Author: banglarmukh official

  • এবার ক্রিকেটার মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ

    এবার ক্রিকেটার মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ

    বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এর বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকার যৌতুক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী শারমিন সামিরা।

    রবিবার বিকেলে ময়মনসিংহে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নেন। পরে বিচারক উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদনের নির্দেশ দেন।

    মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. রেজাউল করিম খান দুলাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেলা ১১টার দিকে মামলাটি দাখিল করলেও বিকেলে মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত তদন্তের নির্দেশ দেন। সৈকত ও তার স্ত্রী সামিরা সম্পর্কে খালাতো ভাই বোন।

    প্রসঙ্গত, নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন রুবেল হোসেন, নাসির হোসেন, আরাফাত সানি, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ শহীদের মতো ক্রিকেটার। সর্বশেষ নারী কেলেঙ্কারিতে যোগ হলো জাতীয় দলের উদীয়মান ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের নাম।

  • সাদিক আবদুল্লাহকে আইভীর অভিনন্দন

    সাদিক আবদুল্লাহকে আইভীর অভিনন্দন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী।

    নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব প্যাডে ১৭৬ নং পত্রে ২০ আগস্ট মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভীর স্বাক্ষরিত অভিনন্দন বার্তাটি বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এ মেয়রের কাছে পৌচেছে।

    বার্তায় বলা হয় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও নারায়নগঞ্জবাসীর পক্ষ হতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

    বার্তায় মেয়র আইভি আরও বলেন গুরুত্বপূর্ন ও পবিত্র এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বরিশালবাসীর প্রত্যাশা পূরন হবে এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস। মহান আল্লাহর নিকট নব নির্বাচিত মেয়রের সুস্বাস্থ্য,দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন মেয়র আইভী।

  • শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের অর্ধ বার্ষিক সাধারণ সভা গতকাল শনিবার ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অর্ধ বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস.এম জাকির হোসেন।

    সভার শুরুতে গত ৬ মাসে মৃত্যুবরনকারী ক্লাব সদস্যদের স্বজন, দেশ ও দেশের বাইরের বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতসহ নিহতদের স্মরনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন ও সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন, অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল, মুরাদ আহমেদ, হুমায়ন কবির, পুলক চ্যাটার্জী, কাজী মকবুল হোসেন, ইসমাইল হোসেন নেগাবান, স্বপন খন্দকার, জাকির হোসেন, কাজী মিরাজ, অপূর্ব অপু, কাজল ঘোষ প্রমুখ।

    সভায় উপস্থাপিত অর্ধ বার্ষিক প্রতিবেদনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষাসহ নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানোর পাশাপাশি সংবাদপত্র মালিকপক্ষকে বেতন ভাতা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়।

    একই সাথে বিভিন্নস্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রেসক্লাব সদস্যদের ভবিষ্যৎ এবং অর্থনৈতিক নিশ্চয়তার লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সাংবাদিক কল্যাণ তহবিল-এর কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহন এবং ওই সময়ের মধ্যে নিয়মানুযায়ী কল্যান তহবিলের কমিটি গঠন করা হবে বলে জানানো হয়। এছাড়া এখন পর্যন্ত যারা কল্যান তহবিলের সদস্য হতে আবেদন করেননি তাদেরকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে আহবান জানানো হয়।

    সভায় জানানো হয় অনাকাঙ্খিত মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারনে ক্লাবের নির্বাচনের আয়োজন করা যায়নি। কিভাবে জটিলতা দূর করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যায় সেব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও সভায় জানান হয়।

  • আরিফিন মোল্লার কাণ্ডে বিব্রত বরিশাল আওয়ামী লীগ!

    আরিফিন মোল্লার কাণ্ডে বিব্রত বরিশাল আওয়ামী লীগ!

