই বলে জানালেও আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে প্রায় পাঁচ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

    হাইকোর্টে বিচারকের সংখ্যা কত হবে তা সংবিধানে নির্ধারণ করা নেই। প্রধান বিচারপতির পরামর্শ ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৯৪(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকের সংখ্যা নির্ধারণ ও নিয়োগ করে থাকেন। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘প্রধান বিচারপতি (যিনি ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি’ নামে অভিহিত হবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হইবে।’ বিচার বিভাগের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো মামলা জট। প্রতিবছর যে পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি হয়, তার চেয়ে মামলা দায়ের হয় অনেক বেশি।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৪লাখ ৯৫ হাজার ৪১৫টি মামলা রয়েছে। বিচারিক আদালতে দেওয়ানি মামলা ১২ লাখ ৮৯ হাজার ৮৩৬টি। ফৌজদারি মামলা ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৯টি সহ মোট সংখ্যা ২৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫টি।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশের বিচারকের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখ মানুষের জন্য ১০৭ জন, কানাডায় ৭৫ জন, ইংল্যান্ডে ৫১ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ৪১ জন, ভারতে ১৮ জন বিচারক রয়েছেন। অথচ বাংলাদেশে ১০ লাখ মানুষের জন্য মাত্র ১০ জন বিচারক রয়েছেন। এত অল্পসংখ্যক বিচারক দিয়ে মামলার জট কমানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আদালতে মামলার জট কমাতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এ বিষয়ে সরকার খুবই আন্তরিক। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • তরুণ ভোটাররাই পার করাবে নির্বাচনী বৈতরণী

    তরুণ ভোটাররাই পার করাবে নির্বাচনী বৈতরণী

    কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, বেকার সমস্যা- কোনো কিছুই আওয়ামী লীগের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। এসব সমস্যা আসছে নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তরুণ ও যুব সমাজের জন্য যেভাবে কাজ করছে তাতে তরুণ ভোটাররা আবারও আওয়ামী লীগকে বেছে নেবে রাষ্ট্রক্ষমতায়। এবারও তারাই নির্বাচনের বৈতরণী পার করাবে। এমন আত্মবিশ্বাস ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষকর্তাদের।

    বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৩৮১ জন। এর মধ্যে নতুন ভোটার দুই কোটি ৩০ লাখের বেশি। ক্ষমতাসীনদের প্রত্যাশা, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধিকাংশ তরুণের ভোট পাবে আওয়ামী লীগ। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    তারা জানান, আসছে নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনের জন্য যে ইশতেহার ঘোষণা হবে তাতে তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, নিজের পায়ে দাঁড়াতে বিশেষ ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা, বেকার ভাতাসহ নানা প্লাটফর্মে তরুণদের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ ভোটারদের টার্গেট করে, তাদের মন জয় করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় কাজ করছেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি তরুণদের নিয়ে ভাবছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ভেতরে তাদের কীভাবে প্রবেশ করানো যায় সেই চিন্তায় অনবরত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

    তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন সভা-সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম করছেন। বিভিন্ন টেলিভিশনে তরুণদের নিয়ে মতবিনিময়, মুক্ত আলোচনাও করছেন। তরুণদের ভাবনায় আওয়ামী লীগ গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখছেন তিনি। নিজের ‘ক্লিন ইমেজ’ নিয়ে তরুণ ভোটারদের মন কাড়ার চেষ্টা করছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

    আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) তরুণ ভোটারদের টার্গেট করে ‘ইয়ং বাংলা’ প্লাটফর্ম তৈরি করেছে। এর সঙ্গে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী সম্পৃক্ত। এ প্লাটফর্মের আওতায় তরুণদের উৎসাহিত করতে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হচ্ছে। এ অ্যাওয়ার্ড কর্মসূচিতে তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

    আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা আরও জানান, আওয়ামী লীগের পক্ষে তরুণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গৃহীত হচ্ছে। সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মতে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ‘আওয়ামী লীগের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ লুফে নিয়েছিল তরুণরা। এরই ধারাবাহিকতায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সরকারের প্রথম মেয়াদে এমন পদক্ষেপ নেয়ায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এখন বাস্তব।

    শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ছাড়াও প্রশাসন, ব্যাংকিং, চিকিৎসাসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গণযোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে। প্রতিটি ইউনিয়নে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রায় আট কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। থ্রি-জি, ফোর-জি চালু রয়েছে। ফাইভ-জি চালুর প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্প্রতি সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতলে ফাইভ-জি চালু হবে।

    আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এ প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, ‘তরুণরা যেমন আবেগি তেমনি বুদ্ধিমান। কোন সরকার দেশের জন্য কী করেছে- সেটা তারা যেমন বিচার করতে পারে; আবার কোন সরকার ফের ক্ষমতায় এলে কী করবে- তাও তারা নির্ধারণ করতে পারে।’

    তিনি বলেন, এর আগে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আওয়ামী লীগ ভোটের মাঠে গিয়েছিল। এই তরুণরাই ব্যাপকভাবে সাড়া দেয়ায় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়।

    সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, বেকার সমস্যা- কোনোকিছুই আওয়ামী লীগের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। এসব সমস্যা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

    দলটির অপর প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘যুবক ও তরুণদের জন্য সরকার নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। বেকার যুবকদে স্বাবলম্বী করতে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করছে। সরকার আগামীতে যে ১০০টি শিল্পাঞ্চল করছে তাতে কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে।’

    ‘তরুণ ভোটারদের আওয়ামী লীগের প্রতি আকৃষ্ট করতে নির্বাচনী ইশতেহারেও চমক থাকবে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘যুবক ও তরুণদের টার্গেট করে প্রাথমিক সদস্যপদ দিচ্ছে তৃণমূল আওয়ামী লীগ। ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটিতে অনেককে স্থান দেয়া হচ্ছে। সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতীলীগ, শ্রমিক লীগসহ অন্যান্য সংগঠনে তরুণ ভোটারদের বিভিন্ন শাখা কমিটিতে স্থান দেয়া হচ্ছে। ফলে তরুণ সমাজের অধিকাংশ ভোট পাবে আওয়ামী লীগ।’

     

  • বাসার সামনে নারী সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা

    বাসার সামনে নারী সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা

    আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি সুবর্ণা আক্তার নদীকে (৩২) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাবনা শহরের রাধানগরে নিজবাসার সামনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার কারণ জানা যায়নি।

    পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, পাবনা পৌর সদরের রাধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই কয়েকজন অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।

    p

    পরে তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    সুবর্ণা নদী জেলার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত গ্রামের মৃত আয়ুব আলীর মেয়ে। তার ৫/৬ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

    তিনি স্থানীয় ‘দৈনিক জাগ্রত বাংলা’র সম্পাদক ও প্রকাশক।

  • ‘দেবী’ আসছে অক্টোবরে

    ‘দেবী’ আসছে অক্টোবরে

    অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ ছবিটির মুক্তি আরও এক মাস পিছিয়েছে। ছবির অভিনেত্রী ও প্রযোজক জয়া আহসান ফেসবুকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ছবিটি আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা আর হচ্ছে না। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবরের মাঝামাঝি মুক্তি পাবে ঢালিউডের আলোচিত এ ছবিটি।

    নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলি চরিত্রকে নিয়ে লেখা প্রথম উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে এ ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। ছবিতে ফেসবুকে জয়া আহসান জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে আমরা ‘দেবী’ টীম চলচ্চিত্রটি মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘দেবী’ এখন শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, ‘দেবী’ আমার কাছে একটি সম্পদ। আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য আমার উপহার। আর এই উপহার শুভ দিনে শুভ ক্ষণেই দর্শকদের কাছে তুলে দিতে চাই আমি। হুমায়ূন আহমেদ এবং তার সৃষ্ট মিসির আলি, রানু, আনিস, নীলু, আহমেদ সাবেত চরিত্রগুলো বড় পর্দায় দেখবার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। আমি নিশ্চিত আপনারাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আপনাদের এই আগ্রহের প্রতি সম্মান রেখেই আরেকটি মাস আপনাদের কাছে চাইছি।