    অনলাইন ডেস্ক : বাবা ছিলেন বিএনপির কট্টর সমর্থক। মা যুক্ত ছিলেন জামায়াতের সঙ্গে। ছাত্রলীগ-যুবলীগ কিংবা কোনো অঙ্গ সংগঠনের সঙ্গে নিজে কখনও যুক্ত ছিলেন না, এখনও নেই। দলের সদস্যও নন তিনি। স্থানীয় শীর্ষ নেতারা তার নাম শোনেননি আগে। অথচ নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা ঘোষণা করে মাঠ গরম করে তুলেছেন। বরিশালে এমনই এক স্বঘোষিত ভুঁইফোড় নেতার তুঘলকি কাণ্ডে অতিষ্ঠ জেলা, মহানগর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ যেন ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’। হঠাৎ নেতা বনে যাওয়া এই ব্যক্তির নাম আরিফিন মোল্লা।

    প্রচারে দু-হাত খুলে টাকা ঢালছেন ‘উড়ে এসে জুড়ে বসা’ এই নেতা। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে ঘিরে নগরীতে এই স্বঘোষিত নেতার ব্যয়বহুল আয়োজন ও ব্যাপক প্রচার টনক নড়েছে বরিশাল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের। তারা বলেছেন, আরিফিন মোল্লা আওয়ামী লীগের কেউ না। দলের নাম ব্যবহার করে তিনি যা করছেন, তা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য। তাকে নিয়ে ফেসবুকেও চলছে সমালোচনার ঝড়। তবে আরিফিন মোল্লা দাবি করেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী তিনি। দলে পদ-পদবি নেই, তাই নামের পরে শুধু ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ লেখেন। জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি নিয়ে যারা সমালোচনা করেন, তারা কেন তার মতো আয়োজন করে দেখাতে পারলেন না।

    আরিফিন মোল্লার বাড়ি নগরীর পশ্চিমাংশে সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে। প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করে দলের নামে বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছেন। ঘোষণা দিয়েছেন আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সদর আসনে (বরিশাল-৫) মনোনয়ন চাইবেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেন মোল্লার বড় ছেলে আরিফিন মোল্লা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অপরিচিত এই আরিফিন মোল্লা প্রায় এক বছর আগে হঠাৎ বরিশালে যাতায়াত শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত আনোয়ার হোসেন মোল্লা সপরিবারে ঢাকায় থাকতেন। আরিফিনের জন্মও ঢাকায়। বাড়ি রায়পাশায় হলেও পরিবারের কারোরই গ্রামে আসা-যাওয়া ছিল না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেছেন, আরিফিন মোল্লা ঢাকায় এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে ব্যবসা করেন। বৈধ-অবৈধ ব্যবসায় তিনি এখন নব্য কোটিপতি। আর তাই সম্প্রতি এলাকায় এসে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে নিজেকে নেতা হিসেবে জাহির করতে চাচ্ছেন।

    সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আরিফিন মোল্লা নগরীর চৌমাথা, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী, সদর রোড, সিঅ্যান্ডবি সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২৫টির বেশি তোরণ স্থাপন করেন। ১৬ আগস্ট রায়পাশার বাড়িতে দোয়া অনুষ্ঠানের নামে প্রায় ১০ হাজার মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। মোটা টাকা খরচ করে স্থানীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন ও ব্যানার, বিলবোর্ডে আরিফিন নিজেকে ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ দাবি করায় তাকে ভর্ৎসনা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

    সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম ছবি বলেন, ‘এ নামে কোনো নেতা নেই, তাকে চিনিও না।’ রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান খোকন অভিযোগ করেন, আরিফিনের বাবা মৃত আনোয়ার মোল্লা ছিলেন বিএনপির কট্টর সমর্থক। শুনেছি তার মা জামায়াত করতেন, একবার গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, আরিফিনকে নেতার স্বীকৃতি দিল কে? এটা কি মগের মুল্লুক! জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি বলেন, মোটা টাকা খরচ করে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে আরিফিন যা করছেন, তা অন্যায়। টাকা থাকলেই নেতা হওয়া যায় না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফিন মোল্লা বলেন, দেশের সব জায়গায় ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু বরিশালে দেখছি উল্টো। পদ-পদবি না থাকায় প্রতিবাদও করতে পারছি না। নিজেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচয় দেওয়া আরিফিন দাবি করেছেন, তার পরিবারের কেউ কখনও জামায়াত-বিএনপি করত না।

  • ‘সরকার ২১ আগস্টের রায়কে প্রভাবিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে’

    ‘সরকার ২১ আগস্টের রায়কে প্রভাবিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে’

    সরকার একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রভাবিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।শনিবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
    রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব গতকাল বলেছেন, ২১ আগস্ট মামলার রায় হলে সংকটে পড়বে বিএনপি। আর আগামী সেপ্টেম্বরে সে রায় হবে। কাদের সাহেবরই বক্তব্যেই পরিষ্কার যে তারা নীলনকশা অনুযায়ী ২১ আগস্টের মামলার রায় নিয়ে আগাম কাজ করছেন, সে জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কূটচাল চালছেন।
    গ্রেনেড হামলার ঘটনায় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করে বিএনপির এই  নেতা বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় সরকার নিজেরা লিখে আদালতকে দিয়ে তা বাস্তবায়ন করাবে কি না, মানুষের মনে সেই সংশয় দেখা দিয়েছে। তাদের (সরকার) বক্তব্য শুনে মনে হয়, একটি ফরমায়েশি রায় হতে যাচ্ছে।
    রিজভী আরো বলেন, মানুষের ক্ষোভের ধাক্কায় পতনের ভয়ে সরকারের বুকে ধড়ফড়ানি শুরু হয়েছে। তাই তারা উদ্ভট বক্তব্য রাখছে। কিন্তু যতই ষড়যন্ত্র ও মহাপরিকল্পনা করেন না কেন আপনাদের পতন ঠেকানো যাবে না।
  • বাস তাঁবু খাবার সংক‌টে হাজিরা

    বাস তাঁবু খাবার সংক‌টে হাজিরা

    মিনা, আরাফাত ও মুজদা‌লিফায় বেসরকা‌রি হজ এজেন্সির হাজার হাজার হজযাত্রী‌কে চরম দু‌র্ভোগ পোহা‌তে হ‌য়ে‌ছে। হ‌জের মূল আনুষ্ঠা‌নিকতার পাঁচ‌দিন মিনা, আরাফাত ও মুজদা‌লিফায় হা‌জি প‌রিবহ‌নের জন্য যানবাহন, শীতাতপ নিয়‌ন্ত্রিত তাঁবু ও খাবার সরবরা‌হের কথা থাক‌লেও হজযাত্র‌ী‌দের ৫০ শতাং‌শের ভা‌গ্যে ন্যূনতম সেবাটুকুও মে‌লে‌নি। প‌রিবহন না পে‌য়ে অসংখ্য হজযা‌ত্রীকে মাই‌লের পর মাইল হে‌ঁটে গন্ত‌ব্যে যেতে হয়েছে।

    যারা বাস পে‌য়ে‌ছেন তা‌রা ভাগ্যবান তা-ও বলা যা‌বে না। কারণ আসন সংখ্যার চে‌য়ে তিনগুণ হা‌জি‌কে বা‌সে ঠাঁই দেয়ার ফ‌লে বাসভ্রমণ নরকযাত্রায় রূপ নেয়।

    অনে‌কেরই তাবু‌তে ঠাঁই হয়‌নি। কারও কারও ভা‌গ্যে তাঁবু জুট‌লেও এসি না থাকায় কাঠফাটা গর‌মে নিদারুণ কষ্ট কর‌তে হয়। বহু এজেন্সির যাত্রী‌দের কপা‌লে খাবার জোটেনি। খাবার চাই‌তে গি‌য়ে হজযাত্রীদের অনে‌কে শা‌রীরিক নির্যাত‌নের স্বীকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    তবে হজ এজেন্সিগুলোর দা‌বি, মোয়া‌ল্লে‌মের চরম উদাসীনতা ও অবহেলার কা‌রণে এমন বিপর্যয় ঘ‌টে। আর যাত্রীরা বল‌ছেন, এমন বিপ‌দের সময় এজেন্সির গাইড কিংবা সং‌শ্লিষ্ট কাউ‌কে তারা খু‌ঁজে পান‌নি।

    দু‌দিন আগে বাংলা‌দেশ হজ মে‌ডি‌কেল সেন্টারের সাম‌নে ডাক্তার দেখা‌নোর জন্য অপেক্ষা কর‌ছি‌লেন আনুমা‌নিক ৭০ ও ৬০ বছ‌রের দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। ডাক্তার দেখা‌তে লাই‌নে দা‌ঁড়ি‌য়ে থাক‌লেও মি‌নিট খা‌নেক পরপর মা‌টি‌তে ব‌সে পড়ছি‌লেন। কৌতূহলবশত তা‌দের কী হ‌য়ে‌ছে জান‌তে চাই‌লে তারা জানান, ৮ জিলহজ রা‌তে তারা বা‌সে জায়গা পান‌নি। এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা পা‌য়ে হে‌ঁটে আরাফাত ময়দা‌নে যে‌তে ব‌লেন। সেখা‌নে গি‌য়ে দে‌খেন সব তাঁবু মানুষে পরিপূর্ণ। অগত্যা ফেরার প‌থে আরাফাত ময়দান থে‌কে পা‌য়ে হে‌ঁটে মিনায় গি‌য়ে শয়তান‌কে লক্ষ্য করে পাথর নি‌ক্ষেপের পর আবার পা‌য়ে হে‌ঁটে তাঁবু‌তে ফিরে আসেন।