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘দেবী’ যেহেতু সরকারি অনুদান পেয়েছে, অনুদান কমিটি ছবিটি দেখবেন। আমাদের সেন্সর বোর্ডের বিজ্ঞ জুরিবোর্ড দেখবেন। তাদের মতামত পাবার পরপরই আমরা ‘দেবী’ আপনাদের কাছে তুলে দিতে পারবো। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে বড় পর্দায় দেশের বড় বড় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পাবে ‘দেবী’। আশা করছি আপনারা শুরু থেকে যেভাবে আমাদের সাথে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত আপনাদের পাশে পাবো। সাংবাদিক ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, ছায়ার মত আমাকে সমর্থন করার জন্য। আপনাদের এই ভালোবাসা একজন নতুন প্রযোজক হিসেবে আমার জন্য আশীর্বাদ।

  • রোহিঙ্গা তরুণীদের সাথে স্থানীয়দের বিয়ে বাড়ছে

    রোহিঙ্গা তরুণীদের সাথে স্থানীয়দের বিয়ে বাড়ছে

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে স্থানীয় যুবক ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা তরুণীদের মধ্যে বিয়ের হার অনেক বেড়ে গেছে। এ অবস্থায়  বিভাগের চার জেলায় বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়ে কাজিদের প্রতি বিশেষ নির্দেশ জারি করেছে সরকার। তবে মাঠ পর্যায়ে কাজীদের মধ্যে এই প্রজ্ঞাপন এখনো পৌঁছায়নি।

    রোহিঙ্গা তরুণীদের সাথে স্থানীয়দের প্রকাশ্য ও গোপনে বিয়ে অব্যাহত আছে। ‘মানবিকতার বিচারে’ স্থানীয় যুবকেরা অসহায় তরুণীদের বিয়ে করছেন।

    এ অবস্থায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে সরকার। সম্প্রতি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারিকৃত বিশেষ নির্দেশে বলা হয়েছে, মিয়ানমার  থেকে সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের বিয়ের প্রবণতা বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় বিয়ে নিবন্ধনে কাজীদের সর্তক থাকতে বলা হয়।

    বান্দরবান কাজি সমিতির সভাপতি মাওলানা আবুল কাসেম জানান, সরকারি এই প্রজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন। তারা সর্তকও রয়েছেন।

    তবে রোহিঙ্গা নারীদের সাথে স্থানীয়দের বিয়ে থেমে নেই। কাজীরা বিয়ে রেজিস্ট্রি না করলেও শুধু কলেমা পড়ে অনেকে বিয়ে করছেন এমন অভিযোগ তারা শুনেছেন। মাওলানা আবুল কাসেম জানান, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলায় যে কোনও বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনে বাংলাদেশি নাগরিক কি না সেবিষয় নিশ্চিত হয়েই নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে। বিয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে জাতীয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই নিবন্ধন করতে হবে প্রজ্ঞাপনে।

    স্থানীয়রা জানান, বান্দরবানের সুয়ালকেও গত সপ্তাহেও মরিয়ম (২১) নামে এক রোহিঙ্গা নারীর সাথে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ে হয়েছে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ায় বউ নিয়ে যুবক এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

    এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন জানিয়েছেন, তারা সর্তক আছেন। যাচাই বাছাই করে বিয়ে নিবন্ধন করতে কাজীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    অবাধে রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে ও মেলা মেশা দেশের জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। রোহিঙ্গা তরুণীদের অনাগত সন্তান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব যেমন দাবি করবে সাথে বিয়ের কিছুদিন পর বিবাহিত রোহিঙ্গারাও বাংলাদেশি বলে দাবি করতে পারে। এ থেকে সৃষ্ট জটিলতা এড়াতে রোহিঙ্গা-বাংলাদেশি বিয়ে বন্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।