    ৬০/৭০ ব্ছ‌রে এই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা বলেন, ‘বাবা, খ‌ুব বেশি কষ্ট হই‌ছে। একেতো রাত, তার ওপর রাস্তাঘাট অপ‌রি‌চিত হওয়ায়ও দু’ঘণ্টার পথ পাঁচ ঘণ্টা লে‌গে গেছে।’

    নির্ভর‌যোগ্য সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, ৫২৮টি বেসরকা‌রি হজ এজেন্সির ম‌ধ্যে ২০০ এজেন্সি ২০০-৩০০ যা‌ত্রীর জন্য ১টি এবং অপর ২০০ এজেন্সি প্র‌তি ১০০ জ‌নে ১টি বাস বরাদ্দ দেয়। বাস সংক‌টের কার‌ণে ত‌া‌দের চরম ভোগা‌ন্তি পোহা‌তে হয়।

    ১৩৪ নম্বর তাঁবুর এক হা‌জি জানান, মিনায় তা‌দের তাঁবু‌তে সারা‌দিন এসি নষ্ট থাকায় প্রচণ্ড গর‌মে থাক‌তে হ‌য়ে‌ছে। ১০৫ নম্বর তাঁবু‌তে খাবার ছিল না। দুপু‌রে চাই‌তে গে‌লে মোয়াল্লেম হা‌জি‌দের স‌ঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ক‌রেন। এমনকি কয়েকজন হাজিকে মারধরও করা হয়। তাদের অভিযোগ, কমপক্ষে ৩০০ এজেন্সির হা‌জিরা শুধু ভাত আর ডাল খেয়ে ছিলেন।

    এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকা‌শ না করার শর্তে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) দুজন কর্মকর্তা জানান, তারা হা‌জি‌দের ভোগা‌ন্তির বিষয়‌টি সম্পর্কে অব‌হিত র‌য়ে‌ছেন।

  • কক্সবাজার-টেকনাফে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

    কক্সবাজার-টেকনাফে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

    ২০১৭ সালের এই দিনে নিজ দেশের সেনাবাহিনী, বিজিপি ও উগ্রবাদী বৌদ্ধদের পাশবিক নির্যাতনে প্রাণ হারান অসংখ্য রোহিঙ্গা। প্রাণে বাঁচতে পাহাড়, মাঠ, নদী পার হয়ে জিরোপয়েন্টে এসে জড়ো হয় লাখো রোহিঙ্গা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া হয়। নিজেরা প্রাণে বাঁচলেও স্বজনদের হারিয়ে দিনটিকে কালদিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা।

    সেদিনের ঘটনার বিচার ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার কুতুপালং বাজারে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা।

    southeast

    শনিবার সকাল ১০টার দিকে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা এ বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেয়। একই সময়ে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লকে মিছিলের পাশাপাশি সমাবেশ চলছে বলে জানা যায়। এ মিছিল থেকে নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি জানানো হয়।

    কালোদিবসে কুতুপালং ক্যাম্পে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, নিজ দেশে চরম নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়েছি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের মমতায় আশ্রয় দিয়েছে। সব রকমের সহযোগিতাও দিচ্ছে। এ ঋণ কখনো শোধ হবার নয়। কিন্তু আশ্রিত হয়ে আমরা কতদিন অন্যের ঘাড়ে পড়ে থাকব। সবকিছু পেলেও এখানে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। কিছুদিন পর আমরা এদেশের বোঝাতে পরিণত হব। তাই স্বদেশে ফিরে যেতে চাই। আন্তর্জাতিক মহলকে অনুরোধ জানাচ্ছি, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করুন। যাতে তারা আমাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন করায়। কারণ আমাদের নিতে মিয়ানমার সামরিক জান্তা টালবাহানা শুরু করেছে।

    Cox-Unrest3

    এ ছাড়া সেদিনের ঘটনার মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানান রোহিঙ্গা নেতারা।

    মিছিলে অংশগ্রহণকারী রোহিঙ্গা আমির আলী বলেন, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনার গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে আমার মা ও ভাই। আমার বোনকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। আমার বাবাও এদেশে পালিয়ে আসার পথে মারা গেছে। সব হারিয়ে নিঃস্ব। তারপরও আমি আমার দেশে ফিরে যেতে চাই। এ কারণে আমি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছি।

    তবে বিক্ষোভের আয়োজনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নায্য অধিকার আদায়ের জন্য কোনো কিছুই আয়োজন করতে হয় না। এখানে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছে।

    বিক্ষোভ মিছিলে থাকা মো. আয়ুব নামের এক রোহিঙ্গা বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই আমরা আজকের এ বিক্ষোভ করেছি। আমরা কি চাই তাই জানানোর জন্যই আমাদের এ প্রয়াস।

    তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই। আর সেজন্য আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা চাই। আমরা সেদিন ঘটনার জন্য দোষীদের বিচার চাই।

    Cox-Unrest3

    প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গার ঢল নামেন। রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার কথা বলে সে দেশের সেনাবাহিনী ধরপাকড় চালায়। সেখানে নির্যাতন, বাড়িঘরে আগুন ও গণধর্ষণ চালালে রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ঠাঁই নিয়েছে ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা।

  • মালয়েশিয়া ছাড়তে হবে লক্ষাধিক বাংলাদেশিকে

    মালয়েশিয়া ছাড়তে হবে লক্ষাধিক বাংলাদেশিকে

    মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরতে হচ্ছে লক্ষাধিক বাংলাদেশিকে। ৩১ আগস্টের মধ্যে দেশে না ফিরলে জেল-জরিমানা হবে। তাই এর আগেই আত্মসমর্পণ করে দেশে ফিরতে হবে তাদের। অবশ্য এখনো  ইমিগ্রেশন এবং পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাদের। এদের বেশিরভাগই বৈধ হওয়ার সুযোগ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফির চেয়েও বেশি অর্থ দালালদের হাতে তুলে দিয়েছিল। কিন্তু প্রতারণা তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। এখন দেশে ফেরার অর্থ দেওয়ার সামর্থ্যও নেই অনেক হতভাগ্য বাংলাদেশির।

    জানা গেছে, ২০১৬ সালে দেশটিতে কর্মরত অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার ঘোষণা দেয় মালয়েশিয়া সরকার। ধাপে ধাপে সময় বাড়িয়ে দীর্ঘ আড়াই বছর চলে বৈধকরণ প্রক্রিয়া। শেষ হয় চলতি বছরের ৩০ জুন। এ প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়া সরকার দুটি প্রোগ্রাম চালু রেখেছিল। এর একটি রি-হিয়ারিং এবং অন্যটি ই-কার্ড। এ দুটি প্রোগ্রামকে ঘিরেই গড়ে ওঠে শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী চক্র। কর্মীদের বৈধ করে দেওয়ার নামে তারা জনপ্রতি ৫-১০ হাজার রিঙ্গিত হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বৈধতা তো দূরের কথা, বৈধ করার নাম করে খেটে খাওয়া অবৈধ কর্মীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। প্রতারকদের হাতে টাকা-পয়সা আর পাসপোর্ট তুলে দিলেও তাদের কপালে জোটেনি বৈধতা। এসব অবৈধের সংখ্যা লাখখানেকেরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তা ও প্রবাসীরা জানান,  মূলত বাংলাদেশি প্রতারকদের কাছেই প্রতারিত হয়েছেন এসব স্বদেশি। প্রতারকরা প্রকাশ্যে এ ধরনের প্রতারণা চালিয়ে অবৈধ কর্মীর কাছ থেকে বৈধ করে দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কর্মীদের বৈধ করতে পারেনি। কর্মীদের টাকাও ফেরত দিচ্ছে না তারা। উল্টো কর্মীদের পুলিশের ভয় দেখানো হচ্ছে। আর এসব প্রতারকের সঙ্গে স্থানীয় মালয়েশিয়ান পুলিশের সখ্যও চোখে পড়ার মতো। এসব কারণে প্রতারক চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে থাকতে হচ্ছে কর্মীদের। পুলিশের ভয়ে পালিয়ে থাকায় বিভিন্ন মালিক তাদের দিয়ে অর্ধেক মজুরিতে কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। ফলে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে মাস শেষে খেয়েপরে বাঁচতেই কষ্ট হচ্ছে অবৈধ কর্মীদের। মানবেতর জীবন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বৈধ হওয়ার আবেদন করতে নিয়মানুসারে ১ হাজার ২০০ রিঙ্গিত জমা দেওয়া লাগলেও অনেকেই প্রতারকদের বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে বৈধ হওয়ার জন্য নিশ্চিত মনে বসেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন ১ জুলাই থেকে মেগা-থ্রি নামে অভিযান শুরু করে মালয়েশীয় সরকার তখন থেকেই আটক হচ্ছেন তারা। আটক হওয়ার পর আদালতের দেওয়া জেল খাটার পর দেশে ফেরার সুযোগ পাবেন এই অবৈধরা। তবে সে জন্য দিতে হবে আরও ৪০০ থেকে ৯০০ রিঙ্গিত।

    বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, বহুদিন মালয়েশিয়া থাকার পরও বৈধ কাগজপত্র না থাকা বাংলাদেশিরা এখন আতঙ্কিত। মালয়েশিয়ার পুলিশ ও ইমিগ্রেশন কোথাও হানা দিচ্ছে, তা জানামাত্র কমিউনিটির লোকজন ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে সবাইকে সতর্ক করে নিমেষে বার্তা পাঠাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও ধরপাকড় এড়ানো যাচ্ছে না। আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের নাগরিকরা আছেন।

    মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইনের খবরে বলা হয়, ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক শ্রী মোস্তাফার আলি বলেছেন, ৩১ আগস্টের মধ্যে এখান থেকে সব অবৈধ শ্রমিককে থ্রি-প্লাস ওয়ান পদ্ধতি অনুসরণ করে নিজ নিজ দেশে ফেরত যেতে হবে। যারা ওই তারিখের মধ্যে দেশে ফিরবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর থেকে কঠোরতম’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন

    ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন

    ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে শুক্রবার স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জাপান। খেলার প্রথমার্ধে স্পেন আধিপত্য ধরে রাখলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি।

    এদিন ম্যাচের ৩৫ মিনিটে স্পেনের ফুটবলার ক্যান্ডেলা আন্দুজা গোল করার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। এরপরে ৩৮ মিনিটে স্পেনের জালে প্রথম গোল জড়ান জাপানি ফুটবলার হিনাতা মিয়াজাওয়া। এর কিছুক্ষণ পরে জাপানের জালে গোল জড়ানো চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় স্পেন। পরে দ্বিতীয়ার্ধে ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে দেন জাপানের সাওরি তাকারাদা। এরপর ৬৫ মিনিটে তৃতীয় গোল করে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ফুকা নাগানো। খেলার ৭১ মিনিটে স্পেনের পক্ষে সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন আন্দুজা।

    শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাপান।

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ইউএনএইচসিআর’র

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ইউএনএইচসিআর’র

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র আন্দ্রেস মাহেসিক।

    রোহিঙ্গা সংকটের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে জেনেভায় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান তিনি।

    আন্দ্রেস মাহেসিক বলেন, সহিংসতা ও সংঘবদ্ধ বৈষম্যের শিকার হয়ে তখন থেকে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়। আর আগে থেকেই সেখানে আশ্রয় নেয় আরো ২ লাখ।

    তিনি বলেন, এই সংকটের শুরু থেকেই ইউএনএইচসিআর অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করে। সড়ক ও আকাশপথে শরণার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা সরবরাহ করা হয়। পাশাপশি গত এক বছরে আমাদের কর্মীরা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিয়ে আসছে। কাউন্সেলিং, যৌন ও লৈঙ্গিক সহিংসতা প্রতিরোধসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে যাচ্ছে আমাদের কর্মীরা।

    ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্প কুতুপালং ৬ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ এই ক্যাম্পে আশ্রয়ন, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় সেবা সহ নারী ও শিশুদের সুরক্ষা প্রদানে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জর মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এছাড়া গত কয়েকমাসে মৌসুমি বৃষ্টি ও ভূমিধসের হাত থেকে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় ব্যাপক কর্মতৎপরতা গ্রহণ করা হয়েছে।’

    তিনি বলেন, এখন যদি আমরা এই সময় এসে মূল্যায়ন করি সেখানে কী অর্জন হয়েছে, তাহলে রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা বাংলাদেশকে সহায়তার জন্য আমরা নতুন করে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি। শরণার্থীদের শিক্ষা, আত্মনির্ভরতাসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবেলায় এই সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি পরিবেশগত প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে দ্রত জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। বনায়ন ধ্বংস ঠেকাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গার খাবার রান্নায় বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে।